Quranic Ayat Tadbeer centre

Quranic Ayat Tadbeer centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quranic Ayat Tadbeer centre, Alternative & holistic health service, House 13, Road 01, Dhaka Udyan, Mohammadpur, 1207 Dhaka, Bangladesh, Dhaka.

রমজানে(রমাদানে) শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়, তাহলে যাদু কীভাবে কাজ করে?রমজান মাসে শয়তানকে শিকলবন্দি করা হয় – এটা সহীহ হাদী...
19/02/2026

রমজানে(রমাদানে) শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়, তাহলে যাদু কীভাবে কাজ করে?
রমজান মাসে শয়তানকে শিকলবন্দি করা হয় – এটা সহীহ হাদীসে স্পষ্ট। তাহলে প্রশ্ন উঠে:
রমজানে যাদু/জিনের আছর কেন চলতে থাকে?
শয়তান বন্দি হলে মানুষের উপর যাদুর প্রভাব কেন থাকে?
রমজানে অসুস্থতা, ঝগড়া, রিজিক বন্ধ বা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখা যায় কেন?
এগুলো অনেক সময় খবিস জিন বা পূর্ব-নির্ধারিত যাদুর আছরের লক্ষণ, যা রমজানেও কাজ করে।
কুরআন-হাদীসে এই বিষয়ের ব্যাখ্যা
আল্লাহ তা’আলা বলেন (সূরা কাহফ: ৫০):
﴿وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ ۗ أَفَتَتَّخِذُونَهُ وَذُرِّيَّتَهُ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِي وَهُمْ لَكُمْ عَدُوٌّ ۚ بِئْسَ لِلظَّالِمِينَ بَدَلًا﴾
“আর যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, আদমকে সিজদা করো, তখন তারা সিজদা করল ইবলীস ছাড়া। সে ছিল জিনদের একজন, সে তার রবের আদেশ অমান্য করল। তবে কি তোমরা আমার পরিবর্তে তাকে ও তার বংশধরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে, অথচ তারা তোমাদের শত্রু? যালিমদের জন্য কত নিকৃষ্ট বিনিময়!”
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ»
“যখন রমজান আসে, জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়।” (সহীহ বুখারী: ১৮৯৯, সহীহ মুসলিম: ১০৭৯)
আলেম ও সালাফদের ব্যাখ্যা
ইবনে হাজার আল-আসকালানী রহ. (ফাতহুল বারী) বলেন:
“রমজানে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয় মানে তাদের ক্ষমতা কমে যায়, কিন্তু সব শয়তান বন্দি হয় না। যারা যাদুকরদের সাথে কাজ করে বা যাদুতে বসানো হয়েছে, তারা বন্দি হয় না।”
ইবনে রজব আল-হাম্বলী রহ. (লাতাইফুল মা’আরিফ) বলেন:
“শয়তান বন্দি হলেও যাদু যদি রমজানের আগে করা হয়ে থাকে, তাহলে তার প্রভাব অব্যাহত থাকে। এছাড়া মানুষের নফস ও পাপাচার যাদুকে শক্তি দেয়।”
ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. (মাজমূ’ ফাতাওয়া) বলেন:
“জিন জাতির মধ্যে অনেক প্রকার আছে। ইবলীসের অনুসারী কিছু শয়তান বন্দি হয়, কিন্তু যাদুকরদের সাথে চুক্তিবদ্ধ জিন বা খবিস জিনের অনেকগুলো মুক্ত থাকে এবং কাজ করে।”
উদাহরণস্বরূপ: আপনার দেওয়া উদাহরণের মতো – জিন জাতির মধ্যে অনেক প্রকার আছে (ইফরিত, মারিদ, শয়তান, জান, গুল, আওয়ামির, হুয়ান, কারিন, খান্নাস, হিন, সিলাত, পালিস, যাহুম, নাসনাস, শিক ইত্যাদি)। এদের মধ্যে দু’এক প্রজাতির জিন ইবলীসের অনুসারী, তারা বন্দি। বাকিরা মাঠে আছে – যেমন নির্বাচনের সময় বড় নেতারা জেলে থাকলে বাকিরা মাঠে নেমে কুকর্ম করে।
যাদুর লক্ষণসমূহ (রমজানেও দেখা যায়)
অকারণ শারীরিক অসুস্থতা বা ঔষধের কার্যকারিতা না হওয়া
পরিবারে অকারণ ঝগড়া, বিচ্ছেদ বা রিজিক বন্ধ হয়ে যাওয়া
ভয়ঙ্কর স্বপ্ন বা শয়তান দেখা
ইবাদতে অলসতা, কুরআন শুনলে অস্বস্তি বা রাগ হওয়া
শরীরে অদ্ভুত জ্বালা, দাগ বা দুর্বলতা অনুভব করা
শারঈ মুক্তির উপায় (রমজানে বিশেষ জোর দিয়ে)
১. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা আয়াতুল কুরসি + সূরা ফালাক + সূরা নাস ৭ বার পড়ে নিজের ও পরিবারের উপর ফুঁ দিন।
২. ঘুমানোর আগে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়ে ফুঁ দিন (বালিশের নিচে বা বিছানার চারপাশে)।
৩. রুকইয়াহ পানি তৈরি করে পান করুন এবং গোসল করুন।
৪. ঘরে প্রতিদিন সূরা বাকারা পূর্ণ পাঠ করুন বা অডিও চালিয়ে দিন (শয়তান পালিয়ে যায়)।
৫. হারাম কনটেন্ট, অশ্লীলতা ও পাপ থেকে দূরে থাকুন – এগুলো যাদু ও জিনকে শক্তি দেয়।
৬. নিয়মিত সাদাকা দিন, তওবা করুন এবং কুরআন তিলাওয়াত বাড়ান।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: লক্ষণ দেখা গেলে অবিলম্বে রুকইয়াহ শুরু করুন। তাবিজ-কবজ, ঝাড়ফুঁক বা জাদুকরের কাছে যাওয়া থেকে দূরে থাকুন – এটা শিরক ও কুফর। সমাধান শুধু কুরআন ও সুন্নাহতে।

