আমার ডাক্তার-My doctor

আমার ডাক্তার-My doctor স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সঠিক তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের পেইজটি লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

Get accurate health-related information and suggestions right here.
(1)

Stay connected by liking our page!

স্পর্শ এক ধরনের নীরব ভাষা। প্রতিদিনের জীবনে আমরা তাকে আলাদা করে চিনতে শিখিনি। সে আসে, চলে যায়, কোনো শব্দ না করেই। কিন্ত...
29/01/2026

স্পর্শ এক ধরনের নীরব ভাষা। প্রতিদিনের জীবনে আমরা তাকে আলাদা করে চিনতে শিখিনি। সে আসে, চলে যায়, কোনো শব্দ না করেই। কিন্তু যখন সেই স্পর্শ ভালোবাসা নিয়ে আসে, তখন তার প্রকৃতি বদলে যায়। তখন সে আর কেবল ছোঁয়া থাকে না। সে ধীরে ধীরে আগুন হয়ে ওঠে। জ্বলে ওঠে নিঃশব্দে, কিন্তু তার তাপে ভেতরটা দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ থাকে। ভালোবাসার স্পর্শে শরীর পরে সাড়া দেয়, আগে জেগে ওঠে মন।
নারীকে আগলে রাখা মানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। বরং তার অস্থির আবেগকে শান্তভাবে বুঝে নেওয়া। নারী আবেগে ভরা। তার অনুভূতিগুলো গুছিয়ে রাখা সহজ নয়। সে একসঙ্গে ভালোবাসে, চায়, কষ্ট পায় এবং ভেঙেও পড়ে। তার ভাবনাগুলো ছুটে বেড়ায় নানা দিকে। এই অস্থিরতা তার দুর্বলতা নয়। এই অস্থিরতাই তার গভীরতা, তার তীব্রতা, তার আকর্ষণ।
একজন পুরুষের যত্নে নারী ধীরে ধীরে নিজেকে খুঁজে পায়। মনোযোগ আর ধৈর্যের ভেতর সে নিরাপত্তা অনুভব করে। ভালোবাসার ছোঁয়ায় সে নিজের শক্তিটাকে চিনতে শেখে। গুরুত্ব পেলে সে বুঝতে পারে সে কেবল কারও জীবনের অংশ নয়, সে নিজেই একটি সম্পূর্ণ জগৎ। সম্মান আর মনোযোগ তাকে খুলে দেয়। সেখানে সে নির্ভয়ে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে, নিজের ইচ্ছা, নিজের অনুভূতি নিয়ে।
শীত আসবেই। ঠান্ডা পড়বে। রাত নামলে শরীর কুঁকড়ে যাবে উষ্ণতার খোঁজে। এই নিয়ম কেউ বদলাতে পারে না। কিন্তু তুমি যখন তাকাও, তখন সেই শীতের নিয়ম ভেঙে যায়। তোমার দৃষ্টিতে এমন কিছু আছে যা আমার ভেতরে ধীরে ধীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সে আগুন শরীরের নয়, সে আগুন বিশ্বাসের, আকর্ষণের, নিশ্চয়তার।
তোমার চোখের দিকে তাকালে আমি আশ্রয় পাই। সেখানে কোনো তাড়াহুড়ো নেই, কোনো ভয় নেই। শুধু গভীর এক উষ্ণতা আছে। আমি ধীরে ধীরে গরম হয়ে উঠি নিজের ভেতরেই। সেই উষ্ণতা আমাকে বলে দেয় ভালোবাসা থাকলে শীতও আর ঠান্ডা থাকে না, সে কেবল আরেকটা অজুহাত হয়ে যায় কাছে আসার।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখার ভয়ংকর বাস্তবতা:পর্নোগ্রাফি এমন একটি বিষয়, যেখানে মানুষ খুব সহজেই জড়িয়ে পড়ে কিন্তু সেখান থেকে ...
22/01/2026

অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখার ভয়ংকর বাস্তবতা:

