আশার আলো হোমিও হল

আশার আলো হোমিও হল Homeo Practitioner Abu Bakar Siddique. M.A; L.H.M.P; D.H.M.S (In Course). ASHAR ALO HOMEO HALL
Gopalpur Bazar, Durgapur, Rajshahi.

08/06/2026

❤️৫০ টি বহুল ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নাম ও কাজ:-
১. Aconit Nap (একোনাইট ন্যাপ):
(১) আকস্মিকতা ও ভীষণতা ।
(২) মৃত্যুভয় ও অস্থিরতা ।
(৩) পিপাসা ও জ্বালা ।
(৪) প্রচন্ড শীত বা প্রচন্ড গরমের প্রকোপ ।

২. Acid Nitric (এসিড নাইট্রিক):
(১) স্রাবে দূর্গন্ধ, বিশেষতঃ প্রস্রাবে ।
(২) শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ও চর্মের সন্ধিস্থলে ক্ষত বা ফেঁটে যাওয়া।
(৩) কাটা ফোঁটার মত ব্যথা।
(৪) গাড়ীতে চড়ে বেড়ালে উপশম, দুধে বৃদ্ধি।

৩. Acid Phos (এসিড ফস):
(১) অবসাদ বা অবসন্নতা।
(২) দুধের মত সাদা প্রস্রাব বা ঘন ঘন প্রচুর প্রস্রাব।
(৩) উদরাময়ে উপশম এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ু নিঃসারণ।
(৪) সম্পূর্ণ তন্দ্রাচ্ছন্নভাব বা উদাসভাব।

৪. Agnus cast (এগনাস ক্যাস্ট):
(১) অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় সেবাজনিত ধাতু'দৌর্বল্য।
(২) অতিরিক্ত হস্ত'/মৈথুন বা পুনঃপুনঃ গণোরিয়া বশতঃ ধব্জ/ভঙ্গ দোষ।
(৩) আত্মহ/ত্যার ইচ্ছা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা ।
(৪) প্রসূতির স্তনে দুধের অভাব। নিদারুন বিষন্নতা।

৫. Allium cepa (এলিয়াম সিপা):
(১) নাসিকা হতে ক্ষতকর শ্লেষ্মাস্রাব।
(২) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চার ।
(৩) কানে কটকটানি, পায়ে ঠান্ডা লেগে কষ্টকর প্রস্রাব ।
(৪) অস্ত্রপচারের পর স্নায়ুশূল, প্রসবের পর স্নায়ুশূল।

৬. Antim crud (এন্টিম ক্রুড):
(১) স্থুলদেহ এবং জিহ্বার উপর সাদা পুরু লেপ। (২) আহারে অরুচি এবং আহারের পর বমি।
(৩) বিরক্তি, বিষন্নতা, ক্রোধ ও ক্রন্দন।
(৪) গোসল সহ্য হয় না। গোসলে ভয়।

৭. Apis Mel (এপিস মেল):
(১) মূত্র স্বল্পতা ও মুত্রকষ্ট।
(২) জ্বালা ও ফোলা, চোখের নিম্নপাতা ফোলা।
(৩) স্পর্শকাতরতা ও গরমকাতরতা।
(৪) সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা। পিপাসাহীনতা।

৮. Aralia Race (এরালিয়া রেসি):
(১) হাঁপানী যুক্ত শ্বাসকাশ, শয়নে বাড়ে। বর্ষাকালে সর্দি শুকিয়ে কাশি হলে ।
(২) দূর্গন্ধ যুক্ত সাদাস্রাব, পানির মত।
(৩) অর্শ, গুহ্যদ্বারের স্থানচ্যুতি।
(৪) রোগী সহজে প্রশ্বাস ত্যাগ করতে পারে, কিন্তু নিশ্বাস গ্রহনের সময়ে তার কষ্ট হয়।

৯. Arnica Mont (আর্নিকা মন্ট):
(১) বেদনা, আঘাত জনিত বেদনা এবং রোগজনিত বেদনা। যে কোন বেদনা।
(২) স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
(৩) বিছানা শক্ত মনে হয় কিন্তু অন্যান্য কষ্ট সম্বন্ধে বলে সে ভাল আছে।
(৪) সজ্ঞানে প্রলাপ ও আতঙ্ক।

১০. Arsenic Alb (আর্সেনিক এল্ব):
(১) নিদারুণ দুর্বলতা, অস্থিরতা ও মৃত্যু ভয়।
(২) মধ্যদিবা বা মধ্যরাতে বৃদ্ধি কিংবা মধ্যদিবা এবং মধ্যরাতে বৃদ্ধি।
(৩) প্রবল পিপাসা সত্ত্বেও ক্ষণে ক্ষণে স্বল্প পানি পান এবং পানি পান মাত্রই বমি।
(৪) জ্বালা ও দুর্গন্ধ।

১১. Bacillinum (ব্যাসিলিনাম):
(১) বংশগত ক্ষয়দোষ এবং উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা।
(২) রোগ ও রোগীর পরিবর্তনশীলতা।
(৩) অল্পে ঠান্ডালাগা এবং গ্রন্থির বিবৃদ্ধি।
(৪) দুর্বলতা ও বাঁচালতা।

১২. Belladona (বেলাডোনা):
(১) উত্তাপ ও আরক্তিমতা।
(২) জ্বালা ও স্পর্শকাতরতা।
(৩) আকস্মিকতা ও ভীষণতা।
(৪) ব্যথা হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়।

১৩. Bryonia Alb (ব্র্রায়োনিয়া এ্ল্ব):
(১) নড়াচড়ায় বৃদ্ধি এবং চুপ করে পড়ে থাকলে উপশম।
(২) শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির শুষ্কতা।
(৩) আক্রা'ন্তস্থান বা বেদনা যুক্ত স্থান চেপে ধরলে উপশম।
(৪) ক্রুদ্ধভাব এবং ক্রুদ্ধ হবার ফলে অসুস্থতা।

১৪. Calc Carb (ক্যাল্কে-কার্ব):
(১) দেহের স্থুলতা শিথিলতা ও শ্লেষ্মা প্রবণতা।
(২) ভীরুতা ও ভ্রান্তধারণা।
(৩) মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায় ও অল্পে ঠান্ডা লাগে।
(৪) ডিম খাবার প্রবল ইচ্ছা কিন্তু দুধ সহ্য করতে পারে না।

১৫. Calc Fluor (ক্যাল্কে-ফ্লোর):
(১) গ্রন্থির বৃদ্ধি, গ্রন্থি প্রদাহ, অস্থিক্ষত, ক্ষত পেকে পুঁজ যুক্ত হয়ে উঠে।
(২) অর্শ হতে রক্তপাত, মুখদিয়ে রক্তউঠা, চক্ষে ছানি।
(৩) শীত কাতর, প্রথম চলতে আরম্ভ করলে বৃদ্ধি ও কিছুক্ষণ চলার পর হ্রাস।
(৪) নাসিকার অস্থি আক্রান্ত, জরায়ুর স্থানচুতি, গরমে উপশম, নড়াচড়ায় উপশম।

১৬. Carbo Veg (কার্ব্বোভেজ):
(১) স্বাস্থ্যহানীর অতীত কাহিনী।
(২) হিমাঙ্গ অবস্থায় ঘর্ম ও বাতাসের জন্য ব্যাকুলতা।
(৩) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ুসঞ্চয় ও উদগারে উপশম।
(৪) জ্বালা ও রক্তস্রাব।

১৭. Carcinosin (কারসিনোসিন):
(১) রোগীতে ক্যান্সারের ইতিবৃত্তি প্রাপ্ত হলে কার্সিনোসিন সুফল প্রদান করে।
(২) তীব্র বেদনা ও গ্রন্থির কাঠিন্যযুক্ত স্তনের ক্যান্সার।
(৩) জরায়ুর ক্যান্সারে দূর্গন্ধ স্রাব ও বেদনা থাকে। (৪) অগ্নিমান্দ্য, আমাশয় ও অন্ত্রে বায়ুজমে।
(৫) ক্যান্সার জনিত ধাতু বিকৃতি বশতঃ আমবাত।

১৮. Causticum (কষ্টিকাম):
(১) একাঙ্গিন পক্ষাঘাত বিশেষতঃ দক্ষিণ অঙ্গের বাত বা পক্ষাঘাত।
(২) আশঙ্কা ও শীতকাতরতা।
(৩) নিদ্রাকালে অস্থিরতা।
(৪) না দাঁড়ালে মলত্যাগে অসুবিধা।
(৫) সঙ্গমের পর মূত্রত্যাগ কালে মূত্রনালীতে জ্বালা। (৬) বর্ষা ও বৃষ্টির দিনে ভাল থাকে।

১৯. China off (চায়না অফ):
(১) অধিক স্তন্যদান, অত্যধিক ভেদ, বীর্যক্ষয় বা রক্তক্ষয় জনিত অসুস্থতা।
(২) শোথ ও পেট ফাঁপা, হজম শক্তির অভাব।
(৩) নির্দিষ্ট সময়ে বা নিয়মিতভাবে রোগাক্রমণ।
(৪) রক্তস্রাব প্রবণতা ও রক্তস্রাবের সাথে আক্ষেপ।

২০. Cimicifuga/Actaea Race (সিমিসিফিউগা/একটিয়া রেসি):
(১) ঋতুস্রাবের সঙ্গে ব্যথা বৃদ্ধি পায়।
(২) পর্যায়ক্রমে শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ।
(৩) ডিম্বকোষের বা জরায়ুর দোষে শ্বাসকষ্ট বা হৃদস্পন্দন।
(৪) যারা আঙ্গুলের কাজ করে তাদের পিঠে ব্যথা।

