Dr. Farhad's Notebook

Dr. Farhad's Notebook Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Farhad's Notebook, Medical and health, ,Narayanganj, Dhaka.

বিজ্ঞানীরা শুক্রাণুকে চুম্বকে পরিণত করেছেন। লক্ষ্য একটাই -- শরীরের ভেতরেই IVF সম্পন্ন করা।এতদিন IVF মানেই ছিল ডিম্বাণু শ...
16/06/2026

বিজ্ঞানীরা শুক্রাণুকে চুম্বকে পরিণত করেছেন। লক্ষ্য একটাই -- শরীরের ভেতরেই IVF সম্পন্ন করা।

এতদিন IVF মানেই ছিল ডিম্বাণু শরীরের বাইরে বের করে ল্যাবে নিষিক্ত করা, তারপর আবার শরীরে প্রতিস্থাপন। পুরো প্রক্রিয়াটি কষ্টকর, ব্যয়বহুল এবং সফলতার হারও সীমিত।

গবেষকরা শুক্রাণুর গায়ে আয়রন অক্সাইড ও পলিস্টাইরিনের অতিক্ষুদ্র কণা যুক্ত করেছেন। এরপর বাইরে থেকে চুম্বকক্ষেত্র প্রয়োগ করে সেই শুক্রাণুকে ডিম্বাণুর দিকে পরিচালিত করা সম্ভব হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই চৌম্বক শুক্রাণু থেকে তৈরি ভ্রূণ সম্পূর্ণ সুস্থ ,সাধারণ শুক্রাণুর তুলনায় কোনো পার্থক্য নেই।

ল্যাব পরীক্ষা এবং প্রাণী গবেষণায় ফলাফল আশাব্যঞ্জক। তবে মানুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগের আগে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
সফল হলে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় এটি হবে বড় পরিবর্তন।

আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন, দিনের শেষে যখন মনটা ভারাক্রান্ত থাকে, তখন রাত ১০টা-১১টায় ফ্রিজ খুলে কিছু খেতে ইচ্ছে করে? হয়ত...
10/06/2026

আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন, দিনের শেষে যখন মনটা ভারাক্রান্ত থাকে, তখন রাত ১০টা-১১টায় ফ্রিজ খুলে কিছু খেতে ইচ্ছে করে? হয়তো টিভি দেখতে দেখতে বা ফোন স্ক্রল করতে করতে একটু বেশিই খেয়ে ফেলেন। আমরা অনেকেই ভাবি, এটা তো শুধুই অভ্যাস—ক্ষুধা পেলে খাব, সময় তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, ব্যাপারটা এত সহজ নয়। এই সাধারণ আচরণের পেছনে লুকিয়ে আছে আমাদের শরীরের জটিল একটি সমন্বয়—যেখানে খাবারের সময়, মানসিক চাপ আর Gut Bacteria একসাথে কাজ করে।

প্রশ্ন হলো, কেন রাতের খাবার স্ট্রেসের সঙ্গে মিলে পেটের এত বড় ক্ষতি করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে chronobiology (শরীরের সময়-ভিত্তিক জীববিজ্ঞান) এবং allostatic load-এর মধ্যে।

Allostatic load হলো দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক চাপের সামগ্রিক বোঝা, যা হার্ট, রক্তচাপ, হরমোন এবং প্রদাহের বিভিন্ন বায়োমার্কার দিয়ে মাপা হয়। আমাদের gut microbiota সারাদিন একটি নির্দিষ্ট ছন্দে কাজ করে। সকাল-দুপুরে খাবার হজম, শোষণ এবং ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কিন্তু রাত বাড়লে শরীরের circadian rhythm অনুযায়ী বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।

যখন আমরা রাতে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করি (বিশেষ করে রাত ৯টার পর দৈনিক ক্যালরির ২৫% এর বেশি), তখন অন্ত্রের এই ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে। স্ট্রেস একা থাকলে অন্ত্রের কার্যক্ষমতা খারাপ হয়, কিন্তু রাতের খাবারের সঙ্গে মিললে তা হয় ‘ডাবল হিট’।

