Women's Care Hijama Treatment

Women's Care Hijama Treatment Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Women's Care Hijama Treatment, Medical and health, Dhaka City, Dhaka.

আমাদের সেবা সমূহ :▪️হিজামা ▪️আকুপ্রেসার ( বডি ম্যাসেজ মেয়েদের )▪️আকুপাংচার▪️পুষ্টিবিদ বিভাগ MBBS Dr. দ্বারা পরিচালিত।ওষুধ ও কাপিং এর সমন্বয়ে অসুস্থতার বেস্ট সলিউশন পেতে আমাদের সেবা নিন। 🧕 Only Female পর্দা / প্রাইভেসির সাথে চিকিৎসা করা হয়।

▌ জ্বিনের সাথে কথা বলা হতে বিরত থাকুন।  ▪️ জ্বিনের  সাথে কথা বলে কোনো উপকার নেই, বরং এটা ক্ষতিকর।▪️ যে রুকইয়া করে জ্বিনে...
02/09/2026

▌ জ্বিনের সাথে কথা বলা হতে বিরত থাকুন।

▪️ জ্বিনের সাথে কথা বলে কোনো উপকার নেই, বরং এটা ক্ষতিকর।
▪️ যে রুকইয়া করে জ্বিনের সাথে কথা বলে, সে আসলে চিকিৎসায় অপারগ।
▪️ জ্বিনের সাথে কথা বললে শরীরের মস্তিষ্কের কোষ,ধমনি-শিরা, পাঁজর সব কিছুর ভয়ানক ক্ষতি হয়।
▪️ এতে আক্রান্ত ব্যক্তির উপর আরও কষ্ট আসে, কিন্তু সমাধান পাওয়া যায় না।
▪️অনেক সময় পরিবারও জ্বিনকে প্রশ্ন করে ভবিষ্যৎ, বিয়ে, সন্তান ইত্যাদি বিষয়ে যা আসলে গায়েবের কথা, এগুলো বিশ্বাস করা ভুল।

❗অনেক রাক্বি রুকইয়াহ বন্ধ করে,জ্বিনের সাথে কথা বলে, জ্বিন তার আয়াত পড়া বন্ধ করে পট পট করে, আর শয়তান সুকৌশলে রুগিকে সেভ করে নিজে জিম্মায় নিয়ে টিকিয়ে থাকে । রাক্বী ভন্ড নিজে মনে করে জ্বিন তার কথা শুনে। আসলে এই সকল রুগি একটাও ভালো হয়নি এই পর্যন্ত। জ্বিন মনে করে এতো ভন্ড কোরআন আয়াত পড়া বন্ধ করে আমার সাথে কথা বলে তার হাতে কোরআন থাকতে। জ্বিনের সাথে কথা বলে সে সঠিক তথ্য দেয়, সেটার প্রমান কি, হয় আপনি জ্বিন সাধক, কুফরি করলে আপনার পোষা জ্বিন থেকে রুগির জ্বিনের তথ্য নেন। আপনার কাজ হলো অত্যাচারী জ্বিন তাড়িয়ে দেওয়া।

ভালো হয়ে যান লাথি খাওয়া আগে। একটা কুফরি জ্বিন কে বিশ্বাস করেন, যে কিনা বছর পর বছর রুগি কে কষ্ট দেয়।আপনি তার সাথে কথা বলে নেগোসিয়েশন করেন বাটপারি ছাড়েন। জাদুকর কোথাকার ভন্ড।

নোট: যে রুকইয়াহ মাঝপথে বন্ধ রুগির জ্বিনের সাথে কথা সে আসলে, জ্বিন সাধক, এবং জ্বিন দিয়ে চিকিৎসা করে, সে তার জ্বিন ও রুগির জ্বিনের সাথে নেগোসিয়েশন করে চুক্তি করে রুগি ভালো করার জন্য আসলে তার রুকইয়াহ ভরসা নাই ( এটা টাটকা শয়তান ভন্ড কুফরি জাদুকর রাক্বী নিসন্দেহে।

| শেয়ার করুন মানুষকে সাহায্য করুন |

𝗦𝘂𝗻𝗻𝗮𝗛𝗲𝗮𝗹𝗶𝗻𝗴 𝗕𝗗 ⦿

02/09/2026

"যে ব্যক্তি চন্দ্র মাসের ১৭, ১৯ অথবা ২১ তারিখে হিজামা করবে, তা তার জন্য সকল রোগের প্রতিষেধক হবে।"
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৮৬১.