পর্নোগ্রাফি এমন একটি বিষয়, যেখানে মানুষ খুব সহজেই জড়িয়ে পড়ে কিন্তু সেখান থেকে বের হয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়। বর্তমানে পর্ন আসক্তি শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এক ধরনের নীরব মহামারিতে পরিণত হয়েছে। অনেকেই এটিকে সাধারণ অভ্যাস বলে মনে করলেও বাস্তবে এটি মস্তিষ্কের ওপর গভীর ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। একবার এই আসক্তি তৈরি হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের সময়, ভবিষ্যৎ, সম্পর্ক, আত্মসম্মান এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা হারাতে থাকে।
অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক আনন্দ অনুভব করার ক্ষমতা কমে যায়। পর্ন দেখার সময় মস্তিষ্কে অতিরিক্ত ডোপামিন নিঃসৃত হয়, যা ধীরে ধীরে মানুষকে কৃত্রিম উত্তেজনার ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। এর ফলে স্বাভাবিক কাজ, পড়াশোনা বা দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ বিষয়গুলো আর আনন্দ দেয় না। মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, অল্পতেই বিরক্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয় এবং মানসিকভাবে মানুষ ক্রমশ নেতিবাচক চিন্তার দিকে ঝুঁকে পড়ে।
দীর্ঘদিন পর্ন দেখার অভ্যাস মানুষের সামাজিক জীবনের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। বাস্তব মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ কমে যায় এবং একা থাকতে বেশি ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো বিরক্তিকর মনে হয়, পরিবারের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে মানুষ নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা করে ফেলে। কল্পনার জগতে তৈরি হওয়া এই ভুয়া সম্পর্কগুলো মানুষের ভেতরে একাকীত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্ণতা তৈরি করে।
পর্ন আসক্তির আরেকটি গুরুতর দিক হলো যৌন সক্ষমতার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত পর্ন দেখার ফলে যৌন ইচ্ছা কমে যেতে পারে, বাস্তব সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে অস্বস্তি তৈরি হয় এবং নিজের শরীর নিয়ে হীনমন্যতা জন্ম নেয়। অনেক ক্ষেত্রে ইরেক্টাইল সমস্যাও দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে দেখা দেওয়া অনেক যৌন সমস্যার পেছনে পর্ন আসক্তি একটি বড় কারণ।
এই অভ্যাস ঘুমের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। রাতে দেরি করে পর্ন দেখার কারণে ঘুমের স্বাভাবিক সময়সূচি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীর ভারী লাগে, সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হয় এবং কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের শক্তি দুটোই কমে যায় এবং কাজের দক্ষতা হ্রাস পায়।
পর্ন আসক্তি মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর আঘাত হানে। অনেক সময় মানুষ উত্তেজনার মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, কিন্তু পরে তীব্র অপরাধবোধে ভুগতে থাকে। এই অপরাধবোধ ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয় এবং নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় ও হতাশা জন্ম নেয়, যা মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এই আসক্তি সম্পর্ক ও পারিবারিক জীবনেও ভাঙন ধরায়। সঙ্গীর প্রতি আগ্রহ কমে যায়, আবেগিক দূরত্ব বাড়ে এবং পারস্পরিক বিশ্বাস দুর্বল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ও অবাস্তব প্রত্যাশার কারণে দাম্পত্য জীবন ও প্রেমের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর প্রভাব শুধু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং পুরো পরিবার মানসিক চাপে পড়ে।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, পর্ন আসক্তি পড়াশোনা, ক্যারিয়ার এবং জীবনের লক্ষ্য ধ্বংস করে দিতে পারে। এটি মানুষের সময়, শক্তি ও মনোযোগ কেড়ে নেয়। ফলে পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যায়, কাজের প্রতি উদাসীনতা তৈরি হয় এবং অল্প সমস্যাতেই মানুষ হতাশ হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বড় স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং মানুষ নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই নষ্ট করে ফেলে।
সবশেষে বলা যায়, পর্নোগ্রাফি আসক্তি কোনো সাধারণ বদঅভ্যাস নয়। এটি এমন এক নীরব ক্ষতি, যা ধীরে ধীরে একজন মানুষের পুরো জীবনকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তাই এই সমস্যাকে হালকাভাবে না নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। আপনার আশেপাশে যদি কাউকে এই সমস্যায় ভুগতে দেখেন, তাকে বিচার না করে সহানুভূতির সঙ্গে পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে মানবিক কাজ।

