Dr. S M Shiam Hasan

Dr. S M Shiam Hasan Creating Awareness about Stroke and Other Neurological Diseases

Long post(একটু কষ্ট করে পড়ুন)✴️কাঁচা খেজুরের রস নিয়ে সচেতনতা✴️বাংলাদেশে শীতের সময় অনেকেই খেজুরের কাঁচা রস উপভোগ করেন। কি...
10/01/2026

Long post(একটু কষ্ট করে পড়ুন)

✴️কাঁচা খেজুরের রস নিয়ে সচেতনতা✴️

বাংলাদেশে শীতের সময় অনেকেই খেজুরের কাঁচা রস উপভোগ করেন। কিন্তু মনে রাখবেন—এই রসে Nipah virus (NiV) সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে, যা অত্যন্ত মারাত্মক এবং মানুষের মধ্যে ছড়াতেও পারে।

🔴কেন ঝুঁকি বেশি?

👉রাতের বেলা বাদুড় খেজুরের রসের পাত্রে চেটে বা বীজ/লালা/মূত্র ফেলে দিতে পারে।
👉এতে রসটি ভাইরাস দ্বারা দূষিত হতে পারে।
👉কাঁচা বা অপরিশোধিত রস পান করলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।
👉Nipah virus এ আক্রান্ত হলে মৃত্যু হার খুব বেশি – তাই সতর্কতা জরুরি।

🔴বাদুড়ের ভূমিকা
👉বাদুড় হলো Nipah virus-এর প্রাকৃতিক বাহক।
👉তাদের সংস্পর্শে থাকা রস বা রস থেকে তৈরি খাবার সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

🔴কী ঘটে — কারণ কী?
👉খেজুরের রস সংগ্রহ করার সময় বা কাঁচা রস যখন পাত্রে পড়ে, রাতের বেলায় বাদুরের মুখ, ওমূত্র বা পায়ের মধ্যকার অংশে থাকা রসের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।
👉যদি এমন রস আমরা চেখে বা খেয়ে ফেলি, তাহলে ভাইরাস শরীরে যেতে পারে।
👉প্রতিবার রস ভর্তি পাত্র চেক করা বা বাদুড়কে বাধা দেওয়া হয় না, তাই “কোনো রিস্ক নেই” বলা যায় না।

🔴সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে—
👉জ্বর, মাথাব্যথা,
👉মাথা ঘোরা,
👉শ্বাসকষ্ট, কাশি
👉আবোল তাবোল কথা বলা
👉খিঁচুনি
👉জ্ঞানবোধ কমে যাওয়া
👉স্নায়বিক সমস্যা, এমনকি কোমা।
👉২-২৮ দিন এর মধ্যে সংক্রমণ এর লক্ষন প্রকাশ পেতে পারে

🔴কীভাবে সতর্ক থাকবেন?
👉কাঁচা খেজুরের রস খাবেন না।
👉রস নিতে হলে অবশ্যই ফুটিয়ে নিন—তাপে ভাইরাস নষ্ট হয়।
👉রস সংগ্রহের পাত্র বাদুড় থেকে সুরক্ষিত কি না—জেনে নিন।
👉রস দিয়ে বানানো পিঠা বা খাবার কিনতে গেলে সতর্ক থাকুন।
👉শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সচেতনতা আরও বাড়ান।
👉আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পর্শে আসলে অবশ্যই মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস ব্যবহার করা
👉নিয়মিত হাত ধুয়া

🛑বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস ও খেজুরের কাঁচা রস: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
✔️২০০১–২০২৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট প্রায় ৩৪৭টি নিপাহ ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে।
✔️এই রোগে মোট মৃত্যুহার প্রায় ৭২% — অর্থাৎ আক্রান্তদের বেশির ভাগই মারা যান।
✔️২০২৩ সালের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি সময়ে ১১ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন; তাদের মধ্যে ৮ জন মারা যান (মৃত্যুহার ~৭৩%)।
✔️এই ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন — যা সংক্রমণের প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়েছে।
✔️২০২৪ সালের শীতেও দুইজন ল্যাব-কনফার্মড রোগী পাওয়া যায় — একজনের বয়স মাত্র ৩ বছর। দু’জনই মারা যান, এবং দু’জনেরই ফ্রেশ কাচা খেজুরের রস খাওয়ার ইতিহাস ছিলো।
✔️২০২৫ সালের শীত এর সিজন ছাড়াও অগাস্ট মাসে নওগাঁতে একজন আক্রান্ত হন যিনি অর্ধ খাওয়া ফল খেয়েছিলেন। মোট ৪ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০২৫ সালে, এবং সবাই মারা গেছেন।

