YA Latif Rukiya Ghor

YA Latif Rukiya Ghor Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from YA Latif Rukiya Ghor, Health & Wellness Website, Gopibagh, Dhaka.

ইয়ালাতীফু রুকিয়াহ ঘর ,কোনো তাবিজ কবজ বা কুফরী বিসস্বাস করে না
১২ দিনের রুকিয়াহ - ১০,০০০ হাদিয়া
৭ দিনের রুকিয়াহ - ৭,০০০ হাদিয়া
রুকিয়াহ পানি - ১০০০ হাদিয়া
এ ছাড়া রোগীর রোগ এর ধরণ অনুযায়ী চিকিৎসার হাদিয়া নেয়া হয়
গরিব ভাইবোন রা সম্পূর্ণ ফ্রি

12/05/2026

৩০ বছরের চালানকৃত জ্বিনকে জবাই করা হলো # @ 唐肇廷 #6

07/05/2026

হিংসা করে রুগীর পড়া লেখা নস্ট করার জন্য ব্রেন ডেমেজ করা চালানকৃত জ্বিনকে জবাই করা হলো। # @ @ @

25/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
চালানকৃত জিনকে ওয়াদা করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হল।

24/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
রুকাইয়া কোর্স সম্পূর্ণ করার পর,
আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখা প্রথম রোগী।
কুফরি করে চালান কৃত জ্বিন।

21/02/2026

পেটের জাদু;

সিহরুল মা'কুল বা মাশরুব হলো জাদুর এমন এক জঘন্য পদ্ধতি যেখানে কোনো খাবারের সাথে বা পানীয়র মাধ্যমে জাদুর বিষক্রিয়া শরীরের ভেতরে পৌঁছে দেওয়া হয়।

এটি অন্যান্য জাদুর চেয়ে একটু আলাদা, কারণ এর প্রভাব সরাসরি মানুষের পাকস্থলী এবং রক্তের সাথে মিশে যায়।

সাধারণত হিংসে বা অশুভ কোনো উদ্দেশ্য থেকে জাদুকররা মানুষের ব্যক্তিগত খাবার বা পানীয়তে নাপাক কিছু মিশিয়ে দেয় অথবা কোনো কুফরি কালাম পড়ে তাতে ফুঁ দিয়ে দেয়।

​যখন এই জাদুকৃত খাবার কারো পেটে যায়, তখন থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি শুরু হয়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আক্রান্ত ব্যক্তির পেটে প্রায়ই অস্বাভাবিক ব্যথা হয় এবং চিকিৎসকের কাছে গিয়েও কোনো রোগ ধরা পড়ে না। মুখ দিয়ে প্রায়ই দুর্গন্ধযুক্ত ঢেকুর আসে এবং কোরআন তেলাওয়াত শুনলে বা রুকইয়াহ করলে প্রচণ্ড বমি ভাব হয়। এটি কেবল শরীর খারাপ করে না, বরং মানুষের চিন্তাভাবনা এবং মেজাজকেও খিটখিটে করে দেয়। অনেকে স্বপ্নে দেখেন যে তারা নোংরা খাবার খাচ্ছেন বা কেউ তাকে জোর করে কিছু খাওয়াচ্ছে।

খাওয়ানো জাদুর (সিহরুল মা'কুল) প্রাথমিক লক্ষণগুলো শরীরের ভেতর থেকেই প্রকাশ পায়। যখন কোনো ব্যক্তি এই জাদুর শিকার হন, তখন তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে যা সাধারণ কোনো রোগ বা ওষুধের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায় না।

💧​প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তার পাকস্থলীতে সবসময় একটা অস্বস্তি লেগে আছে।

💧কোনো কারণ ছাড়াই পেট ফেঁপে থাকে বা প্রচণ্ড ভারি মনে হয়, যেন পেটের ভেতর পাথর চেপে আছে।

💧খাওয়ার রুচি হঠাৎ করেই একদম কমে যায়, অথবা খাবার সামনে এলেই তীব্র অনীহা বা বমি ভাব কাজ করে। অনেক সময় দেখা যায়, খাবারের স্বাদ একদম তিতা বা বিস্বাদ লাগছে।

💧​আরেকটি বড় লক্ষণ হলো ঘুমের ঘোরে অস্বস্তি।

💧আক্রান্ত ব্যক্তি স্বপ্নে নিজেকে প্রায়ই খাবার খেতে দেখেন, অথবা এমন মনে হয় যে কেউ তাকে জোর করে কোনো নোংরা বা অদ্ভূত জিনিস খাওয়াচ্ছে।

