Dr. Niloy Kumar Mondal

Dr. Niloy Kumar Mondal Dr.Niloy Kumar Mondal. MBBS(RpMC), MPH (Dhaka),
PGT (MEDICINE & ORTHOPAEDICS)
CCD(BIRDEM), CMU (Ultra)

✴️  বিশেষ ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ  ✴️আগামী ২০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ  হতে সারা বাংলাদেশের  সকল উপজেলা ও পৌরসভায় একসাথে ৬ মাস (১৮০...
19/04/2026

✴️ বিশেষ ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ ✴️

আগামী ২০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ হতে সারা বাংলাদেশের সকল উপজেলা ও পৌরসভায় একসাথে ৬ মাস (১৮০ দিন) থেকে ৫ বছরের কম (৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন) পর্যন্ত সকল বাচ্চা কে হাম এবং রুবেলা রোগ প্রতিরোধে ১ ডোজ MR (Measles-Rubella) এর টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

🔹🔹🔹
২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে এর ভিতরেই এই ভ্যাক্সিন দেয়া হবে।

এছাড়াও প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এবং পৌরসভায় স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থাকবে।
♦️♦️
টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে,
দ্রুত নিবন্ধন করে নিজ নিজ টিকা কার্ডটি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।।

👉👉যাদের বাসায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশু রয়েছে তারা vaxepi.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন জন্মনিবন্ধন দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।

আপনি ডাক্তার নাও হতে পারেন। কিন্তু নবজাতক জন্মের পর কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল করলে অনেক বড় বিপদ আগে থেকেই বোঝা যায়। তাই...
18/04/2026

আপনি ডাক্তার নাও হতে পারেন। কিন্তু নবজাতক জন্মের পর কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল করলে অনেক বড় বিপদ আগে থেকেই বোঝা যায়। তাই ডেলিভারির পর কয়েকটি বিষয় শান্তভাবে পর্যবেক্ষণ করা খুব জরুরি।

প্রথমেই মনে রাখবেন, জন্মের পরপরই ডাক্তাররা একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন করেন, যাকে বলা হয় APGAR Score। বাচ্চার রং, হার্টবিট, নিঃশ্বাস, নড়াচড়া এবং কান্নার শক্তি দেখে এই স্কোর দেওয়া হয়। এতে বোঝা যায় বাচ্চা জন্মের পর কতটা ভালোভাবে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিচ্ছে।

এবার আসি আপনি কী কী বিষয় খেয়াল করবেন।

১. বাচ্চার নিঃশ্বাস
সবচেয়ে আগে দেখবেন বাচ্চা ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিচ্ছে কিনা। মিনিটে কয়বার নিঃশ্বাস নিচ্ছে সেটা খেয়াল করবেন। সাধারণভাবে নবজাতকের নিঃশ্বাস নিয়মিত এবং স্বাভাবিক হওয়া উচিত। যদি খুব ধীর হয়ে যায় বা অস্বাভাবিক মনে হয়, দেরি না করে দ্রুত নবজাতক চিকিৎসা সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে দেখানো উচিত।

২. হার্টবিট
বাচ্চার বুকের মধ্যে কান লাগিয়ে হার্টবিট শোনার চেষ্টা করতে পারেন। নবজাতকের হার্টবিট সাধারণত দ্রুত হয় এবং তা ১০০ এর উপরে থাকে। যদি খুব দুর্বল মনে হয় বা স্পষ্ট বোঝা না যায়, সেটিও সতর্ক হওয়ার বিষয়।

৩. শরীরের তাপমাত্রা
বাচ্চার শরীর খুব বেশি গরম থাকবে না, আবার খুব ঠান্ডাও থাকবে না। শরীর যদি অস্বাভাবিক ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম লাগে, সেটা অসুস্থতার ইঙ্গিত হতে পারে।

৪. চোখের নড়াচড়া
একটি সুস্থ নবজাতকের চোখে একটি স্বাভাবিক নড়াচড়া থাকে। চোখ ডান-বাম বা উপরে-নিচে একটু নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু যদি বাচ্চা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, অথবা একটি চোখ বন্ধ আর অন্যটি খোলা থাকে, সেটি খেয়াল করার মতো বিষয়।

৫. নিঃশ্বাসের সময় অস্বাভাবিক শব্দ
নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় যদি ভেতর থেকে অদ্ভুত শব্দ আসে, যেমন গেরগের আওয়াজ, কর্কশ শব্দ, বা বাইরে থেকেও শোনা যায় এমন শব্দ, তাহলে সেটা শ্বাসকষ্টের লক্ষণ হতে পারে।

৬. কান্নার শক্তি
সাধারণত জন্মের পর বাচ্চা জোরে কাঁদে। পিঠে আলতো করে স্পর্শ করলে বা একটু উত্তেজিত করলে কান্না করার শক্তি থাকা উচিত। যদি বাচ্চা কাঁদতে না চায় বা খুব দুর্বলভাবে কাঁদে, সেটা ভালো লক্ষণ নয়।

৭. বাচ্চার রং
একজন সুস্থ নবজাতকের শরীর সাধারণত গোলাপি রঙের হয়। যদি রং খুব ফ্যাকাশে সাদা হয়ে যায়, কালচে বা নীলচে দেখায়, তাহলে সেটা অক্সিজেনের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

৮. মাথার অবস্থা
বাচ্চার মাথার দিকে একটু খেয়াল করবেন। বিশেষ করে সামনের নরম অংশ (ফন্টানেল) যদি অস্বাভাবিকভাবে দেবে যায় বা মাথার আকৃতি খুব অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এই ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ এমন একটি হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগে নিয়ে যাবেন যেখানে নবজাতকের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে।

