Bhakti Pharma

Bhakti Pharma Online-based pharmacy. You can order medicine by sending your prescription photos and your home address. We will deliver your medicine onto your address

আজ ২৯শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশসহ বাংলাদেশেও দিব...
29/09/2020

আজ ২৯শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশসহ বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম দিন হলো- বিশ্ব হার্ট দিবস। হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের বৃহত্তম একটি দিন এটি।
প্রথম বিশ্ব হার্ট দিবসটি পালন করা হয় ২০০০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর সেপ্টেম্বরের শেষ রবিবার বিশ্ব হার্ট দিবস হিসেবে পালন করা হত।
পরবর্তীকালে ২০১১ সাল থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটি বিশ্ব হার্ট দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। বর্তমানে হৃদরোগ বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবছর প্রায় পৌনে ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয় এই রোগে, যা ২০৩০ সাল নাগাদ ২ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্ব হার্ট দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো- ‘আমার হার্ট, তোমার হার্ট’। এই প্রতিপাদ্যের মূল কথা হলো- হার্টের সুস্থতার জন্য একতাবদ্ধ হওয়া। অর্থাৎ নিজের হার্টের পাশাপাশি আপনজন ও অন্যদের হার্টেরও যত্ন নেয়া। বিশ্ব হার্ট দিবস স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পালন করতে আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। এ বছরের বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল বিষয়ও তাই। এই দিন নিজের কাছে প্রতিশ্রুতি পালনের দিন। নিজেকে আরো সক্রিয় রাখা, আরো বেশি ব্যায়াম করা, আরো বেশি করে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অঙ্গীকার করা এবং ধূমপান ছাড়া আজকের দিনের মূলমন্ত্র হওয়া উচিত।
স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হার্ট সুস্থ রাখাই বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল প্রচারণা। পাশাপাশি নীতি-নির্ধারকদের জন্যও এই দিনটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নানা হৃদরোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে সাধারণ মানুষ আরো বেশি সচেতন হয়। যদি আপনার হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকে, তবে এর অর্থ হলো, আপনারও হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে। ধূমপান, জাঙ্ক ফুড এবং ব্যায়ামের অভাব এই ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তোলে।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সুস্থ জীবনযাপন করে আপনি আপনার নিজের হার্টের যত্ন নিতে পারেন। হৃদরোগে ভোগা ব্যক্তিদের অবশ্যই নিয়মিতভাবে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা যাচাই করা উচিত। হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারের ধরন ও পরিমাণ নিয়ে সচেতন হতে হবে। খাদ্যের মধ্যে আরো বেশি সবজি এবং ফল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আপনার হার্টের যত্ন নেয়ার জন্য এমন খাবার খেতে হবে, যাতে তেল-চর্বির মাত্রা কম রয়েছে।
বর্তমানে হৃদরোগ বাংলাদেশে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েই চলেছে। তাই এ রোগ প্রতিরোধে সবার আগে হৃদ-স্বাস্থ্যের ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যে কোনো রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। হৃদরোগের ক্ষেত্রে তা বেশি প্রযোজ্য। এ বছর বিশ্ব হার্ট দিবস পালনের মধ্য দিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে আমাদের হার্টের যত্ন নেয়ার জন্য কয়েকটা বিষয়ের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সেগুলো হলো, নিজের হার্টের যেমন যত্ন নিতে হবে, তেমনি অন্যের হার্টেরও যত্ন নিতে হবে।
প্রতিদিন টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করুন। তেল হচ্ছে আমাদের নিত্যদিনের খাবারের এক অপরিহার্য উপাদান। চর্বি আমাদের শরীরের এক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। পরিমিত চর্বিযুক্ত খাবার আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়। কিন্তু অতিরিক্ত তেলে ভাজা বা চর্বিযুক্ত খাবার হার্টের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটতে হবে।
৪০ বছর বয়সের পর নিয়মিত পরীক্ষা করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল আছে কিনা, দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২০-এ এসব নিয়ম-কানুন পালনে আমাদের সবাইকে অঙ্গীকার করতে হবে।

ছবির এই ভদ্রলোকের নাম জেমস ক্রিস্টোফার হ্যারিসন এবং তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান। উনার বয়স যখন মাত্র চৌদ্দ, তখন তিনি খুব ভয়ংকর...
26/07/2020

ছবির এই ভদ্রলোকের নাম জেমস ক্রিস্টোফার হ্যারিসন এবং তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান। উনার বয়স যখন মাত্র চৌদ্দ, তখন তিনি খুব ভয়ংকর এক অপারেশনের মধ্য দিয়ে যান এবং ঐসময় তাঁর ১৩ লিটার রক্তের প্রয়োজন হয়!!