🛑পূর্বাভাস ( প্রোগনোসিস):
মৃত্যু হার ৭২% (২০২৩ সাল পর্যন্ত), ১০০% (২০২৪,২০২৫)

🛑নিপাহ আক্রান্ত হলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে
নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করবেন:

০১৯০৭৮০১৮৫৬ ( হটলাইন- IEDCR)
০১৩০৪০৬৮৮০০ ( হটলাইন- ICDDR'B)

✴️সবাইকে অনুরোধ, শীতে আনন্দের খাবার উপভোগ করুন, কিন্তু নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা আগে ভাবুন। সচেতন থাকুন, অন্যকেও জানান—একটু সতর্কতাই বড় ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে পারে।

#নিপাহ #খেজুরেররস #শীতকাল

(সংগ্রহীত এবং পরিমার্জিত)

🛑স্থূলতা (Obesity) স্বাস্থ্যঝুঁকির নীরব শত্রুবর্তমানে স্থূলতা (ওজন বেশি হওয়া) শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি একটি স্বাস...
07/01/2026

🛑স্থূলতা (Obesity) স্বাস্থ্যঝুঁকির নীরব শত্রু

বর্তমানে স্থূলতা (ওজন বেশি হওয়া) শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি একটি স্বাস্থ্যসমস্যা।

অতিরিক্ত ওজন থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক, ফ্যাটি লিভার, হাঁটু-ব্যথা, ঘুমের সমস্যা এমনকি কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে।

তাই নিজের ওজন কতটুকু থাকতে হবে তা নিজেই পরিমাপ করাটা উত্তম। এতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এইরুপ একটি পদ্ধতি হলো BMI।

✅BMI কী?

BMI (Body Mass Index) হলো একটি সহজ হিসাব, যেটি দিয়ে বোঝা যায় আপনার ওজন স্বাভাবিক কি না।

✅BMI অনুযায়ী ওজনের স্তরগুলো:
👉১৮.৫-এর নিচে — কম ওজন
👉১৮.৫ – ২৪.৯ — স্বাভাবিক
👉২৫ – ২৯.৯ — অতিরিক্ত ওজন
👉৩০ বা তার বেশি — স্থূলতা (Obesity)

✅BMI কিভাবে নিজে হিসাব করবেন?

ফর্মুলা:

BMI = ওজন (কেজি) ÷ উচ্চতা (মিটার)²

🔹 প্রথমে আপনার উচ্চতা মিটারে লিখুন: যেমন: 165 সেমি = 1.65 মিটার)
🔹 তারপর উচ্চতাকে নিজের সাথে গুণ করুন (মিটার × মিটার)
🔹 এরপর আপনার ওজন (কেজি) সেই সংখ্যায় ভাগ করুন

✅ উদাহরণ (সহজভাবে):
ধরা যাক —ওজন = 70 কেজি এবং উচ্চতা = 1.65 মিটার
1️⃣ উচ্চতা × উচ্চতা = 1.65 × 1.65 = 2.72
2️⃣ BMI = 70 ÷ 2.72 = ≈ 25.7
➡️ অর্থাৎ BMI = 25.7 → অতিরিক্ত ওজন (Overweight)

🛑কি করলে ঝুঁকি কমবে?
✔ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা/ব্যায়াম
✔ বেশি ফল, শাকসবজি, আঁশযুক্ত খাবার
✔ কোমল পানীয়, ভাজা-পোড়া ও জাঙ্ক-ফুড কমানো
✔ পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস কমানো
✔ নিয়মিত BMI ও কোমরের মাপ নজরে রাখা
✔ কোনো রোগ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া

ছোট ছোট পরিবর্তনেই বড় ফল। স্বাস্থ্যবান ও সক্রিয় থাকুন, আজ থেকেই শুরু করুন!