💧 ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর প্রচণ্ড ক্লান্ত লাগে এবং মনে হয় সারা রাত বিশ্রাম হয়নি।

💧​মানসিকভাবেও পরিবর্তন দেখা যায়।

💧অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া,

💧 খুব কাছের মানুষের ওপর বিরক্ত হওয়া এবং ইবাদতে বা কোরআন তেলাওয়াত শুনলে পেটের ভেতর মোচড় দিয়ে ব্যথা শুরু হওয়া এই জাদুর অন্যতম প্রধান প্রাথমিক সংকেত।

💧 অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নীলচে বা কালচে ছোপ ছোপ দাগ দেখা দিতে পারে, যার কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

​সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণটি প্রকাশ পায় যখন আক্রান্ত ব্যক্তি রুকইয়াহ বা কোরআনের আয়াত শুনতে শুরু করেন।

তখন তার পেটে প্রচণ্ড অস্বস্তি, গড়গড় শব্দ হওয়া বা বমি করে দেওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে সচেতন হওয়া এবং সঠিক শরয়ি চিকিৎসার দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

​এই জঘন্য সমস্যা থেকে মুক্তির মূল পথ হলো আল্লাহর ওপর ভরসা করে সঠিক পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করা।

রুকইয়াহর পানি পান করা এবং পাকস্থলী পরিষ্কার করার জন্য বিশেষজ্ঞ রাকির পরামর্শে সানা মক্কির মতো ভেষজ উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো খাওয়ার শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলা এবং নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যার জিকির করা, যা ঢাল হিসেবে আমাদের এই ধরনের অদৃশ্য আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

আপনি জ্বিন যাদুর কোনো রকম সমস্যার সম্মুখীন হোন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে চেক করুন সমস্যা আসলে কী.? জ্বী*ন যা*দু বা বদনজরের কোনো ইফেক্ট আছে কি না, তা নিশ্চিত হোন।

ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে
যোগাযোগ করুন 01888123657

**যৌন উত্তেজনা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া অথবা একেবারে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া – আশিক জিনের খেলা**  আপনার সাথে কি এমন হয় যে:  - অকারণ...
21/02/2026

**যৌন উত্তেজনা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া অথবা একেবারে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া – আশিক জিনের খেলা**

আপনার সাথে কি এমন হয় যে:
- অকারণে যৌন উত্তেজনা খুব বেড়ে যায়, মন সবসময় অশ্লীল চিন্তায় ভরে যায়?
- সহবাসে অতিরিক্ত আগ্রহ থাকলেও বীর্যপাত তাড়াতাড়ি হয় বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়?
- অথবা বিপরীতভাবে যৌন ইচ্ছা একেবারে নিস্তেজ হয়ে যায়, সহবাসে কোনো উত্তেজনা বা ক্ষমতা থাকে না?
- স্বপ্নে নিয়মিত যৌন সম্পর্ক বা আকর্ষণীয় নারী/পুরুষ দেখা যায়, ওয়েট ড্রিম ঘন ঘন হয়?
- বিবাহিত হলেও স্ত্রী/স্বামীর প্রতি ঘৃণা বা দূরত্ব বাড়ে, অন্যের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়?
- একা থাকলে শরীরে যৌন স্পর্শ বা চাপ অনুভব হয়?
- কুরআন/আজান শুনলে রাগ বা অস্বস্তি হয়, অথবা যৌন চিন্তা আরও বেড়ে যায়?

এগুলো অনেক সময় **আশিক জিন** (জিন আশিক / খবিস আশিক জিন) এর আছরের লক্ষণ। এই খবিস জিন মানুষের প্রতি যৌন আকর্ষণ বা প্রেম করে, শরীরে প্রবেশ করে যৌন উত্তেজনা অতিরিক্ত বাড়ায় বা একেবারে নিস্তেজ করে দেয়। বিবাহ ভাঙায়, পরকীয়া বা অশ্লীলতার দিকে টানে এবং জীবন ধ্বংস করে।

