Patient Point

Patient Point POINT OF CARE
AT EVERY SECTOR
DIRECTLY WITH SMART DISCOUNT
HEALTH CARE SUPPORT
FOR BETTER LIFE

বোটক্স হেয়ার ট্রিটমেন্ট কিভাবে করে?         হেয়ার বোটক্স হলো চুলের একটি ডিপ কন্ডিশনিং এবং ডিপ রিপেয়ার ট্রিটমেন্ট। এতে...
23/08/2026

বোটক্স হেয়ার ট্রিটমেন্ট কিভাবে করে?

হেয়ার বোটক্স হলো চুলের একটি ডিপ কন্ডিশনিং এবং ডিপ রিপেয়ার ট্রিটমেন্ট। এতে কোনো ইনজেকশন বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল থাকে না। এটি মূলত চুলে প্রোটিন, কোলাজেন, ভিটামিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড জুগিয়ে চুলকে মসৃণ ও প্রাণবন্ত করে। সাধারণত সেলুনে পেশাদাররাই এই পদ্ধতি সম্পন্ন করেন।

ধাপ সমূহ :

১. চুল পরিষ্কার করা: প্রথমে ক্লারিফাইং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা হয়। এতে চুলের কিউটিকল খোলে এবং ময়লা দূর হয়।

২. ক্রিম বা সিরাম লাগান: চুল হালকা শুকিয়ে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত বোটক্স উপাদান বা ক্রিম সেকশন অনুযায়ী লাগানো হয়।

৩. অপেক্ষা করা: পুষ্টি উপাদানগুলো চুলের ভেতরে প্রবেশ করার জন্য ৩০ থেকে ৬০ মিনিট চুল ঢেকে রাখা হয়।

৪. ধোয়া ও শুকানো: কোনো কোনো সেলুনে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ক্রিম ধুয়ে ফেলা হয়। এরপর ব্লো-ড্রাই করে চুল শুকানো হয়।

৫. স্ট্রেইটনিং করা: ফ্ল্যাট আয়রন বা হিট দিয়ে পুষ্টি উপাদানগুলো চুলে সিল করা হয়।

বোটক্স করার পরের যত্ন :
সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা চুল ধোয়া থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত চুলে সিরাম বা ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

আপনি কি জানতে চান যে আপনার চুলের ধরনের জন্য হেয়ার বোটক্স উপযুক্ত কি না, অথবা আপনার চুলের বর্তমান অবস্থা কেমন?

বোটক্স হেয়ার ট্রিটমেন্ট কি, কেন প্রয়োজন?  ➡️ হেয়ার বোটক্স হলো একটি ডিপ কন্ডিশনিং ও রিপেয়ারিং হেয়ার ট্রিটমেন্ট, যা কো...
23/08/2026

বোটক্স হেয়ার ট্রিটমেন্ট কি, কেন প্রয়োজন?

➡️ হেয়ার বোটক্স হলো একটি ডিপ কন্ডিশনিং ও রিপেয়ারিং হেয়ার ট্রিটমেন্ট, যা কোনো প্রকার ইনজেকশন বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ছাড়াই প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনের সাহায্যে চুলের রুক্ষতা ও ডগা ফাটা দূর করে.

হেয়ার বোটক্স ট্রিটমেন্ট কী?

এটি মুখের বোটক্সের মতো কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি নয়. এটি মূলত চুলের একটি বিশেষ প্রলেপ বা মাস্ক. এটি চুলের প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত স্তরের ফাঁকা জায়গাগুলো প্রোটিন ও কোলাজেন দিয়ে পূর্ণ করে. ফলে চুল ভেতর থেকে শক্তিশালী ও মসৃণ হয়.

কেন প্রয়োজন বা এর উপকারিতা কি :

রুক্ষতা দূর করে: শুষ্ক, উসকোখুসকো ও ফ্রিজি চুলকে খুব দ্রুত নরম ও সিল্কি করে তোলে.

ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করে: বারবার রিবন্ডিং, কালারিং বা হিট স্টাইলিংয়ের ফলে চুলের যে ক্ষতি হয়, তা পূরণে সাহায্য করে.

ডগা ফাটা রোধ করে: চুলের স্প্লিট এন্ড বা ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা সাময়িকভাবে ঢেকে চুলকে স্বাস্থ্যকর দেখায়.

উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ম্লান ও জৌলুসহীন চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বা শাইন ফিরিয়ে আনে.

আপনি কি আপনার চুলের বর্তমান সমস্যা (যেমন অতিরিক্ত রুক্ষতা বা চুল পড়া) সম্পর্কে জানাতে চান, যাতে এটি আপনার জন্য উপযোগী কি না তা বুঝতে সাহায্য করতে পারি?
আমাদের যোগাযোগ নম্বর : 01685-339896

আজকে আমি দুইটা মেয়ের গল্প বলবো, যাদের দেখলে আপনি বলবেন "আরে, এ তো আমার গল্প!"গল্প ১: রিমা - ২৭ বছর, কেজি স্কুলের টিচাররি...
23/08/2026

আজকে আমি দুইটা মেয়ের গল্প বলবো, যাদের দেখলে আপনি বলবেন "আরে, এ তো আমার গল্প!"

গল্প ১: রিমা - ২৭ বছর, কেজি স্কুলের টিচার

রিমা নতুন বিয়ে হয়েছে। সবাই বলছে, "মাশাআল্লাহ, বিয়ের পর শুকিয়ে আরো সুন্দরী হয়েছো!" রিমাও খুশি, ডায়েট ছাড়াই ওজন কমছে।

কিন্তু ভেতরের গল্পটা অন্য। ব্ল্যাকবোর্ডে লিখতে গেলে তার হাত কাঁপে, চক পড়ে যায়। বুকটা হঠাৎ হঠাৎ এমন ধড়ফড় করে যেন হার্ট বের হয়ে আসবে। রাতে ঘুম আসে না, অল্পতেই স্বামীর সাথে রেগে যায়, কেঁদে ফেলে। হালকা গরমেও তার ফ্যান লাগে, ঘামে কাপড় ভিজে যায়। সে ভাবছে, নতুন সংসারের টেনশনে এমন হচ্ছে।

গল্প ২: সুমি - ৩১ বছর, দুই বাচ্চার মা। সুমি আপা ঠিক উল্টো। বাচ্চা হওয়ার পর থেকে সে শুধু মোটা হচ্ছে। ডায়েট করেও ওজন কমে না। সারাদিন ঘুম ঘুম লাগে, শরীরে কোনো এনার্জি নাই। সকালে ঘুম থেকে উঠতেই কষ্ট। চুল পড়ে মাথা খালি হয়ে যাচ্ছে, গলার স্বর ভারী লাগে। আর প্রচন্ড শীত লাগে, এই গরমেও কাঁথা গায়ে দেয়। সবাই বলে, "বাচ্চা সামলাও তাই ক্লান্ত লাগে।"

১. হাইপোথাইরয়েড (Hypothyroid): ইঞ্জিন স্লো হয়ে যাওয়া। মানে থাইরয়েড হরমোন (T3, T4) কম বানাচ্ছে। তখন শরীর অলস হয়ে যায়। যেমন - সুমি আপার মতো। ওজন বাড়ে, ঘুম বেশি, শীত বেশি লাগে, চুল পড়ে, পায়খানা কষা হয়, মেজাজ মনমরা লাগে। এটা মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়।

২. হাইপারথাইরয়েড (Hyperthyroid): ইঞ্জিন অতিরিক্ত জোরে দৌড়ানো। মানে থাইরয়েড হরমোন অতিরিক্ত বানাচ্ছে। তখন পুরা শরীর পাগলের মতো দৌড়ায়। যেমন - রিমার মতো। ওজন কমে, বুক ধড়ফড় করে, হাত কাঁপে, গরম বেশি লাগে, ঘুম আসে না, রাগ বেশি হয়।