২১. Dulcamara (ডালকামারা):
(১) শরৎকালীন অসুস্থতা।
(২) ঠান্ডা লেগে প্রস্রাবের বেগ বা শ্লেষ্মার প্রকোপ। (৩) উত্তাপে উপশম ও অস্থিরতায় উপশম।
(৪) ঘর্ম বা চর্মরোগ চাপা দেওয়ার কুফল।

২২. Graphites (গ্রাফাইটিস):
(১) স্থুলতা ও কোষ্টবদ্ধতা।
(২) ফাঁটা চর্ম ও চটচটে রস।
(৩) শঙ্কা ও সতর্কতা।
(৪) মাছ, মাংস, সঙ্গীত ও সঙ্গমে অনিচ্ছা।

২৩. Hepar Sulph (হিপার সালফ):
(১) শীতার্ততা ও স্পর্শকাতরতা।
(২) ক্ষিপ্রতা হঠকারীতা।
(৩) টক ঝাল প্রভৃতি উগ্রদ্রব্য খেতে ইচ্ছা।
(৪) কাটা ফোটার মত ব্যথা।

২৪. Kali bichrom (ক্যালি বাইক্রোম):
(১) পর্যায়ক্রমে বাত ও শ্লেষ্মার প্রকোপ।
(২) সুতার মত লম্বা শ্লেষ্মাস্রাব।
(৩) নির্দিষ্ট দিনে বা নির্দিষ্ট সময়ে বৃদ্ধি।
(৪) ভ্রমণশীল বেদনা।

২৫. Kalmia Lat (ক্যালমিয়া লেট):
(১) ব্যথা নিম্নগামি কিন্তু বাতবেদনা ক্রমশ হৃৎপিণ্ড আক্রমণ করে, বামপার্শ্বে শুইতে অক্ষম।
(২) স্বল্পমূত্র, শোথ, নাড়ীর গতি মন্দ।
(৩) সঞ্চালনে বৃদ্ধি কিন্তু উত্তাপ প্রয়োগে বা ঠাণ্ডায় উপশম হয়না।
(৪) গর্ভাবস্থায় মূত্রস্বল্পতা সহিত দৃষ্টি-বিভ্রম বা চক্ষশূল, যন্ত্রণা- সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

২৬. Lachesis (ল্যাকেসিস):
(১) নিদ্রায় বৃদ্ধি।
(২) ঈর্ষা, স্পর্শকাতরতা ও বাচালতা।
(৩) বাম অঙ্গে রোগাক্রমণ বা প্রথমে বামদিকে পরে ডান দিকে।
(৪) নির্গমণে নিবৃত্তি।

২৭. Ledum Pal (লিডামপাল):
(১) ঠান্ডা পানিতে বেদনার উপশম।
(২) নিম্নাঙ্গে রোগাক্রমণ বা প্রথমে নিম্নাঙ্গে ও পরে উর্ধ্বাঙ্গে।
(৩) শোথ।
(৪) স্নায়ু কেন্দ্র আঘাত।

২৮. Lobelia Erinus (লোবেলিয়া ইরিনাস):
(১) ক্যান্সারজনিত চর্মের অস্বাভাবিক বিবৃদ্ধি ও শুষ্কতা।
(২) মুখমন্ডলের এপিথেলিওমা ও আঙুলসমূহে উদ্ভেদ।
(৩) পেটের ভিতর বা মস্তিষ্কের টিউমার।
(৪) ওমেনটাম বা অন্ত্রপ্লাবকের ক্যান্সার।

২৯. Lycopodium (লাইকোপডিয়াম):
(১) ডানে অঙ্গে রোগাক্রমন বা প্রথমে ডান অঙ্গে ও পরে বাম অঙ্গে আক্রমণ।
(২) গরম খাবারে স্পৃহা ও বায়ুর প্রকোপ।
(৩) ভীরুতা, কৃপণতা ও নিঃসঙ্গপ্রিয়তা।
(৪) অল্প খেয়ে ক্ষুধা মিটে যায়। সকল ক্ষেত্রে অম্লস্বাদ।
(৫) তলপেটে বায়ু জমে উর্দ্ধভাগশীর্ণ নিম্নাংশ স্থূল।

৩০. Medorrhinum (মেডোরিনাম):
(১) বংশগত প্রমেহ দোষ ও উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা।
২। জ্বালা , ব্যথা, স্পর্শকাতরতা।
৩। ব্যস্ততা ও ক্রন্দণশীলতা।
৪। স্নায়ুবিক দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা ও মৃত্যু ভয়।

৩১. Merc sol (মার্কসল):
(১) অতিরিক্ত ঘর্ম, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ ও অতিরিক্ত পিপাসা।
(২) জিহ্বা পুরু ও দাঁতের ছাপ যুক্ত।
(৩) দুর্গন্ধ ও ডান পার্শ্বে চেপে শুতে অসুবিধা।
(৪) রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, ঘর্মাবস্থায় বৃদ্ধি।

৩২. Mezereum (মেজেরিয়াম):
(১) উদ্ভেদ বা একজিমা হতে প্রচুর রস নিঃসরণ। (২) টিকাজনিত কুফল ত্বক বা চর্ম রোগ চাপা দেয়ার কুফল।
(৩) রাত্রে বৃদ্ধি।
(৪) অত্যন্ত রাগী কিন্তু পরক্ষণেই অনুতপ্ত, উম্মাদ।

৩৩. Nux Vomica (নাক্স ভূমিকা):
(১) অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম বা অতিরিক্ত ইন্দ্রিয়সেবা কিংবা অতিরিক্ত রাত জাগরণ জনিত অসুস্থতা।
(২) বারম্বার মলত্যাগের ব্যর্থ প্রয়াস এবং মলত্যাগের পর উপশম বোধ।
(৩) জিদ বা মনের দৃঢ়তা, ঈর্ষা ও হঠকারিতা ।
(৪) শীতকাতরতা, স্পর্শকাতরতা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা|

৩৪. Phosphorus (ফসফরাস):
(১) তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, লম্বা, পাতলা একহারা চেহারা।
(২) রক্তস্রাবের প্রবণতা।
(৩) বামপার্শ্ব ও চেপে শুতে পারে না।
(৪) রাক্ষুসে ক্ষুধা, জ্বালা ও শুন্যবোধ।

৩৫. Phytolacca (ফাইটোলাক্কা):
(১) স্তন ও স্তনের যে কোন প্রদাহে।
(২) রাতে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি।
(৩) স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
(৪) দাঁতে দাঁতে বা মাঢ়িতে মাঢ়িতে চেপে ধরতে ইচ্ছা।

৩৬. Psorinum (সোরিনাম)
(১) ধাতুগত বা বংশগত সোরাদোষের উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা।
(২) উদ্বেগ, আতঙ্ক ও নৈরাশ্য।
(৩) প্রবল ক্ষুধা ও অত্যধিক দুর্গন্ধ।
(৪) দুর্বলতা ও শীতার্ততা।

৩৭. Pulsatilla (পালসেটিলা):
(১) পরিবর্তনশীলতা।
(২) নম্রতা ও ক্রন্দনশীলতা ।
(৩) তৃষ্ণাহীনতা।
(৪) গরমে বৃদ্ধি ও গাত্র সর্বদা উত্তপ্ত।

৩৮. Rhus Tox (রাসটক্স):
(১) বর্ষায় বৃদ্ধি ও বিশ্রামে বৃদ্ধি।
(২) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কামড়ানি ও অস্থিরতা।
(৩) অস্থিরতায় উপশম, উত্তাপে উপশম।
(৪) জিহ্বার অগ্রভাগ ত্রিকোণ লাল বর্ণ ও জ্বরের শীত অবস্থায় কাশি।

৩৯. Ruta grav (রুটা গ্র্যাভ):
(১) সন্ধিস্থানের অস্থিচ্যুতি বা সন্ধিস্থান মচকে যাওয়া।
(২) কটি ব্যথা ও মলদ্বারের শিথিলতা।
(৩) স্ত্রী জন'নেন্দ্রিয়ে চুলকানির সঙ্গে বাম স্তনে ব্যথা।
(৪) চক্ষু জ্বালা ও দৃষ্টি বিপর্যয়।

৪০. Selenium (সেলেনিয়াম):
(১) অতিরিক্ত শুক্র'ক্ষয় বা অতিদীর্ঘ রোগ ভোগের পর দেহ ও মনের অবসাদ।
(২) মলত্যা'গকালে শুক্রক্ষরণ।
(৩) কামভাবের প্রাবল্য ও শুক্রতারল্য।
(৪) স্বরভঙ্গ ও কোষ্ঠকাঠিন্য।

৪১. Senecio (সেনেসিও):
(১) ঋতুস্রাবের পরিবর্তে রক্তকাশ।
(২) রক্তস্রাব জনিত শোথ।
(৩) স্বল্প রজঃরোগে উহা বর্ধিত করে ও অতিরিক্ত রজঃস্রাবে হ্রাসপ্রাপ্ত এবং কষ্ট রজঃরোগের যন্ত্রণা উপশমিত হয়।
(৪) রজঃস্রাবের পরিবর্তে অথবা মূত্রদোষ সহ শ্বেতপ্রদর।

৪২. Sepia off (সিপিয়া অফ):
(১) বিষন্নতা, ক্রন্দণশীলতা ও উদাসীনতা।
(২) অতিরিক্ত রক্তক্ষয় বা অতিরিক্ত স্বামী সহবাস কিম্বা অতিরিক্ত গর্ভধারণ জনিত জরায়ুর শিথিলতা।
(৩) উদরে শূন্যবোধ, মলদ্বারে পূর্ণবোধ।
(৪) পরিশ্রমে উপশম এবং স্নানে অনিচ্ছা।

