ডা. অন্তর সাহা

ডা. অন্তর সাহা 🧩 MBBS (DMC), BCS (Health)
🧩 FCPS Part 1
🧩 Physical Medicine & Rehabilitation

Health Related Page by Dr. Antor Saha.

29/06/2026
করোনার সময় প্রতিদিন খবরে দেখতাম - IEDCR এর সংবাদ সম্মেলন । আজ সেখানেই ভারী ধাতু নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়েছিল...
24/06/2026

করোনার সময় প্রতিদিন খবরে দেখতাম - IEDCR এর সংবাদ সম্মেলন ।
আজ সেখানেই ভারী ধাতু নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলাম । ভারী ধাতু শিশুদের মানসিক বিকাশ কে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে ।

সামনে এ নিয়ে সময় আরো বিস্তারিত লিখব ।

ডা. অন্তর সাহা
মেডিকেল অফিসার,
উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স ।

ট্রেইনার হিসেবে আজ শিক্ষকদের ট্রেনিং করানোর সুযোগ হয়েছে । স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং রোগ প্রতিরোধ নিয়ে । ট্রেনিং এর নলেজ ছো...
17/06/2026

ট্রেইনার হিসেবে আজ শিক্ষকদের ট্রেনিং করানোর সুযোগ হয়েছে । স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং রোগ প্রতিরোধ নিয়ে । ট্রেনিং এর নলেজ ছোট ছোট বাচ্চাদের মাঝে ছড়িয়ে দিবেন শিক্ষকরা ।

বাংলাদেশের মতো দুর্বল স্বাস্থ্য কাঠামোর দেশে রোগ প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই ।
সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই এগিয়ে আসলেই কেবল এত বিপুল জনগোষ্ঠীর রোগের চাপ স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে ।

হাসপাতালে ডিউটির বাইরেও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মানুষের সাথে যোগাযোগের একটা সুযোগ হওয়ার ব্যাপারটাকে উপভোগ করছি । 😇

ডা. অন্তর সাহা
মেডিকেল অফিসার,
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ।

ডাক্তারদের অনেক কাজের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্যতম ! প্রতিবছর এই সময়টাতে যমুনা এবং আশেপাশের অঞ্চলে বন্যা দেখ...
11/06/2026

ডাক্তারদের অনেক কাজের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্যতম ! প্রতিবছর এই সময়টাতে যমুনা এবং আশেপাশের অঞ্চলে বন্যা দেখা যায় এবং পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব অনেকগুণ বেড়ে যায় ।

এত রোগের চাপ সামলানো হাসপাতালের পক্ষেও কঠিন হয়ে যায় এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এই রোগ গুলোর প্রতিরোধ । এক্ষেত্রে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ।

আজ উপজেলায় একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি ভলেন্টিয়ারদের যারা একদম প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষকে সচেতন করবে ।

ডায়রিয়া রোগীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ । গবেষণায় দেখা গেছে, বন্যা-সম্পর্কিত ডায়রিয়া রোগীদের অনেকেই গুরুতর পানিশূন্যতা নিয়ে হাসপাতালে আসে ।

তাই পাতলা পায়খানা শুরু হলেই ওরস্যালাইন দিতে হবে। চোখ বসে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা অচেতন হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রেফার করতে হবে ।

বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, সচেতনতা মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে ।

ডা. অন্তর সাহা

🔴 বুকে ব্যথা মানেই কি গ্যাস? হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন । ঈদ মানেই আনন্দ, দাওয়াত আর একটু বেশি খাওয়া দাওয়া ।...
28/05/2026

🔴 বুকে ব্যথা মানেই কি গ্যাস? হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন ।

ঈদ মানেই আনন্দ, দাওয়াত আর একটু বেশি খাওয়া দাওয়া ।
এই সময় অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, অনিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপের কারণে অনেকেই বুকের ব্যথা বা অস্বস্তিতে ভোগেন ।

অনেক সময় আমরা ধরে নেই “গ্যাসের ব্যথা” ।
কিন্তু সব বুকের ব্যথা গ্যাস নয় । কিছু ক্ষেত্রে এটি হার্ট অ্যাটাকের সতর্ক সংকেতও হতে পারে ।

যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না :
✔ বুকের মাঝখানে চাপ ধরা বা ভারী অনুভূতি ( মনে হবে বুকের মাঝখানটাই কেউ পাথর চাপা দিয়েছে )
✔ ব্যথা হাত, কাঁধ, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে যাওয়া
✔ শ্বাসকষ্ট বা হাঁপিয়ে যাওয়া
✔ অতিরিক্ত ঘাম, বমি ভাব বা মাথা ঘোরা
✔ বিশ্রাম বা গ্যাসের ওষুধেও আরাম না পাওয়া