একজন নিকট আত্বীয়ার  খুব ইয়াং বয়সেই দুটো কিডনি পুরোপুরি ড্যামেজ হয়ে গেছে।ফিন্যান্সিয়াল প্রব্লেমের পাশাপাশি শারীরিক আরো প্...
31/08/2026

একজন নিকট আত্বীয়ার খুব ইয়াং বয়সেই দুটো কিডনি পুরোপুরি ড্যামেজ হয়ে গেছে।

ফিন্যান্সিয়াল প্রব্লেমের পাশাপাশি শারীরিক আরো প্রব্লেম আছে যে কারণে ডাক্তার বলে দিয়েছে এভাবেই যে কয়দিন আল্লাহ হায়াত রেখেছে..!!

বয়স কতই বা হবে??

৪০-৪৫ এর মধ্যে বা তার ও কম।

তার মেয়েটা আমার ছোট বোনের বয়সী

এখনো বুঝেই না মা ছাড়া এই স্বার্থপর দুনিয়া কত কঠিন,ভয়ংকর, নিষ্ঠুর...!!

এই যে আপনারা সামান্য কিছু হলেই ঠাস করে হেভি ডোজের মেডিসিন নেন -

ফার্মেসী ওয়ালার পরামর্শে অযাচিতভাবে এন্টিবায়োটিক, NSAID গ্রুপের মেডিসিন নেন।

এগুলো শুধু সাময়িকভাবে কিছু উপসর্গ কমিয়ে জাস্ট সাময়িক রিলিফ দেয়।

But believe me, এই ব্যাথার মেডিসিন,গ্যাসের ট্যাবলেট এগুলো শেষ পর্যন্ত আপনার কিডনি কে ড্যামেজ করে ছাড়ে।

তাই,মেডিসিনের উপর ডিপেন্ডেন্সি কমিয়ে আনুন প্লিজ।

মেডিসিন নিতে হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিন,ডোজ কমপ্লিট করুন।

মেডিসিনের ডিপেন্ডেন্সি কমাতে অল্টারনেটিভ ট্রিটমেন্ট গুলোর দিকে ফোকাস করুন,হেলদি লাইফস্টাইল ফলো করুন,রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।

🌙 হিজামার সুন্নাহ তারিখ: আরবি মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ 📅📅 আপনি হয়তো জানেন, আরবি মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ হিজামা করার জন্য বিশেষভ...
30/08/2026

🌙 হিজামার সুন্নাহ তারিখ: আরবি মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ 📅

📅 আপনি হয়তো জানেন, আরবি মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ হিজামা করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত সুন্নাহ তারিখ। কিন্তু এই দিনগুলোতে হিজামা করার বিশেষত্ব সম্পর্কে কি জানেন?

📖 রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি আরবি মাসের ১৭, ১৯ অথবা ২১ তারিখে হিজামা করবে, তা অনেক রোগের জন্য উপকারী হবে।”

🧭 কেন এই দিনগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়?

📍কিছু গবেষক ও চিকিৎসাবিদ এ বিষয়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, চাঁদের বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে। তবে মানবদেহে চাঁদের প্রভাব ও নির্দিষ্ট দিনে হিজামার অতিরিক্ত কার্যকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো সীমিত।
🤍 একজন মুমিন হিসেবে আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রাসুলুল্লাহ ﷺ যে বিষয়কে উত্তম ও কল্যাণকর হিসেবে শিক্ষা দিয়েছেন, তাকে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ তাঁর প্রতিটি নির্দেশনার মধ্যেই রয়েছে আমাদের জন্য কল্যাণ।
✨ সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা ও সুস্থতার যত্ন—দুটোই হোক আমাদের জীবনের অংশ ❤️

দুশ্চিন্তা সকল রোগের মূল কারণ⁉️
19/08/2026

দুশ্চিন্তা সকল রোগের মূল কারণ⁉️



একটা মাত্র গুণ থাকলে আল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে আপনার সাথে সুসংবাদ পাঠানবিপদে পড়লে মানুষ কী করে, একটু ভাবুন। প্রতিবেশী এসে সম...
17/08/2026

একটা মাত্র গুণ থাকলে আল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে আপনার সাথে সুসংবাদ পাঠান

