CAREX Bangladesh

CAREX Bangladesh Bringing Wellness to Your Doorstep.

“ত্বকের যত সমস্যা — এক সমাধান: Carex Skino-X”💬 আপনি কি ব্রণ, পিম্পল, মেছতা আর দাগে ক্লান্ত? সময় এসেছে ভিতর থেকে Glow ফির...
21/10/2025

“ত্বকের যত সমস্যা — এক সমাধান: Carex Skino-X”
💬 আপনি কি ব্রণ, পিম্পল, মেছতা আর দাগে ক্লান্ত? সময় এসেছে ভিতর থেকে Glow ফিরে পাওয়ার!

কারণ আপনি deserve করেন সত্যিকারের ফলাফল
বাজারে অসংখ্য স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট, বড় বড় নাম আর হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি —
কিন্তু ফলাফল? প্রায় শুন্য। 😔
এখন সময় এসেছে Luxury with Result — যেখানে প্রতিটি যত্নের ফোঁটায় থাকবে আসল Glow-এর শক্তি।

Introducing — Skino-X Premium Combo (For Him & Her)
একসাথে ৩ ধাপের লাক্সারি কেয়ার:
1. Skino-X Cleanser Spray — ময়লা ও ত্বকের dead cell দূর করে ত্বককে fresh করে।
2. Skino-X Cream — ত্বককে হাইড্রেট করে, দাগ, ব্রণ, মেছতা ও পিগমেন্টেশন হালকা করে।
3. Skino-X Drop (Oral) —ভিতর থেকে ত্বকের Glow পুনরুদ্ধার করে ও দাগ, ব্রণ, মেছতা ও পিগমেন্টেশন এর উপর কাজ করে ভেতর থেকে।

যা যা সমাধান দেবে Skino-X Combo:
✅ একনি ও পিম্পল দূর করবে
✅ মেছতা ও দাগ হালকা করবে
✅ স্কিনের গ্লো ও উজ্জ্বলতা বাড়াবে
✅ ভিতর থেকে স্কিন রিজেনারেশন বাড়াবে

📦 Available Now from Carex Official
📍 প্রিমিয়াম স্কিন কেয়ার সলিউশন, ছেলে-মেয়ে সবার জন্য.
📩 অর্ডার করতে ভিজিট করুন www.carexbd.com

🖤

12/10/2025

আপনি যতই দামি ক্রিম বা ক্লিনজার ব্যবহার করুন, যদি ভিতরটা ঠিক না থাকে — ত্বকে সেই পরিবর্তন কখনোই আসবে না।
এ কারণেই Carex নিয়ে এলো Skino-X Drops — এক অনন্য oral skincare formula, যা ভিতর থেকে কাজ করে আপনার ত্বককে করে তোলে উজ্জ্বল, মসৃণ ও দাগহীন।

💧 Skino-X Drops কীভাবে কাজ করে:

১. ভিতর থেকে ত্বক ডিটক্স করে ।

২. অ্যাকনে ও পিম্পল কমাতে সহায়তা করে ।

৩. মেলাসমা ও ডার্ক স্পট হালকা করে ।

৪. ত্বকের Glow ও Even tone বাড়ায়।

৫. হরমোনাল ব্যালান্স ঠিক রেখে ত্বককে সুস্থ রাখে ।

***ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য। সংবেদনশীল ত্বকেও ব্যবহার উপযোগী।

07/10/2025

For Pimple free glowing skin.
Skino-x ❤️❤️❤️WWW.CAREXBD.COM.

পুরো একটা জেনারেশন PCOS-এ ভুগছে..!আজকাল মেয়েদের মধ্যে প্রায়ই শোনা যায় আমার পিরিয়ড সময় মতো হয় না, ওজন কমছে না, বা ওজন বাড়...
16/08/2025

পুরো একটা জেনারেশন PCOS-এ ভুগছে..!
আজকাল মেয়েদের মধ্যে প্রায়ই শোনা যায় আমার পিরিয়ড সময় মতো হয় না, ওজন কমছে না, বা ওজন বাড়ছে না, হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কারণে ঘনঘন মুড সুইং হচ্ছে।

এগুলোই PCOS (Polycystic O***y Syndrome) এর লক্ষণ। আর অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, এটা এখন শুধু কোনো একজনের সমস্যা নয়, পুরো একটা প্রজন্ম এর শিকার।