৪৩. Silicea (সাইলেসিয়া):
(১) দৃঢ়তার অভাব ও শীতার্ততা, কোষ্ঠবদ্ধতা।
(২) মাথার এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম বা বাধাপ্রাপ্ত ঘামের কুফল।
(৩) উত্তাপে উপশম এবং অমাবস্যায় ও পূর্ণিমায় বৃদ্ধি।
(৪) টিকাজনিত কুফল।

৪৪. Spigelia (স্পাইজেলিয়া):
(১) স্নায়ুশূল নড়াচড়ায় বৃদ্ধি।
(২) বামদিকে রোগাক্রমণ।
(৩) বর্ষায় বা জলো হাওয়ায় বৃদ্ধি।

৪৫. Staphisagria (স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া):
(১) কামভাবের প্রাবল্য এবং তাহার কুফল।
(২) অতিরিক্ত ক্রোধ এবং তাহার কুফল।
(৩) স'ঙ্গম বা সহবাসজনিত মূত্র'কষ্ট বা শ্বাসকষ্ট। (৪) চক্ষে অঞ্জনি ও দাঁতে পোকা, অতিরিক্ত হস্তমৈ'থুন।
(৫) অস্ত্রপচারের কুফল, যৌন বিষয় সম্বন্ধে অনবরত চর্চা করে থাকে।

৪৬. Sulphur (সালফার):
(১) অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতা।
(২) প্রাতঃকালে মলত্যাগ ও মধ্যাহ্নক্ষুধা।
(৩) স্নানে অনিচ্ছা, দুগ্ধে অরুচি।
(৪) ব্রহ্মতালূ হাতের তালূ ও পায়ের তলায় উত্তাপ বা জ্বালা।
(৫) সকল রন্দ্রপথ লাল।

৪৭. Syphilinum (সিফিলিনাম):
(১) বংশগত উপদংশ বা উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) রাত্রে বৃদ্ধি, অনিদ্রা ও অক্ষুধা।
(৩) খর্বতা ও পক্ষাঘাত।
(৪) ক্ষত ও দুর্গন্ধ।

৪৮. Thuja Occi (থুজা অক্সি):
(১) আঁচিল, অর্বুদ ও রক্তহীনতা।
(২) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি এবং রাত ৩টায় বৃদ্ধি। (৩) বদ্ধমূল ধারনা ও স্বপ্নবহুল নিদ্রা।
(৪) টিকা ও বসন্ত-এর পর যে কোন উপসর্গ।

৪৮. Tuberculinum (টিউবারকুলিনাম):
(১) সবিরাম জ্বর।
(২) ক্ষীণদেহ, রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা।
(৩) উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত যক্ষ্মাসম্ভব অবস্থার প্রবণতা ও সহজেই রোগাক্রমন।
(৪) রাত্রিকালে কষ্টদাযক ও সদাস্থায়ী চিন্তা।

৫০. Uranium Nitric (ইউরেনিয়াম নাইট্রিক):
(১) ডায়াবেটিস মেলিটাস, শর্করাযুক্ত বহুমুত্রজনিত পিপাসা ও ক্ষুধা, শরীর শুকাইয়া যাওয়া।
(২) ধ্বজভঙ্গ, ঋতুরোধ।
(৩) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু, উদগার।
(৪) শোথ, উদরী, নেফ্রাইটিস ও উচ্চরক্তচাপ।
সংগৃহীত।

06/04/2026
06/04/2026

🍁​বন্ধ্যাত্ব জয় ও মাতৃত্বের স্বাদ: নিয়মিত সহ~বাসের পরও সন্তান না হওয়ার কারণ ও সমাধান! 🛡️👶
​নিয়মিত সহবাসের এক বছর পরেও যদি গর্ভধারণ না হয়, তবে তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে 'ইনফার্টিলিটি' বা বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। এটি কোনো অভিশাপ নয়, বরং স্বামী বা স্ত্রীর শরীরের কোনো হরমোনজনিত বা গঠনগত ত্রুটি মাত্র। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং হোমিওপ্যাথির গভীর কার্যকরী চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ দম্পতি আজ সন্তানের মুখ দেখছেন।
​🚫 সন্তান না হওয়ার ১০টি প্রধান কারণ
​১. নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন না হওয়া: পিসিওএস (PCOS) বা হরমোনজনিত কারণে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বড় হয়ে বের না হওয়া।
২. শুক্রাণুর স্বল্পতা: পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কম (Oligospermia) বা গতিশীলতা কম হওয়া।
৩. ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক: সংক্রমণের কারণে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু মিলনের পথ বন্ধ থাকা।
৪. এন্ডোমেট্রিওসিস: জরায়ুর ভেতরের টিস্যু জরায়ুর বাইরে বেড়ে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।
৫. জরায়ুর টিউমার বা পলিপ: ফাইব্রয়েড টিউমার থাকলে ভ্রুণ জরায়ুতে বসতে পারে না।
৬. অনিয়মিত ঋতুস্রাব: পিরিয়ডের গোলমাল ডিম্বাণুর সঠিক সময় নির্ণয় করতে বাধা দেয়।
৭. অতিরিক্ত ওজন: মেদ জমার কারণে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
৮. বয়স: ৩৫ বছরের পর মহিলাদের উর্বরতা ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
৯. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা: স্ট্রেস হরমোন (Cortisol) সরাসরি প্রজনন হরমোনকে বাধা দেয়।
১০. শুক্রাণুর গুণগত মান: ধূমপান, মদ্যপান বা টাইট অন্তর্বাস পরার ফলে শুক্রাণু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
​🌱 উর্বরতা বৃদ্ধির ১০টি জাদুকরী ঘরোয়া টিপস
​১. ওভুলেশন ট্র্যাকিং: পিরিয়ডের ১০ম দিন থেকে ১৮তম দিনের মধ্যে সহবাস করা (সবচেয়ে উর্বর সময়)।
২. ফলিক অ্যাসিড: গর্ভাবস্থার আগে থেকেই প্রচুর সবুজ শাকসবজি ও ফলিক অ্যাসিড যুক্ত খাবার খান।
৩. দারুচিনি: এটি ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৪. আখরোট ও কুমড়োর বীজ: জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার শুক্রাণুর মান বাড়ায়।
৫. খেজুর ও মধু: এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রজনন ক্ষমতা ও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৬. অ্যালোভেরা জুস: জরায়ুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও হরমোন ব্যালেন্স করতে সহায়ক।
৭. ওজন কমানো: মাত্র ৫-১০% ওজন কমাতে পারলে ওভুলেশন নিয়মিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়ে।
৮. বিশ্রাম ও ঘুম: রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে।
৯. ধূমপান বর্জন: নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ধূমপান উর্বরতা অর্ধেক কমিয়ে দেয়।
১০. যোগব্যায়াম: 'সূর্য নমস্কার' বা 'পেটের ব্যায়াম' প্রজনন অঙ্গের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
​💊 ২০টি কার্যকরী হোমিও ঔষধ ও ৩টি করে লক্ষণ
​হোমিওপ্যাথি স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ধাতগত চিকিৎসা করে বন্ধ্যাত্ব দূর করে।

ঔষধের নাম লক্ষণ ১ লক্ষণ ২ লক্ষণ ৩
১. Agnus Castus পুরুষ ও মহিলার যৌন অনীহা শুক্রাণুর স্বল্পতা ও শিথিলতা অকাল বার্ধক্য ও অবসাদ
২. Pulsatilla অনিয়মিত ও সল্প ঋতুস্রাব শান্ত মন ও পিপাসাহীনতা খোলা বাতাস পছন্দ
৩. Sepia জরায়ু নিচের দিকে ঠেলে আসে ভাব স্বামী বা প্রিয়জনের প্রতি অনীহা মেজাজ খিটখিটে ও বিষণ্ণতা
৪. Ashwagandha Q শুক্রাণু বৃদ্ধি ও স্নায়বিক শক্তি দ্রুত বীর্যপাত ও দুর্বলতা মানসিকভাবে শান্ত রাখে
৫. Borax সাদা স্রাব ও যোনিতে ক্ষত ভাব নিচের দিকে নামতে ভয় পায় মুখে ঘা হওয়ার ধাত
৬. Lycopodium পুরুষদের শুক্রাণুর গতি কম ডান দিকের ডিম্বাশয়ে ব্যথা মিষ্টি ও গরম খাবার পছন্দ
৭. Natrum Mur শোক বা দুঃখের পর বন্ধ্যাত্ব অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ইচ্ছা রোদে মাথা ব্যথা
৮. Calcarea Carb মোটা ও ঘামযুক্ত শরীর মাথায় প্রচুর ঘাম ও ভয় ডিম খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা
৯. Thuja জরায়ুর টিউমার বা পলিপ টিকা নেওয়ার কুফল চর্মরোগ চাপা পড়ার ইতিহাস
১০. Damiana Q যৌন উদ্দীপনা ও শক্তি বর্ধক শুক্রাণুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ায় শরীর ও মনের প্রফুল্লতা
১১. Sabina প্রচুর রক্তস্রাব ও গর্ভপাত প্রবণতা কোমর থেকে সামনের দিকে ব্যথা গরম কাতরতা
১২. Helonias জরায়ুর দুর্বলতা ও ভারি ভাব রক্তাল্পতা ও অবসাদ বিষণ্ণ মানসিকতা
১৩. Conium স্তন ও গ্রন্থি শক্ত হয়ে যাওয়া মাথা ঘোরা (তাকালে বাড়ে) বৃদ্ধ বা অবিবাহিতদের সমস্যা
১৪. Aurum Met সন্তান না হওয়ায় চরম হতাশা আত্মহত্যার ইচ্ছা ও বিষণ্ণতা হাড়ের রোগের ধাত
১৫. Phosphorus রক্তপাতের প্রবণতা লম্বা ও ছিপছিপে গঠন ঠান্ডা পানি পানের ইচ্ছা
১৬. Aletris Far Q জরায়ুর টনিক হিসেবে পরিচিত রক্তশূন্যতা ও হজমে গোলমাল গর্ভধারণে শরীরকে প্রস্তুত করে
१७. Selenium শুক্রাণু ও কামশক্তি হ্রাস বসে থাকলে বিরক্তি ও রোদ সয় না চুল ও ভ্রু পড়ে যাওয়া
১৮. Silicea ডিম্বাশয়ে সিস্ট বা পুঁজ পায়ে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম শীতকাতর ও লাজুক স্বভাব
১৯. Sulfur শরীরের ভাঁজে জ্বালা ও চুলকানি গোসলে অনীহা সকালে ক্ষুধা বেশি পায়
২০. Medorrhinum ঋতুস্রাবের সময় প্রচণ্ড ব্যথা উপুড় হয়ে শুলে আরাম রাতে অস্থিরতা বাড়ে
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

