Markaz Ar-Ruqyah Dhamrai

Markaz Ar-Ruqyah Dhamrai Markaz Ar-Ruqyah Dhamrai একটি
সুন্নাহভিত্তিক কুরআনিক রুকইয়াহ সেবা প্লাটফর্ম।

For spiritual healing & protection and Ruqyah consultancy

20/08/2025

শত্রুর উপর বদ-দো'আঃ-

اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ اللَّهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

(আল্লা-হুম্মা মুনযিলাল কিতা-বি সারী'আল হিসা-বি ইহযিমিল আহযা-ব। আল্লা-হুম্মাহযিমহুম ওয়া যালযিলহুম)

হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।

19/08/2025

মাত্র ফিরলাম আইসিউ থেকে। ধানমণ্ডির ইবনে সীনায় এক বোন ভর্তি। বয়স অনেক কম, মাত্র ২৪। আইসিউতে আছেন, কোমায়। গ্লাসগো কোমা স্কেলে তার স্কোর ৪। যেই অবস্থায় শ্বাস-প্রশ্বাস বা হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা বজায় রাখতে যান্ত্রিক সহায়তার প্রয়োজন হয়। যক্ষ্মা ধরা পড়ে মাস দুই আগে। যা তার পুরো ব্রেইনকে যথেষ্ট ড্যামেজ করে ফেলেছে, টিবি ম্যানিনজাইটিস। কিছুদিন হচ্ছে কোনো ওষুধই কাজ করছে না। আইসিউর এক ডাক্তার তাদের বললেন হুজুর দেখায়ে যদি কিছু করা যায়। আল্লাহর কালামে যদি আল্লাহ কিছু রাখেন..!!!

শুরুটা এই মেয়ের এত গুরুতর কিছুই ছিলো না। শুধুমাত্র গত তিন বছর ধরে পরীক্ষা আসলেই অসুস্থ হয়ে যেত। স্বপ্নে ভয়ানক জিনিস দেখতো, সাপের ডিম ফুটে সাপ আসতেছে, সেটা স্বপ্নে খেতে দেখতো; একজন জিনগ্রস্থ হলে যা যা লক্ষণ তার কিছু মিলতো।

ইন্টারমিডিয়েটের সময় একদিন মাঠের মধ্যে পড়ে যায়, আর উঠতে পারে না। পুরো শরীরে জড়তা চলে আসে। কোলে নিয়ে হসপিটালে নেয়া হয়, যতটুক টেস্ট করা হয়েছে রিপোর্ট ভালো। এরপর যান কবিরাজের কাছে। কবিরাজ ঝাড়ফুক করে দিলো জিনের মাধ্যমে। ফোনে নাকি ফু দিয়ে দিয়েছে। এরপর একদম সুস্থ হয়ে গেলো।

এক বছর পর...

আবারও একই সমস্যা। সেটাও এডমিশনের সময়। আবারও পুরো শরীর Numb হয়ে আসে। ডাক্তার ভর্তি রাখলো, আবারও সমস্ত রিপোর্ট নর্মাল। এবার যায় আরেক কবিরাজের কাছে। মহিলা কবিরাজ। সে বলে দেয় প্যারানর্মাল কি কি সমস্যা, কঠিন বান মারা আছে নাকি(!) ফুল দেয়, দুধ দেয়; এসব দিয়ে গোসল করতে হবে, নদীর পানি দেয় খাওয়ার জন্য। এরপর আবার সুস্থ হয়, একেবারে উঠে দাঁড়ায়। ডাক্তারের কাছে অসাড় অবস্থায় আসলে ডাক্তার সিট আপ করালেন, ঠিকমত করতে পারায় ডাক্তারও বললেন কোনো সমস্যা নেই। বিশ্বাস টা এবার দৃঢ় হয় এটা অবশ্যই জিন-জাদুর সমস্যা।