# # # কুরআন-হাদীসে জিনের এই ভয়ঙ্কর রূপ

আল্লাহ তা’আলা বলেন:
﴿وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَىٰ أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ﴾
“শয়তানরা তাদের বন্ধুদের কাছে ওহী পাঠায় যাতে তারা তোমাদের সাথে বিতর্ক করে।” (সূরা আন’আম: ১২১)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنِ ابْنِ آدَمَ مَجْرَى الدَّمِ»
“শয়তান মানুষের রক্তের মতো শিরায় শিরায় প্রবাহিত হয়।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

**ইবনে কাইয়্যিম রহ.** (যাদুল মা’আদ):
“কিছু জিন মানুষের প্রতি আশিক হয়ে যায়। তারা স্বপ্নে প্রবেশ করে যৌন সম্পর্ক করে, শরীরে দুর্বলতা দেয়, যৌন উত্তেজনা বাড়ায় বা নিস্তেজ করে এবং বিবাহে বিচ্ছেদ ঘটায়।”

**ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ.** (মাজমূ’ ফাতাওয়া):
“আশিক জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে অশ্লীল অনুভূতি দেয়, যা পরে তাদের বিবাহ ও জীবনে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে।”

# # # আশিক জিনের লক্ষণসমূহ

- যৌন উত্তেজনা অতিরিক্ত বাড়া বা একেবারে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া
- ঘন ঘন ওয়েট ড্রিম বা যৌন স্বপ্ন
- সহবাসে অক্ষমতা, দুর্বলতা বা অস্বস্তি
- সঙ্গীর প্রতি ঘৃণা বাড়া, অন্যের প্রতি আকর্ষণ
- একা থাকলে যৌন স্পর্শ বা চাপ অনুভব
- কুরআন শুনলে রাগ বা অস্বস্তি
- অশ্লীল চিন্তা বা পর্ন অভ্যাস বেড়ে যাওয়া
- বিবাহে বাধা বা পরকীয়ার প্রলোভন

# # # শারঈ মুক্তির উপায় (আশিক জিনের জন্য বিশেষ)

১. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা **আয়াতুল কুরসি + সূরা ফালাক + সূরা নাস** ৭ বার পড়ে শরীরে (বিশেষ করে যৌনাঙ্গের কাছে) ফুঁ দিন।
২. ঘুমানোর আগে **সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত** পড়ে ফুঁ দিন।
৩. রুকইয়াহ পানি বানিয়ে পান করুন এবং গোসল করুন (যৌনাঙ্গ ধোয়ার সময় দোয়া পড়ুন)।
৪. ঘরে প্রতিদিন **সূরা বাকারা** চালিয়ে দিন (শয়তান পালিয়ে যায়)।
৫. হারাম কনটেন্ট (পর্ন, অশ্লীল ছবি/ভিডিও, গান) থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন – এগুলো আশিক জিনকে শক্তি দেয়।
৬. নিয়মিত সাদাকা দিন, তওবা করুন এবং কুরআন তিলাওয়াত বাড়ান।

**সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:** লক্ষণ দেখলে অবিলম্বে রুকইয়াহ শুরু করুন। তাবিজ-কবজ বা জাদুকরের কাছে যাবেন না – এটা শিরক। সমাধান শুধু কুরআন ও সুন্নাহ।

📞 রুকইয়াহ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে যোগাযোগ করুন
+880 1888123657 (WhatsApp)
Gopibag Dhaka 1203

আল্লাহ আমাদের আশিক জিন ও খবিস আকর্ষণ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 💚

#আশিক_জিন #জিন_আছর #যৌন_সমস্যা #রুকইয়াহ #

"Ruqyah Support Global" আদ দুয়া রুকইয়াহ সেন্টার পরিচালিত একটি ইসলামিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শরিয়তসম্মত উপায়ে বদনজর, কালো যাদু ও জ....

20/02/2026

জাদু তুলে নষ্ট না করলে মানুষ কখনোই সুস্থ হবে না"—এই কথাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ইসলামী আকিদার পরিপন্থী।

ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, রোগ এবং শিফা (আরোগ্য) একমাত্র মহান আল্লাহর হাতে। জাদুর বস্তু (তাবিজ, পুতুল, চুল ইত্যাদি) খুঁজে বের করে নষ্ট করাটা জাদুর প্রভাব কাটানোর একটি কার্যকরী বা সহজ উপায় ঠিকই, কিন্তু এটিই একমাত্র উপায় নয়। জাদুর বস্তু খুঁজে না পেলেও পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আমলের মাধ্যমে (রুকইয়াহ) যেকোনো শক্তিশালী জাদু নষ্ট করা সম্ভব ইনশাআল্লাহ...
এবং নিজের ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করব...
নিচে কুরআন, হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ইসলামী কিতাবের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

