Pharma Bari - ফার্মা বাড়ি

Pharma Bari - ফার্মা বাড়ি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pharma Bari - ফার্মা বাড়ি, Pharmacy / Drugstore, 58/19 D, Uttar Mugda, Dhaka.

Pharma Bari is a online Pharmacy and departmental Store.They are supplied Medical Solutions as like Medicine,Medical devices,Baby and mom care Product and others health care needs.For more products update, keep your eye on www.pharmabari.com and this page

সেফিক্সিম (Cefixime) ওষুধের বিবরণ:-১. থেরাপিউটিক ক্লাসথার্ড-জেনারেশন সেফালোস্পোরিন; বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক।২. উপ...
17/06/2026

সেফিক্সিম (Cefixime) ওষুধের বিবরণ:-

১. থেরাপিউটিক ক্লাস
থার্ড-জেনারেশন সেফালোস্পোরিন; বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক।

২. উপাদান
উপাদান: সেফিক্সিম ট্রাইহাইড্রেট। এটি সাধারণত ২০০ মি.গ্রা. ও ৪০০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল এবং সিরাপ (Suspension) হিসেবে পাওয়া যায়।

৩. ফার্মাকোলজি (গভীর আলোচনা)
কার্যপদ্ধতি: সেফিক্সিম একটি ব্যাকটেরিসাইডাল (ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী) ওষুধ। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর (Cell Wall) তৈরিতে বাধা দেয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের ভেতরে থাকা পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের (PBP) সাথে যুক্ত হয়ে এটি কোষ প্রাচীরের গঠন প্রক্রিয়াকে নষ্ট করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
এটি বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে অত্যন্ত স্থিতিশীল, তাই অনেক শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও কার্যকর। এটি রক্তে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে, তাই দিনে একবার বা দুইবার সেবন করলেই চলে।

৪. ব্যবহারের ক্ষেত্র (ইন্ডিকেশন)
মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI)।
শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণ (ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া)।
মধ্যকর্ণের সংক্রমণ (Otitis Media) - বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।
টনসিলের প্রদাহ বা ফ্যারিনজাইটিস।
টাইফয়েড জ্বর (বিশেষ করে মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টাইফয়েড)।
গনোরিয়া (যৌনবাহিত সংক্রমণ)।

৫. সেবনমাত্রা ও প্রয়োগবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণ সংক্রমণে ২০০-৪০০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার অথবা দুইবার বিভক্ত মাত্রায় (৫-১৪ দিন)।
শিশু (৬ মাস থেকে ১০ বছর): দৈহিক ওজনের ভিত্তিতে প্রতি কেজিতে ৮ মি.গ্রা. করে দৈনিক একবার অথবা দুইবার বিভক্ত মাত্রায়।
প্রয়োগ: এটি খাবারের আগে বা পরে সেবন করা যায়। তবে পেটের সমস্যা এড়াতে খাবারের সাথে সেবন করা ভালো। সিরাপ ব্যবহারের আগে বোতলটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে।

৬. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া (খুবই সাধারণ), বমি ভাব, পেট ব্যথা এবং বদহজম। কদাচিৎ ত্বকে র‍্যাশ বা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

৭. গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকাল
গর্ভাবস্থায় বিশেষ প্রয়োজন হলে ডাক্তার এটি লিখে থাকেন। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এটি সাবধানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হতে পারে কিনা তা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।

৮. সংরক্ষণ
আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন। তৈরি করা সিরাপ সাধারণ তাপমাত্রায় বা ফ্রিজে ১৪ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

World Fatty Liver Day
15/06/2026

World Fatty Liver Day

র‍্যাবিপ্রাজল ইনজেকশন (IV) ডোজ নির্দেশিকা১. থেরাপিউটিক ক্লাসপ্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI); অ্যান্টি-আলসারেন্ট।২. ব্যবহারের...
15/06/2026

র‍্যাবিপ্রাজল ইনজেকশন (IV) ডোজ নির্দেশিকা
১. থেরাপিউটিক ক্লাস
প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI); অ্যান্টি-আলসারেন্ট।

