Nahida Healthcare Services= Opinion&Medical Visa Processing 01711524961

Call Website Contact the business

Nahida Healthcare Services= Opinion&Medical Visa Processing 01711524961 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nahida Healthcare Services= Opinion&Medical Visa Processing 01711524961, Healthcare administrator, Holy Zobaida Corner, House # 8/A/B/1, Road # 13(2nd Floor) (Lift # 2), Sobhanbag, Dhanmondi.

14/04/2026
👉👉"আজ ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে"👇👇🤱🤱 দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ থেকে...
12/04/2026

👉👉"আজ ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে"👇👇

🤱🤱 দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম।

✅✅ রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

বর্তমান হামের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলের কারণে বর্তমানে দেশে হামের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলে এ সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না।

🔷🔷উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল থেকে হাম প্রতিরোধে দেশে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ওই দিন থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এমআর টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম চালু হয়।

👉চোখের নিচের কালো দাগ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?👇👇চোখের নিচে কালো দাগ বেশিরভাগ সময়ই রাত জাগা বা কম ঘুমের কারণেই  হয়ে থাকে। তবে সব...
11/04/2026

👉চোখের নিচের কালো দাগ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?👇👇

চোখের নিচে কালো দাগ বেশিরভাগ সময়ই রাত জাগা বা কম ঘুমের কারণেই হয়ে থাকে। তবে সব সময় বিষয়টা এত সহজ নয়। অনেকসময় এই দাগ শরীরের ভেতরের সমস্যারও ইঙ্গিত দিতে পারে।

কেন এই কালো দাগ?
🔷 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনি দুর্বল হলে এমনটা হতে পারে। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে চোখের নিচের ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে তা কালচে বর্ণ ধারণ করে।

🔷 তবে শুধু কিডনিই একমাত্র কারণ নয়। অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাত জাগা, অনিয়মিত জীবনযাপন- সবই চোখের নিচে কালো দাগের জন্য দায়ী হতে পারে। মানসিক চাপ, বেশি দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতাও এই দাগ বাড়ায়। তাই শরীরের পাশাপাশি মন ভালো রাখাও জরুরি।

🔷 লিভার বা যকৃতের সমস্যাও এখানে বড় ভূমিকা রাখে। দীর্ঘদিন লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগলেও চোখের নিচে কালো দাগ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে লিভার দুর্বল হলে বা ফুলে গেলে এমনটা বেশি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার রোগীদের একটি অংশের চোখের নিচে এমন দাগ থাকে।

🔷 এমন লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া ভালো। খাবার ও জীবনযাপনেও আনতে হবে পরিবর্তন। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে নিয়মিত। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ- ইত্যাদি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার লিভারের জন্য উপকারী।

🔷 মেয়েদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বাড়তি কিছুর ইঙ্গিত দেয়। দীর্ঘদিনের চোখের নিচের কালো দাগ মাসিকের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অনিয়মিত মাসিক বা অতিরিক্ত ব্যথা থাকলে শরীরের রক্ত চলাচলেও প্রভাব পড়ে। এতে চোখের নিচের দাগ আরো বেশি স্পষ্ট হয়।

🔷 পেটের সমস্যাও এই তালিকায় আছে। দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিক থাকলে হজম ঠিকমতো হয় না। শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। ফলে কালো দাগ বাড়তে থাকে। যারা মানসিকভাবে ক্লান্ত, তাদের ক্ষেত্রেও এটি বেশি দেখা যায়।

🔷 এ ছাড়া নাকের সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক আছে। নিয়মিত হাঁচি হলে বা নাক দিয়ে পানি পড়লেও চোখের নিচের রক্তনালী দুর্বল হয়ে পড়ে। তখনও কালো দাগ দেখা দিতে পারে।

কীভাবে কমাবেন এই দাগ?
✅ কালো দাগ কমাতে প্রথমেই বদলাতে হবে জীবনযাপন। অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলতে হবে। মন ভালো রাখার চেষ্টা করতে হবে।

✅ রাত জাগা কমাতে হবে। নিয়মিত ঘুমাতে হবে।

✅ নিয়মিত ও সময়মত খাবার খেতে হবে। পরিমাণে বেশি বা তাড়াহুড়া করে খাওয়া যাবে না।

✅ নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটা, যোগব্যায়াম বা সাঁতার- সবই উপকারী। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে।

✅ ঘরোয়া কিছু পদ্ধতিও কাজে আসতে পারে। নিয়মিত টমেটো, শসা, দই বা আলু চোখের নিচে লাগালেও এই দাগ থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

