Raqi Shakil Ehtesham

Raqi Shakil Ehtesham Qur’an ও সহিহ দোয়ার মাধ্যমে সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ সেবা। পরামর্শ ও সেশন জানতে যোগাযোগ: 01760781344

07/06/2026

জটিল ইন্টারেস্টিং একটি "রুকিয়ার" অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।খুব দ্রুতই ইনশাআল্লাহ।

19/05/2026

ডায়াগনোসিস সেশন

17/05/2026

এখন থেকে রুকইয়ায় শারীয়াহ সেন্টার ফরিদপুরে নিয়মিত থাকবো ইনশাআল্লাহ।

মঙ্গলবার, বুধবার, শুক্রবার

স্থান:নতুন বাসস্ট্যান্ড,গোল্ডেন লাইন কাউন্টার এর পশ্চিমপাশে

সময়:৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা

রুকিয়া সিডিউল: WhatsApp 01760781344

12/05/2026

ডায়াগনোসিস সেশন।কানে হেডফোন লাগিয়ে শুনতে থাকুন।

রুকিয়া সিডিউল ০১৭৬০৭৮১৩৪৪

রুকিয়া শুরুতেই বিকট চিৎকার দিয়ে উঠে।কান আটকিয়ে রাখে যাতে তেলাওয়াত শোনা না যায়।মেয়েটি দীর্ঘদিন দ্বিন জাদু সমস্যায় ভুগছে।আ...
07/05/2026

রুকিয়া শুরুতেই বিকট চিৎকার দিয়ে উঠে।কান আটকিয়ে রাখে যাতে তেলাওয়াত শোনা না যায়।মেয়েটি দীর্ঘদিন দ্বিন জাদু সমস্যায় ভুগছে।আশেক জ্বিন।
এদেরকে তাড়ানো খুব কঠিন,খুব ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়।শরীরে অস্বাভাবিক ব্যহাথা এবং আচরের দাগ পাওয়া গেছে।শরীর দিন দিন অসুস্থ হয়ে পরছে কিন্তু মেডিকেল রিপোর্ট সব নরমাল।

প্রত্যেকেরই সকাল-সন্ধার আমলে জোর দেওয়া জরুরী

16/02/2026

বদনজরের এক বাস্তব চিত্র

আমার খুব কাছের এক বন্ধুর ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে পুত্র সন্তান ভুমিষ্ট হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ বাচ্চা। ২-৩ দিন পার হওয়ার পর বাচ্চা এবং পরিবারের উপর নেমে আসে কালো ছায়া। হঠাৎ বাচ্চাটি চোখমুখ উল্টে যায় ,শ্বাসকষ্ট হতে থাকে,মূহুর্তের মধ্যে বাচ্চাটি নীলবর্ন ধারন করে। ইমারজেন্সি ডাক্তার আসে।চেক আপ করে কিন্তু কোন সমস্যা ধরতে পারেনা।

পরেরদিন আরোও বড় ডাক্তার আসে,বুক চেক করে কিন্তু কোন সমস্যা পায়না।অপরদিকে বাচ্চার অবস্থারও কোন উন্নতি না দেখে পরিবারের সবাই পেরেশান। পরদিন ডাকা হলো শিশু বিশেষজ্ঞ একজনকে। চেক আপের পর তিনিও জানিয়ে দিলেন কোন সমস্যা নাই।

আমার বন্ধু ইসলামি জ্ঞান রাখার দরুন তার মনের মধ্যে একটা সন্দেহের তীর বিদ্ধ হয়। যার দরুন সে আমাকে বিষয়টি খুলে বলে এবং রুকিয়া করার কথা বলে। আমি উপরিউক্ত লক্ষনগুলো শুনে তাকে মেডিকেল সমস্যার কথায় বলি। এবং আমি ধরেই নেই যে বাচ্চাটির নিউমোনিয়া হয়েছে এবং এটা আমার বন্ধুকে বলেও দেই। সত্য বলতে বিষয়টি প্যারানরমাল সমস্যা হিসেবে আমি নিজেও পাত্তা দেয়নি।