একটি বড় গবেষণায় (NHANES এবং American Gut Project-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে) দেখা গেছে, যাদের দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস বেশি (Allostatic Load Score ≥ ৫) এবং যারা রাতে বেশি খান, তাদের অস্বাভাবিক মলত্যাগ (কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া) এর সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি—প্রায় ১.৭ গুণ। আর যারা শুধু রাতে খান কিন্তু স্ট্রেস কম, তাদের এমন সমস্যা বাড়েনি। অর্থাৎ একা রাতের খাবার নয়, স্ট্রেসের সঙ্গে মিলেই বিপদ।

দ্বিতীয় পর্যায়ে gut microbiota পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ‘হাই স্ট্রেস/পুওর ডায়েট’ গ্রুপের অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য (Alpha diversity, Shannon index) উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই কম বৈচিত্র্য অন্ত্রের প্রদাহ বাড়ায়, ইমিউনিটি দুর্বল করে এবং মেজাজ-মনের সঙ্গেও যুক্ত। বিজ্ঞানীরা এটাকে chrononutrition-stress axis বলছেন—যেখানে খাবারের সময় আর স্ট্রেস একসঙ্গে অন্ত্রের সূক্ষ্ম ভারসাম্য নষ্ট করে।

এ থেকে আমরা কী বুঝি? মানুষের শরীর এখনো সেই প্রাচীন ছন্দে চলে, যখন সূর্যাস্তের পর খাবার কম পাওয়া যেত। আধুনিক জীবনের অনিয়মিত আলো, কাজের চাপ আর রাত জাগা এই ছন্দের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে আমাদের আচরণ আর শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া একে অপরকে প্রভাবিত করে।

অবশ্যই এই গবেষণা observational, তাই পুরোপুরি প্রমাণিত নয়। খাবারের ধরন, ঘুমের সমস্যা আলাদা করে দেখা দরকার। তবে এটি hypothesis-generating—অর্থাৎ নতুন চিন্তার দরজা খুলে দেয়।

শেষ কথা: আপনার পেট শুধু খাবার হজম করে না, সে আপনার জীবনযাত্রার ছন্দের সাক্ষী। রাতের খাবার আর স্ট্রেসকে আলাদা আলাদা ভাববেন না। হয়তো একটু আগে খাওয়া, স্ট্রেস কমানোর ছোট ছোট অভ্যাসই আপনার অন্ত্রকে, এবং আপনার মন ও শরীরকে, নতুন করে সুস্থ করে তুলতে পারে। সাধারণ অভ্যাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই জটিলতা বুঝলে আমরা নিজেদের প্রতি আরেকটু সচেতন হতে পারি।

রেফারেন্স:
Dadigiri H, et al. Late-Night Eating Combined With Stress ‘Double-Hit’ on Gut. Presented at Digestive Disease Week (DDW) 2026.

কিছুদিন আগে আমি এই বিষয়টা নিয়ে একটা লেখা পড়ি।রাতের বেলা আর্টিফিশিয়াল লাইটের কি ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে গাছ-গাছ...
10/06/2026

কিছুদিন আগে আমি এই বিষয়টা নিয়ে একটা লেখা পড়ি।

রাতের বেলা আর্টিফিশিয়াল লাইটের কি ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে গাছ-গাছালির উপর, সে বিষয়ে অনেক আগে পড়েছিলাম।

কিন্তু রাতের বেলা লাইট জ্বালিয়ে ঘুমালে যে মানুষের মেটাবলিক ডিজিজের (যেমন- ডায়াবেটিস) ঝুঁকি বাড়তে পারে,সেটা জেনে অবাক হলাম।

অনেকেই রাতে Dim Light জ্বালিয়ে ঘুমায়। আমি নিজেই অনেক আগে অন্য রুমে লাইট না জ্বালিয়ে ঘুমাতে পারতাম না৷ Dim Light এর কথা বাদ দিন,আপনার রুমের LED Clock, Router এর বাতিও নিভিয়ে রাখা উচিত ।

