Shark Fitness

Shark Fitness Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shark Fitness, Health & Wellness Website, Tangail, Dhaka.

Shark Fitness – Your Fitness Partner 💪

Shark Fitness offers practical workout guidance, quality gym equipment, and authentic supplements, bringing you trusted products and knowledge for a stronger, healthier lifestyle.

ডায়ালাইসিস চলাকালে রোগীর শরীর থেকে রক্ত বের করে লাল টিউবের মাধ্যমে ডায়ালাইসিস মেশিনে পাঠানো হয়, সেখান থেকে পরিশোধিত রক্ত...
19/06/2026

ডায়ালাইসিস চলাকালে রোগীর শরীর থেকে রক্ত বের করে লাল টিউবের মাধ্যমে ডায়ালাইসিস মেশিনে পাঠানো হয়, সেখান থেকে পরিশোধিত রক্ত আবার নীল টিউব দিয়ে শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে টানা চার ঘণ্টা, রোগীকে শুয়ে থাকতে হয় একটানা, নড়াচড়া ছাড়া।

একজন ডায়ালাইসিস রোগীকে সপ্তাহে তিনবার এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় মাসে ১২ বার, মোট ৪৮ ঘণ্টা যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল জীবন।

অন্যদিকে, যারা সুস্থ তাদের কিডনি এই কাজটি করে ফেলে দিনে ৩৬ বার, না কোনো যন্ত্রের সাহায্য, না কোনো কষ্ট, না কোনো সময়ক্ষেপণ।

অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?
(সূরা: আর রহমান,আয়াত-১৩)

শনিবার (১৪ জুন) গভীর রাতে দুটি মোবাইল ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় চালানোর সময় আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার আলীমের ...
15/06/2026

শনিবার (১৪ জুন) গভীর রাতে দুটি মোবাইল ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় চালানোর সময় আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার আলীমের ভাড়া বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে অগ্নি দগ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন মিজান। পরে স্থানীয়রা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।

ঘটনার দিন রাতে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। এ সময়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিলো। পরে ছুঁটে গিয়ে তার রুমের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। রুমে থাকা আসবাবপত্র যা ছিলো তার কিছু অংশ বিস্ফোরণ পুড়ে যায়। এবং মোবাইলের পোড়া কিছু অংশ রুমের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিলো। আজ বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ভয়াবহ হয়ে উঠছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই শিশুদের শরীরে কাজ করছে না, শেষ অস্ত্র হিসেবে আছে...
11/06/2026

ভয়াবহ হয়ে উঠছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই শিশুদের শরীরে কাজ করছে না, শেষ অস্ত্র হিসেবে আছে মাত্র দুটি

প্রকাশ: জুন ১০, ২০২৬,

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মারাত্মক জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে ওঠা নিয়ে চলমান উদ্বেগের মাঝেই দেশের চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণা।

হাসপাতালটির শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটাপন্ন যে, আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় চিকিৎসকদের হাতে 'শেষ অস্ত্র' হিসেবে এখন মাত্র দুটি অ্যান্টিবায়োটিক অবশিষ্ট রয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চার মাস ধরে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪৯টি শিশুর শরীর থেকে জীবাণুর নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণাটি চালানো হয়। এর মধ্যে ৩০টি জীবাণু গ্রাম-নেগেটিভ ও ১৯টি গ্রাম-পজিটিভ প্রকৃতির। গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই আর কোনো কাজ করছে না। বিশেষ করে সবশেষ এপ্রিল মাসে সংগৃহীত প্রতিটি গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু প্রথম সারির প্রধান ছয়টি অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে শতভাগ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এমন অবশ দুই বাহুর বাস্তবতায় চিকিৎসকদের সামনে এখন কেবল 'টাইজেসাইক্লিন' ও 'কলিস্টিন' নামের দুটি ওষুধই কার্যকর রয়েছে, যার মধ্যে কলিস্টিনের বিরুদ্ধেও ভবিষ্যতে জীবাণুর সম্পূর্ণ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকেরা।

রামেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। সহগবেষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন ডা. ওয়াহিদা খাতুন, ডা. নাসরিন সুলতানা, ডা. সুলতানা আক্তার, ডা. শামীমা নাসরিন ও ডা. সিরাজুম মুনির এবং গবেষণা প্রবন্ধটি 'জার্নাল অব টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনে' প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পিআইসিইউতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটাচ্ছে 'অ্যাসিনেটোব্যাক্টার বাউমানি কমপ্লেক্স' নামের একটি জটিল জীবাণু, যা মোট সংক্রমণের ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে 'ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া' (১৬ দশমিক ৩ শতাংশ) এবং 'স্ট্যাফাইলোকক্কাস হিমোলিটিকাস' (১২ দশমিক ২ শতাংশ)। এছাড়া অন্যান্য জীবাণুর মধ্যে ই. কোলাই, সুডোমোনাস ও এলিজাবেথকিংগিয়ার মতো বিপজ্জনক উপাদানও শনাক্ত হয়েছে।

ওষুধের কার্যকারিতা হারানোর এই চিত্রটি অত্যন্ত ভয়াবহ। গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বহুল ব্যবহৃত ইমিপেনেমের প্রতি প্রতিরোধ ৯৬ দশমিক ৭ শতাংশ, মেরোপেনেম ও পাইপেরাসিলিন-টাজোব্যাক্টামের ক্ষেত্রে ৯৬ দশমিক ৪ শতাংশ, সিপ্রোফ্লক্সাসিনে ৯০ শতাংশ এবং জেন্টামাইসিনে ৮৯ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে গ্রাম-পজিটিভ জীবাণুর ক্ষেত্রে লাইনেজলিড, ডাস্টোমাইসিন ও টাইজেসাইক্লিন এখনো সম্পূর্ণ কার্যকর (প্রতিরোধের হার শূন্য) থাকলেও, নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে 'টেইকোপ্লানিন'। এই জীবন রক্ষাকারী ওষুধটির প্রতি ইতোমধ্যে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ জীবাণু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, যার সবগুলোই গত এপ্রিল মাসে প্রথম ধরা পড়ে। এছাড়া প্রচলিত লেভোফ্লক্সাসিনে ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং অ্যারিথ্রোমাইসিনের বিরুদ্ধে শতভাগ জীবাণুই এখন প্রতিরোধী।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবাণুর এই প্রতিরোধী ক্ষমতা বা রেজিস্ট্যান্সের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সংগৃহীত জীবাণুর ক্ষেত্রে প্রথম সারির ছয়টি ওষুধের প্রতি গড়ে প্রতিরোধ যেখানে ছিল ৮৩ দশমিক ৮ শতাংশ, এপ্রিল মাসে সেটি এক লাফে পুরো ১০০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। চিকিৎসকদের মতে, পরিসংখ্যানগত এই উল্লম্ফন হাসপাতালজুড়ে একটি বড় ধরনের বিপদের সংকেত। গবেষণায় অংশ নেওয়া ৪৯টি শিশুর ওপর চালানো পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যে সমস্ত শিশুরা অতীতে কোনো না কোনো কারণে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেছিল, তাদের শরীরে একাধিক ওষুধ-প্রতিরোধী বা 'মাল্টিপল ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট' (এমডিআর) জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি সাধারণ শিশুদের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি।

