আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্ট

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্ট

আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্ট Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্ট, Alternative & holistic health service, ৪৬/১ টয়নবী সার্কুলার রোড, Dhaka.

▪️▪️নিশ্চয়তা পাবেন▪️▪️
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী ডাক্তার, অরিজিনাল ঔষধ, সঠিক চিকিৎসা ও মানসম্মত সেবা- সবকিছু একসাথে পাবেন আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্টে, ইনশাআল্লাহ!

14/05/2026

) নিয়ম মেনে হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে পাইলস ফিস্টুলা এনাল প্রেসার সম্পূর্ণ ভালো হয় ইনশাআল্লাহ

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন

ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

হলো পায়ুপথের ভেতরের বা বাইরের রক্তনালী ফুলে যাওয়া, যা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়। এর প্রধান লক্ষণ হলো মলত্যাগের সময় উজ্জ্বল লাল রক্তপাত, চুলকানি ও ব্যথা। প্রাথমিক অবস্থায় ফাইবারযুক্ত খাবার ও গরম পানিতে বসে এটি নিরাময় সম্ভব।পাইলস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাদি নিচে দেওয়া হলো:প্রধান লক্ষণসমূহ:মলত্যাগের সময় কোনো ব্যথা ছাড়া উজ্জ্বল লাল রক্ত পড়া।পায়ুপথের চারপাশে চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি।মলদ্বারের কাছে ফুলে যাওয়া বা গোটা অনুভব করা।মলদ্বারে ব্যথা বা অস্বস্তি, বিশেষ করে বসার সময়।পাইলস হওয়ার কারণ:দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য: মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া।খাদ্যাভ্যাস: কম ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ।জীবনযাত্রা: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বা ভারী বস্তু বহন করা।গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত চাপের কারণে।ঘরোয়া প্রতিকার ও প্রতিরোধ:ফাইবারযুক্ত খাবার: শাকসবজি, ফলমূল, এবং ইসবগুলের ভুষি খাওয়া।পর্যাপ্ত পানি: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস

ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
বি এইচ এম এস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
( প্রভাষক)
তানজিম হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হটলাইন নাম্বার। 01740-509624

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন নিয়ম মেনে হোমিওপ্যাথি মেডিসিন সেবন করলে জরায়ু টিউমার সম্পূর্ণ ভালো হয় ইনশাআল্লাহ ...
14/05/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন

নিয়ম মেনে হোমিওপ্যাথি মেডিসিন সেবন করলে জরায়ু টিউমার সম্পূর্ণ ভালো হয় ইনশাআল্লাহ

ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

ফাইব্রয়েড (Fibroid) হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো হরমোনের ভারসাম্যহীনতা (ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন), বংশগত প্রভাব, স্থূলতা, এবং বয়স। মূলত জরায়ুর পেশীর অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের কারণে এই টিউমার তৈরি হয়, যা সাধারণত ক্যানসারবিহীন বা নিরীহ প্রকৃতির হয়ে থাকে।

নারীপক্ষ
+3
জরায়ু টিউমারের প্রধান কারণসমূহ:
হরমোনের প্রভাব: শরীরে ইস্ট্রোজেন (Estrogen) ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের আধিক্য বা ভারসাম্যহীনতা জরায়ুর পেশীতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায়।
বংশগত কারণ: পরিবারে (মা বা বোন) কারো জরায়ু টিউমার থাকলে, এই ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বয়স: সাধারণত ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
স্থূলতা (ওজন বেশি হওয়া): শরীরের অতিরিক্ত চর্বি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে টিউমারের ঝুঁকি বাড়ায়।
মাসিক শুরু হওয়া: খুব কম বয়সে (১২ বছরের আগে) মাসিক শুরু হলে ঝুঁকি বাড়ে।
সন্তান না হওয়া: যাদের এখনো সন্তান হয়নি, তাদের মধ্যে ফাইব্রয়েড হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বেশি।
জীবনযাত্রা: স্বাস্থ্যহীন খাবার, ফাস্টফুড, এবং শারীরিক পরিশ্রম কম হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়।
লক্ষ্যণীয়: এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্যানসার

ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
বি এইচ এম এস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
(প্রভাষক )
তানজিম হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হটলাইন নাম্বার 01740-509624

