Doctorium

Doctorium Mohiuddin Ahmed
MBBS final year | Medical Content Creator | Educational content-not a substitute for professional medical advice

ডেঙ্গু নিয়ে এবারের মাঠ পর্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা সম্পর্কে বলা হতো এরা দিনের বেলা বিশেষ করে স...
01/10/2026

ডেঙ্গু নিয়ে এবারের মাঠ পর্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা সম্পর্কে বলা হতো এরা দিনের বেলা বিশেষ করে সন্ধায় এবং ভোরে বেশি কামড়াতো।কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে এরা রাতের বেলাতেও কামড়াচ্ছে।

ডেঙ্গু হলে সাধারণত আমরা জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা—এই লক্ষণগুলোর কথা চিন্তা করি। কিন্তু এবার রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গুর কিছু ভিন্ন ধরনের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ডেঙ্গুর পরীক্ষা নেগেটিভ আসলেই যে ডেঙ্গু নেই, এমনটা সবসময় নয়।

বিশেষ করে অসুস্থ হওয়ার একেবারে শুরুর দিকে পরীক্ষা করলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসতে পারে। পরে আবার পরীক্ষা করলে পজিটিভ হতে পারে।

তাই শুধু একটা রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, রোগীর কী কী লক্ষণ আছে এবং রক্তের পরীক্ষায় সময়ের সঙ্গে কী পরিবর্তন হচ্ছে—সেটাও দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটা বিষয় এবার বেশ দেখা যাচ্ছে—

ডেঙ্গুতে শুধু জ্বর নয়, পেটের সমস্যাও হতে পারে।

অনেক রোগীর পাতলা পায়খানা, বারবার বমি, পেট ব্যথা বা পেটে অস্বস্তি দিয়ে ডেঙ্গু শুরু হচ্ছে।

কারও কারও জ্বরের সঙ্গে এসব হচ্ছে, আবার কারও ক্ষেত্রে জ্বর আসার আগেও পেটের সমস্যা দেখা যাচ্ছে।

বিশেষ করে বারবার বমি বা প্রচুর পাতলা পায়খানা হলে বিষয়টাকে হালকা করে দেখবেন না।

কারণ শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে গেলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। এর ফলে রক্তচাপ কমে গিয়ে কিডনির ওপরও চাপ পড়তে পারে এবং গুরুতর অবস্থাও তৈরি হতে পারে।

আরেকটা বিষয়—

ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমলেই যে রক্তপাত হবে, এমন নয়।

অনেক রোগীর প্লেটলেট দ্রুত কমে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের রক্তপাত হচ্ছে না।

আবার শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা দেখেই রোগী কতটা ঝুঁকিতে আছেন, সেটাও বোঝা যায় না।

তাই একবার রক্ত পরীক্ষা করেই বসে না থেকে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বারবার রক্ত পরীক্ষা করে পরিবর্তনটা দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

এবার কিছু রোগীর মধ্যে ডেঙ্গুর আরও কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।

যেমন—

অনেক বেশি মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, কোমর বা শরীরের প্রচণ্ড ব্যথা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, খেতে ইচ্ছা না করা।

কিছু গুরুতর রোগীর ক্ষেত্রে হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, ফুসফুস বা অন্যান্য অঙ্গেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই শুধু “জ্বর আছে, ওষুধ খেলে কমে যাচ্ছে”—এটা দেখে নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয় যে ডেংগু নেই।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—

ডেঙ্গুতে সবার গায়ে লাল দাগ(র‍্যাশ) উঠবে—এমন কোনো কথা নেই।

অনেক রোগীর কোনো র‍্যাশই থাকে না।

আবার কারও জ্বর কমে যাওয়ার কয়েকদিন পর র‍্যাশ দেখা দিতে পারে।

জ্বরের ধরনও সবার একরকম নয়। কারও কয়েকদিন জ্বর থেকে ভালো হয়ে যাওয়ার পর আবার জ্বর আসতে পারে। কারও অনেকদিন ধরে জ্বর থাকতে পারে।

এমনকি একই পরিবারের একজনের ডেঙ্গু ধরা পড়ার পর অন্য সদস্যেরও একই ধরনের লক্ষণ থাকতে পারে, কিন্তু তার প্রথম পরীক্ষাটি নেগেটিভ আসতে পারে।

