Nutritionist Tanzima Mukti

Nutritionist Tanzima Mukti Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutritionist Tanzima Mukti, Nutritionist, KGN Medicare Limited, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2, Dhanmondi Dhaka-1205.

Nutritionist & Diet Consultant
B.Sc. & MS in Food and Nutrition (HEC, DU)
Internship Training, BIRDEM
Special training on lifestyle & food habit management for Heart Disease & Diabetes, SAAOL Heart center(INDIA)
Child Nutrition (BADN)

ফলের রাজা আমের মিষ্টি সুবাস আর স্বাদে মাতোয়ারা হওয়ার সময় এখন। একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে এই সময়ে আমাকে সবচেয়ে বেশি যে প্র...
25/05/2026

ফলের রাজা আমের মিষ্টি সুবাস আর স্বাদে মাতোয়ারা হওয়ার সময় এখন। একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে এই সময়ে আমাকে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, তা হলো—আপু, আমি কি আম খেতে পারব? কতটুকু খাব?

আম ফল হিসেবে খারাপ না। কিন্তু একেকজনের শারীরিক কন্ডিশন বিবেচনায় এটা সবার জন্য ভালো—এমনটাও না।

একটু সংখ্যার ভাষায় বলি।
১০০ গ্রাম পাকা আমে গড়ে প্রায় ৬০ কিলোক্যালরি থাকে। কার্বোহাইড্রেট প্রায় ১৫ গ্রাম, যার মধ্যে প্রাকৃতিক চিনি প্রায় ১৪ গ্রাম। ফাইবার মাত্র দেড় গ্রাম মতো। ভিটামিন C প্রায় ৩৬ মিলিগ্রাম, কিছু beta-carotene আছে, ফোলেট আছে, আর পটাশিয়াম প্রায় ১৬৮ মিলিগ্রাম। ফ্যাট আর প্রোটিন কার্যত নেই।
মানে কী দাঁড়ালো?

আম মূলত একটি সুগার-ডোমিনেন্ট ফল। ফাইবার কম, গ্লাইসেমিক লোড তুলনামূলক বেশি। এটা ভালো না খারাপ—সেটা নির্ভর করে আপনার ইনসুলিন সেনসিটিভিটি, লিভার ফাংশন, কিডনি ফাংশন আর সামগ্রিক মেটাবলিক হেলথের উপর।
যাদের শরীর মেটাবলিকালি হেলদি, যাদের ফাস্টিং ইনসুলিন স্বাভাবিক, পেটে ভিসেরাল ফ্যাট নেই, লিভার ও কিডনি ভালোভাবে কাজ করছে—এই ধরনের শরীর দিনে একবার খাবারের সাথে কিছুটা আম সাধারণত ভালোভাবেই হ্যান্ডেল করতে পারে। যারা ওজন বাড়াতে চান, তারা চাইলে তুলনামূলক একটু বেশি পরিমাণেও খেতে পারেন। কারণ এই শরীরের গ্লুকোজ হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি এখনো ভালো থাকে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—আমাদের অধিকাংশ মানুষ এই গ্রুপে পড়ে না।
পিসিওএস, প্রিডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা, ওজন বেশি, অথবা ওজন নরমাল হলেও পেটে মেদ—এই অবস্থাগুলোতে শরীর আগেই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের দিকে ঝুঁকে থাকে। সেখানে আম আলাদা করে খাওয়া হলে সেটা ফল হিসেবে কাজ না করে মেটাবলিক স্ট্রেসর হয়ে যায়। এই কারণেই একই আম একজনের শরীরে সমস্যা করে না, আরেকজনের শরীরে ওজন, ট্রাইগ্লিসারাইড আর হরমোনাল ইস্যু বাড়িয়ে দেয়।
তবুও যদি একান্তই খেতে হয়, তাহলে দিনে ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ গ্রাম—মানে মাঝারি আকারের একটি আমের অর্ধেক বা ৩–৪ টুকরোর বেশি না। আম কখনোই খালি পেটে খাবেন না। এতে ব্লাড সুগার হঠাৎ স্পাইক করে। সবচেয়ে ভালো হয় আমের সাথে কিছু প্রোটিন ও ফ্যাট যোগ করলে—যেমন সালাদ, কাঠবাদাম, আখরোট বা চিয়া সিড। এতে আমের সুগার অ্যাবজর্বশন ধীরে হয়।
আর যেদিন, যে বেলায় আম খাবেন, সেদিন সেই মিল থেকে প্রধান কার্বোহাইড্রেট সোর্স—যেমন ভাত—বাদ দেওয়া বা অন্তত পরিমাণ কমিয়ে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যাদের ফ্যাটি লিভার (early stage), হাই ইউরিক অ্যাসিড, অথবা হার্ট ডিজিজ আছে কিন্তু ব্লাড সুগার, ট্রাইগ্লিসারাইড ও ব্লাড প্রেসার ভালোভাবে কন্ট্রোলড—তাদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ আম, সেটাও খাবারের সাথে, সপ্তাহে এক–দুবারের বেশি না।