প্রথম অংশ: "জাদু তুলে নষ্ট না করলে সুস্থ হবে না"—কথাটি কতটুকু সত্য?
এই ধারণাটি ভুল। কারণ আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন:

"আর আল্লাহ যদি তোমাকে কোনো কষ্টে নিপতিত করেন, তবে তিনি ছাড়া তা মোচনকারী আর কেউ নেই।" (সূরা আনআম: ১৭)
রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে যখন ইহুদি লবীদ ইবনে আসেম জাদু করেছিল, তখন জাদুর বস্তু একটি কূপের নিচে পাথরের তলায় রাখা ছিল। রাসূল (সা.) সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে জাদুর প্রভাব নষ্ট করেছিলেন। অনেক বর্ণনায় এসেছে জাদুর বস্তু তোলা হয়েছিল, তবে ইসলামী স্কলাররা একমত যে, জাদুর বস্তু যদি সাগরের তলদেশেও থাকে বা আগুনে পুড়িয়েও ফেলা হয়, তবুও কুরআনের আয়াতের তেলাওয়াতের মাধ্যমে তার প্রভাব শরীর থেকে সম্পূর্ণ নষ্ট করা যায়।

দ্বিতীয় অংশ: জাদু তোলা ছাড়া কীভাবে জাদু নষ্ট করা যায়? (দলিলসহ পদ্ধতি)
জাদুর বস্তু খুঁজে না পেলে 'রুকইয়াহ শারইয়াহ' (কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঝাড়ফুঁক) এর মাধ্যমে জাদু নষ্ট করতে হয়। বিখ্যাত ইসলামী স্কলার আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ.), শাইখ ইবনে বাজ (রহ.) এবং শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) এ বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

নিচে জাদু নষ্ট করার প্রমাণিত এবং সুন্নাহ সম্মত উপায়গুলো দেওয়া হলো:

১. সূরা বাকারার তেলাওয়াত
জাদু নষ্ট করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো সূরা বাকারা।

দলিল: রাসূল (সা.) বলেছেন, "তোমরা সূরা বাকারা তেলাওয়াত করো। কেননা এটি গ্রহণ করা বরকতের কাজ এবং বর্জন করা পরিতাপের কাজ। আর জাদুকরেরা এর মোকাবিলা করতে পারে না।" (সহিহ মুসলিম: ৮০৪)

পদ্ধতি: প্রতিদিন ঘরে সূরা বাকারা তেলাওয়াত করবেন (অডিও চালালেও ফায়দা হবে, তবে নিজে পড়া উত্তম)। এতে জাদুর প্রভাব কেটে যায়।

২. মুআউবিযাতাইন (সূরা ফালাক ও সূরা নাস) এবং সূরা ইখলাস
রাসূল (সা.)-এর ওপর করা জাদু নষ্ট করার জন্য আল্লাহ তায়ালা সরাসরি এই দুটি সূরা নাজিল করেছিলেন।

দলিল: মা আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) যখন অসুস্থ হতেন, তখন তিনি সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে নিজের ওপর ফুঁ দিতেন। (সহিহ বুখারি: ৫০১৬)

পদ্ধতি: প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায়, এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩ বার করে পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে মুছবেন।

৩. ৭টি কাঁচা বরই পাতা (Sidr leaves) ব্যবহার
জাদু নষ্ট করার জন্য এটি সালাফদের (পূর্বসূরী আলেমদের) একটি পরীক্ষিত এবং অত্যন্ত কার্যকরী পদ্ধতি। বিখ্যাত তাবেয়ী ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ (রহ.) এই পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন এবং আল্লামা ইবনে বাজ (রহ.) একে জাদুর শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বলেছেন।

পদ্ধতি: ৭টি কাঁচা বরই পাতা (কুল পাতা) নিয়ে দুটি পাথরের মাঝে বা পাটায় বেটে পেস্ট করে নেবেন। এরপর একটি বালতিতে গোসলের পরিমাণ পানিতে সেই পাতা মেশাবেন। তারপর ওই পানিতে মুখ কাছাকাছি নিয়ে নিচের আয়াতগুলো পড়বেন এবং ফুঁ দেবেন:

আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহসহ সূরা ফাতিহা (১ বার)।

আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারা: ২৫৫)।

সূরা আল-আরাফ এর ১১৭-১১৯ নং আয়াত।

সূরা ইউনুস এর ৭৯-৮২ নং আয়াত।

সূরা ত্বোয়া-হা এর ৬৫-৬৯ নং আয়াত।

সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস (প্রতিটি ৩ বার করে)।

ব্যবহার: এরপর ওই পানি থেকে ৩ ঢোক পান করবেন এবং বাকি পানি দিয়ে গোসল করবেন। জাদুর প্রভাব পুরোপুরি নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কয়েকদিন এই আমল চালিয়ে যাবেন। (তথ্যসূত্র: ফাতাওয়া ইবনে বাজ, ৩/২৭৪)।

৪. সুন্নাহ সম্মত দোয়া দিয়ে ঝাড়ফুঁক
রাসূল (সা.) অসুস্থতা ও জাদুর প্রভাব কাটাতে কিছু বিশেষ দোয়া পড়তেন।

দলিল ও পদ্ধতি: জিবরাইল (আ.) রাসূল (সা.)-কে এই দোয়া পড়ে ঝাড়ফুঁক করেছিলেন:

"বিসমিল্লাহি আরক্বীকা, মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ু’যীকা, মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হাসিদিন, আল্লাহু ইয়াশফীকা, বিসমিল্লাহি আরক্বীকা।" (সহিহ মুসলিম: ২১৮৬)
অর্থ: আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি, এমন সব কিছু থেকে যা আপনাকে কষ্ট দেয়। প্রত্যেক ব্যক্তি ও হিংসুটে চোখের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দিন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।

৫. হিজামা (Cupping Therapy) করানো
জাদুর প্রভাব অনেক সময় মানুষের রক্তে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আটকে থাকে।

দলিল: আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ.) তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'যাদুল মাআদ' (৪/১২৬) এ বলেছেন, "জাদুগ্রস্ত স্থানে হিজামা করা বা শিঙা লাগানো জাদুর সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসাগুলোর একটি।"

পদ্ধতি: কোনো অভিজ্ঞ ও সুন্নাহ মেনে চলা হিজামা থেরাপিস্টের কাছ থেকে মাথায় এবং পিঠে (সুন্নাহ পয়েন্টগুলোতে) হিজামা করালে জাদুর বিষাক্ত প্রভাব শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

জরুরি শর্তাবলি:
জাদু নষ্ট করার জন্য এই আমলগুলো তখনই কাজে আসবে যখন রোগীর মধ্যে নিচের বিষয়গুলো থাকবে:
১. আকিদা ঠিক রাখা: বিশ্বাস রাখতে হবে কুরআন বা পাতার নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, শিফা দেওয়ার মালিক কেবল আল্লাহ।
২. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ: নামাজ ছাড়া কোনো রুকইয়াহ বা আমল কাজে আসবে না।
৩. হারাম থেকে বেঁচে থাকা: গান-বাজনা, সুদ, বেপর্দা চলাফেরা ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
৪. শিরক ও বিদআত মুক্ত থাকা: জাদুর কাটানোর জন্য অন্য কোনো জাদুকর, গণক বা কুফরি তাবিজ-কবজ ব্যবহার করা যাবে না। এটি শিরক এবং এর দ্বারা ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। (সহিহ মুসলিম: ২২৩০)।

আমি একজন পেসেন্ট এর ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করি... যদিও এমন কেইস বহু রয়েছে।
ঘটনা -০১
একজন পরিচিত ভাই এর রিযিকের উপর জাদু করা হয়েছে জাদু ফেলে এসেছে সাগরে.... সাগরে জাদু ফেলে আসছে তার মানে কি এটা উঠাতেই হবে??

এটা কি আধো সম্ভব যে সরাসরি কই না কই আছে এটা তুলব??
তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলাম রাকী হিসেবে ও পেসেন্টকে বললাম খুব আকুতি মিনুতি করে আল্লাহর দরবারে কান্না কাটি করে হলেও জাদু ধ্বংসের দোয়া করুন আল্লাহ পরিপূর্ণ ধ্বংস করে দিবেন ইনশাআল্লাহ...

আলহামদুলিল্লাহ মাস না যেতেই পেসেন্ট সুস্থ.. সব কিছু ঠিক ঠাক..

ঘটনা -০২..

একজন বোন যাকে কিনা কুফরি করা হয়েছে সন্তান যাতে না হয়... তার জাদু কবরে পুতে রাখা আগের স্বামীর বাড়ির কবরস্থানে ...