13/05/2026
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন প্রথম পাতাআমাদের সম্পর্কেচিকিৎসারোগীর সহায়িকাবিশেষজ্ঞ দলসাধারণ জিজ্ঞাসাবন্ধ্যাত্ব এম...
13/05/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন

প্রথম পাতা
আমাদের সম্পর্কে
চিকিৎসা
রোগীর সহায়িকা
বিশেষজ্ঞ দল
সাধারণ জিজ্ঞাসা

বন্ধ্যাত্ব এমন একটি সমস্যা যা অনেক দম্পতির মাঝে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি করে। একজন নারী যদি সঠিক সময়ে অরক্ষিত যৌন মিলন সত্ত্বেও এক বছরের বেশি সময় ধরে সন্তান ধারণ করতে না পারেন তাহলে তাকে বন্ধ্যা বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। তবে সুখবর হল, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা করা যায়। প্রজনন চিকিৎসার প্রথম ধাপ হল বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি বোঝা। নারীদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব নির্ণয় নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি উর্বরতা পরীক্ষা করা যেতে পারে। আপনি যখন আমাদের এখানে প্রথমবার দেখাবেন, তখন আপন নিবন্ধিত হবেন। আমরা মাসিকের ইতিহাস,কয়টাল ইতিহাস, চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের ইতিহাস সহ আপনার ইতিহাস বিশদভাবে নোট করব। আমরা আপনার পূর্ববর্তী প্রতিবেদন এবং অতীতের চিকিৎসা পর্যালোচনা করব এবং সেইজন্য পরামর্শ দেবো যে আপনি আমাদের সাথে দেখা করার সময় আপনার পূর্বের চিকিৎসার সমস্ত কাগজ প্রেসক্রিপশন আপনার সাথে রাখবেন। বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করার সময় চিকিৎসকরা প্রথমে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা করবেন এবং তার চিকিৎসা ইতিহাস এবং জীবনধারা বোঝার জন্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন। এছাড়াও, নীচের এক বা একাধিক পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে:

ওভারিয়ান রিজার্ভ টেস্টিং
ওভারিয়ান রিজার্ভ টেস্টিং নারীদের উর্বরতার সম্ভাবনা বুঝতে চিকিৎসকদের সাহায্য করে। এই পরীক্ষাগুলো গর্ভধারণের জন্য অবশিষ্ট সময় এবং বিকাশের একটি উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে এমন ডিমের সংখ্যা সম্পর্কে দরকারী তথ্য প্রদান করে। কিছু সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যেমন – AMH, E2, FSH – হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করতে এবং ডিমের গুনগতমান ও পরিমাণ মূল্যায়ন করতে ব্যবহার করা হয়।

এন্ট্রাল ফলিকুলার কাউন
AFC সম্ভবত ডিম্বাশয়ের মজুদের সর্বোত্তম সূচক, কারণ এটি ডিমের পরিমাণ এবং গুনগতমান পরিমাপ করে। অ্যান্ট্রাল ফলিকলগুলি ডিম্বাশয়ে পাওয়া যায় এবং এতে অপরিণত ডিম থাকে যা পরিপক্ক ডিমে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এটি যোনি আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে এন্ট্রাল ফলিকলের সংখ্যা গণনা করার একটি সঠিক উপায়। উচ্চ AFC একটি কঠিন ডিম্বাশয় রিজার্ভ নির্দেশ করে আর কম AFC একটি দুর্বল উর্বরতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

অ্যান্টি মুলেরিয়ান হরমোন (AMH)
অ্যান্টি-মুলেরিয়ান হরমোনটি নারীর ডিম্বাশয়ে (যে থলিতে ডিম থাকে) কোষ দ্বারা উৎপাদিত হয়। যদি AMH মাত্রা বেশি হয়, তাহলে এটি প্রচুর সংখ্যকএর সূচক যার অর্থ বেশি ডিম। একজন নারীর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিমের সংখ্যা কমে যায় এবং AMH এর মাত্রাও কমে যায়। এই রক্ত পরীক্ষা যে কোনও সময় করা যেতে পারে এবং ডিমের সংখ্যা সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা দেয়।

ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH)
পিটুইটারি গ্রন্থি (মস্তিষ্কে) দ্বারা উৎপাদিত এফএসএইচ ডিম্বাশয়ে ডিম পরিপক্ক হওয়ার জন্য দায়ী। এই রক্ত পরীক্ষাটি মাসিক চক্রের ২য় বা ৩য় দিনে করা হয়। FSH-এর উচ্চ মাত্রা মানে দুর্বল ডিম্বাশয়ের মজুদ এবং FSH-এর নিম্ন স্তর একটি ভাল ডিম্বাশয় রিজার্ভ নির্দেশ করে।

বাট চার্টি
যখন কেউ গর্ভধারণের চেষ্টা করে তখন চিকিৎসকরা সাধারণত তার শরীরের তাপমাত্রা রেকর্ড করার পরামর্শ দেন। BBT বৃদ্ধি ডিম্বস্ফোটন নির্দেশ করে এবং যৌন মিলনের সর্বোত্তম সময় নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয়। এই চার্টিং বাড়িতে করা যেতে পারে।

এস্ট্রাডিওসর্বদা FSH এর সাথে পরীক্ষা করা হয়। এটি ইস্ট্রোজেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ যা একজন নারীর ডিম্বাশয়ে সুস্থ ডিমের বিকাশের জন্য দায়ী। যদি E2 পরীক্ষায় উচ্চ মাত্রার এস্ট্রাডিওল দেখা যায়, তাহলে এটি ডিমের পরিমাণ বা গুনগতমানের সমস্যা নির্দেশ করে।

পোস্টকোইটাল টেস্
এই পরীক্ষাটি মূলত স্বামীর শুক্রাণুর পর্যাপ্ততা এবং সেগুলো কে স্ত্রীর সার্ভাইকাল মিউকাস গ্রহণ করতে পারছে কিনা সেটা নির্ধারনে ব্যবহৃত হয়।

ট্রান্সভ্যাজাইনাল (পেলভিক) আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা
এটি টিউবোগ্রাম বা এইচএসজি নামেও পরিচিত। এটি একটি বিশেষ ধরণের ব্যথাহীন দ্রুত এবং নিরাপদ ইমেজিং প্রক্রিয়া, যেটার মাধ্যমে নারীর জরায়ু, সার্ভিক্স, ডিম্বাশয়, ফেলোপিয়ান টিউব এবং এন্ডোমেট্রিয়াম এর যে কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ণয়ে ও গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুণের অবস্থা বুঝতে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে যোনীতে ছোট একটি কাঠির মত ডিভাইস

(ট্রান্সডিউসার) প্রবেশ করানো হয়। যেটি শব্দ তরঙ্গ নির্গত করে মনিটরে অঙ্গ গুলোর একটি চিত্র তৈরি করে। এবং উৎসর্গ

অন্যান্য তথ্য
প্রথম পাতা
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের উদ্দেশ্য

হটলাইন নাম্বার 01740-509624

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন। একটি শারীরিক অবস্থা যখন কোনো দম্পতি এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ প...
13/05/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন।

