Ilahi Spiritual Cure

Ilahi Spiritual Cure Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ilahi Spiritual Cure, Alternative & holistic health service, Dhaka.

08/07/2026

ভালোবাসার মানুষকে বিয়ের মাধ্যমে হারাম সম্পর্ক টাকে হালাল করতে চাচ্ছেন? ব্লাক ম্যাজিক যাদু-টুনা, বান, বিচ্ছেদ বশিকরন কাটাতে, রুহানি পরামর্শ এবং তদবির এর মাধ্যমে সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন।

18/06/2026

সব ধরনের সমস্যার.তদবির রুকইয়াহ ও ধর্মীয় আধ্যা*ত্মিক সমাধানের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন

কোরআনে বর্ণিত রব্বানা দিয়ে শুরু কিছু দোয়া  দিলাম রেফারেন্স সহ :-
10/06/2026

কোরআনে বর্ণিত রব্বানা দিয়ে শুরু কিছু দোয়া দিলাম রেফারেন্স সহ :-

07/06/2026

"বাল" দেবতার প্রাচীন ইতিহাস

07/06/2026

আপনি কি জানেন আপনার ব্যবহারিত কাপড় দিয়েও যাদু করা হয়

07/06/2026

স্বপ্নে খাবার খাওয়ানো বা 'ইতআম মানামী' সংক্রান্ত সমস্যার জন্য একটি উপকারী আমল

অনেক মানুষ বলেন-ঘুমের মধ্যে কেউ যেন খাবার খাওয়াচ্ছে, স্বপ্নে বারবার খাবার দেখা যায়, অথবা ঘুম থেকে উঠার পর অস্বাভাবিক ভারীভাব, অরুচি কিংবা আধ্যাত্মিক অস্থিরতা অনুভব হয়। রুকইয়াহ সংশ্লিষ্টদের ভাষায় একে অনেক সময় “ইতআমুল মানামী” বা স্বপ্নের মাধ্যমে খাওয়ানোর প্রভাব বলা হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে কিছু উপকারী আমল করা যেতে পারে।

প্রথমত, নিজের বিছানা, বালিশ ও ঘুমের কাপড় নিয়মিত এমন পানিতে স্প্রে করুন, যে পানির উপর সূরা আস-সাফফাত পড়ে রুকইয়াহ করা হয়েছে। এর সাথে সামান্য কালো মেশক আতর মিশিয়ে নেওয়া ভালো। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এই পানি প্রতি তিন দিন পরপর নতুন করে রুকইয়াহ করে প্রস্তুত করা ভালো।

এর পাশাপাশি আজওয়া খেজুরের একটি আমলও উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। কয়েকটি আজওয়া খেজুর নিয়ে তার উপর খাঁটি মধু ও সামান্য আদা মিশিয়ে দিন। এরপর সেটিকে রোদ থেকে দূরে এমন স্থানে রাখুন, যাতে খেজুর ধীরে ধীরে মধু শুষে নেয়। পরে এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তিনটি খেজুর নিয়ে সূরা ফালাক ও সূরা নাস সাতবার পড়ে ফুঁ দিন, তারপর তা খেয়ে নিন। ইনশাআল্লাহ এটি উপকারে আসতে পারে। আর যদি স্বপ্নে খাবার খাওয়ানোর বিষয়টি বারবার পুনরাবৃত্তি হতে থাকে, তাহলে ঘুমানোর প্রায় আধাঘণ্টা আগে অতিরিক্ত আরও তিনটি খেজুর একইভাবে পড়ে খাওয়া যেতে পারে।
এবং মিসওয়াল করে অযু অবস্থায় ঘুমান।

তবে মনে রাখতে হবে-শিফা একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে। কোনো উপকরণ বা আমল নিজে নিজে উপকার করার ক্ষমতা রাখে না। তাই সবসময় সালাত, সকাল-সন্ধ্যার যিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল বজায় রাখুন। আল্লাহ তাআলা যেন সকল আক্রান্ত মুসলিম ভাই-বোনকে পূর্ণ শিফা ও নিরাপত্তা দান করেন। আমিন।

05/06/2026

"হে আমার প্রিয়, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর ওপর সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষিত করুন। এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপরও। হে আল্লাহ, আমাদের সন্তুষ্টি ও জান্নাত দান কর, বিশ্বজগতের রব! আমরা বারবার নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর ওপর সালাত ও সালাম পাঠাচ্ছি। হে আল্লাহ, আমাদের সন্তুষ্টি ও জান্নাত দান কর, বিশ্বজগতের রব! হে আল্লাহ, আমাদেরকে সুন্দর সমাপ্তি দান করুন। আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ।