এই এমডিআর জীবাণুতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ফলাফলও চরম উদ্বেগজনক। সাধারণ জীবাণুর সংক্রমণে একটি শিশু যেখানে গড়ে ৬ দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারে, সেখানে এমডিআর আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ হতে দ্বিগুণ সময় অর্থাৎ গড়ে ১৪ দিন লেগে যাচ্ছে। গবেষকদের বিশ্লেষণে পূর্ববর্তী সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বা যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার বেশি ভেন্টিলেশনে থাকা কিংবা দীর্ঘ সময় পিআইসিইউতে অবস্থান করাকেও অন্যতম ঝুঁকির কারণ বলা হয়েছে।

অবশ্য গবেষকেরা এই গবেষণার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন। যেহেতু এটি মাত্র একটি হাসপাতালের এবং মাত্র ৪৯ জন শিশুর নমুনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এর পরিধি কিছুটা সীমিত। এছাড়া জীবাণুর নিখুঁত জিনগত বিশ্লেষণ (জেনেটিক অ্যানালাইসিস) না করায় প্রতিরোধী হয়ে ওঠার সুনির্দিষ্ট আণবিক কারণটি নিশ্চিত করা যায়নি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য গবেষক দল জরুরি ভিত্তিতে ও অকারণে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করা, হাসপাতালে কঠোরভাবে হাত ধোয়া ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম চালু করা, শেষ ধাপের ওষুধগুলোর ব্যবহার সীমিত করা এবং দেশব্যাপী এই সংকটের গভীরতা মাপতে একটি 'বহুকেন্দ্রীক জাতীয় তদারকি' ব্যবস্থা চালুর জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

গবেষক দলের প্রধান ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্পষ্ট করেই বলেছেন, পিআইসিইউতে শিশুদের ওপর ওষুধ কাজ না করার কারণেই তাঁরা এই গবেষণায় হাত দেন এবং এখন সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে শিশুদের এমন কঠোর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচর্যার মধ্যে রাখা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো জটিল অসুস্থতায় না পড়ে।

©The Delta Lens

09/06/2026

৪০ বছর বয়সের পর শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে, হাড় দুর্বল হতে থাকে, ক্লান্তি, ত্বকের পরিবর্তন এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই কিছু প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট উপকার করতে পারে।

১| Vitamin C (Tablet HI-C 1gm):
ইমিউনিটি বাড়ায়, ত্বক ও কোষের ক্ষতি কমায়। সাধারণত দিনে ১ বার খাবারের পরে খাওয়া যায়। অতিরিক্ত খেলে পেটে অস্বস্তি বা ডায়রিয়া হতে পারে।

২| Vitamin E (Capsule Vanila-E 200 mg):
ত্বক ও কোষের ক্ষতি কমায়। দিনে ১ বার খাবারের পরে খাওয়া যায়। বেশি খেলে মাথা ঘোরা বা বমি ভাব হতে পারে।

৩| Magnesium (Tablet Magnesium 400 mg):
মাংসপেশী ও স্নায়ুর কাজ ঠিক রাখতে সাহায্য করে, ঘুম ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যে উপকারী। রাতে খেলে ভালো। বেশি খেলে ডায়রিয়া হতে পারে।

৪| Calcium + Vitamin D (Tablet Ostocal DX):
হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়। দিনে ১–২ বার খাবারের পরে খাওয়া যায়। বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি থাকতে পারে।

৫| Omega-3 Capsule:
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। দিনে ১ বার খাবারের পরে খাওয়া ভালো। কখনো কখনো মাছের গন্ধযুক্ত ঢেকুর বা হালকা পেটের সমস্যা হতে পারে।

৬| Vitamin K2 + Vitamin D3:
ক্যালসিয়ামকে সঠিকভাবে হাড়ে জমা করতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যে সহায়ক। দিনে ১ বার খাওয়া যায়।

তবে নিয়মিত কোনো সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. নাসরিন নিপা
MBBS, MCPS (Medicine), MRCP (PACES), FCPS (Medicine & Cardiology-FP), CCD (Diabetes), DMU (Ultrasonography), EOC (Anesthesia), PGT (Skin)

এবার হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীচিকিৎসকদের আশঙ্কা অনুযায়ী, এবারের ডেঙ্গুর রূপ হতে পারে বেশ ভয়া...
07/06/2026

এবার হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসকদের আশঙ্কা অনুযায়ী, এবারের ডেঙ্গুর রূপ হতে পারে বেশ ভয়াবহ, যা ‘হেমোরেজিক ডেঙ্গু’ নামে পরিচিত। এতে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও রয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কিছুদিন আগে আমি এই বিষয়টা নিয়ে একটা লেখা পড়ি।রাতের বেলা আর্টিফিশিয়াল লাইটের কি ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে গাছ-গাছ...
05/06/2026

কিছুদিন আগে আমি এই বিষয়টা নিয়ে একটা লেখা পড়ি।

রাতের বেলা আর্টিফিশিয়াল লাইটের কি ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে গাছ-গাছালির উপর, সে বিষয়ে অনেক আগে পড়েছিলাম।

কিন্তু রাতের বেলা লাইট জ্বালিয়ে ঘুমালে যে মানুষের মেটাবলিক ডিজিজের (যেমন- ডায়াবেটিস) ঝুঁকি বাড়তে পারে,সেটা জেনে অবাক হলাম।

অনেকেই রাতে Dim Light জ্বালিয়ে ঘুমায়। আমি নিজেই অনেক আগে অন্য রুমে লাইট না জ্বালিয়ে ঘুমাতে পারতাম না৷ Dim Light এর কথা বাদ দিন,আপনার রুমের LED Clock, Router এর বাতিও নিভিয়ে রাখা উচিত ।

আমার নিজের ঘরেই router-এর নীল আলো সারারাত জ্বলে। পর্দার ফাঁক দিয়ে বাইরের আলো আসে। এগুলো এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল যে কখনো ভাবিইনি এটা থেকে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু এই গবেষণাগুলো পড়ার পর বিষয়টা বুঝলাম।

~ ২০২২ সালে আমেরিকার Northwestern University-তে একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে-- মাত্র এক রাত ১০০ lux আলোতে (একটি সাধারণ bedside lamp-এর সমান) ঘুমানোর পরেই পরদিন সকালে শরীরে পরিবর্তন আসে।

Insulin resistance বেড়ে যায়, যার মানে শরীর blood sugar ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। Heart rate বেড়ে যায় এবং heart rate variability কমে যায়, যার মানে শরীরের stress system সারারাত সক্রিয় থাকে।