06/04/2026

অদ্ভূত লক্ষনে হোমিওপ্যাথিঃ
* চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারছে না, আড়ে আড়ে তাকিয়ে কথা বলছে, ডাঃ পিয়ার্স বলেছেন -Oblique Vision--- স্টাফিসেগ্রিয়া
* রোগী চিকিৎসকের সামনেই দরদর করে ঘেমে চলেছে ( Profuse sweating) --- ,হিপার সালফ , মার্ক সল, সাইলেসিয়া
* পা দুটি সমানে নাড়িয়ে চলেছে-- নেট্রাম মিউর।
* বাচ্চার নাক দিয়ে লম্বা দড়ির মতন হয়ে সর্দি ঝুলে পড়ছে -- হাইড্রাস্টিস, কেলি বাইক্রম।
* থাইরয়েড বা পেরোটিড গ্লান্ড ফুলে আছে
এবং পাথরের মতো শক্ত -- ব্রোমিয়াম।
* রোগী ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস ফেলছে -- ইগ্নেশিয়া।
* রোগী বোকার মতন প্রতিটি কথায় শুধু হাসছে -- ক্রোকাস স্যাট, ক্যানাবিস ইন্ডিকা।
* রোগী সিমপটমস বলার সাথে সাথে হাউ হাউ করে কাঁদতে আরম্ভ করছে -- কস্টিকাম , পালসেটিলা।
* রোগী চেম্বারের বসার জায়গাতেই আসা মাত্র অন্য রোগীদের সাথে নাম লেখানো নিয়ে বা অন্য কোন ছোট খাটো ব্যাপার নিয়ে গন্ডগোল বাধাচ্ছে, Quarrelsome -- ক্যামোমিলা, নাক্স ভোম।
রোগীর চিকিৎসকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পদ্ধতিও observe করা যায়। যেমন --
* আস্তে আস্তে প্রশ্নের উত্তর দেয় -- জেলসিমিয়াম , হেলিবোরাস, মার্ক সল, এসিড ফস, ফসফরাস।
* খুব দ্রুত উত্তর দেয় -- হিপার সালফ, লাইকো।
* Answers abruptly -- N V, Sul
* Answers in monosyllabic way ( হ্যাঁ, না, মোটামুটি , এইরকম ভাবে) - এসিড ফস।
* Answers in garrulous way ( বড্ড বেশী কথা বলতে বলতে বা বকবক করতে করতে) -- সিমিসিফিউগা, হায়োসিয়ামাস , ল্যাকেসিস।
* প্রশ্নের প্রতি উত্তর করে না --আর্নিকা, ফসফরাস , সালফার।
* বোকার মতো উত্তর দেয় -- ব্যারাইটা কার্ব , এসিড ফস।
* বুদ্ধিমত্তার সহিত উত্তর দেয় --লাইকো , ফসফরাস।
* দুই তিনবার একই প্রশ্ন করার পর উত্তর দেয় -- কষ্টিকাম , মেডোরিনাম , জিঙ্কাম মেট।
* Answers in stupor way --আর্নিকা, ব্যাপ্টিসিয়া, হেলিবোরাস, হায়োসিয়ামাস, এসিড ফস ইত্যাদি।
এই রকম আরও অনেক মানসিক সিম্পটমস চেম্বারের মধ্যেই attention of observing কথাটা মনে রাখলে কালেকশন করা সম্ভব হয়।
যেমন ----
* নোংরা ড্রেসে , একগাল দাঁড়ি নিয়ে ঢুকেই লম্বা চওড়া ফিলোসফি মার্কা লেকচার আরম্ভ করলো ( Ragged Philosopher)-- সালফার।
* খুব বিষন্ন বা মনমরা, চেহারার মধ্যে হতাশার ছাপ -- ইগ্নেশিয়া, নেট্রাম সালফ, এসিড ফস, সোরিনাম, সিপিয়া।
* সাহসী বা ভয়ডরহীন - চেহারায় বা কথা বলার সময় সাহসীকতা ফুটে উঠবে -- স্টাফিসেগ্রিয়া।
* উদ্বিগ্ন বা দুশ্চিন্তার ছাপ ---একোনাইট, আর্সেনিক, কষ্টিকাম।
* শিশুরা খুব অস্থির প্রকৃতির, একজায়গায় স্থির থাকে না --- কেলি ব্রোম , ফসফরাস, টেরেন্টুলা হিস ।
* শিশুরা যেকোন ধরনের গান বাজনায় নাচতে শুরু করে -- টেরেন্টুলা হিস।
* ধার্মিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাবে, অতিরিক্ত রিলিজিয়াস ম্যানিয়া --হায়োসিয়ামাস , ল্যাকেসিস ,লিলিয়াম ট্রিগ , স্ট্রামোনিয়াম।
* উচ্চাকাঙ্খা এবং অহংকারী ( Haughty) -- লাইকো, প্লাটিনাম।
* খুবই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন (fastidious) - আর্সেনিক , কার্সিনোসিন ,নাক্স ভোম।
* অধৈর্য - ক্যামোমিলা , নাক্স ভোম, সালফার।
* আত্মহত্যার কথা বলে -অরাম মেট,নেট্রাম সালফ , সোরিনাম।
* খুবই সিম্প্যাথিটিক, দরদ সহকারে কথা বলে --কার্সিনোসিন, কষ্টিকাম , ফসফরাস।
* Children whining (ঘ্যানঘ্যান করে) - এন্টিম ক্রুড, এন্টিম টার্ট, আর্সেনিক। ২) নাকের কাজ --- রোগী অনেক কথা না বললেও বা বলার আগে চিকিৎসক তার ঘ্রান শক্তির দ্বারা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবে।
যেমন --
* রোগীর শরীর থেকে ঘামের বাজে দুর্গন্ধ পাওয়া যেতে পারে -- মার্ক সল , সাইলেসিয়া।
* কোন ঘা বা অালসার থেকে বিশ্রী পচা দুর্গন্ধ বেরুচ্ছে --ব্যাপ্টিসিয়া, মার্ক সল।
* রোগীর সাথে কথা বলার সময় বা জিভ দেখার সময় তার মুখ থেকে পাওয়া যাচ্ছে বাজে পচা গন্ধ -- ব্যাপ্টিসিয়া , অরাম মেট, মার্ক সল , ইত্যাদি।
------ এ সব খেয়াল রাখতে হবে।
৩) কানের কাজ --- রোগী বা তার বাড়ীর লোক কি বলছে তা নিখুঁত ভাবে শুনতে চেষ্টা করতে হবে, শোনা যায় রোগী পরীক্ষা করাকালীন অনেক রকম sounds.
যেমন --
* Abdomen percussion করার সময় bubbling অাওয়াজ পাওয়া যেতে পারে -- B V
* চিকিৎসক তার নিজের চেয়ারে বসেও শুনতে পারে - During each respiration -- রোগীর বুকের মধ্যে হওয়া coarse বা wheezing বা oppressive sound --- Grind, Spon, বা severe rattling sound--- এন্টিম টার্ট, নেট্রাম সালফ ইত্যাদি ।
৪) শেষ পয়েনটে হ্যানিমান সাহেব বলেছেন - Fidelity in tracing the picture of the disease -- মানে যথার্থ বিশ্বস্ততার সাথে রোগীর লক্ষনগুলি রেকর্ড করতে হবে। যেমন---
১) রোগী হয়ত বলতে চাইছে সন্ধ্যার দিকে বাড়ে, একজন চিকিৎসকের মাথায় Lycopodium ঢুকে অাছে বলে সে যেন জোর করে 4 to 8 pm agg না লেখে,
২) ২/১ দিন বৃষ্টিতে ভিজলে রোগ বাড়ে বলে এই সামান্য particular modality কে এক লাফে তাকে General Modality তে টেনে এনে Rainy Season agg, বা Damp Weather agg, লেখা যাবে না। তা লিখতে গেলে ভালো করে পর্যবেক্ষন ভিত্তিক সঠিক রিপোর্ট আগে পেতে হবে। কারন একটি সামান্য Particular কে General করার আগে অন্ততঃ ১০ বার ভাবতে হবে ।