২. ব্যবহারের ক্ষেত্র
তীব্র ডিওডেনাল এবং গ্যাস্ট্রিক আলসার।
গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GORD)।
পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণজনিত সমস্যা (জলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম)।
গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে স্ট্রেস আলসার প্রতিরোধে।

৩. প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজ
সাধারণ ডোজ: ২০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার (শিরাপথে)।
তীব্র সমস্যার ক্ষেত্রে: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ২০ মি.গ্রা. করে দিনে দুইবার প্রয়োগ করা যেতে পারে।
জলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম: শুরুতে ৬০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা হতে পারে।

৪. শিশুদের ডোজ
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত অনুমোদিত নয়।
১২ থেকে ১৮ বছর: ২০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।

৫. প্রয়োগ পদ্ধতি
সরাসরি শিরায় (IV Injection): ২০ মি.গ্রা. ভায়ালে ৫ মিলি সলভেন্ট বা নরমাল স্যালাইন মিশিয়ে কমপক্ষে ৫ মিনিট সময় নিয়ে ধীরে ইনজেকশন দিতে হবে।

স্যালাইনের মাধ্যমে (IV Infusion): তৈরি করা দ্রবণটি ১০০ মিলি স্যালাইনের সাথে মিশিয়ে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ধরে প্রয়োগ করতে হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। পরিবেশ দূষণ রোধ, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং...
06/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। পরিবেশ দূষণ রোধ, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশের এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’

নিচে পরিবেশ দিবসের গুরুত্ব, আমাদের করণীয় এবং এর তাৎপর্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

# # পরিবেশ দিবসের মূল উদ্দেশ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি: প্লাস্টিক দূষণ, বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তন, এবং বন উজাড়করণের মতো মারাত্মক পরিবেশগত সমস্যাগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা।

সক্রিয় অংশগ্রহণ: শুধু সরকার বা সংস্থা নয়, প্রতিটি ব্যক্তি যেন পরিবেশ রক্ষায় নিজের জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে পারে তা উৎসাহিত করা।

নীতি নির্ধারণ: বিশ্বনেতাদের পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন নীতি গ্রহণে চাপ সৃষ্টি করা।

# # আমাদের পৃথিবী: বর্তমান সংকট
বর্তমানে আমাদের গ্রহ বেশ কিছু গুরুতর সংকটের মুখোমুখি:

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বরফ গলছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে।

প্লাস্টিক দূষণ: প্রতি বছর লাখ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য নদী ও সমুদ্রে মিশে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে।

deforestation (বন উজাড়): গাছ কাটার ফলে বন্যপ্রাণীরা বাসস্থান হারাচ্ছে এবং অক্সিজেনের অভাব দেখা দিচ্ছে।

# # পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয়
পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার। ছোট ছোট কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা বড় অবদান রাখতে পারি:

গাছ লাগানো: "একটি গাছ, একটি প্রাণ"। বেশি করে গাছ লাগানো এবং তা পরিচর্যা করা আমাদের প্রথম কর্তব্য।

প্লাস্টিক বর্জন: একবার ব্যবহারযোগ্য (single-use) প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে চটের ব্যাগ বা কাগজের ব্যাগ ব্যবহার করা।

অপচয় রোধ: পানি, বিদ্যুৎ এবং কাগজের অপচয় কমানো।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করা।

একটি কথা মনে রাখা জরুরি:
প্রকৃতি ছাড়া মানুষের অস্তিত্ব অসম্ভব, কিন্তু মানুষ ছাড়াও প্রকৃতি টিকে থাকতে পারে। তাই পৃথিবীকে বাঁচানোর অর্থ আসলে নিজেদের অস্তিত্বকে বাঁচানো।

আসুন, শুধু ৫ই জুন নয়, বছরের প্রতিটি দিনই পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হই এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও সুন্দর পৃথিবী রেখে যাই।