মনে রাখবেন, জন্মের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা এবং কয়েক দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। একটু সতর্ক নজর অনেক সময় একটি নবজাতকের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে।

Dr. Niloy Kumar Mondal
MBBS

30/03/2026

#হাম_নিয়ে_নয়_কোন_আতংক
গত কয়েকদিন অনেকের পোস্টে হাম নিয়ে আতংক ছড়াতে দেখছি- আসুন, হাম নিয়ে জেনে নিই-

Measles (মিজেলস) রোগকেই বাংলাতে হাম বলা হয়, এইটা একটা ভাইরাস জনিত রোগ-
paramyxoviridae পরিবারের মিজেলস ভাইরাস দিয়ে এই রোগ ছড়ায়,

এই রোগ সর্বপ্রথম ১০০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে আবিষ্কার করেন ইরানের বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক father of Islamic medicine মুহাম্মদ আবু বকর আল রাজি- যিনি ওয়েস্টার্ন কান্ট্রিতে রাজেস হিসাবে পরিচিত।

মিজেলস রোগ কিভাবে হয়?
সাধারণত কোন ব্যক্তি মিজেলস রোগে আক্রান্ত হলে তার হাঁচি কাশি ও শ্বাস থেকে মিজেলস ভাইরাস বাতাসে ছড়ায়, তারপর সুস্থ মানুষ সেই মিজেলস ভাইরাস বাহিত বাতাস থেকে শ্বাস নিলে তারও মিজেলস হতে পারে,

মিজেলস ভাইরাস এতটাই ছোঁয়াচে যে, অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৯০% মানুষই আক্রান্ত হবে।

ধরুন, একটা পেশেন্ট আক্রান্ত হলো, সে মাস্ক লাগায়নি, তার রুমে আপনিও মাস্ক ছাড়া ডুকলেন, তাহলে আপনার যদি মিজেলস এর টিকা নেওয়া না থাকে, তবে আপনিও মিজেলসে আক্রান্ত হবেন।

এই কারনে মিজেলস প্রতিরোধে করনীয় হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে ফেলা, বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সের কোন শিশুকেই মিজেলস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে নেওয়া যাবেনা। আক্রান্ত ব্যক্তির পানির গ্লাস সহ সব ব্যবহার্য জিনিস আলাদা রাখা হবে।

মিজেলস বা হামে কারা আক্রান্ত হয়?

সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়, যাদের শিশুকালে MMR টিকা দেওয়া হয়নি, তারা মিজেলস এ আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি-- বড়দের মিজেলস হবার ঝুঁকি অনেক কম, হলেও মেজর কোন জটিলতা তৈরি হয়না-

মিজেলস এর রোগী সংস্পর্শে যাবার কতদিনের মধ্যে মিজেল হতে পারে?

মিজেলস রোগীর সংস্পর্শে যাবার প্রায় ৭-১০ দিনের মধ্যে মিজেলস আক্রান্ত হয়ে মিজেলস উপসর্গ দেখা দিতে পারে--

মিজেলস এর উপসর্গ কি?
যেহেতু মিজেলস বেশি হয় বাচ্চাদের, তাই বাচ্চারা মিজেলস আক্রান্ত হলে নিম্নের উপসর্গ দেখা দিতে পারে-

১. উচ্চ তাপমাত্রা সহকারে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে,
জ্বর ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।
2. সার শরীরে কিছুটা ব্যাথা হতে পারে,
3. কাশি হতে পারে, শুকনো কাশি।
4. নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়বে বা সর্দি থাকবে
5. conjunctivitis হতে পারে

3C মনে রাখুন,
Cough
Coryza
Conjunctivitis

এইগুলি প্রায় ৪ দিন থাকে।

যদি কোন বাচ্চার যার ইপি'আই শিডিউলে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়নি, তার যদি উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর + সর্দি + কাশি + চোখ দিয়ে পানি পড়ে, তথা conjunctivitis থাকে, তাহলে তার মিজেলস সন্দেহ করতে পারেন, মিজেলসের Rash আসে জ্বরের ৩-৪ দিন পরে, তাই Rash আসার আগেও উপরের উপসর্গ গুলি থাকলে বাচ্চাকে হা করিয়ে মুখের অভ্যন্তরীণে দেখবেন- buccal mucosa তেভকোন সাদা ফোটা ফোটা দাগ আছে কিনা- এইটাকে koplic spot বলা হয়,
rash শুরু হবার ১-২ দিন আগে থেকেই এই koplik's spots দেখা যায়-

Fever + Runny nose+ cough+ conjunctivitis এর সাথে যদি koplic spot থাকে, তথা গালের ভিতর যদি সাদা সাদা spot থাকে, তাহলে মিজেলসের Diagnosis confirm :

koplik's spot দেখা না গেলেও জ্বরের ৪ দিন পর rash দেখে ডায়াগনোসিস কনফার্ম হওয়া যায়-

Rash দেখতে maculopapular rash (bleeding spot) এর মত, এই র‍্যাশ গুলি লালচে প্রকৃতির, মনে হবে স্কিনের নিচে অনেক গুলি রক্তের spot।
মিজেলসের র‍্যাশ প্রথমে face এ শুরু হয়, তারপর neck তারপর বুকে পিঠে এবং পর্যায়ক্রমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে-

র‍্যাশ উঠার পর কারো কারো চুলকানী হতে পারে, আবার চুলকানী নাও থাকতে পারে-

র‍্যাশ ৩-৪ দিন থাকে, এর পর কমতে থাকে, পরবর্তী এক সপ্তাহে Rash disappeare হয়ে যায়- ৯৯.৮০% মানুষ ১-২ সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হয়ে যায়