📞 রুকইয়াহ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে যোগাযোগ করুন

+8801716- 786214 (WhatsApp)

Quranic Ayat Tadbeer centre , দেবত্তর বাজার, পাবনা।
আল্লাহ রমজানে আমাদের যাদু, জিন ও শয়তানের সব আছর থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 💚
#রমজান #শয়তান_বন্দি #যাদু_জিন #রুকইয়াহ

এগুলো কী জানেন, জানলে আপনিও অবাক হবেন.?😭 সম্প্রতি বিদেশে মাটির নিচ থেকে (Scrubbing/Digging করার সময়) উদ্ধার হওয়া এই পুতু...
16/02/2026

এগুলো কী জানেন, জানলে আপনিও অবাক হবেন.?😭

সম্প্রতি বিদেশে মাটির নিচ থেকে (Scrubbing/Digging করার সময়) উদ্ধার হওয়া এই পুতুলগুলো দেখুন। এগুলো কোনো সাধারণ খেলনা নয়, বরং বশীকরণ বা কুফরি জাদুর একটি ভয়ংকর নিদর্শন।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি নারী ও পুরুষ পুতুলকে লোহার চেইন এবং তার দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। জাদুকররা সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো দম্পতির মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে কিংবা কাউকে অবৈধভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে (বশীকরণ) আনার জন্য এমন জঘন্য কাজ করে থাকে। অনেক সময় পুতুলের গায়ে সুঁই ফোটানো বা নোংরা জিনিস মাখিয়ে জিনদের মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেওয়া হয়।

আপনার চারপাশে যদি এমন কোনো সন্দেহভাজন জিনিস (তাবিজে মোড়ানো পুতুল, হাড়, গিঁট দেওয়া সুতা) খুঁজে পান, তবে ঘাবড়াবেন না। অযু করে বিসমিল্লাহ বলে 'আয়াতুল কুরসি' এবং 'ফলাক-নাস' পড়ে সেগুলো খুলে ফেলুন বা লবণ মিশ্রিত পানিতে চুবিয়ে ধ্বংস করে ফেলুন।

এরকম সমস্যা নিজেদের মধ্যে হলে প্রথমেই একজন অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করুন। ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কী না।

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে বিচ্ছেদের জাদু করা হলে সব থেকে বেশি যেই লক্ষণ দেখা যায় তা হলো, স্বামী স্ত্রী কাছাকাছি আসলে খুব বেশি ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি অনেক কিছুই হয় কিন্তু দূরে চলে গেলে আবার ভালোবাসা কাজ করে।

আজ ঘরে ঘরে বিচ্ছেদের জাদুর প্রভাবে আমাদের সংসারগুলোতে অশান্তি, ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকে। এক পর্যায়ে তো বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। প্রতিনিয়ত এরকম স্বামী স্ত্রী ডিভোর্স দিবে কেস অনেক বেশিই আসে। পরে ডায়াগনোসিস করলে ধরা পরে বিচ্ছেদের জাদুর সমস্যা।

