Tabassum Tuli’s NutriSphere

Tabassum Tuli’s NutriSphere Feed your soul, but don’t forget your veggies.

🥛🆚🍶 দুধ নাকি দই — গবেষণা কী বলে?আমরা অনেকেই প্রতিদিন দুধ বা দই খাই, কিন্তু জানি কি বিজ্ঞান এই দুটো নিয়ে কী বলছে? চলুন গ...
28/02/2026

🥛🆚🍶 দুধ নাকি দই — গবেষণা কী বলে?
আমরা অনেকেই প্রতিদিন দুধ বা দই খাই, কিন্তু জানি কি বিজ্ঞান এই দুটো নিয়ে কী বলছে? চলুন গবেষণার আলোকে জেনে নিই!

দুধ:
🔬 পুষ্টি উপাদান (১ গ্লাস / ২৪০ ml)

প্রোটিন ৮ g — মাংসপেশি গঠনে সহায়ক
ক্যালসিয়াম ~৩০০ mg — হাড়ের মূল জ্বালানি
ভিটামিন D ও B12 — যা দইতে তুলনামূলক কম
ল্যাকটোজ ~১২ g — যাদের সহ্য হয় না, তাদের জন্য সমস্যা
ফ্যাট — স্কিমড থেকে ফুল ফ্যাট, প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন

🥛 দুধ সম্পর্কে গবেষণা কী বলে?
গবেষণা অনুযায়ী দুধে উপস্থিত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন — রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

যাদের জন্য উপকারী:
✔ বাড়ন্ত শিশু ও কিশোর-কিশোরী
✔ গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়
✔ হাড় দুর্বল বা ক্যালসিয়াম ঘাটতিতে
✔ ওজন বাড়াতে চাইলে

⚠️ যাদের সতর্ক থাকা উচিত:
✖ ল্যাকটোজ হজম করতে পারেন না যারা
✖ পেট ফাঁপা বা ঘন ঘন ডায়রিয়া হলে
✖ IBS-এ যাদের dairy trigger করে

দই:
🔬 পুষ্টি উপাদান (১ কাপ / ২৪০ g)

প্রোটিন ৮–১০ g — দুধের চেয়ে সামান্য বেশি
ক্যালসিয়াম ~৩৫০ mg — শোষণও তুলনামূলক ভালো
প্রোবায়োটিক — জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া যা অন্ত্র সুস্থ রাখে
ল্যাকটোজ অনেক কম — fermentation-এ ভেঙে যায়
ভিটামিন B12, জিংক, ফসফরাস

🍶 দই সম্পর্কে গবেষণা কী বলে?
✔️ হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য: গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে দই খেলে ল্যাকটোজ হজমে সহায়তা হয় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত হয়। (Savaiano & Hutkins, Nutrition Reviews, 2021)
✔️ টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: নিয়মিত দই খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। (Wang et al., Nutrition Research, 2013)
✔️ মাংসপেশির স্বাস্থ্য: দইয়ের প্রোটিন দুধের প্রোটিনের তুলনায় ভিন্নভাবে হজম ও শোষণ হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে মাংসপেশির ভর ধরে রাখতে এবং বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। (Saito et al., Nutrients/PubMed, 2023)
✔️ প্রোবায়োটিকের শক্তি: দইয়ে থাকা Lactobacillus ও Streptococcus thermophilus ব্যাকটেরিয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

যাদের জন্য উপকারী:
✔ পেটের সমস্যা, IBS বা bloating থাকলে
✔ PCOS ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসে
✔ অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পর gut bacteria ফিরিয়ে আনতে
✔ ল্যাকটোজ সহ্য না হলেও দই অনেকে হজম করতে পারেন

⚠️ যাদের সতর্ক থাকা উচিত:
✖ বাজারের মিষ্টি বা ফ্লেভারড দই — চিনি বেশি, উপকার কম
✖ দুধের প্রোটিনে অ্যালার্জি থাকলে দইও এড়িয়ে চলুন
✖ Immune system খুব দুর্বল হলে প্রোবায়োটিক নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