⚠️ চোখের নিচে কালো দাগ খুব সাধারণ একটি সমস্যা। বেশিরভাগ সময় এর পেছনে থাকে ঘুমের অভাব। তবে কখনও কখনও এটি শরীরের বড় সমস্যার আগাম সংকেতও হতে পারে। তাই বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
-সংগৃহীত ।

🌎 বিশ্বে ছড়াচ্ছে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাডা’👇🔴 এবার বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে করোনাভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্...
09/04/2026

🌎 বিশ্বে ছড়াচ্ছে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাডা’👇

🔴 এবার বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে করোনাভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট, যার অনানুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিকাডা’। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি BA.3.2 নামে পরিচিত। অস্বাভাবিক উচ্চসংখ্যক মিউটেশনের কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই ভ্যারিয়েন্টে প্রায় ৭৫টি জিনগত পরিবর্তন রয়েছে, যার বড় অংশই স্পাইক প্রোটিনে ঘটেছে। এই স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমেই ভাইরাস মানবদেহের কোষে প্রবেশ করে। গবেষকদের ধারণা, দীর্ঘ সময় নজরদারির বাইরে থেকে নীরবে বিবর্তিত হওয়ার কারণেই এটিকে ‘সিকাডা’ নামে ডাকা হচ্ছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তেমনভাবে চোখে না পড়লেও ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের শুরু থেকে এটি বিভিন্ন দেশে ধরা পড়তে শুরু করে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক অঙ্গরাজ্যসহ অন্তত ২২টি দেশে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ভ্যারিয়েন্টের ইমিউন এস্কেপ ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি। অর্থাৎ, আগে সংক্রমণ বা টিকার মাধ্যমে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিকে কিছুটা এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা থাকতে পারে। তবে এখনো এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এটি বিদ্যমান টিকাকে পুরোপুরি অকার্যকর করে দেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদিও ভ্যারিয়েন্টটিতে ব্যাপক মিউটেশন রয়েছে, তবে এর সংক্রমণ হার এখনো তুলনামূলকভাবে কম এবং এটি পূর্ববর্তী ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় বেশি গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করছে—এমন তথ্যও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আক্রান্তদের বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

সব মিলিয়ে, ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্টটি নজরদারির মধ্যে রাখা হলেও এটি এখনো বড় ধরনের হুমকি হয়ে ওঠেনি। তবে ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেও অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার কথাই বলছেন।
-সংগৃহীত ।

🔴 কেন বাড়ছে নারীদের হৃদরোগ? জানুন লক্ষণ ও প্রতিকার👇👉সাধারণত মনে করা হয় হার্টের অসুখ কেবল পুরুষদেরই বেশি হয়। কিন্তু সাম...
08/04/2026

🔴 কেন বাড়ছে নারীদের হৃদরোগ?
জানুন লক্ষণ ও প্রতিকার👇

👉সাধারণত মনে করা হয় হার্টের অসুখ কেবল পুরুষদেরই বেশি হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা বলছে উল্টো কথা—পুরুষদের তুলনায় নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এখন প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তন এবং দৈনন্দিন মানসিক চাপ এই ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দেয়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরা হার্টের প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে সাধারণ ক্লান্তি বা গ্যাসের সমস্যা ভেবে ভুল করেন।

এই ছোট ছোট অবহেলাই অনেক সময় বড় বিপদ ডেকে আনে। সুস্থ থাকতে হার্টের সমস্যার লক্ষণগুলো চিনে রাখা এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। চলুন, জেনে নিই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য।

🔴 কেন নারীদের ঝুঁকি বেশি?

নারীদের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার পেছনে বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক কারণ রয়েছে । যেমন-

মেনোপজ বা ঋতুনিবৃত্তিঃ মেনোপজের পর শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ কমে যায়। এই হরমোন নারীদের হৃদরোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এর অভাব ঘটলেই হার্টের সমস্যা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

অন্যান্য রোগঃ হরমোনের পরিবর্তন হলে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা হানা দেয়, যা সরাসরি হার্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

মানসিক চাপঃ দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা, কাজের চাপ ও ঘুমের অভাব নারীদের হার্টকে দুর্বল করে দেয়।

কোন লক্ষণগুলো এড়িয়ে চলবেন না?
হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীর কিছু সংকেত দেয়। এগুলো দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবেঃ
১। বুকের মাঝখানে চাপ অনুভব করা বা দমবন্ধ ভাব।
২। বুকে সামান্য ব্যথা বা চিনচিনে অনুভূতি।
৩। বাম হাতে ব্যথা হওয়া।
৪। চোয়াল, ঘাড় বা পিঠের মাঝখানে ব্যথা।