কেন এমন হচ্ছে? এই সমস্যার কারণ মানুষ নিজেরাই। সারাদিন বসে থাকা, কম মুভমেন্ট করা, বেশি চিনিযুক্ত খাবার আর জাঙ্ক ফুড খাওয়া, রাত জাগা, অতিরিক্ত মোবাইল-লেপটপ ব্যাবহার করা, এগুলো শরীরের প্রাকৃতিক হরমোন সিস্টেমকে একদম এলোমেলো করে দিচ্ছে।

এগুলোর জন্য শরীরের ভেতরের ব্যালান্স নষ্ট হয়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, আর মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড ও হরমোন চক্রের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ে।

এটা শুধু শরীরের সমস্যা নয় মানসিক দিক থেকেও এর প্রভাব ব্যাপক। হরমোনের ওঠানামায় মুড সুইং, ডিপ্রেশন, আত্মবিশ্বাস হারানো সব মিলিয়ে এক ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

মনে রাখবেন PCOS শুধু মেয়েদের রোগ নয়, এটা একটা সোশ্যাল হেলথ ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, পরবর্তী প্রজন্ম আরও বড় সমস্যায় পড়বে। ❤️

সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হয় কেন? এর প্রতিকার কী?সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। এর মধ্যে কয়েকটি কারণ হল:...
07/05/2025

সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হয় কেন? এর প্রতিকার কী?

সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। এর মধ্যে কয়েকটি কারণ হল:

যোনিতে আঘাত: সহবাসের সময় যদি যোনিতে আঘাত লাগে, তাহলে তাতে ব্যথা হতে পারে। এই আঘাত হতে পারে যোনিদ্বারে, যোনিপথে, বা জরায়ুর মুখে।

যোনিতে সংক্রমণ: যোনিতে সংক্রমণ থাকলে তাতে ব্যথা হতে পারে। এই সংক্রমণ হতে পারে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ছত্রাক দ্বারা।

ইউটেরাইন ফাইব্রয়েডস বা পলিপস: জরায়ুতে ফাইব্রয়েডস বা পলিপস থাকলে তাতে ব্যথা হতে পারে।

এন্ডোমেট্রিওসিস: এন্ডোমেট্রিওসিস হল একটি রোগ যেখানে জরায়ুর অভ্যন্তরের আবরণ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ে।
এন্ডোমেট্রিওসিস হলে সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

অ্যাডনেক্সাইটিস: অ্যাডনেক্সাইটিস হল একটি রোগ যেখানে ডিম্বাশয় বা ফ্যালোপিয়ান টিউব প্রদাহ হয়। অ্যাডনেক্সাইটিস হলে সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

গর্ভপাতের পরে ব্যথা: গর্ভপাতের পরে তলপেটে ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে কমে যায়।

সহবাসের পর তলপেটে ব্যথা হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে:

ব্যথার তীব্রতা: ব্যথার তীব্রতা কতটুকু?

ব্যথার ধরন: ব্যথা কি তীক্ষ্ণ, ঝিঁঝিঁ ধরা, বা চাপ-মতো?

ব্যথা কোথায় অনুভূত হচ্ছে: ব্যথা কি তলপেটের মাঝখানে, বা একপাশে অনুভূত হচ্ছে?

ব্যথা কখন শুরু হয়: ব্যথা কি সহবাসের সময়, বা পরে শুরু হয়?

ব্যথা কতোক্ষণ স্থায়ী হয়: ব্যথা কি কয়েক মিনিটের মধ্যে কমে যায়, বা কয়েক ঘন্টা বা দিন স্থায়ী হয়?

এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে ব্যথার কারণ নির্ণয় করা সহজ হয়।
ব্যথা যদি তীব্র হয়, বা কয়েক দিনের মধ্যে কমে না যায়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। ডাক্তার শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ব্যথার কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন।

ব্যথার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:

যোনিতে আঘাতের চিকিৎসা: যোনিতে আঘাতের চিকিৎসায় সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধ এবং বরফ ব্যবহার করা হয়।

যোনিতে সংক্রমণের চিকিৎসা: যোনিতে সংক্রমণের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে কোনো ঝামেলা বিহীন কিছু এড়িয়ে যেতে হোমিওপ্যাথিক চিকিতসা সর্বোত্তম ।