12/01/2026

তথ্যসূত্র: আহমেদ এম ক্লিনিক্যাল ডায়েট

12/01/2026

দুধের পুষ্টিগুণ: "সম্পূর্ণ খাবার হিসেবে দুধের গুরুত্ব: হাড়ের সুরক্ষা ও শারীরিক বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা।"

দুধ হলো সাদা বা হলুদাভ একধরনের তরল পদার্থ যা স্তন্যপায়ী(mammals) প্রাণীর স্তন্যপায়ী গ্রন্থি(mammary glands) থেকে উৎপাদিত হয়। দুধ যেকোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর জীবনের সর্বপ্রথম খাদ্য উৎস। স্তন্যপায়ী প্রাণীর জীবনের শুরুতে যে দুধ গ্রহণ করে থাকে তা শালদুধ বা colostrum নামে পরিচিত যা কিনা মায়ের শরীরের এন্টিবডি শিশুর শরীরের প্রবেশ করাতে সাহায্য করে এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

দুধ বহু পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ একটি খাদ্য। দুধের মধ্যে সকল প্রকার মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট( কার্বহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট) এবং ম্যাক্রনিউট্রিয়েন্ট(ভিটামিন, মিনারেলস ও পানি) থাকে। এসব নিউট্রিয়েন্টের উপস্থিতির জন্য দুধকে “সম্পূর্ণ খাবার” বলা হয়ে থাকে।

চলুন এবার জেনে নিই দুধে উপস্থিত নিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ,
📌দুধে কার্বহাইড্রেট হিসেবে ল্যাকটোজ থাকে যা “milk sugar” নামে পরিচিত। যেমন ২৫০গ্রাম দুধে প্রায় ১৩গ্রাম ল্যাকটোজ থাকে।
📌কার্বহাইড্রেট ছাড়া দুধের মধ্যে ভালো পরিমাণে ফ্যাট থাকে । যেমন ২৫০গ্রাম দুধের মধ্যে প্রায় ২.৫গ্রাম ফ্যাট থাকে, যার মধ্যে ১.৭ গ্রামের মতো সম্পৃক্ত ফ্যাট এবং বাকিটুকু অসম্পৃক্ত ফ্যাট থাকে। দুধকে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিডের খুব ভালো উৎস হিসেবেও গণ্য করা হয়। যেমন ২৫০গ্রাম দুধে omega-6 এবং omega-3 প্রায় ৭৩.২ মি.গ্রা. এবং ৯.৮ মি.গ্রা থাকে।
📌দুধকে আমরা প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে জানি। চলুন এবার জানা যাক দুধে কি পরিমান প্রোটিন রয়েছে। ২৫০গ্রাম দুধে প্রায় ৮.২গ্রাম প্রোটিন রয়েছে যার মধ্যে ০.২ গ্রাম casein এবং ০.০২৫গ্রাম whey প্রোটিন বিদ্যামান।
📌দুধকে আরও আমরা ভিটামিনের খুব ভালো উৎস হিসেবে জানি। যেমন ২৫০ গ্রাম দুধ দৈনিক দৈহিক চাহিদার প্রায় ৪৪% পূরণ করে থাকে। Vitamin A, D, K, B2, B3, B9, B6, B12 সমৃদ্ধ খাবার। এসব দুধের মধ্যে Vitamin B1, C, E এর অভাব রয়েছে।
📌মিনারেলস হিসেবে দুধে Calcium, Fluoride, Iron, Selenium থাকে। এক গ্লাস দুধে এসব মিনারেলস থাকে।
📌তাছাড়াও দুধের মধ্যে পানি এবং কোলেস্টেরল বিদ্যামান।