🔴 সুস্থ থাকার উপায়ঃ

জীবনযাপনঃ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা লাইফস্টাইল পরিবর্তন করে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব ।

সুষম খাবার ও ব্যায়ামঃ নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং শরীরচর্চা করা জরুরি।

পর্যাপ্ত ঘুমঃ হার্ট ভালো রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

নিয়মিত চেকআপঃ বিশেষ করে মেনোপজের পর নিয়মিত ব্লাড প্রেশার, সুগার এবং কোলেস্টেরল পরীক্ষা করাতে হবে।
-সংগৃহীত ।

"আক্কেলদাঁত ওঠার সময় ব্যথা হলে কী করবেন"👇*** মেডিকেল পরিভাষায় আক্কেলদাঁত বা উইজডম টুথকে বলা হয় থার্ড মোলার টুথ। অনেকে ...
07/04/2026

"আক্কেলদাঁত ওঠার সময় ব্যথা হলে কী করবেন"👇

*** মেডিকেল পরিভাষায় আক্কেলদাঁত বা উইজডম টুথকে বলা হয় থার্ড মোলার টুথ। অনেকে মনে করেন আক্কেলদাঁতের সঙ্গে জ্ঞান-বুদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে। তবে সত্যিকার অর্থে এ ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে ওপর ও নিচের চোয়ালে মোট চারটি আক্কেলদাঁত ওঠে। মুখগহ্বরে আক্কেলদাঁত আছে, কিন্তু কখনো এই দাঁতের ব্যথায় বিড়ম্বনার শিকার হননি এমন মানুষের সংখ্যা কম।

অনেকের ক্ষেত্রে চোয়ালের গঠন ছোট হওয়ায় পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে দাঁতটি আংশিকভাবে বের হয় বা পাশের দাঁতের দিকে হেলে যায়, ফলে মাড়িতে প্রদাহ হয়ে তীব্র ব্যথা সৃষ্টি হয়। আটকে থাকা দাঁতের চারপাশে কখনো সিস্ট তৈরি হতে পারে, যা হাড় ও দাঁতের ক্ষতি করতে পারে।

এ ছাড়া আক্কেলদাঁতের অবস্থান মুখের সর্বশেষ ভাগে হওয়ার কারণে ব্রাশ ঠিকমতো পৌঁছায় না। এমন অবস্থায় খাদ্যকণা জমে থেকে ক্যাভিটি তৈরি করে, যা পরে দাঁতের মজ্জায় সংক্রমণ ঘটায়।

আক্কেলদাঁতের সমস্যার সাধারণ লক্ষণঃ

=>🦷🦷 মাড়ি ফোলা, কখনো বা গাল ফুলে যাওয়া।

=>🦷🦷 দাঁত ও চোয়ালে ব্যথা থাকা।

=>🦷🦷 মুখ পুরোপুরি খুলতে না পারা।

=> 🦷🦷জ্বর আসা ও খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া।

এমন সমস্যা দেখা দিলে শুরুতেই একজন ডেন্টাল সার্জন বা দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

চিকিৎসক সরাসরি রোগীর দাঁত পরীক্ষা করে ও মুখের এক্স-রে করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। যদি দাঁতের উপরিভাগ মাড়ি বা গাম দিয়ে ঢাকা থাকে, সেই সঙ্গে দাঁত ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে, তবে ছোট সার্জারির মাধ্যমে মাড়ি কেটে দাঁত ওঠার জন্য জায়গা করে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া যদি ক্যাভিটি সৃষ্টির কারণে শিরশির অনুভূতি হয় বা ব্যথা হয় এবং দাঁত সোজা থাকে, তবে রেস্টোরেশন বা রুট ক্যানেল চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যথামুক্ত করা যায়। আর যদি জায়গা কম থাকে ও দাঁতের অবস্থান বাঁকা হয়, চোয়ালের হাড়ের মধ্য আংশিক বা সম্পূর্ণ ঢুকে থাকে, তবে সার্জিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে দাঁত তুলে ফেলতে হয়।

দাঁতের ব্যথা একা একা ভালো হয়ে যাবে—এমনটি চিন্তা করে চিকিৎসা না নিলে ছোট সমস্যা একদিন বড় সমস্যায় পরিণত হবে। তাই বড় জটিলতা এড়াতে চাইলে আজই আপনার নিকটস্থ কোনো ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হোন।
-সংগৃহীত ।