বিপদে পড়লে মানুষ কী করে, একটু ভাবুন। প্রতিবেশী এসে সমবেদনা জানায়, বন্ধুরা ফোন করে সান্ত্বনা দেয়, আত্মীয়রা উপদেশ দেয় — ধৈর্য ধরো, সব ঠিক হয়ে যাবে। এই সহানুভূতিগুলো মূল্যবান, কিন্তু এগুলো তো মানুষের পক্ষ থেকে আসে। মানুষ ভুল করতে পারে, ভুলে যেতে পারে, দূরে সরে যেতে পারে।

কিন্তু কুরআনে এমন একটা দলের কথা বলা হয়েছে, যাদের কাছে বিপদের মুহূর্তে সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ পৌঁছায় — মানুষের মধ্যস্থতা ছাড়া, সরাসরি স্রষ্টার কাছ থেকে। এই দলটা কারা, আর কীভাবে এই সুসংবাদ তাদের কাছে পৌঁছায়, আয়াতগুলো একটু গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখুন —

وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ۞ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ۞ أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ

উচ্চারণ: ওয়া লানাবলুয়ান্নাকুম বিশাইয়িম মিনাল খাওফি ওয়াল জু'ই ওয়া নাকসিম মিনাল আমওয়ালি ওয়াল আনফুসি ওয়াস সামারাত, ওয়া বাশশিরিস সাবিরিন। আল্লাজিনা ইজা আসাবাতহুম মুসিবাতুন কালু ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। উলাইকা আলাইহিম সালাওয়াতুম মির রাব্বিহিম ওয়া রাহমাহ, ওয়া উলাইকা হুমুল মুহতাদুন।

অর্থ: আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পদ, প্রাণ ও ফলফসলের ক্ষতির মাধ্যমে। আর সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের — যাদের ওপর কোনো বিপদ আসলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। তাদের ওপরই তাদের রবের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ ও রহমত বর্ষিত হয়, আর তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত। (সূরা বাকারা, আয়াত ১৫৫-১৫৭)

তিনটা আয়াত, তিনটা ধাপ। একটা একটা করে দেখুন।

প্রথম আয়াতে আল্লাহ একটা কঠিন সত্য ঘোষণা করছেন — পরীক্ষা আসবেই। ভয়, ক্ষুধা, সম্পদহানি, প্রিয়জনের মৃত্যু, ফসলের ক্ষতি — এই পাঁচটা ধরনের বিপদের কথা বলা হয়েছে, যেগুলো একজন মানুষের জীবনের প্রায় সব ধরনের কষ্টকে ঢেকে ফেলে। খেয়াল করুন, আল্লাহ বলেননি "যদি পরীক্ষা আসে," বলেছেন "অবশ্যই পরীক্ষা করব।" অর্থাৎ এই দুনিয়ায় বিপদ আসাটা ব্যতিক্রম নয়, নিয়ম। কিন্তু ঠিক এই কঠিন ঘোষণার পরপরই আসে এক আশ্চর্য নির্দেশ — "সুসংবাদ দাও সাবিরিনদের," ধৈর্যশীলদের। কষ্টের ঘোষণার সাথে সাথেই সুসংবাদের প্রতিশ্রুতি — এই সংযুক্তিটাই বলে দেয়, বিপদ আর সুসংবাদ একসাথেই আসে, একটা আরেকটার বিপরীত নয়।

দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ সেই "সাবিরিন" বা ধৈর্যশীলদের চিহ্নিত করে দিলেন — কারা তারা। এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধৈর্যশীল হওয়ার সংজ্ঞা কী? চোখের পানি না ফেলা? কষ্ট প্রকাশ না করা? না। আল্লাহ বললেন — যাদের ওপর বিপদ এলে তারা বলে "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন," নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য, আর নিশ্চয়ই তাঁরই কাছে ফিরে যাব। এই একটা বাক্যের ভেতরে দুইটা স্বীকারোক্তি লুকানো। প্রথম — আমি নিজেও, আমার সম্পদও, আমার প্রিয়জনও — সবকিছুই মূলত আল্লাহর, আমার মালিকানা কখনো সম্পূর্ণ ছিল না। দ্বিতীয় — একদিন সবকিছু তাঁরই কাছে ফিরে যাবে, এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। যে অন্তর এই দুইটা সত্য মেনে নিয়ে বিপদের মুখোমুখি হয়, তার কান্না থাকলেও ভাঙন থাকে না।