আসুন এবার জেনে নিই আমাদের দৈহিক সুস্থতার জন্য দুধের ভূমিকা,

দুধ আমাদের দৈহিক সুস্থতার জন্য অন্য ভূমিকা পালন করে। যেমন হাড়ের সুরক্ষা ও শারীরিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসুন এবার জেনে নিই হাড়ের সুরক্ষা ও শারীরিক বৃদ্ধিতে প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ।
✅হাড়ের সুরক্ষা: দুধ সাধারণত উচ্চ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি এর জন্য সুপরিচিত, যা হাড় এবং দাঁত শক্তিশালী রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত দুধ সেবন অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
✅শারীরিক বৃদ্ধি: শারীরিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দুধের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যেমন দুধের উচ্চমানের প্রোটিনে নয়টি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, যা এটিকে পেশী বৃদ্ধি এবং মেরামতের জন্য একটি চমৎকার উৎস করে তোলে। এটি বিশেষ করে ক্রীড়াবিদ, নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত ব্যক্তি এবং বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপকারী।

আমাদের সুস্থতার জন্য দুধের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য বলা চলে।

আফনান তাসনীম নুজহা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

12/01/2026

সুস্থ থাকতে প্রোটিন: হাতের কাছের ১০টি সেরা উৎস

​শরীর গঠন, কোষের ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রোটিন অপরিহার্য। কিন্তু প্রোটিন মানেই কি দামী বিদেশি খাবার বা সাপ্লিমেন্ট? একদম নয়! আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল থেকেই আমরা প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারি।

​আজকের এই চার্টে ১০০ গ্রাম পরিমাণ বিভিন্ন সহজলভ্য বাংলাদেশী খাবারের প্রোটিন ও পুষ্টিগুণ তুলে ধরা হলো। 👇
​ 1️⃣প্রাণিজ উৎস: মুরগি, হাঁস, রুই ও ইলিশ মাছে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন। বিশেষ করে সামুদ্রিক ও নদীর মাছে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা হার্ট ভালো রাখে।
​ 2️⃣ডিম ও দুধ: ডিমকে বলা হয় 'কমপ্লিট প্রোটিন সোর্স', আর হাড়ের সুরক্ষায় দুধের ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন অতুলনীয়।
3️⃣​ উদ্ভিজ্জ উৎস: মসুর ডাল, ছোলা, আটা ও মটরশুঁটি—যারা নিরামিষভোজী বা প্ল্যান্ট-বেসড ডায়েট করেন, তাদের জন্য এগুলো প্রোটিন ও ফাইবারের চমৎকার উৎস।

📌কেন এই খাবারগুলো জরুরি?
শুধুমাত্র প্রোটিন নয়, এই খাবারগুলো আয়রন, জিংক, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি এবং পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা অনুপুষ্টির জোগান দেয়, যা রক্তস্বল্পতা দূর করতে ও এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে।

​✅ টিপস: একজন সুস্থ মানুষের প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রতিদিন প্রায় ০.৮ থেকে ১ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন।

​আপনার আজকের খাবারে প্রোটিনের উৎস কী ছিল? কমেন্টে আমাদের জানান! 💬

নতুন ফুড পিরামিড
09/01/2026

নতুন ফুড পিরামিড

আমেরিকার স্বাস্থ্য বিভাগ সম্প্রতি খাদ্যাভ্যাসের নিয়মে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র (RFK Jr.)-এর নেতৃত্বে প্রকাশিত এই নতুন 'ফুড পিরামিড' আমাদের পুরনো ধ্যান-ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। সহজ কথায়, আগে আমরা যে পিরামিড মেনে চলতাম, এটি ঠিক তার উল্টো বা 'উল্টানো পিরামিড'। নিচে এই পরিবর্তনের মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

✔️​চর্বি ও আমিষ এখন আর শত্রু নয়
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে চর্বি বা ফ্যাটের ক্ষেত্রে। এতদিন চর্বি ও লাল মাংসকে (Red Meat) হার্টের শত্রু মনে করা হতো এবং এড়িয়ে চলতে বলা হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে বলা হচ্ছে, "চর্বির বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ"। এখন সয়াবিন বা প্রসেসড তেলের পরিবর্তে ঘি, মাখন, পনির, ডিম এবং প্রাণিজ চর্বি বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খেতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পিরামিডের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা উপরের স্তরে এখন স্থান পেয়েছে মাংস, পনির, শাক-সবজি এবং ফলমূল।