একটি শারীরিক অবস্থা যখন কোনো দম্পতি এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে নিয়মিত যৌন মিলনের পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হন।নারীদের ক্ষেত্রে: নিয়মিত অনিরাপদ যৌন মিলনের পরেও ১ বছর (৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ৬ মাস) গর্ভধারণ করতে না পারা।পুরুষদের ক্ষেত্রে: স্বাভাবিক যৌন মিলনের মাধ্যমে সঙ্গীকে গর্ভবতী করতে না পারার অক্ষমতা।সহজ অর্থে: স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্মদানে অক্ষম হওয়াকে বন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি বলে।সংশ্লিষ্ট শব্দ:(প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব): যারা কখনোই গর্ভধারণ করতে পারেননি (মাধ্যমিক বন্ধ্যাত্ব): যারা পূর্বে সন্তান ধারণ করেছেন কিন্তু পরে আর পারছেন না।বন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি কোনো রোগ নয়, বরং এটি বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার একটি সম্মিলিত অবস্থা যা চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য হতে পারে।বন্ধ্যাত্ব : উপসর্গ, কারণ, চিকিৎসা, ঔষধ, প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয়.বন্ধ্যাত্ব হল এমন একটা অবস্থা যেখানে একজন দম্পতি বাচ্চা ধারণ করতে অসফল হন বা একজন মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার না করে এক বছর ধরে চেষ্টা করার পরও গর্ভবত. বন্ধ্যাত্ব; সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা; ঊষরতা; অনুর্বরতা . কোনো জীবন্ত প্রাণীর. ...মহিলাদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব কি? মহিলাদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন মহিলা এক বছর চেষ্টা করার পরেও গর্ভব... বন্ধ্যাত্ব: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎমহিলা বন্ধ্যাত্ব একটি চিকিৎসা অবস্থা যা একজন মহিলার গর্ভধারণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। এটি ঘটে যখন একজন মহিলা 12 মাস নিয়মিত, অরক্ষিত যৌন মিলনের পরে গর্ভধারণ করতবন্ধ্যাত্ব: লক্ষণ, কারণ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধবন্ধ্যাত্ব হল একটি অবস্থা যখন স্ত্রী অংশীদার একাধিক প্রচেষ্টার পরও গর্ভবতী হতে অক্ষম হয়। শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই প্রায় দশ থেকে পনের শতাংশ দম্পতিকে বন...ইনফার্টিলিটি কি? ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা ...ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা সকলেই কম বেশি পরিচিত। স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণ না করতে পারাকেই ইনফার্টিলিটি বলা হয়। #ইনফার্টিলিটি #বন্ধ্যাত্ব .বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় প্রচলিত ওষুধ: প্রকার ও ব্যবহার - সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উর্বরতার ওষু ক্লোমিড বন্ধ্যাত্বের চিকিত্সার সময় ব্যবহৃত সবচেয়ে সাধারণ ওষুধগুলির মধ্যে একটি। ... * ফেমারা (লেট্রোজোল) এই |নিয়মিত এবং অরক্ষিত যৌন মিলনের এক বছরেরও বেশি সময় পর একজন উর্বর নারী সঙ্গীকে গর্ভধারণ করতে না পারাকে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়। যে দম্পতিরা একটি ..মহিলা বন্ধ্যাত্ব: কারণ, লক্ষণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসাপ্রকারভেদ প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব: যে মহিলা কখনও গর্ভধারণ করতে পারেননি তাদের এই অবস্থা বলে মনে করা হয়। সেকেন্ডারি বন্ধ্যাত্ব: যে মহিলারা আগে গর্ভবতী হয়েছিলেন বন্ধ্যত্ব কোনো অভিশাপ নয়বন্ধ্যত্ব মূলত দুই ধরনের। ১. প্রাথমিক (প্রাইমারি), অর্থাৎ যাঁরা কখনো সন্তান গর্ভে ধারণ করেননি। ২. মাধ্যমিক (সেকেন্ডারি), যাঁদের আগে গর্ভধারণ হয়েছে, কিন্তু পরে ...প্রথম আলোএর উদ্দেশ্য হল শুধুমাত্র তথ্য জানানো। চিকিৎসা বা

ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
(বি এইচ এম এস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
(প্রভাষক)
তানজিম হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হটলাইন নাম্বার 01740-509624

পুরুষ বন্ধ্যাত্বের লক্ষণহলো ১ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অনিয়মিত ও অনিরাপদ শারীরিক মিলনের পরেও পার্টনারের গর্ভধারণ না হওয়া...
12/05/2026

পুরুষ বন্ধ্যাত্বের লক্ষণহলো
১ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অনিয়মিত ও অনিরাপদ শারীরিক মিলনের পরেও পার্টনারের গর্ভধারণ না হওয়া। এছাড়াও যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, ইরেকশনে সমস্যা (ইরেক্টাইল ডিসফাংশন), অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব, এবং বীর্যপাতের সমস্যা বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ হতে পারে।পুরুষ বন্ধ্যাত্বের অন্যান্য লক্ষণ ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে:যৌন স্বাস্থ্য সমস্যা: লিবিডো বা যৌন মিলনের ইচ্ছা কমে যাওয়া এবং বীর্যপাতের সমস্যা (খুব কম পরিমাণে বীর্য বের হওয়া)।অণ্ডকোষে সমস্যা: অণ্ডকোষের আশেপাশে ব্যথা, ফোলাভাব বা চাকা (পিণ্ড) অনুভব করা।হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: হঠাৎ করে শরীরের বা মুখের পশম/চুল কমে যাওয়া।শারীরিক পরিবর্তন: পুরুষদের মধ্যে অস্বাভাবিকভাবে স্তন বৃদ্ধি (গাইনোকোমাস্টিয়া) হওয়া।ক্রনিক রোগ: ঘন ঘন শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ হওয়া।পরামর্শ: যদি কোনো দম্পতি সন্তান ধারণে সমস্যার সম্মুখীন হন, তবে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে উর্বরতা পরীক্ষা (যেমন- সিমেন অ্যানালাইসিস) করানো উচিত।পুরুষদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব - ভারতে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দের দ্বারা ...পুরুষদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব নিম্নলিখিত লক্ষণ এবং লক্ষণগুলি নিয়ে গঠিত: * নিয়মিত শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ * গন্ধে অক্ষমতা * হরমোনজনিত অস্বাভাবিকতা * স্তনের অস্বাভ..