সহজ হিসাব: হাইপো মানে কম, সবকিছু কমে যাবে। হাইপার মানে বেশি, সবকিছু বেড়ে যাবে।

তাহলে এই হাইপারথাইরয়েডটা কেন হয়?
৪ টা কারণ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়:

১. Graves' disease: আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুল করে নিজের থাইরয়েডকেই বেশি কাজ করতে বলে। রিমার মতো কম বয়সী মেয়েদের এটা বেশি হয়।

২. গলার ভেতর গুটি (Nodule): থাইরয়েডের ভেতর ছোট গুটি হয়ে সেটা নিজের মতো হরমোন বানাতে থাকে।

৩. অতিরিক্ত আয়োডিন: আমরা ভাবি আয়োডিন ভালো। কিন্তু আয়োডিন যুক্ত লবণ, সিরাপ বা কোনো ওষুধ অতিরিক্ত খেলে থাইরয়েড বিগড়ে যায়।

৪. প্রদাহ বা Thyroiditis: ভাইরাস জ্বরের পর থাইরয়েডে প্রদাহ হলে জমে থাকা হরমোন একসাথে রক্তে চলে যায়।

হাইপারের লক্ষণ : খেয়েও ওজন কমা, বুক ধড়ফড় (Palpitation), হাত কাঁপা, ঘুম না আসা, গরম লাগা ও ঘামা, দিনে কয়েকবার পাতলা পায়খানা, মাসিক অনিয়মিত, চোখ বড় হয়ে যাওয়া।

হাইপোর লক্ষণ : অল্প খেলেও ওজন বাড়া, সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব, শীত বেশি লাগা, চুল পড়া ও ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, পায়খানা কষা, গলার স্বর ভারী হওয়া, মন খারাপ লাগা।

দুইটাই ১০০% নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এটা কোনো অভিশাপ না। রিমা আর সুমি দুইজনই এখন ভালো আছে, কারণ তারা সময়মতো ধরা পড়েছে।

তাহলে কী করবেন? ৩ টা বাস্তব কাজ, যেটা বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলে:

১. একটা টেস্ট, আন্দাজে না: লক্ষণ মিললে লজ্জা না পেয়ে একজন মেডিসিন বা হরমোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যান। উনি শুধু একটা রক্ত পরীক্ষা দেবেন - TSH। এটাই প্রাথমিক স্ক্রিনিং। প্রয়োজনে সাথে Free T3, Free T4 দেবেন। Google দেখে ওষুধ খাবেন না।

২. ধূমপান আর স্ট্রেসকে না: গবেষণা বলছে ধূমপান Graves' disease এর চোখের সমস্যা ৮ গুণ বাড়ায়। আর রাত জাগা, টেনশন দুই ধরনের থাইরয়েডকেই খারাপ করে।

৩. ওষুধ নিজে বন্ধ করবেন না: হাইপো হলে সকালে খালি পেটে একটা ওষুধ (Thyroxine) সারাজীবন খেতে হতে পারে। হাইপার হলে অন্য ওষুধ (Anti-thyroid drug) কয়েক বছর খেতে হয়। ডাক্তারকে না বলে বন্ধ করলে আবার বেড়ে যাবে, হার্টে ECG তে সমস্যা, হাড় ক্ষয়ের মতো জটিলতা হবে।

মনে রাখবেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে Creatinine, LDL Cholesterol, HbA1c এর মতো রিপোর্টও উল্টাপাল্টা আসতে পারে। তাই ডাক্তারকে সব রিপোর্ট দেখান।

POCD কি?  কেন এর সম্পর্কে জানতে হবে? গল্প ১: মিথিলা, বয়স ২২, অনার্স থার্ড ইয়ার।দেখতে মিষ্টি একটা মেয়ে।  আগে রোগা ছিল,...
23/08/2026