✔️​শর্করা ও প্রসেসড খাবারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান
আগের পিরামিডে ভাত, রুটি বা শর্করা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার কথা বলা হতো। কিন্তু নতুন নির্দেশনায় রিফাইন করা চাল, ময়দা এবং চিনিকে স্বাস্থ্যের মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভাত-রুটি কমিয়ে প্রাকৃতিক বা 'হোল গ্রেইন' শস্য অল্প পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাবার, কৃত্রিম রং এবং অতিরিক্ত চিনি মেশানো খাবার পুরোপুরি বর্জন করতে বলা হয়েছে। ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের খাবারে চিনি একদম নিষিদ্ধ বা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে।

✔️​দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে পরিবর্তন
দুধ খাওয়ার নিয়মেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে হার্টের ভয়ে ননিহীন বা 'লো-ফ্যাট' দুধ খেতে বলা হতো। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে দুধের ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারী। তাই এখন থেকে সরসহ বা 'ফুল-ফ্যাট' দুধ, দই ও পনির নির্দ্বিধায় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই নতুন ফুড পিরামিডের মূল মন্ত্র হলো—কারখানায় বানানো কেমিক্যালযুক্ত প্রসেসড খাবার বাদ দিয়ে প্রকৃতির তৈরি 'আসল খাবার' (Real Food) খেতে হবে। অর্থাৎ, ডায়েট থেকে চিনি ও প্যাকেটজাত খাবার কমিয়ে মাছ, মাংস, ডিম, সবজি ও খাঁটি দুধের মতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

02/01/2026
আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? অনেকদিন পরে আজ আপনাদের ম্যাগনেসিয়াম সম্পর্কে ছোট্ট করে একটা ছবি দেখাই
27/12/2025

আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? অনেকদিন পরে আজ আপনাদের ম্যাগনেসিয়াম সম্পর্কে ছোট্ট করে একটা ছবি দেখাই



16/10/2025



বর্তমান সময়ের আলোচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি ভিটামিন ডি ঘাটতি। এর ট্রিটমেন্ট হিসেবে ডাক্তার এবং পুষ্টিবিদগণ সাপ্লিমেন্ট ...
09/10/2025

বর্তমান সময়ের আলোচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি ভিটামিন ডি ঘাটতি। এর ট্রিটমেন্ট হিসেবে ডাক্তার এবং পুষ্টিবিদগণ সাপ্লিমেন্ট এবং রোদে বসার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আজকে আমি রোদে বসার বিষয় নিয়ে কিছু কথা বলবো।
ভিটামিন ডি শরীরে তৈরির জন্য সরাসরি ত্বকে রোদ লাগানো প্রয়োজন। কারণ আমাদের শরীরে থাকা 7-DHC রোদের UVB রশ্মির সরাসরি সংস্পর্শে তৈরি হয়।
সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ৩ টা এর রোদ আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এই কারণে এই সময়ের মধ্যে ১৫-২০ মিনিট রোদে বসতে হবে। সেই সময় পরনে রাখতে হবে সবচেয়ে পাতলা কাপড় যার ভিতর দিয়ে ত্বকে সহজেই রোদ লাগবে। মনে রাখতে হবে সানক্রীন বা সানব্লক ভিটামিন ডি তৈরিতে বাধা দান করতে পারে তাই এই সময় এগুলো এপ্লাই না করার। জানালা বা ব্যালকনি যেই রোদের আলো আসে তা ভিটামিন ডি তৈরিতে কার্যকর নয়। তাই সরাসরি রোদে বসতে হবে এবং নিয়মিত ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
Tabassum Tuli


Address

Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tabassum Tuli’s NutriSphere posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category