আর যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস আছে, বা হার্ট ডিজিজের সাথে ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক সিনড্রোম ঠিকমতো কন্ট্রোলড না—তাদের জন্য আম না খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

কিডনি পেশেন্টদের ক্ষেত্রে আম নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝাবুঝি দেখা যায়। আর্লি স্টেজ কিডনি সমস্যায়, যখন পটাশিয়াম এখনো নরমাল থাকে, তখন খুব অল্প পরিমাণে, খুব কম ফ্রিকোয়েন্সিতে আম কখনো কখনো এলাউ করা যায়—তাও অবশ্যই যিনি চিকিৎসা বা পুষ্টি পরামর্শ দিচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে। কিন্তু advanced CKD বা ডায়ালাইসিস পেশেন্টদের জন্য আম কোনোভাবেই সেইফ ফল না। এখানে ন্যাচারাল বা সিজনাল যুক্তি কাজ করে না। এখানে পটাশিয়াম লোড, সুগার লোড আর ফ্লুইড ব্যালান্স—সবকিছু একসাথে বিবেচনা করতে হয়।

একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার—
ফল মানেই আদর্শ খাবার না।
ন্যাচারাল সুগার মানেই হার্মলেস না।

আপনার শরীরের কন্ডিশন বুঝে খাবার নির্বাচন করুন। শরীর এখন কোন স্টেজে আছে, সেটা না জেনে ফল খাওয়াটাও এক ধরনের রিস্ক।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

অনেকেই ভাবেন, ওজন কমানো মানেই তো সাধারণ একটা হিসাব—কম খাবো আর বেশি ক্যালোরি বার্ন করবো।কিন্তু বাস্তবে কি আসলেই ব্যাপারটা...
24/05/2026

অনেকেই ভাবেন, ওজন কমানো মানেই তো সাধারণ একটা হিসাব—কম খাবো আর বেশি ক্যালোরি বার্ন করবো।
কিন্তু বাস্তবে কি আসলেই ব্যাপারটা এত সহজ?

যদি তা-ই হতো, তবে এত এত ডায়েট চার্ট ফলো করার পরও কেন একটা সময় গিয়ে ওজন কমা আটকে যায় (Weight Plateau)? কেন পেটের জেদি চর্বি (Belly Fat) কিছুতেই কমতে চায় না?

ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনের জায়গা থেকে যদি বলি, ওজন না কমার পেছনে শুধু খাবার দাবার দায়ী নয়। এর পেছনে লুকিয়ে থাকে শরীরের ভেতরের কিছু জটিল মেটাবলিক এবং হরমোনাল ইমব্যালেন্স।

তাই ওজন কমানো কোনো "One-Size-Fits-All" বা সবার জন্য এক নিয়ম—এমন বিষয় নয়। এর জন্য প্রয়োজন মেটাবলিজম বুঝে সাইন্স-বেসড ইন্টারভেনশন।

আর ঠিক এই জায়গাটাতেই একা একা লড়তে গিয়ে বেশিরভাগ মানুষ খেই হারিয়ে ফেলেন। প্রথম কিছুদিন মোটিভেশন থাকলেও, সঠিক মনিটরিং এবং গাইডেন্সের অভাবে ডায়েটটা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়।
আপনাদের এই জার্নিটাকে সহজ, বৈজ্ঞানিক এবং টেকসই করতে MindSheba-এর ব্যানারে আমরা একদল প্রফেশনাল নিউট্রিশনিস্ট এবং ফিটনেস ট্রেইনার নিয়ে এসেছি ২ মাসব্যাপী গাইডেড অনলাইন প্রোগ্রাম — “Fat to Fit”।

২ মাসের এই কমপ্লিট প্রোগ্রামে আপনি যা যা পাচ্ছেন:
✅ ৩টি কমপ্লিট পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান এবং ১টি মডিফাইড ডায়েট প্ল্যান
✅ ৮টি লাইভ গাইডেড এক্সারসাইজ সেশন।
✅ ২৪/৭ রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সাপোর্ট।
✅ প্রতিটি ডায়েট প্ল্যান দেওয়ার পর আমাদের নিউট্রিশনিস্ট টিমের সাথে জুম (Zoom) মিটিং ও প্রবলেম সলভিং সেশন।
✅ প্রোগ্রাম শেষে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে গাইডলাইন সেশন।

ভুল পদ্ধতিতে শরীরকে কষ্ট না দিয়ে, আসুন বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভেতরের মেটাবলিজমকে ঠিক করে সুস্থভাবে ওজনের পরিবর্তন আনি।