আমার ডাক্তার-My doctor

30/12/2025
HAPPY VICTORY DAY 🇧🇩
15/12/2025

HAPPY VICTORY DAY 🇧🇩

মধ্যবয়সী নারীর মোহ: নীরব উষ্ণতায় ভেজা এক রহস্য:মধ্যবয়সী নারী যেন এক গভীর রাতের চাঁদ, যার নরম আলো মানুষকে অজান্তেই নিজের ...
08/12/2025

মধ্যবয়সী নারীর মোহ: নীরব উষ্ণতায় ভেজা এক রহস্য:

মধ্যবয়সী নারী যেন এক গভীর রাতের চাঁদ, যার নরম আলো মানুষকে অজান্তেই নিজের দিকে টেনে আনে। তার সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো নয়, বরং অনুভূতিতে লুকিয়ে থাকে। সময়, অভিজ্ঞতা এবং নিজের ভেতরের জ্ঞানের সঙ্গে তৈরি হওয়া এই দীপ্তি কোনো ঝলমলে আলো নয়, বরং এমন এক শান্ত আলো, যা মনকে ধীরে ধীরে জড়িয়ে ধরে। তার ভেতরে থাকে এমন এক স্থিরতা, যা উপস্থিত থাকলেও চিৎকার করে না, কিন্তু নিঃশব্দে হৃদয়ের গভীরে স্পর্শ করে।

তার হাসি অতি সরল, কিন্তু তার ভেতরে থাকে অদ্ভুত উষ্ণতা। এটি রৌদ্রের মতো ঝলমল নয়, বরং সেদিনের শেষ আলোয় ভেসে আসা কোমল রঙের মতো, ধীর, শান্ত এবং গভীর। যখন সে হাসে, মনে হয় হৃদয়ের খুব ভেতরে এক কোমল ঢেউ জেগে ওঠে। তার হাসিতে নেই অস্থিরতার ঝলক, বরং আছে পরিণত নারীত্বের নিশ্চয়তা, যা দেখলে মনে হয় জীবন পুরোপুরি বোঝা সম্ভব।

তার চোখ দুটি সবচেয়ে মাদকতাময়। এগুলো শুধু দেখে না, অনুভব করে, বোঝে এবং হৃদয় স্পর্শ করে। যখন সে তাকায়, মনে হয় সময় একটু থেমে যায়। চোখের ভেতরের নরম আগুন মানুষকে ধীরে ধীরে তার দিকে টেনে আনে, অদৃশ্য তৃষ্ণা জাগিয়ে তোলে এবং মনের সব দেয়াল ভেঙে দেয়। তার দৃষ্টিতে থাকে এমন রহস্যময় উষ্ণতা, যা মানুষকে নিঃশব্দে মুগ্ধ করে।

তার চলার ভঙ্গি ধীর এবং পরিমিত। কোনো তাড়াহুড়ো নেই, কোনো অতিরঞ্জন নেই, শুধু এমন এক সুরেলা ছন্দ, যা ধীরে ধীরে আশেপাশের সবকিছুকে উষ্ণ করে তোলে। শরীরের আকর্ষণ শুধুই বাহ্যিক নয়, বরং তার ভঙ্গি, ভেতরের শক্তি এবং পরিণত আত্মবিশ্বাসে নিহিত। প্রতিটি পদক্ষেপে থাকে নরম শক্তি, যা উপস্থিত মানুষকে অজান্তেই মন দিয়ে তাকাতে বাধ্য করে।

তার নীরবতাও এক ধরনের আবেশময় ভাষা। সে চুপ থাকে, কিন্তু তার নীরবতা শোনায় হৃদয়ের গভীর অনুভব। এই নীরবতার মধ্যেই থাকে কোমল আহ্বান, ধীরে ধীরে মানুষের মন খুলে যায় এবং মুগ্ধতার বেদনায় ভেসে যায়। এটি কোনো হঠাৎ উত্তেজনা নয়, বরং ধীর, গভীর এবং নরম তাপ, যা মনের ভেতরে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে।