আলহামদুলিল্লাহ ২-৩ মাস রুকইয়াহ চিকিৎসা জাদু ধ্বংস হয়ে ৫ বছর পর তার সন্তান কসনিভ করল পেসেন্ট সুস্থ আলহামদুলিল্লাহ...

আশা করি আপনাদের বুঝতে বাকি নেই যে জাদু উঠানো বাধ্যতামূলক নয়.. পেলে ভাল ধ্বংস করা সহজ... না পেলে আল্লাহর কাছে দোয়া আমল চালিয়ে যেতে হবে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ সাহায্য করবেন...

সারসংক্ষেপ: জাদুর বস্তু খুঁজে পাওয়া গেলে তা নষ্ট করে দেওয়া ভালো। কিন্তু খুঁজে না পেলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সূরা বাকারা, সূরা ফালাক, সূরা নাস তেলাওয়াত, বরই পাতার গোসল এবং রুকইয়াহ শারইয়াহর মাধ্যমে রাকীর পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে চলুন... আল্লাহর রহমতে যেকোনো জাদুর প্রভাব শতভাগ নষ্ট করা সম্ভব। ইনশাআল্লাহ।

🖋️Md,Rashedul islam
01888123657(WhatsApp)
Gopibag jame mosjid
গুপিবাগ ঢাকা ১২০৩

10/01/2026
09/01/2026

Black Magic VS Islam

রাশিয়ার একজন তথাকথিত জাদুকর বা অকাল্টিস্ট (Occultist) ঝান্না কুশনির (Zhanna Kushnir)।

একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে জাদুর প্রভাব এবং এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আধ্যাত্মিক সাধনা বা জাদুর মাধ্যমে সব মানুষকে সমানভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব হয় না।

​তিনি জানান যে, একজন প্রকৃত মুসলিমকে জাদুর মাধ্যমে প্রভাবিত করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, মুসলিমরা তাদের স্রষ্টার (আল্লাহর) সাথে এক অনন্য এবং সার্বক্ষণিক আত্মিক সংযোগ বজায় রাখে। তাদের নিয়মিত নামাজ এবং ইবাদত তাদের চারপাশে একটি "অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়" (Invisible Dome) তৈরি করে।

​ঝান্না কুশনির একটি বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, যখন তিনি কোনো অমুসলিমকে নিয়ে জাদুর প্রক্রিয়া শুরু করেন, তখন খুব সহজেই সেই ব্যক্তিকে তার কল্পনায় বা 'ভিশনে' নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু একজন নিষ্ঠাবান মুসলিমের ক্ষেত্রে তিনি তা পারেন না। এমনকি তার সামনে সেই ব্যক্তির ছবি থাকলেও তিনি তার অবয়ব বা অস্তিত্বকে আধ্যাত্মিকভাবে স্পর্শ করতে পারেন না। তার কাছে মনে হয়, সেই ব্যক্তিটি যেন অদৃশ্য হয়ে গেছেন বা কোনো এক শক্তিশালী দেয়ালে ঢাকা পড়ে আছেন।

​তিনি স্বীকার করেন যে, একজন মুসলিমের ওপর জাদু প্রয়োগ করতে গেলে তিনি বারবার বাধাগ্রস্ত হন। কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তার জাদুকরী প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে দেয় না। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই বিশেষ সুরক্ষা এবং অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রধানত মুসলিমদের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করেছেন।

সূরা নাহল-এর ৯৯ নম্বর আয়াতটি এই ঘটনার একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করে:

​اِنَّہٗ لَیۡسَ لَہٗ سُلۡطٰنٌ عَلَی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَلٰی رَبِّہِمۡ یَتَوَکَّلُوۡنَ



"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের রবের উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করেছে, তাদের ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য নেই।" (সূরা আন-নাহল: ৯৯)

​ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, নামাজ, জিকির এবং আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল হিসেবে কাজ করে। এই সাক্ষাৎকারটি সেই চিরন্তন সত্যেরই একটি সমসাময়িক বাস্তব স্বীকৃতি।

​এই ভিডিওটি মূলত রাশিয়ান ভাষায় ছিল, যা পরবর্তীতে ইংরেজি ও বাংলা সাবটাইটেলসহ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

Address

Gopibagh
Dhaka
1203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when YA Latif Rukiya Ghor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share