আবারও এক বছর পর একই সমস্যা হয়। খিচুনী আসে, শরীরে জড়তা এমন ভাবে আসে যে একেবারেই নড়াচড়া থাকে না হাত-পায়ের। এবার যায় এক এলোপ্যাথি (!) ডাক্তারের কাছে। সে যা মেডিসিন দেয় তা আগের ডাক্তারদের মতই, তবে সে নাকি ঝাড়ফুকও করে জিন দিয়ে। তার অধীনে জিন আছে। সে তার মত ঝাড়ফুক করে দিলো বেশ কয়েকবার। উন্নতি-অবনতির মাঝে সে বলে দিলো এটা খুব জটিল সমস্যা। এটা সে চিকিৎসা করতে পারবে না। কিন্তু যতবারই এমন হয় ডাক্তার কোনো রোগই শনাক্ত করতে পারে না।

রোগীর অবস্থা এদিকে সিভিয়ার হতে থাকে। রাজশাহী থেকে ঢাকায় আসে। কিছুদিন পর ধরা পড়ে যক্ষ্মা, যক্ষ্মা মেনিনজাইটিস তার ব্রেইনকে অলরেডি শেষ করে দিতে থাকে। এরপর কোমায়। আজ দুই মাস।
আজকেই ডাক্তার ৭ বার বলে গেছে রোগী বাচবে না, আপনারা প্রস্তুত থাকেন। সাধারণতই বেচে থাকার কথাও না।

(পরদিনই সকালে অই বোন মারা যায়। হার্ট বীট স্টপ হয়ে যায়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

আমি এখানে কোনো বিচার করব না। তবে এই বোনের শুরুর দিকগুলো ভাবলেই বুঝা যায় তিনি জিনগ্রস্থ ছিলেন। এবং আমি বলবো শারীরিক অবস্থার করূণ পরিণতির পিছনে দায়ী জিন আর তার অভিভাবক যেসব কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়েছে তাদের কুফরি চিকিৎসা। যদিও সেই চিকিৎসাতে সাময়িক অর্থাৎ এক বছর সুস্থ ছিলো।

রাসূল ﷺ বলেন,

أكثر من يموت من أمتي بعد قدرة الله و قضائه بالعين

"আমার উম্মতের অধিকাংশ মানুষ যারা আল্লাহর কুদরত ও তাক্বদীরের পর মৃত্যুবরণ করবে, সেটা হলো বদনজর"

এবং এই বদনজর অনেক ক্ষেত্রেই শরীরে পজেস করে থাকা জিনের বদনজরও হয়।

⚠️বাংলাদেশে যতটা যাদুচর্চা হয়, তা আপনার কল্পনারও অনেক বাইরে! প্রতিটি তান্ত্রিক ও কবিরাজের আসল খেলা হলো এসব নোংরামি, কার...
13/08/2025

⚠️বাংলাদেশে যতটা যাদুচর্চা হয়, তা আপনার কল্পনারও অনেক বাইরে!

প্রতিটি তান্ত্রিক ও কবিরাজের আসল খেলা হলো এসব নোংরামি, কারণ শয়তানকে খুশি করা ছাড়া তাদের কিছুই চলে না।আর শয়তানকে খুশি করতে না পারলেই তারা শুধু কাজ বন্ধই করে না-বরং উল্টো ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতি করে বসে!

12/08/2025

বাহিরে থাকলে ভালো—বাসায় আসলে ঝামেলা। একে-অপরের ছায়াও সহ্য করতে পারে না। —এমনটা বিচ্ছেদের জাদুর লক্ষণ। কারো হলে দ্রুত সেল্ফ রুকইয়াহ করা উচিত।

11/08/2025
10/08/2025

⚠️অনেক সময়; সিভিয়ার লেভেলের কিছু কিছু পেশেন্টের ক্ষেত্রে, রুকইয়াহর সময় রিঅ্যাক্ট হয় না..! কিন্তু কেন❓