মধ্যবয়সী নারী জানে সে কী চায় এবং কী চায় না। সে আর কারো ছায়া হয়ে থাকতে চায় না এবং নিজের সত্তাকে কখনো ছোট করে দেখায় না। সে খুঁজে এমন একজন মানুষ, যে তার হাসির রেখায় থাকা গল্প বুঝতে পারে, তার ক্লান্ত দিনের নিঃশ্বাস বোঝে, এবং তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার সৌন্দর্য, তার শক্তি এবং তার অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে আজও জীবন্ত এবং উজ্জ্বল।

তার মোহ কখনো তাড়াহুড়ো করে প্রকাশ পায় না। এটি ধীরে ধীরে মানুষের ভেতরে ঢুকে যায়, মনের সব কোণ উষ্ণ করে, এবং দীর্ঘসময় ধরে অদৃশ্যভাবে হৃদয়ে বাস করে। তার উপস্থিতি এতই গভীর যে এটি শুধু আকর্ষণ নয়, বরং অনুভবের এক নিঃশব্দ জাদু, যা হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়, মনকে মুগ্ধ করে এবং মানুষকে তার দিকে ফিরতে বাধ্য করে।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

পা জ্বালাপোড়া করে...তাই আগুনে একটু সেঁক দিচ্ছিল...অতপর পায়ের এই অবস্থা! আচ্ছা,এভাবে যে পুড়ল ওনার ব্যথা লাগেনাই?উত্তর: ন...
07/12/2025

পা জ্বালাপোড়া করে...
তাই আগুনে একটু সেঁক দিচ্ছিল...অতপর পায়ের এই অবস্থা!
আচ্ছা,এভাবে যে পুড়ল ওনার ব্যথা লাগেনাই?

উত্তর: না, লাগে নাই।
কারণ ওনার পায়ে কোন বোধ নাই!!

কেন বোধ চলে যায়?
অনেকদিন ডায়াবেটিস...কন্ট্রোলে নাই...আস্তে আস্তে পায়ের অনুভূতি স্নায়ু (sensory nerve)...মারা যেতে থাকে...তখন পায়ে জ্বালাপোড়া হয়...একে মৃতপ্রায় স্নায়ুর কান্না বলে (Crying of dying nerve)! ডাক্তারী ভাষায় Diabetic Neuropathy বলে!

এই জ্বালাপোড়া কমাতে অনেকেই গরম সেঁক দেয়!
গরম পানি দেয়...!
যেহেতু বোধ নাই...অতিরিক্ত তাপে তখন পুড়ে যায়...এমনকি এই পুড়ে যাওয়াও টের পান না!

উপায় একটাই!
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন! কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখুন!

আর ভুলেও গরম বা ঠান্ডা সেঁক দিবেন না!
দিতে হলে নারিকেল তেল বা অলিভ ওয়েল দিন!

Dr. Saklayen Russel

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া অনুভব: পরিণত নারীর অন্তরঙ্গতার রূপ:জীবনের প্রতিটি বয়সই মানুষকে নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন অনুভূতি ও নতুন ...
06/12/2025

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া অনুভব: পরিণত নারীর অন্তরঙ্গতার রূপ:

জীবনের প্রতিটি বয়সই মানুষকে নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন অনুভূতি ও নতুন আকাঙ্ক্ষার দিকে নিয়ে যায়। কিশোর বয়সে থাকে কৌতূহল আর অজানাকে জানার টান; তরুণ বয়সে থাকে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা এবং নিজেকে আবিষ্কারের প্রবল শক্তি। সময়ের সাথে যখন মানুষ পরিণত হয়ে ওঠে, তখন অন্তরঙ্গতার ভাষা বদলে যেতে থাকে—এটি হয়ে ওঠে আরও ধীর, আরও গভীর, আরও উপস্থিতিপূর্ণ। চল্লিশোর্ধ্ব নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন আরও স্পষ্ট, আরও সুন্দর। কারণ এই বয়সেই নারীরা নিজেদের দেহ ও মনকে সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে চিনতে শেখেন; তারা জানেন কী তাদের শান্তি দেয়, কোন সম্পর্ক তাদের নিরাপদ করে, কোন সান্নিধ্যে তারা নিজেদের সম্পূর্ণ মনে করেন।