ঈদুল আজহা এর শুভেচ্ছা
30/05/2026

ঈদুল আজহা এর শুভেচ্ছা

ইসোমিপ্রাজল ইনজেকশন (IV) ডোজ নির্দেশিকা১. থেরাপিউটিক ক্লাসপ্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI); অ্যান্টি-আলসারেন্ট।২. ব্যবহারের ক...
12/05/2026

ইসোমিপ্রাজল ইনজেকশন (IV) ডোজ নির্দেশিকা

১. থেরাপিউটিক ক্লাস
প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI); অ্যান্টি-আলসারেন্ট।
২. ব্যবহারের ক্ষেত্র
তীব্র গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GORD)।
পাকস্থলীর ক্ষত বা আলসারজনিত সমস্যা।
এন্ডোস্কোপি করার পর রক্তক্ষরণ বন্ধে বা পুনরায় রক্তক্ষরণ রোধে (উচ্চমাত্রার প্রোটোকল)।
অস্ত্রোপচারের সময় অ্যাসিড নিঃসরণজনিত জটিলতা রোধে।
৩. প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজ
সাধারণ ডোজ: ৪০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার (শিরাপথে)।
তীব্র রক্তক্ষরণ পরবর্তী চিকিৎসা: শুরুতে ৮০ মি.গ্রা. ইনফিউশন (৩০ মিনিট ধরে), এরপর প্রতি ঘণ্টায় ৮ মি.গ্রা. হারে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা কন্টিনিউয়াস ইনফিউশন।
৪. শিশুদের ডোজ (BNFC অনুযায়ী)
১ মাস থেকে ১ বছর: প্রতি কেজিতে ০.৫ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।
১ থেকে ১১ বছর (ওজন ২০ কেজির নিচে): ১০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।
১ থেকে ১১ বছর (ওজন ২০ কেজির উপরে): ১০ বা ২০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।
১২ থেকে ১৮ বছর: ৪০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার।
৫. প্রয়োগ পদ্ধতি
সরাসরি শিরায় (IV Injection): ৪০ মি.গ্রা. ভায়ালে ৫ মিলি নরমাল স্যালাইন মিশিয়ে কমপক্ষে ৩ মিনিট ধরে খুব ধীরগতিতে ইনজেকশন দিতে হবে।
স্যালাইনের মাধ্যমে (IV Infusion): ১০০ মিলি স্যালাইনের সাথে মিশিয়ে ১০ থেকে ৩০ মিনিট ধরে প্রয়োগ করতে হবে।

11/05/2026

ইসোমিপ্রাজল (Esomeprazole) ওষুধের বিবরণ:-

১. থেরাপিউটিক ক্লাস:
প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI); গ্যাস্ট্রিক এসিড সাপপ্রেসেন্ট।

২. উপাদান:
উপাদান: ইসোমিপ্রাজল ম্যাগনেসিয়াম বা সোডিয়াম। এটি ২০ মি.গ্রা. ও ৪০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট/ক্যাপসুল হিসেবে পাওয়া যায়।

৩. ফার্মাকোলজি (গভীর আলোচনা):
কার্যপদ্ধতি: ইসোমিপ্রাজল হলো ওমিপ্রাজলের একটি উন্নত আইসোমার (S-isomer)। এটি পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষের H+/K+-ATPase এনজাইম বা প্রোটন পাম্পকে সরাসরি বাধা দেয়। এটি এসিড উৎপাদনের শেষ ধাপটি ব্লক করে দেয়, যার ফলে পাকস্থলীর অম্লতা বা এসিডিটি দ্রুত হ্রাস পায়।
এটি সাধারণ ওমিপ্রাজলের চেয়ে রক্তে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় এবং এসিড নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে অধিক কার্যকর।

৪. ব্যবহারের ক্ষেত্র (ইন্ডিকেশন):
গ্যাস্ট্রো-ইসফিজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (বুক জ্বালাপোড়া ও টক ঢেকুর)।
পাকস্থলীতে হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (H. pylori) সংক্রমণের কারণে হওয়া আলসার।
দীর্ঘমেয়াদী ব্যথানাশক ওষুধ (NSAID) সেবনের ফলে হওয়া আলসার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়।
জলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম।