আপনি যদি এরকম সমস্যার সম্মুখীন হোন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে চেক করুন সমস্যা আসলে কী.? জ্বী*ন যা*দু বা বদনজরের কোনো ইফেক্ট আছে কি না, তা নিশ্চিত হোন।

ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে এখন ই যোগাযোগ করুন

কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক
(রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে বিচ্ছেদের জাদু করা হলে সব থেকে বেশি যেই লক্ষণ দেখা যায় তা হলো, স্বামী স্ত্রী কাছাকাছি আসলে খুব ...
15/02/2026

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে বিচ্ছেদের জাদু করা হলে সব থেকে বেশি যেই লক্ষণ দেখা যায় তা হলো, স্বামী স্ত্রী কাছাকাছি আসলে খুব বেশি ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি অনেক কিছুই হয় কিন্তু দূরে চলে গেলে আবার ভালোবাসা কাজ করে।

আজ ঘরে ঘরে বিচ্ছেদের জাদুর প্রভাবে আমাদের সংসারগুলোতে অশান্তি, ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকে। এক পর্যায়ে তো বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। প্রতিনিয়ত এরকম স্বামী স্ত্রী ডিভোর্স দিবে কেস অনেক বেশিই আসে। পরে ডায়াগনোসিস করলে ধরা পরে বিচ্ছেদের জাদুর সমস্যা।

আপনি যদি এরকম সমস্যার সম্মুখীন হোন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে চেক করুন সমস্যা আসলে কী.? জ্বী*ন যা*দু বা বদনজরের কোনো ইফেক্ট আছে কি না, তা নিশ্চিত হোন।

ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে

কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক
(রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭

05/01/2026

আশিক (আশেক) জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত কিনা — লক্ষণসমূহ যাচাই করুন

আশিক জ্বিন কী

আশিক বা লাভার জ্বিন হলো সেই জ্বিন,
যারা নারী বা পুরুষকে শারীরিক, মানসিক অথবা উভয়ভাবেই পছন্দ করে।

এই ধরনের জ্বিন
নিজেদের কুপ্রবৃত্তি পূরণের জন্য
মানুষের শরীরে অবস্থান করে
তাদেরকে কষ্ট দেয়, লাঞ্ছিত করে
এবং হারাম কাজে প্রলুব্ধ করে।

সহজ ভাষায়—
রোগীর শরীরে অবস্থান করে
জ্বিন নিজেই ব্যভিচারে লিপ্ত হয়
এবং ভিকটিমকে বাধ্য বা প্রভাবিত করে।

---
যেসব লক্ষণ দেখে বোঝা যায় আশিক জ্বিনের প্রভাব থাকতে পারে

১. ঘুম ও স্বপ্নসংক্রান্ত লক্ষণ

• ঘন ঘন স্বপ্নদোষ হওয়া (নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে)
• স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত যৌন স্বপ্ন
• ঘুমের মধ্যে বাস্তব অনুভূতির মতো অভিজ্ঞতা

---

২. ঘুমের সময় শরীর অবশ হয়ে যাওয়া

• জেগে থেকেও নড়াচড়া করতে না পারা
• হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া
• কথা বলা বা কাউকে ডাকতে অক্ষম হওয়া
• উপস্থিতি বা চাপ অনুভব হলেও প্রতিরোধ করতে না পারা

---

৩. জাগ্রত অবস্থায় অস্বাভাবিক অনুভূতি

• জ্বিনের উপস্থিতি অনুভব হওয়া
• কখনো দেখা, কখনো না দেখা
• বিষয়টি অনেক সময় হেলুসিনেশনের মতো মনে হওয়া

---

৪. শরীরে অকারণ দাগ বা যন্ত্রণা

(বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে)

• লাল দাগ
• আঁচড়, খামচি বা কামড়ের মতো চিহ্ন
• গলা, ঘাড়, পিঠ বা লজ্জাস্থানে দাগ
• লজ্জাস্থানে ব্যথা বা ফোলা
• মাসিক অনিয়ম বা অস্বাভাবিক রক্তপাত

---

৫. ঘুমের সময় বারবার অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা

• ঘুমানোর সাথে সাথে অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা
• বাস্তবতা অনুভব হলেও কাউকে দেখা না যাওয়া
• প্রতিবাদ করার শক্তি না থাকা

---

৬. মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তন

• স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া
• খাওয়ার অনীহা
• অল্পতেই রেগে যাওয়া
• মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
• অলসতা বৃদ্ধি পাওয়া

