Ruqyah Healthcare

Ruqyah Healthcare জিন, জাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসাসহ প্যারানরমাল সমস্যার শরিয়াহসম্মত চিকিৎসার জন্য "রুকইয়াহ সেন্টার"

এই বোনকে আল্লাহ ধৈর্য্য ধরার সামর্থ্য দিক।আল্লাহ ভাল জানেন তবে সম্ভবত বোনটির বাচ্চার আকস্মিক এমন মৃত্যুর কারন বদনজর হতে ...
16/05/2026

এই বোনকে আল্লাহ ধৈর্য্য ধরার সামর্থ্য দিক।
আল্লাহ ভাল জানেন তবে সম্ভবত বোনটির বাচ্চার আকস্মিক এমন মৃত্যুর কারন বদনজর হতে পারে।
বদনজরের অন্যতম একটা লক্ষন হচ্ছে মেডিক্যাল টেস্টে রোগ ধরা পড়বেনা কিন্ত শরীরে ঠিকই বিভিন্ন অসুস্থতা অনুভব করবে।
আমাদের অনেকেই এই বদনজর বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়না হেলাফেলা মনে করে । অথচ বদনজরের ভয়াবহতার ব্যপারে রাসূল সা: কত হাদিসে সতর্কতা করেছে। বদনজর সত্য।।।।।।।

02/05/2026

কেন সালাফী বিশুদ্ধ আলেমদের কাছ থেকে রুকিয়া করবেন!

বেশ কিছু বছর আগে একজন বিবাহিত মহিলা আমার কাছে বাচ্চা কনসিভ হওয়ার পর বারবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে আমার কাছে এসেছিলেন রুকিয়া সম্পর্কে জানতে। মহিলাটি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করেছেন কিন্তু মহিলার স্বামী কখনো ইচ্ছাকৃত এক ওয়াক্ত ফরয নামাজও পড়ে না এমন কি রমজান মাসের ফরজ রোজাও রাখে না। তখন আমি তাকে সাজেশন দিয়েছিলাম যে আপনার রুকিয়া করার আগে আপনার হাসবেন্ডের কাউন্সিলিং প্রয়োজন রুকিয়া করা প্রয়োজন । আপনার বাচ্চা না হওয়াটাও আপনার জন্য একটা নেয়ামত হতে পারে এই মুহূর্তে। সৌদি আরবের সকল উলামায়ে কেরাম এর মতে যে এক ওয়াক্ত ও ফরয নামাজ পড়ে না সে কাফের এবং অনেক উলামায়ে ইকরামের মতে এই লোকের মৃত্যুর পর জানাজা নাই । আপনি আগে আপনার স্বামীকে বোঝানোর চেষ্টা করুন কাউন্সিলিং করার চেষ্টা করুন এবং ফরজ নামাজ ত্যাগ থেকে বিরত করুন। যদি সে বুঝে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ আর যদি সে না বুঝে তাহলে তার সাথে সংসার করা আপনার জন্য জায়েজ নেই বরং আপনাকে শরীয়ত বলেছে তাকে ত্যাগ করতেই হবে। আপনি একবার চিন্তা করুন আপনার হাজব্যান্ড নামাজই পড়ে না সে ফরজ নামাজ ত্যাগ করছে প্রতিনিয়ত কুফরি করে যাচ্ছে । চিন্তা করুন এই হাজবেন্ড থেকে আপনার যদি গর্ভে সন্তান আসে তাহলে সে সন্তানটা কখনো কি মুসলিম পরিচয় আসবে? মাদ্রাসায় শিক্ষায় অর্জন করছেন দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করছেন অথচ আপনার পেটে এমন একজন বাচ্চা আসলো যে কিনা দ্বীনবিমুখ একজন পুরুষের থেকে আসছে আপনি কি এটা চান?
অথচ এই দেশের মাযহাবী আলেমরা হলে বলত যে কোন সমস্যা নেই ,মাযহাব অনুযায়ী সেই পুরুষের সাথে বসবাস সহবাস সব জায়েজ বানানো ফতোয়া দিত অনেক টাকা নিতো তার কাছ থেকে অথচ কখনোই তার স্বামীর নামাজ পড়াটাকে গুরুত্বসহকারে দেখত না।

নিয়ত কতটা পাওয়ারফুল একবার ভেবে দেখেন!!!(ঘটনা নং- ১)আরমান সাহেবের মা চেয়েছিল ছেলেকে সুন্দরী বউ এনে দিবে সাথে ঘর ভর্তি ...
26/04/2026