চল্লিশের পর নারীরা আর অস্থির থাকেন না; বরং তাদের আকাঙ্ক্ষা হয় পরিণত ও সুসংগঠিত। তাদের কাছে অন্তরঙ্গতা মানে শুধু বাহ্যিক স্পর্শ নয়—মানসিক সহমর্মিতা, সম্মান, বোঝাপড়া এবং সঠিকভাবে পাওয়া সঙ্গ। একটি আন্তরিক কথোপকথন, গভীর মনোযোগ, বা ধীরে রাখা একটি হাত—এসবের মধ্যেই তারা খুঁজে পান কাছাকাছি থাকার উষ্ণতা। এই বয়সে নারীরা নিজেদের প্রয়োজনের কথা খোলামেলা বলতে পারেন, নিজের সীমা রক্ষা করতে পারেন, এবং এমন সম্পর্ক চাইতে পারেন যেখানে তাদের স্বকীয়তা বজায় থাকে। তাদের কামনা তাই আর অস্থিরতার নয়—বরং স্থিরতা, শান্তি এবং গভীর সংযোগের।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের অনুভূতি হয় আরও সূক্ষ্ম, আরও পরিপক্ব। তরুণ বয়সের তীব্র আকর্ষণের জায়গা নেয় নীরব, কিন্তু স্থায়ী এক আগুন—যেখানে উত্তেজনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয় বিশ্বাস, স্বস্তি এবং একে অপরের প্রতি আন্তরিকতা। চল্লিশোর্ধ্ব নারীর কামনা তাই দেখা যায় ধীরে ধীরে জ্বলা আলোর মতো—যা বাইরে থেকে খুব উজ্জ্বল না-ও হতে পারে, কিন্তু ভেতরে থাকে টেকসই উষ্ণতা, দহন এবং সংযোগের শক্তি।

জীবনের পথে বয়স কখনোই লজ্জার নয়—এ এক দীর্ঘ ও সুন্দর যাত্রা, যেখানে প্রতিটি ধাপ মানুষকে নতুন করে অনুভব করতে শেখায়। চল্লিশোর্ধ্ব নারীরা এই যাত্রার এক পরিণত অধ্যায়—তাদের অন্তরঙ্গতা আরও শান্ত, আরও গভীর, আরও মানবিক। কারণ তারা জানেন, জীবনের সত্যিকারের উষ্ণতা বয়সে নয়, বরং বোঝাপড়া, সান্নিধ্য এবং হৃদয়ের স্পর্শেই লুকিয়ে থাকে।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

বিপদ কেটে গেলে মানুষ উৎফুল্ল ও অহংকারী হয়ে যায়। [সুরা হুদঃ ১০]
23/11/2025

বিপদ কেটে গেলে মানুষ উৎফুল্ল ও অহংকারী হয়ে যায়।

[সুরা হুদঃ ১০]

ড. মুহাম্মদ ইউনূস—যাঁর নাম ইতিহাসে অমর:ড. মুহাম্মদ ইউনূস—যাঁর অবদান বিশ্ব কখনো ভুলবে না। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের সম...
22/11/2025

ড. মুহাম্মদ ইউনূস—যাঁর নাম ইতিহাসে অমর:

ড. মুহাম্মদ ইউনূস—যাঁর অবদান বিশ্ব কখনো ভুলবে না। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের সমাজের কিছু সংকীর্ণ মানসিকতার মানুষ তাঁকে বিতর্কিত হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়। সত্য হলো—তিনি সময়ের এক বিরল মানুষ, যিনি কোটি মানুষের জীবন বদলে দিয়েছেন।