~ জাপানে ৬৭৮ জন বয়স্ক মানুষের উপর ৩ বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণায় দেখা গেছে -- যাদের ঘরে রাতে মাত্র ৫ lux বা তার বেশি আলো থাকে, তাদের type 2 diabetes হওয়ার ঝুঁকি অন্ধকার ঘরে ঘুমানো মানুষদের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি।

৫ lux কতটুকু? এটা এতটাই কম যে আপনি সরাসরি বুঝতে পারবেন না। পর্দার ফাঁক দিয়ে streetlight-এর আলো, ঘরের কোণে রাখা router বা TV-র standby light, — এগুলো থেকেই এই পরিমাণ আলো আসতে পারে।

~ ২০২৪ সালে Lancet-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় ৮৫,০০০ মানুষের কব্জিতে light sensor পরিয়ে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ ঘণ্টার data সংগ্রহ করা হয়।

দেখা যায়,যারা সবচেয়ে বেশি রাতের আলোতে ঘুমান, তাদের type 2 diabetes হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে কম আলোতে ঘুমানোদের চেয়ে ৫৩% বেশি। এমনকি যাদের genetic কারণে diabetes হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের ক্ষেত্রেও এই সম্পর্ক একই রকম।

~ ২০২৫ সালে JAMA-তে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় একই মানুষদের উপর ৯ বছরেরও বেশি সময় follow-up করে দেখা গেছে — রাতে বেশি আলোতে ঘুমানোর সাথে heart attack, stroke, heart failure এবং atrial fibrillation সবগুলোরই ঝুঁকি বেশি।

যদিও এগুলো Observational study,তাই Generalized কোন মন্তব্য করা যাবে না। তবে এর পিছনে সম্ভাব্য মেকানিজম আছে।

~ মেকানিজম কি হতে পারে?

রাতের আলো শরীরের ওপর সরাসরি একক কোনো pathway দিয়ে কাজ করে না। বরং এটি মূলত circadian system disruption তৈরি করে, যার মাধ্যমে ঘুম, metabolism এবং cardiovascular regulation ধীরে ধীরে প্রভাবিত হতে পারে।

চোখ বন্ধ থাকলেও retina-তে থাকা বিশেষ light-sensitive কোষ intrinsically photosensitive retinal ganglion cells (ipRGC) আলো detect করতে পারে।
এই কোষগুলোর মধ্যে থাকা Melanopsin বিশেষভাবে blue-enriched light-এর প্রতি sensitive।

এই signal সরাসরি brain-এর circadian control center Suprachiasmatic Nucleus-এ পৌঁছে যায়। এর ফলে Circadian rhythm disruption হতে পারে।

এই circadian disruption autonomic nervous system-এর ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

সাধারণত deep sleep-এ parasympathetic system dominant থাকে, কিন্তু light exposure থাকলে sympathetic activity তুলনামূলকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

এর ফলে heart rate কিছুটা বেড়ে যেতে পারে, heart rate variability কমতে পারে এবং শরীর পুরোপুরি “rest mode”-এ যেতে পারে না।

Circadian Rhythm +Autonomic imbalance হলে –
liver থেকে glucose output pattern পরিবর্তিত হতে পারে

muscle এবং adipose tissue-এর insulin sensitivity কমে যেতে পারে

overnight glucose regulation কিছুটা impaired হতে পারে

যখন এই ছোট physiological disruptions প্রতিদিন repeat হয় তখন cumulative effect-এর কারণে epidemiological studies-এ diabetes এবং cardiovascular disease-এর সাথে association দেখা যায়।

এগুলো হচ্ছে সম্ভাব্য মেকানিজম। সাধারণ পাঠকের কথা চিন্তা করে বিষয়টা এভাবে উল্লেখ করেছি।

যারা এসব বিষয়ে জানেন তারা ভাবতে পারেন আমি Oversimplification করছি যেহেতু আমি Surrogate Physiology এর বিষয়টা আলোচনা করি নি। ওই লেভেলের ডিটেইল ফেসবুকে আলোচনা করা কঠিন।

~এই পর্যায়ে এসে আমার মাথায় একটা প্রশ্ন এলো। ১১ বছর আগে Internal Time: Chronotypes, Social Jet Lag, and Why You're So Tired নামে একটা বই পড়েছিলাম। বইটা পড়ার কারণে এই প্রশ্নটা মাথায় আসল। বইতে Nightshift এ কাজ করা মানুষদের Circadian Rhythm ও স্বাস্থ্যের উপর তার প্রভাব নিয়ে একটা চ্যাপ্টারে আলোচনা ছিল।

যারা পেশাগতভাবেই রাতে কাজ করেন, তাদের কী হয়?
Doctor, nurse, security guard, factory worker – এই মানুষগুলো শুধু একটু আলোতে ঘুমাচ্ছেন না, তারা পুরো রাত জেগে কাজ করছেন এবং দিনের বেলা ঘুমাচ্ছেন। তাদের circadian system সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে।

গবেষণা বলছে – এই মানুষগুলোর উপর প্রভাব ভয়াবহ।

Harvard-এর Nurses' Health Study-তে প্রায় ৭৫,০০০ আমেরিকান nurse-এর উপর ২২ বছর ধরে follow-up করা হয়।

যেসব nurse ৬ থেকে ১৪ বছর rotating night shift-এ কাজ করেছেন, তাদের সব কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ১১% বেশি এবং cardiovascular disease (CVD)-এ মৃত্যুর ঝুঁকি ১৯% বেশি ছিল।

যারা ১৫ বছর বা তার বেশি সময় night shift করেছেন, তাদের CVD-তে মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বেড়ে ২৩% বেশি হয়েছে।

এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয় — এগুলো বলছে যে আপনি যদি ১৫ বছর night shift করেন, তাহলে আপনার heart-এর উপর সেই ছাপ থেকে যাবে।

২০২২ সালে Nurses' Health Study-র আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে — যারা ১০ বছর বা তার বেশি night shift করেছেন, তাদের "healthy aging" অর্জনের সম্ভাবনা ২১% কম। অর্থাৎ শুধু আগে মরার ঝুঁকি নয়, বেঁচে থাকলেও সুস্থভাবে বার্ধক্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে যায়।

২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি meta-analysis-এ ২৩টি cohort study বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে-- night shift work সামগ্রিকভাবে CVD ঘটনার ঝুঁকি ১৩% এবং CVD-তে মৃত্যুর ঝুঁকি ২৭% বাড়িয়ে দেয়।

বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ -- garment worker, security guard, hospital staff, রাতের shift-এ কাজ করেন। তারা এটা করেন পরিবারের জন্য, জীবিকার জন্য। কিন্তু তারা জানেন না এই কাজ তাদের শরীরে ভেতরে ভেতরে কী করছে।