অপারেশনের পর প্রায় ৩ মাস হসপিটালে থাকতে হয়েছিলো। সুস্থ হবার পর তিনি মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন, বাকি জীবন তিনি রক্ত ডোনেট করে যাবেন। এর পরেই এক মজার ব্যাপার ঘটে...

১৯৫৪ সালে রক্তদান শুরু করার কিছুদিন পরই তাঁর রক্তে খুব অস্বাভাবিক শক্তিশালী এন্টিবডি আবিষ্কৃত হয়। এটি D Rh Group Antigen এর প্রতিরোধী।

বিজ্ঞানীরা তার রক্ত থেকে নবজাতক শিশুদের একটি কমন একটি রোগ Rhesus Disease এর প্রতিষেধক তৈরী করতে সমর্থ হয়। এই ব্যাপারটি সকলে জানার পর, এই মানুষটা প্রতি তিন সপ্তাহে একবার করে রক্ত দান করা শুরু করেন এবং ২০১১ সালের মে মাসে তাঁর ১০০০ তম রক্তদান সম্পন্ন হয়। তার দান করা রক্তের সাহায্যে আনুমানিক ২৪ লক্ষ নবজাতক শিশুর প্রাণ বাঁচানো হয়েছে এখন পর্যন্ত!! ২০১৮ সালে তিনি শেষ বারের মত রক্ত দান করেন। কারণ অস্ট্রেলিয়ার নিয়ম অনুযায়ী ৮১ বছরের পর আর রক্ত দেয়া যায় না।

মানবকল্যাণে অসাধারণ অবদান রাখায় ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান সরকার তাঁকে Medal of the Order of Australia (OAM) উপাধিতে ভূষিত করেন।

নিজের রক্তদানের বিশ্বরেকর্ড সম্পর্কে এই মহামানব বলেন, "আমি সত্যিই চাই আমার এই রেকর্ডটি ভেংগে যাক, তার মানে হবে অন্য কেউ হাজার বারের বেশি রক্ত দান করেছেন!"

ছবিতে তাঁর জীবনের শেষ বার রক্ত প্রদান করে এই দুই জমজ বেবিকে ডোনেট করেছিলেন।

সংগৃহীত

Russia 👏🏻
13/07/2020

Russia 👏🏻

Doctors’ Day 2020: আজ জাতীয় চিকিৎসক দিবস কিছু কিছু দেশে চিকিৎসক দিবস অন্যতম ছুটির দিনও। পাশাপাশি দিনটিকে রেড কার্নেশন ফু...
01/07/2020