"হামে আক্রান্ত শিশুর পরিচর্যা"হাম মারাত্মক সংক্রামক রোগ। হামের ভাইরাস দেহে প্রবেশের ১-২ সপ্তাহ পর অসুখ শুরু। তিন থেকে পা...
06/04/2026

"হামে আক্রান্ত শিশুর পরিচর্যা"

হাম মারাত্মক সংক্রামক রোগ। হামের ভাইরাস দেহে প্রবেশের ১-২ সপ্তাহ পর অসুখ শুরু। তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে...
-বিস্তারিত কমেন্টে ।

যেসব অভ্যাসে ভালো ঘুম হয়রাতে ভালো ঘুম  চাইলে প্রস্তুতি শুরু করতে হয় দিনের বেলাতে । কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে কম ক্লান্ত ...
05/04/2026

যেসব অভ্যাসে ভালো ঘুম হয়

রাতে ভালো ঘুম চাইলে প্রস্তুতি শুরু করতে হয় দিনের বেলাতে । কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে কম ক্লান্ত লাগতে পারে, শরীরে বাড়বে শক্তিও। অনেকেই সব সময়ই ক্লান্ত বোধ করেন। এটা...
-বিস্তারিত কমেন্টে ।

"শুষ্ক ত্বকের জন্য পেঁপে ও কলার স্মুদি"যাদের ত্বক খুব শুষ্ক ও রুক্ষ তারা পেঁপের স্মুদি খেতে পারেন। পেঁপেতে থাকে ‘প্যাপাই...
04/04/2026

"শুষ্ক ত্বকের জন্য পেঁপে ও কলার স্মুদি"

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক ও রুক্ষ তারা পেঁপের স্মুদি খেতে পারেন। পেঁপেতে থাকে ‘প্যাপাইন’ উৎসেচক ত্বকের মৃতকোষ দূর করে। অন্যদিকে কলা ত্বককে নরম ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। এক কাপ পাকা পেঁপে, অর্ধেকটা পাকা কলা এবং অল্প মধু মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। পানি কম দিয়ে ঘন করে স্মুদি বানান। উপরে খানিকটা আখরোট ও কাঠবাদামের কুচি ছড়িয়ে দিন।

"তৈলাক্ত ত্বকের জন্য যে ধরনের শরবত উপকারী"🥤🥤🧋🧋🥂🍹🍹তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তরমুজে থাকা জলীয় উপাদান ত্বক...
02/04/2026

"তৈলাক্ত ত্বকের জন্য যে ধরনের শরবত উপকারী"

🥤🥤🧋🧋🥂🍹🍹তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তরমুজে থাকা জলীয় উপাদান ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং লেবুতে থাকা ভিটামিন সি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে। ২ কাপ তরমুজের টুকরো, ১ চামচ লেবুর রস এবং সামান্য বিট লবণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। এরপর বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন। এর সঙ্গে সামান্য পুদিনা পাতাও মিশিয়ে দিলে পেটও ঠান্ডা থাকবে।

"হাম হলে যেসব সতর্কতা মানা জরুরি"*** দেশের বাতাসে মারাত্মক আকারে ছড়িয়েছে হাম ও রুবেলার ভাইরাস। আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু।...
01/04/2026

"হাম হলে যেসব সতর্কতা মানা জরুরি"

*** দেশের বাতাসে মারাত্মক আকারে ছড়িয়েছে হাম ও রুবেলার ভাইরাস। আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু। তাই আদরের সন্তানকে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে অভিভাবক হিসেবে আপনাকেও সচেতন থাকতে হবে।

👉 🙋‍♂️হামের লক্ষণঃ
হাম হলে শিশুর ১০১° ফারেনহাইট থেকে ১০৪° ফারেনহাইটেরও বেশি জ্বর হতে পারে। অনবরত কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে পানি পড়া, মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দাগ, লাল দাগের র্যাপশ ইত্যাদিও হামের লক্ষণ। লাল র্যা শ সাধারণত মুখ বা চুলের গোড়া থেকে শুরু হয়ে শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

👉 🙋‍♂️হাম হলে কী করা উচিত?
উপসর্গ দেখে যদি মনে হয় হাম হয়েছে, তাহলে নিকটতস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। লক্ষণগুলো তাদের জানান, এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জেনে নিন। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ বা আপনার চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া জরুরি বিভাগ বা হাসপাতালে যাবেন না। কারণ আপনার মাধ্যমে অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে।