POCD কি? কেন এর সম্পর্কে জানতে হবে?
গল্প ১: মিথিলা, বয়স ২২, অনার্স থার্ড ইয়ার।
দেখতে মিষ্টি একটা মেয়ে। আগে রোগা ছিল, এখন হুট করে ওজন বেড়ে ৭২ কেজি। মুখে ব্রণ, ঠোঁটের ওপর হালকা লোম। আমাকে বলছে, "ভাইয়া, আমার পিরিয়ড ৩ মাস পর পর হয়। ২-৩ দিন থেকে বন্ধ। আম্মু বলে বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে।"
মেয়েটা সারাদিন রুমে থাকে, রাত ২টা পর্যন্ত ফোন চালায়, সকালে উঠে না খেয়েই ক্লাসে দৌড়। মন খারাপ, সারাক্ষণ কান্না পায়, কাউকে বুঝাতে পারে না।

গল্প ২: নুসরাত আপু, বয়স ২৮, স্কুল শিক্ষিকা। বিয়ে হয়েছে ২ বছর।
বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করছেন, হচ্ছে না। ডাক্তার বলছে ওজন কমাতে। আপু বলছে, "ভাই, আমি তো বেশি খাই না। হাঁটিও তো। তাহলে কেন আমার বাচ্চা হচ্ছে না? আমার কি মা হওয়া হবে না?"
আপুর পিরিয়ডের আগে মাথা প্রচন্ড ব্যথা করে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। আল্ট্রাসনোতে ডাক্তার বলেছে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট অনেকগুলো সিস্ট।

দুইটা মানুষ, দুইটা বয়স, দুইটা আলাদা জীবন...
কিন্তু দায়ী একজনই... তার নাম PCOD।

অনেকে এটাকে PCOS-ও বলে। দুইটাই প্রায় একই জিনিস।

চলেন এবার একদম সহজ ভাষায় বুঝি, এই জিনিসটা আসলে কী?

মেয়েদের তলপেটে দুইটা ডিমের থলি থাকে, নাম Ovary। প্রতি মাসে সেখান থেকে একটা ডিম বড় হয়ে বের হয়। এটাই পিরিয়ডের নিয়ম।
PCOD হলে কী হয় জানেন? ডিমটা ঠিকমতো বড় হতে পারে না। ভেতরে ছোট ছোট অনেকগুলো অর্ধেক বড় হওয়া ডিম জমে থাকে, বেলুনের মতো। এগুলোকেই আমরা সিস্ট বলি।

আর শরীরে Insulin নামের একটা হরমোন আছে, যেটা চিনি কন্ট্রোল করে। PCOD-তে শরীর এই Insulin-কে ঠিকমতো চিনতে পারে না। তখন শরীর ভাবে, "আরো Insulin লাগবে"। বেশি Insulin গিয়ে মেয়েদের শরীরে ছেলেদের হরমোন (Testosterone) বাড়িয়ে দেয়। আর তখনই সব উল্টাপাল্টা শুরু হয়।

তাহলে কেন হয় এই রোগ? সবচেয়ে বড় ৪টা কারণ হল :

১. ওজন আর বসে থাকা জীবন: মিথিলার মতো সারাদিন বসে থাকা, কোনো হাঁটাচলা নাই, বাইরের তেলে ভাজা খাবার, মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংকস। পেটের চর্বি Insulin-কে নষ্ট করে দেয়।

২. ঘুম আর স্ট্রেস: রাত ১-২টা পর্যন্ত জেগে থাকা। ঘুম কম হলে হরমোন সব এলোমেলো হয়ে যায়। সাথে পড়াশোনা, সংসার, বাচ্চা না হওয়ার টেনশন। স্ট্রেস হলো PCOD-র পেট্রোল।

৩. বংশগত: আপনার মা, খালা, বড় বোনের থাকলে আপনার হওয়ার চান্স অনেক বেশি। এটা জিনের খেলা।

৪. ভুল ডায়েট: সকালে না খাওয়া, দুপুরে বিরিয়ানি, রাতে না খেয়ে ঘুমানো। অথবা সারাদিন শুধু ভাত আর ভাত। শরীরে ফাইবার, প্রোটিন নাই বললেই চলে।