📌 Fat to Fit প্রোগ্রামের ডিটেইলস ও রেজিস্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে।

21/05/2026

এটা প্রায়শই বলতে শোনা যায় যে থাইরয়েড এর পেশেন্টরা ক্রুসিফারাস ভেজিটেবল ( ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, শালগম) খাবেন না। এটা আসলে কতটা সঠিক অথবা এটা খেলে কি হয় এই বিষয়ে ক্লিয়ার ধারণা পেতে দেখতে পারেন এই ভিডিওটি।

এছাড়াও সম্পূর্ণ পডকাস্টটি দেখতে চাইলে লিংক পেয়ে যাবেন কমেন্টবক্সে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

সম্প্রতি কারিনা কায়সারের হেপাটাইটিসজনিত লিভার ফেইলিউরের (Acute Liver Failure) কারণে অকাল মৃত্যু আমাদের সবাইকে স্তব্ধ কর...
18/05/2026

সম্প্রতি কারিনা কায়সারের হেপাটাইটিসজনিত লিভার ফেইলিউরের (Acute Liver Failure) কারণে অকাল মৃত্যু আমাদের সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ৩১ বছরের একটি প্রাণবন্ত প্রাণ এভাবে ঝরে যাওয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মেটাবলিক স্বাস্থ্যের সামান্য অবহেলাও কতটা মারাত্মক হতে পারে। একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আজ তাই লিভারের গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার বিজ্ঞানসম্মত উপায় নিয়ে কিছু জরুরি কথা বলতে চাই।

লিভার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আমাদের শরীরে লিভার শুধু একটা অর্গান নয়, এটি ৫০০-এরও বেশি রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মূল কেন্দ্র।
লিভার হচ্ছে শরীরের সবচেয়ে বড় মেটাবলিক অর্গান। আপনি যা খান, যা পান করেন, এমনকি যে ওষুধ খান—সবকিছুর ফাইনাল প্রসেসিং হয় লিভারে।
লিভারই রক্ত থেকে টক্সিন পরিষ্কার করে, খাবারকে শক্তিতে রূপান্তর করে, ফ্যাট ও কোলেস্টেরল ম্যানেজ করে, ব্লাড সুগার ব্যালান্স রাখে, হরমোন ব্রেকডাউন করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে সাপোর্ট দেয়। থাইরয়েড হরমোন অ্যাক্টিভেশন (T_4 থেকে T_3-তে রূপান্তর) এবং ভিটামিন A, D, B12 ও আয়রনের মতো জরুরি উপাদানের স্টোরেজ হাউস হলো লিভার।

এক কথায়—লিভার ঠিক থাকলে শরীরের অনেক সমস্যা চুপচাপ কন্ট্রোলে থাকে।
আর লিভার নষ্ট হতে শুরু করলে—ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, স্কিন প্রবলেম, পেট ফোলা, ক্লান্তি, এমনকি লিভার ফেলিওর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় কী জানেন?
অনেক ক্ষেত্রে লিভার ৮০% ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এটি কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখায় না। তাই কোনো লক্ষণ নেই মানেই আপনার লিভার সম্পূর্ণ সুস্থ আছে, এই ধারণা ভুল। তাই লিভারকে বলা হয় "Silent Organ"।

কারিনা কায়সারের ঘটনা থেকে আমাদের লার্নিং পয়েন্ট হলো:

১. ভাইরাল লোড ও ইমিউনিটি: বাইরের খোলা খাবার, অপরিচ্ছন্ন পানি বা রাস্তার জুস থেকে যেকোনো সময় এই ভাইরাস আমাদের লিভারে আক্রমণ করতে পারে।
২. হঠাৎ ওভারলোড: লিভার যদি আগে থেকেই ফ্যাটি লিভার (NAFLD) বা ক্রনিক সাবক্লিনিক্যাল ইনফ্লামেশনের মধ্য দিয়ে যায়, তবে নতুন কোনো তীব্র ভাইরাল ইনফেকশন সে আর নিতে পারে না। ফলে দ্রুত 'একিউট লিভার ফেইলিউর' ঘটে। তাই আপনার খাদ্য, লাইফস্টাইল, পেটের মাপ, ওজন এগুলো নিয়ে হেলা করা একেবারেই উচিত না।
৩. সেলফ-মেডিকেশন বা পেইনকিলার: যেকোনো জ্বরে বা ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যত্রতত্র পেইনকিলার বা প্যারাসিটামল খাওয়া লিভারের ওপর চরম টক্সিক প্রেসার তৈরি করে।

লিভারের কার্যক্ষমতা ও মেটাবলিক হেলথ ধরে রাখতে আমাদের করণীয় কি??