Complication বা জটিলতা -
মিজেলস adult দের ক্ষেত্রে কোন জটিলতা করতে পারেনা,
adult দের ক্ষেত্রে measles এর আউটকাম নিম্নরুপ হতে পারে-

১.. ৪ দিন High grade fever
2. Runny nose
3. Conjunctivities ৭ দিন
4. cough 2-3 weeks
5. Rash ৪র্থ দিন দেখা যাবে, ৭ দিন পর কমতে থাকবে।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও একই উপসর্গ দেখা দিবে, তবে বাচ্চাদের কিছু life threating জটিলতা দেখা দিতে পারে-
১.Measles Encephalitis
২. Secondary pneumonia

এইটা সাধারণত জ্বরের ৫-৭ দিন পর দেখা দেয়,

প্রতি ১০০০ মিজেলস আক্রান্ত বাচ্চার মধ্যে 5-7 জনের নিউমোনিয়া ডেভেলপ করতে পারে, আর এমন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হতে পারে।

এবার জেনে নিন-
মিজেলসের মধ্যে কাদের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়?

আমরা প্রথমেই বলেছি, বাচ্চাদের মধ্যে মিজেলসের জটিলতা দেখা দেয়, তাও সব বাচ্চার মধ্যে জটিলতা দেখা দেয়না,
complication কেবল malnutrition অথবা immunicompromised পেশেন্ট দের ক্ষেত্রে দেখা দেয়-

Malnutrition কিভাবে বুঝবেন?

বাচ্চার ওজন যদি স্বাভাবিক ওজনের তুলনায় ২-৩ কেজি কম হয়, বুঝবেন বাচ্চা পুষ্টিহীনতায় আছে।

যেমন ১ বছরের বাচ্চার ওজন =১০ কেজি
পরবর্তী প্রতি বছর বয়সের জন্য ২ কেজি করে যোগ হয়,
২ বছরের বাচ্চার স্বাভাবিক ওজন হবে: ১২ কেজি
৩ বছরে =১৪ কেজি
৪ বছরে =১৫-১৬ কেজি
৫ বছরে =১৬-১৮ কেজি

সেইজন্য ওজন দেখে Malnutrition মনে হলে এমন বাচ্চাদের মিজেলস হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে চলতে হবে।

মিজেলস এর চিকিৎসা কি-
মিজেলস যেহেতু একটা ভাইরাস জনিত রোগ৷
আবার এখানে antiviral এর কোন রোল নাই, তাই symptomatic treatment দেওয়া হবে।

প্রথমত প্রচুর পানি খেতে বলবেন, সম্ভব হলে প্রতিদিন ১-২ টা ওরস্যালাইন অথবা ডাবের পানি-
বেড রেস্টে থাকবে। মাস্ক ব্যবহার করবে, আইসোলেশনে রাখা হবে।

জ্বরের জন্য
1. paracetamol oral or suppository
2. Runny nose: Fexo 120 mg once daily for 1 weeks or Antazole nasal drop. (বয়স অনুযায়ী ডোজ নির্ধারণ হবে)
3. Conjunctivitis এর জন্য olopatadine eye drop + artificial tear drop for 2 weeks
4. Xinc B BD (2 weeks)

মিজেলস এ বাচ্চাদের ভিটামিন -এ লেভেল কমে যায়, তাই মিসেলস আক্রান্ত বাচ্চাদের Vitamin A supplementary দেওয়া হবে ২ দিন ২ টা ডোজ-

ডোজ: বয়স ৬ মাসের কম হলে 50,000 unit
৬ মাস থেকে ১২ মাস : 1 lac unit
>12 month = 2 lac unit

2 dose
Day-1
Day-2

Severe case এ ৩ টা ডোজ দেওয়া হয়, 3rd dose ১৪ তম দিনে দেওয়া হয়;

বাজারে capsule Retinol forte 50,000 unit, 2 lac unit এইভাবে পাওয়া যায়, বাচ্চার ডোজ অনুযাই
ক্যাপসুল টা কিনে নিয়ে আসবেন,

যেমন ৬ মাসের বাচ্চা হলে 50000 unit এর একটা,
৬-১২ মাস হলে 50000 unit এর দুইটা অথবা 1 lac unit এর একটা - এইভাবে খাওয়াবেন।
ক্যাপসুল ছিদ্র করে লিকুইড টা খাওয়াবেন শুধু ।

ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টারী দিলে অনেক জটিলতা এড়ানো যায়.

Malnutrition baby যাদের নিউমোনিয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের ক্ষেত্রে prophylactic antibiotics এর কথা অনেকে দিয়ে থাকেন, যদিও গাইডলাইনে এমন কিছু নাই,তবে malnourished দের ক্ষেত্রে prophylactic antibiotics দিতে ক্ষতি নাই-

র‍্যাশের জন্য করনীয় কি?
rash দেখে আতংকিত হবার কিছু নাই-
Tab : Biltin 20 mg Once daily
সাথে calamine lotion দিবেন।
লোশন চুলকানি থাকলে দিবে, না থাকলে দরকার নাই--

যদি কোন বাচ্চার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, অথবা নিউমোনিয়ার উপসর্গ শুরু হয়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

মিজেলস প্রতিরোধের উপায় কি?
একটাই উপায়- বাচ্চাদের কে ছোট বেলায় টিকা দিয়ে দেওয়া,MR টিকা দেওয়া হয় মিজেলস প্রতিরোধের জন্য।
মোট ২ টা ডোজ:
১ম ডোজ ৯ মাস বয়সে
২য় ডোজ ১৫ মাস বয়সে

অনেক অসচেতন মানুষ নিজেদের বাচ্চাদের টিকা দেয়না, তারা এইটা হারাম বা ইহুদি নাসারাদের ষড়যন্ত্র মনে করে, পরে দেখা যায়, তাদের বাচ্চারাই মিজেলস এ আক্রান্ত হয় বেশি, এবং হাসপাতালেও ভর্তি করানো লাগে।