(((পোস্টটা নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য লিখিত
✍️ Latifuzzaman Rubel ))

31/03/2026

হোমিওপ্যাথিক মণিমুক্তা-------

হোমিওপ্যাথি শাস্ত্র একটি সমুদ্র বিশেষ, যেন এর কোন আদি ও অন্ত বলতে কিছুই নেই। এই সমুদ্র তীরে ডুবুরীর মত মণিমুক্তা খুঁজতে খুঁজতে বিভিন্ন হোমিও মহাপন্ডিত গণ তাঁদের অভিজ্ঞতার মহামূল্যবান তথ্যগুলো যাহা লিপিবদ্ধ করে গেছেন। তাহা এই অধ্যায় সকল চিকিৎসকের জন্য তুলে ধরলাম। যেন তাহা থেকে চিকিৎসাজীবনে উপকৃত হতে পারে।

 প্রত্যেক চিকিৎসকের হাতের কাছে 30, 200, 1M, 10M, 50M, CM, DM, & MM শক্তির ঔষধ মজুত রাখা উচিত। অত্যন্ত স্নায়ুবিক প্রকৃতির মহিলা ও শিশুদের উপসর্গে ৩০ হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত ফলপ্রদ। স্নায়ুবিক নয় এমন প্রকৃতির ক্রণিক রোগে ১০এম হতে এমএম শক্তি ভাল কাজ দেয়। তরুণ উপসর্গে ১এম হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত উপযোগী। (কেন্ট- লেসার রাইটিং)

 টিউবারকুলোসিস সন্দেহে সাধারণতঃ সালফার, সাইলি, অথবা ফস দিতে নেই কারণ এতে রোগীর কষ্ট বেড়ে যায়।

 আর্থাইটিস রোগের বর্ধিত অবস্থায় কেলি কার্ব দিতে নাই।

 সাধারণ বাতে সাধারণতঃ উত্তাপে, গরম সেঁক দিলে উপশম পায় কিন্তু ইউরিক এ্যাসিড বেড়ে গিয়ে গিটবাতে সাধারণতঃ ঠান্ডায় ও নড়াচড়ায় উপশম হয়।

 ল্যাকেসিস লক্ষণযুক্ত রোগীতে ২০০ শক্তি দিয়ে শুরু করতে নেই, এতে রোগ লক্ষণ বেড়ে যায়। ৩০ শক্তিই এক্ষেত্রে শ্রেয়।

 ল্যাকেসিসের পর মধ্যবর্তী ঔষধরুপে সালফার প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যায়।

 কপালে আড়াআড়িভাবে হাত রেখে শোয়ার অভ্যাসযুক্ত রোগী লিভারের অসুখে ভুগছে বুঝতে হবে।

 স্নায়ুরোগ জনিত যন্ত্রণায় সদৃশ ঔষধ একমাত্রা দিয়ে উপযুক্ত সময় অপেক্ষা করাই শ্রেয় নতুবা পুনঃ প্রয়োগে রোগ যন্ত্রণা বহুলাংশে বেড়ে যায়। ৩০ শক্তির নীচে প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়।

 পেপটিক আলসারের রোগী বিন্দুমত স্থানে আঙ্গুলটিপে যন্ত্রণার কথা বলে, ডুওডেনাল আলসারের বাথ্য সাধারণতঃ পিঠের মধ্য দিয়ে ডান দিকের স্ক্যাপুলায় নীচে ভেতরের কোণে হতে থাকে। পেপটিক আলসারের ব্যথা কিছু খাওয়ামাত্র বেড়ে যায়। ডুওডেনাল আলসারে খাওয়ার ২/৩ ঘন্টা বাদে বাথ্য শুরু হয়। কিছু খেলে সাময়িক উপশম হয়। সাধারণতঃ “এ” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে পেপটিক আলসার, এবং “ও” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে ডুওডেনাল আলসার হয়।

 রাত্রে ঘুম না হয়ে মাংসপেশীতে ব্যথা ব্যথা ভাব ও অত্যন্ত ক্লান্তিভাব, আর্ণিকা ২০০ শক্তি একমাত্রা ঐ সব উপসর্গ দুর করতে পারে।

 ধুমপায়ী যারা তাদের ইনফ্লুয়েঞ্জায় যখন ধুম পানের ইচ্ছা একেবারেই থাকে না এমন লক্ষণে আর্ণিকা ১এম শক্তি তিনঘন্টা বাদে বাদে ৩/৪ দিলে রোগ সেরে যায়।

 ক্যাল্কে- কার্ব সাধারনতঃ ডানদিকে রোগলক্ষণে কার্যকরী তবে বাঁদিকের টনসিলের ক্রণিক রোগে ভালই কাজ করে।

 হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে বা ঘুমের অসুবিধা হলে ক্যাল্কে কার্ব, এর শিশুরোগী নখ দিয়ে মাথা আচঁড়াতে থাকে।

 সিমিসিফুগার লক্ষণে সিমিসি দিয়ে রোগ সম্পূর্ণ না সারলে ঐ একই শক্তি কলোফাইলাম প্রয়োগে অবশিষ্ট লক্ষণ সেরে যায়।

 ব্লাড ইউরিয়ার পরিমাণ কমাতে Eel’s Serum ৬ বা ৩০ শক্তি দিনে দুবার প্রয়োগ দারুণ উপযোগী- স্বাভাবিক না হওয়া অবধি ঔষধ চলবে। ব্লাড ইউরিয়া স্বাভাবিক মাত্রা 15-40mg, 100ml.

 ইউফ্রেসিয়ার রোগীর তোৎলামো আছে, তবে আশ্চর্য এই যে গান গাইবার সময় একদম তোৎলামী থাকে না।

 প্রস্রাব হলুদ এমন অবস্থায় কখনই জেলস প্রয়োগ করা উচিত নয়।

 মেয়েদের গালে (দাড়ি) ও উপর ঠোঁটের উপর (গোফ) চুল গজালে রাত্রে শোওয়ার সময় থুজা ১এম একমাত্রা দিয়ে ওলিয়াম জ্যাকোরিস এ্যাসেলি ৩শক্তি দিনে দুবার দিয়ে যেতে হয়, যতক্ষণ না ঐ চুলদাড়ি উঠা বন্ধ হয়।

 খালি পেটে এবং ৬ শক্তির নীচে ফসফরাস ব্যবহার করতে নেই।

 মদ খাওয়ার অভ্যাস দুর করতে ষ্ট্রীকনিক নাইট্রি (Strychninc Nit.) ২ বা ৩ শক্তি দিনে দুবার করে অন্ততঃ ১৫ দিন ব্যবহার করতে হয়। যেই মুহুর্তে মদ খাওয়ার লিন্সা কমে আসে তখন ঔষধ বন্ধ করা উচিত।

 পেটে তীব্র যন্ত্রণায় (ডুওডেনাল আলসার জনিত) লাইকো ১২ শক্তির উর্দ্ধে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অন্ত্রে ফুটো হতে যেতে পারে। (ডা. এইচ.ডব্লিউ বয়েড)

 গর্ভবতী মহিলাদের লাইকো ২০০ শক্তি ব্যবহার না করাই ভাল এতে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে- বহুবার এ রকম হতে দেখেছি। ( ডা. মিস মাহেওয়ারি)

 লাইকো ও ল্যাকেসিস ২০০শক্তি অনেকক্ষেত্রে রোগ লক্ষণ অবাঞ্ছিতভাবে বাড়িয়ে দেয় বহুবার চিন্তা করে এই দুটো ঔষধের ক্ষেত্রে এই শক্তি ব্যবহার করা উচিত। ( ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 নিশ্চিতভাবে সমস্ত রোগ লক্ষণ পালসেটিলাকে নির্দেশ না করলে তরল শ্লেষ্মাযুক্ত রোগীতে পালস দেওয়া নিষিদ্ধ; কারণ এই ঔষধ পায়ই কাশি কঠিন ও শুকনো করে তোলে। রোগ না সেরে কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়। (ই.এ ফ্যারিংটন)

 সিপিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা উচিত, কারণ সকালে সিপিয়া প্রয়োগ করলে সারাদিন রোগী কষ্টভোগ করতে থাকে। ( ডা. আর.এ.এফ জেক)

 সোরিনামের রোগী যতক্ষণ কফি পান অভ্যাস ত্যাগ না করে, ততক্ষণ উন্নতি লক্ষ্য করা যায় না। (ডা. প্রমদাপ্রসন্ন বিশ্বাস)

 ঠান্ডা লেগে ব্রঙ্কাইটিস লক্ষণে পালস এর রোগী ক্ষেত্রে পালস দিয়ে পরে কেলি সালফ দিলে দ্রুত সুফল দেয়। (ডা. ডি.এম ব্রল্যান্ড)

 কোমরের বাতে রাস- টক্স দিয়ে ব্যর্থ হলে ক্যাল্কেরিয়া ফ্লেুার সারিয়ে দেয়। (ডা. থ্রাস্টোন)

 কলোসিস্থ লক্ষণযুক্ত পেটে শূলবেদনায় কলোসিস্থ দিয়ে ব্যথা কমে আবার ব্যথা শুরু হয়। এইরুপ চলতে থাকলে পরে কেলি কার্ব প্রয়োগ করলে রোগ একেবারে সেরে যায়। (ডা. টি.কে মুর)

 যেক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে, সেক্ষেত্রে প্রথমে প্রদত্ত ঔষধের ক্রিয়াকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ( ডা. এইচ এলেন)