১. ওয়াটার হাইজিন ফার্স্ট (Water Hygiene):
বাইরে বের হলে ফুটানো বা ফিল্টার করা পানি নিশ্চিত করুন। রাস্তাঘাটের খোলা শরবত, জুস বা বরফ দেওয়া পানীয় সম্পূর্ণ পরিহার করুন। হেপাটাইটিস এ এবং ই থেকে বাঁচার এটাই প্রধান উপায়।

২. লিভার ডিটক্স পাথওয়ে সচল রাখা:
ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলস (ব্রকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি) এবং ওলকপি খাদ্যতালিকায় রাখুন। এগুলোতে থাকা 'সালফোরাফেন' লিভারের Phase 2 ডিটক্সিফিকেশন পাথওয়েকে উদ্দীপিত করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি বা ব্ল্যাক কফি (চিনি ছাড়া) লিভারের এনজাইম ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৩. ফ্রুক্টোজ ওভারলোড কমানো:
প্রসেসড ফুড, সফট ড্রিংকস এবং অতিরিক্ত রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট লিভারে গিয়ে সরাসরি ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তর হয়, যা ফ্যাটি লিভারের মূল কারণ। মেটাবলিক ফ্লেক্সিবিলিটি ধরে রাখতে এগুলো এভয়েড করার চেষ্টা করুন।

৪. ডায়েট এবং ওয়েট ম্যানেজমেন্ট: খাবারে রাখুন পর্যাপ্ত প্রোটিন, এন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ন্যাচারাল ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং পেটের চর্বি কমানোর দিকে গুরুত্ব দিন।

৫. সার্কাডিয়ান রিদম (Chronobiology) মেনে চলা:
লিভারের নিজস্ব একটি ঘড়ি আছে। লিভারের ডিটক্সিফিকেশন এবং রিজেনারেশনের প্রধান কাজগুলো হয় গভীর রাতে (রাত ১১টা থেকে ৩টার মধ্যে)। তাই ক্রনিক রাত জাগা লিভারের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। লিভার ভালো রাখতে সময়মতো ঘুম অত্যন্ত জরুরি।

৬. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নয়:
যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা পেইনকিলার লিভারের মাধ্যমে মেটাবোলাইজড হয়। তাই সামান্য উপসর্গেই ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) ড্রাগ খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করুন।

মনে রাখবেন, একটি সুস্থ লিভার মানেই একটি শক্তিশালী মেটাবলিজম, উন্নত হরমোনাল ব্যালেন্স এবং দীর্ঘায়ু। আসুন, আমরা আমাদের প্রতিদিনের লাইফস্টাইল এবং খাদ্যভ্যাসে সচেতন হই। দুর্ঘটনা ঘটার পর আফসোস করার চেয়ে, প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হোক আমাদের লক্ষ্য।

আপনার লিভারের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

17/05/2026

অনেকেই ওজন কমাতে গিয়ে না বুঝেই ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করেন। তখন দেখা যায়—অনেক কষ্ট করেও ওজন খুব একটা কমছে না, অথবা ওজন কিছুটা কমলেও হরমোনাল ইমব্যালেন্স থেকেই যাচ্ছে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ঠিক হচ্ছে না, ভুঁড়ি কমছে না কোনোভাবেই, কিংবা গাট হেল্থ ধীরে ধীরে খারাপ হয়ে পড়ছে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, আপনি পারফেক্ট ডায়েট ফলো করছেন, প্রতিটি ক্যালোরি হিসাব করছেন—কিন্তু তবুও ওজন কমছে না।
কারণ ওজন কমানো শুধু “কম খাওয়া”-র বিষয় নয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত স্ট্রেস এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে শরীর সহজে ফ্যাট বার্ন করতে পারে না। বরং ইনসুলিন ও কর্টিসল বেড়ে গিয়ে বিশেষ করে পেটের দিকে ফ্যাট জমার প্রবণতা বাড়ায়।

তাই শুধু কতটা খাচ্ছেন তা নয়—কি খাচ্ছেন, কখন খাচ্ছেন, কেমন ঘুমাচ্ছেন, কতটা স্ট্রেস নিচ্ছেন এবং শরীর খাবারকে কীভাবে ব্যবহার করছে—এই সবকিছুই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই MindSheba –এর উদ্যোগে আমরা একদল নিউট্রিশনিস্ট টিম আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি Fat to Fit—একটি ২ মাসের ওয়েট লস প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামটি শুধু ওজন কমানোর জন্য নয়, বরং শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ, অ্যাক্টিভ ও এনার্জেটিক করে তুলতে সহায়তা করবে।

এই প্রোগ্রামে নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে থাকছি—আমি তানজিমা মুক্তি, সুমাইয়া শিলা, তানজিন তাবাবী এবং ফারহানা নিশা।
এছাড়া এক্সারসাইজ সেশন পরিচালনা করবেন আমাদের টিমের ফিটনেস কোচ রওশান বিনতে হাবিব।
এই প্রোগ্রামে আপনি পাচ্ছেন—