04/03/2026

#হার্ট_অ্যাটাকের_প্রথম_ঘন্টায়_করণীয়
হার্ট অ্যাটাক (মেডিক্যালি: Myocardial Infarction) হলে প্রথম ১ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়কে “Golden Hour” বলা হয়। নিচে ধাপে ধাপে তাৎক্ষণিক করণীয় দেওয়া হলো—
🔴 হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাব্য লক্ষণ
বুকে চাপধরা/জ্বালাপোড়া/ভারী ব্যথা (২০ মিনিটের বেশি)
ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়ানো
শ্বাসকষ্ট
ঠান্ডা ঘাম
বমি বমি ভাব বা বমি
অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

🚑 তাৎক্ষণিক করণীয় (Step by Step)
১️⃣ রোগীকে বসান বা শুইয়ে দিন
আধা-বসা (half-sitting) অবস্থায় রাখুন
টাইট জামা-কাপড় ঢিলা করুন
সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখুন
২️⃣ দ্রুত জরুরি সাহায্য ডাকুন
বাংলাদেশের জরুরি নম্বর: ৯৯৯
নিকটবর্তী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দ্রুত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন
সম্ভব হলে কার্ডিয়াক সেন্টার (যেখানে PCI সুবিধা আছে) বেছে নিন
৩️⃣ লোডিং ডোজ খাওয়া
৩০০ mg Aspirin চিবিয়ে খেতে হবে( Ecosprin 75mg ৪টা ট্যাবলেট একসাথে)
৩০০ মিগ্রা Clopidogrel চিবিয়ে খেতে হবে( Clopid 75mg ৪ টা ট্যাবলেট একসাথে)
৪০-৮০ মিগ্রা Atorvastatin চিবিয়ে খেতে হবে ( Atova 20mg ২-৪ টা ট্যাবলেট একসাথে) প্লাস এগুলোর সাথে একটি গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাবেন
এগুলোকে একসাথে লোডিং ডোজ বলে
এটি রক্ত জমাট বাঁধা কমাতে সাহায্য করে
৪️⃣ Nitroglycerin (যদি আগে থেকে প্রেসক্রাইব করা থাকে)
জিভের নিচে ০.৫ mg ট্যাবলেট বা স্প্রে নিতে হবে
৫ মিনিট পরও ব্যথা থাকলে পুনরায় দেওয়া যায় (সর্বোচ্চ ৩ বার)
লো ব্লাড প্রেসার থাকলে দেবেন না
৫️⃣ অক্সিজেন দিন (যদি শ্বাসকষ্ট বা SpO₂ কম থাকে)
৬️⃣ রোগী অজ্ঞান হলে
শ্বাস ও পালস চেক করুন
না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে CPR শুরু করুন
আশেপাশে AED থাকলে ব্যবহার করুন

❌ যা করবেন না
রোগীকে হাঁটাবেন না
নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেবেন না
ব্যথা কমার অপেক্ষা করবেন না
পানীয়/খাবার জোর করে দেবেন না

⏳ কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?
হার্ট অ্যাটাক হলে করোনারি ধমনীতে ব্লক হয়। যত দ্রুত ব্লক খোলা যায় (Primary PCI বা thrombolysis), তত বেশি হার্টের মাংসপেশি বাঁচানো যায়।

18/01/2026

মাঝ রাতে হঠাৎ বুক ব্যথা??
বুকে ভীষণ চাপ ধরে আছে??
এটা কি হার্ট অ্যাটাক?
নাকি গ্যাস্ট্রিক?
সাধারণ মানুষ কি করে বুঝবেন?
কি করনীয়?
কখন হাসপাতালে নিতেই হবে?

🟠১। রোগীর বুক চেপে ধরে আছে,
বয়স চল্লিশের উপর-- হার্টঅ্যাটাক
হতে পারে ।
🟠২. বুকে চাপের কারনে রোগী
বারবার উঠে বসছে।
শুইয়ে থাকলে দম বন্ধ হয়ে আসছে।
বসে থাকলে কিছুটা ভালো লাগে।
- হার্ট অ্যাটাক বা হাঁপানী হতে পারে ।
🟠৩। নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।
--হার্ট এটাক এর সম্ভাবনা বেশি।
🟠৪। রোগীর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, ঘরের দরজা জানালা খুলে রোগী ঘরের বাইরে যেতে চায়--হার্ট এটাক (হাঁপানি বা খুব বেশি "হাই প্রেসারে" ও হতে পারে।)
🟠৫. বুক ব্যথা টি বাম বাহুতেও চলে যাচ্ছে বা বাম বাহুও ব্যথা করছে - অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক এর সম্ভাবনা বেশি ।
🟠৬। কিছু দিন ধরে দুশ্চিন্তা,ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে। মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। এনিয়ে চিন্তার শেষ নেই - হার্টএটাক।
🟠৭। প্রচন্ড মানুষিক চাপ, স্ত্রীর সাথে ঝগড়া, এরপর বুক ব্যথা- হার্ট এটাক হতে পারে ।
🟠৮। আগে থেকেই ডায়াবেটিস বা হাই প্রেসারের রোগী, এখন বুক ব্যথা
- হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।
🟠৯। মারাত্মক ধুমপায়ী। একটার পর একটা খেতেই থাকেন। -হার্ট এটাক হতে পারে তবে গ্যাস্ট্রিকও হতে পারে ।
🟠১০। শারীরিক পরিশ্রম/ব্যায়াম করেন না, খুব মোটা।- হার্ট এট্যাক।
🟠১১। এন্টাসিড, এলজিন, হাইসোমাইড, সেকলো ক্যাপসুলে ব্যথা কমছে না,
আধা- শোয়া অবস্থায় কিছুটা ব্যাথা কমে। আপনি রোগীকে বারবার শুইয়ে দিচ্ছেন কিন্তু রোগী বারবার উঠে বসছেন -
হার্ট অ্যাটাক।
🟠 রোগী আগে থেকে বহুতল ভবনে তিন তলায় উঠতেই প্রচন্ড হাঁপিয়ে ওঠেন,এখন বুক চাপ ধরে আছে।
-- হার্ট এ্যাটাক।