(সংগৃহীত)

#স্থুলতা

🧠 পার্কিনসন্স ডিজিজ: জানুন, বুঝুন, পাশে থাকুনপার্কিনসন্স ডিজিজ হচ্ছে এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি (ক্রনিক) স্নায়ুরোগ, যেখানে ম...
04/12/2025

🧠 পার্কিনসন্স ডিজিজ: জানুন, বুঝুন, পাশে থাকুন

পার্কিনসন্স ডিজিজ হচ্ছে এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি (ক্রনিক) স্নায়ুরোগ, যেখানে মস্তিষ্কের এক অংশে ডোপামিন নামের কেমিক্যাল ধীরে ধীরে কমে যায়। এই ডোপামিনই আমাদের নড়াচড়া, হাঁটা, ভারসাম্য ইত্যাদি ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে।

⚠️ডোপামিন কমে গেলে কী হয়?
�আমাদের শরীরের মুভমেন্ট যেন “স্লো মোশন”-এ চলে যায়। তখন ধীরে ধীরে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়।

🛑সাধারণ লক্ষণ
* হাত-পা কাঁপা, বিশেষ করে যখন বিশ্রামে থাকি
* হাঁটতে বা উঠতে গিয়ে মনে হয়, শরীর এগোতে চাইছে না
* পেশি শক্ত হয়ে যায়, শরীরকে ভারী লাগে
* মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় (অনেককে দেখে মনে হয় সব সময় গম্ভীর)
* ছোট ছোট পা ফেলে হাঁটা, সামনে পড়ে যাওয়ার ভয়
* হাতের লেখা ছোট হয়ে যাওয়া, বাঁকা কিংবা কাঁপা লেখা
* কথা ধীরে ধীরে ও আস্তে আস্তে হওয়া
সব লক্ষণ একসাথে নাও থাকতে পারে, আর অনেকেই প্রথমে শুধু “বয়সের সমস্যা” ভেবে বিষয়টা এড়িয়ে যান।

🛑কাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়?
* সাধারণত ৬০-এর বেশি বয়সে
* পুরুষদের মধ্যে কিছুটা বেশি দেখা যেতে পারে
* পরিবারের কারও থাকলে ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে
তবে বয়স হলেই যে পার্কিনসন্স হবেই – তা না। আবার কম বয়সেও (যদিও কম) হতে পারে।

🛑চিকিৎসা আছে, সমাধানও আছে
পার্কিনসন্স পুরোপুরি “সারে” না, কিন্তু ওষুধ, নিয়মিত ফলোআপ, ব্যায়াম আর লাইফস্টাইল ঠিক রাখলে অনেকেই স্বাভাবিকের কাছাকাছি জীবন কাটাতে পারেন।

🛑চিকিৎসা সাধারণতঃ
* নিউরোলজিস্ট/মুভমেন্ট ডিজঅর্ডার স্পেশালিস্টের পরামর্শমতো ওষুধ
* ফিজিওথেরাপি ও নিয়মিত ব্যায়াম
* স্পিচ থেরাপি (কথা জড়িয়ে গেলে/আস্তে হলে)
* কিছু ক্ষেত্রে সার্জারি (যেমন: DBS – ডাক্তার নির্ধারণ করবেন)
* লাইফস্টাইল ও ব্যায়াম

🛑ডাক্তারের পাশাপাশি রোগী আর পরিবারেরও কিছু করার থাকে –
* নিয়মিত হালকা থেকে মাঝারি ব্যায়াম (হাঁটা, স্ট্রেচিং, ব্যালান্স এক্সারসাইজ)
* প্রতিদিন একটু ধীর গতিতে হলেও নিজে নিজে কাজ করা
* পড়া, গল্প করা, সামাজিক থাকতে চেষ্টা করা
* পর্যাপ্ত ঘুম আর পুষ্টিকর খাবার
শরীরকে একেবারে “বন্ধ” করে রাখা যাবে না। যতটা সম্ভব নিরাপদভাবে একটিভ থাকা জরুরি।

🛑পরিবার ও আশেপাশের মানুষের ভূমিকা
পার্কিনসন্স রোগীরা অনেক সময় হীনমন্যতা বা ডিপ্রেশনে ভুগেন। তাই পরিবারের ভূমিকা অনেক বড়ঃ
* বারবার বকাঝকা না করে ধৈর্য ধরে সাহায্য করুন
* “তুমি পারবে”, “ধীরে করো, সমস্যা নেই” – এই ধরনের কথায় ভরসা দিন
* বাইরে নিয়ে যান, মানুষের সাথে মিশতে উৎসাহ দিন
* ডাক্তার দেখাতে, ওষুধ ঠিকমতো খেতে সাহায্য করুন
একটা কথা মনে রাখতে হবে – রোগের চেয়ে “একলা অনুভব করা” বেশি কষ্টের।