Night shift workers-এর ক্ষতিটা মূলত একই mechanism-এ কাজ করে — শুধু অনেক বেশি তীব্রভাবে। তাদের circadian system শুধু বিভ্রান্ত হচ্ছে না, সম্পূর্ণ উল্টে যাচ্ছে। দিনে ঘুমানোর সময় সূর্যের আলো আসছে, রাতে কাজের সময় artificial light-এ কাজ করছেন। শরীরের ঘড়ি কখনো ঠিক সময় পাচ্ছে না।

তাহলে এর সমাধান কি? সেটা বিস্তারিত লিখলে লেখা আরো দীর্ঘ হবে। যারা Nightshift Worker তারা অন্তত এই বিষয়গুলো মেনে চলবেন–

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় সানগ্লাস পরবেন , যাতে ভোরের সূর্যের আলো চোখে না পড়ে এবং melatonin suppression না হয়। ঘুমানোর জায়গা যতটা সম্ভব অন্ধকার ও শব্দমুক্ত রাখতে হবে, blackout curtain বা eyemask ব্যবহার করবেন।

মানে হচ্ছে নাইট শিফটে কাজ করা মানুষদের এমন কিছু চেঞ্জ আনতে হবে, যাতে শরীর মনে করে সূর্য অন্যদের জন্য ৬টায় উঠলেও,তাদের জন্য দুপুর ১২ টায় উঠবে। অর্থাৎ Circadian clock-কে phase shift করতে হবে, যদিও এটা পুরোপুরি সম্ভব না অন্যান্য কিছু ফ্যাক্টরের কারণে।

~ যারা Nightshift Worker না তাদের জন্য যেসব Lifestyle change আনা জরুরি~

কিছু ছোট পরিবর্তন ঘুমের মান এবং circadian rhythm এর জন্য উপকারী হতে পারে।

শোবার ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার রাখা, যাতে শরীর স্পষ্টভাবে “রাত” বুঝতে পারে। Sleeping Eye Mask ব্যবহার করতে পারেন, যদি আলো বন্ধ করা সম্ভব না হয়।

অপ্রয়োজনীয় LED আলো, router-এর আলো, এবং standby indicator ঢেকে রাখা বা কমানো

ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখা, অথবা অন্তত উল্টো করে রাখা যাতে আলো কম চোখে পড়ে

পর্দা ঠিকভাবে ব্যবহার করা, যাতে বাইরে থেকে রাস্তার আলো ঢুকতে না পারে, আমি blackout curtain ব্যবহার করি।

ঘুমানোর আগে ডিজিটাল স্ক্রিন (মোবাইল/টিভি) ব্যবহার কমানো, যাতে melatonin স্বাভাবিকভাবে তৈরি হতে পারে
দিনের বেলা পর্যাপ্ত natural light exposure বাড়াবেন

শেষ কথা :

রাতের light exposure এককভাবে কোন রোগের সৃষ্টি করে না। তবে এটি circadian rhythm disturb করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে metabolic এবং cardiovascular health-এর ওপর subtle কিন্তু meaningful effect ফেলতে পারে।

ঘুম কোন passive state না, বরং active biological program, যেখানে
' light is one of the strongest timing signals'।

Ref:
| Mason et al. (2022)
"Light exposure during sleep impairs cardiometabolic function"
Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS)

| Obayashi et al. (2020)
"Bedroom light exposure at night and the incidence of depressive symptoms"
Sleep Medicine

| Windred et al. (2024)
"Personal light exposure patterns and incidence of type 2 diabetes"
The Lancet Regional Health — Europe

| Windred et al. (2025)
"Light Exposure at Night and Cardiovascular Disease Incidence"
JAMA Network Open

| Outdoor LAN Mortality Study (2024)
"Outdoor light at night and mortality in the UK Biobank"
Occupational & Environmental Medicine

| Fan M. (2024)
"Revealing the mechanism of photoperception regulating glucose metabolism"
Frontiers in Medical Research

| Ishihara et al. (2023)
"The Complex Effects of Light on Metabolism in Humans"
Nutrients

| Gu et al. (2015)
"Total and Cause-Specific Mortality of U.S. Nurses Working Rotating Night Shifts"
American Journal of Preventive Medicine

| Nurses' Health Study — Healthy Aging (2022)
"Rotating Night Shift Work and Healthy Aging After 24 Years of Follow-up"
JAMA Network Open

| Xi et al. (2025)
"Association between night shift work and cardiovascular disease: a systematic review and dose-response meta-analysis"
Frontiers in Public Health

©Farhad Hossain

এক্স রে তে কামড় দেওয়া আপেলের মতো যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটাই কোলন ক্যান্সার। প্রতিদিন আমরা কত কিছুই না খাই, কিন্তু শরীরের ছ...
03/06/2026

এক্স রে তে কামড় দেওয়া আপেলের মতো যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটাই কোলন ক্যান্সার। প্রতিদিন আমরা কত কিছুই না খাই, কিন্তু শরীরের ছোট ছোট সতর্কবার্তাগুলোকে গুরুত্ব দিই না।

দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন, রক্ত যাওয়া বা অকারণে ওজন কমে যাওয়া কখনও কখনও হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের নীরব সংকেত।

এই এক্স-রেতে দেখা যাচ্ছে বৃহদান্ত্রের একটি অংশ মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে গেছে, যেখানে ক্যান্সার স্বাভাবিক পথকে আটকে দিয়েছে।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যত দ্রুত ধরা পড়ে, চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি।
- ডা: এস হাসান

ঈদের দিন প্লেটভর্তি গরুর বা খাসির মাংস খাওয়ার পর এক গ্লাস বরফ-ঠান্ডা সেভেন আপ বা কোক না হলে কি আমাদের চলে? আমাদের অনেকের...
01/06/2026

ঈদের দিন প্লেটভর্তি গরুর বা খাসির মাংস খাওয়ার পর এক গ্লাস বরফ-ঠান্ডা সেভেন আপ বা কোক না হলে কি আমাদের চলে?

আমাদের অনেকেরই একটা বদ্ধমূল ধারণাএত ভারী মাংস খেলাম, একটা কোল্ড ড্রিংকস না খেলে তো চর্বি কাটবে না!

যুগ যুগ ধরে কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের অবচেতন মনে এই মিথটা খুব যত্ন করে গেঁথে দেওয়া হয়েছে।

​খেয়াল করে দেখবেন, বিজ্ঞাপনে সবসময় ভারী খাবার বা বিরিয়ানির সাথে সফট ড্রিংকসকে একটা 'প্যাকেজ' হিসেবে দেখানো হয়।

ড্রিংকস খাওয়ার পর যে বড়সড় একটা ঢেকুর ওঠে, সেটাকে সুকৌশলে আমাদের ব্রেইনে 'হজম শুরু হওয়ার সিগন্যাল' হিসেবে এস্টাবলিশ করা হয়েছে।

অথচ এটা স্রেফ ড্রিংকসের ভেতরে থাকা গ্যাস কার্বন-ডাই-অক্সাইড মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা। এর সাথে হজমের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই!