ইউটেরাইন ফাইব্রয়েডস বা পলিপসের চিকিৎসা: ইউটেরাইন ফাইব্রয়েডস বা পলিপসের চিকিৎসায় সার্জারি, ঔষধ, বা লেজার থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তবে সার্জারী বা কোনো ঝামেলা বিহীন কিছু এড়িয়ে যেতে হোমিওপ্যাথিক চিকিতসা সর্বোত্তম ।

এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা: এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসায় ঔষধ, সার্জারি, বা হরমোন থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তবে কোনো ঝামেলা বিহীন কিছু এড়িয়ে যেতে হোমিওপ্যাথিক চিকিতসা সর্বোত্তম ।

অ্যাডনেক্সাইটিসের চিকিৎসা: অ্যাডনেক্সাইটিসের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে কোনো ঝামেলা বিহীন কিছু এড়িয়ে যেতে হোমিওপ্যাথিক চিকিতসা সর্বোত্তম । কারন এন্টিবায়োটিক সবসময় ফলপ্রসু নয় ।

গর্ভপাতের পরে ব্যথার চিকিৎসা: গর্ভপাতের পরে ব্যথার চিকিৎসায় সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে তা কিডনী ড্যামেজ করে দিতে পারে । এক্ষেত্রেও হোমিও চিকিতসা সর্বোত্তম ।

যদি ব্যথার কারণ যৌনবাহিত রোগ হয়, তাহলে যৌনসঙ্গীকেও পরীক্ষা ও চিকিৎসা করানো উচিত।

সেক্সফুড কী কী?সেক্সফুড হল এমন খাবার যা যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনতার সামগ্রিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করা হয়। এ...
07/05/2025

সেক্সফুড কী কী?

সেক্সফুড হল এমন খাবার যা যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনতার সামগ্রিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করা হয়। এই খাবারগুলিতে সাধারণত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এবং খনিজ পদার্থের মতো পুষ্টি উপাদান থাকে যা যৌন হরমোন উৎপাদন বা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে পারে।

সেক্সফুডের কিছু উদাহরণ হল:

অ্যাসপারাগাস: অ্যাসপারাগাস হল একটি উচ্চ ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার যা যৌন হরমোন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করতে পারে।

বাদাম: বাদাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই সমৃদ্ধ, যা যৌন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আঙ্গুর: আঙ্গুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এল-আরজিনিন সমৃদ্ধ, যা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে পারে।

কলা: কলা প্রাকৃতিক ভেজিনাল লুব্রিকেন্ট হিসাবে কাজ করতে পারে এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে পারে।

চকোলেট: চকোলেটে ফেনিলেথিলামাইন থাকে, যা একটি মনো-অ্যামিন যা ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে।

সেক্সফুডের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে, কিছু গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে এই খাবারগুলি যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনতার সামগ্রিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
সেক্সফুডের পাশাপাশি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও যৌন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো, ব্যায়াম করা, এবং ধূমপান এবং অ্যালকোহল পান করা এড়ানো অন্তর্ভুক্ত।

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভ...
04/05/2025

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।
লক্ষণঃ
মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে | চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
মাইগ্রেন বাড়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন :
১. Height of Temperature : অতিরিক্ত গরমে থাকলে বা রোদ্রে হাটলে যেমন মাইগ্রেন হতে পারে, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণেও মাইগ্রেন হতে পারে
২. Height of Emotion : অত্যাধিক রেগে যাওয়া, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা, অট্টহাসি বা জোরে জোরে হাসার অভ্যাস থাকলে
৩. অতিরিক্ত পরিশ্রম বা রেস্ট না নেওয়া। ক্ষেত্রবিশেষে অত্যাধিক যৌনমিলনের কারণেও হতে পারে
৪. সারাদিন বাসায় থাকা বা অতিরিক্ত ঘুম বা এক্সারসাইজের অভাব এবং অলসতা থেকেও মাইগ্রেন হতে পারে
৫. রাত জেগে থাকা তো মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ এবং এই রাত জেগে থাকার ফলে মাইগ্রেন দিনদিন বাড়তে পারে
৬. অধিক পড়াশুনা বা ব্রেনকে রেস্ট না দিলে মাইগ্রেন হতে পারে
৭. মাসিকের সময় মেয়েদের একটা মাইগ্রেন হয় এটাকে Menstrual Migraine বলে এবং Menopause এর পরে মাইগ্রেনের এ্যাটাক অনবরত হয়।
৮.জন্মনিরোধীকরণ পিল বা হরমোন থেরাপি নিলেও মাইগ্রেন বাড়তে পারে।
৯. খাদ্যবিশেষ যেমন চকলেট পিনাট মিস্টি অতিরিক্ত স্পাইসি বা লবণজাতীয় খাবার, দুধজাতীয় কিছু খাবার ইত্যাদি মাইগ্রেন বাড়াতে পারে।এমনকি সময়মতো না খাওয়া বা না খেয়ে থাকলে মাইগ্রেন মারাত্মক আকারে বেড়ে যায়
১০. উচ্চ আলো এবং উচ্চ শব্দ মাইগ্রেন রোগীদের জন্য অসহনশীল।
অতিরিক্ত হলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