আর ডেঙ্গুর পাশাপাশি অন্য সংক্রমণও একই সময়ে থাকতে পারে। তাই শুধু ডেঙ্গু ধরে নিয়ে অন্য সম্ভাবনাগুলো বাদ দেওয়া ঠিক নয়।

সবশেষে একটা কথা খুব গুরুত্বপূর্ণ—

ডেঙ্গু শুধু একটা পরীক্ষার রিপোর্ট দিয়ে বোঝার রোগ নয়।

রোগীর লক্ষণ কী, কতদিন ধরে অসুস্থ, রক্ত পরীক্ষায় কী পরিবর্তন হচ্ছে—সবকিছু মিলিয়ে চিকিৎসককে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তাই জ্বরের সঙ্গে যদি বারবার বমি, প্রচুর পাতলা পায়খানা, তীব্র পেট ব্যথা, খুব বেশি দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, রক্তপাত, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডেঙ্গুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে—এই একটা কারণে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না। রোগীর পুরো অবস্থাটাই দেখতে হবে।

মহিউদ্দিন আহমেদ

30/09/2026

IBS আছে বলার জন্য ৬ মাস আগে পেটে ব্যথা শুরু হইতে হবে এবং গত ৩ মাসে সপ্তাহে অন্তত ১ দিন পেটে ব্যথা থাকতে হবে।

29/09/2026

hypothyroidism vs hyperthyroidism

28/09/2026

রসুন কিভাবে খাবেন?

কিছুদিন আগে আমি বডি থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বের করার ঘরোয়া খাবার কিমচি নিয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছিলাম যা আপনারা অনেকেই পছন্দ ...
28/09/2026

কিছুদিন আগে আমি বডি থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বের করার ঘরোয়া খাবার কিমচি নিয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছিলাম যা আপনারা অনেকেই পছন্দ করেছিলেন।পরবর্তীতে এটি ঘরোয়াভাবে বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কেও আপনাদের জানিয়েছি।

আপনারা কি এটা বাসায় ট্রাই করেছেন? এটার টেস্ট কেমন চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

আর এখনো যারা ভিডিওটি দেখেন নি তাদের জন্য কমেন্ট বক্সে লিংক দেয়া থাকলো, চাইলে দেখে নিতে পারেন।

27/09/2026

thyrotoxicosis (hyperthyroidism)

26/09/2026

আপনার শরীরই আপনার অবস্থা বুঝে না,অন্য মানুষ আর কি বুঝবে!!

ছেলেটার নাম রাফি। বয়স খুব বেশি না। বাইরে থেকে দেখলে একদম স্বাভাবিক একটা ছেলে। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ওর জীবনে যেন একটার ...
23/09/2026

ছেলেটার নাম রাফি। বয়স খুব বেশি না। বাইরে থেকে দেখলে একদম স্বাভাবিক একটা ছেলে। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ওর জীবনে যেন একটার পর একটা ঝামেলা লেগেই আছে। চাকরি নিয়ে চিন্তা, পরিবারের দায়িত্ব, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, টাকার চিন্তা—সবকিছু মিলিয়ে সারাক্ষণ মাথার মধ্যে চিন্তা ঘুরতে থাকে। রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও মাথাটা যেন শান্ত হতে চায় না।

প্রথমদিকে রাফি ভাবত, “এগুলো তো জীবনের স্বাভাবিক stress, সবাই তো কমবেশি নেয়।”

কিন্তু ধীরে ধীরে ওর শরীরেও কিছু পরিবর্তন আসতে শুরু করল।

একদিন অফিসে বসে হঠাৎ রাফির বুক ধড়ফড় শুরু হলো। মনে হলো হার্টটা খুব জোরে জোরে চলছে। কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে গেল। পরের দিন আবার হলো। তারপর মাঝেমধ্যে শুয়ে থাকলেও বুক ধড়ফড় করতে শুরু করল। নিজের শরীরের প্রতি ভয়ও বাড়তে লাগল।