​তারা স্ক্রিনে আমাদের কাছে দারুণ একটা 'রিফ্রেশিং ফিলিংস' বিক্রি করছে, আর আড়ালে আমাদের শরীরে ঢোকাচ্ছে ৭-৮ চামচ লিকুইড চিনি।

বাস্তবে ​এত ভারী প্রোটিন আর চর্বির সাথে যখন এই লিকুইড চিনিটা শরীরে ঢোকে, তখন আমাদের শরীর চর্বি বার্ন করা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। উল্টো ওই চিনি আর মাংসের চর্বি মিলে সোজা আমাদের লিভারে ফ্যাট হিসেবে জমা হতে শুরু করে।

​অর্থাৎ, আপনি ভাবছেন ড্রিংকস আপনার চর্বি কাটছে, অথচ বাস্তবে আপনি নিজের অজান্তেই শরীরে চর্বি জমার প্রসেসটা ফাস্ট করে দিচ্ছেন!

এই ড্রিঙ্কস গুলো আমাদের শরীরের আরো অনেক ধরনের ক্ষতি করে। সেক্সুয়াল সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা ড্রিংকস ইগনোর করুন পার্মানেন্টলি।

একটু ভেবে দেখুন, গরম লিকুইড চর্বির ওপর ঠান্ডা পানি ঢাললে যেমন জমে যায়, পেটের ভেতরেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে।

The Invisible Poison: Why Bangladesh Is Becoming More Violent=========================================ইউএস আসার পর আমি আ...
19/05/2026

The Invisible Poison: Why Bangladesh Is Becoming More Violent
=========================================

ইউএস আসার পর আমি আর আনিকা একটা জিনিস খেয়াল করলাম।
আমাদের বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েট কমিউনিটিতে অনেক নিউ প্যারেন্টস আছেন। প্রত্যেকটা কমিউনিটি ইভেন্টেই তাদের কিউট কিউট বাচ্চাগুলা আসে। আমাদের সবার সাথে মিশে, এঞ্জয় করে, খেলে একে অপরের সাথে। এই বাচ্চাগুলা অদ্ভুতভাবে বাংলাদেশের ছোট বাচ্চাগুলার তুলনায় অনেক বেশি হাসিখুশি, কন্টেন্ট। আমার ছোট বোন আর কাজিনদেরসহ অনেক বাচ্চাকে আমি বাংলাদেশে বড় হইতে দেখছি; আমার মনে হয় ওরা এই বাচ্চাগুলার তুলনায় আরও অনেক বেশি ইরিটেবল ছিলো, অনেক বেশি কান্নাকাটি করতো– অপরিচিত ক্রাউডের এনভায়রনমেন্ট হলে তো কথাই নাই। সেখানে এই বাচ্চাগুলা আরও অনেক ইজিলি মিশুক, এবং কেঁদে উঠলেও বেশ তাড়াতাড়ি থেমে যায়। অবশ্যই এখানে তাদের প্যারেন্টসের-ই মোস্ট ক্রেডিট– তারপরেও প্যাটার্নটা নোটিসেবল। এই ডিস্কাশনটা আমি অনেকের সাথেই করছি, সবাই মোর অর লেস এগ্রি করছে।

এই যে হুটহাটের কান্নাকাটিটা– এইটা কিন্তু একটা বায়োলজিক্যাল বিষয়। আমরা কাঁদি ব্রেইনের এক জায়গায়, কিন্তু সেই কান্নাটাকে থামাই ব্রেইনের আরেক জায়গায়। কান্না থামানোর ইনহিবিটরি মেশিনারি আমাদের ব্রেইনের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে থাকে, যেটা কান্নাকাটির কেমিক্যাল লোডের সামনে আমাদের ব্রেইনটাকে শান্ত করে। অর্থাৎ এইটা একটা ইম্পালস কন্ট্রোলের বিষয়।

এই ইম্পালস কন্ট্রোলজনিত সমস্যা তো আসলে জাস্ট দেশের বাচ্চাদের না, সম্পূর্ণ জাতিরই সমস্যা। বিশেষ করে ২০২৪ এর বসন্তের পর থেকে আমরা এমন এক জাতিকে দেখছি যার ইম্পালস কন্ট্রোল বলেই কিছু নাই।
এইসব নিয়ে ভাবতে গেলে আমার মনে পরে ঢাবির তোফাজ্জলের কথা। মানসিকভাবে অসুস্থ লোকটারে আমাদের তথাকথিত সুস্থ ছাত্ররা একবার মারতে মারতে আধমরা করলো–তারপর একটু থেমে–তারা আবার মারল। এইবার মারতে মারতে মেরেই ফেললো একদম। এরপর আমার মনে পরে দীপু চন্দ্র দাসের কথা। মেরে লোকজন তাকে গাছে ঝুলায়ে পুড়ায়ে দিলো একদম– আশেরপাশের মানুষ চিয়ার করে উঠলো–অথচ কারও মনে হলো না একটু থামা উচিত। আবরার ফাহাদ থেকে লালচাঁদ সোহাগ–সবাই কী একই ভাবেই মরে গেলো না? এমন কিছু নব্য যুবকের হাতে যারা কোনোভাবেই থামতে জানে না। নিজেদেরকে থামাতে জানে না। মরা দেহকে তারা আরও মারতে থাকে।

২৪ এর আগস্ট থেকে ২৬ এর মার্চের এই অল্প সময়ে অন্তত সাড়ে তিনশ লোক মবের হাতে এইভাবে মারা গেছে– রিপোর্টেড। স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্লানেশনগুলা তো অবশ্যই খাটে। হাসিনার রেজিম পড়ে গেছে, ইন্টেরিম দুর্বল ছিলো, নতুন ইলেক্টেড ওয়ানও এখনও সবকিছু হাতে নিয়ে আসতে পারে নাই। কিন্তু এই ব্যাখ্যা মানুষের মানুষ মারার আগ্রহকে ব্যাখ্যা করতে পারে না, গতিকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। মারার জন্য ভীড় হয়ে যায় এইখানে দ্রুত, এস্কেলেট করে আফ্রিকার জঙ্গলে দলছুট কোনো হরিনের দেখা পাওয়া জাগুয়ারের দৌড়ের মত। সাথে সাথে মানুষ ক্যামেরা নিয়া হাসিমুখে রেডি হয়ে যায় রেকর্ড করার জন্য। এই যে ভায়োলেন্সের প্রখরতা, দ্রুততা, আর হঠাৎ করে এত গুণ বেড়ে যাওয়া এইগুলা কী খালি পলিটিক্যাল ব্যাখ্যা দিয়ে উড়ায়ে দেয়া যায়?
আমার কাছে মনে হয় যায় না। তাই আমি নানান জায়গায় উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।