অলিগোস্পার্মিয়া) বা শুক্রাণুর গুণমান হ্রাস পাওয়ার পেছনে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পরিবেশ দূষণ, এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ...
12/05/2026

অলিগোস্পার্মিয়া) বা শুক্রাণুর গুণমান হ্রাস পাওয়ার পেছনে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পরিবেশ দূষণ, এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা প্রধান কারণ। ধুমপান, মাদক, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, স্থূলতা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ভেরিকোসিল (অণ্ডকোষের শিরার স্ফীতি), এবং সংক্রমণের ফলে শুক্রাণু উৎপাদন ও কার্যক্ষমতা কমে যায়।
+4
পুরুষের শুক্রাণু কমে যাওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. জীবনযাত্রার ধরন ও পরিবেশগত কারণ
ধূমপান ও মাদক: নিয়মিত ধুমপান এবং অ্যালকোহল সেবন শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান সরাসরি কমিয়ে দেয়।
অস্বাস্থ্যকর খাবার ও স্থূলতা: প্রক্রিয়াজাত খাবার, স্থূলতা (অতিরিক্ত ওজন), এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর।
উচ্চ তাপমাত্রা: টাইট অন্তর্বাস পরা, ল্যাপটপ কোলে নিয়ে কাজ করা, অথবা দীর্ঘক্ষণ গরম পরিবেশে (যেমন- হট টাব বা সনা) থাকার ফলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যা শুক্রাণু উৎপাদনে বাধা দেয়।
পরিবেশ দূষণ: কীটনাশক, ভারী ধাতু এবং ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা রেডিয়েশনের সংস্পর্শে থাকা।
+5
২. শারীরিক ও চিকিৎসাজনিত কারণ
ভেরিকোসিল (Varicocele): অণ্ডকোষের ভেতরের শিরাগুলো ফুলে যাওয়া, যা শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং নিরাময়যোগ্য কারণ।
সংক্রমণ (Infection): যৌনবাহিত রোগ (যেমন- গনোরিয়া, এইচআইভি) বা প্রজননতন্ত্রের ইনফেকশন (এপিডিডিমাইটিস, অর্কিটিস) শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত করে।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: পিটুইটারি গ্রন্থি, হাইপোথ্যালামাস বা অণ্ডকোষ থেকে প্রয়োজনীয় হরমোন উৎপাদনে ঘাটতি।
বীর্যপাতের সমস্যা: বীর্য বাইরে না এসে মূত্রাশয়ে চলে যাওয়া (Retrograde ejaculation)।
অস্ত্রোপচার বা আঘাত: অণ্ডকোষে আঘাত, হার্নিয়া বা মূত্রাশয়ের অস্ত্রোপচার।

+4
৩. অন্যান্য কারণ
মানসিক চাপ (Stress): অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে শুক্রাণু কমিয়ে দেয়।
নির্দিষ্ট ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কেমোথেরাপি, দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক বা হার্টের ঔষধের প্রভাবেও শুক্রাণু কমতে পারে।

+3
পরামর্শ: শুক্রাণু কমে যাওয়ার সমস্যা হলে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কম ও সন্তানহীনতার সমস্যা (Low S***m ...
ব্লাডার বা প্রস্টেটে অস্ত্রোপচার, শিরদাঁড়ায় আঘাত, ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণ থেকে এই সমস্যা হতে পারে। ৩) প্রজননতন্ত্রে কোথাও কোনও ইনফেকশন হলে, যেমন এপিডিডিমাইটিস...

নিয়ম মেনে হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে পুরুষ ব্যন্ধুত্ব সম্পূর্ণ ভালো হয় ইনশাআল্লাহ

Address

৪৬/১ টয়নবী সার্কুলার রোড
Dhaka
1204

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল হেলাল হোমিও ডক্টর'স পয়েন্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share