15/05/2026
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করাতে এসেও সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ার কতিপয় কারণ!....
বিভিন্ন রোগে বছর বছর ভুগতে থাকা রোগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এসেও শতভাগ সুস্থ হতে পারে না, এর অন্যতম কতিপয় কারণ----
১) খুবই দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে এমন আশা নিয়ে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের চেম্বারে আসে এমন পেশেন্ট।
২) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগের কারণ বা রোগ সৃষ্টির কারণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পেশেন্টের রোগ সৃষ্টির কারণটি মনে না থাকায় ডাক্তারের কাছে বলতে না পারায় বা এই বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেয়ায়!
৩) হোমিওপ্যাথি অসুস্থ মানুষের শরীর ও মন এর চিকিৎসা একত্রে করে। কিছু মানসিক বিপর্যস্ত রোগীর শরীরেও ৩০/৪০ টি কষ্ট বা লক্ষণ থাকে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকালে রোগীর মানসিক লক্ষণের উন্নতি হলে ইতিপূর্বে চাপা পড়া কয়েকটি শারীরিক লক্ষণ দৃশ্যমান হয় যা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ভালো করতে হয়। কিন্তু কিছু রোগী ঠিক ঐ সময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ছেড়ে দিয়ে টেবলেট খাওয়া শুরু করে!
৪) অতিমাত্রায় সন্দেহপ্রবন রোগী! ডাক্তারের কথা ও পরামর্শ সহজে গ্রহণ করে না। প্রচুর কনফিউশান।
৫) বেশী বোঝেন এমন রোগী। চিকিৎসা চলাকালে লক্ষণের পরিবর্তন হয়। চাপা পড়া লক্ষণ প্রকাশ পায়। যা হোমিওপ্যাথিক্যালী ভালো করতে হয় কিন্তু এ সকল রোগী নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ত্যাগ করেন।
৬) এক রোখা পেশেন্ট। সহজে কম্প্রোমাইজ করে না এমন পেশেন্ট। তর্ক প্রিয় পেশেন্ট।
৭) চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ না করে নিজের চিন্তা চেতনায় চলেন। উল্টো চিকিৎসককে পরামর্শ দেন।
৮) কিছু রোগী ভুলোমন। সবকিছু ভুলে যায়। ৩০/৪০ টি লক্ষণ নিয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য আসে। প্রথম দুই এক মাসে ৮০% লক্ষণ চলে গেলেও তা ভুলে যায়।
৯) অকৃতজ্ঞ পেশেন্ট। তারা কখনও শোকর করে না। তার চোখ আছে দেখতে পায়, কান আছে শোনতে পায়, নাক আছে ঘ্রাণ নেয়, তার হাত পা আছে সহজে চলাফেরা করতে পারে। কিন্তু শোকর করে না।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এসে তার কী কী উন্নতি হলো তা দেখতে পায় না কেবল কী কী লক্ষণ রয়ে গেছে তা-ই দেখতে পায়।
১০) কঠোর কট্টর যুক্তিবাদী পেশেন্ট। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এসে কোন চাপা পড়া লক্ষণের বৃদ্ধিতে যুক্তিতর্কে অবতীর্ণ হওয়া। নানাহ মন্তব্য করা। হতাশা নিরাশা প্রকাশ করা।