কিছু কিছু জ্বিন জাদুর পেশেন্ট আছেন, যাদেরকে রুকইয়াহ করলেও তেমন কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়,যে! তারা সুস্থ!! বরং এই পেশেন্ট গুলোই মারাত্মক লেভেলের জাদু বা বদনজরের হুসুনে আক্রান্ত।

হুসুন কি?
রুকইয়াহর পরিভাষায় হুসুন বলা হয়,আত্মিক/বায়োলজিক্যাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যাকে আরবিতে বলা হয় "হুসুন''(الحصن) অর্থাৎ শয়তান/জাদু /বদনজরের,নিরাপত্তা প্রাচীর।

এই হুসুনের কারণেই সাধারণত রুকইয়াহর সময় শরীরে কোন ধরনের রিঅ্যাকশন একটিভ হয় না। ফলে পেশেন্ট ভাবতে শুরু করে সে সুস্থ প্যারা-নরমাল কেন্দ্রিক তার কোন প্রবলেমেই নেই। প্রবলেম থাকলেও সেটা মেডিকেল ইস্যু। কিন্তু মেডিকেলে গিয়েও কোন প্রবলেম ধরা পড়ছে না, ফলশ্রুতিতে এই পেশেন্টগুলো কোন এক সময় ওয়াসওয়াসা/ওসিডিতে ভুকতে থাকে।

রুকইয়াহর বাস্তব-অভিজ্ঞতায়:
বহু বছরের রুকইয়াহ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে,এই ধরনের রোগীরা সাধারণতঃ

1️⃣ছোটবেলা থেকে তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, মাজার বা শিরকি রুকইয়াহ করে এসেছে।
2️⃣দীর্ঘদিন কোনো বদ আমল বা যাদুকরদের আমল অনুসরণ করেছে।
3️⃣অসুস্থত হাওয়া সত্ত্বেও কখনো রুকইয়াহ, শরঈ চিকিৎসা গ্রহণ করেনি।
4️⃣ দীর্ঘদিন যাবত জ্বিন জাদুর প্রবলেম, কিন্তু এর জন্য কোন সঠিক চিকিৎসা নেয়নি।

ফলে ভিতরে ভিতরে গড়ে ওঠে এক "শয়তানি প্রতিরক্ষা বলয়।

চিকিৎসাগত ভাষায়:
এই ধরনের মানুষদের উপর সরাসরি চিকিৎসা না করে আগে করতে হয় প্রাক-রুকইয়াহ প্রস্তুতি।যেমন: রুকইয়াহর পানি খাওয়।

পিত্ত বা টক্সিন বের করতে হিজামা, মাঝেমধ্যে গরম পানি/ঠান্ডা পানির গোসল করা, বড়ই পাতার সংমিশ্রণে।
অতিরিক্ত ঘুম কমানো, ভারী খাবার পরিহার, এবং আত্মবিশ্লেষণ খুবই জরুরী, তবে অতিরিক্ত না।

হুসুন;ভাঙ্গার ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো ফলো করতে পারেন।

১/৭দিনের প্রি-রুকইয়াহ রুটিন তৈরি করতে পারেন।
প্রতিদিন ৩ বার করে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক-নাস তিলাওয়াত করে পানিতে ফুঁ দিয়ে খেতে পারেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ রাকির
পরামর্শে,রুকইয়াহর অডিও হেডফোন দিয়ে শুনতে পারেন। (যে কোন অডিও শুনলেই হবে না, স্পেসিফিক ভাবে হুসুন ভাঙ্গার অডিও শুনতে হবে)

ঘুমানোর আগে, সূরা ফাতিহা,আয়াতুল কুরসি,ও তিন কুল পড়ে নিজেকে ফুঁ দেয়া, পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়ও।
হালকা উপবাস/ডায়েট রুকইয়ার ৩ ঘণ্টা আগে কিছু না খাওয়া।
::একগ্লাস গরম পানিতে লবণ ও কালিজিরা, বড়ই পাতা মিশিয়ে খাওয়া

