25/05/2026
#এলার্জির চিকিৎসায় মূলত এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এগুলো হাঁচি, সর্দি, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং ত্বকের চুলকানি ও র্যাশ কমাতে কাজ করে। নিচে এলার্জির সাধারণ কিছু ওষুধের তালিকা দেওয়া হলো:
১. প্রথম প্রজন্মের এন্টিহিস্টামিন:ক্লোরফেনিরামিন মেলেট (Chlorpheniramine Maleate):
এলার্জি ও সর্দির জন্য বহুল ব্যবহৃত।হাইড্রোক্সিজাইন (Hydroxyzine):
ত্বকের তীব্র চুলকানি ও উদ্বেগের জন্য কার্যকর।(নোট: এই ওষুধগুলো খেলে সাধারণত ঘুম বা ঝিমুনি ভাব হতে পারে।)
২. দ্বিতীয় প্রজন্মের এন্টিহিস্টামিন (কম ঘুমের প্রভাবযুক্ত):সেটিরিজিন (Cetirizine): যেমন- এলাট্রল (Alatrol) বা জাইসল (Zisel)।ফেক্সোফেনাডিন (Fexofenadine): যেমন- ফেক্সো (Fexo) বা এলারনেক্স (Alernex)।লোরাটাডিন (Loratadine): যেমন- লোরাডিন (Loradin) বা ক্লারিটিন (Clarityn)।বিলাস্টিন (Bilastine): যেমন- বিলাস্টেন (Bilasten)।
অন্যান্য ওষুধ:নাকের স্প্রে (Nasal Sprays): অতিরিক্ত হাঁচি ও নাক বন্ধ থাকলে ব্যবহার করা হয়।স্টেরয়েড মলম (Steroid Creams): ত্বকের তীব্র এলার্জি বা একজিমার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত হয়।
সতর্কতা: যেকোনো ওষুধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ মাত্রা এবং সঠিক ওষুধ রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।