নবী মুহাম্মদ (সা঩) এর উপর সালাত পাঠানো ইসলামে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। সালাত পাঠানোর কিছু ফজিলত নিম্নরূপ:

1. **আল্লাহর সন্তুষ্টি:** নবী (সাঃ) এর উপর সালাত পাঠানো আল্লাহর আদেশ। আল্লাহ তাআলা কোরআনে উল্লেখ করেছেন যে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর উপর দুরুদ পাঠান।” (সুরা আহজাব: 56)

2. **সালাতের প্রতি মর্যাদা:** সালাত পাঠানোর ফলে মুসলমানদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং নবী (সাঃ) এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শিত হয়।

3. **দোয়ার কাবুল:** নবী (সা঩) এর উপর সালাত পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ দোয়া কবুল করার প্রতিশ্রুতি দেন। রাসূল (সা঩) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার সালাত পাঠাবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর দশবার রহমত পাঠান।" (হাদীস: মুসলিম)

4. **শাফায়াত:** হযরত মুহাম্মদ (সা঩) এর উপর সালাত পাঠানোর কারণে কিয়ামতের দিন তাঁর শাফায়াত (মধ্যস্থতা) লাভ করা সম্ভব হবে।

5. **শান্তি ও বরকত:** সালাত পাঠানো দ্বারা ব্যক্তি জীবনে শান্তি, বরকত এবং সফলতা বৃদ্ধি পায়।

6. **ফজিলতের মধ্যে স্থান:** রাসূল (সা঩) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার নাম উচ্চারণ করে এবং আমার ওপর সালাত পাঠায়, তার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে নবীর পরিচিতি লাভের আশা রয়েছে।"

সুতরাং, নবী মুহাম্মদ (সা঩) এর উপর সালাত পাঠানো শুধুমাত্র একটি আমল নয়, বরং এটি ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি মুসলমানদের জীবনে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উজ্জীবণ এনে দিতে সহায়ক।

05/06/2026

মানসিক সমস্যাকে জ্বীন ভেবে অবহেলা করছেন?
আজকাল অনেকেই দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, প্যানিক অ্যাটাক বা আচরণগত পরিবর্তনকে সরাসরি জ্বীন বা জাদুটোনার প্রভাব মনে করে থাকেন। ফলে অনেক সময় সঠিক চিকিৎসা ও সহায়তা নিতে দেরি হয়ে যায়।
ইসলাম এই বিষয়ে আমাদেরকে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। কোরআন ও হাদিসে যেমন আধ্যাত্মিক চিকিৎসা রুকইয়াহ-এর কথা এসেছে, তেমনি অসুস্থ হলে চিকিৎসা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কোরআন ও হাদিসের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
🟢 আল্লাহ তাআলা বলেন, কোরআন মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত
অর্থাৎ কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া আত্মিক প্রশান্তির একটি বড় মাধ্যম
🟢 রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
প্রত্যেক রোগেরই চিকিৎসা আছে, যখন চিকিৎসা সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয় তখন আল্লাহ শিফা দান করেন
🟢 রুকইয়াহ শরিয়াহ হলো কোরআনের আয়াত, দোয়া ও যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া
এটি ঈমানকে শক্তিশালী করে এবং মানসিক প্রশান্তি দিতে সাহায্য করে
🟢 তবে ইসলাম কখনোই অসুস্থতাকে শুধু অনুমান করে ফেলে রাখার কথা বলেনি
বরং শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও একটি দায়িত্ব
মানসিক সমস্যার কিছু লক্ষণ জ্বীন বা আধ্যাত্মিক বিষয় মনে হলেও অনেক সময় তা হতে পারে
🟡 দীর্ঘদিনের স্ট্রেস
🟡 ট্রমা বা ভয়
🟡 হরমোন বা নিউরোলজিক্যাল সমস্যা
🟡 ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার
সঠিক সমাধান কী
🔵 নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ করা
🔵 দোয়া ও যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া
🔵 মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
🔵 পরিবার ও কাছের মানুষের সহায়তা নেওয়া
🔵 অবহেলা না করে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া
সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি হলো আধ্যাত্মিক চিকিৎসা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমন্বয়

05/06/2026

▌সাহাবীদের গালি দেয়ার ভয়াবহ পরিণাম!