তৃতীয় আয়াতে আসে সেই বহুল আকাঙ্ক্ষিত সুসংবাদটা নিজেই। "আলাইহিম সালাওয়াতুম মির রাব্বিহিম ওয়া রাহমাহ" — তাদের ওপর তাদের রবের পক্ষ থেকে সালাওয়াত (বিশেষ অনুগ্রহ ও প্রশংসা) এবং রহমত বর্ষিত হয়। আলিমগণ ব্যাখ্যা করেছেন, এখানে "সালাওয়াত" মানে আল্লাহ ফেরেশতাদের মজলিসে তাঁর বান্দার প্রশংসা করেন। ভাবুন এই দৃশ্যটা — একজন মানুষ একা ঘরে বসে বিপদের মুহূর্তে "ইন্না লিল্লাহি" বলছেন, আর ঠিক তখনই ঊর্ধ্বজগতে ফেরেশতাদের সামনে তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে প্রশংসার সাথে। এটাই সেই ব্যক্তিগত সুসংবাদ, যা কোনো মানুষ পৌঁছে দিতে পারে না — শুধু আল্লাহই পৌঁছান।

আর আয়াতের শেষ শব্দটাও গভীর — "উলাইকা হুমুল মুহতাদুন," তারাই প্রকৃত হিদায়াতপ্রাপ্ত। ভাবুন, হিদায়াতের সংজ্ঞা এখানে শুধু সঠিক আকিদা বা সঠিক আমল নয় — হিদায়াত মানে বিপদের মুহূর্তে সঠিক প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতা। যে মানুষ নামাজ-রোজায় নিয়মিত, কিন্তু বিপদে ভেঙে পড়ে আল্লাহকে দোষারোপ করেন, আর যে মানুষ বিপদেও "ইন্না লিল্লাহি" বলে স্থির থাকেন — দ্বিতীয়জনকেই আল্লাহ বলছেন প্রকৃত হিদায়াতপ্রাপ্ত।

এখন নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকান। শেষ কবে আপনার জীবনে একটা বিপদ এসেছিল? সেই মুহূর্তে আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়াটা কী ছিল? হতাশা, রাগ, "কেন আমার সাথেই এমন হলো" — এই প্রশ্ন, নাকি সেই দুইটা স্বীকারোক্তি — আমি আল্লাহরই, আর তাঁরই কাছে ফিরে যাব? এই একটা মুহূর্তের প্রতিক্রিয়াই বলে দেয়, আপনি সেই বিশেষ সুসংবাদপ্রাপ্ত দলে আছেন কি না।

আজকের জীবনে এই শিক্ষা কাজে লাগানোর একটা সহজ অনুশীলন দিই। "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটা আজ থেকে শুধু কারো মৃত্যুর সংবাদে বলার জন্য তুলে রাখবেন না। মোবাইল হাত থেকে পড়ে স্ক্রিন ভেঙে গেলে, বাজারে কিছু হারিয়ে গেলে, ছোট কোনো ক্ষতির মুখোমুখি হলে — সেখানেও এই বাক্যটা অভ্যাস করুন। ছোট ছোট বিপদে এই বাক্যের অনুশীলন করলে বড় বিপদের সময় এটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুখে আসবে, আর অন্তরে সেই দুইটা স্বীকারোক্তির গভীরতাও ধীরে ধীরে জমতে থাকবে।

সবরের এই প্রকৃত সংজ্ঞা, বিপদের মুহূর্তে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর করার এই কৌশল, আর কীভাবে প্রতিটা কঠিন মুহূর্তকেই আল্লাহর নৈকট্যের একটা সুযোগে রূপান্তরিত করা যায় — এই গভীর বিষয়গুলো নিয়েই শায়খ উসামা আল-শুরাফা তাঁর কালজয়ী বইয়ে অসাধারণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বইটা পড়ার পর বিপদের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই বদলে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

বইটির নাম: আখিরাতের ম্যানুয়াল — প্রত্যেক মুসলিমের সুখময় আখিরাতের পথনির্দেশিকা

16/08/2026

🫘 কিডনির সমস্যায় হিজামা—কীভাবে কাজ করতে পারে?

