রবের আশ্রয়ে

রবের আশ্রয়ে Masnoon Ruqyah Point – Ruqyah Healing, and Hijama Center.

A Sunnah-based healing center dedicated to spiritual, emotional, and physical well-being through authentic Qur’anic Ruqyah and sunnah Hijama.

11/11/2025

এক পাকিস্তানি ভাইয়ের
জ্বরে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য কষ্টের গল্প:

রবের আশ্রয়ে’র অভিজ্ঞ রাক্বী
মাওলানা ফখরুজ্জামান ইমরান সাহেব
কিছুদিন আগে পাকিস্তান থেকে আগত একটি জামাতের নুসরতে গিয়েছিলেন।

সেখানে শুনলেন—একজন সাথী অনেকদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত। ঔষধ খেয়েও কোন কাজ হচ্ছে না, এমনকি আমলেও মন বসছে না।

মাওলানা ইমরান সাহেব বুঝলেন, বিষয়টা হয়ত সাধারণ অসুখ নয়—সম্ভবত বদ নজরের প্রভাব রয়েছে।

তাই আল্লাহর নামে, শিফার নিয়তে তিনি রুকইয়া শুরু করলেন।

প্রথমে রোগীর প্রতিক্রিয়া ছিল স্বাভাবিক,
কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই দৃশ্যটি ভয়াবহ হয়ে উঠল—
জ্বীন হাজির হয়ে নানা রকমের হুমকি ধামকি দিচ্ছে, রোগী অস্থির হয়ে অসংখ্যবার বমি করছে—কিন্তু বমিতে কোনো খাদ্যকণা নেই!
পরিস্থিতি ক্রমেই তীব্র হতে লাগল।

প্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা আরও কয়েকজন রাক্বির সহযোগিতায় টানা রুকইয়াহ চলল।
অবশেষে, আল্লাহর কুদরতে—জ্বীন চলে গেল।

পরে জানা গেল, রোগীর পারিবারিক সম্পর্কেও ছিল নানা জটিলতা—স্ত্রী ও ভাইবোনদের সাথে মনোমালিন্য ছিল, এমনকি পৈতৃক সম্পত্তি থেকেও তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
সম্ভবত এই অবিচারের মধ্যেই কোথাও ছিল যাদু ও জ্বীনের চালনা।

কিন্তু রুকইয়ার পরের মুহূর্তে সেই মানুষটির চেহারা ছিল দেখার মতো—
শিশুর মতো উজ্জ্বল, প্রশান্ত, এবং কৃতজ্ঞতায় ভরা মুখে তিনি বলে উঠলেন :
> “আলহামদুলিল্লাহ, আমার শরীর যেন নতুন করে হালকা হয়ে গেছে!”

---

অনেকে জ্বীনের প্রতিক্রিয়া বা বমির মতো লক্ষণ দেখে ভয় পেয়ে যান।
কিন্তু মনে রাখতে হবে—এটাই হচ্ছে শিফার সূচনা।
রুকইয়া না থামিয়ে , অবিচল থেকে আল্লাহর কালামের
ওপর ভরসা রেখে রুকইয়া চালিয়ে গেলে সুফল আসবেই ইনশা আল্লাহ্।

“নিশ্চয়ই আল্লাহর কালামেই রয়েছে শিফা।”
(সূরা আল-ইসরা: ৮২)

#রবের_আশ্রয়ে

জিন আক্রান্ত হওয়ার কিছু লক্ষন:(১) হঠাৎ আমল বা ইবাদতে অনিহা/অলসতা চলে আসা।(২) ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা।(৩) ঘুমের মধ্যে শরীর...
22/10/2025

জিন আক্রান্ত হওয়ার কিছু লক্ষন:

(১) হঠাৎ আমল বা ইবাদতে অনিহা/অলসতা চলে আসা।
(২) ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরা।
(৩) ঘুমের মধ্যে শরীরে ঝাকি লেগে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।
(৪) স্বপ্নে উঁচু কোন জায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা।
(৫) ঘুমের মধ্যে হাটাচলা করা।
(৬) প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করা।
(৭) মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
(৮) মনোযোগ স্থীর না থাকা।
(৯) মৃগীরোগ থাকা।
(১০) শরীরের নির্দিষ্ট অংশ হঠাৎ কাজ না করা এবং মেডিকেল রিপোর্টে সমস্যা ধরা না পরা।
(১১) আবোলতাবোল কথা বলা।
(১২) কারণ ছাড়া কান্না আসা বা হাসা।
(১৩) আজান এবং কুরআন তিলাওয়াত শুনলে অস্থীর হওয়া।
ইত্যাদি...

আপনি জিন বা জাদু আক্রান্ত কিনা মিলিয়ে দেখুন।

তবে ভয়ের কিছু নেই, আল্লাহর কালামের বারাকাহ এই সব কিছুর উর্ধ্বে। নিয়ম অনুযায়ী রুকইয়াহ করলে জ্বীন, জাদু ,বদ - নজর প্রভৃতি সমস্যা নির্মূল হয়ে যায়।

বিস্তারিত জানতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

*রুকিয়াহ কি*: “রুকিয়াহ্” (رُقْيَة) এর শাব্দিক অর্থ হলো —পাঠ করা, ঝাড়ফুঁক করা, বা দোয়া ও কুরআনের আয়াত দ্বারা আরোগ্য ...
19/10/2025