গ্যাস বা অ্যাসিডিটির ব্যথা সাধারণত :
• খাবারের পর বাড়ে
• ঢেকুর বা গ্যাস বের হলে কমে
• বুক জ্বালা বা পেট ফাঁপার সাথে থাকে

মনে রাখবেন,
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, স্থূলতা বা পারিবারিক হার্টের রোগ থাকলে ঝুঁকি আরও বেশি ।

🚨 যদি বুকের ব্যথা ৫ মিনিটের বেশি থাকে বা উপরের লক্ষণগুলোর সাথে মিলে যায়, দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যান । একটা ECG করানো খুবই জরুরী । হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ ।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয় ।

সচেতন থাকুন ।
নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকেও সুস্থ রাখুন ।

ডা. অন্তর সাহা
MBBS (DMC), BCS (Health)
FCPS PART-1


ছোট মাছ/ ভিটামিন 'A' বেশি খেলে কি আমার আর চশমা পড়তে হবে না ? ✨✨ভিটামিন A এর কাজ-ভিটামিন A (retinol) রেটিনার rod cell-এ ...
05/11/2025

ছোট মাছ/ ভিটামিন 'A' বেশি খেলে কি আমার আর চশমা পড়তে হবে না ? ✨

✨ভিটামিন A এর কাজ

-ভিটামিন A (retinol) রেটিনার rod cell-এ rhodopsin এবং cone cell-এ iodopsin তৈরিতে লাগে।

-এগুলো মূলত আলো অনুভব করতে সাহায্য করে → নাইট ভিশন, কালার ভিশন ইত্যাদি।

-এর ঘাটতি হলে হয় নাইট ব্লাইন্ডনেস, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, Xerophthalmia, corneal ulcer → শেষে অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে।

🌟 কিন্তু যেসব ক্ষেত্রে চশমা পড়তে হয় সেগুলো refractive error (যেমন myopia, hypermetropia, astigmatism) এর সাথে Vitamin 'A' সম্পর্কিত না !

Myopia সাধারণত অল্প বয়স্কদের হয় ,এক্ষেত্রে দূরে দেখতে অসুবিধা হয় ! স্টুডেন্ট বোর্ড দেখতে অসুবিধা বোধ করে এবং তখনই প্রথম চশমা নিতে হয় ।

✨মায়োপিয়ার মূল কারণ
- Eyeball লম্বা হয়ে যাওয়া (axial length ↑),
অথবা লেন্স/কর্নিয়ার refractive power বেশি হওয়া → ফলে আলো রেটিনার সামনে ফোকাস হয়, retina-তে না গিয়ে blurry হয়।

এটা মূলত structural problem 📌

✅ তাহলে Vitamin A বেশি নিলে কি Myopia সারে?

না 🙅। ভিটামিন A deficiency cure করলে নাইট ভিশন ভালো হবে, কিন্তু চোখের লম্বা আকার বা লেন্সের পাওয়ার কমবে না।

তাই মায়োপিয়া সারাতে Vitamin A খেলে কোনো উপকার হয় না।
তবে ভিটামিন A এর ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করতে হবে, কারণ deficiency থাকলে সমস্যাটা আরও খারাপ হবে।

✅ Myopia চিকিৎসা

-চশমা / কনট্যাক্ট লেন্স
-LASIK surgery (lens/ cornea reshape)
-lifestyle change (বেশি outdoor activity, screen time কমানো) শিশুদের মায়োপিয়া progression কমাতে পারে ।

তবে আমাদের অবশ্যই ছোট মাছ খাওয়া উচিত 😇



Dr. Antor Saha
MBBS (DMC), FCPS Part l
BCS Health (Recommended)

🩺 দৌড় ও মানসিক স্বাস্থ্য: এক অসাধারণ সম্পর্ক✍️ ডা. অন্তর সাহাMBBS (DMC), FCPS Part 1, BCS (Health) Recommended💫 Runner’...
20/10/2025

🩺 দৌড় ও মানসিক স্বাস্থ্য: এক অসাধারণ সম্পর্ক
✍️ ডা. অন্তর সাহা
MBBS (DMC), FCPS Part 1, BCS (Health) Recommended

💫 Runner’s High: দৌড়ে পাওয়া মানসিক উল্লাসের বৈজ্ঞানিক রহস্য

দৌড়ানোর সময় হঠাৎ একধরনের অদ্ভুত সুখ ও হালকাভাব অনুভব করেছেন কেউ কেউ — একে বলা হয় “Runner’s High”। এটা শুধু কল্পনা নয়, এর পেছনে আছে বাস্তব জৈব রাসায়নিক কারণ।

🔹 কেন ঘটে?
দৌড়ানোর সময় শরীরে এন্ডরফিন ও এন্ডোক্যানাবিনয়েড নামের দুটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়।