Doctors’ Day 2020: আজ জাতীয় চিকিৎসক দিবস
কিছু কিছু দেশে চিকিৎসক দিবস অন্যতম ছুটির দিনও। পাশাপাশি দিনটিকে রেড কার্নেশন ফুলের দ্বারাও চিহ্নিত করা হয়। কারণ এই ফুলের লাল রঙটি প্রেম, চ্যারিটি, আত্মত্যাগ, সাহসেরও প্রতীক।
বলা বাহুল্য, একজন চিকিৎসকের পেশা কেবলমাত্র অর্থ উপার্জনের তাগিদেই নয়। তাঁর ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার মানুষের প্রাণ। কাজেই এ এক দায়বদ্ধতাও বটে। বর্তমানে আমূল পরিবর্তন হয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞানের। অত্যাধুনিক পদ্ধতির চিকিৎসায় উপকৃত প্রত্যেকেই। আর এর পিছনে অবদান যাঁদের সেই চিকিৎসকদের শ্রদ্ধা জানাতেই মূলত পালিত হয় দিনটি।
দিনটির তাৎপর্য শেষ নয় এখানেই। কিছু কিছু দেশে চিকিৎসক দিবস অন্যতম ছুটির দিনও। পাশাপাশি দিনটিকে রেড কার্নেশন ফুলের দ্বারাও চিহ্নিত করা হয়। কারণ এই ফুলের লাল রঙটি প্রেম, চ্যারিটি, আত্মত্যাগ, সাহসেরও প্রতীক। যা এই পেশায় থাকা সমস্ত ব্যক্তির সঙ্গে অতপ্রত ভাবে জড়িত।
তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দিন পালিত হয় এই ডক্টরস ডে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি পালিত হয় ৩০ মার্চ, ইরানে এই একই দিন পালিত হয় ২৩ অগাস্ট তারিখে। ব্রাজিলের চিকিৎসক দিবস পালিত হয় ১৮ই অক্টোবর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি পালিত হয় ৩০ মার্চ, ইরানে এই একই দিন পালিত হয় ২৩ অগাষ্ট তারিখে। পাশাপাশি দিনটিকে রেড কার্নেশন ফুলের দ্বারাও চিহ্নিত করা হয়। কারণ এই ফুলের লাল রঙটি প্রেম, চ্যারিটি, আত্মত্যাগ, সাহসকেও নির্দেশ করে। যা এই পেশায় থাকা সমস্ত ব্যক্তির মধ্যেই বিদ্যমান। কিছু কিছু দেশে চিকিৎসক দিবস দিনটি অন্যতম ছুটির দিনও। ব্রাজিলের চিকিৎসক দিবস পালিত হয়, কিউবাতে ডিসেম্বরের ৩ তারিখটি তাঁদের জন্য Carlos Juan Finlay। ১৯৩৩ সালের ৩০ মার্চ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জর্জিয়ায় প্রথম পালিত হয় ডক্টরস ডে। এদিন মৃত চিকিতসকদের স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীর কবরের উপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন তাদেরসহ সাধারণ ...
14/06/2020

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উৎসাহিত করাই এ দিবসের উদ্দেশ্য।[১]

১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালন এবং ২০০০ সালে ‘নিরাপদ রক্ত’-এই থিম নিয়ে পালিত বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৪ সালে প্রথম পালিত হয়েছিল বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ দিবস পালনের জন্য তাগিদ দিয়ে আসছে।

প্রতিবছর ৮ কোটি ইউনিট রক্ত স্বেচ্ছায় দান হয়, অথচ এর মাত্র ৩৮ শতাংশ সংগ্রহ হয় উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে, যেখানে বাস করে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮২ শতাংশ মানুষ। এ ছাড়া এখনো বিশ্বের অনেক দেশে মানুষের রক্তের চাহিদা হলে নির্ভর করতে হয় নিজের পরিবারের সদস্য বা নিজের বন্ধুদের রক্তদানের ওপর, আর অনেক দেশে পেশাদারি রক্তদাতা অর্থের বিনিময়ে রক্ত দান করে আসছে রোগীদের। অথচ বিশ্বের নানা দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জানা যায়, ‘নিরাপদ রক্ত সরবরাহের’ মূল ভিত্তি হলো স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে দান করা রক্ত। কারণ তাদের রক্ত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং এসব রক্তের মধ্য দিয়ে গ্রহীতার মধ্যে জীবনসংশয়ী সংক্রমণ, যেমন এইচআইভি ও হেপাটাইটিস সংক্রমণের আশঙ্কা খুবই কম।

স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানকারী আড়ালে থাকা সেসব মানুষের উদ্দেশে, এসব অজানা বীরের উদ্দেশে, উৎসর্গীকৃত ১৪ জুনের বিশ্ব রক্তদান দিবস। ১৪ জুন দিবসটি পালনের আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে। এদিন জন্ম হয়েছিল বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টিনারের। এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছিলেন রক্তের গ্রুপ ‘এ, বি, ও,এবি’।[২]

স্যালুট এলিসা গ্রান্টো 🖖দেখুন কতো হাসি ভরা মুখ নিয়ে ভ্যাকসিন নিচ্ছিলেন এলিসা।। পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের মুখে হাসি ফোটা...
01/06/2020