---

৭. সামাজিক বিচ্ছিন্নতা

• একাকী থাকতে পছন্দ করা
• আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাওয়া
• ঘরকুনো স্বভাব
• অগোছালো ও অপরিচ্ছন্নতা পছন্দ করা

---

৮. ইবাদাত ও দ্বীনি কাজে অনীহা

• নামাজ, জিকিরে মন না বসা
• কুরআন তিলাওয়াতে অস্বস্তি
• দ্বীনি পরিবেশ এড়িয়ে চলা

---

৯. সম্পর্কগত সমস্যা

• বিবাহিত নারীদের স্বামীর প্রতি অনীহা
• স্বামী–স্ত্রীর দূরত্ব তৈরি হওয়া
• অবিবাহিতদের বিয়েতে অনাগ্রহ
• স্বাভাবিক দাম্পত্য আকর্ষণ নষ্ট হয়ে যাওয়া

---

১০. যৌন আচরণে অস্বাভাবিকতা

• হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত যৌন চাহিদা বৃদ্ধি
• সারাক্ষণ যৌন কল্পনায় ডুবে থাকা
• হস্তমৈথুনের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক
• পূর্ব অভ্যাস না থাকলেও হঠাৎ প্রবণতা বৃদ্ধি

---

১১. শারীরিক দুর্বলতা

• সহবাস বা স্বপ্নদোষের পর অতিরিক্ত দুর্বলতা
• শরীর শুকিয়ে যাওয়া
• অকারণ ব্যথা অনুভব করা

---

১২. আকর্ষণ ও বিকর্ষণের পরিবর্তন

• আক্রান্ত নারীদের পুরুষদের প্রতি অনীহা
• আক্রান্ত পুরুষদের নারীদের প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণ বা দ্বন্দ্ব
• স্বাভাবিক প্রবৃত্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়া

---

১৩. দীর্ঘস্থায়ী কল্পনা ও আসক্তি

• সবসময় যৌন বিষয় কল্পনা করা
• পর্নো আসক্তি বৃদ্ধি
• বিকৃত চিন্তার প্রবণতা

28/12/2025
রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!১. সুদ :যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন,সেখানে কখনো বারকাহ আসত...
28/12/2025

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!

১. সুদ :
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন,
সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না ৷
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ - "আল্লাহ ও তাঁর

রাসূলের পক্ষ থেকে যু/দ্ধের ঘোষণা। ”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে
তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ - "কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব,
অকৃতজ্ঞ হলে শা/স্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক
কে/টে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
হাদিস: "যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার
সম্পর্ক বজায় রাখে।”- বুখারি ২৯৮৬ -

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে,
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাবডেকে আনে।
হাদিস: "যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।
মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান-সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের
বারকাহ কমে যায় ৷
হাদিস: "রিযিক সালাতে আছে।”
সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত :
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ
জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়৷
হাদিস: "যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে,
সে জান্নাতে যাবে না।"– মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায়
এবং ধ্বং/স হতে থাকে।
সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের
হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
হাদিস: "মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ
করো।" ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো: এতেসম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে
না-সে শেষ পর্যন্ত কম পায় ৷
হাদিস: "মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়,
তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” – বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা-মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
হাদিস: "রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।"
- মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই,
বরং ধ্বং/স ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
হাদিস: "সদকা সম্পদ কমায় না।
-মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের
রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায়
করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ
বারকাহ পু/ড়ি/য়ে ফেলে।
বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে।
যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি :
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকেরদরজা বন্ধ করে দেয়।
হাদিস: "আল্লাহ্ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণকরেন।”
তিরমিজি ২৫১০

পোষ্টি ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন

পুতে রাখা জাদু কী? এর ক্ষতিকর দিকগুলো কী?অনেকেই “পুতে রাখা জাদু” সম্পর্কে ভয় পান।সংক্ষেপে—কেউ যদি খারাপ উদ্দেশ্যে কোনো ত...
28/12/2025

পুতে রাখা জাদু কী? এর ক্ষতিকর দিকগুলো কী?