শারীরিক স্পর্শ ও ফোকাসড রুকইয়াহ,মাথা, বুক, পেট, ও পায়ের তলায় সরাসরি হাত রেখে ফুঁ দেয়া।
প্রথম ১৫ মিনিট "আযাবের আয়াত" জোরে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করা।
যথা: সুরা হাক্কাহ ৬৯:৩০-৩২, সুরা মুমিনুন ২৩:৯৭-৯৮, সুরা সাফফাত ৩৭:১-১০
ঘরের পরিবেশ তৈরি।যেকোনো গান, ছবি, জিনিস সরিয়ে ঘর পবিত্র করা,
সুগন্ধি জিনিষ (রুহ্, লবঙ্গ,আতর আগরবাতি) ব্যবহার করা।

ফ্যান বন্ধ রেখে নীরব পরিবেশে তেলাওয়াত করা, যেন প্রচুর গরম লাগে। এতেও অনেক সময় রিয়েকশন হয়।
মাঝে মধ্যে হারকের রুকাইয়াহ শোনা।
🔰প্রথম দিন না হলেও ৭ দিনের মধ্যে রিয়েকশন নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ!

⚠️বিশেষ দ্রষ্টব্য:-সবগুলো পয়েন্ট ফলো করতে না পারলেও কিছু কিছু বিষয় ফলো করা যেতে পারে,সেটি অভিজ্ঞ রাকির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে নেবেন‌ ইনশা-আল্লাহ।

📌সারবস্তু
“রুকইয়াহ না কাজ করলে সমস্যাটা রুকইয়ায় নয়, বরংচ রাকির অনভিজ্ঞতা কিংবা রোগীর ভিতরের হুসুন। সুতরাং ফাস্টোফল আগে হুসুন ভেঙে দিন, তারপর ইনশাআল্লাহ রিয়েক্ট শুরু হবে। আর যখন একজন পেশেন্টের শরীরে রিয়েকশন একটিভ হবে, ঠিক তখনই ব্যক্তি আস্তে আস্তে সুস্থ হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

রুকইয়াহ কখনোই তাবিজ/তান্ত্রিকতা নয়, বরঞ্চ একটি ধৈর্যের ও পদ্ধতির নাম,একজন ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার জন্য,প্রকৃত চিকিৎসক বা রাকী এই বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝেন এবং ধাপে ধাপে কাজ করেন।

প্রশ্ন? কবরে কেন যাদু পুঁতা হয়? এবং যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির নিকটতম ব্যক্তির কবরে কেন যাদু থাকে ?এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবে...
09/08/2025

প্রশ্ন? কবরে কেন যাদু পুঁতা হয়? এবং যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির নিকটতম ব্যক্তির কবরে কেন যাদু থাকে ?

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়, এবং ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে।

১. কেন কবরে যাদু পুঁতা হয়?

1. অশুভ ও গোপনীয় স্থান:
কবর সাধারণত জনমানবহীন, শান্ত ও নিরাপদ স্থান। যাদুকাররা মনে করে সেখানে কেউ খুঁজবে না, ফলে যাদু দীর্ঘদিন অক্ষত থাকে।

2. আত্মিক শক্তির ভ্রান্ত বিশ্বাস:
কিছু জাদুকর বা শয়তানের অনুসারী মনে করে, মৃত মানুষের আত্মার সাথে সম্পর্কিত জায়গায় (কবর) যাদুর প্রভাব বেশি হয়।

3. শয়তানের নির্দেশ:
অনেক সময় শয়তান ও জ্বীন যাদুকারকে নির্দেশ দেয় কবরস্থানে যাদু করতে, কারণ এটি অন্ধকার ও অপবিত্র পরিবেশ, যা শয়তানের পছন্দের জায়গা।

২. যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির নিকটতম ব্যক্তির কবরে কেন যাদু থাকে?