🔷হাত কাঁপা, হাঁটতে কষ্ট, শরীর শক্ত লাগা – এসবকে শুধু “বয়সের দোষ” বলে এড়িয়ে না গিয়ে একজন নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন। আগে ধরা পড়লে এবং নিয়ম মেনে চললে পার্কিনসন্স নিয়ে জীবন থেমে যায় না।

👉চাইলে এই পোস্টটা শেয়ার করে অন্যদেরও জানাতে পারেন।
(সংগৃহিত)

⏰এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স(Antibiotic resistance)⏰  "আজকের অবহেলা, আগামী দিনের বড় সংকট"এন্টিবায়োটিক জীবাণু ধ্বংস করে আম...
19/11/2025

⏰এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স(Antibiotic resistance)⏰

"আজকের অবহেলা, আগামী দিনের বড় সংকট"

এন্টিবায়োটিক জীবাণু ধ্বংস করে আমাদের সুস্থ করতে সাহায্য করে। কিন্তু ভুল ব্যবহার করলে জীবাণুগুলো নিজেরাই শক্তিশালী হয়ে উঠে—এই অবস্থাকে বলা হয় এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। তখন সাধারণ এন্টিবায়োটিক আর কাজ করে না, রোগও সহজে সারে না।

🔍 কেন এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাড়ছে?
• নিজে নিজে এন্টিবায়োটিক খাওয়া�• চিকিৎসকের নির্দেশ না মেনে ডোজ অসম্পূর্ণ রাখা�• ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশিতে অকারণে এন্টিবায়োটিক চাওয়া/দেওয়া�• ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া সহজে পাওয়া�• অতিরিক্ত ও অযথা ব্যবহারের কারণে ব্যাকটেরিয়ার বুদ্ধিমান হয়ে ওঠা

⚠️ ভবিষ্যতের বিপদ কোথায়?
যদি এখনই সচেতন না হই—�• সাধারণ সংক্রমণও মারাত্মক রোগে পরিণত হবে�• সার্জারি, ডেলিভারি, ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট—সবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে�• শক্তিশালী জীবাণুর কারণে নতুন এন্টিবায়োটিক কাজ নাও করতে পারে�• বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে

🍁 কী করণীয়?
• চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনো এন্টিবায়োটিক খাবেন না�• ভালো না লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন�• ভাইরাসে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না—এটা মনে রাখুন�• সবাইকে সচেতন করুন

"🍃আজকের সঠিক সিদ্ধান্ত, আগামী দিনের সুরক্ষা"🌱

👉👉নিচের রিপোর্ট খেয়াল করুন। ৪৫ বছরের এক মহিলার উপসর্গ ছিলো কাশি ও জ্বর। যা কোন ভাবেই সেরে উঠতে ছিলোনা। অত:পর তার কাশির কালচার করে দেখা গেলো কোন কমন, ইভেন দামি এন্টিবায়োটিক ও কাজ করবেনা। মানে রেজিসটেন্স(R). যদি কোন টা কাজ করতো তবে (S) সেন্সিটিভ দেখাতো। এখন এই মহিলা পেসেন্ট এর ক্ষেত্রে কি হবে? বা হতে পারে?



(সংগৃহিত এবং পরিমার্জিত)

 (ব্রেন টিউমার)অনেক দিনের মাথা ব্যাথা হলেই আমরা ভয় পেয়ে যাই। ব্রেইন টিউমার হলো কিনা। বিশেষ করে ইয়ং ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে ...
08/11/2025

(ব্রেন টিউমার)

অনেক দিনের মাথা ব্যাথা হলেই আমরা ভয় পেয়ে যাই। ব্রেইন টিউমার হলো কিনা। বিশেষ করে ইয়ং ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে এই প্রবনতা বেশি হয়।

কিন্তু দেখা যায় যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাথা ব্যাথার কারন হয়ে থাকে #স্ট্রেস (Tension Type Headache) আর কিছু অংশের ক্ষেত্রে #মাইগ্রেন।

আর চেম্বার বা হাসপাতালে এসে তাদের প্রথম ডিমান্ড ই থাকে একটা সিটি স্ক্যান করতে হবে। নাছোরবান্দা। কোন ভাবেই তাদের বোঝানো কঠিন।

☘️এখন আসুন আমরা ব্রেইন টিউমার এর লক্ষন গুলো আগে জানি:
✔️ ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া। মাঝে মাঝে অসংলগ্ন আচরন এবং কথা বলা