আমার নিজের ঘরেই router-এর নীল আলো সারারাত জ্বলে। পর্দার ফাঁক দিয়ে বাইরের আলো আসে। এগুলো এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল যে কখনো ভাবিইনি এটা থেকে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু এই গবেষণাগুলো পড়ার পর বিষয়টা বুঝলাম।

~ ২০২২ সালে আমেরিকার Northwestern University-তে একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে-- মাত্র এক রাত ১০০ lux আলোতে (একটি সাধারণ bedside lamp-এর সমান) ঘুমানোর পরেই পরদিন সকালে শরীরে পরিবর্তন আসে।

Insulin resistance বেড়ে যায়, যার মানে শরীর blood sugar ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। Heart rate বেড়ে যায় এবং heart rate variability কমে যায়, যার মানে শরীরের stress system সারারাত সক্রিয় থাকে।

~ জাপানে ৬৭৮ জন বয়স্ক মানুষের উপর ৩ বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণায় দেখা গেছে -- যাদের ঘরে রাতে মাত্র ৫ lux বা তার বেশি আলো থাকে, তাদের type 2 diabetes হওয়ার ঝুঁকি অন্ধকার ঘরে ঘুমানো মানুষদের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি।

৫ lux কতটুকু? এটা এতটাই কম যে আপনি সরাসরি বুঝতে পারবেন না। পর্দার ফাঁক দিয়ে streetlight-এর আলো, ঘরের কোণে রাখা router বা TV-র standby light, — এগুলো থেকেই এই পরিমাণ আলো আসতে পারে।

~ ২০২৪ সালে Lancet-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় ৮৫,০০০ মানুষের কব্জিতে light sensor পরিয়ে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ ঘণ্টার data সংগ্রহ করা হয়।

দেখা যায়,যারা সবচেয়ে বেশি রাতের আলোতে ঘুমান, তাদের type 2 diabetes হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে কম আলোতে ঘুমানোদের চেয়ে ৫৩% বেশি। এমনকি যাদের genetic কারণে diabetes হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের ক্ষেত্রেও এই সম্পর্ক একই রকম।

~ ২০২৫ সালে JAMA-তে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় একই মানুষদের উপর ৯ বছরেরও বেশি সময় follow-up করে দেখা গেছে — রাতে বেশি আলোতে ঘুমানোর সাথে heart attack, stroke, heart failure এবং atrial fibrillation সবগুলোরই ঝুঁকি বেশি।

যদিও এগুলো Observational study,তাই Generalized কোন মন্তব্য করা যাবে না। তবে এর পিছনে সম্ভাব্য মেকানিজম আছে।

~ মেকানিজম কি হতে পারে?

রাতের আলো শরীরের ওপর সরাসরি একক কোনো pathway দিয়ে কাজ করে না। বরং এটি মূলত circadian system disruption তৈরি করে, যার মাধ্যমে ঘুম, metabolism এবং cardiovascular regulation ধীরে ধীরে প্রভাবিত হতে পারে।

চোখ বন্ধ থাকলেও retina-তে থাকা বিশেষ light-sensitive কোষ intrinsically photosensitive retinal ganglion cells (ipRGC) আলো detect করতে পারে।
এই কোষগুলোর মধ্যে থাকা Melanopsin বিশেষভাবে blue-enriched light-এর প্রতি sensitive।

এই signal সরাসরি brain-এর circadian control center Suprachiasmatic Nucleus-এ পৌঁছে যায়। এর ফলে Circadian rhythm disruption হতে পারে।

এই circadian disruption autonomic nervous system-এর ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

সাধারণত deep sleep-এ parasympathetic system dominant থাকে, কিন্তু light exposure থাকলে sympathetic activity তুলনামূলকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

এর ফলে heart rate কিছুটা বেড়ে যেতে পারে, heart rate variability কমতে পারে এবং শরীর পুরোপুরি “rest mode”-এ যেতে পারে না।