• পার্সোনালাইজড ৩টি কমপ্লিট ডায়েট প্ল্যান এবং ১টি মোডিফাইড ডায়েট প্ল্যান
• ২৪/৭ রিয়েল-টাইম মনিটরিং
• আপনার জন্য কাস্টমাইজড ডায়েট প্ল্যান
• প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্টেশন গাইড
• এক্সারসাইজ প্ল্যান ও লাইভ এক্সারসাইজ সেশন
• নিউট্রিশনিস্ট এর সাথে গ্রুপ Zoom সেশন
• প্রোগ্রাম শেষে গাইডলাইন সেশন

তাই যারা নিজে নিজে ওজন কমাতে গিয়ে বারবার সমস্যায় পড়ছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি স্ট্রাকচার্ড ও সায়েন্স-বেসড সমাধান।

📩 প্রোগ্রাম ডিটেইলস ও রেজিস্ট্রেশন লিংক পেয়ে যাবেন কমেন্ট বক্সে।
আরও জানতে চাইলে আমাদেরকে ইনবক্স বা কল করতে পারেন।

শুধু ওজন বা BMI কি আপনার সুস্থতার আসল প্রমাণ? আমরা অনেকেই ফিটনেস বা সুস্থতা বলতে শুধু ওজনের স্কেলের কাঁটা কিংবা BMI (Bod...
16/05/2026

শুধু ওজন বা BMI কি আপনার সুস্থতার আসল প্রমাণ?

আমরা অনেকেই ফিটনেস বা সুস্থতা বলতে শুধু ওজনের স্কেলের কাঁটা কিংবা BMI (Body Mass Index)-কে বুঝি। কিন্তু একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আমি সবসময় বলি—BMI বা ওজন কমা বা বাড়া মানেই কিন্তু সুস্থ হওয়া নয়।

কারণ, এটি আপনার শরীরের Fat Mass (চর্বি) এবং Muscle Mass (পেশী)-এর মধ্যকার পার্থক্য বোঝাতে পারে না। একজন মাসল বিল্ড-আপ করা অ্যাথলেট এবং একজন ওয়ান-ফিট ওবেসিটির (Skinny Fat) শিকার মানুষের BMI একই হতে পারে, কিন্তু তাদের মেটাবলিক স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন!

তাহলে আসল হেলথ ইন্ডিকেটর কোনগুলো এবং সেগুলোর আইডিয়াল রেঞ্জ (Ideal Range) পুরুষ ও নারীদের জন্য কত হওয়া উচিত? চলুন আজকে এই বিষয়ে আপনাদেরকে একদম ক্লিয়ার করে দিচ্ছি।

১. ওয়েস্ট সারকামফারেন্স (কোমরের মাপ) — সবচেয়ে সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ মার্কার

শুধু ওজন দিয়ে বোঝা যায় না চর্বিটা শরীরের কোথায় আছে। কোমরের মাপ সরাসরি নির্দেশ করে আপনার পেটের ভেতরে থাকা অঙ্গগুলোর চারপাশে (ভিসেরাল ফ্যাট) কতটুকু ক্ষতিকর চর্বি জমেছে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য এর পরিমাপ অত্যন্ত সংবেদনশীল।
আইডিয়াল রেঞ্জ:
নারী: ৮০ সেমি (৩১.৫ ইঞ্চি) বা তার কম হওয়া উচিত। (৮৮ সেমি বা ৩৫ ইঞ্চির বেশি হলে ক্রনিক রোগের ঝুঁকি তীব্র হয়)।
পুরুষ: ৯০ সেমি (৩৫.৫ ইঞ্চি) বা তার কম হওয়া উচিত। (১০২ সেমি বা ৪০ ইঞ্চির বেশি হওয়া মানেই কার্ডিওভাসকুলার ও ডায়াবেটিসের উচ্চ ঝুঁকি)।

২. ওয়েস্ট-টু-হিপ রেশিও — কোমর ও নিতম্বের অনুপাত

শরীরের চর্বি কোথায় জমছে (ফ্যাট ডিস্ট্রিবিউশন) তা বোঝার জন্য এটি অন্যতম সেরা মার্কার। বিশেষ করে পেটের চর্বির ঝুঁকি পরিমাপের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
কীভাবে মাপবেন: আপনার কোমরের সবচেয়ে সরু অংশের মাপকে নিতম্বের বা হিপের সবচেয়ে চওড়া অংশের মাপ দিয়ে ভাগ করুন।
আইডিয়াল রেঞ্জ:
নারী: ০.৮৫ বা তার কম। (০.৮৬ বা তার বেশি হলে মেটাবলিক রিস্ক বাড়ে)।
পুরুষ: ০.৯০ বা তার কম। (০.৯৫ বা তার বেশি হলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি তীব্র হয়)।