৫. সেবনমাত্রা ও প্রয়োগবিধি:
প্রাপ্তবয়স্ক: রোগের তীব্রতা অনুযায়ী ২০ মি.গ্রা. থেকে ৪০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার। এটি সাধারণত সকালে খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে সেবন করতে হয়।
শিশু: ওজনের ওপর ভিত্তি করে ১০ মি.গ্রা. থেকে ২০ মি.গ্রা. দৈনিক একবার (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)।
প্রয়োগ: ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলটি চিবানো বা গুঁড়ো করা যাবে না। পানি দিয়ে গিলে সেবন করতে হবে।

৬. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বমি ভাব। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাড়ের ক্ষয় বা ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হতে পারে।

৭. সতর্কতা:
ক্লোপিডোগ্রেল জাতীয় রক্ত পাতলা করার ওষুধের সাথে এটি সেবনে কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। লিভারের সমস্যা থাকলে ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

৮. সংরক্ষণ:
আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন।

21/04/2026

Generic:Bilastine

ইন্ডিকেশন:
বিলাস্টিন একটি অ্যান্টিহিস্টামিন, যা অ্যালার্জিক অবস্থার লক্ষণ উপশম করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন হে ফিভার (সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস) এবং উর্তিকারিয়া (হাইভস)। এটি শরীরে হিস্টামিনের কাজ ব্লক করে, যা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান, যেমন হাঁচি, সর্দি, এবং চুলকানি।

ডোজ ও প্রশাসন:
প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর-কিশোরী (১২ বছর ও তার বেশি):
২০ মিগ্রা ট্যাবলেট একবার দৈনিক, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, উর্তিকারিয়া এবং অ্যালার্জিক রাইনোকঞ্জাংকটিভাইটিসের লক্ষণ উপশমের জন্য।

সর্বোচ্চ দৈনিক ডোজ ২০ মিগ্রা (১ ট্যাবলেট), এটি অতিক্রম করা উচিত নয়।
যদি ডোজ মিস হয়, পরবর্তী নির্ধারিত ডোজ গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ করবেন না।

৬ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য:
১০ মিগ্রা মুখে দ্রবীভূত ট্যাবলেট একবার দৈনিক, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, অ্যালার্জিক রাইনোকঞ্জাংকটিভাইটিস এবং উর্তিকারিয়া উপশমের জন্য।
ট্যাবলেটটি মুখে রাখতে হবে এবং এটি লালার মাধ্যমে দ্রবীভূত হয়ে সহজেই গিলতে হবে। অথবা, একটি চামচ পানিতে ট্যাবলেটটি দ্রবীভূত করে গিলতে হবে।
সর্বোচ্চ দৈনিক ডোজ ১০ মিগ্রা (১ ট্যাবলেট)। ডোজ মিস হলে পরবর্তী ডোজ গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ করবেন না।

২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য:৪ মিলি একবার দৈনিক।

ফার্মাকোলজি:
বিলাস্টিন একটি সেকেন্ড-জেনারেশন অ্যান্টিহিস্টামিন, যা শরীরের হিস্টামিন রিসেপ্টর (H1 রিসেপ্টর) ব্লক করে। হিস্টামিনের কাজ রোধ করার মাধ্যমে এটি অ্যালার্জি লক্ষণ যেমন হাঁচি, চুলকানি, এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে।