✔️শুধু মাথা ব্যাথা ব্রেইন টিউমার এ ইউজুয়ালি হয়না। এই মাথা ব্যাথা একটু ভিন্ন। পুরো মাথা জুরে হবে। মৃদু ব্যাথা। কাশি, হাচি, সামনের দিকে ঝুকে নিলে এই ব্যাথা বাড়ে।

✔️সকালে ঘুম থেকে উঠার পর বেশি হয়। সাথে বমি বমি ভাব ও বমি হয়।

✔️চোখে ঘোলা দেখা, কখনো এক জিনিষ দুটো দেখা

✔️খিচুনি

✔️শরীরের কোন পাশ দুর্বল হয়ে আসা ধীরে ধীরে

♻️মনে রাখতে হবে একটা সিটি স্ক্যান ৩০০-৪০০ এক্সরে এর সমান রেডিয়েশন ব্যাবহার করে। তাই অযথা সিটি স্ক্যান করে নিজের উপর অপ্রয়োজনীয় রেডিয়েশন এক্সোজ করা কখনোই যৌক্তিক নয়।

(সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত)

⭕থাইরয়েড টেস্ট (TSH) বুঝতে যা জানা প্রয়োজন⭕✔️TSH (Thyroid Stimulating Hormone) হলো এমন একটি হরমোন, যা পিটুইটারি গ্রন্থি ...
13/10/2025

⭕থাইরয়েড টেস্ট (TSH) বুঝতে যা জানা প্রয়োজন⭕

✔️TSH (Thyroid Stimulating Hormone) হলো এমন একটি হরমোন, যা পিটুইটারি গ্রন্থি (মস্তিস্কে) থেকে বের হয় এবং থাইরয়েড গ্রন্থিকে ( যা গলায় থাকে) T4 ও T3 হরমোন তৈরীতে সাহায্য করে।

✔️থায়রয়েড এর পূর্ন অবস্থা জানার জন্যে তিন টা টেস্ট প্রয়োজন হয় যাকে থায়রয়েড প্যানেল বলে। সেইগুলি হলো TSH, FT3, FT4.

✅ রিপোর্টের মানে কী?

☘️স্বাভাবিক (0.4 – 4.0 mIU/L):� 👉 থাইরয়েড ভালোভাবে কাজ করছে।

☘️TSH অল্প বেশি (৪.৫ – ১০):
👉তখন Free T4 দেখতে হয়।

✔️Free T4 স্বাভাবিক → সাবক্লিনিকাল হাইপোথাইরয়েডিজম (লক্ষণ সচারাচর থাকেনা কিন্তু হাইপোথাইরয়েড)
✔️Free T4 কমে গেলে → ওভার্ট (কনফার্ম) হাইপোথাইরয়েডিজম (লক্ষণ দেখা দেয়)

☘️TSH অনেক বেশি (>১০), Free T4 যাই ই থাকুক না কেনো। কনফার্ম হাইপোথায়য়ডিজম।

⭕বিশেষ কন্ডিশন :
✔️গর্ভাবস্থায়: TSH > ২.৫ (১ম ত্রৈমাসিক) বা > ৩ (পরের ত্রৈমাসিক) → চিকিৎসা শুরু জরুরি, কারণ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে প্রভাব পড়ে।
✔️TPO অ্যান্টিবডি পজিটিভ: ভবিষ্যতে হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।
✔️বয়স্ক মানুষ (>৭০ বছর): হালকা বাড়তি TSH অনেক সময় বয়সের জন্য হতে পারে, সবসময় ওষুধের দরকার নাও হতে পারে।
✔️অন্য অসুখে (সিক ইউথাইরয়েড সিন্ড্রোম): অসুস্থ অবস্থায় TSH সাময়িকভাবে অস্বাভাবিক হতে পারে, সুস্থ হওয়ার পর আবার নরমাল হয়ে যায়। তাই ফুল প্যানেল অথবা সুস্থ হওয়ার পর আবার করতে হয় টেস্ট।

⭕শুধু TSH দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। সবসময় Free T4, Free T3, বয়স, গর্ভাবস্থা, লক্ষণ এবং অন্যান্য পরীক্ষা একসাথে বিবেচনা করতে হয়।