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

لَا تَسُبُّوْا أَصْحَابِيْ، لَا تَسُبُّوْا أَصْحَابِيْ، فَوَ الَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ! لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ.

‘‘তোমরা আমার সাহাবাদেরকে গালি দিও না। তোমরা আমার সাহাবাদেরকে গালি দিও না। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমাদের কেউ আল্লাহ্ তা‘আলার রাস্তায় উহুদ্ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ সাদাকা করলেও তাদের কারোর এক অঞ্জলি সমপরিমাণ অথবা তার অর্ধেকের সাওয়াব পাবে না’’। (মুসলিম ২৫৪০)

আবূ সাঈদ্ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা খালিদ বিন্ ওলীদ (রাঃ) ও আব্দুর রহমান বিন্ ‘আউফ (রাঃ) এর মাঝে কোন একটি ব্যাপার নিয়ে মনোমালিন্য হলে খালিদ বিন্ ওলীদ (রাঃ) আব্দুর রহমান বিন্ ‘আউফ (রাঃ) কে গালি দেয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনতে পেয়ে খালিদ বিন্ ওলীদ (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলেন:

لَا تَسُبُّوْا أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِيْ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَوْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ.

‘‘তোমরা আমার (প্রথম যুগের) কোন সাহাবাকে গালি দিও না। কারণ, তোমাদের কেউ আল্লাহ্ তা‘আলার রাস্তায় উহুদ্ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ সাদাকা করলেও তাদের কারোর এক অঞ্জলি সমপরিমাণ অথবা তার অর্ধেকের সাওয়াব পাবে না’’। (বুখারী ৩৬৭৩; মুসলিম ২৫৪১)

যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাদেরকে গালি দেয় তাদের উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত পতিত হবে।

আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

مَنْ سَبَّ أَصْحَابِيْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْـمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ.

‘‘যে ব্যক্তি আমার কোন সাহাবাকে গালি দিলো তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত পতিত হোক’’। (ত্বাবারানী/কবীর ১২৭০৯ সা’হীহুল্ জামি’, হাদীস ৫২৮৫)

‘আলী, আন্সারী সাহাবীগণ এমনকি যে কোন সাহাবীকে ভালোবাসা ঈমানের পরিচায়ক।

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

وَالَّذِيْ فَلَقَ الْـحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ! إِنَّهُ لَعَهْدُ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ إِلَيَّ أَنْ لَا يُحِبَّنِيْ إِلاَّ مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضُنِيْ إِلاَّ مُنَافِقٌ.

‘‘সে সত্তার কসম যিনি বীজ থেকে উদ্ভিদ এবং সকল প্রাণী করেছেন! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন: একমাত্র মু’মিনই তোমাকে ভালোবাসবে এবং একমাত্র মুনাফিকই তোমার সাথে শত্রুতা পোষণ করবে’’। (মুসলিম ৭৮)

আনাস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

آيَةُ الْإِيْمَانِ حُبُّ الْأَنْصَارِ، وَآيَةُ النِّفَاقِ بُغْضُ الْأَنْصَارِ.

‘‘আন্সারী সাহাবাগণকে ভালোবাসা ঈমানের পরিচায়ক এবং তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করা মুনাফিকির পরিচায়ক’’। (বুখারী ১৭, ৩৭৮৪; মুসলিম ৭৪)

আলাইহি ওয়াসাল্লাম আন্সারী সাহাবাগণ সম্পর্কে বলেন:

الْأَنْصَارُ لَا يُحِبُّهُمْ إِلاَّ مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضُهُمْ إِلاَّ مُنَافِقٌ، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ أَحَبَّهُ اللهُ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ أَبْغَضَهُ اللهُ.

‘‘একমাত্র মু’মিনই আন্সারী সাহাবাগণকে ভালোবাসবে এবং একমাত্র মুনাফিকই তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করবে। যে ব্যক্তি তাদেরকে ভালোবাসলো আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ভালোবাসবেন এবং যে ব্যক্তি তাদের সাথে বিদ্বেষ পোষণ করলো আল্লাহ্ তা‘আলা তার সাথে বিদ্বেষ পোষণ করবেন’’। (বুখারী ৩৭৮৩; মুসলিম ৭৫)

03/06/2026

❤️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ilahi Spiritual Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share