অনেকেই “পুতে রাখা জাদু” সম্পর্কে ভয় পান।
সংক্ষেপে—কেউ যদি খারাপ উদ্দেশ্যে কোনো তাবিজ, কাগজ, গিঁট বা বস্তু মাটির নিচে বা লুকিয়ে রেখে ক্ষতি করতে চায়, তাকে পুতে রাখা জাদু বলা হয়।
ইসলামে এটি হারাম এবং বড় গুনাহ।

⚠️ এ ধরনের জাদুর ক্ষতিকর দিকগুলো—

🔸 মানুষকে ভয় ও আতঙ্কে রাখে
🔸 পরিবারে সন্দেহ–অবিশ্বাস তৈরি করে
🔸 কুসংস্কার ছড়িয়ে সমাজকে বিভ্রান্ত করে
🔸 মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে
🔸 শয়তানের প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে
🔸 জীবনের সাধারণ সমস্যাকে ‘জাদু’ ভেবে ভুল ধারণা তৈরি হয়

⭐ ইসলাম কী সমাধান দিয়েছে?

✔ আল্লাহর ওপর ভরসা
✔ সূরা ফালাক, সূরা নাস, আয়াতুল কুরসি পড়া
✔ নিয়মিত রুকিয়া করা
✔ কুসংস্কার এড়িয়ে শান্ত থাকা

📌 মনে রাখুন:

জাদু থাকুক বা না থাকুক—আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ এক চুলও ক্ষতি করতে পারে না।
হিফাজতের জন্য কোরআনই সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল।
সূরা বাকারাহ ১০২ — হারুত–মারুত ও গিঁটের জাদু

> “তারা এমন জিনিস শিখত যা স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে…”
— সূরা আল-বাকারা ২:১০২

এই আয়াতে বলা হয়েছে—

জাদু সত্য

জাদু মানুষকে ক্ষতি করতে পারে

জাদুকররা গোপনে (লুকিয়ে) বিভিন্ন কৌশলে জাদু করে
এটাই পুঁতে রাখা, বস্তুর মাধ্যমে বা গিঁট দিয়ে জাদুর মূল ভিত্তি।

📖 ২) সূরা আল-ফালাক — গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া জাদুকর

> “গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া (السَّاحِرَاتِ في العُقَدِ) জাদুকরদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”
— সূরা ফালাক ১১২:৪

✔ এখানে “গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া” বলতে
জাদুকররা তাবিজ, কাগজ, দড়ি, কাঁচি, সুতো ইত্যাদিতে গোপনে গিঁট বেঁধে বা লুকিয়ে রেখে জাদু করত।
গিঁট বেঁধে তা লুকিয়ে রাখা (মাটিতে/ঘরে)—এটাই পুতে রাখা জাদুর সাথে মিলে যায়।

📖 ৩) তাবিজ, ঝাড়ফুঁক ও শিরক বিষয়ে হাদিস

হাদিস ১: তাবিজ হারাম

রাসুল (সা.) বলেছেন—

> “যে তাবিজ ঝুলায়, সে শিরকের পথে যায়।”
— মুসনাদ আহমদ, সহিহ

তাবিজ সাধারণত লুকিয়ে, মাটিতে বা ঘরের চারদিকে রেখে জাদুর অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হত।

হাদিস ২: লুকানো জাদু খুঁজে বের করা

নবী (সা.)-এর ওপর যখন লাবীদ ইবন আ‘সাম জাদু করেছিল—সেই জাদু একটি চিরুনির দাঁত, চুল ও সুতো দিয়ে গিঁট করে একটি কূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

সহিহ বুখারিতে বর্ণিত—

> “জাদুটি একটি খেজুরের নরম অংশে পেঁচিয়ে কূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।”
— সহিহ বুখারি, হাদিস ৩২৬৮; ৫৭৬৩

এটাই সরাসরি লুকিয়ে রাখা / পুঁতে রাখা জাদুর স্পষ্ট প্রমাণ।

📖 ৪) জাদু করা শয়তানের কাজ

> “যাদু শিখলে আল্লাহর পথে তার কোনো অংশ থাকে না।”
— সূরা বাকারাহ ২:১০২

📖 ৫) রুকিয়া দ্বারা জাদুর চিকিৎসা

রাসুল (সা.) জাদুর সময়

সূরা ফালাক

সূরা নাস
পড়ে রুকিয়া করেছিলেন (সহিহ বুখারি ৫৭৬৫)।

এ থেকে বোঝা যায়—
জাদু থাকতে পারে, লুকিয়ে রাখা হতে পারে, এবং এর চিকিৎসাও বৈধ।

📌 সংক্ষেপে প্রমাণসমূহ (সহজ ভাষায়)

বিষয় কোরআন/হাদিসের রেফারেন্স

জাদু সত্য সূরা বাকারাহ ১০২
গিঁট বেঁধে লুকানো জাদু সূরা ফালাক ১১২:৪
নবীর ওপর লুকানো/পুঁতে রাখা জাদু সহিহ বুখারি ৫৭৬৩, ৩২৬৮
তাবিজ হারাম মুসনাদ আহমদ (সহিহ)
রুকিয়া দিয়ে জাদু নিরাময় সহিহ বুখারি ৫৭৬৫