খুঁজতে খুঁজতেই আমেরিকার একটা রিসার্চে আমার চোখ আটকায়ে যায়।
~
৬০-৭০ এর দশক ছিলো আমেরিকার ভায়োলেন্ট ক্রাইমের স্বর্ণযুগ। এরপর নব্বইয়ের দশকে হঠাৎ করে এই ভায়োলেন্ট ক্রাইম নেমে আসছিলো। নানান বিশেষজ্ঞ সেটাকে নানানভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেছিলো কিন্তু কেউই পুরাপুরি মিলায়ে উঠতে পারে নাই। কারণ এই কমাটা ছিলো পুরা দেশজুড়ে, কিন্তু আমেরিকায় স্টেটওয়াইজ পলিসি আলাদা, সব মেজর সিটিগুলাতেই পলিসিমেকিং ছিলো ডিফারেন্ট। পুলিসিং, ম্যাস ইনকারসারেশন, লিগ্যাল এবরশন–এইরকম নানান জিনিস দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়– কিন্তু সময়ের ফ্রেমে বা জায়গার ফ্রেমে কোথায় না কোথাও ব্যাখ্যাটা ব্যর্থ হয়।

এরপর একুশ শতকের শুরুতে রিক নেভিন নামের এক ইকোনোমিস্ট এক চমকপ্রদ রিসার্চ সামনে নিয়ে আসলেন। তিনি দেখাইলেন আমেরিকার রাইজ অ্যান্ড ফল অব ভায়োলেন্ট ক্রাইম গ্যাসোলিনে লেড বা সীসা এড করার টাইম ফ্রেমের সাথে ২২ বছরের টাইম ল্যাগে পুরাপুরি কোরিলেটেড। গাড়ির তেলে লেড আসার ২২ বছর পর ভায়োলেট ক্রাইম বেড়ে গেছে, তারপর সেইটা বন্ধ করার ২২ বছর পর সেই ক্রাইম কমে আসছে। ২২ বছর– একটা মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক হইতে যেই সময় লাগে। তিনি এই গবেষণা আরও ৮টা দেশের ডেটাতেও এক্সটেন্ড করছেন–সবখানেই একই কনক্লুশন। কোররিলেশন ছিলো ০.৯ এরও উপরে–সোশ্যাল সাইন্সে যা অত্যন্ত দুর্লভ।

ব্যাপারটা নিউরোলজি ব্যাখ্যা করতে পারে। লেড আমাদের বডির কাছে একটা ছদ্মবেশী ক্যালসিয়াম। এর ক্যাটায়নিক চার্জ ২ আর আয়নিক রেডিয়াসও কাছাকাছি। ডেভেলপিং ব্রেইনে এইটা ক্যালসিয়ামের স্লটগুলায় ঢুকে যায়, এরপর প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে ড্যামেজ করে– যেইটা আমাদের ইম্পালস কন্ট্রোল, ফিউচার অরিয়েন্টেশন আর ইমোশনাল রেগুলেশনের জায়গা। লেড-এক্সপোজড বাচ্চারা অনেক অ্যাকিউট কোনো সিম্পট্ম দেখাবে এমন না। সে জাস্ট একটু বেশি ইম্পালসিভ হবে, ইন্স্ট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশনের প্রতি বেশি দুর্বল হবে। ইন্ডিভিজ্যুয়াল লেভেলে এই ড্যামেজ টের পাওয়া খুব টাফ। অথচ পপুলেশন লেভেলে এই ড্যামেজ ঠিকই দেখা যায়– ২২ বছরের টাইম গ্যাপে, ইকোনমিস্টদের রিসার্চে। এই আলাপ পড়ে আমার আমেরিকায় বড় হওয়া বাংলাদেশী বাচ্চাগুলার কথা মনে পড়ে যায়– তারা কি বাংলাদেশে বড় হলেও এত হাসিখুশি হতো?
~
এই প্রশ্নের উত্তর আমি খুঁজতে গেলাম ডেটার মধ্যে। ঘেঁটে পেলাম ভয়ানক সব পরিসংখ্যান।
ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী লেড পয়জনিং এ আক্রান্ত দেশগুলার তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ফোর্থ। ২০২৫ এর MICS সার্ভে দেখাচ্ছে আমাদের দেশের ৩৮ শতাংশ বাচ্চার রক্তে WHO-র ইন্টারভেনশন থ্রেশহোল্ডের চেয়ে বেশি লেড আছে। সংখ্যায় দুই কোটির বেশি বাচ্চা। আর ২০২২-২৪ এ আইসিডিডিআরবি আর স্ট্যানফোর্ডের এক স্টাডিতে ঢাকার ৫০০ জন ২-৪ বছর বয়সী বাচ্চাকে পরীক্ষা করে দেখা গেছে– প্রত্যেকটা বাচ্চার রক্তে লেড আছে, অ্যান্ড তারা বলতেছে ঢাকার ৯৮ শতাংশ ছোট বাচ্চার রক্তে লেডের পরিমাণ আমেরিকার "ইমিডিয়েট অ্যাটেনশন নিডেড" বলা মাত্রার চাইতে বেশি।

এই লেড আসতেছে কোথা থেকে? এক নাম্বার সোর্স আনরেগুলেটেড ব্যাটারি রিসাইক্লিং। দেশে ৩০ লাখের উপর ব্যাটারি রিকশা চলে, প্রত্যেকটায় পাঁচটা লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি, প্রতিটার আয়ু ৬-১১ মাস। এই ব্যাটারিগুলা সারা দেশে ছড়ায়ে থাকা হাজারের উপর অনিয়ন্ত্রিত "ভাট্টি"-তে খোলা চুল্লিতে গলানো হয় (UNEP, পিওর আর্থের ডেটা)– যার বেশিরভাগ আবাসিক এলাকার ভিতরে। প্রতিটা ভাট্টি আশেপাশের মাটি, পানি, বাতাসে লেডের ধুলা ছড়ায়। স্ট্যানফোর্ডের স্টাডিতে তারা দেখছে যে এই ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইটের ১ কিলোমিটার ভিতরে যেই বাচ্চাগুলা থাকে, তাদের রক্তে লেডের লেভেল বাকিদের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি।

দুই নাম্বার সোর্স পেইন্ট। বাংলাদেশে লেড পেইন্ট আইনত নিষিদ্ধ, কিন্তু বাজারের ৩০ শতাংশ পেইন্ট এখনও লিগ্যাল লিমিটের অনেক বেশি লেড নিয়া বিক্রি হয়– প্রায়শই ১০,০০০ পিপিএম এর কাছাকাছি ঘনত্বে (Daily Star, পিওর আর্থ)। তিন নাম্বার সোর্স আমাদের রান্নাঘর। দশকের পর দশক ব্যবসায়ীরা হলুদকে আরও উজ্জ্বল হলুদ দেখানোর জন্য তাতে লেড ক্রোমেট পিগমেন্ট মিশাইছে– কারণ আমরা উজ্জ্বল হলুদরে "ভালো হলুদ" বলে চিনি। অর্থাৎ লেড আমাদের ডাল-ভাতে ঢুকে মার্কেট সিগন্যালের পথ ধরে।