নিয়ত কতটা পাওয়ারফুল একবার ভেবে দেখেন!!!
(ঘটনা নং- ১)
আরমান সাহেবের মা চেয়েছিল ছেলেকে সুন্দরী বউ এনে দিবে সাথে ঘর ভর্তি ফার্নিচার নিবে মেয়ের পরিবার থেকে।কারণ যদি কখনো ছেলের সামর্থ্য না হয় ঘর ভর্তি ফার্নিচার কেনার।
সত্যি সত্যি ছেলের জন্য সুন্দরী বউ আর বউ এর পরিবার থেকে ঘর ভর্তি ফার্নিচার তিনি ঠিক-ই এনেছেন কিন্তু যে ঘর সাজাতে এতকিছুর আয়োজন সে ঘর গ্যাস লিক হয়ে আগুনে জ্বলে-পুড়ে গেছে।
(ঘটনা নং-২)
ইকবাল সাহেব একজন সরকারি কর্মকর্তা। ১৮ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। সম্পূর্ণ টাকা ব্যাংকে রেখেছেন যাতে ভবিষ্যতে রোগ ব্যাধি হলে যেন ডাঃ দেখাতে পারেন।ও হ্যাঁ মাস শেষে ১৮ হাজার তুলতে উনি কখনো ভুলেন না!
মাত্র ৪ বছরের মাথায় উনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন।
(ঘটনা নং -৩)
ফারহানা নিজের পায়ে না দাঁড়ানো পর্যন্ত নাকি বিয়েই করবে না। স্বামীর টাকায় নাকি সে চলবে না।
৪০ বছর হয়ে গেল মেয়েটার এখনো বিয়েই হলো না!
(ঘটনা নং-৪)
অনেক পড়ালেখা করে সুমি। ও বলে পড়ালেখা না করলে ভালো চাকরি জুটবে না। বিয়ের পর যদি স্বামী মারা যায় তখন তার কি হবে! ভবিষ্যতের কথা তো বলা যায় না!
হায় কি ভাগ্য বিয়ের ৫ বছর পর স্বামী মারা গেল!
নিয়ত কতটা পাওয়ারফুল দেখেন। উনাদের মত চরিত্ররা সবাই কিন্তু
আমাদের আশেপাশেই আছে।
আরমান সাহেব সুন্দর বউ আর ঘর ভর্তি ফার্নিচার ঠিকই পেলো কিন্তু ঘরটাই পুড়ে গেলো। ইকবাল সাহেব টাকা জমা রাখেন কারণ রোগ হবে বলে। দেখুন উনি নিজেই নিজের রোগকে কিভাবে ডেকে আনছেন!
ফারহানার বর-ই জুটলো না বরের টাকায় চলা তো দূরের কথা।
সুমি চাকরি করে কারণ তার স্বামী মারা যাবে বলে।
উনারা কাজটা করার আগে নিজেরাই কিভাবে নিজেদের গতিকে ঠিক করে দিচ্ছে! তাদের কাজটা কিন্তু তাদের নিয়ত অনুযায়ীই এগিয়ে যাচ্ছে। উনারা যারা যা চেয়েছিল সবাই তাই পেয়েছে!
হাজেরা (র:) ইব্রাহীম (আঃ) কে বললেন, মানুষ নেই ঘর নেই পানি নেই গাছ নেই এমন জায়গায় আপনার স্ত্রী পুত্রকে একা ফেলে কোথায় চলে যাচ্ছেন!
আল্লাহ কি আপনাকে এমন করতে বলেছেন? ঠিক আছে আপনি যান। তিনি আমাদের ধ্বংস করবেন না!
দেখুন কি তাওয়াক্কুল! এই হজ্জেও হাজীরা সাফা-মারওয়া পাহাড় দৌড়াবে, জমজম কূপের পানি খাবে শুধুমাত্র তার এই তাওয়াক্কুলের কারণে! সুবহানাল্লাহ!
মূসা (আঃ) নিজ শহর ত্যাগ করলেন। ভাবলেন না কোথায় থাকবেন কি খাবেন। বরং বলে যাচ্ছেন নিশ্চয় আল্লাহ পথ দেখাবেন। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'লা তাকে থাকার ব্যবস্থা করে তো দিলেনই সাথে জীবনসঙ্গীসহ ১০ বছর থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।
জানেন ইকবাল সাহেব কি বলেছিলো অপারেশনের পর, টাকাটা ব্যাংকে রেখেছিলাম বলেই আজকে অপারেশনের টাকাটা জুটলো না হলে বিছানায় থেকে মরতে হত। উনি উনার স্টেটমেন্ট হয়ত ভুলে গেছেন। উনি ব্যাংকে টাকা রেখেছিলেন এই বলে যে একসময় তার রোগ হবে!
আজকে আপনি আমি আমরা সবাই আল্লাহ কে ভয় করা বাদ দিয়ে ভয় করি রোগকে, ভয় করি টাকা না থাকাকে। আমরা কতটা নিচে চলে গেছি ভেবে দেখুন।
একবার এক ভাই বাড়ি বানাচ্ছেন, বলছিলেন যে উনি ভেন্টিলেটর দিচ্ছেন এই নিয়তে যে ফজরে দরজা জানালা বন্ধ থাকলে এই ভেন্টিলেটর দিয়ে ফজরের আজান শোনা যাবে। আমরা অনেকেই ভেন্টিলেটর লাগাই পিউর বাতাস পাবার জন্য, আর সেই ভাই তার এই নিয়তের কারণে হয়তো কত উচ্চতায় উঠে যাবেন। আর পিউর বাতাস তো উনি পাবেনই। এ কারণেই বলা হয়েছে, যে আখিরাতের নিয়ত করে দুনিয়া তার পায়ে লুটায়।
আপনি ছাত্র হলে পড়ালেখাটা আল্লাহর জন্য করুন, দাওয়াত এর নিয়তে করুন। চাকরিটা আল্লাহর জন্য করুন, হালাল রিজিকের জন্য করুন। মা-বাবা, বউ, বাচ্চার যত্ন নিন আল্লাহকে খুশি করতে। অন্য জন থেকে জুলুম করে না নিয়ে আল্লাহ থেকে খুঁজুন। নিয়ত করুন যেন আল্লাহ আপনাকে এতো বেশী দেন যাতে আপনি অন্য থেকে না খুঁজে উল্টো অন্যদের দু হাত ভরে দিতে পারেন। তাওয়াক্কুল রাখুন। ভাল ভাল নিয়ত করুন।
আপনি সবার থেকে সুখী হবেন। ইন-শা-আল্লাহ!

হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শিশুদের বেশি হয়, তবে বড়দেরও হতে পারে!🔺 হাম রোগের লক্ষণ!হাম হ...
03/04/2026

হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শিশুদের বেশি হয়, তবে বড়দেরও হতে পারে!

🔺 হাম রোগের লক্ষণ!
হাম হলে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায়ঃ

উচ্চ জ্বর (প্রথমে হালকা, পরে বেশি)
সর্দি, কাশি ও নাক দিয়ে পানি পড়া
চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস)
গলায় ব্যথা
মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পট)
৩-৫ দিনের মধ্যে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি (র‍্যাশ)
প্রথমে মুখে হয়, পরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে যায়
দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা

⚠️ কখন বেশি বিপজ্জনক?
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
প্রচণ্ড দুর্বলতা
কান বা ফুসফুসে ইনফেকশন!

▫️হাম রোগ থেকে মুক্তির জন্য রাসূল (সাঃ) এর এই দোয়া পড়ে আপনার সন্তানের উপর ফু দিন এবং পানিতে ফু দিয়ে নিয়মিত পান করান! আল্লাহ সেফা দান করবেন ইনশাআল্লাহ। দোয়াটি হলো:

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، أَذْهِبِ الْبَأْسَ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রব্বান নাস, আযহিবিল বা'স, ইশফি আন্তাশ শাফি, লা শিফা-আ ইল্লা শিফাউক, শিফা-আন লা ইউগাদিরু সাকামা।

- সহীহ বুখারী

যদি আপনার সন্তানকে এই সংক্রমণ দেখা নাও দেয় তারপরেও এই দোয়া পড়ে আপনার সন্তানকে ফু দিবেন। আপনার সন্তানের সংক্রমণ দেখা দেয়নি তাই বলে অবহেলা করবেন না!

🔹 কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা

রোগ মুক্তির মালিক আল্লাহ, এই সংক্রমণ দেখা দিলে দোয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

নামাজ, ইস্তিগফার ও আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন
অসুস্থ অবস্থায় বেশি বেশি দোয়া ও ধৈর্য রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ!