সমাধানঃ
সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথায় পেনকিলার দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ দিন ধরে তা খেলে অন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। রোগী নিজে থেকে যদি কোনও পেনকিলার খেতে শুরু করেন, তার পরিণাম আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ সর্বাগ্রে প্রয়োজন। প্রেশার, টেনশনের রোগীদের সংশ্লিষ্ট ওষুধের ডোজ় কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়।
• খাদ্যাভ্যাস বদলে মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যাঁদের মাইগ্রেন রয়েছে, অতিরিক্ত কফি তাঁদের জন্য ক্ষতিকর। তবে মাইগ্রেনের অনেক ওষুধে কফির উপাদান থাকে। তাই পরিমিত কফি মাইগ্রেনের ব্যথায় উপশম দেয়। চকলেট, রেড ওয়াইন‌, ড্রাই ফ্রুটস, চিজ় জাতীয় খাবারও তাঁরা এড়িয়ে চললে ভাল।
• উপকারী তেল: ইউক্যালিপটাস অয়েল, মিন্ট অয়েল দিয়ে মাথায় মাসাজ করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি আরও যে উপসর্গ থাকে, তা-ও কম হয়। ল্যাভেন্ডার অয়েল যদি রোগী সেবন করেন, তা পনেরো মিনিটের মধ্যে কাজ করে।
• রোগীর বিচক্ষণতা: এমন অনেক সুগন্ধী আছে, যা রোগীর যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেয়। এগুলো সব সময়ে ব্যক্তিভিত্তিক। তাই রোগীকে বুঝতে হবে, কোন খাবারে সমস্যা হচ্ছে, কোন গন্ধে ব্যথা বাড়ছে। তবেই চিকিৎসক সাহায্য করতে পারবেন।
• পথ্য: কাজুবাদাম, ওয়ালনাট ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ হয় বলে খেতে পারেন। আদা কুচি চিবোলে উপকার পাওয়া যায়। সানফ্লাওয়ার অয়েলে রান্না করলেও রোগীর জন্য ভাল।
• চশমার ব্যবহার: মাইগ্রেনের রোগীরা অনেক সময়ে আলো সহ্য করতে পারেন না। চোখ যেন ঠান্ডা থাকে, সেই জন্য টিন্টেড গ্লাসের চশমা তাঁদের দেওয়া হয়। এতে রোগীর চোখ অনেক আরাম পায়।
মাইগ্রেনের ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। তবে লাইফস্টাইল বদলে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
ব্যথার উপশমে
• মাইগ্রেনের ব্যথায় বমি-বমি ভাব থাকে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত বমি হয় না। বমির তোড় বেশি হলে তা অন্য কোনও রোগের লক্ষণ হতে পারে
• মাইগ্রেনের ব্যথা পিরিয়োডিক। যখন হবে টানা তিন-চার দিন থাকবে। তার পরে পুরোপুরি সেরে গিয়ে আবার ফিরে আসবে। মাসে একাধিক বার হলে বা তীব্রতা বাড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের সাহায্য নিন
• এই ব্যথা নিয়েই যেহেতু চলতে হবে, তাই যতটা সম্ভব রোগীর নিজের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খাদ্যাভাস বদলে, জীবনধারণের পদ্ধতিতে বদল এনে ব্যথাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাই শ্রেয় বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা ৷

Address

Bazar Road , Savar
Dhaka
1340

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CAREX Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share