৩. ওয়েস্ট-টু-হাইট রেশিও — কোমর ও উচ্চতার অনুপাত

আজকালকার মেটাবলিক সায়েন্সে বিএমআই-এর চেয়ে এই মার্কারটিকে অনেক বেশি নির্ভুল মনে করা হয়। এটি সরাসরি আপনার শরীরের সেন্ট্রাল ওবেসিটি বা পেটের চর্বির ঝুঁকি নির্দেশ করে।
কীভাবে মাপবেন: আপনার কোমর বা ওয়েস্টের মাপ (ইঞ্চিতে) আপনার উচ্চতার (ইঞ্চিতে) অর্ধেকের কম হতে হবে।
আইডিয়াল রেঞ্জ (পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য):
০.৪০ থেকে ০.৪৯ (সুস্থ বা নরমাল)।
০.৫০ বা তার বেশি হলে বুঝতে হবে আপনি মেটাবলিক সিন্ড্রোম বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের দিকে যাচ্ছেন।

৪. বডি কম্পোজিশন (ফ্যাট পার্সেন্টেজ বনাম মাসল মাস)

ওজন পরিমাপক স্কেলে আপনার হাড্ডি, মাংসপেশি, পানি এবং চর্বি সবকিছুর সম্মিলিত ওজন দেখায়। কিন্তু আমাদের দরকার চর্বি কমিয়ে লিন মাসল মাস বাড়ানো।
আইডিয়াল বডি ফ্যাট পার্সেন্টেজ:
পুরুষ:
১০–২০% → মেটাবলিক্যালি সাধারণত নিরাপদ
২০–২৫% → গ্রে জোন
> ২৫% → ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ঝুঁকি বাড়ে
(ফিট পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৪-১৭% আইডিয়াল)।

নারী:
১৮–২৮% → সাধারণত মেটাবলিক্যালি নিরাপদ
২৮–৩৫% → গ্রে জোন
> ৩৫% → স্পষ্ট মেটাবলিক ঝুঁকি
(ফিট নারীদের ক্ষেত্রে ২১-২৪% আইডিয়াল)।

৫. মেটাবলিক হেলথ মার্কার্স (ল্যাব টেস্ট)

আপনার ওজন একদম পারফেক্ট হতে পারে, কিন্তু ভেতরের মেটাবলিক হেলথ যদি ঠিক না থাকে, তবে তাকে সুস্থ বলা যায় না। এর জন্য প্রধান সূচকগুলো হলো:
ফাস্টিং ব্লাড সুগার: 100 mg/dL বা 5.6 mmol/L-এর নিচে থাকতে হবে। (সেই সাথে গড় রক্ত শর্করার মাত্রা বা HbA1c থাকতে হবে ৫.৭% এর নিচে)।

লিপিড প্রোফাইল:
ট্রাইগ্লিসারাইড (TG) থাকতে হবে ১৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার-এর নিচে।
HDL কোলেস্টেরল নারীদের জন্য ৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার-এর বেশি এবং পুরুষদের জন্য ৪০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার-এর বেশি।
টিজি/এইচডিএল রেশিও: এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই রেশিও ২ বা তার কম হওয়া উচিত। এর বেশি হওয়া মানেই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ।

৬. ব্লাড প্রেসার (রক্তচাপ)

এটি কার্ডিওভাসকুলার এবং মেটাবলিক স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
আইডিয়াল রেঞ্জ: ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ (পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য)।

৭. মাসল মাস / Lean Mass

এটা সবচেয়ে অবহেলিত কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কম মাসল মানেই কম ইনসুলিন সেনসিটিভিটি, দুর্বল মেটাবলিজম, সহজে ফ্যাট জমা।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে লক্ষ্য হওয়া উচিত—বয়স অনুযায়ী মাসল মাস ধরে রাখা বা বাড়ানো
শুধু ওজন কমানো নয়, ফ্যাট কমিয়ে মাসল বাঁচানো।

আপনি সুস্থ হচ্ছেন কিনা তা বুঝবেন আপনার ক্রনিক ক্লান্তি কমছে কিনা, হরমোনাল ব্যালেন্স (যেমন: থাইরয়েড বা পিরিয়ড সাইকেল) ঠিক থাকছে কিনা, গাট হেলথ বা হজমপ্রক্রিয়া ইমপ্রুভ হচ্ছে কিনা এবং আপনার এনার্জি লেভেল কেমন থাকছে তা দেখে।
তাই ওজনের স্কেলের ওপর মানসিক শান্তি নির্ভর না করে, ফোকাস করুন মেটাবলিক ফ্লেক্সিবিলিটি এবং বডি কম্পোজিশন ইমপ্রুভ করার দিকে।

আপনার কোমরের মাপ এবং মেটাবলিক মার্কারগুলো চেক করেছেন তো? কমেন্টে জানান আপনার মতামত!