সূরা বাকারাহ ১০২ — হারুত–মারুত ও গিঁটের জাদু

> “তারা এমন জিনিস শিখত যা স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে…”
— সূরা আল-বাকারা ২:১০২

এই আয়াতে বলা হয়েছে—

জাদু সত্য

জাদু মানুষকে ক্ষতি করতে পারে

জাদুকররা গোপনে (লুকিয়ে) বিভিন্ন কৌশলে জাদু করে
এটাই পুঁতে রাখা, বস্তুর মাধ্যমে বা গিঁট দিয়ে জাদুর মূল ভিত্তি।

📖 ২) সূরা আল-ফালাক — গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া জাদুকর

> “গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া (السَّاحِرَاتِ في العُقَدِ) জাদুকরদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”
— সূরা ফালাক ১১২:৪

✔ এখানে “গিঁটের ওপর ফুঁ দেওয়া” বলতে
জাদুকররা তাবিজ, কাগজ, দড়ি, কাঁচি, সুতো ইত্যাদিতে গোপনে গিঁট বেঁধে বা লুকিয়ে রেখে জাদু করত।
গিঁট বেঁধে তা লুকিয়ে রাখা (মাটিতে/ঘরে)—এটাই পুতে রাখা জাদুর সাথে মিলে যায়।

📖 ৩) তাবিজ, ঝাড়ফুঁক ও শিরক বিষয়ে হাদিস

হাদিস ১: তাবিজ হারাম

রাসুল (সা.) বলেছেন—

> “যে তাবিজ ঝুলায়, সে শিরকের পথে যায়।”
— মুসনাদ আহমদ, সহিহ

তাবিজ সাধারণত লুকিয়ে, মাটিতে বা ঘরের চারদিকে রেখে জাদুর অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হত।

হাদিস ২: লুকানো জাদু খুঁজে বের করা

নবী (সা.)-এর ওপর যখন লাবীদ ইবন আ‘সাম জাদু করেছিল—সেই জাদু একটি চিরুনির দাঁত, চুল ও সুতো দিয়ে গিঁট করে একটি কূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

সহিহ বুখারিতে বর্ণিত—

> “জাদুটি একটি খেজুরের নরম অংশে পেঁচিয়ে কূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।”
— সহিহ বুখারি, হাদিস ৩২৬৮; ৫৭৬৩

এটাই সরাসরি লুকিয়ে রাখা / পুঁতে রাখা জাদুর স্পষ্ট প্রমাণ।

---

📖 ৪) জাদু করা শয়তানের কাজ

> “যাদু শিখলে আল্লাহর পথে তার কোনো অংশ থাকে না।”
— সূরা বাকারাহ ২:১০২

---

📖 ৫) রুকিয়া দ্বারা জাদুর চিকিৎসা

রাসুল (সা.) জাদুর সময়

সূরা ফালাক

সূরা নাস
পড়ে রুকিয়া করেছিলেন (সহিহ বুখারি ৫৭৬৫)।

এ থেকে বোঝা যায়—
জাদু থাকতে পারে, লুকিয়ে রাখা হতে পারে, এবং এর চিকিৎসাও বৈধ।

---

📌 সংক্ষেপে প্রমাণসমূহ (সহজ ভাষায়)

বিষয় কোরআন/হাদিসের রেফারেন্স

জাদু সত্য সূরা বাকারাহ ১০২
গিঁট বেঁধে লুকানো জাদু সূরা ফালাক ১১২:৪
নবীর ওপর লুকানো/পুঁতে রাখা জাদু সহিহ বুখারি ৫৭৬৩, ৩২৬৮
তাবিজ হারাম মুসনাদ আহমদ (সহিহ)
রুকিয়া দিয়ে জাদু নিরাময় সহিহ বুখারি ৫৭৬৫

#কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক
(রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭
অফিস :☎️০১৭১৩-৭০৯৬০৫ Whatsapp

ভাই, অনেকেই এই প্রশ্নটা করে যে লাশ ধোয়ার পানি কেন কেউ কেউ সংগ্রহ করে রাখে। বিষয়টা আসলে যাদুর অন্ধকার জগতের সাথে জড়িত।...
27/12/2025