আল্লাহ আপনি প্রতিটি বাবা, মায়ের সন্তানদেরকে এই হাম নামক রোগ থেকে হেফাজত করুন, আমিন।🤲©️

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

17/12/2025

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আল্লাহ বলেন: আমি অবশ্যই মজলুমকে সাহায্য করবো—যদিও কিছু সময় পরে হয়।”
📚 মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: 12549

26/11/2025

👉স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অযথাই ঝগড়া,

👉একজন আরেকজনকে সহ্য করতে না পাড়া,

👉বাহিরে থাকলে ভাল ঘরে আসলেই সমস্যা,

👉স্ত্রী যতই সাজগোজ করুক তা স্বামীর চোখে বিসৃ দেখা,
👉একজন আরেকজন কে সন্দেহ করা,

👉 দুইজন দুইজনের পছন্দনীয় জিনিসকে অপছন্দ করা

❗এইরকম সমস্যার সম্মুখীন যদি হন তবে আপনি সম্পর্ক নষ্ট অথবা বিচ্ছেদ এর যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে- পাশাপাশি নজর এর ও সমস্যা থাকতে পারে।

মানুষ ভূমিকম্প কে ভয় করে,⚡অথচ ভূমিকম্প দেওয়ার মালিক কে না।স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ভূমিকম্প এর ভয়ে বন্ধ হয়,অথচ...
23/11/2025

মানুষ ভূমিকম্প কে ভয় করে,⚡
অথচ ভূমিকম্প দেওয়ার মালিক কে না।
স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ভূমিকম্প এর ভয়ে বন্ধ হয়,
অথচ এইগুলাতে প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকা নাচ,গান ,বেহায়াপনা যেনা ব্যভীচার বন্ধ হয় না।

মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে স্থলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে যাতে তিনি তাদেরকে তাদের কোন কোন কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা (পাপ কাজ থেকে) ফিরে আসে। [সূরা রুম-৪১]

হজরত মুসা আ.-এর সময়ে একবার অনাবৃষ্টি দেখা দিল। বহুদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল না। পশুপাখি পর্যন্ত অনাহারে ছটফট করছিল। এমতাবস্থায় হজরত মুসা আ. বনী ইসরাইলদের নিয়ে মাঠে বৃষ্টির নামাজ পড়ে দোয়া করতে গেলেন।

আল্লাহ বললেন, আপনাদের দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত এই মজলিস থেকে এক ব্যক্তি উঠে না যাবে। সে আমার সাথে নাফরমানী করে যাচ্ছে এবং আমার সামনে নতি স্বীকার করছে না।

হজরত মুসা আ. মজলিসে ঘোষণা দিলেন, হে ভাই! কে সে নাফরমান? যার কারণে এতগুলো মানুষের দোয়া কবুল করা হবে না? দয়া করে তুমি মজলিস থেকে উঠে যাও। তোমার কারণে পশু-পাখিসহ এতো মানুষ অনাবৃষ্টিতে কষ্ট পাবে এ হয় না।

ঘোষণার পর মজলিস থেকে কেউ উঠল না। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নেমে এল। মুসা আ. লজ্জায় আল্লাহকে বললেন, ইয়া আল্লাহ, সে লোক তো উঠল না। তারপরও বৃষ্টি হল। উম্মতের সামনে আমি ছোট হয়ে গেলাম। উম্মত আমাকে মিথ্যুক মনে করতে পারে। আল্লাহ বললেন, যার কারণে বৃষ্টি বন্ধ ছিল তার কারণেই এখন বৃষ্টি দিলাম। কারণ, আমার সঙ্গে সে সন্ধি করে ফেলেছে। সে তাওবা করে নতি স্বীকার করে নিয়েছে।

আসলে ঘটনা ছিল এ রকম, মুসা আ.-এর ঘোষণার পর ওই গুনাহগার ব্যক্তি লজ্জায় আল্লাহর কাছে নত হয়ে প্রার্থনা করল, হে মনিব! এই মজলিস থেকে এখন যদি আমি উঠে যাই তাহলে সবাই আমাকে নাফরমান বলে চিনে ফেলবে। আমাকে এতগুলো মানুষের সামনে লজ্জা দিও না। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আর নাফরমানী করব না। তার মনের অবস্থা দেখে আল্লাহর দয়া হল। তিনি তার গুনাহগার বান্দাকে অন্যদের সামনে অসম্মান না করে বৃষ্টি বর্ষণ করলেন।

