28/08/2026
রহিমের বয়স ৪২ বছর। কয়েক মাস ধরে সে লক্ষ্য করছিল-রাতে বারবার ঘুম ভেঙে প্রস্রাব করতে যেতে হচ্ছে।প্রথমে সে ভাবল, “বয়স বাড়ছে, তাই হয়তো এমন হচ্ছে।”
স্ত্রী বলল, “একবার ডাক্তারের কাছে গিয়ে দেখাও না?” রহিম হেসে বলল,“আরে ধুর! এতটুকু ব্যাপারে ডাক্তার দেখাতে হবে?”
কয়েকদিন পর দিনের বেলাতেও তার বারবার প্রস্রাব পেতে লাগল। সঙ্গে প্রচণ্ড পিপাসা। পানি খাওয়ার পরও যেন পিপাসা মিটত না।কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় সে বিষয়টা এড়িয়ে গেল।
কয়েক মাস পর রহিমের ওজন কমতে শুরু করল। শরীর দুর্বল লাগত, ক্ষত শুকাতেও সময় লাগত। তবুও সে কোনো পরীক্ষা করাল না।
এক রাতে হঠাৎ তার প্রচণ্ড বমি শুরু হলো। শরীর দুর্বল হয়ে গেল, শ্বাস দ্রুত চলতে লাগল। পরিবারের লোকজন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেল।
পরীক্ষা করে দেখা গেল-তার রক্তে গ্লুকোজ ভয়ংকর মাত্রায় বেড়ে গেছে এবং সে ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হয়েছে।
ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করলেন।কিন্তু দেরি হয়ে গিয়েছিল।সেই রাতেই রহিম মারা গেল।
রহিম সাহেবকে বারবার প্রস্রাব আর অতিরিক্ত পিপাসা কয়েক মাস ধরে সতর্ক করছিল, সে সেগুলোকে গুরুত্ব দেয়নি।একটা ছোট লক্ষণকে অবহেলা কখনো কখনো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
বারবার প্রস্রাব, অতিরিক্ত পিপাসা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত ক্ষুধা-এগুলো থাকলে রক্তের শর্করা পরীক্ষা করা উচিত।
Doctorium