⭕আর একটা ভিন্ন কন্ডিশন হলো থায়রইডাইটিস।

♦️থাইরয়েডাইটিস ও TSH ♦️
✔️থাইরয়েডাইটিসে TSH সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়
1️⃣ শুরুতে: হরমোন বেশি বের হয়ে যায় → TSH কমে যায় (হাইপারথাইরয়েড ফেজ)�2️⃣ পরে: হরমোন কমে আসে → TSH বেড়ে যায় (হাইপোথাইরয়েড ফেজ)�3️⃣ শেষে: অনেকের ক্ষেত্রে আবার স্বাভাবিক হয়, তবে কারও স্থায়ী হাইপোথাইরয়েডিজম থেকে যেতে পারে।
♻️তাই শুধু একবারের রিপোর্ট নয়, নিয়মিত ফলো-আপ করা জরুরি।

♻️অনেক ক্ষেত্রে থায়রইডাইটিস এ শুধু TSH দেখে চিকিৎসা দেয়া হয়। মূল ডায়াগনোসিস তা হয়না। তাই দেখা যায় দুই থেকে তিন সপ্তাহেই অনেকের TSH আবার অস্বাভাবিক কমে আসে। মনে হয় রিপোর্টে ভূল নাকি ওষুধের ডোজ বেশি।

✔️✔️তাই সবক্ষেত্রে খুব ভেবে চিন্তে এক্সপার্ট ডিসিসান নিয়ে ওষুধ শুরু করতে হবে। কেনো না এই ওষুধ আপনাকে সারাজীবন খেয়ে যেতে হবে।
(সংগৃহিত)

আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) পেটের একটি খুব কমন ও বিরক্তিকর সমস্যা।আমাদের আশপাশে অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন...
11/09/2025

আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) পেটের একটি খুব কমন ও বিরক্তিকর সমস্যা।আমাদের আশপাশে অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। এর কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত দীর্ঘদিন কষ্ট পান, কোনো সুফল না পেয়ে একজনের পর একজন চিকিৎসক পরিবর্তন করতে থাকেন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায়।

🎯আইবিএস কি:

এটা আমাদের পরিপাকতন্ত্রের একটি ফাংশনাল বা কার্যগত সমস্যা। এখানে পরিপাকতন্ত্রের কোনো গঠনগত পরিবর্তন বা সমস্যা হয় না। মানে আলসার, ঘা বা ক্যান্সার এই জাতিয় কোন সমস্যা থাকেনা।

এই সমস্যা সাধারণত যুবক বয়সেই শুরু হয়ে থাকে। যাঁরা সব সময় উদ্বিগ্ন বা মানসিক চাপে থাকেন, তাঁরা এতে বেশি ভোগেন।

এখন পর্যন্ত আইবিএসের সঠিক কারণ ভালোভাবে
জানা যায়নি। তবে অনেক খুঁজেও পরিপাকতন্ত্রে কোনো বড় সমস্যা পাওয়া যায় না বলে কারণ অনুসন্ধানে কোনো লাভ নেই।

🎯কীভাবে বোঝা যাবে যে আপনার আইবিএস আছে:

👉এই রোগের কারণে মূলত দুই ধরনের সমস্যা হয়। একটি হলো পেটে ব্যথা অনুভব করা
👉 অন্যটি হলো মল ত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন

তবে সমস্যাটি খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে জড়িত। কিছু খাবার খেলে এই সমস্যা বেড়ে যায়। এটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম, কিন্তু দুধ ও দুধজাতীয় খাবার এবং শাকসবজি ও সালাদের মতো খাবারে সাধারণত বেশি বাড়ে। তবে ভালো বিষয় হলো যে এটা মারাত্মক কোনো রোগ নয়। এ থেকে বড় কোনো জটিলতা হওয়ার আশঙ্কা নেই।

🎯কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়:

পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা আইবিএস নির্ণয় করতে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ এর উপর ভিত্তি করে থাকেন। এই রোগ দুই রকম হতে পারে, যেমন আইবিএস ডি, যেখানে পেটে ব্যথার সঙ্গে পাতলা বা নরম পায়খানা হয় এবং আইবিএস সি, যেখানে পেটে ব্যথার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে। কারও কারও দুটিই থাকতে পারে। রোগের লক্ষণ ও ইতিহাস শুনে রোগ শনাক্ত করা হয়, তবে এর সঙ্গে অনেক সময় কিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হয় যে অন্য কোনো পরিপাকজনিত রোগ বা জটিলতা নেই। বেশির ভাগ পরীক্ষারই রিপোর্ট স্বাভাবিক পাওয়া যায়।