মহান আল্লাহতায়ালা বান্দার কোনো দোষ নিজ থেকে প্রকাশ করেন না। বরং তিনি বান্দার গোপন দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখেন। এ কারণেই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমার উম্মতের সবাইকে ক্ষমা করা হবে; তারা ছাড়া, যারা নিজ নিজ দোষ প্রকাশ করে দেয়।

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাবের (রা.) শাসনকালে মদিনায় ভূমিকম্প হয়েছিল-

ওমর (রা.) যুগে একবার মদিনায় ভূমিকম্প হলো। তখন ওমর (রা.) এক ভাষণে বলেছিলেন, লোকসকল! কী হলো এটা! কত দ্রুত আপনারা নতুন কিছু নিয়ে এলেন! এ রকম কিছু যদি আবার হয়, তাহলে আমাকে আর মদিনায় পাবেন না, আমি মদিনা ছেড়ে চলে যাবো। (মুসনাদে আহমদ)

অন্য এক রেওয়ায়েতে ইমাম বায়হাকি উল্লেখ করেন যে, হজরত ওমর (রা.) মানুষকে বলেছিলেন, মানুষ যে গুনাহ সৃষ্টি করে, তার কারণেই ভূমিকম্প আসে। (শু‘আবুল ইমান, ৮/৩৬৪) তার বক্তব্যে স্পষ্ট দেখা যায়, ভূমিকম্প তার কাছে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনা ছিল না; বরং এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কসংকেত।

আমরা সবাই জানি,আমরা নিজেরা কতটুকু পাপী।তাই সকলে,নিজের পাপের জন্য আমরা গোপনে আল্লাহর কাছে তওবা করি।

21/11/2025

ভূমিকম্প হয় কেন❗

->এই আল্লাহর জমিন যখন মানুষের পাপের বোঝা সহ্য করতে পারেনা তখন আল্লাহর আদেশে কেঁপে উঠে তার (ভেতরের যাবতীয়) বোঝা বাইরে নিক্ষেপ করে।

ভূমিকম্প আল্লাহ দেয় কেন❗

(১) কখনও আল্লাহ মুসলমানদের সতর্ক করা ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য ভূমিকম্প দেন (ইসরা ১৭/৫৯)।

(২) কখনো আল্লাহ নিজের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভূমিকম্প পাঠান (বুখারী হা/১০৫৯; মিশকাত হা/১৪৮৪)।

(৩) কখনও সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝানোর জন্য ভূমিকম্প হয়ে থাকে (ফুছছিলাত ৪১/৫৩)।

এছাড়া অন্যায়-অত্যাচার ও কোন বিশেষ পাপের কারণেও ভূমিকম্প বৃদ্ধি পায় (রুম ৩০/৪১)।

‼️ মুসলিম সমাজে জ্বিন বা জাদুর চিকিৎসাকারী ব্যক্তি সর্বদা কিছু কুরআনের আয়াত ও দু‘আ-দরুদ পাঠ করেন। এর পাশাপাশি অনেকেই শয়ত...
19/11/2025

‼️ মুসলিম সমাজে জ্বিন বা জাদুর চিকিৎসাকারী ব্যক্তি সর্বদা কিছু কুরআনের আয়াত ও দু‘আ-দরুদ পাঠ করেন। এর পাশাপাশি অনেকেই শয়তানের ইবাদত-মূলক কিছু কর্ম করেন। সাধারণ মুসলিম বুঝতে না পেরে একে কুরআন-ভিত্তিক চিকিৎসা বলে মনে করেন। এজন্য এখানে জাদুকর এর কিছু আলামত ও পরিচয় উল্লেখ করছি:

১. রোগীর সমস্যাগুলো তার কাছ থেকে না শুনে নিজে থেকেই বলা
বা রোগীর গোপন বা গায়েবি কথা বলা।
২. রোগীর নাম ও মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করা
৩. রোগীর সাথে সম্পর্কিত কোনো বস্তু গ্রহণ করা। যেমন কাপড়, টুপি, রুমাল ইত্যাদি।