গ্রামীণ ব্যাংক—এক অনন্য সৃষ্টি

ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিদেশি অনুদান এনে তিনি গড়ে তোলেন গ্রামীণ ব্যাংক।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য—তিনি নিজের জন্য ব্যাংকের ০.০১% মালিকানাও রাখেননি।
যে ব্যাংকের ২৫% মালিক সরকার, আর বাকি অংশ গরিব নারীদের—এমন মডেলের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই।

তিনি গ্রামীণ ব্যাংককে এমনভাবে তৈরি করেছেন, যাতে এটি কখনোই কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মালিকানায় পরিণত না হয়।

গ্রামীণ গ্রুপ—সামাজিক ব্যবসার সাম্রাজ্য

পরবর্তীতে জর্জ সোরসসহ বিশ্বের বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন—

গ্রামীণ টেলিকম

গ্রামীণ কল্যাণ

গ্রামীণ ফান্ড

গ্রামীণ শক্তি

গ্রামীণ সামগ্রী

গ্রামীণ উদ্যোগ

গ্রামীণ মৎস্য ফাউন্ডেশন

সবগুলো প্রতিষ্ঠানই অলাভজনক কাঠামোর।
এগুলোতে তিনি নিজের জন্য ১% শেয়ারও রাখেননি—যদিও চাইলে মুহূর্তেই বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন।
কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন মানবিক সেবা—সামাজিক ব্যবসার পথ।

সুদখোর?—অজ্ঞতার পরিচয়

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার আজও দেশের অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কম।
তবুও তাঁকে “সুদখোর” বলা হয়—কারণ অনেকেই এখনো বিশ্বাস করতে পারে না যে কোনো ব্যবসা লাভ নয়, মানুষের কল্যাণকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হতে পারে।

ইউনূসের দর্শন ছিল—
“টাকা কামানোর সুখ একরকম, আর মানুষের উপকার করার সুখ—সুপার সুখ।”

তিনি আয় করেন কীভাবে?

অনেকে জানেন না—
ড. ইউনূস বিশ্বের অন্যতম Highest-Paid Public Speaker।
বড় বড় আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তব্য দিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, আর তাঁর জন্য আয়োজকদের দিতে হয় প্রায় ১ লাখ ডলার বা তারও বেশি।
তাঁর কথা শুনতে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাও অপেক্ষা করেন ঘন্টার পর ঘন্টা।

বিশ্বজুড়ে ১০৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে সেন্টার আছে—যেখানে গবেষণা হয় সামাজিক ব্যবসা ও মাইক্রোফাইন্যান্স নিয়ে।

বিশ্বের স্বীকৃতি

নোবেল শান্তি পুরস্কার, কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক সম্মাননা—সবই বলে দেয়:
তিনি শুধু বাংলাদেশের নয়, তিনি বিশ্বের সন্তান।

রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর আচরণ

গত দেড় বছরে তিনি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেননি।
কেউ সমালোচনা করলে তাকে দমন করেননি, ক্ষমতা ব্যবহার করে ভয় দেখাননি।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটে জড়াননি, আত্মীয়স্বজনকে সুবিধা দেননি।
বরং দুর্নীতিগ্রস্ত জায়গাগুলোতে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার চেষ্টা করেছেন।
প্রতিপক্ষকে শত্রু বানিয়ে দেখেননি, মতবিরোধকে দেশবিরোধী বলেননি।

আজকের সময়ে যখন ভিন্নমত মানেই যেন শত্রু—তখন একজন রাষ্ট্রনায়কের এমন নৈতিক অবস্থান নিঃসন্দেহে ভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ।

তাঁর শক্তি ক্ষমতা নয়—আচরণ।

যারা তাঁকে ‘সুদখোর’ বলেন—
তারা শুধু নিজেদের অজ্ঞতার পরিচয় দেয়।
কারণ গুণী মানুষের মূল্যায়ন সবাই করতে পারে না।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস—মানবিকতার এক জীবন্ত প্রতীক, পৃথিবীর মানুষের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার ডাক্তার-My doctor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share