25/05/2026
জিন শাইতান শুরুতেই মানুষের শরীরকে শক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে না। বরং সে মানুষের মন ও চিন্তাকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে, মানুষ মনে করতে থাকে সে অসহায়, তার কোনো ইচ্ছাশক্তি নেই। এভাবেই ধীরে ধীরে রোগীর স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দুর্বল হয়ে যায় এবং সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
তখন সেই শাইতান মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।
সে মানুষের অবচেতন মনে বারবার নীরবভাবে কিছু নেতিবাচক চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়, যেমন: “তুমি কখনো সুস্থ হবে না, তুমি বাধ্য এই কাজ করতে, প্রতিরোধ করে লাভ নেই, এই রাকী ভণ্ড, তোমার রোগ শুধু মানসিক।”
এরপর সে মানুষের ভেতরে এক ধরনের “অসহায়ত্ব” তৈরি করে। ভয়, দুশ্চিন্তা ও হতাশা এমনভাবে বাড়িয়ে দেয় যে, প্রতিরোধের কথা ভাবলেই শরীরে আতঙ্ক কাজ করে। তখন রোগী মনে করে এই ভয়ই তার স্বাভাবিক সত্য, অথচ বাস্তবে এটি এক ধরনের কৃত্রিম প্রভাব।
আর অনেক রাকী আজ এসব মূল বিষয় বাদ দিয়ে শুধু ভিডিও, ছবি ও লাইভ রুকইয়ার দিকেই ব্যস্ত।
বাস্তবতা হলো— ভয়, দুশ্চিন্তা, হতাশা ও নিরাশা সৃষ্টি করা জাদুকরের কাছে জাদুর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলোই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সবচেয়ে বড় খাদ্য।
Mahbub Al Misbah