 ব্রঙ্কাইটিস ও তরুণ বাতরোগের লক্ষণে যেক্ষেত্রে ব্রায়োনিয়া প্রযোজ্য হবে সেক্ষেত্রে দু-একমাত্রা একোনাইট প্রয়োগ না করে ব্রায়োনিয়া দিলে শীঘ্র সুফল মেলে না। (ডা. ই.এম হেল)

 শিশুদের হাঁপানিরোগে যেক্ষেত্রে নেট সালফ, আর্স- এ ও আরও অন্যান্য ঐ জাতীয় ঔষধ দিয়ে সুফল না পেলে ঐসব রোগীতে মর্গান ২০০ বা ১০০০শক্তি দিয়ে সারিয়ে তুলেছি। রোগী সম্পূর্ণ সেরে উঠতে মর্গান ২০০ হতে লক্ষণশক্তি পর্যন্ত প্রয়োজন হয়। (ডা. ডব্লিউ.বি গ্রিগিস)

 আঙ্গুল থেৎলে গেলে হাইপেরিকামের ধারে কাছে কেউ আসে না। ( ই.এ ফ্যারিংটন)

 ভাঙ্গাহাড় জুড়তে সিম্ফাইটাম ৩০ শক্তির জুড়ি নেই। দিনে দু-তিনবার করে এক সপ্তাহ ধরে ঔষধ দিতে হয়। (ডা. পি সামিড)

 বোলতা ডাঁশ কামড়ালে তা থেকে প্রদাহ জ¦ালা ও ফোলা ক্যান্থারিস ২০০ শক্তির অভ্যন্তরীণ প্রয়োগ প্রায় সাথে সাথে সব কষ্ট দূর করে। (ডা. টি.কে মুর)

 প্রসবের পর প্রসূতিকে আর্ণিকা দিলে বহু উপসর্গ দুর হয়। (ডা. ক্রোফ্রেথ রাইট)

 সাইলিশিয়ার ক্রণিক রোগী শীতকাতর কিন্তু তরুণ রোগের ক্ষেত্রে গরমকাতর হতেও দেখা যায়। (ডা. এফ.কে বেলোকোসি)

 ঠান্ডা জলপানের অদম্য তৃঞ্চা ফসফরাসের একটি বহু আলোচিত লক্ষণ, কিন্তু বহুক্ষেত্রে তৃঞ্চা একদম থাকে না যা আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। (ডা. আর.এফ রাভে)

 হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রে প্রচলিত রেপাটর্রীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযোগী কোনটি? এর উত্তরে জে.এইচ ক্লার্ক এর উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন,“চিকিৎসকের নিজের স্মৃতিশক্তিই সবচেয়ে উপযোগী রেপাটর্রী।”

 গিঁটবাতে লক্ষণে কলচিকাম দিয়ে সুফল না পেলে বেঞ্জায়িক এসিড দাও। (ডা. ডব্লিউ বোরিক)

 জ¦র হলেই জ¦ও কমাতে একোনাইট দিও না অথবা অন্য ঔষধের সাথে পর্যায়ক্রমে একোনাইট দিওনা। যদিও সত্য সত্যই একোনাইটের রোগী হয়, তবে একাই তা সারিয়ে দিবে। (ডা. ডারহাম)

 সন্তান জন্মদান কালে প্রসূতি অত্যন্ত কষ্টভোগ করলে একোনাইট সূচিত হয়, তবে যদি লোকিয়াস্রাব বন্ধ বা লুপ্ত হয়, তবে কখনই একোনাইট দেওয়া চলবে না। (ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 এম্ব্রা গ্রিসিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা অনুচিৎ কারণ এতে রোগের বৃদ্ধি হয়। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 কেটে গেলে রক্ত সাথে সাথে জমাট বাঁধে এমন রোগীতে এনাকার্ডিয়াম দেওয়া চলবে না। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 টাইফয়েড রোগীতে সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট না হয়ে আর্সেনিক প্রযোজ্য হলে অপূরণীয় ক্ষতি করে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 বেলেডোনা বারে বারে প্রয়োগ অনুচিৎ। উচ্চশক্তির বেলেডোনার বারে বারে প্রয়োগে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। (ডা. কেইস)

 ডিজিটালিস দিয়ে রোগীর প্রস্রাবের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি প্রস্রাব কমে যায় তবে তৎক্ষণাৎ ডিজিটালিস প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। (ডা. এইচ. সি এলেন)

 মেয়েদের ঋতুস্রাবের নির্দিষ্ট সময়ের ঠিক আগে আগে গ্লোনয়িন প্রয়োগ করতে নেই; প্রায়ক্ষেত্রেই ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 যদি খুব তাড়া না থাকে তবে ইগ্নেশিয়া সকালে প্রয়োগ করাই ভাল, কারণ রাত্রে ঘুমের আগে দিলে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। (হ্যানিম্যান)

 কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্থায় রাস টক্স সায়েটিকা ব্যথা সারাতে পারে না। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 স্যান্টোনাইন নিম্নক্রমে বিষময় ফল দিতে পারে। জ¦র অবস্থায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে শিশুকে কখনই স্যান্টোনাইন দেবে না। ( ডা. উইলিয়াম বোরিক)

 যে সকল বালকদের নিম্নাঙ্গ পক্ষাঘাত হয়, তাদের পক্ষে রাসটক্স উচ্চ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। মাঝে মাঝে ২/১ মাত্রা সালফার প্রয়োগে দ্রুত আরোগ্য হয়। (হ্যানিম্যান)

 কানের সকল প্রকার যন্ত্রণায় পালসেটিলা ৩০ অথবা ক্যামোমিলা ১২ বা ৩০ শক্তির যে কোন একটি দিয়ে অত্যাশ্চর্য ফল পেয়েছি। (ডা. কেন্ট)

 গনোরিয়া রোগের তরুণ অবস্থায় গনোক্কাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার ব্যবহার্য। তবে ভেসিকেরিয়া কমিড ø ১০ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার বেশ কিছু দিন ব্যবহারে অব্যর্থ ফলপ্রদ। (ডা. বোরিক)

 প্রসূতির দুধ জ¦রে ব্রায়োনিয়া ২০০ দিনে ৩/৪বার প্রয়োগে আশ্চর্য ফল প্রদ। ( ই.এফ ফ্যারিংটন)

 গর্ভাবস্থায় প্রাতঃকালীন বমি এমগভেলাস পার্সিকা ø- ৫ ফোঁটা মাত্রায় দিনে ২/৩ বার ঠান্ডা জলসহ সেবন উত্তম ফলদায়ক। (ডা. এডমন্ড)

 শিশুদের পুরাতন বা জটিল চিকিৎসা শুরু করার প্রথমে আর্ণিকা ২০০শক্তি ১মাত্রা প্রয়োগ করার কথা স্মরণ রাখবেন। (ডা. এন.এম চৌধুরী)

 রোগীর প্রস্রাবে খুবই কষ্ট, প্রস্রাবের পরিমাণ অল্প, ক্যাথিটার প্রয়োগেও প্রস্রাব না হলে সলিডেগো ভিরগিউরা ø ৫-১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে আশ্চর্য ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যালভার্ডিন)

 আঙ্গুলহাড়ার প্রথম অবস্থায় লোবালিয়া ø তুলা ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে দিনে ৩বার লাগাবেন এবং ফেরাম ফস ৬শক্তি ও সাইলিশিয়া ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট মাত্রায় গরম জলসহ ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. টেসি জোন্স)

 ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগীর একবার শীত, একবার গরম, তৎসহ পিঠের দিকে অত্যাধিক শীত অনুভূত হলে আর্স আয়োড ৩ শক্তি এবং জেলসিমিয়াম ৩শক্তি এক মাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. হেল)

 যে কোন বাতের রোগে আমি অন্য সকল ঔষধ ছাড়াই সালফার, কষ্টিকাম ও রাস টক্সেও উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করতে পারি। ( ডা. ই.বি ন্যাশ)

 কোন প্রকার প্রদাহ জনিত পীড়ায় কফিয়া ও একোনাইট সমশক্তি সম্পন্ন পর্যায়ক্রমে ব্যবহার্য। উদরাময়ের বেদনার কোনও লেশমাত্র না থাকলে কফিয়া উপকারী (এসিড ফস, পডো, রিসিনাস)। (ডা. হেরিং)

 যে কোন চর্ম রোগে স্পাঞ্জিয়া ø ৫ ফোঁটা একমাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩বার সেবনে শীঘ্রই রোগ আরোগ্য লাভ করে। (ডা. পার্স)

 উপদংশ জনিত নাসিকা ক্ষতের অনেক রোগীকে হিপার সালফ ২০০ শক্তি প্রয়োগ করে আরোগ্য করেছি। (ডা. উইলিয়াম কেন্ট)

 শরীর থেকে প্রমেহ বিষ সম্পূর্ণ রুপে দূর করতে হলে থুজা ৩০ একমাত্রা করে প্রতিদিন শয়নের পূর্বে বেশ কিছু দিন সেবন করতে হবে। (ডা. ই. জোন্স)

 এপেন্ডিসাইটিসের রোগীকে বেলেডোনা ৬ এবং মার্কসল ৬ শক্তি একমাত্রা করে এক ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করে অতি আশ্চর্য ফল পাইয়াছি। (ডা. হেল)

 হুপিং কাশিতে বেলেডোনা ৩ এবং ড্রসেরা ৩ শক্তি একমাত্রা করে ১ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে অনেক রোগীকে আরোগ্য করেছি। (ডা. এডমন্ড)