স্যালুট এলিসা গ্রান্টো 🖖
দেখুন কতো হাসি ভরা মুখ নিয়ে ভ্যাকসিন নিচ্ছিলেন এলিসা।। পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তিনি এতো বড় ত্যাগ স্বীকার করলেন। এলিসার বয়স ৩২ বছর, অক্সফোর্ডের নতুন ভ্যাকসিনটা প্রথম তার শরীরে দেয়া হলো, শরীরে এন্টিবডি তৈরি হলে তাকে দেয়া হবে করোনাভাইরাস, ভ্যাকসিন কাজ না করলে তার মৃত্যুও হতে পারে, কোনদিন দেখা বা চেনা হবেনা এমন লাখো মানুষের জন্য সে নিয়েছে এই ঝুঁকি, এই মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অনেক বীরের নাম আমরা কোন দিনই জানবো না, নাম না জানলেও যেন না ভুলি, মানুষ মানুষের জন্য এই চেতনায় অনেকে কাজ করে বলে আমরা এখনো দিন বদলের স্বপ্ন দেখি।

আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসদেশে তামাক ও তামাকজাতদ্রব্য গ্রহণের কারণে প্রতিদিন ২৭৭ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে।কেউ যদি দিনে একটি ক...
31/05/2020

আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

দেশে তামাক ও তামাকজাতদ্রব্য গ্রহণের কারণে প্রতিদিন ২৭৭ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে।

কেউ যদি দিনে একটি করে সিগারেট খায় তাহলে তার হৃদরোগের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা-মানস।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘তামাক করে হৃৎপিণ্ডের ক্ষয়, স্বাস্থ্যকে ভালোবাসি তামাককে নয়’। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদ সম্মেলনে মানস’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এবং জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্সের সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, প্রতি এক হাজার টন তামাক উৎপাদনে এক হাজার জন মানুষ মারা যান। তামাকের কারণে দেশে ক্যান্সারে ভুগছে ১৩-১৪ লাখ মানুষ।

প্রতিবছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে আড়াই লাখ মানুষ। যার মধ্যে মারা যাচ্ছে দুই লাখ মানুষ। মুখ গহ্বর, স্বরযন্ত্র, জিহ্বা ও ফুসফুস ক্যান্সারে প্রায় ৫০ ভাগের জন্যই দায়ী তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য সেবন।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ, স্ট্রোকের ঝুঁকি তিনগুণ এবং বুক ব্যথার ঝুঁকি ২০ গুণ বেশি থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দেশে হৃদরোগজনিত মৃত্যুর ৩০ শতাংশ দায়ী ধূমপান তথা তামাক ব্যবহার।

অরূপরতন চৌধুরী বলেন, টোব্যাকো অ্যাটলাসের ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী মধ্যম সারির মানব উন্নয়ন সূচকে অবস্থানকারী অন্যান্য দেশের তুলানায় বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যুর হার ২৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি।

আজ ২৮ মে বৃহঃস্পতিবার, বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।, দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন মা প্রসবজনিত কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুবরণ করে...
28/05/2020

আজ ২৮ মে বৃহঃস্পতিবার, বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।, দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন মা প্রসবজনিত কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুবরণ করেন। এ হিসেবে বছরে ৫ হাজার ১১০ জন মা প্রসবজনিত জটিলতায় মারা যাচ্ছে। তবে শতকরা ৪২ শতাংশ প্রসব দক্ষদের হলেও অবশিষ্ট ৫৮ শতাংশ প্রসব বাড়িতে অপ্রশিক্ষিতদের হাতে হচ্ছে।

গর্ভবতী মায়েদের ভারী জিনিস বহন না করা, নিয়মিত টীকা নেয়ার পাশাপাশি অ্যান্টিনেটাল কেয়ার বা পোস্ট নেটাল কেয়ার নেয়া এবং বাড়িতে প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত ক্লিনিক ও হাসপাতালে নিতে হবে। সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে ১৯৮৭ সাল থেকে ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস’ পালন শুরু হলেও মাতৃ স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব ও এর কার্যকারিতা অনুধাবন করে ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে যথাযথভাবে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। মা ও শিশুমৃত্যু রোধ এবং তাদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার বিষয়ে সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি এসব সমস্যা প্রতিরোধসহ মাতৃস্বাস্থ্য, নিরাপদ প্রসব, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি সম্পর্কে মা, পরিবার ও সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সকলের প্রতিশ্রুত নিশ্চিত করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

26/05/2020

Address

Dhanmondi
Dhanmondi

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 12:00
Thursday 09:00 - 12:00
Friday 09:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 12:00
Sunday 09:00 - 12:00

Telephone

+8801409750537

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhakti Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bhakti Pharma:

Share