ভাই, অনেকেই এই প্রশ্নটা করে যে লাশ ধোয়ার পানি কেন কেউ কেউ সংগ্রহ করে রাখে। বিষয়টা আসলে যাদুর অন্ধকার জগতের সাথে জড়িত। আমি তো অনেক গল্প শুনেছি গ্রামের দিকে, যেখানে কালো জাদু বা টোনা টোটকার চর্চা এখনো চলে। সেখানে এই পানিকে খুব শক্তিশালী জিনিস মনে করা হয়।

দেখো, মানুষ যখন মারা যায়, তখন তার লাশ ধোয়ার জন্য পানি ব্যবহার করা হয়। সেই পানিতে লাশের স্পর্শ লাগে, কখনো কখনো তার শরীরের অংশ থেকে কিছু মিশে যায়। অনেক সংস্কৃতিতে, বিশেষ করে অকাল্ট বা কালো জাদুর জগতে, এই পানিকে বলা হয় ডেড ওয়াটার বা কর্পস ওয়াটার। এতে মৃত্যুর শক্তি বা নেক্রো এনার্জি থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়। যারা কালো জাদু করে, তারা এই পানি সংগ্রহ করে কারণ এটা দিয়ে খুব শক্তিশালী অভিশাপ বা কার্স দেওয়া যায়।

উদাহরণ দিই। কেউ যদি কারো ওপর রাগ করে বা তার ক্ষতি করতে চায়, তাহলে এই পানি নিয়ে মন্ত্র পড়ে সেই লোকের খাবারে বা পানিতে মিশিয়ে দেয়। ফলে সেই লোকটা অসুস্থ হয়ে পড়ে, মানসিক সমস্যা হয়, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা। কিছু জায়গায় এটা দিয়ে লাভ স্পেল বা প্রেমের জাদু করা হয়, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটা ধ্বংসাত্মক। ঘানা বা ইউরোপের কিছু পুরনো ট্র্যাডিশনে দেখা যায় যে মর্গের লোকেরা এই পানি চুরি করে বিক্রি করে, কারণ কেউ কেউ এটা দিয়ে নিজেকে অজেয় বানাতে চায় বা শত্রুকে শেষ করতে চায়।

আমাদের দেশে বা বাংলা সংস্কৃতিতে তান্ত্রিকরা কবরস্থানের কাছে ঘোরাঘুরি করে এই জিনিসের জন্য। কখনো লাশ ধোয়ার পর বাকি পানি ফেলে দেওয়া হয়, সেটা কেউ চুপচাপ নিয়ে নেয়। বিশ্বাসটা এমন যে এই পানিতে মৃতের আত্মার শক্তি থেকে যায়, আর সেটা ব্যবহার করে জিন বা অশুভ শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু এটা পুরোটাই অন্ধবিশ্বাস আর ভয়ংকর কাজ। অনেকে বলে এতে জড়ালে নিজেরই ক্ষতি হয় বেশি।

আমি নিজে এসব বিশ্বাস করি না, কারণ এগুলো শয়তানি কাজ। কিন্তু গ্রামে গেলে এখনো শুনবেন এমন গল্প। কেউ কেউ বলে যে এই পানি দিয়ে করা জাদু ভাঙতে খুব কঠিন। তাই সাবধানে থাকা ভালো, অচেনা কারো দেওয়া খাবার বা পানি সহজে খেয়ো না। আর যদি কখনো মনে হয় এমন কিছু হয়েছে, তাহলে ভালো আলেমের কাছে যাও, কুরআন পড়ে (রুকইয়াহ) ঝাড়ফুঁক করাও।

এই অন্ধকার জগতে ঢোকা মানে নিজের জীবনটা ঝুঁকিতে ফেলা। ভালো থেকো সবাই, এসব থেকে দূরে থাকো।

#কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক
(রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭
অফিস :☎️০১৭১৩-৭০৯৬০৫ Whatsapp

27/12/2025

#কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক
(রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭
অফিস :☎️০১৭১৩-৭০৯৬০৫ Whatsapp

27/12/2025

#কোরআনিক আয়াত রুকইয়া সেন্টার

#মাওলানা মো:মোয়াজ্জেম হোসেন
প্রধান শিক্ষক (রহিমা ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা)
দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া, পাবনা!