1. আবেগিক সম্পর্ক ব্যবহার করা:
যাদুর উদ্দেশ্য সাধারণত ভুক্তভোগীর আবেগ, মানসিক ও শারীরিক অবস্থা প্রভাবিত করা। মৃত নিকটাত্মীয়ের কবরকে টার্গেট করার মাধ্যমে শয়তান মানুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে চায়।

2. “আত্মীয়ের আত্মা” নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা:
অনেক যাদুকর মনে করে, ভুক্তভোগীর আত্মীয়ের কবরের সাথে যুক্ত হলে যাদু দ্রুত কাজ করে, কারণ ব্যক্তির সাথে সেই স্থানের আবেগিক যোগ আছে।

3. শয়তান ও জ্বীনের পরিকল্পনা:
শয়তান মানুষকে সবচেয়ে কষ্টদায়ক ও ভয়ঙ্কর উপায়ে আঘাত করতে চায়। নিকটাত্মীয়ের কবর ব্যবহার করা একটি শয়তানি কৌশল, যাতে মানুষ মানসিক ভেঙে পড়ে এবং কবরের ভয়ে আতঙ্কিত থাকে।

৩. ইসলামী নির্দেশনা:

এ ধরনের যাদু হারাম এবং কুফরি কাজ।

কবরে যাদু পুঁতে থাকলে তা খুঁজে বের করে ধ্বংস করা (পানি বা আগুন দিয়ে) ও রুকিয়াহ করা উত্তম।

কবরস্থানকে ভয় করার প্রয়োজন নেই, কারণ কবর মুমিনের জন্য রহমতের স্থান।

Raqi Abdullah Al-Mamun

09/08/2025

শরীরে জ্বীনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং পেশেন্ট তার প্রতারণার শিকার হন
যখন কোনো জ্বীন একজন মানুষের শরীরের উপর সম্পূর্ণভাবে প্রভাব বিস্তার করে, তখন সে রোগীকে এক মুহূর্তের জন্যও শান্তি পেতে দেয় না। জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে রোগী নানা ধরনের বাধা বিপত্তি ও কষ্টের সম্মুখীন হয়ে থাকে।
তখনই এই জ্বীনগুলো কোনো না কোনো কারণে শরীরের ভিতরে শক্তি অর্জন করে। তখন সেটি হতে পারে বদনজর (নজর) হাসাদ (হিংসা) কিংবা যাদুর প্রভাবের কারণে।

মূল বিষয় হলো:
যতক্ষণ পর্যন্ত সেই জ্বীনের মূল শক্তি ধ্বংস না করা যাবে, ততক্ষণ তাকে শরীর থেকে বের করাও সম্ভব নয়।
তখন আমরা প্রায়ই সময় দেখে থাকি, অনেকেই বিভিন্ন কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নেন, যেখানে তারা জ্বীন হাজির করে চিকিৎসা দেন (যা স্পষ্ট কুফরি) পেসেন্ট কিছুদিন ভালো থাকলেও কিন্তু কিছুদিন পরই সেই সমস্যাটি আবার ফিরে আসে। কারণ, জ্বীনের মূল শক্তি অক্ষত থাকলে সে আসলেই শরীর ছাড়ে না। বরং বের হয়ে যাওয়ার ভান করে মানুষকে ধোঁকা দেয়।
এ কারণেই প্রয়োজন সঠিক রুকইয়াহ পদ্ধতিতে চিকিৎসা, যা শুধু জ্বীন বের করার চেষ্টা নয়, বরং তার শরীরের ভিতরে থাকা শক্তিশালী যাদুর উৎস ধ্বংস করে দেয়। ফলে শয়তান শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

আল্লাহ তাআলা এই উম্মাহকে হিফাজত করুক। জ্বীন যাদুর ভয়ঙ্কর থাবা থেকে।
✅ লেখাটি ভালো লাগলে সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন। যাতে করে অন্যরা উপকৃত হয় 💐
শুকরান জাযাকুমুল্লাহ 💐💐