Circadian Rhythm +Autonomic imbalance হলে –
liver থেকে glucose output pattern পরিবর্তিত হতে পারে

muscle এবং adipose tissue-এর insulin sensitivity কমে যেতে পারে

overnight glucose regulation কিছুটা impaired হতে পারে

যখন এই ছোট physiological disruptions প্রতিদিন repeat হয় তখন cumulative effect-এর কারণে epidemiological studies-এ diabetes এবং cardiovascular disease-এর সাথে association দেখা যায়।

এগুলো হচ্ছে সম্ভাব্য মেকানিজম। সাধারণ পাঠকের কথা চিন্তা করে বিষয়টা এভাবে উল্লেখ করেছি।

যারা এসব বিষয়ে জানেন তারা ভাবতে পারেন আমি Oversimplification করছি যেহেতু আমি Surrogate Physiology এর বিষয়টা আলোচনা করি নি। ওই লেভেলের ডিটেইল ফেসবুকে আলোচনা করা কঠিন।

~এই পর্যায়ে এসে আমার মাথায় একটা প্রশ্ন এলো। ১১ বছর আগে Internal Time: Chronotypes, Social Jet Lag, and Why You're So Tired নামে একটা বই পড়েছিলাম। বইটা পড়ার কারণে এই প্রশ্নটা মাথায় আসল। বইতে Nightshift এ কাজ করা মানুষদের Circadian Rhythm ও স্বাস্থ্যের উপর তার প্রভাব নিয়ে একটা চ্যাপ্টারে আলোচনা ছিল।

যারা পেশাগতভাবেই রাতে কাজ করেন, তাদের কী হয়?
Doctor, nurse, security guard, factory worker – এই মানুষগুলো শুধু একটু আলোতে ঘুমাচ্ছেন না, তারা পুরো রাত জেগে কাজ করছেন এবং দিনের বেলা ঘুমাচ্ছেন। তাদের circadian system সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে।

গবেষণা বলছে – এই মানুষগুলোর উপর প্রভাব ভয়াবহ।

Harvard-এর Nurses' Health Study-তে প্রায় ৭৫,০০০ আমেরিকান nurse-এর উপর ২২ বছর ধরে follow-up করা হয়।

যেসব nurse ৬ থেকে ১৪ বছর rotating night shift-এ কাজ করেছেন, তাদের সব কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ১১% বেশি এবং cardiovascular disease (CVD)-এ মৃত্যুর ঝুঁকি ১৯% বেশি ছিল।

যারা ১৫ বছর বা তার বেশি সময় night shift করেছেন, তাদের CVD-তে মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বেড়ে ২৩% বেশি হয়েছে।

এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয় — এগুলো বলছে যে আপনি যদি ১৫ বছর night shift করেন, তাহলে আপনার heart-এর উপর সেই ছাপ থেকে যাবে।

২০২২ সালে Nurses' Health Study-র আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে — যারা ১০ বছর বা তার বেশি night shift করেছেন, তাদের "healthy aging" অর্জনের সম্ভাবনা ২১% কম। অর্থাৎ শুধু আগে মরার ঝুঁকি নয়, বেঁচে থাকলেও সুস্থভাবে বার্ধক্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমে যায়।

২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি meta-analysis-এ ২৩টি cohort study বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে-- night shift work সামগ্রিকভাবে CVD ঘটনার ঝুঁকি ১৩% এবং CVD-তে মৃত্যুর ঝুঁকি ২৭% বাড়িয়ে দেয়।

বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ -- garment worker, security guard, hospital staff, রাতের shift-এ কাজ করেন। তারা এটা করেন পরিবারের জন্য, জীবিকার জন্য। কিন্তু তারা জানেন না এই কাজ তাদের শরীরে ভেতরে ভেতরে কী করছে।

Night shift workers-এর ক্ষতিটা মূলত একই mechanism-এ কাজ করে — শুধু অনেক বেশি তীব্রভাবে। তাদের circadian system শুধু বিভ্রান্ত হচ্ছে না, সম্পূর্ণ উল্টে যাচ্ছে। দিনে ঘুমানোর সময় সূর্যের আলো আসছে, রাতে কাজের সময় artificial light-এ কাজ করছেন। শরীরের ঘড়ি কখনো ঠিক সময় পাচ্ছে না।