 পায়ের একজিমায় রাসভেন ৬ ও লিডাম পাল ৬ শক্তি একমাত্রা করে দিনে ৩বার প্রয়োগ উত্তম ফলপ্রদ। (ডা. স্পেসি)

 মাথা ঘোরার ঔষধ সমূহের মধ্যে ফসফরাস সর্বশ্রেষ্ট ঔষধ। (ডা. জার)

 শিরঃঘূর্ণের উৎকৃষ্ট ঔষধ হচ্ছে ককুলাস ৩০। ( ডা. হিউজেস)

 বয়স্কদের ডান পাশের অন্ত্র (হার্ণিয়া) বৃদ্ধিতে লাইকো একমাত্র ঔষধ। (ডা. জে.কে.এফ বেকার)

 বহুমূত্র রোগে এসিড ফস ২ ও ইউরোনিয়াম নাইট্রিকাম ৩ শক্তি পর্যায়ক্রমে প্রয়োগেই মহৌষধ। (ডা. আর বিশ্বাস)

 পিত্ত পাথরীতে খুব ব্যথা অনুভব করলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ৩০ একমাত্রা করে ৩০ মিনিট অন্তর ব্যবহার্য। কিন্তু ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে উপকার না পেলে বার্ব্বেরিস ø ৫ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলে সহ ৩০ মিনিট অন্তর প্রয়োগ অব্যর্থ ফলদায়ক। (ডা. হিউজেস)

 কলেরা বা উদরাময়িক কলেরায় কেলি ফস ৬ শক্তি অব্যর্থ ঔষধ। (ডা. সুসলার)

 পুরুষ বা মহিলাদের সঙ্গমেচ্ছা সম্পূর্ণরুপে নষ্ট হয়ে গেলে, বিশেষতঃ পুরুষদের ধ্বজভঙ্গ রোগে অসমোডিয়াম ৩ শক্তি একমাত্রা দৈনিক ৩/৪ বার সেবন করাই শ্রেয়। ( ডা. আর বিশ্বাস)

 প্রমেহ সহ বাতের রোগে ক্যালি বাইক্রম উচ্চশক্তি উপকারী। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 উদরাময় বা অন্য কোন কঠিন পীড়ায় ভোগার পর আহারান্তেই পাকস্থলীতে শূণ্যতা বোধ, দেহজীর্ণ, মল কঠিন, ও কালচে রঙের হয়, এই অবস্থায় সেনা নি¤œ শক্তি বলকারক টনিকের ন্যায় কাজ করে। (ডা. ক্লার্ক)

 রাস টক্সে ১- ৩০ শক্তি ক্রমশ প্রয়োগ করে আমি ৭৫% বালকের একজিমা আরোগ্য হবেই। (ডা. হিউজেস)

 বৃদ্ধদের নিউমোনিয়া ও প্লুরিসি রোগে সেনেগা ৩০ শক্তি বেশী দিন ব্যবহারে উত্তম ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যারেসি)

 চাপ প্রয়োগে, সঞ্চালনে, শব্দে ও আলোর মধ্যে থাকলে যে সমস্ত রোগীর শিরঃপীড়া বৃদ্ধি হয় এবং বস্ত্রাদি দ্বারা ঢেকে রাখলে উপশম হয়, সে সকল রোগীকে সাইলিশিয়া প্রয়োগ করলে শীঘ্র রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. ডানহাম)

 ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি সেবনের পর লম্বা কৃমি ও সূতা কৃমি নির্গত হয়। কিন্তু মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন, ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি বিচূর্ণ সেবনে কৃমি গুলো অচৈতন্য হয়ে পড়ে। (ডা. টেষ্টি)

 যদি কথা বললে স্বরভঙ্গ কমে, তবে কষ্টিকাম। আর কথা বলার যদি স্বরভঙ্গ বাড়ে, তাহলে ফসফরাস প্রয়োগ বিধেয়। (ডা. জি. সেলটান)

 দুর্বলতা হোক, আর রক্তহীনতাই হউক অথবা যে কোন পীড়ায় হোক না কেন, যদি সামান্য কারণে প্রচুর ঘাম হয়, কোমরে প্রচন্ড ব্যথা এবং অতিশয় দুর্বলতা থাকে তবে কেলি কার্ব এক মাত্রা ঔষধ স্বরণ কর। ( ই. এফ ফ্যারিংটন)

 শ^াসকষ্ট ও পেটের যন্ত্রণার সাথে যকৃত পুরাতন রক্তাধিক্য বর্তমান থাকে, আবার যকৃতের রক্তাধিক্য বশতঃ যদি রোগের অর্শরোগ জন্মে, তবে হিপার সালফ ব্যবস্থা করিবেন। (ডা. বেইস)

 যেখানে ক্রমাগত বাহ্য বমির সাথে শিশুরা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীর ও হাত ঠান্ডা হয়ে যায়, অনবরত ছটফট করতে থাকে, সেখানে কেলি ব্রোম ৩ বা ৬ শক্তি ফলপ্রদ। (ডা. কেরো)

 ঋতুস্রাব বন্ধ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা বশতঃ ঋতুলোপ, তৎসহ মুর্চ্ছাভাব প্রভৃতি রোগে জ্যাস্থক জাইলাম ৩ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। (ডা. কলিন্স)

 শিরায় স্ফীতিতে বিশেষতঃ পুরাতন স্ফীতিতে জিঙ্কাম মেট উপযোগী। (ডা. এলেন)

 জরায়ুর নানাবিধ পীড়া, ডিম্বাশয় প্রদাহ, ডিম্বাশয়ে তীব্র বেদনা, রজঃস্রাব প্রভৃতি পীড়ায় অষ্টিলেগো মেডিউস ৬ বা ৩০ শক্তি চমৎকার ফলপ্রদ। (ডা. বার্ট)

 টার্ণেরা অ্যাফ্রা ø ঔষধটি স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই জননেন্দ্রিয়ের উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। ইহা ধ্বজভঙ্গ রোগের একটি বিশিষ্ট ঔষধ। (ডা. হেল)

 মেরুমজ্জার উত্তেজনায় নাক্স ভম ও সালফার শ্রেষ্ঠ ঔষধ। (ডা. জার)

 কলিক রোগ বা শূলবেদনা ম্যাগ ফস ৩০ শক্তি গরম জলে মিশিয়ে সেবন করবেন। (ডা. জি.সি মর্গান)

 ক্যাল্কে ফস ১ এবং সাইলিশিয়া ৩ শক্তি রোগ ৩বার এক সপ্তাহ অন্তর পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করলে ভগন্দর রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. সি.আর ফ্লুরি)

 শিশুদের নাক দিয়ে রক্তপড়া, নাভি দিয়ে রস রক্তপড়া, অন্ডকোষ ফোলা, তৎসহ দেহ শুকিয়ে যেতে থাকলে এব্রাটেনাম ৬ বা ৩০ শক্তি ভাল ফলপ্রদ। (ডা. কেন্ট)

 যখন কোনও শুষ্ক বা ক্ষীণ দেহ, ক্ষয়িত মাংস, চোপসান মুখ, কোঠরাগত এবং বৃদ্ধের অবয়বের মত ব্যক্তি দর্শন করবেন, তখনই একবার আর্জেন্ট নাইট স্মরণ করবেন। (ডা. এলেন)

 মাথায় বাম দিকের শিরঃপীড়ায় সিপিয়া উপকারী। (ডা. লিলি)

মন্ত্রের মত কাজ করে

 অতিরিক্ত লবণ খাইবার ইচ্ছা কমাতে এবং শিশুদের ঘাড় – গলা সরু ও মেজাজ খিটখিটে হলে নেট্রাম মিউর ২০০ শক্তি একমাত্রা করে একদিন অন্তর একদিন ২বার অথবা নেট্রাম মিউর ৬শক্তি ২/৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ দিনে ৩বার কিছু দিন প্রয়োগ করবেন।

 অবরুদ্ধ ঋতুস্রাব ঘটাতে (গর্ভপাত নয়) প্রথমে নেট্রাম মিউর ১এম একমাত্রা করে দৈনিক ১বার কয়েক মাত্রা প্রয়োগে উপকার না হলে, কেলি কার্ব ১এম একমাত্রা করে প্রত্যহ ১বার কয়েক দিন সেবনে ঋতুস্রাব ঘটাতে অব্যর্থ।

 অর্শ রোগে লাল বর্ণের রক্তস্রাব মিলিফোলিয়াম ø (কালো রক্তস্রাব হেমামেলিস ø) এবং রক্তকাশে ট্রিলিয়াম ø ১০- ১৫ ফোঁটা ঠান্ডা জলসহ দিনে ৩/৪ বার সেবনে অদ্ভুদ ফলদায়ক।

 অনবরত টক গন্ধযুক্ত ও বুক জ¦ালাসহ বমি হলে (গ্যাষ্টিক), বমির পরেও বুক জ¦ালা করে তাহলে আইরির্স ভার্স ৩০ এক ফোঁটা করে ও নেট্রাম ফস ৩ বা ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ ২ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে কয়েক মাত্রা সেব্য।

 অত্যন্ত অসহনীয় প্রসব বেদনায় রোগিনী বলে, “আমি প্রসব করিতে পারিবো না” তৎসহ আধ কপালে পেরেক বেঁধার প্রচন্ড ব্যথা থাকলে কফিয়া ৩০ এক বা আধ ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই সহজে প্রসব হয়ে যাবে।