আমরা দুজন গল্প করতে করতে লিফটে উঠি। ভর্তি থাকা কেবিনের সামনে যেতেই দেখি দৌড়াদৌড়ি,কান্নাকাটি। শুনতে পেলাম ইমারজেন্সি বাচ্চাকে শিশু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।কেবিনে মহিলা মানুষ থাকা সত্ত্বেও আমি এগিয়ে গেলাম।একটা ছোট কম্বলে মোড়ানো,নাকে অক্সিজেন লাগানো। বাচ্চাটির মুখটাও ভালোভাবে দেখা যাচ্ছেনা।আমি সহসা বাচ্চাটির দিকে এগিয়ে গেলাম। চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে ,মুখে ফেলা লেগে আছে। আমি বুকের উপর হাত রাখলাম কিন্তু হার্টবিট বুঝতে পারছিনা।হতে পারে মোটা কম্বলে জড়িয়ে থাকার কারনে। আমি কিছুটা নড়াচড়া দিলাম কিন্তু কোন সাড়া নেই।

মনে হচ্ছে আমার রুহটা বের হয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমাকে বারংবার জিজ্ঞাস করছে কেন আর কিছুক্ষন আগে এলেনা।আমি নিস্তেজ।আরশের মালিকের কাছে শুধুই কাকতি মিনতি,হে আমার রব ফিরিয়ে দিন না,ফিরিয়ে দিন।

গাড়ি খরব দেওয়া হলো। অক্সিজেন লাগিয়েই নিয়ে যাওয়া হবে বড় একটি হাসপাতালে।আমি সবাইকে বললাম বাচ্চাটা আমার কোলে করে আমি নিয়ে যাই? সবাই রাজি হলো।মনের সমস্ত জোড় দিয়ে রুকিয়া শুরু করলাম।আমি থামতে চাইলেও আমার মন এবনফ ঠোট কিছুতেই থামতে চাইছেনা।গাড়ি স্টার্ট দেয়া হলো। গাড়ির মধ্যে আমি খোমিনা রুকিয়া নন স্টপ চালিয়ে গেলাম। আর বুকে হাত রেখে শুধু মেসেজ দিতে লাগলাম। প্রায় পাচ মিনিট পর সজোড়ে ক

29/12/2025

আশিক্ব জিন পুরুষদের মতই মেয়েদের আওরাহ; লজ্জাস্থান কে পছন্দ করে, সেখানে থাকে। ব্যভিচারীমূলক কাজ করে। ওভারিতে থাকায় সেখানে প্রচুর হাসাদ, হুসুনের গিট সৃষ্টি হয় যেকারণে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয়৷ সিহর ও থাকে আল্লাহু আ'লাম।

এসব কারণে মুড সুইং, এক্সেসিভ হেয়ার গ্রোথ(চেহারা, হাতে, শরীরে), ইরেগুলার পিরিয়ড, মিসক্যারেজ, লিউকোরিয়া, কন্সিভ না করা, ওভারিয়ান সিস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি নানান মেয়েলি রোগের সূত্রপাত হয়।

যারা হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স এর মেডিসিন নিচ্ছেন এর পাশাপাশি সরাসরি রুক্বইয়াহ সেশন নিন অথবা নিম্নোক্ত সেল্ফ রুক্বইয়াটি ফলো করুন।
আশ্বিক জ্বিন যাদুকে বারবার এক্টিভ করে ফিজিক্যালি হ্যারেজমেন্ট এর মাধ্যমে।
যেভাবে আশিক জ্বিনের হ্যারেজমেন্ট বন্ধ করাবেন:

১. প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে যিকরসমূহ করে ঘুমাবেন। ‘হিসনুল মুসলিম ’ এপস এ বিস্তারিত রয়েছে যিকরসমূহ।