যে লক্ষণগুলোকে আমরা "এমনি" বলে উড়িয়ে দেই, সেগুলোই PCOD-র সিগন্যাল:

√ পিরিয়ড ৩৫ দিনের বেশি পর পর হওয়া, বা ২ মাস-৩ মাস বন্ধ থাকা।
√ পিরিয়ড ২ দিন হয়েই বন্ধ, বা অনেক বেশি দিন ধরে চলা।
√ মুখে, বুকে, পিঠে জেদি ব্রণ যেটা কিছুতেই যায় না।
√ ঠোঁটের ওপর, থুতনিতে, বুকে লোম গজানো।
√ ঘাড়, গলার ভাঁজ কালো হয়ে যাওয়া।
√ মাথার সামনের দিকের চুল পাতলা হয়ে যাওয়া

√ কোনো কারণ ছাড়াই ওজন বাড়া, বিশেষ করে তলপেটে।
√ সারাক্ষণ মন খারাপ, রাগ, কান্না পাওয়া, ঘুম না হওয়া।

PCOD কোনো ক্যান্সার না, এটা মরণ রোগও না। এটা একটা লাইফস্টাইল জনিত হরমোনের সমস্যা। WHO, CDC সবাই একটা কথাই বলে - সঠিক নিয়ম মানলে এটাকে ৮০% কন্ট্রোলে আনা যায়। অনেক আপুর বাচ্চাও হয়েছে, ওজনও কমেছে, পিরিয়ডও রেগুলার হয়েছে।

আপনি আজ থেকে ৩টা কাজ করেন :

১. হাঁটাকে ওষুধ বানান: জিমে যাওয়া লাগবে না। রোজ ৪০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটুন। সপ্তাহে ৫ দিন। এই ৪০ মিনিট Insulin-কে ঠিক করার সবচেয়ে বড় ওষুধ। Metformin-ও যা করে, হাঁটা তার চেয়েও বেশি করে।

২. প্লেটটাকে ভাগ করেন: ভাত অর্ধেক কমিয়ে দেন। প্লেটের অর্ধেক শাক-সবজি, এক ভাগ ডিম/মাছ/মুরগি/ডাল, আর এক ভাগ ভাত/রুটি। কোল্ড ড্রিংকস, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেটের জুস, ফাস্টফুড একদম বন্ধ। রাত ১১টার মধ্যে ঘুম।

৩. ডাক্তারকে বন্ধু বানান: নিজে নিজে YouTube দেখে হরমোনের ওষুধ খাবেন না। একজন ভালো গাইনী ডাক্তারের কাছে যান।
একটা USG আর কিছু হরমোন টেস্ট (যেমন LH, FSH, Testosterone, TSH, Prolactin) করলেই অনেকটা ক্লিয়ার হয়ে যাবেন। উনি আপনাকে সঠিক একটি গাইডলাইন দেবেন।

বিশ্বাস করেন ভাই, আমি বহু মেয়েকে দেখেছি শুধু ৫-৭ কেজি ওজন কমিয়ে আর ঘুম ঠিক করেই জীবনটা পাল্টে ফেলেছে।

এই লেখাটা আপনি শেয়ার করলে আপনার বোন, আপনার মেয়ে, আপনার স্ত্রী, আপনার ছাত্রী - কারো না কারো কাজে লাগবেই।
একটা শেয়ারে যদি একটা মেয়েও সচেতন হয়, এর চেয়ে বড় সওয়াব আর কী হতে পারে?
আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন :
www.patientpointbd24.com

হেয়ার এক্সোজম (Hair Exosome) কি  কাদের জন্য?  হেয়ার এক্সোজোম ( Hair Exosome) থেরাপি হলো স্টেম সেল বা অন্য কোষ থেকে নিঃসৃ...
23/08/2026

হেয়ার এক্সোজম (Hair Exosome) কি কাদের জন্য?