 আঁচিলের ঔষধ গুলোর মধ্যে থুজা অক্সি ২০০ অন্যতম ঔষধ। এছাড়াও লক্ষণানুসারে কষ্টিকাম, এসিট নাইট কার্যকরী ১ মাত্রা করে দৈনিক একবার কয়েকদিন সেবনীয়। থুজা ø তুলা দিয়ে বাহ্যিক প্রয়োগে অতি দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে স্তনে বেদনা হলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ২০০ বা কোনিয়াম ২০০ অথবা ল্যাক ক্যান ২০০ শক্তি সপ্তাহে ২/৩ মাত্রা সেবনের কথা মনে রাখবেন।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে বা পরে উদরাময় হলে পালসেটিলা ৩০ একমাত্রা করে দিনে ২/৩ বার সেবনে ফলপ্রদ।

 ঋতুস্রাব শুরু হলেই দাঁতের ব্যথা শুরু হয়, এই অবস্থায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে রোজ ৩বার সেবনীয়।

 কানে অবুর্দ বা পলিপাস হলে, এই রোগের প্রধান ঔষধ থুজা অক্সি ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার কিছু দিন সেবনে অতিশয় সুফল পাওয়া যায়।

 কথা বললে যদি হাঁপানির টান বাড়ে, তাহলে ড্রসেরা ø বয়সানুসারে ৩ থেকে ৮ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একঘন্টা পর পর কয়েক মাত্রা সেবনে অব্যর্থ।

 গর্ভাবস্থায় হাত পা ফোলায় বোবেভিয়া ø – ৫/৭ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার কয়েক দিন সেবনীয়। এই অবস্থায় লবণ খাওয়া নিষেধ।

 গর্ভাবস্থায় কোন জিনিসের গন্ধ সহ্য না হলে বা খাদ্য দ্রব্যের গন্ধে গা বমি বমি করলে এবং ভ্রমণকালে বমি বা গা বমি বমি হলে ককুলাস ইন্ডিকা ৬ শক্তি একমাত্রা করে ২ঘন্টা অন্তর সেবনে অব্যর্থ ফলদায়ক। রোগ কঠিন হলে থেরিডিয়ন ৩০ ব্যবহার্য।

 গাত্র ত্বক খুব চুলকায়, চর্ম বিবর্ণ, সর্বাঙ্গ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভেদ, বিশেষতঃ গুহ্যদ্বারে ও জননেন্দ্রিয়ে অসহ্য চুলকানি হলে রেডিয়াম ব্রোমাইড ৩০ একমাত্রা করে দিনে দুবার সেবনীয়।

 গলগন্ড বা থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধিতে ঔষধের লক্ষণুসারে আর্স আয়োড, ক্যাল্কেরিয়া আয়োড ৩০ অথবা বারাইটা আয়োড ৩০শক্তি মহৌষধ। একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কিছু দিন সেবনীয়।

 চর্মে অত্যন্ত চুলকানি, চুলকাতে চুলকাতে রক্ত বের করে ফেলে এলুমিনা ৬ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে ৩/৪ ফোঁটা ৩ ঘন্টা অন্তর কয়েক মাত্রা প্রয়োগের পর সালফার ৩০ একমাত্রা করে রোজ ২বার দিবেন।

 চুলকানির পুরাতন অবস্থায় লোবেলিয়া ৬ এবং ক্রোটন টিগ ৬ একমাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে অব্যর্থ।

 চোখের উভয় পাতায় শোথে বা ফোলায় ফসফরাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কয়েক দিন সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের ভ্রু উপর পাতায় মধ্যস্থল ফোলায় বা শোথে কেলি কার্ব ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের নীচের পাতায় শোথ বা পাতা ফুলে পুটলির মত হলে এপিস মেল ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে উপকারী।

 চোখের পাতা ঝুলে পড়লে জেলসিমিয়াম ৩ শক্তি প্রধান ঔষধ। একমাত্রা তিন ঘন্টা অন্তর সেবনীয় মনে রাখবেন।

 ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার সময়ে খুব ঘুম পেলে, ঘুম তাড়াবার জন্য স্ক্রুফুলেরিয়া নোডেসা ø ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ২বার সকাল- সন্ধ্যায় বা ইহার ৩০ শক্তি রোজ ২বার অথবা ফেরাম ফস ১২ শক্তি ৬/৭টি ট্যাবলেট মাত্রায় উঞ্চ জলসহ সকাল- সন্ধ্যায় সেবনে উৎকৃষ্ট ফলদায়ক।

 ছুরি বা তীক্ষè ধারাল যন্ত্রে কেটে যাবার পর অথবা অস্ত্রোপচার করার পর কোন প্রকার সমস্যা উপসর্গ দেখা দিলে ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে সকল সমস্যা দুরীকরণে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগের প্রধান ঔষধ হচ্ছে চেলিডোনিয়াম ø ও হাইড্রাষ্টিস ø প্রত্যেক ঔষধের ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একত্রে বা পর্যায়ক্রমে দৈনিক ৩বার সেবনে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগে রোগীর মলের রং সাদা হলে ডলিকস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে ২/৩ দিনের মধ্যেই মলের রং স্বাভাবিক হয়, মনে রাখবেন।

 জরায়ুর স্থানচ্যুতির অমূল্য ঔষধ হলে সিপিয়া ১২ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনীয়। জরায়ু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অব্যর্থ।

 জিহ্বার পক্ষাঘাতে বা কথা বলতে কষ্ট হলে কষ্টিকাম ২০০ শক্তি শ্রেষ্ট ঔষধ।

 জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলে ক্লোরাম ৬ বা ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে অব্যর্থ।

 ট্রেনে বা বাসে চলাকালীন সময়ে চোখে ধূলা বালি পড়লে প্রথমে সালফার ৩০ এক ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা সেবনের পর, সাইলিসিয়া ২০০ দুই/এক মাত্রা প্রয়োগ করবেন।

 অসাড়ে মলত্যাগ, মলদ্বার ফাঁকা বা খোলা থাকে, সর্বদাই মল গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ায় এলো ২০০ ও ৩০ খুবই উপকারী।

 অর্শ, অর্শের রক্তস্রাব, ভগন্দর, মলদ্বারে ফাঁটা ঘা, ক্ষত প্রভৃতি পীড়ায় পিওনিয়া ø খুবই উপকারী।

 অচৈতন্য রোগের পর বৃদ্ধদের স্মরণশক্তি হ্রাসে এনাকার্ডিয়াম ২০০ অপেক্ষা ব্যারাইটা কার্ব ২০০ অধিক উপকারী।

 আঘাত লাগা হেতু কোন পুরাতন পীড়ায় আর্ণিকার পর কোনিয়াম ২০০ বা ১এম খুবই উপকারী।

 এ্যালোপ্যাথিক এ.টি.এস এর মত হোমিওপ্যাথিতে লিডাম ২০০ বা আর্সেনিক ২০০ বা হাইপেরিকাম ২০০ শক্তি একই কার্যকরী। এছাড়াও কোরামিনের মত মস্কাস ø অথবা কার্বো ভেজ ২০০ একই কাজ করে।

 কোন স্থানে মচকানো বা থেঁৎলানোর ব্যথায় আর্ণিকা অপেক্ষা বেলিস পিরেনিস ø খুবই উপকারী।

 নাক দিয়ে রক্তস্রাব, মূত্রনালী দিয়ে রক্ত নির্গত হলে নেট্রাম নাইট্রি অব্যর্থ মহৌষধ।

 পায়ের তলায় ভীষণ জালা থাকলে সালফার, স্যানিকিউলা ২০০ শক্তি খুবই ফলদায়ক।

 প্রতি বছর শীতকালে যাদের কাশি, বুকে ও নাসিকায় পুরাতন সর্দিতে এন্টিমোনিয়াম সালফ কার্যকরী।

 বংশগত বাত রোগে মেডোরিনাম ও সাইলিসিয়া অধিক উপযোগী।

 মাথার পশ্চাৎ ভাগেই অধিক ব্যথা, তৎসহ বমি বা গা বমি বমি থাকলে- ককুলাস ইন্ডিকা।

 রোগীর প্রস্রাব ঘোলা, পাত্রে রাখলে খুব ঘন পুরু তলানী জমালে- অরাম মেটালিকাম উপযোগী।

 রাত্রে পা অত্যন্ত চুলকায়, অস্থির বোধ করে, এপাশ ওপাশ, ঠান্ডায় বৃদ্ধিতে রাস টক্স।

 শরীরের কোন স্থান মচকে যাবার পর বাত আক্রমণে এবং হাতের কবজী ও জানুসন্ধির প্রদাহে – রুটা।

 হাত পা অত্যন্ত ঠান্ডা। শরীর কিংবা নিম্নের অর্ধাঙ্গ সাংঘাতিক রকম ঠান্ডা হয়ে গেলে নেট্রাম মিউর অত্যন্ত কার্যকরী।

ক্রনিক ডিজিজ রোগ লক্ষণে কোন তাড়াহুড়া করে প্রেসক্রিপশসন করিবেন না। সম্পূর্ণ রোগলিপি নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ না করে কোন ঔষধ প্রয়োগ করিবেন না। আমি বহু গ্রন্থ থেকে, বহু জার্নাল হতে এই সমস্ত মণিমুক্তা সংগ্রহ করেছি। ভবিষ্যতে আরও বেশী করে ঝুড়ি ভর্তি করে আপনাদের সামনে উপস্থাপ পরিকল্পনা রয়েছে। অবহেলা না করে সযত্ননে রেখে দিবেন, আশা করি আপনাদের চিকিৎসা জীবনে সুচিকিৎসার ক্ষেত্রে পরম উপকারী বন্ধুর মত কাজ করবে।

Address

Gopalpur Bazar
Durgapur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আশার আলো হোমিও হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share