লেডকে কারণ হিসেবে দেখানোটা সবচেয়ে ইজি কারণ লেডকে নিয়ে এই পার্সপেক্টিভে অলরেডি লার্জ স্কেল রিসার্চ আছে। কিন্তু লেডই তো একমাত্র বিষ না। হাজারিবাগের ট্যানারি প্রজন্মের পর প্রজন্মরে ক্রোমিয়ামে ডুবায়ে রাখছে। ঢাকার বাতাস WHO-র গাইডলাইনের বহুগুণ ছাড়ায়া যায় প্রতি বছর– গাড়ির ধোঁয়া, ইটভাটার কয়লা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল নিঃসরণের একটা কেমিক্যাল ককটেল এইখানে চার কোটি মানুষ প্রতিদিন শ্বাসের সাথে টানে। গ্রামের কয়েক কোটি মানুষ টিউবওয়েলের আর্সেনিকযুক্ত পানি খাইয়া গেছে দশকের পর দশক। ডেভেলপিং ব্রেইন এর একটার বিরুদ্ধেও খুব একটা প্রতিরোধ করতে পারে না। একই শৈশবে কয়েকটা একসাথে আসলে প্রায় কিছুই করার থাকে না।
লেড হইলো বাংলাদেশের পলিউশন অপেরার একটামাত্র ইন্স্ট্রুমেন্ট। কিন্তু এর পিছনে একটা পুরা অর্কেস্ট্রা বাজতেছে।
~

এখন আমরা আমেরিকার ২২ বছর ল্যাগের হিসাবটা আমাদের কনটেক্সটে চিন্তা করি। ২০২৪-২৬ এর মব ভায়োলেন্সে যারা মানুষ মারতেছে তারা জন্ম নিছিলো ২০০০ এর দশকের শুরুতে। ঠিক সেই সময়টায় বাংলাদেশের গাড়ির ফ্লিট তিনগুণ হইতেছিলো, ব্যাটারি রিসাইক্লিং ছড়াইতেছিলো, ঢাকার বাতাস-মাটি-পানি সেই সব রাসায়নিক শোষণ করতেছিলো যেইগুলা আজকের দুই বছর বয়সী বাচ্চাদের রক্তে আইসিডিডিআরবি এতদিনে মাপতেছে। নেভিনের ২২ বছরের ক্যালকুলেশন এই কোহোর্টের উপরই হুবহু পড়ে– কেবল গ্যাসোলিনের লেড না, আরও অনেক কিছু সহ।

আমার মনে হয় বাংলাদেশের এই মব জেনারেশনের ব্রেইনটা এতসব নিউরোটক্সিনে পুরা বারুদ হয়ে আছে। একটু ঘষা দিলেই জ্বলে উঠে। আশেপাশের সব ছাড়খাড় করে দেয়। দাবানলকে যেমন থামানো যায় না তেমন থামানো যায় না মবদের। সবার মাথায় ভায়োলেন্সের অফুরন্ত জ্বালানি। বাংলাদেশের বাতাসে শ্বাস নিয়ে, বাংলাদেশের হলুদ খেয়েই তো সবাই বড় হইছে। তাই দল-মত-বাম-ডান নির্বিশেষে সবাই এখানে টিকিং বম্ব।

নিজেকে জিজ্ঞেস করি আমাদের কালচারের কতটুকু আসলে আমাদের কেমিস্ট্রি? পলিটিক্স, এডুকেশন, ভ্যালুজ– যেইগুলায় আমরা সব ব্যাখ্যা খুঁজি– এর কতটুকু আসলে ছোটবেলায় চুপিচুপি জমে যাওয়া বিষের ছায়া? ভাট্টির পাশের মাটি, ট্যানারির উপরের বাতাস, টিউবওয়েলের পানি, দেয়ালের পেইন্টের ধুলা– এইগুলার ফলাফল আমাদের নৈতিকতার ভাষায় ব্যাখ্যা হতে থাকে। আমজনতা লেড ক্রোমিয়াম খেতে খেতে মানসিকভাবে বিকলাঙ্গ হতে থাকে। আইকিউ কমতে থাকে, ইম্পালস কন্ট্রোল বলে কিছু আর অবশিষ্ট থাকে না। বাসায় পেটায় স্ত্রীকে, রাস্তায় মব হয়ে পেটায় উদ্বাস্তুদের। ইন্সট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশনের পাগল এই বিকলাঙ্গরা পর্ন দেখে মাথার নিউরোট্রান্সমিটার সিস্টেমকে আরও ধ্বংস করে। এরপর ধর্ষণের সুযোগ পেলে না করে আর থাকতে পারে না কারণ ইম্পালস কন্ট্রোল বলে ব্রেনের যে ফাংশন সেটা আর কাজ করছে না। এগুলোকে আমরা বলি "অশিক্ষা," "অসভ্যতা," "মৌলবাদ।" আসল কারণটা নিয়ে আমাদের আর কাজ করা হয় না।

~
আমেরিকার গল্পে একটা পজিটিভ আর্ক আছে। লেড গ্যাসোলিন থেকে সরালো। ক্রাইম নামলো।
বাংলাদেশের সেইরকম কোনো আর্ক চোখে পড়ে না। ভাট্টি কমতেছে না– বাড়তেছে, ই-রিকশার সাথে সাথে। হলুদের লেড নিয়ে দেখলাম বেশ কাজ হয়েছে ২০১৯-২১ এ, কিন্তু পেইন্টের এনফোর্সমেন্ট নাই। বাতাস বছর বছর খারাপ হইতেছে। এই ড্যামেজটা একবার হইয়া গেলে আনডু করা যায় না। শুধু ঘটার আগে থামানো যায়। আর সেইটা– হলুদের এক্সেপশনটা বাদ দিলে– হচ্ছে না।