🎯পরিত্রাণের উপায় কী:

দুঃখজনক হলেও এটা সত্যি যে এই সমস্যার পুরোপুরি কোনো সমাধান নেই। তবে একে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
✅রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, শাক ইত্যাদি যেসব খাবারে সমস্যা বাড়ে, সেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
✅মানসিক চাপ কমাতে হবে। প্রয়োজন হলে উপসর্গ বুঝে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কিছু ওষুধ দিতে পারেন।

🔶তবে আইবিএসের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই আপনার নিজের হাতে। স্বাস্থ্যকর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন যাপন করলে ভালো থাকবেন।

🎯আইবিএস নিয়ে ভালো থাকার উপায়:

👉যেসব খাবারে পেটের সমস্যা বাড়ে, সেসব এড়িয়ে চলুন। দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, শাক, অতিরিক্ত তেলে ভাজা বা ডিপ ফ্রাই খাবার, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, বেকারি, কৃত্রিম চিনি, ক্যাফেইন ইত্যাদি এড়িয়ে চলা ভালো।

👉নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটির চেষ্টা করুন। এতে পেটের গ্যাস বা ফাঁপা ভাব কমবে।

👉একসঙ্গে অনেক না খেয়ে সারা দিনে অল্প অল্প করে ভাগ করে খান। খাবারের টাইমটেবিল বজায় রাখুন।

👉মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমাতে ব্যায়াম, যোগব্যায়াম, মেডিটেশন করতে পারেন। দরকার হলে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।

তবে কিছু উপসর্গ এর ব্যাপার এ খেয়াল রাখতে হবে। কারন এইগুলো জটিল পেট এর সমস্যার কারনে হয়ে থাকতে পারে।

🎯ওজনহ্রাস
🎯জ্বর
🎯রক্তশূন্যতা
🎯মলের সঙ্গে রক্তপাত

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

#আমাশয় #পেটব্যাথা


( সৌজন্য - ডা: শাহরিয়ার)

✅ডেংগু টেস্ট পজিটিভ আসলো। এখন আপনার করনীয়।✅ডেংগু হলে করনীয় কি?👉১. পূর্ন বিশ্রামে থাকবেন👉২. প্রচুর পানি খেতে হবে ( মাঝারি...
27/08/2025

✅ডেংগু টেস্ট পজিটিভ আসলো। এখন আপনার করনীয়।

✅ডেংগু হলে করনীয় কি?

👉১. পূর্ন বিশ্রামে থাকবেন
👉২. প্রচুর পানি খেতে হবে ( মাঝারি সাইজের গ্লাস এ ৬ গ্লাস বা তার বেশি পানি খেতে হবে
👉৩. ফল ও ফলের জুস, সেই সাথে ওরাল স্যালাইন খাবেন
👉৪. জ্বরের জন্যে প্যারাসিটামল খাবেন। দিনে ৫-৬ টা খেতে পারেন।
👉৫. টেপিড স্পুঞ্জিং। সহজ ভাষায় গা মুছে দেয়া। প্রধানত, বগল এর নিচে, ঘাড়ের পিছনে, কুচকিতে পানি ভেজা গামছা বা কাপড় অল্প সময় ধরে রাখুন। শুধুমাত্র মুছে দেয়া নয়।

🚫কি কি এভয়েড করতে হবে?

⛔১. ভুল করেও মারাত্মক ব্যাথা থাকলেও পেইন কিলার খাওয়া যাবেনা কোন। এতে করে উলটো খারাপ হয় যেতে পারে।
⛔২. এন্টিবায়োটিক এর কোন ভূমিকা নেই
⛔৩. স্টেরয়েড এর কোন ভূমিক নেই
এই হলো প্রাথমিক এবং রিকোগনাইজড চিকিৎসা।
যদি না কোন ডেঞ্জার বা ওয়ার্নিং উপসর্গ ( যা আমি আগের পোস্টে এ লিখেছি) না থাকে তবে এই চিকিৎসা বাসায় বসেই নিতে পারেন এবং নেয়ার চেষ্টা করবেন।
(সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত)

**মাথা ব্যাথার গুরুত্বপূর্ণ ২ টা কারন হল**১।টেনশন টাইপ হেডেক (Tension Type headache) ২।মাইগ্রেন ( Migraine) মাইগ্রেন  সা...
24/08/2025