07/08/2025

যাদু নষ্টের রোডম্যাপ । প্রধানত এর চারটি পদ্ধতি রয়েছে ।

১। যাদুর বস্তু খুঁজে বের করে তা নষ্ট করে ফেলা ।
২। শরীরে নিযুক্ত যাদুর খাদিম জিনকে বের করা ।
৩। ইস্তেফরাগ তথা শরীরকে যাদুর বস্তু থেকে খালি করা ।
৪। রুকইয়াহ ।

ইস্তেফরাগের আবার ছোটবড় কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে ।

১) হিজামা= হিজামা করে রক্ত বের করার মাধ্যমে রক্তের সাথে যাদুর প্রভাব বের করা ।

২) ইসহাল= সোনাপাতা লুজ মোশন তৈরি করে এমন কিছু (অবশ্যই রুকইয়াহকৃত) খাওয়ানোর মাধ্যমে পায়খানার সাথে যাদুর বস্তু ও প্রভাব বের করা ।

৩) আল ক্বায়্যু= বমি করানোর মাধ্যমে পেটে থাকা যাদুর বস্তু ও যাদুর প্রভাব বের করা । বমি করানোর ক্ষেত্রে রুকইয়াহর পানির সাথে মধু, খাওয়ার উপযোগী অলিভ অয়েল ইত্যাদি পিচ্ছিল জাতীয় জিনিস মিশিয়ে নিলে ভালো।

৪) এছাড়া শরীর থেকে ঘাম বের করা ৫) এবং পানির পট্টি বা পানির প্রবাহে শরীরের তাপমাত্র কমানোও যাদুর প্রভাব নষ্টের জন্য সহায়ক উপায় ।

06/08/2025

🔴বারবার যাদু রিনিউ হয়না। যখন 'পাওয়ারফুল রুকইয়াহ না করে জিন শরীরে এক্সপোজ রেখে রুকইয়াহ করে যাবেন(যেমনটা সাধারণ মানুষ এটা মনে করে যে, রোগীর মুখ দিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে কেউ কথা বলতেছে মূলত এটাই জিন) এবং ওসব রুকইয়াহ গাইডলাইন ঠিক না হওয়াই পাশাপাশি চিকিৎসার মাসয়ালায় সুস্থতা পাওয়ার উদ্দেশ্য যেসব আয়াতগুলো পড়লে অতীতের রোগগুলো প্রকাশ পেয়ে টয়লেট এর মাধ্যমে দ্রুত বের হওয়ার মাধ্যমে রোগী সুস্থ হওয়ার দিকে যেতে পারে এমন শক্তিশালী আয়াতগুলো দিয়ে রুকইয়াহ না করা।

যাদু রিনিউ মানে বুঝেন?, রিনিউ তখনি হয় যখন ' ওসব রোগী যারা কখনোও রুকইয়াহ করে না বরং শুধু সাপ্লিমেন্ট ট্রিটমেন্ট নিয়েই পড়ে থাকে মূলত যারা রুকইয়াহ কখনোই করেনা,এমনকি নিয়মিত যারা রুকইয়াহ কোনোদিন করেনাই মূলত এসব রোগীদের শরীরে যাদু রিনিউ হয়।

এছাড়া পাওয়ারফুল রুকইয়াহ করলে রোগীর অতীতে যত 'শারীরিক ও মানসিক রোগ রোগী ফেস করে আসছে 'সেগুলো তখন রিয়্যাকশন আকারে দেখা গিয়ে শরীরে থেকে বের হয়ে থাকে - এটাকে যাদু রিনিউ বলে না বরং এটাকে 'সুস্থতার ধাপ এবং শরীর থেকে জিনের করা শারীরিক ও মানসিক রোগ বের হচ্ছে এটার আলামত বুঝিয়ে থাকে এবং এই রিয়্যাকশনটা এটা হবেই। (জিনের রোগী ছোটবেলা থেকে যত রোগ ফেস করে আসছে, যখন রোগী কুরআন এর ওসব আয়াত এবং হাদীসের ওসব দোয়া যেগুলো পড়লে রোগীর পুরো শরীর থেকে রোগ বের করা নিয়ে কাজ করবে তখন ওসব দোয়া এবং আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলে 'রিয়্যাকশন হয়ে হয়ে রোগীর অতীতের সকল রোগগুলো ধীরে ধীরে রিয়্যাক্ট আকারে দেখা যাবে এবং শরীর থেকে স্থায়ী বের হয়ে আসবে। (এই রিয়্যাকশন দেখা যাওয়ার পদ্ধতিকে যাদু রিনিউ বলে না বরং স্থায়ী সুস্থ হওয়ার দিকে যাওয়ার পদ্ধতিসমূহকে বলা হয়)।