*রুকিয়াহ কি*:
“রুকিয়াহ্” (رُقْيَة) এর শাব্দিক অর্থ হলো —
পাঠ করা, ঝাড়ফুঁক করা, বা দোয়া ও কুরআনের আয়াত দ্বারা আরোগ্য কামনা করা।

পরিভাষায় রুকইয়াহ (Ruqyah) একটি ইসলামি চিকিৎসা পদ্ধতির নাম। যেখানে আল্লাহ্ সুবহানাহু তায়ালার কাছে কুরআনের আয়াত ও রাসূলুল্লাহ ﷺ শেখানো দোয়া পাঠ করে মানুষের শারীরিক, মানসিক বা আত্মিক সমস্যার সমাধান চাওয়া হয়।

রুকইয়াহর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে — জিন, শয়তান, নজর লাগা (evil eye), জাদু বা অন্য যেকোনো অদৃশ্য ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় চাওয়া হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে রুকইয়াহ করেছেন এবং সাহাবীদেরও তা শিখিয়েছেন।

> عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كُنَّا نَرْقِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَرَى فِي ذَلِكَ؟ فَقَالَ: اعْرِضُوا عَلَيَّ رُقَاكُمْ، لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ شِرْكٌ
— (সহিহ মুসলিম, হাদীস নং 2200)
অর্থ:
আউফ ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, আমরা জাহিলিয়াত যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল ﷺ, এ ব্যাপারে আপনার কী মত?”
তিনি বললেন — “তোমরা তোমাদের রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) আমার সামনে উপস্থাপন করো। এতে কোনো সমস্যা নেই, যতক্ষণ না তাতে শিরকের কিছু থাকে।”

সংক্ষেপে বলা যায়:
রুকইয়াহ মানে — কুরআন ও হাদীসের দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা ও সুরক্ষা প্রার্থনা করা।
যা শারীরিক, মানসিক বা আত্মিক সব ধরণের সমস্যার জন্যই কার্যকর হতে পারে।

রুকইয়াহ সম্পর্কিত নানা তথ্য জানতে আমাদের পেজটি ফলো করুন ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, যাতে সবাই উপকৃত হতে পারে।

অবুঝ শিশু ভয়ের কিছু দেখলে, দৌড়ে সে মায়ের কোলে মাথা গোঁজে। সে মায়ের কোলে নিরাপদ বোধ করে। হৃদয়স্পর্শী এ দৃশ্যে তখন লুকিয়ে ...
13/10/2025

অবুঝ শিশু ভয়ের কিছু দেখলে, দৌড়ে সে মায়ের কোলে মাথা গোঁজে। সে মায়ের কোলে নিরাপদ বোধ করে। হৃদয়স্পর্শী এ দৃশ্যে তখন লুকিয়ে থাকে আশ্রয়ের অনুভূতির দুনিয়ার দৃষ্টান্ত। শিশুটি মাকে নিজের রক্ষাকারী হিসেবে ভাবে। মা স্নেহময়ী, মা কোমলতার আধার, মা খেলার সাথি—সবকিছু ছাপিয়ে শিশুটির মনে তখন মায়ের যে বৈশিষ্ট্য প্রাধান্য পায়, তা হলো—মা আশ্রয়দাত্রী, সুরক্ষাদানকারী। তাই নিশ্চিন্তে সে মায়ের কোলে থেকে ওই ভীতিকর বস্তুর প্রতি তাকিয়ে খিলখিল করে হাসে। ভাবটা এমন, এখন পারলে আসো!

সুরা নাসে আল্লাহ রব্বুল আলামিন নিজের সিফাত উল্লেখের ব্যাপারে এই হিকমত অবলম্বন করেছেন। বান্দাকে তিনি সে অবুঝ শিশুটির চেয়েও নিশ্চিন্ত আর নিরাপত্তার অনুভূতি দিয়েছেন। তিনি রহমান, তিনি রহিম, তিনি রাজ্জাক, তিনি আযিয ইত্যাদি সব সিফাত তাঁর মাঝে পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তিনি ‘রব’, ‘মালিক’, ‘ইলাহ’ সিফাতগুলোকে উল্লেখ করেছেন। কেন? কারণ, তাঁর এ নামগুলোতে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষমতা প্রকাশ পায়।

তিনি রব—প্রতিপালক, লালনপালনকারী। যিনি লালন করেন, তিনি যদি সুরক্ষা না দেন, তবে আর কে আছে সুরক্ষা দেওয়ার মতো?

তিনি মালিক—অধিপতি, বাদশাহ। যিনি বাদশাহ, তিনি যদি তাঁর আবদকে আশ্রয় না দেন, তবে আর কে আছে আশ্রয় দেওয়ার মতো?

তিনি ইলাহ—একমাত্র উপাস্য। যিনি মাবুদ, তিনি যদি বান্দাকে নিরাপদ না রাখেন, তবে আর কে আছে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো?

আমরা অন্তরে গেঁথে নেব, আল্লাহর প্রতি আস্থা, ভরসায় অন্তরকে সুদৃঢ় করব; তবেই অনুভব করব কাঙ্ক্ষিত সুরক্ষা আর নিরাপত্তার অনুভব; যে অনুভবে একজন শিশু তার জন্য ভীতিকর বস্তুকেও ভ্রু নাচাতে পারে! একজন বান্দা এ বলে বলীয়ান হতে পারে—আমার একজন রব আছেন, যিনি মজবুত আশ্রয়ে আমাকে হিফাজত করবেন।

- উস্তায হাফিয আল মুনাদি হাফি:




#রবের_আশ্রয়ে

Address

Banasree
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রবের আশ্রয়ে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share