৪. যবাই করার জন্য কোনো প্রাণী বা পাখী চাওয়া। এগুলো সাধারণত আল্লাহর নাম না নিয়ে যবাই করা হয়। অথবা আল্লাহর নামের সাথে কবিরাজের সাথে সংশ্লিষ্ট জিনের ভক্তি প্রকাশক কথা বলা হয় এবং তাকে খুশির উদ্দেশ্যেই যবাই করা হয়। এর রক্ত অসুস্থ ব্যক্তিকে বা অসুস্থতার স্থানে মাখানো হয় বা কোনো বিরান স্থানে নিক্ষেপ করা হয়। উল্লেখ্য যে, সাদাকা বা গরীবদের মধ্যে দানের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে গরু-ছাগল ইত্যাদি যবাই করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

৫. অস্পষ্ট, রহস্যময় বা অবোধ্য কথা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা। অনেক সময় কুরআনের কিছু অংশ সুস্পষ্টভাবে পাঠ করে এরপর বিড়বিড় করে এসকল রহস্যময় তন্ত্রমন্ত্র পাঠ করা হয়।
৬. চতুর্ভুজ নকশা, বিভিন্ন সংখ্যা অথবা অস্পষ্ট-রহস্যময় কোনো
কিছু লিখে তাবিয দেওয়া।
৭. ছিন্ন ছিন্ন অক্ষর লিখে তাবিয বা নকশা বানিয়ে রোগীকে
ব্যবহারের জন্য দেওয়া বা কোনো পাথরে এরূপ নকশা বা তাবিয লিখে
তা ধুয়ে পান করতে বলা।
৮. রোগীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে অন্ধকার ঘরে একাকী রাখা অথবা
নির্ধারিত কয়েকদিন পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা।
৯. রোগীকে কোনো বস্তু পুঁতে রাখার নির্দেশ দেওয়া।
১০. পাতা বা কোনো দ্রব্য জ্বালিয়ে রোগীকে তার ধোঁয়া গ্রহণ
করতে বলা।

যাদের মধ্যে এ জাতীয় কোনো আলামত দেখবেন তাদের কাছে
গমন থেকে বিরত থাকবেন। জ্বিন-সাধক জাদুকরগণ একবার কাউকে
পেলে তাদের জ্বিনদের দিয়ে স্বপ্ন, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদির মাধ্যমে
সর্বদা তাকে বশে রাখতে চেষ্টা করেন। এজন্য এদের সংশ্রব থেকে দূরে থাকতে হবে।

শয়তানের মূল কর্ম মানুষদেরকে শিরক ও পাপের মাধ্যমে জাহান্নামী করা। ইবনু মাস‘ঊদ রাদিআল্লাহু আনহু-এর হাদীসে আমরা দেখেছি যে, শয়তান মানুষের শরীরের মধ্যে অসুস্থতার অনুভূতি তৈরি করে। এরপর শিরকযুক্ত ঝাড়ফুঁক বা তদবীরের কারণে সে তার কর্ম বন্ধ করে। এভাবে সে মানুষকে শিরকে লিপ্ত করে। এজন্য জাদু-টোনা কাটাতে বা যে কোনো অসুস্থতা বা সমস্যার ক্ষেত্রে জাদুকর বা জ্বিনসাধক কবিরাজের কাছে যাওয়ার অর্থ শয়তানের উদ্দেশ্য পূরণ করা এবং স্থায়ীভাবে শিরকের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করা। এ সকল মানুষদের কাছে সামান্য উপশম পেলেও সাধারণত কখনোই স্থায়ী আরোগ্য লাভ হয় না। শুধুই শিরকে নিপতিত হয়ে ঈমান হারাতে হয়। বারবার অসুস্থতা ফিরে আসে এবং বারবার শিরকের মহাপাপে লিপ্ত হতে হয়। আর মুমিনের ঈমানের দাবি হলো চিরস্থায়ী সুস্থতার নিশ্চয়তা পেলেও ঈমানের বিনিময়ে তা গ্রহণ করতে তিনি কখনোই রাজি হবেন না।অপরদিকে সুন্নাতসম্মত দু‘আ ও ঝাড়ফুঁকের চিকিৎসার মাধ্যমে মুমিন আল্লাহর সাথে স্থায়ী সম্পর্ক স্থাপন করেন। নিয়মিত দু‘আর মাধ্যমে অফুরন্ত সাওয়াব এবং আল্লাহর বেলায়াত অর্জন করেন। পাশাপাশি কমবেশি সম্পূর্ণ বা আংশিক জাগতিক সুস্থতাও তিনি অর্জন করেন।

Address

Tushardhara Residential Area, Saddam Market, Kadamtali
Dhaka
1362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Healthcare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share