নোট:- রিয়্যাকশন কম হয়,সেটার জন্য 'পড়া পানি দিয়ে গোসল করা বা খাওয়ার কিছু পদ্ধতি আছে'সেটা খাওয়ার মাধ্যমে রিয়্যাকশন কিছুটা কমানোর নিয়ত করা যায় পাশাপাশি রুকইয়াহ করে যেতে হবে

পাওয়ারফুল রুকইয়াহ এর নাম বলতে 'আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা জিন ও যাদু দমনের ক্ষেত্রে তার দেওয়া পদ্ধতি। সেখানে 'কুরআন এর আয়াত এবং হাদীসের দোয়ার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আয়াতগুলো ফলো করা:

১. যেসব আয়াত পড়লে সুস্থতা পাওয়া যাবে সেগুলোর মাধ্যমে রুকইয়াহ করতে হবে। (দলিল সূরা বনী ইসরাঈল ৮২ নম্বর আয়াত :- মহান আল্লাহ পুরো কুরআন কে শিফা ঘোষনা করেছে)কাজেই যখন আপনি বুঝতে পারবেন জিন ও যাদুর প্রভাবে শারীরিক ও মানসিক রোগগুলো শরীর থেকে 'উক্ত আয়াত পড়ে দূর হচ্ছে তখন এটাকে মিরাকল আয়াত বলতেই পারেন কারন তখন সূরা বনী ইসরাঈল এর ৮২ নম্বর এর উসূল সামনে এসে এটাই বলবে যে, কুরআন পুরোটাই শিফা'। নিচে তাফসীর তাফসিরকারকের ব্যাখ্যা দেখে নিন:-

قال قتادة في قوله : ( وننزل من القرآن ما هو شفاء ورحمة للمؤمنين ) إذا سمعه المؤمن انتفع به وحفظه ووعاه

কাতাদাহ বলেন:- আমরা(আল্লাহ) কুরআন নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।

এটার ব্যাখ্যায় কাতাদা বলেন:-যখন মুমিনরা কুরআন শুনবে তখন সেসব মুমিনরা উপকার পেতে থাকবে তার(কুরআন শুনার মাধ্যমে) এবং রক্ষা পাবে ও হেফাজতে থাকতে পারবে (সবসময়) এবং র,ক্তনালির ধমনীগুলো পর্যন্ত উপকার পাবে(কুরআন শুনা ব্যক্তিরা)

২.এছাড়াও এরকম অসংখ্য দোয়ার মধ্যেও মূলনীতি আছে।(প্রত্যেক রোগের চিকিৎসা রয়েছে যে ব্যক্তি জানে তার প্রয়োগ সেই এটার প্রয়োগ করতে পারবে)এরকম হাদীসের অসংখ্য উসূল মূলনীতি আছে।

-কাজেই দোয়ার মধ্যেও যেসব দোয়া পড়ে আপনি সুস্থ হবেন 'সেটাকে চিকিৎসার মূলনীতিতে 'দোয়ার পাওয়ারকে রুকইয়াহ চিকিৎসা সেক্টরে বলতে পারবেন ইনশাআল্লাহ '।

Address

Dhamrai Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Markaz Ar-Ruqyah Dhamrai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share