📍কিডনি আমাদের শরীর থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি বের করে এবং শরীরের বিভিন্ন ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই কিডনির কোনো সমস্যা হলে অবহেলা না করে সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি।

🩸 হিজামা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা:👇

📍হিজামা একটি complementary therapy হিসেবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে শরীরের টান, ব্যথা বা সামগ্রিক স্বস্তিতে সহায়ক মনে হতে পারে। তবে বর্তমানে এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই যে হিজামা কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়ায়, কিডনি থেকে “বিষাক্ত পদার্থ” বের করে দেয় বা কিডনি রোগের চিকিৎসা/ডায়ালাইসিসের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

⚠️ বিশেষ সতর্কতা:
কিডনি রোগী, বিশেষ করে ডায়ালাইসিসে থাকা ব্যক্তি, রক্তস্বল্পতা থাকা রোগী, রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবনকারী বা গুরুতর কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হিজামা করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নিজের চলমান চিকিৎসা বা ওষুধ বন্ধ করে হিজামা করা উচিত নয়।

🩺 স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা:
কিডনি সুস্থ রাখতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🤍 আল্লাহ আপনাকে এমন মানুষদের দ্বারা ঘিরে রাখুন, যাদের নিয়ত আপনার জন্য পবিত্র ও সুন্দর।যারা আপনাকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসবে,...
15/08/2026

🤍 আল্লাহ আপনাকে এমন মানুষদের দ্বারা ঘিরে রাখুন, যাদের নিয়ত আপনার জন্য পবিত্র ও সুন্দর।
যারা আপনাকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসবে, আপনার যত্ন নেবে এবং আপনার দীন ও দুনিয়ার কল্যাণ চাইবে। 🖤
আর আল্লাহ আপনাকে এমন মানুষদের সঙ্গ দান করুন, যারা আপনার অনুপস্থিতিতেও আপনার জন্য দোয়া করে।
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন। 🤲🏻
#দোয়া #আল্লাহর_রহমত ্গ #দীন_ও_দুনিয়া #ইসলামিক_পোস্ট

মাথাব্যথা কি বারবার একই জায়গায় হচ্ছে?মাইগ্রেনের ব্যথা সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। কারও কপালে, কারও মাথার এক পাশে, কারও...
14/08/2026

মাথাব্যথা কি বারবার একই জায়গায় হচ্ছে?

মাইগ্রেনের ব্যথা সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। কারও কপালে, কারও মাথার এক পাশে, কারও ঘাড় থেকে শুরু হয়, আবার কারও পুরো মাথাজুড়ে ব্যথা অনুভূত হয়।

বারবার মাথাব্যথা হলে শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট না করে কারণ নির্ণয় করা জরুরি। সঠিক চিকিৎসা নিলে মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আপনার মাথার ব্যথা সাধারণত কোথায় হয়?
💬 কমেন্টে জানিয়ে দিন...

📌📌যার ডাইজেস্টিভ /পরিপাকতন্ত্র যত ভালোভাবে কাজ করে,তার ইমিউন সিস্টেম তত ভালো।♦️গুড ডাইজেশন খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ ...
13/08/2026

📌📌যার ডাইজেস্টিভ /পরিপাকতন্ত্র যত ভালোভাবে কাজ করে,তার ইমিউন সিস্টেম তত ভালো।

♦️গুড ডাইজেশন খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা যন্ত্রণাদায়ক/উত্তেজক এবং এলার্জেন উপাদান প্রশমন করে।
♦️ মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে আমার ওজন কে নিয়ন্ত্রণ করে।

ডাইজেশন সিস্টেম কিন্তু আমাদের ব্রেইন এর সাথেও কানেক্টেড। আমাদের মেন্টাল হেলথ কে সুস্থ রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।খেয়াল করে দেখবেন এংজাইটি, ডিপ্রেশন পেশেন্টদের খাবার হজমের গন্ডগোল রয়েছে,
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে।

🔥🔥এক্ষেত্রে হিজামা খুবই চমৎকার কাজ করে।

হিজামা পাচনতন্ত্রের চর্বি জমা ভাঙ্গাতে, স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করতে, মানসিক বাধা দূর করতে, অবরুদ্ধ কোলন পরিষ্কার করার পাশাপাশি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নীত করতে সাহায্য করে।

হিজামা রক্ত ​​​​প্রবাহ বাড়িয়ে দেয় যা লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম কে উন্নত করে যা নিরাময় এবং মেরামতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
কাপিং এরিয়াতে প্রচুর পরিমানে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বিশুদ্ধ রক্ত প্রবাহিত হয় যা প্লাটিলেট বাড়িয়ে দেয় এবং হজমের জন্য দায়ী ফ্যাক্টরের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।
এভাবে অর্গান কে সুস্থ করে তুলে।
হিজামা পরিপাকতন্ত্রের সংকোচন -প্রসারন বাড়িয়ে দেয়,প্যানক্রিয়াটিড জুসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে ডাইজেস্টিভ সিস্টেম কে উন্নত করে।

Address

Dhaka City
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Women's Care Hijama Treatment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share