👉 🙋‍♂️এটি শুধু শিশুদের রোগ নয়ঃ
হাম শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও, এটি বড়দেরও হতে পারে। শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়, কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে। আবার অনেক সময় টিকা অসম্পূর্ণ থাকে। বড়দের মধ্যে যারা শৈশবে টিকা নেননি বা পূর্ণ ডোজ সম্পন্ন করেননি, তারাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

👉 🙋‍♂️ লক্ষণ কি আলাদা?
হামের লক্ষণগুলো ছোট বড় সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই। জ্বর,সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া, লাল র্যা শ ইত্যাদি। তবে বড়দের ক্ষেত্রে উপসর্গ বেশি তীব্র হতে পারে।

👉 🙋‍♂️ যা করা উচিতঃ
=> আপনার বা শিশুর হাম হলে বাইরে গেলে মাস্ক পরুন। আপনার দ্বারা যেন অন্যরা সংক্রমিত না হয় সে খেয়াল রাখুন।

=> কাশি বা হাঁচির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত টিস্যুটি ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন। কাছে টিস্যু না থাকলে, হাতে না ধরে জামার উপরের অংশ বা কনুইতে কাশি বা হাঁচি দিন।

=> ঘন ঘন হাত সাবান পানিতে হাত ধুয়ে নিন।

=> খাওয়ার প্লেট, গ্লাস এসব ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না।

=> ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় এমন দরজার হাতল, টেবিল এবং ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করুন।

👉 🙋‍♂️খাবারে সতর্কতাঃ
=> শিশুর হাম হলে পানিশূন্যতা রোধ করতে পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার দিতে হবে। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার গাজর, মিষ্টি আলু, পালংশাক এবং ব্রকলি খাদ্যতালিকায় রাখুন। কারণ ভিটামিন ‘এ’ সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

=> শক্তি ফেরাতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন চর্বিহীন মাংস, মুরগি, মাছ, ডিম, দুধজাত খাবার, ডাল, বাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ খাওয়ান।

=> শিশুর খাদ্যতালিকায় লাল মাংস, মুরগির মাংস, শিম, বাদাম এবং গোটা শস্যের মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলোতে জিঙ্ক আছে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য জিংক যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি হামের স্থায়িত্ব কমাতেও সাহায্য করে।

=> আরোগ্য লাভের জন্য খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার রাখুন। যেমন লেবুজাতীয় ফল, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম এবং কিউইয়ের মতো ফল রাখতে পারেন।

=> অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, চিনিযুক্ত, ঝাল ও ক্যাফেইন জাতীয় খাবার থেকে শিশুকে বিরত রাখুন।
- সংগৃহীত ।

"মিনি স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণগুলো জেনে নিন"*** মিনি স্ট্রোক হলো অল্প সময়ের জন্য মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া। এটি সাময়ি...
31/03/2026

"মিনি স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণগুলো জেনে নিন"

*** মিনি স্ট্রোক হলো অল্প সময়ের জন্য মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া। এটি সাময়িকভাবে ঠিক হয়ে গেলেও ভবিষ্যতে বড় স্ট্রোকের ঝুঁকির সতর্ক সংকেত।

=> দেখে নিন মিনি স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া (এক পাশ ঝুলে পড়া) ।
২. এক হাত বা পা অবশ/দুর্বল হয়ে যাওয়া (সাধারণত শরীরের এক পাশে) ।
৩. কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে সমস্যা ।
৪. অন্যের কথা বুঝতে অসুবিধা ।
৫. হঠাৎ দৃষ্টিতে সমস্যা (এক বা দুই চোখে ঝাপসা/দেখা বন্ধ) ।
৬. মাথা ঘোরা, ভারসাম্য হারানো ।
৭. হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা (কিছু ক্ষেত্রে) ।

এসব লক্ষণ সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে সেরে যায়। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও থাকতে পারে।

=> কারা বেশি ঝুঁকিতে?

১. উচ্চ রক্তচাপ ।
২. ডায়াবেটিস ।
৩. উচ্চ কোলেস্টেরল ।
৪. ধূমপান ।
৫. হৃদরোগ ।
৬. অতিরিক্ত ওজন ।
-সংগৃহীত ।

Address

Holy Zobaida Corner, House# 8/A/B/1, Road# 13(2nd Floor) (Lift# 2), Sobhanbag
Dhanmondi
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahida Healthcare Services= Opinion&Medical Visa Processing 01711524961 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nahida Healthcare Services= Opinion&Medical Visa Processing 01711524961:

Share