হেয়ার এক্সোজোম ( Hair Exosome) থেরাপি হলো স্টেম সেল বা অন্য কোষ থেকে নিঃসৃত ক্ষুদ্র জৈবিক কণা (ভেসিকল), যা গ্রোথ ফ্যাক্টর ও প্রোটিন বহন করে মাথার ত্বকের গভীরে কাজ করে নতুন চুল গজাতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

হেয়ার এক্সোজোম (Hair Exosome) কী?

এক্সোজোম (Exosome) হলো কোষের মধ্যকার বার্তাবাহক বা মেসেঞ্জার, যা চুলের নিষ্ক্রিয় বা মৃতপ্রায় ফলিকলকে (Hair Follicle) পুনরুজ্জীবিত করে।এটি মাথার ত্বকের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের বৃদ্ধি পর্যায় দীর্ঘস্থায়ী করে।
এটি স্ক্যাল্পের প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন কমিয়ে একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরি করে।

কাদের জন্য এই চিকিৎসা?

অ্যান্ড্রুজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া:
জিনগত বা বংশগত কারণে যাদের চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে বা সামনের দিক থেকে চুল পড়ে যাচ্ছে (Male/Female Pattern Baldness)।

অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা:
যাদের মাথার নির্দিষ্ট কিছু জায়গা থেকে প্যাচ আকারে চুল পড়ে যায়।কার্যকরী ফলাফল না পাওয়া রোগী: যারা মিনোক্সিডিল বা পিআরপি (PRP) এর মতো সাধারণ চিকিৎসায় সন্তোষজনক ফল পাননি।

অস্ত্রোপচার বিহীন সমাধান:
যারা হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বা সার্জারি ছাড়া চুল সমস্যার সমাধান চান।

আপনি কি জানেন কাশি কয় প্রকার ও কি কি ?                  সময়কাল ও স্থায়িত্ব এবং কফের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কাশি মূল...
23/08/2026

আপনি কি জানেন কাশি কয় প্রকার ও কি কি ? সময়কাল ও স্থায়িত্ব এবং কফের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কাশি মূলত প্রধানত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।
স্থায়িত্বের দিক থেকে কাশির প্রকারভেদ:

১. তীব্র কাশি (Acute Cough): এই কাশি ৩ সপ্তাহের কম সময় স্থায়ী হয় এবং সাধারণত সর্দি, ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার কারণে হয়ে থাকে।

২. উপসর্গমূলক বা সাবএকিউট কাশি (Subacute Cough): এটি ৩ থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যা প্রায়ই কোনো ভাইরাল সংক্রমণের পরে থেকে যায়।

৩. দীর্ঘস্থায়ী কাশি (Chronic Cough): এই কাশি ৮ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে। এটি হাঁপানি (অ্যাজমা), এসিড রিফ্লাক্স বা দীর্ঘমেয়াদী ফুসফুসের সমস্যার কারণে হতে পারে।

কফের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কাশির প্রকারভেদ:

১. শুষ্ক কাশি (Dry Cough): এই কাশিতে কোনো কফ বা শ্লেষ্মা বের হয় না এবং গলায় খুসখুস বা জ্বালাপোড়া ভাব থাকে।

২. কফযুক্ত কাশি (Wet/Productive Cough): এই কাশিতে মুখ দিয়ে কফ বা শ্লেষ্মা বের হয় এবং বুকে ভারী ভাব অনুভূত হয়।

৩. হুপিং কাশি (Whooping Cough): এটি একটি সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াঘটিত কাশি, যার পরে কুকুরের বাচ্চার মতো এক ধরনের শব্দ হয়।

৪. ক্রুপ কাশি (Croup Cough): এটি সাধারণত ছোট শিশুদের হয়, যা গলার স্বর বদলে দেয় এবং কুকুরের বাচ্চার মতো ঘেউ ঘেউ শব্দের মতো শোনায়।

কাশিটি কি শুকনো নাকি কফযুক্ত, এবং এটি কতদিন ধরে আছে তা জানালে আরও নির্দিষ্ট কারণ ও পরামর্শ দেওয়া সম্ভব।

Address

Faridpur
FARIDPURSADAR-7800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Patient Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Patient Point:

Shortcuts

Share