🧧এবারে আসি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষনে🧧

🟠১২. রোগী রাতে অতিরিক্ত ঝাল, মরিচ,লেবু, ভর্তা, ভাজা,পোড়া খেয়েছেন।- গাস্ট্রিক হতে পারে।
🟠১৩..রোগীর কোস্ট কাঠিন্য আছে। ----গ্যাস্ট্রিক
🟠১৪. আগে থেকেই একটু খেলেই পেট ভরে ওঠে,মনে হয় গলা পর্যন্ত খাবার আটকে আছে, খাবার নীচে নামছে না।
-গ্যাস্ট্রিক।
🟠 রোগী বলেন যে বুকে "খিল" লেগে আছে। সামনে হেলতে পারছি না -গ্যাস্ট্রিক
🟠 রংপুরে রোগীগন বলেন - বাবা
"মোর সুনপুটি বিষ্যায়চল"- মানে হচ্ছে পিঠ ব্যথা করছে।

🧧 করনীয় -🧧

🟠১৫।অবিলম্বে রোগী কে হাসপাতালে
নিন।
🟠১৬। হার্টের ক্ষেত্রে - যদি পাওয়া যায় - রোগী কে Tab..Angist SR 2.6mg এবং Tab Ecosprin 75mg চারটি বড়ি এক সাথে এবং সংগে Cap. Seclo 20mg দুইটি খাওয়ান।
এবং Nitromint inhelar, শ্বাসে নিবেন।
যদি থাকে -অক্সিজেন দিন।
অক্সিজেন যুক্ত এম্বুলেন্স ডাকুন। এম্বুলেন্সের বেডেও রোগীকে আধাশোয়া অবস্থায় রাখুন বা মাথার নীচে দুইটি বালিশ দিন।
🟠১৭। নবীন, জুনিয়র ও জরুরী বিভাগের ডাক্তার দের বলবো--
গাস্ট্রিকের রোগীকে ভুল করে
হার্টঅ্যাটাক মনে করা বড় অপরাধ নয়।
🟠১৮। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে গ্যাস্ট্রিকের রোগী ভেবে ভুল চিকিৎসা/ ব্যবস্থাপনা করা ভয়াবহ অপরাধ।
🟠১৯। আমি এই পোস্টে ভুল কিছু লিখে থাকলে তা যে কেউ সংশোধন বা
সংযোজন করলে খুশি হবো।

কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না।সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রি...
10/01/2026

কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?
তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না।

সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রিল—
এটাই সবচেয়ে নিরাপদ মুহূর্ত।
কিন্তু ওই বালুর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এমন একটা জিনিস,
যা কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পায়ের ওপর আঁকিবুঁকি শুরু করতে পারে।
প্রথমে ছোট লালচে গুটি।
তারপর তীব্র চুলকানি।
রাতে ঘুম ভাঙে।
হাঁটলে বাড়ে।
দাগটা জায়গা বদলায়, বেঁকে বেঁকে এগোয়—
ঠিক যেন ত্বকের নিচে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে।
এটা কোনো অ্যালার্জি না।
এটা ছত্রাকও না।
খালি পায়ে বালুতে হাঁটার সময়
কুকুর বা বিড়ালের মলের সাথে থাকা কৃমির লার্ভা
ত্বকের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
মানুষের শরীরে তারা বড় হতে পারে না,
কিন্তু আটকে গিয়ে ত্বকের নিচে চলাফেরা করে।
রোগটার নাম Cutaneous Larva Migrans।
যা করবেন না
খোঁচাবেন না
নিজে নিজে মলম বা স্টেরয়েড লাগাবেন না
“এমনিতেই সেরে যাবে” ভেবে বসে থাকবেন না
করণীয়
দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
সঠিক ওষুধে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা শেষ
দাগ পড়ে না

যা করলে একদমই হবে না:-

সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাঁটবেন না
বালুতে বসলে তোয়ালে বা ম্যাট ব্যবহার করবেন
শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না
ছুটি সুন্দর হোক।
স্মৃতি থাকুক, দাগ না।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারো এক পা বাঁচলেও, লেখা
📝

দুধ চা, নাকি রং (লাল) চা.....চা খায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। দুধ চা আর লাল চা (দুধ-চিনি ছাড়া) – কাছাকাছি মনে হলেও ...
05/01/2026

দুধ চা, নাকি রং (লাল) চা.....

চা খায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। দুধ চা আর লাল চা (দুধ-চিনি ছাড়া) – কাছাকাছি মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, লাল চা রক্তনালির প্রসারণ ঘটায় যা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। কিন্তু দুধ চা এটা করতে পারে না, কারণ দুধের প্রোটিন চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টকে বাধা দেয়।

কোন চা পান করবেন?

যারা ডায়েট করেন, যাদের ওজন কমানো দরকার, যাদের দুধ খেলে সমস্যা হয়, যাদের হার্টের সমস্যা আছে- তাদের জন্য রং চা ভালো।

দুধ চা

যারা আরাম, আয়েশ করে আড্ডা দিতে দিতে খেতে চান, যার ওজন বেশি না, যার হার্টে কোন সমস্যা নেই, ডায়াবেটিস নেই তারা দুধ চা খেতে পারেন।

সতর্কতা: বেশি জ্বাল দেওয়া চা এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিদিন কয় কাপ চা খাওয়া যেতে পারে?