এরপর খাবারের ব্যাপারেও সমস্যা শুরু হলো।আগের মতো খেতে ইচ্ছা করে না। পছন্দের খাবার সামনে থাকলেও রুচি থাকে না। আর কোনোভাবে খেয়ে ফেললেও মনে হয় খাবারটা যেন অনেকক্ষণ ধরে পেটের মধ্যে পড়ে আছে। পেট ভরা ভরা লাগে, অস্বস্তি হয়, মাঝে মাঝে পেট ফাঁপে।

রাফি ভাবল, “আমার মনে হয় গ্যাস্ট্রিক হয়ে গেছে।”

কিন্তু সে খেয়াল করল, যেদিন stress বেশি থাকে, সেদিনই এসব সমস্যা যেন আরও বেশি হয়।

কারণ আমাদের মস্তিষ্ক আর পরিপাকতন্ত্র একে অপরের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। দীর্ঘদিনের anxiety ও stress autonomic nervous system এবং gut–brain interaction-কে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে কারও ক্ষুধা কমে যেতে পারে, পেটের স্বাভাবিক movement বদলে যেতে পারে, খাবারের পর অস্বস্তি বা পেট ভরা ভরা অনুভূতি হতে পারে।

কিন্তু রাফির আসল সমস্যা তখনও শেষ হয়নি।

কয়েক সপ্তাহ পর একদিন বাসায় blood pressure মাপতে গিয়ে দেখল, তার blood pressure আগের চেয়ে অনেক বেশি।

প্রথমে সে ভাবল, “আজকে stress বেশি ছিল, তাই হয়তো pressure বেড়েছে।”

কিন্তু কয়েকদিন পর আবার মাপল। আবারও বেশি।

দীর্ঘদিনের stress শরীরের sympathetic nervous system-কে বেশি সক্রিয় রাখতে পারে। তার সঙ্গে যদি ঘুম কমে যায়, physical activity কমে যায়, খাবারের অভ্যাস খারাপ হয়ে যায়—তাহলে blood pressure বাড়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

এরপর রাফির জীবনযাপন আরও খারাপ হতে শুরু করল।

Stress এর কারনে রাতে জেগে থাকা, বেশি চা-কফি খাওয়া, বাইরে থেকে খাবার খাওয়া, ব্যায়াম বাদ দেওয়া—সবকিছু ধীরে ধীরে তার routine-এর অংশ হয়ে গেল।

কয়েক মাস পর routine health checkup করতে গিয়ে দেখা গেল, তার blood glucose আগের চেয়ে বেড়েছে। আরও কিছু পরীক্ষা করে দেখা গেল, তার শরীরে insulin resistance-এর লক্ষণও আছে।

রাফি তখন একেবারে অবাক।

“আমি তো আগে কখনো diabetic ছিলাম না!”

কিন্তু ব্যাপারটা এত সহজ না যে শুধু stress হলেই একজন মানুষের diabetes হয়ে যাবে।

তবে দীর্ঘদিনের stress-এর সঙ্গে যদি ঘুমের সমস্যা, physical inactivity, অতিরিক্ত calorie intake, ওজন বা পেটের চর্বি বৃদ্ধি—এসব একসঙ্গে থাকে, তাহলে শরীরের insulin sensitivity খারাপ হতে পারে এবং যাদের আগে থেকেই metabolic risk আছে, তাদের ক্ষেত্রে blood glucose বাড়ার পথটা সহজ হতে পারে।

তখন রাফি বুঝতে পারল, stress শুধু মাথার ভেতরে আটকে নেই।তার ঘুমে প্রভাব পড়ছে।খাবারের রুচিতে প্রভাব পড়ছে।হজমের ওপর প্রভাব পড়ছে।বুক ধড়ফড় করছে।Blood pressure বাড়ছে।

আর তার lifestyle ও metabolic health-ও ধীরে ধীরে খারাপের দিকে যাচ্ছে।

সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হলো, একটা vicious cycle তৈরি হয়ে গেছে।

Stress → ঘুম খারাপ → শরীর খারাপ লাগা → শরীর নিয়ে ভয় → আরও stress।

তারপর সেই stress কমানোর জন্য আবার unhealthy খাবার, রাত জাগা, exercise বাদ দেওয়া—সবকিছু চলতেই থাকল।

একদিন রাফি সিদ্ধান্ত নিল, “এভাবে আর না।”

সে বুঝল, stress পুরোপুরি জীবন থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব না। কিন্তু stress কীভাবে manage করবে, সেটা অনেকটাই তার নিজের হাতে।