এন্ডরফিন কাজ করে প্রাকৃতিক ব্যথানাশকের মতো, যা শরীরের ক্লান্তি কমায়।

এন্ডোক্যানাবিনয়েড আমাদের মস্তিষ্কে আনন্দ, প্রশান্তি ও মনোযোগ বাড়ায়।

ফলাফল?
একটা গভীর শান্তি, উদ্যম, ও হালকা আনন্দ — যেটা অনেকটা মেডিটেশনের মতো অনুভূতি দেয়।

🔹 Runner’s High এর উপকারিতা
✅ মানসিক চাপ ও উদ্বেগ দূর করে
✅ মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
✅ বিষণ্ণতা প্রতিরোধে সহায়তা করে
✅ আত্মবিশ্বাস ও জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে

🔹 কীভাবে পাবেন এই অনুভূতি?

নিয়মিত দৌড়ান (সপ্তাহে অন্তত ৩–৪ দিন)

দৌড়ের সময় নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস ও ছন্দের প্রতি মনোযোগ দিন

শুরুতে ক্লান্ত লাগলেও চালিয়ে যান — “Runner’s High” সাধারণত ২০–৩০ মিনিট পর থেকেই দেখা দিতে পারে

💬 শেষ কথা:
“Runner’s High” কোনো মিথ নয়, এটি শরীর ও মনের এক অসাধারণ সমন্বয়। দৌড়ানোর অভ্যাস শুধু শরীর নয় — মনকেও করে তোলে মুক্ত ও উদ্দীপ্ত।

🧩 ছবিটি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথনে ২১.১ কিলোমিটার দৌড়ানোর পরে তোলা । এতে আমাদের দুজনের সময় লেগেছিল ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট ।




14/10/2025

📢 জলাতঙ্ক: যে রোগে মৃত্যুহার ১০০% !!!

🧠 জলাতঙ্ক (Rabies) হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত সংক্রমিত কুকুর, বিড়াল, বানর বা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড়, আঁচড় বা লেহনের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়।

🧬 কারণ:
জলাতঙ্ক ভাইরাস (Rabies virus) মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে, যার ফলে ধীরে ধীরে রোগীর মানসিক ও শারীরিক ক্রিয়া বিকল হতে থাকে। একবার উপসর্গ দেখা দিলে এই রোগের কোনো চিকিৎসা নেই — মৃত্যুহার প্রায় ১০০%।

⚠️ সংক্রমণের উপসর্গ (Symptoms):
১️⃣ জ্বর, মাথা ব্যথা, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ভয় বা আতঙ্ক
২️⃣ কামড়ের স্থানে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা
৩️⃣ হঠাৎ শব্দ, আলো বা বাতাসে চরম সংবেদনশীলতা
৪️⃣ সবচেয়ে পরিচিত উপসর্গ: পানি দেখলে বা পান করতে গেলে ভয় পাওয়া ও গলার পেশীতে খিঁচুনি হওয়া — একে বলা হয় Hydrophobia (পানিভীতি)।

💧 কেন পানি খেতে ভয় পায়?
জলাতঙ্ক ভাইরাস মস্তিষ্কের সেই অংশকে প্রভাবিত করে যা গলার ও শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশী নিয়ন্ত্রণ করে।
ফলে যখন রোগী পানি পান করতে চায়, তখন গলার পেশী হঠাৎ খিঁচে যায় — এতে প্রচণ্ড ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হয়। এই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কারণে রোগীর মনে পানি দেখলেই আতঙ্ক জন্মায়।

💉 প্রতিরোধই জীবনরক্ষা:
✅ কোনো প্রাণী কামড়ালে বা আঁচড় দিলে সাথে সাথে ২০ মিনিট ধরে প্রবাহমান পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
✅ এরপর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে যান এবং Anti-Rabies Vaccine (ARV) ও Immunoglobulin (প্রয়োজনে) নিন। দেশের সকল সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতেই টিকা দেওয়া হয় একদম ফ্রি l
✅ কখনোই ঘরোয়া চিকিৎসা বা তাবিজ-কবজের ওপর নির্ভর করবেন না।

জলাতঙ্ক একবার শুরু হলে বাঁচার কোনো উপায় নেই। কিন্তু সময়মতো ভ্যাকসিন নিলে এটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগে এরকম একজন রোগী এসেছিল । চিকিৎসা করতে যাওয়ার কারণে আমার নিজেরও টিকা দিতে হয়েছে !

ডা. অন্তর সাহা
MBBS (DMC), FCPS Part 1
BCS (Health) Recommended

Video Collected From Science Galaxy
রোগীর পরিচয় মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি

Address

Bakshibazar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. অন্তর সাহা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share