সাধারণ ভাবে দৈনিক ২-৩ কাপ চা খাওয়া যেতে পারে। তবে কাপ কত বড় এটাও বিবেচ্য বিষয়, কেউ যদি মগের মতো বিশাল কাপে দৈনিক ২-৩ বার চা খায় তাহলে তার ক্ষতি হওয়াই স্বাভাবিক।

তবে আমার একটা টেকনিক আছে যা চা লাভারদের কাজে লাগতে পারে, তা হলো হাফ কাপ চা দিনে ৪ বার, তাহলে মোটামুটি ২ কাপ চায়ের পরিমাণ দিয়ে হয়ে যায়। আর ৪ বারের মধ্যে একবার খাই চাফি (সামান্য কফি দিয়ে), আর একবার গ্রীন টি।

Disclaimer: বেশি চিন্তা ভাবনা করে লাভ নাই, চা ছাড়া বাঁচবো না। তাই যত দিন বেঁচে আছি তত দিন দুধ চা খেতে চাই।

#লালচা #দুধচা #চা #স্বাস্থ্য #তুলনা

27/12/2025

আমাদের অনেকেরই ধারণা, আমরা যখন এন্টিবায়োটিক এর ডোজ অসম্পূর্ণ রাখি (মানে ধরেন, ১০ দিনের কোর্স শেষ না করে ৫ দিন খেয়ে বাদ দেই) তখন, শরীরে বেঁচে যাওয়া প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়াগুলো এই এন্টিবায়োটিক-কে চিনে রাখে। এবং এই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে ডিফেন্স মেকানিজম ডেভেলপ করে। ফলে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। একই এন্টিবায়োটিকে আর পরবর্তীতে কাজ হয় না।

❌ না, এটা ঠিক এভাবে হয় না।

⭕ তাহলে, আসলে একটা অরগানিজম কিভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্ট হয়?

(আলোচনার সুবিধার্থে শুধু 'ব্যাকটেরিয়া' এবং 'এন্টিবায়োটিক' নিয়ে কথা বলবো)

☘️ ব্যাকটেরিয়া খুব কম সময়ে reproduce করে। মানে, তাদের cell division খুব দ্রুত হয়। অনেক অনেক পরিমাণে হয়। খুব সামান্য সময়ের মধ্যে মিলিয়ন, বিলিয়ন পরিমাণ হয়ে যায়। এখন এই যে এত পরিমাণ সেল ডিভিশন, এত এত DNA replication হয়, তাতে তো কিছু ভুল হয়েই যায়। মানে, কিছু Mutation হয়ে যায়।

এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রাকৃতিক, স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা। (এই যে আমি, আপনি আমরা মানুষ, আমাদেরও সেল ডিভিশন এর সময় কিছু মিউটেশন হয়, যার রেট খুব কম। কিন্তু হয়)।

এখন এই ন্যাচারাল, স্পনটেনাস মিউটেশন- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় হার্মলেস। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই মিউটেশন এর ফলে ব্যাকটেরিয়া এমন কোনো বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, যেটা তাকে কোনো নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ক্ষমতা দেয়।

ধরা যাক, আপনার শরীরে একটা infection এর সময় ১টা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া আছে ১০ মিলিয়ন।
এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর মধ্যে ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টা ব্যাকটেরিয়া মোটামুটি একইরকম।

বাকি ১০ টা ব্যাকটেরিয়াতে এমন কিছু মিউটেশন হইছে, যেগুলোর ফলে সে একটা নতুন এনজাইম তৈরি করতে পারতেছে। যে এনজাইম penicillin antibiotic কে ডেস্ট্রয় করার ক্ষমতা রাখে।

[এখানে উল্লেখ্য যে, আপনি হয়তো জীবনে কোনোদিন পেনিসিলিন ছুঁয়েও দেখেন নি, খাওয়া তো দূরের কথা!]

এখন, এই মাত্র দশটা আলাদা ব্যাকটেরিয়ার এমনিতে আপনার তেমন কোনো ক্ষতি করার সক্ষমতা নাই।

এখন, আপনি যদি পেনিসিলিন খাওয়া শুরু করেন, ধরেন আপনি তিন দিন খাইলেন। সেক্ষেত্রে যারা সবচেয়ে বেশি সেনসিটিভ সেই ব্যাকটেরিয়াগুলো আগে মারা যাবে। যারা আরেকটু টাফ, তারা হয়তো ৫ দিন এন্টিবায়োটিক খেলে মারা যাবে, যারা আরো টাফ তাদেরকে মারতে হয়তো ৭ দিন লাগবে!

আপনি ৫ দিন ওষুধ খেয়ে সিম্পটম কমে গেল (কারণ, মোস্ট সেনসিটিভ ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা গেছে)। তাই ওষুধ ছেড়ে দিলেন। এরফলে এখন ধরেন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়া, যারা নতুন এনজাইম পেয়েছে। তাদের ওপর তো পেনিসিলিন কাজ করবে না।

এতদিন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়ার কম্পিটিটর ছিল মাঠে। তাদেরকে আরো অনেকের সাথে নিউট্রিশন এর জন্য যুদ্ধ করতে হতো।

কিন্তু এখন মাঠ ফাঁকা। এই রেজিস্ট্যান্ট ১০ টা ব্যাকটেরিয়া এখন সমানে বংশবিস্তার করবে। তখন আপনার শরীরে যা থাকবে, সব পেনিসিলিন রেজিস্ট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট!