বাংলাদেশ যেটার সামনে দাঁড়ায়ে আছে সেইটা পরে সমাধান করার মত কোনো রহস্য হিসেবে আর বাকি নাই। সেটা হয়ে গেছে বর্তমান। জেনেটিক প্রিডিস্পোজিশন আর কালচার একে অপরকে ফিড করতে করতে ভবিষ্যত হয়তো আরও ভয়ানক হবে। সেটা ইতিমধ্যেই লেখা হয়ে গেছে– এমন সব বাচ্চার রক্তে যারা এতই ছোট যে নিজেরাও জানে না কতটা অস্থির নিয়ন্ত্রণহীন কালচারের অংশ তারা হতে যাচ্ছে।
~
ঢাকার বাতাস একরাতে বদলাবে না। ভাট্টিগুলা একদিনে বন্ধ হবে না। কিন্তু ছোট ছোট কিছু কাজ এখন থেকেই শুরু করা যায়। লেড পেইন্টের আইন আছে– সেইটা মানতে বাধ্য করা যায়। আবাসিক এলাকার ভাট্টি চিহ্নিত করে সরানো যায়। হলুদের মার্কেটকে কন্টিউনিয়াস মনিটরিংয়ে রাখা যায়। বাচ্চাদের রক্তের লেড নিয়মিত মাপা যায়– যেমন আমরা ওজন আর উচ্চতা মাপি।
আর শুধু পরিবেশ না– বাচ্চাদের সাথে আমাদের আচরণটাও বদলানো দরকার। আমাদের জেনারেশন যেইভাবে বড় হয়েছি– সব ছোটখাটো জিনিসে চিৎকার-চেঁচামেচি, মারধর, ভয় দেখানো– এইগুলাও প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের ডেভেলপমেন্টে বাধা দেয়। এবং বাচ্চারা দেখে তার বাবা-মারাই ইম্পালস কন্ট্রোল করে না–তারা কী করবে? বাচ্চাকে ইম্পালস কন্ট্রোল শেখানো এখনকার বাংলাদেশী প্যারেন্টিং কালচারে ঢোকানোটা মাস্ট।
মব কালচারকে নর্মালাইজ করা বন্ধ করতে হবে। লিঞ্চিং-এর ভিডিও শেয়ার করা বন্ধ করতে হবে। প্রতিটা মব হত্যায় যে লোকটা ক্যামেরা নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়ায়ে আছে, সেও যে অপরাধী– এইটা সামাজিকভাবে বলা শুরু করতে হবে। কারণ যতদিন মব ভায়োলেন্স সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য থাকবে, ততদিন বিষ-আক্রান্ত ব্রেইনগুলা সেই গ্রহণযোগ্যতার দরজা দিয়েই বের হতে থাকবে।
আমেরিকা তার লেড সমস্যাকে চিনতে পেরেছিলো ত্রিশ বছর পর। আমাদের কাছে এত সময় নাই। যেই কোহোর্ট আজকে রাস্তায় মানুষ মারতেছে তাদের ব্রেইনের ফিজিক্যালি আর কালচারালি দুইভাবেই ড্যামেজড– সেটা আর ঠিক করার উপায় নাই। কিন্তু যে বাচ্চাটা আজকে ভাট্টির পাশে হামাগুড়ি দিতেছে, যে বাচ্চাটা হলুদ-মেশানো ডাল খাচ্ছে, যে বাচ্চাটা ঢাকার বাতাস টানতেছে– তাদের এখনও বাঁচানো যায়–ড্যামেজটা থামিয়ে এবং হেলদি একটা কালচার দিয়ে।

কিন্তু সেইটার জন্য আগে স্বীকার করতে হবে যে তারা বিষাক্ত হচ্ছে।সেইটাই হয়তো সবচেয়ে কঠিন। কারণ স্বীকার করা মানে কাজ শুরু করা।

Written By SaDman Fakid

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে যেসব খাবার বন্ধ করতে হবেঃ১)চিনি। চিনি ফ্যাটি লিভারের প্রধানতম কারন, বাসায় চিনি রাখা বন্ধ করে দিন, চি...
19/05/2026

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে যেসব খাবার বন্ধ করতে হবেঃ

১)চিনি। চিনি ফ্যাটি লিভারের প্রধানতম কারন, বাসায় চিনি রাখা বন্ধ করে দিন, চিনিজাতীয় খাবার বাইরে থেকে আনা বা ঘরে তৈরি করা থামান। সবার ওজন কমবে, ফ্যাটি লিভারও কমবে।

২)সফট ড্রিংক্স ও সুইটেন্ড এনার্জি ড্রিংক্স+ফ্রুট জ্যুসঃ সম্ভবত বাংলাদেশে মদের কাজটা সফট ড্রিংক্সই সেরে দিচ্ছে। বিএসএমএমইউতে হওয়া গবেষনা অনুযায়ী দেশের প্রতি তিনজনে একজন ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। নিঃসন্দেহে এর পেছনে প্রধানতম ভুমিকা সফট ড্রিংক্সের। হেলদি মনে করে অনেকেই বাচ্চাদের গাদা গাদা সুগার দেয়া ফ্রুট জ্যুস খাওয়ান, এনার্জি ড্রিংক্স খান তরুণদের অনেকেই। দিজ অল আর হিডেন কন্ট্রিবিউটরস বিহাইন্ড ফ্যাটি লিভার।

৩)সয়াবিন-সানফ্লাওয়ার রিফাইন্ড অয়েলঃ এগুলোতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের পরিমান ওমেগা-৬ এর তুলনায় অত্যন্ত কম, (সানফ্লাওয়ারে শুন্যের কাছাকাছি)। ওমেগা-৬ টক্সিসিটি আমাদের সব ধরনের ইনফ্ল্যামাটরি ডিজিজের রিস্ক ফ্যাক্টর বাড়ায়।
৪)আটা-ময়দাঃ আটা ময়দার গ্লুটেন এবং অপিওয়েড ইফেক্ট আমাদের ইনফ্ল্যামেশান বাড়ায় ও প্রসেসড ফুডে এডিক্ট করে। আটার রুটি অনেকেই হেলদি বলেন, বাস্তবে, জেনেটিক্যালি মডিফাইড আটা আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি করে।
৫)চকোলেট-আইসক্রিমঃ এগুলো সুগার ফ্যাক্টরি বেইসিক্যালি। সেদিন এক রোগী আমূলের ডার্ক চকোলেটের ইনগ্রেডিয়েন্টস লিস্ট পাঠালেন। আমি দেখলাম, হাফ পাউন্ড চকোলেটের মধ্যে ৪৩ গ্রাম সুগার!!! আইসক্রিমের কথা আর নাই বলি।
৬)ফ্রাইড চিকেন ও অন্যান্য প্রসেসড চিকেন আইটেমঃ মুরগীর গোশত-ট্রান্স ফ্যাট-মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট-গ্লুটেনের এক ভয়াবহ কম্বিনেশান হচ্ছে ফ্রাইড চিকেন। বিশেষভাবে কম বয়সীদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের হার বাড়ায় এর বিশেষ ভুমিকা আছে।
৭)পিৎজা, পাস্তা ও বার্গারঃ পিৎজা, পাস্তা ও বার্গার প্রত্যেকটার কেমিক্যাল কম্পোজিশন এক কথায় ভয়াবহ। চিনি, জিএমও ট্রান্স ফ্যাট-গ্লুটেন, এমএসজি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, এক্সট্রা সোডিয়াম সবকিছু আছে এগুলোয়।

খেয়াল করেন, এই প্রতিটা খাবারই জড়িত আপনার স্ন্যাকিংয়ের সাথে।

স্ন্যাকিং কমান, আপনার লিভারকে সুস্থ রাখুন।

© Mohammad Sajal

Address

Tangail
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shark Fitness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shark Fitness:

Share