তাহলে এর সমাধান কি? সেটা বিস্তারিত লিখলে লেখা আরো দীর্ঘ হবে। যারা Nightshift Worker তারা অন্তত এই বিষয়গুলো মেনে চলবেন–

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় সানগ্লাস পরবেন , যাতে ভোরের সূর্যের আলো চোখে না পড়ে এবং melatonin suppression না হয়। ঘুমানোর জায়গা যতটা সম্ভব অন্ধকার ও শব্দমুক্ত রাখতে হবে, blackout curtain বা eyemask ব্যবহার করবেন।

মানে হচ্ছে নাইট শিফটে কাজ করা মানুষদের এমন কিছু চেঞ্জ আনতে হবে, যাতে শরীর মনে করে সূর্য অন্যদের জন্য ৬টায় উঠলেও,তাদের জন্য দুপুর ১২ টায় উঠবে। অর্থাৎ Circadian clock-কে phase shift করতে হবে, যদিও এটা পুরোপুরি সম্ভব না অন্যান্য কিছু ফ্যাক্টরের কারণে।

~ যারা Nightshift Worker না তাদের জন্য যেসব Lifestyle change আনা জরুরি~

কিছু ছোট পরিবর্তন ঘুমের মান এবং circadian rhythm এর জন্য উপকারী হতে পারে।

শোবার ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার রাখা, যাতে শরীর স্পষ্টভাবে “রাত” বুঝতে পারে। Sleeping Eye Mask ব্যবহার করতে পারেন, যদি আলো বন্ধ করা সম্ভব না হয়।

অপ্রয়োজনীয় LED আলো, router-এর আলো, এবং standby indicator ঢেকে রাখা বা কমানো

ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখা, অথবা অন্তত উল্টো করে রাখা যাতে আলো কম চোখে পড়ে

পর্দা ঠিকভাবে ব্যবহার করা, যাতে বাইরে থেকে রাস্তার আলো ঢুকতে না পারে, আমি blackout curtain ব্যবহার করি।

ঘুমানোর আগে ডিজিটাল স্ক্রিন (মোবাইল/টিভি) ব্যবহার কমানো, যাতে melatonin স্বাভাবিকভাবে তৈরি হতে পারে
দিনের বেলা পর্যাপ্ত natural light exposure বাড়াবেন

শেষ কথা :

রাতের light exposure এককভাবে কোন রোগের সৃষ্টি করে না। তবে এটি circadian rhythm disturb করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে metabolic এবং cardiovascular health-এর ওপর subtle কিন্তু meaningful effect ফেলতে পারে।

ঘুম কোন passive state না, বরং active biological program, যেখানে
' light is one of the strongest timing signals'।

Dr. Farhad Hossain

Ref:
| Mason et al. (2022)
"Light exposure during sleep impairs cardiometabolic function"
Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS)

| Obayashi et al. (2020)
"Bedroom light exposure at night and the incidence of depressive symptoms"
Sleep Medicine

| Windred et al. (2024)
"Personal light exposure patterns and incidence of type 2 diabetes"
The Lancet Regional Health — Europe

| Windred et al. (2025)
"Light Exposure at Night and Cardiovascular Disease Incidence"
JAMA Network Open

| Outdoor LAN Mortality Study (2024)
"Outdoor light at night and mortality in the UK Biobank"
Occupational & Environmental Medicine

| Fan M. (2024)
"Revealing the mechanism of photoperception regulating glucose metabolism"
Frontiers in Medical Research

| Ishihara et al. (2023)
"The Complex Effects of Light on Metabolism in Humans"
Nutrients

| Gu et al. (2015)
"Total and Cause-Specific Mortality of U.S. Nurses Working Rotating Night Shifts"
American Journal of Preventive Medicine

| Nurses' Health Study — Healthy Aging (2022)
"Rotating Night Shift Work and Healthy Aging After 24 Years of Follow-up"
JAMA Network Open

| Xi et al. (2025)
"Association between night shift work and cardiovascular disease: a systematic review and dose-response meta-analysis"
Frontiers in Public Health