২. একটা কড়া ঘ্রাণের আতর নেবেন। কস্তুরি হলে ভাল। এরপর তাতে সূরা সফফাতের প্রথম ১০ আয়াত, সূরা বুরুজের ১০ নং আয়াত, বানী ইসরাঈল, আয়াত নং ৩২, সূরা ইউসুফ এর আয়াত নং ২৩ এবং ৩০ নং আয়াত, প্রতিটা আয়াত ৭ বার পড়ে আতরে থুতু মিশ্রিত ফু দিন। অত:পর প্রতিদিন ঘুমানোর আগে আপনি যেখানে ঘুমান, সেই স্থানে চাদরে অথবা আপনি যদি ঘর থেকে না বের হোন তবে আপনার পায়জামার কোন অংশে সামান্য লাগিয়ে ঘুমাবেন৷ নিয়ত হলো জ্বিন যাতে ফিজিক্যালি হ্যারেজ করতে না পারে।এই পদ্ধতি আমাদের অসংখ্য পেশেন্টদের উপর আমরা এপ্লাই করেছি এবং আলহামদুলিল্লাহ ৯৯% কেইসে সফলতা পেয়েছি।

25/12/2025

শিশু যখন কাঁদে, বাবা তখন সন্তানকে এভাবে জিজ্ঞেস করে, আব্বু! তোমার কী লাগবে? মজা লাগবে? আইসক্রিম দরকার? চকলেট দিব? কী প্রয়োজন? আব্বুকে বলো! আব্বু এখুনি এনে দিচ্ছি।

অনুরূপভাবে রাতের শেষ প্রহরে আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাকে জিজ্ঞেস করেন, বান্দা! তোমার কী দরকার? ক্ষমা দরকার? ক্ষমা করে দিব। রিজিক লাগবে? রিজিক দিয়ে দিব। বান্দা! আমি মাওলার কাছে বলো, তোমার কী প্রয়োজন, আমি পূরণ করে দিব।

18/12/2025

মাকে নিয়ে সুদূর বরিশাল থেকে মেয়েরা রুকইয়াহ সেশনের জন্য নিয়ে এসেছেন।

কারণটি ছিল গুরুতর সন্দেহের জায়গা থেকে।

পরিবারের সবার ধারণা—মায়ের ওপর এক সন্তানের করা জাদুর প্রভাব রয়েছে।
বিশেষ করে “সিহরুল আশেক”—আকৃষ্ট করার জাদু।

অদ্ভুত বিষয় হলো—
বড় ছেলে মায়ের সব খরচ বহন করেন, সব দায়িত্ব নেন।
তবুও তার সঙ্গে কথা বলা, মেশা—মায়ের একেবারেই পছন্দ নয়।

মেয়েদের কাছে থাকা,
মেয়েদের পরামর্শ নেওয়া—
এই দুটো যেন তার কাছে সবচেয়ে বিরক্তির কারণ।

অথচ ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যায়—
এক নির্দিষ্ট ছেলে ও তার স্ত্রীর প্রতি অস্বাভাবিক দুর্বলতা।

এই দুর্বলতা শুধু মানসিক টানে সীমাবদ্ধ নয়।
জায়গা-জমি, অর্থ বণ্টনেও স্পষ্ট পক্ষপাত।

পরিবারের সবাই চেষ্টা করেছে।
সম্মান, সেবা, দায়িত্ব—কিছুই কম ছিল না।

তবুও মায়ের এই আচরণ মেনে নেওয়া সবার জন্য কঠিন হয়ে উঠছিল।

অবশেষে সন্দেহের জায়গা থেকেই
ডায়াগনোসিস সেশন গ্রহণের সিদ্ধান্ত।

আর সেই সিদ্ধান্তই তাদের নিয়ে এসেছে—
এত দূর পথ পাড়ি দিয়ে রুকইয়াহ সেশনের দরজায়।

Raqi Rahat Al Ahnaf

ছবিতে যে বড় ছেলেটিকে দেখতে পাচ্ছেন।এই ছেলেটি ফরিদপুর জিলা স্কুলের ছাত্র।খুবই মেধাবী ছাত্র।হঠাৎ করেই ছেলেটি পড়াশোনা করতে ...
09/12/2025