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

14/05/2026

আপনি জানেন কি -
ঘুম কম হলে শরীর নিজেই ফ্যাট বার্ন বন্ধ করে দেয়!!

13/05/2026

আপনি কি সব সময় স্ট্রেসে থাকেন ? জানেন কি এই স্ট্রেস আপনার থাইরয়েড হরমোনের এর উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলে ?
স্ট্রেস এর সাথে থাইরয়েডের সম্পর্ক বিস্তারিত জানতে দেখতে পারেন এই ভিডিওটি। এছাড়াও সম্পূর্ণ পডকাস্টটি দেখতে চাইলে লিংক পেয়ে যাবেন কমেন্ট বক্সে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

ওজন কমলেও ভুঁড়ি কেন কমে না? ভুঁড়ি কি আপনার চিরস্থায়ী সঙ্গী? জিম করছেন, ডায়েট করছেন, ওজনও হয়তো ৫-১০ কেজি কমলো—কিন্তু আয়না...
11/05/2026

ওজন কমলেও ভুঁড়ি কেন কমে না? ভুঁড়ি কি আপনার চিরস্থায়ী সঙ্গী?

জিম করছেন, ডায়েট করছেন, ওজনও হয়তো ৫-১০ কেজি কমলো—কিন্তু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখছেন ভুঁড়িটা ঠিক আগের মতোই আছে! মেপে দেখলেন ওজন কমলেও কোমরের মাপ এক ইঞ্চিও কমেনি।
খুব হতাশ লাগছে? ভাবছেন ভুলটা কোথায় হচ্ছে? চলুন এর পেছনের আসল 'ভিলেন'দের চিনে নিই!

কেন ওজন কমলেও ভুঁড়ি নাছোড়বান্দা?

১. আপনি কি সারাক্ষণ স্ট্রেসে থাকেন?
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে শরীরে ‘কর্টিসল’ নামক হরমোন বেড়ে যায়। আর এই হরমোনের প্রিয় কাজ হলো পেটে চর্বি জমা করা। একেই বলে 'স্ট্রেস বেলি'।

২. ভুল ডায়েট (Protein vs Muscle Loss):
অনেক সময় ওজন কমে কারণ শরীর থেকে মাসল আর পানি কমে যায়, ফ্যাট নয়। প্রোটিন কম খেয়ে শুধু না খেয়ে থাকলে ওজন কমবে ঠিকই, কিন্তু ভুঁড়ি কমবে না।

৩. ইনসুলিনের কারসাজি:
ভাত, রুটি বা চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে শরীরে ইনসুলিন স্পাইক করে। এই ইনসুলিন যতক্ষণ রক্তে বেশি থাকবে, শরীর ততক্ষণ চর্বি পোড়াতে পারবে না।

৪. রাত জাগার অভ্যাস:
রাত জাগলে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। ঘুম কম হওয়া মানেই পেটের চর্বিকে দাওয়াত দিয়ে ঘরে আনা।

ভুঁড়ি কমানোর 'মাস্টার প্ল্যান' তাহলে কি ?

পেটের জেদি মেদ তাড়াতে সাধারণ ডায়েটের চেয়ে একটু স্মার্ট হতে হবে:
১.খাওয়ার টাইমিং পরিবর্তন করুন: সারাদিন টুকটাক না খেয়ে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ইনসুলিন লেভেল নামার সুযোগ পায় এবং জমানো চর্বি পুড়তে শুরু করে।

২.কার্ব কমিয়ে ফাইবার বাড়ান: সাদা চাল বা ময়দার বদলে লাল চাল, রোল্ড ওটস এবং প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খান। ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং রক্তে শর্করার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে, যা সঠিক ডায়েট ও লাইফস্টাইলের সাথে মিললে পেটের চর্বি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়।

৩.পেশি গঠন করুন (Strength Training): শুধু হাঁটা বা দৌড়ানোর পাশাপাশি সপ্তাহে ২-৩ দিন হালকা ওজন নিয়ে ব্যায়াম করুন। মাসল যত বাড়বে, শরীর তত দ্রুত মেদ পোড়াবে।

৪.প্রসেসড ফুডকে 'না' বলুন: প্যাকেটজাত খাবার, কোল্ড ড্রিংকস বা অতিরিক্ত ভাজাপোড়া আপনার সব পরিশ্রম মাটি করে দিতে পারে। এই খাবারগুলো ইনসুলিন স্পাইক ঘটায়, এবং পেটের চর্বি বাড়ানোতে ভূমিকা রাখে। এগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।

৫.স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ও ঘুম: কর্টিসল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন এবং নিয়মিত ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা মেডিটেশন করুন।

ওজন কমানো আর ফ্যাট কমানো এক বিষয় নয়। পেটের চর্বি কমাতে ধৈর্যের প্রয়োজন। সঠিক পুষ্টিবিজ্ঞান এবং লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি সুস্থ উপায়ে এই জেদি মেদ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
আপনার ওজন কত আর কোমরের মাপ কত? কমেন্টে জানান, দেখি কার সমস্যা বেশি!

