06/03/2026
রমজান মাসে যারা Diabetes Mellitus রোগী এবং Insulin গ্রহণ করেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই সেহেরির পর সকালবেলা Hypoglycemia হওয়ার ঝুঁকি থাকে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যেতে পারে।
এই ধরনের হাইপো এড়ানোর জন্য তারা সেহেরির সময় ইনসুলিনের ডোজ এক কমিয়ে নিতে পারে। এতে সকালে রক্তে শর্করা খুব বেশি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে ইনসুলিনের ডোজ পরিবর্তনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
রমজান মাসে একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা মেনে চলাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ইফতারে ভাজা পোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়ানো ভালো। যদি একান্তই খেতে হয় তাহলে সর্বোচ্চ দুই পিসের বেশি নয়।
খেজুর খেতে চাইলে এক পিসের বেশি না খাওয়াই ভালো। খেজুরের সাথে এক বাটি ছোলা বা এক কাপ ছোলা এবং সালাদ খাওয়া ভালো।
ইফতারের সময় ইসবগুলের ভুষির সাথে লেবু এবং সামান্য পরিমাণে পিঙ্ক সল্ট মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এতে হজম ভালো থাকে এবং শরীর হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে।
সেহেরিতে অল্প পরিমাণে ভাত অথবা লাল আটার রুটি রাখা ভালো। এর সাথে দুই টুকরো মাছ বা মাংস রাখা ভালো। চাইলে এক পিস ডিমও খাওয়া যেতে পারে।
সারাদিন রোজা রাখার কারণে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ইফতারের পর থেকে সেহেরির আগ পর্যন্ত দুইটি ডিম খেতে পারে। সে চাইলে ইফতারে একটি ডিম এবং সেহেরিতে আরেকটি ডিম খেতে পারে। আবার যদি এভাবে খেতে ভালো না লাগে তাহলে ইফতারে একটি ডিম এবং মধ্যরাতে একটি ডিম খেতে পারে।
যাদের হাইপো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং Electrolyte Imbalance হয়ে থাকে, যেমন মাথা ঘোরা, ঝিম ঝিম করা, পড়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি বা ঘাড়ে ব্যথা হওয়া, তাদের ইফতারের পর বেশি পরিমাণে পানি পান করা উচিত। পাশাপাশি ইফতারের শরবতের মধ্যে এক চিমটে পিঙ্ক সল্ট মিশিয়ে খেলে শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।