Interaction :
বিলাস্টিন অন্যান্য ওষুধের সাথে পারস্পরিক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিবায়োটিক এবং যেসব ওষুধ লিভারের এনজাইমকে প্রভাবিত করে। এই ইন্টারঅ্যাকশনগুলো বিলাস্টিনের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে অথবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ:
বিলাস্টিন কেটোকোনাজোল এবং ইট্রাকোনাজোল মতো অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। এই ওষুধগুলো বিলাস্টিনের রক্তে স্তর বৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে এর প্রভাব বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়তে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক:
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক যেমন এরিথ্রোমাইসিন, বিলাস্টিনের মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে বিলাস্টিনের রক্তে স্তর বেড়ে যেতে পারে, এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে।
লিভারের এনজাইম প্রভাবিতকারী ওষুধ:
যেসব ওষুধ লিভারের এনজাইমকে প্রভাবিত করে (যেমন রিটোনাভির বা কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্ট) সেগুলো বিলাস্টিনের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে এর কার্যকারিতা পরিবর্তিত হতে পারে।
সিমেটিডিন:
সিমেটিডিন, একটি ওষুধ যা পেটের এসিড কমায়, বিলাস্টিনের মেটাবলিজমে বাধা দিতে পারে, যার ফলে বিলাস্টিনের রক্তে স্তর বাড়তে পারে।
অ্যালকোহল:
যদিও বিলাস্টিন প্রথম-জেনারেশন অ্যান্টিহিস্টামিনের চেয়ে কম সেডেটিং, তবে অ্যালকোহলের সাথে এটি গ্রহণ করলে সেডেটিভ প্রভাব বাড়তে পারে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:বিলাস্টিনের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মাথাব্যথা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া এবং সামান্য সেডেশন হতে পারে (যদিও প্রথম-জেনারেশন অ্যান্টিহিস্টামিনের তুলনায় কম)। যদি শ্বাসকষ্ট বা মুখ ও গলার ফুলে ওঠা দেখা দেয়, তাহলে জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যপান:
বিলাস্টিন গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে ব্যবহার করতে হবে, এবং এটি ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। স্তন্যপানকালীন এটি এড়িয়ে চলা উচিত, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত ডোজ:
অতিরিক্ত ডোজ নিলে, সাধারণত ঘুম, দ্রুত হৃদস্পন্দন এবং মাথা ঘোরা মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ডোজ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

স্টোরেজ শর্তাবলী:
বিলাস্টিন ট্যাবলেটগুলি ১৫-২৫°C তাপমাত্রায় শুকনো স্থানে, আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর এটি ব্যবহার করবেন না।

থেরাপিউটিক ক্লাস:
বিলাস্টিন সেকেন্ড-জেনারেশন অ্যান্টিহিস্টামিন ক্লাসে পড়ে, যা অ্যালার্জিক অবস্থার লক্ষণ উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন রাইনাইটিস এবং উর্তিকারিয়া।

18/04/2026

বাংলা নাম: আজিথ্রোমাইসিন
ইংরেজি নাম: Azithromycin

পরিচিতি:
Azithromycin একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি Macrolide antibiotic শ্রেণীর ওষুধ।

ব্যবহার (Indications):
গলা ব্যথা ও টনসিল ইনফেকশন
সাইনাস ইনফেকশন
কান ইনফেকশন
নিউমোনিয়া
ব্রংকাইটিস
ত্বকের সংক্রমণ
টাইফয়েড (কিছু ক্ষেত্রে)
যৌনবাহিত সংক্রমণ (যেমন Chlamydia)

কাজ করার পদ্ধতি:
এটি ব্যাকটেরিয়ার protein synthesis বন্ধ করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় না এবং ধ্বংস হয়।

ডোজ (সাধারণ):
Adult: 500 mg প্রথম দিন, তারপর 250 mg করে ৪ দিন (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)

Child: ওজন অনুযায়ী syrup suspension দেওয়া হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
বমি বমি ভাব
ডায়রিয়া
পেট ব্যথা
মাথা ঘোরা
র‍্যাশ

সতর্কতা:
লিভার রোগ থাকলে সতর্কতা প্রয়োজন
হার্টের rhythm সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান

পুরো কোর্স শেষ করতে হবে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান:
ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।

সংরক্ষণ:
শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে রাখুন, শিশুর নাগালের বাইরে।

Address

58/19 D, Uttar Mugda
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pharma Bari - ফার্মা বাড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share