এইটাকে ব্যাখ্যা করা যায়, ডারউইন এর ন্যাচারাল সিলেকশন এবং সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট দিয়ে।

এই যে ব্যাকটেরিয়া গুলো, যারা এখন বেঁচে আছে ( মিউটেশন এর কারণে), তারা ন্যাচারালি সিলেক্ট হইছে [লটারির মতো অনেকটা]। এটাই হচ্ছে ন্যাচারাল সিলেকশন।
এবং এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে (এন্টিবায়োটিক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিকূল পরিবেশে) এরাই বেঁচে থাকবে, কারণ এরা এই পরিবেশের জন্য ফিট!

⭕ তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াল এই-
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার আগেই রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ করে। এটা পুরাটাই একটা ন্যাচারাল জিনিস।

🏵️ এখন সম্পূরক প্রশ্ন হতে পারে, যদি এন্টিবায়োটিক না খেলেও রেজিস্ট্যান্স হয়, তাহলে এই যে এন্টিবায়োটিক এর ফুল কোর্স খাওয়া নিয়ে, বা র‍্যাশনাল ইউজ নিয়ে এত কথা হয়, এগুলোর দরকার কী?
না খাইলেও যদি হয়, সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক খাওয়া না খাওয়ার সাথে তো রেজিস্ট্যান্সের সম্পর্ক নাই।

🍁 উঁহু! সম্পর্ক আছে।

এই যে আপনি ৭ দিনের জায়গায় ৪ দিন এন্টিবায়োটিক খেয়ে সেন্সিটিভ, দুর্বল ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে একটু টাফ ব্যাকটেরিয়ার জন্য মাঠ ফাঁকা করে দিলেন, এটাই আপনার দোষ।

এটাকে বলে selection pressure.

মানে, রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ছিল ১০ টা। তারা বাকি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টার ভিড়ে কিছু করে উঠতে পারছিল না। আপনি এন্টিবায়োটিক খেয়ে ওই ১০ টার কাজ সহজ করে দিলেন। এখন তারা পুরো জায়গাটা দখল করে নেবে।

⭕ আর ফুল ডোজ এন্টিবায়োটিক শরীরে এমন এক কনসেন্ট্রেশন তৈরি করে যা অনেক সময় ওই অল্প মিউটেটেড 'টাফ' ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলতে পারে, কিন্তু ডোজ মিস দিলে সেই সুযোগটা থাকে না।

☘️ আপনি যদি ভাইরাল ফিভারে হুদাই এন্টিবায়োটিক খান, সেক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। এতে আপনার ভাইরাস তো মরেই না, উল্টো শরীরের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে গিয়ে কিছু মিউটেটেড খারাপ ব্যাকটেরিয়ার জন্য জায়গা করে দেয়।
©

🕺বর্তমানে ট্রেন্ড চলছে খেজুর বাগানে গিয়ে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া।কাঁচা খেজুরের রস খেলে হতে পারে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ।⚕️...
25/12/2025

🕺বর্তমানে ট্রেন্ড চলছে খেজুর বাগানে গিয়ে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া।
কাঁচা খেজুরের রস খেলে হতে পারে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ।
⚕️নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যু হার প্রায় ৭১%।

আসুন নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কিত কিছু সংক্ষিপ্ত তথ্য জেনে নেই--
🏥নিপাহ ভাইরাস:
নিপাহ ভাইরাস একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী রোগ। এটি প্রধানত ফলভুক বাদুড় থেকে মানুষে ছড়ায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শেও সংক্রমিত হতে পারে।

🏥সংক্রমণের উপায়:
১. নিপাহ ভাইরাস প্রধানত ফলভুক বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়।
২. বাদুড়ে দূষিত কাঁচা খেজুরের রস পান করলে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
৩. বাদুড়ে কামড়ানো বা আধখাওয়া ফল খেলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
৪. আক্রান্ত ব্যক্তির লালা, শ্বাসনালীর নিঃসরণ বা রক্তের সংস্পর্শে এলে রোগ ছড়াতে পারে।

🏥রোগের লক্ষণ:
১. হঠাৎ জ্বর দেখা দিতে পারে।
২. তীব্র মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথা হতে পারে।
৩. বমি, দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ঘুম ভাব দেখা যায়।
৪. খিঁচুনি, অচেতনতা ও কোমা হতে পারে।
৫. শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

🏥করণীয়:
১. কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. ফল ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে।
৩. বাদুড়ে কামড়ানো বা আধখাওয়া ফল খাওয়া যাবে না।
৪. অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।
৫. নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৬. জ্বর বা স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে।

🏥বিশেষ সতর্কতা:
নিপাহ ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই।
প্রতিরোধই এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।
সবাই সচেতন হোন।
— জনস্বার্থে প্রচারিত।।
ডা: নিলয় কুমার মন্ডল
MBBS(rpmc), MpH(Dhaka)
Research Medical Officer ,

বাংলাদেশের সমাজের অন্যতম একটা ডার্ক-সাইড কী জানেন?এদেশের ছেলে-মেয়েরা সচরাচর নিজেদের বাবা-মাকে অন্য কারো বাবা-মার সাথে তু...
03/10/2025

বাংলাদেশের সমাজের অন্যতম একটা ডার্ক-সাইড কী জানেন?