সে ঘুমের সময় ঠিক করার চেষ্টা করল। প্রতিদিন কিছুটা হাঁটা শুরু করল। খাবারের ব্যাপারে সচেতন হলো। অতিরিক্ত caffeine আর junk food কমাল। আর যেসব শারীরিক সমস্যা বারবার হচ্ছে, সেগুলোকে শুধু “stress” বলে এড়িয়ে না গিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো শুরু করল।

কারণ একটা কথা মনে রাখা দরকার—

Stress নিজে সব রোগের একমাত্র কারণ নয়।

কিন্তু দীর্ঘদিনের uncontrolled stress আমাদের ঘুম, খাবার, lifestyle, nervous system এবং metabolic health—সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আর শরীর যখন বারবার signal দিতে শুরু করে, তখন সেটাকে শুধু “মানসিক চাপ” বলে চুপ করে থাকা ঠিক না।

কখনো কখনো শরীর আসলে আমাদের বলছে—
“একটু থামো। নিজের যত্ন নাও।”

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর একটি সময়। এই সময় শরীরে নানা রকম পরিবর্তন আসে, আর সেই সঙ্গে আসে ছোট-বড়...
22/09/2026

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর একটি সময়। এই সময় শরীরে নানা রকম পরিবর্তন আসে, আর সেই সঙ্গে আসে ছোট-বড় নানা শারীরিক অস্বস্তি। কিন্তু সমস্যা হলো, গর্ভাবস্থায় সব ওষুধ নিরাপদ নয় — তাই ইচ্ছেমতো ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

**বমিভাব হলে করণীয়**

প্রথম কয়েক মাসে বমিভাব খুবই স্বাভাবিক। এই সময় একসঙ্গে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া ভালো। শুকনো ও হালকা খাবার এক্ষেত্রে আরাম দেয়। বমির ওষুধ লাগলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নেওয়া উচিত নয়।

**অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে সতর্কতা**

গর্ভাবস্থায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়, ফলে কখনো কখনো অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু এখানে একটা বড় সতর্কতা আছে — কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, আবার কিছু শিশুর জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। কোনটা কখন খাওয়া নিরাপদ, তা শুধু চিকিৎসকই ঠিক করে দিতে পারবেন — নিজে থেকে কখনোই এন্টিবায়োটিক খাবেন না।

**ঘুমের সমস্যা**

গর্ভাবস্থার শেষ দিকে ঘুম না হওয়া সাধারণ একটা সমস্যা। এক্ষেত্রেও নিজের ইচ্ছায় ঘুমের ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক — চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ওষুধ নিতে হবে।

**মাথাব্যথা হলে**

সাধারণত ব্যথার ওষুধ এড়িয়ে চলাই ভালো, তবে তীব্র মাথাব্যথায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ তুলনামূলক নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।

**বুক জ্বালা ও গ্যাসের সমস্যা**

এটি মাতৃত্বকালীন সময়ের অন্যতম সাধারণ অভিযোগ। ওষুধের আগে খাদ্যাভ্যাস বদলানো জরুরি — বেশি তেল-মসলাযুক্ত ও বাইরের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে সাধারণ অ্যান্টাসিড নেওয়া যায়, তবে অন্য যেকোনো গ্যাসের ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

**কোষ্ঠকাঠিন্য**

প্রচুর শাকসবজি খাওয়া এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান। প্রয়োজনে ইসবগুল বা বাজারে পাওয়া নির্দিষ্ট সিরাপ নেওয়া যেতে পারে। তবে গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহে এই সমস্যা নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার, কারণ এই সময় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

**সর্দি-কাশি**

সাধারণ অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ও নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যায়। এর পাশাপাশি লবঙ্গ দিয়ে গরম পানি দিয়ে কুলকুচি করলেও আরাম মেলে। কাশির জন্য বাজারের সিরাপ ব্যবহার করা গেলেও প্রথম ১২ সপ্তাহে তা এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।

**সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা**

গর্ভাবস্থায় সামান্য অসতর্কতাও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই যতটা সম্ভব ওষুধ কম খাওয়াই ভালো, এবং যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।

মহিউদ্দিন আহমেদ
Doctorium

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctorium posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share