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

10/05/2026

হাইপোথাইরয়েড নাকি হাইপারথাইরয়েড!!!

টেস্ট করার আগেই কি কি লক্ষণ দেখে আপনি অনুমান করতে পারবেন যে আপনার হয়তো হাইপোথাইরয়েড আছে অথবা আপনার হয়তো হাইপারথাইরয়েড আছে - জানতে হলে এই ভিডিও টি আপনার জন্য।

এছাড়াও সম্পূর্ণ পডকাস্টটি দেখতে চাইলে লিংক পেয়ে যাবেন কমেন্টবক্সে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

ওজন বেশিনা, তবুও ডায়াবেটিস—কেনো এমন হলো?সাধারণত ধারণা করা হয় অতিরিক্ত ওজনই ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ। কিন্তু ক্লিনিক্যা...
09/05/2026

ওজন বেশিনা, তবুও ডায়াবেটিস—কেনো এমন হলো?

সাধারণত ধারণা করা হয় অতিরিক্ত ওজনই ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ। কিন্তু ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে আমরা প্রায়ই এমন রোগী পাই যাদের ওজন স্বাভাবিক বা কম, তবুও তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় 'Lean Diabetes'।
মূলত বাস্তবতা হলো—ডায়াবেটিস শুধু ওজনের রোগ না, এটা মূলত মেটাবলিক রোগ। এর পেছনে লুকিয়ে থাকা গভীর কিছু মেটাবলিক কারণ হলো -

১. TOFI বা ভিসেরাল ফ্যাট (Internal Fat):
ওজন কম হলেও অনেকের পেটের ভেতরে, লিভার ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে চর্বি জমে যায় যাকে বলে visceral fat। আর এই অবস্থাকে বলা হয় TOFI (Thin Outside, Fat Inside)। এই চর্বি বাইরে থেকে বোঝা যায় না, কিন্তু ইনসুলিনের কাজ ব্যাহত করে। ফলে শরীরে ইনসুলিন থাকলেও কাজ করে না—ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে তৈরি হয়।

২. পেশির স্বল্পতা (Low Muscle Mass):
শরীরে গ্লুকোজ বা চিনি পোড়ানোর প্রধান জায়গা হলো মাংসপেশি। আপনার ওজন কম কিন্তু শরীরের পেশির তুলনায় ফ্যাটের পরিমাণ বেশি (Sarcopenic Obesity) হলে, শরীর গ্লুকোজ ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না। ফলাফল - ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ডায়াবেটিস।

৩. ভুল খাদ্যাভ্যাস ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাব:
অপুষ্টি বা ভিটামিন D এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানের দীর্ঘমেয়াদী ঘাটতি ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ক্যালরি কম খেলেও যদি খাবারগুলো রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট বা চিনিযুক্ত হয়, যদি বছরের পর বছর এগুলো গ্রহণের অভ্যাসে বারবার রক্তে সুগার বাড়ায়, তাহলে প্যানক্রিয়াস ক্লান্ত হয়। আপনি চিকন হতে পারেন, কিন্তু আপনার ইনসুলিন সিস্টেম ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

৪. স্ট্রেস, ঘুম ও হরমোনের ভূমিকা:
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুম, নাইট শিফট—এসব থেকে কর্টিসল বাড়ে। কর্টিসল বেশি মানেই ইনসুলিনের কাজ কম। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড, PCOS, বা হরমোনাল ইম্ব্যালান্স থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে—ওজন যাই হোক না কেন। এছাড়া
ফ্যাটি লিভার বা লিভারের মেটাবলিক সক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের সুগার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে এলোমেলো করে দেয়।

সুতরাং এটাও অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে, ডায়াবেটিস মানেই শুধু ওজন কমানো না।
দরকার—ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ানো, মাসল তৈরি করা ও সেগুলোকে এক্টিভ রাখা, খাবারের গুণগত মান ঠিক করা, ঘুম ও স্ট্রেসকে গুরুত্ব দেওয়া।

ওজন কম বলে নিশ্চিন্ত থাকার সুযোগ নেই, আবার ওজন বেশি বলেই যে ডায়াবেটিস হবেই—তাও না। শরীরকে বুঝতে হলে শুধু ওজন মেশিন নয়, মেটাবলিক স্বাস্থ্যের দিকে তাকাতে হবে।

📞 আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।

Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited

Address

KGN Medicare Limited, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2
Dhanmondi Dhaka-1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Tanzima Mukti posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category