**মাথা ব্যাথার গুরুত্বপূর্ণ ২ টা কারন হল**
১।টেনশন টাইপ হেডেক (Tension Type headache)
২।মাইগ্রেন ( Migraine)


মাইগ্রেন সাধারণত মাথার অর্ধেক টাতে হয় এবং টনটনে ব্যাথা হয় সাথে বমি বমি ভাব থাকে,শব্দে বা আলোতে গেলে বাড়ে, অন্যদিকে টেনশন টাইপ হেডেক পুরো মাথায় ব্যান্ডের মত চাপ ধরে ব্যাথা হয়।

মাইগ্রেন কম বয়সী মেয়েদের বেশি হয় এবং পুরোপুরি ছেড়ে যায় না। বয়স বাড়লে ৩৫-৪০ বছরের দিকে গিয়ে কমে যায়।
উপরের দুটো কারন খুব বেশি ভয়ংকর না এবং চিকিৎসা নিলে রোগী ভাল থাকে।

আরও কিছু কারন আছে যেগুলো মাথা/ব্রেনে রোগের কারনে হয়।
নিচের লক্ষণ গুলো থাকলে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে,অবহেলা করা যাবে না:
১।যদি বেশি বয়সে হঠাৎ করে মাথা ব্যাথা শুরু হয়
২।যদি সকালের দিকে ব্যাথা বেশি থাকে
৩।মাথা ব্যাথার সাথে বমি থাকে
৪।চোখে দেখতে সমস্যা হয়
৫।জ্বর থাকে বা
৬।খিচুনি থাকে

কোন কারনে যে কোন বয়সে যদি মাথায় বাজ পরার মত প্রচন্ড ব্যাথা হয় তাহলে সাথে সাথে CT scan of brain করাতে হবে।
(সংগৃহীত)

06/08/2025

🛑 Stroke ( স্ট্রোক) এবং Physiotherapy ( ফিজিওথেরাপি)🛑

হঠাৎ করে কোন পাশ অবশ হয়ে গেলে তাকে আমরা বলি স্ট্রোক।
এতে হাত, পা, মুখ হালকা দুর্বলতা থেকে শুরু করে একেবারে পুরাপুরি অবশ পর্যন্ত হতে পারে।

হাত, পা যে দুর্বল হয়ে যায় এটাতে ধীরে ধীরে শক্তি ফিরে আসে সময়ের ব্যবধানে।

🔵এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা হল ব্যায়াম/ফিজিওথেরাপি।

এটা যদি আপনি ঠিকমতো না করান তাহলে রোগীর হাত পা এক সময় শক্ত হয়ে যায় এবং স্থায়ী পঙ্গুত্বের দিকে রোগী চলে যায়, তখন আর কিছু করার থাকে না।

🔵এর সাথে সাথে প্রেসার, ডায়াবেটিস, চর্বি কামনো, রক্ত পাতলা করার ঔষধ খেতে হবে সারাজীবন,তা না হলে ঐ রোগীর আবার স্ট্রোক করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

মানুষের মাঝে এ সচেতনতার খুব দরকার।

হতাশ হয়ে লক্ষ্য করা যায় যে বেশির ভাগ স্ট্রোকের রোগী ব্যায়াম করান না, ডাক্তারের পরামর্শ নেন না।

৬ মাস পর যখন আসেন তখন আর কিছু করার থাকে না।

তারা অবশ্য অন্যান্য বিভিন্ন চিকিৎসা নেন যেগুলো বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত না।

আরও হতাশ লাগে যখন দেখা যায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষিত মানুষরাও করছে।

🔵প্লিজ, নিজের আত্মীয় স্বজন বা আশেপাশের মানুষ কেউ স্ট্রোক করে হাত পা অবশ হয়ে গেলে ফিজিওথেরাপি না নিতে পারলেও এট লিস্ট ব্যায়াম টা করাতে বলিয়েন।ডাক্তারের কাছে না আসলেও ব্যায়াম টা করলে স্থায়ী পঙ্গুত্ব হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।

🔵ব্যায়াম টা করাতে হবে স্ট্রোক হওয়ার দিন থেকেই, সারাদিন এট লিস্ট ২০-২৫ বার,প্রতিবার ১০ মিনিট করে।এটা পরবর্তীতে দুর্বলতার অবস্থা অনুযায়ী ধীরে ধীরে কমানো যাবে।

কার্টেসী: ডা: সারোয়ার

Address

Din Nath Sen Road
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. S M Shiam Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share