আপনি কি টয়লেটে ঢোকার আগে অটোমেটিক্যালি ফোন হাতে তুলে নেন? একটা Reel শেষ, আরেকটা শুরু। আর কখন যে দশ মিনিট পনেরো মিনিট হয...
08/06/2026

আপনি কি টয়লেটে ঢোকার আগে অটোমেটিক্যালি ফোন হাতে তুলে নেন? একটা Reel শেষ, আরেকটা শুরু। আর কখন যে দশ মিনিট পনেরো মিনিট হয়ে গেছে, টেরও পাননি। এই বিষয়গুলো ১০ বছর আগেও ছিল না।

এই বাজে অভ্যাসের কারণে Defecation এর মত গুরুত্বপূর্ণ কাজটা অনেকে ঠিকভাবে করতে পারছেন। আর এতে করেই Hemorrhoids এর মত সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।

সমস্যাটা আসলে কোথায়?

টয়লেট সিটে বসলে আপনার pelvic floor muscle কোনো solid support পায় না, মাঝখানে ফাঁকা। এই অবস্থায় উপর থেকে পেটের ওজন এবং ভেতর থেকে রক্তের চাপ একসাথে কাজ করে। মলদ্বারের আশেপাশে যে স্বাভাবিক রক্তনালীর নেটওয়ার্ক থাকে, যাকে বলে hemorrhoidal cushions, সেগুলোতে passive pressure বাড়তে থাকে।

বেশিক্ষণ বসে থাকলে এই cushion-গুলো স্ফীত হয়, আর সেটাই hemorrhoids বা পাইলস।

সমস্যাটা straining বা কোনো কারণে বারবার force করার চেয়েও বেশি নির্ভর করে সময়ের উপর।

Gastroenterologist Dr. Trisha Pasricha ১২৫ জনের উপর গবেষণা করে দেখেছেন -- যারা টয়লেটে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাদের ৩৭% গড়ে পাঁচ মিনিটের বেশি সময় সেখানে কাটান। ফোন না নেওয়া মানুষদের মধ্যে এই সংখ্যা মাত্র ৭%।

বয়স ও শারীরিক কার্যক্ষমতা adjust করার পরেও স্মার্টফোন ব্যবহার পাইলসের ঝুঁকি ৪৬ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়ার সাথে সম্পর্কিত।

স্মার্টফোন অ্যাপগুলো variable reward-এর উপর নির্মিত — ঠিক স্লট মেশিনের মতো। পরের স্ক্রলে কী আসবে জানেন না, তাই থামাতে পারেন না।

তথ্যসূত্র: Pasricha T. et al., PLOS One, 2025. DOI: 10.1371/journal.pone.0329983

কখনো ভাবি নাই,রসুন নিয়ে পোস্ট করতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে লিখতে চাই না কারণ ফ্রডগুলো সিউডোসাইন্সের আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন ফুড স...
08/06/2026

কখনো ভাবি নাই,রসুন নিয়ে পোস্ট করতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে লিখতে চাই না কারণ ফ্রডগুলো সিউডোসাইন্সের আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট উচ্চ দামে বিক্রি করে মানুষদের ঠকায়।

হলুদের কথাই বলা যায়। এক হলুদ থেকে পাওয়া Curcumin নিয়ে বাংলাদেশে এক কোম্পানি বাটপারি করেই যাচ্ছে। দুঃখজনকভাবে কয়েকজন পুষ্টিবিদও এসব জিনিসের প্রচার করছে। আমি ২ বছর আগে এগুলো নিয়ে লিখেছিলাম,ভিডিও আপলোড করেছিলাম। এই বছর New Scientist সাইটে এই বিষয়ে দুই দিন আগে নতুন আপডেট পেলাম।আশা করি,আপডেট করে পোস্ট করব।