ছবিতে যে বড় ছেলেটিকে দেখতে পাচ্ছেন।এই ছেলেটি ফরিদপুর জিলা স্কুলের ছাত্র।খুবই মেধাবী ছাত্র।হঠাৎ করেই ছেলেটি পড়াশোনা করতে পারেনা।কিন্তু পড়াশোনার করতে পারছেনা বলে ও নিজেও খুব কষ্ট পাচ্ছে।
ওর বাবা আমার কাছের বড় ভাই।একদিন আমাকে সব খুলে বললো, আমিও রুকিয়া করার জন্য রাজি হলাম। সরাসরি ছেলেটার মুখ থেকে হিস্টোরি নিয়ে জানতে পারলাম পড়তে বসলেই ওর মাথা ধরে ঝাকায় আর জ্বর চলে আসে।আর স্বপ্নে শুধু দেখে পরীক্ষা দিতে পারছেনা,সবার লেখা শেষ কিন্তু ও লিখতেই পারছেনা।

আমি ভেবেছিলাম "সেহেরুল হাসাদ"(হিংসার যাদু)।কিন্তু রুকিয়া শুরু করার পর হাত পা ছুটাছুটি করতে থাকে।আর চিল্লাতে থাকে।আমি সবাক থেকে অবাক।একি দেখছি আমি।এটাতো মনে হচ্ছে "সেহেরুল মাজনুন"(পাগল বানানোর যাদু)।কিছুক্ষণ পর (প্রায় ২০ মিনিট)আরোও আজব ঘটনা ঘটে।সে একটা লোকের চেহারা দেখতে শুরু করে।তার কিচ্ছুক্ষণ পরে আরোও আজব ঘটনা ঘটলো। ছেলেটা আমাকে ইশারা করে একটা রুমে নিয়ে গেলো।

ছেলেটা সেই রুমে গিয়েই সেরুমের তোষক, জাজিম উঠাতে শুরু করে।যখনই সে তোষক উচু করলো,(আমি সাক্ষী দিচ্ছি আমার সামনে)মনে হলো কিসে যেনো ছেলেটাকে ফুলবলের মত লাথি মেরে উল্টো দিকে ছিটকে ফেলে দিলো।পরে তাকে সবাই ধরে উঠালো।এরপর আমরা সবাই তোষক,জাজিম উঠালাম।।আমি আরোও অবাক, হায় আল্লাহ আমি এসব কি দেখছি।তোষকের নিচে বিভিন্ন চাকতি কুড়ি বিভিন্ন লেখা কাগজ এসব পাওয়া গেলো।

এবার আসল ঘটনা শুনুন:পাশের বাড়ির একটা ছেলে ওর সাথে কিছুতেই পড়ালেখায় পেরে উঠেনা।এজন্য সেই ছেলেটার বাবা একজন ফকিরকে দিয়ে এই বাচ্চাটিকে যাদু করেছে যাতে ও আর পরীক্ষা দিতে না পারে।আর পড়ালেখাও না করতে পারে।আজীবন যেনো পাগল হয়ে থাকে।
আর রুকিয়া করার সময় ছেলেটা যেই লোকটার ছবি বারবার ওর চোখের সামনে ভেসে উঠতে দেখেছে সেই লোকটা আর এই লোকটা(যে যাদু করেছে)একই লোক।

এসব কুফরি জিনিস পোড়ানোর পর ছেলেটা বললো আংকেল আমার শরীর এখন হালকা হয়ে গেছে।

বি:দ্র:এজন্য যাদু বদনজর,হাসাদ,জ্বিন কোন কিছু নিয়ে সন্দেহ হলে রুকিয়া করতে দেরি করবেন না।

Address

Notun Bus Stand(Golden Line Counter Er Purba Pashe), Faridpur Sadar
Faridpur
7800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Shakil Ehtesham posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share