এদেশের ছেলে-মেয়েরা সচরাচর নিজেদের বাবা-মাকে অন্য কারো বাবা-মার সাথে তুলনা করে না; চিন্তাও করে না। নিজের অভিভাবকের উপার্জন যেমনই হোক না কেন, সেটা অন্যের অভিভাবকের উপার্জন স্কেলের সাথে তুলনা করে না; ওনাদের সামর্থ্যের বাইরে এমন কিছু স্বপ্ন দেখে হয়তো, কিন্তু সাধারণত আবদার করে না কখনো।
কিন্তু এদেশের বাবা-মারা সবসময় দেখা যায় তাদের সন্তানদের সাথে অন্যের তুলনা করে; ৪-৫ বছরের সন্তান হোক বা ৩৫-৪০ বছরের। অন্যের ছেলে পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে, গোল্ডেন এ+ পেয়েছে, মেডিক্যালে-বুয়েটে-পাবলিকে চান্স পেয়েছে, ৯৫%-৯৮% মার্ক পেয়েছে; অমুকের ছেলে মাসে এতো টাকা ইনকাম করে ঘরের হাল ধরেছে, অমুকের ছেলে বিসিএস ক্যাডার, ব্লা ব্লা ব্লা। বিশ্বাস করেন, সামান্য সামান্য ভুলের কারণে অথবা মর্জি মতো না চলার কারণে সন্তানের মৃত্যু পর্যন্ত কামনা করে এমন অভিভাবকও আছেন।

মানুষ যদি নিজের সন্তানদের প্রতিই এই বিশ্বাস না রাখে যে সে কিছু না কিছু পারবে, আপনিই যদি বিশ্বাস না করেন যে তার দ্বারা সম্ভব, তাহলে তো দুনিয়ার কেউই বিশ্বাস করবে না। ইমাজিন করতে পারেন, ৫-১০ বছরের একটা ছেলেকে যখন বলা হয় যে "তোর দ্বারা কিছুই সম্ভব না," তার উপর কেমন প্রভাব পড়ে?

শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি এতো লোক-দেখনো যত্ন, মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে দেখেছেন? নিচে কিছু ঘটনার উদাহরণ দিচ্ছি, যেখানে আমাদের সমাজের এই “ডার্ক-সাইড” তুলে ধরা হয়েছে:

২০২৪ এ, Aachol Foundation এর একটি রিপোর্ট বলেছে যে ২০২৪ সালে আত্মহত্যা করার শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৪৯.৪% স্কুল-ছাত্রী/ছাত্রী ছিল, এবং পরিবারের উচ্চ শিক্ষা ও সাফল্য প্রত্যাশার চাপ একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও একটি রিসার্চ "Understanding complex causes of suicidal behaviour among graduates in Bangladesh" (২০২৪) বলেছে, বাংলাদেশে পিতৃতান্ত্রিক সামাজিক প্রত্যাশা (যেমন “ভালো চাকরি করো, পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করো”) তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার একটি স্টাডি "Proportion of mental health problems in adolescents in Bangladesh", অক্টোবর ২০১৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত, ১৩-১৯ বছর বয়সী ১২৯ জন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে Depression-Anxiety -Stress (DASS-21) মডেল প্রয়োগে দেখা গেছে: ৪২.৬% কিশোরদের মধ্যে বিষণ্ণতা ছিল, ৫৫.৮% উদ্বেগ, ৪৪.২% স্ট্রেস। এই গবেষণায় পারিবারিক সম্পর্ক (parent-child relationship) মানসিক সমস্যার সঙ্গে significantly রিলেটেড। অর্থাৎ, সন্তান ও পিতামাতা সম্পর্কের বৈশিষ্ট্য, যেমন অত্যধিক নিয়ন্ত্রণ, তুলনা, শ্রদ্ধাহীন ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে।

২০২২ সালে প্রকাশিত একটি স্টাডি "Overparenting's Consequences in Bangladeshi Society Child's Intelligence, Growth, and Creativity" বলেছে, বাংলাদেশে “overparenting” (অর্থাৎ অভিভাবকদের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ, আবদার ও উচ্চ প্রত্যাশা) সন্তানের সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

The Business Standard এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, Raihan নামের একজন কিশোর ১৬ বছর বয়সে “নিজের ঘরে অদৃশ্য” বোধ করতেন। HSC পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় তার উদ্বেগ এবং বিভিন্ন মানসিক চাপ এত বেড়ে যায় যে তিনি একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, “ভয় আমাকে ঘিরে ধরে রাখে, যদি আমি ভালো রেজাল্ট দিতে না পারি, আমি পরিবারের ও সমাজের কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়ব।” এই গল্পটি চোখ খোলে দেয় যে একটি কিশোরের মনোজগতে “পরীক্ষার ফল” ও “পরিবারের প্রত্যাশা” কতটা ভয়ঙ্করভাবে উত্তপ্ত হতে পারে।

“Understanding the Social Determinants of Mental Health of the Undergraduate Students in Bangladesh” নামক একটি রিসার্চ দুই ধাপে ৩৮ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেমি-স্ট্রাকচারড সাক্ষাৎকার নিয়েছিল।
একজন শিক্ষার্থী বলেছিলেন, “পারিবার থেকে একটা নিরব আকাঙ্ক্ষা থাকে, তুমি ভালো হও, সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠ হও, কিন্তু তারা কখনো বলেনি, ‘তুমি কেমন অনুভব করছ?’

এগুলো সিম্পলি কোনো কৈফিয়ত নয়, এগুলো স্পষ্টভাবে দেখায় যে, পিতামাতার তুলনা, অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও মানসিক চাপ অনেক সময় বাস্তব জীবনকে বদলে দিতে পারে। এসবের পরিবর্তন প্রয়োজন; সংস্কার প্রয়োজন। একটা কথা বলেই শেষ করি:

We often forget that children have their own strengths and passions. Instead of nurturing their uniqueness, we push them to fit a mold that may not suit them, treating success like a rigid formula. The greatest injustice on earth is not giving a child a life of peace.

Dr. Niloy Kumar Mondal
MBBS(RpMC), MpH(Dhaka)
CCD, MCGP, CMU(ultra)

Address

Dhaka
6500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Niloy Kumar Mondal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share