☎️০১৭১৬-৭৮৬২১৪ Whatsapp

ঢাকা অফিস : বাড়ি নং ১৩, রোড নং ০১, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর,ঢাকা ১২০৭
অফিস :☎️০১৭১৩-৭০৯৬০৫ Whatsapp

অনেক সময় যাদু সরাসরি খাবার বা পানির মাধ্যমে নয়, বরং ঘ্রাণের মাধ্যমেও করা হয়।  ( السحر المشموم )সুগন্ধি, ধূপ, আগরবাতি, তা...
27/12/2025

অনেক সময় যাদু সরাসরি খাবার বা পানির মাধ্যমে নয়, বরং ঘ্রাণের মাধ্যমেও করা হয়।
( السحر المشموم )

সুগন্ধি, ধূপ, আগরবাতি, তাবিজে ব্যবহৃত বস্তু, বা কোনো বিশেষ ধোঁয়ার মাধ্যমে এই যাদুর প্রভাব মানুষের শরীর ও মনে প্রবেশ করতে পারে। ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে যাদু একটি বাস্তব বিষয়, তবে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো যাদুই ক্ষতি করতে পারে না।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন,
“তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কারো ক্ষতি করতে পারে না।”
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২

ঘ্রাণের মাধ্যমে করা যাদুর সাধারণ লক্ষণ
হঠাৎ কোনো নির্দিষ্ট গন্ধ সহ্য না হওয়া, যদিও অন্যরা তা স্বাভাবিক মনে করে ।

অজানা গন্ধ পেলেই মাথা ভারী হয়ে যাওয়া বা অস্থিরতা
বুক ধড়ফড় করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
হঠাৎ ভয়, দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ হয়ে যাওয়া
ইবাদতে মন না বসা, কোরআন শুনলে অস্বস্তি লাগা
ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন বা ঘ্রাণ অনুভব করা
স্বামী স্ত্রী বা পরিবারের প্রতি অকারণ বিরক্তি
ডাক্তারি পরীক্ষায় বড় কোনো সমস্যা না ধরা পড়া
এই যাদুর প্রভাব ।

এই ধরনের যাদু মানুষের স্নায়ু ও মনে প্রভাব ফেলে। অনেক সময় মানুষ ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে, ইবাদত থেকে দূরে সরে যায়, রাগ ও হতাশা বেড়ে যায়। সংসারে অশান্তি তৈরি হয়, শরীর দুর্বল লাগে অথচ চিকিৎসায় তেমন ফল পাওয়া যায় না। এগুলো দীর্ঘদিন চলতে থাকলে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও যাদুর পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এরপর আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাজিল করেন, যা যাদু ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম।

রুকইয়াহর মাধ্যমে চিকিৎসা
ইসলামে যাদুর চিকিৎসা হলো কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ।

প্রথমত, তাওহীদ ও তাওয়াক্কুল
মনে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে আরোগ্য একমাত্র আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। কোনো বস্তু, ধূপ বা মানুষ নিজে থেকে কিছু করতে পারে না।

দ্বিতীয়ত, নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত
সূরা আল-বাকারা প্রতিদিন বা অন্তত তিন দিনে একবার পড়া বা শোনা
সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস সকালে ও রাতে পড়া
এই সূরাগুলো পড়ে নিজের শরীরে ফুঁ দেওয়া
হাদিসে আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ হলে নিজের ওপর ফুঁ দিয়ে এই সূরাগুলো পড়তেন।

তৃতীয়ত, পানি ও তেলের রুকইয়াহ
পানির ওপর কোরআন পড়ে সেই পানি পান করা
অলিভ অয়েলের ওপর আয়াত পড়ে শরীরে মালিশ করা
বিশেষ করে মাথা, বুক ও পেটের অংশে ।

চতুর্থত, হারাম ও সন্দেহজনক ঘ্রাণ থেকে দূরে থাকা
অজানা ধূপ, তাবিজ, কবচ, বিশেষ সুগন্ধি যেগুলোর উৎস পরিষ্কার নয়, সেগুলো ব্যবহার না করা
ঘরে ঢুকে হঠাৎ অস্বাভাবিক ধোঁয়া বা গন্ধ অনুভব করলে বেশি বেশি করে কোরআন পড়া ।

পঞ্চমত, দোয়া
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দোয়াটি পড়তেন
“হে আল্লাহ, মানুষের রব, কষ্ট দূর করে দিন, আপনি আরোগ্য দান করুন। আপনার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই।”

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা
যাদুর ভয় নয়, আল্লাহর ওপর ভরসাই একজন মুমিনের শক্তি। যে ব্যক্তি নিয়মিত নামাজ, কোরআন ও যিকিরে নিজেকে ব্যস্ত রাখে, তার ওপর যাদু সহজে প্রভাব ফেলতে পারে না।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে যাদু, হিংসা ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন

Address

House 13, Road 01, Dhaka Udyan, Mohammadpur, 1207 Dhaka, Bangladesh
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Ayat Tadbeer centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share