রসুন নিয়ে BBC Science Focus ম্যাগাজিনের সাইটে খুব ভাল একটা আর্টিকেল পাবলিশ হয়েছে,যেখানে British Heart Foundation এর সিনিয়র ডায়েটিসিয়ান Dell Stanford ভাল কিছু কথা বলেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রসুনে থাকা Allicin নামক একটি বিশেষ Sulphur compound আমাদের শরীরে LDL বা 'bad' Cholesterol কমাতে সাহায্য করতে পারে। মজার বিষয় হলো, রসুনে সরাসরি Allicin থাকে না ,এটি তখনই তৈরি হয় যখন রসুন কাটা বা থেঁতো করা হয়। থেঁতো করার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করলে সবচেয়ে বেশি Allicin তৈরি হয়।

আমাদের শরীরের বেশিরভাগ Cholesterol খাবার থেকে আসে না, বরং Liver নিজেই তৈরি করে। সবার জন্য Cholesterol কমানো জরুরি নয়। Cholesterol আমাদের শরীরে Vitamin D তৈরিতে এবং Steroid Hormone উৎপাদনে প্রয়োজনীয়। এমনকি আমাদের Brain-এর ৬০ শতাংশই Fat, যার বড় অংশ Cholesterol। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত HDL ও LDL Cholesterol-এর সঠিক Balance বজায় রাখা।

Allicin, HMG-CoA Reductase (HMGCR) নামক একটি Enzyme-কে বাধা দেয়, যা Liver-এ Cholesterol তৈরির জন্য দায়ী। ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে এটি ঠিক সেই একই Enzyme যেটিকে Cholesterol-lowering Statin medicine টার্গেট কর।

এছাড়াও Allicin Intestine-এ Cholesterol শোষণ কমাতে এবং শরীর থেকে Cholesterol বের করে দিতেও সাহায্য করতে পারে।

আবার Aged Black Garlic-এ Allicin কম থাকলেও S-Allylcysteine (SAC) নামক আরেকটি Stable compound থাকে, যা Blood Pressure কমাতে এবং Blood Fat নিয়ন্ত্রণে কার্যকর বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

তবে সার্বিকভাবে গবেষণার ফলাফল এখনও Mixed। কিছু Study-তে রসুন Cholesterol কমাতে সক্ষম হয়েছে, আবার কিছু Study-তে তেমন কোনো Effect পাওয়া যায়নি। সমস্যা হলো, বিভিন্ন Study-তে Fresh Garlic, Garlic Powder, Garlic Oil, Garlic Extract– বিভিন্ন Form ও Dose ব্যবহার করা হয়েছে, যা তুলনা করা কঠিন করে তোলে। এই বিষয়টা বেশিরভাগ সাপ্লিমেন্টের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে রসুন খাবেন?

এদেশের মানুষ ভাত/বিরিয়ানি খাওয়ার সময় কাঁচাপেঁয়াজ খেলেও কাঁচা রসুন খায় না।

আমার লোকাল কালচার পুরান ঢাকাইয়াদের মত বলে, মাঝে মধ্যে কাঁচা রসুন খাওয়া হত। বিশেষ করে, ভাজা ইলিশ মাছ খাওয়ার সময় ১-২ কোয়া রসুন খেতাম।

কাঁচা রসুন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে রিকমেন্ড করার মত শক্তিশালী ইভিডেন্স এখনো নাই। British Heart Foundation এর মতে– এখন পর্যন্ত Garlic Supplement সেবনের সুপারিশ করার মতো যথেষ্ট এবং Consistent Evidence নেই। UK-এর বর্তমান Dietary Guidelines-এও Garlic Supplement-এর কোনো সুপারিশ নেই।

তারপরও যারা খেতে চান তারা কাঁচা রসুন থেঁতো করে ১০-১৫ মিনিট রেখে তারপর Salad বা খাবারে মিশিয়ে খেতে পারেন, যেহেতু রান্না করলে এই উপকারিতা পাবেন না।

কাঁচা রসুন খান, উপকার পেতে পারেন– তবে এটিকে Medicine বা কোন ম্যাজিক বুলেট মনে করবেন না।

Address

,Narayanganj
Dhaka
1400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Farhad's Notebook posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share