Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ

  • Home
  • Bangladesh
  • Habiganj Sadar
  • Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ

Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ, Medical and health, Habiganj Sadar.

রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ।
কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক ইসলামিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

আমাদের সেবাসমূহঃ
✔️ জাদু/ব্ল্যাক ম্যাজিক।
✔️ জ্বিন সমস্যা।
✔️ বদ নজর।
✔️ মানসিক ও আত্মিক সমস্যা।

📞 এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন।

02/10/2026

এই বোন হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে কপালপোড়া আর হতভাগাদের একজন, নাহলে কখনো জন্মদাতা পিতা কি মেয়ের উপর ব্লাক-ম্যাজিক করতে পারে! হ্যা, নির্মম বাস্তবতা এমনই!!

বাবা কাজের মেয়েকে বিয়ে করে সংসার পেতেছেন প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তানকে ঘরে রেখেই, অতঃপর শুরু হলো নির্যাতন।

ভিডিওতে দেখা মেয়েটি দুই বোনের বড় বোন, তার পর্দা, নামায, দ্বীনদারিতা বাবার চোখে বিষ সমতুল্য। শত নিষেধাজ্ঞা ও বাঁধার পরও দ্বীনের প্রতি তার অবিচল থাকা তার জন্য কাল হয়ে দাড়ালো।
বাবার শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন থেকে বাচতে
শেষ পর্যন্ত মা তার চার সন্তানাদি নিয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হলেন।

এবার হাতের নাগালে না পেয়ে ঘোষণা দিয়ে শুরু হলো জ্বীনের পূজারী কবিরাজের মাধ্যমে সেহের (ব্লাকম্যাজিক), বান, চালান ইত্যাদি ইত্যাদি।
শেষ পর্যন্ত খাদেম জ্বিন আশিক জ্বিনে পরিণত হলো, আল ইয়াজু-বিল্লাহ।

ফলাফলঃ- অশান্তি, অজানা রোগ, বাড়িতে, বাসায় বিভিন্ন অদ্ভুত বিষয় ঘটে যাওয়া, চরম ডিপ্রেশন, মাথা গরম, শরীরে অস্বাভাবিক জ্বালাপোড়া, রাতে ঘুম থেকে দাড়িয়ে হাটতে থাকা, মাঝেমধ্যে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া সহ অসংখ্য সমস্যা নিয়ে চলছে তাদের জীবন!

দেখা হলো আমাদের সাথে আলহামদুলিল্লাহ। সবকিছু শুনে শান্তনা দিলাম। বললাম আল্লাহর কালামের মু'জিজার কথা। শুনালাম আল্লাহর বাণী لا تقنتو من رحمة الله
স্বয়ং আল্লাহ বলেছেন "হে মুমিন, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হইয়ো না।" শুনলেন, বুঝলেন, অনুধাবন করলেন! অতঃপর আমাদের কাছ থেকে পবিত্র কুরআন সুন্নাহ'র রুকইয়াহ গ্রহণ করলেন।

আমাদের এই বোন এখন অনেকটা সুস্থতার দিকে আলহামদুলিল্লাহ, হ্যা, সত্যিই তিনি সুস্থতার দিকে আলহামদুলিল্লাহ। রবের রহমতি ফরমানের উছিলায় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই ফিরবেন ইনশাআল্লাহ।

যারা এখনো ভাবছেনঃ- নজর হাসাদ, জ্বিন আসর, কালো জাদু (বান), বিয়েতা বাঁধা, সন্তান না হওয়া, পরিবারে অশান্তি, রিজিকে বাঁধা, প্রত্যেক কাজে বাঁধা, স্বামী স্ত্রীর অমিল, ব্লাক ম্যাজিক, বদনজর, অসুস্থতা, ওয়াসওয়াসা, মানসিক অশান্তি, সহ শারীরিক ও মানসিক রোগের স্বীকার হয়েও কি করবেন, কার কাছে যাবেন, কাকে বিশ্বাস করবেন!

আপনি নিজেকে আল্লাহর পবিত্র কালামের সামনে
সমর্পণ করুন, আসুন আমাদের রুকইয়াহ সেন্টারে, আমাদের কাছে শেয়ার করুন আপনার সমস্যাবলি, মুক্ত জিবন নির্মল বাতাসের স্নিগ্ধতা আর আসমানী শিফা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ইনশাআল্লাহ।

✅ আমাদের সার্ভিস সমূহঃ-
♻️অভিজ্ঞ রাক্বি দ্বারা চিকিৎসা প্রধান।
♻️রুকইয়াহ হোম সার্ভিস।
♻️অনলাইন/ফোন রুকইয়াহ।
♻️ডায়াগনোসিসের মাধ্যমে রোগ নির্ণয়।
♻️হিজামা কাপিং থেরাপি।

হাদিসে বলা হয়েছে: “রুকইয়াহ করো,
কারণ এতে অপকৌশল নেই।” (বুখারী)।
আল্লাহর কুদরতে হাজারো মানুষ সুস্থ হয়েছেন। আপনারও মুক্তির সময় এসেছে ইনশাআল্লাহ!
শুধু বিশ্বাস নিয়ে আসুন, বাকিটা আমরা দেখবো ইনশাআল্লাহ।

যোগাযোগ করুন এখনইঃ-
🟢 রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ।
📞 01712902194. ওয়াট্সঅ্যাপ 01712902194
📍 ঠিকানা: হবিগঞ্জ সদর, হবিগঞ্জ।

#রুকইয়াহ #জিনপ্রতিকার #ব্ল্যাকম্যাজিক #হাসাদ #নজর #ইসলামিকহিলিং #হবিগঞ্জ

অনেক দিন ধরে আমি আপনাদের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর জাদু সম্পর্কে আলোচনা করবো মনে করছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে ...
06/09/2026

অনেক দিন ধরে আমি আপনাদের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর জাদু সম্পর্কে আলোচনা করবো মনে করছিলাম।

ব্যক্তিগতভাবে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি আপনাদের‌ কমেন্টের মাধ্যমে। সম্মানিত অনুসারী—পুরুষ ও নারী—আমাকে লিখেছেন:

“হুজুর, যদি স্বামী-স্ত্রীর একজন অন্যজনের থেকে দূরে থাকে, তার সঙ্গে যোগাযোগ না থাকে, কথা না বলে, তাহলে কী করবে?”

আরও অনেকে বলেছেন, “যদি স্বামী-স্ত্রীর একজন জাদুর প্রভাবে চিকিৎসা করাতেই অস্বীকার করে, তাহলে কী করা হবে?”

সত্যি বলতে, তখন আমি জানতাম না, কারণ সেই সময় আমার কাছে উপযুক্ত উত্তর ছিল না।

এরপর দীর্ঘ সময় গবেষণা ও অনুসন্ধান এবং অন্যান্য শায়খদের সঙ্গে আলোচনা করার পর, আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের জাদু এক পক্ষের মাধ্যমে বাতিল করার একটি পরীক্ষিত ও উপকারী পদ্ধতিতে পৌঁছাতে পেরেছি।

অর্থাৎ, স্বামী-স্ত্রীর একজন যদি অন্যজনের থেকে দূরে থাকে এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ না করে, অথবা চিকিৎসা করাতে মূলত অস্বীকার করে, তাহলে স্ত্রী একাই তার স্বামীকে আবার ফিরে পেতে পারবে। একইভাবে স্বামীও একাই তার স্ত্রীকে আবার ফিরে পেতে পারবে। এর জন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকে একসঙ্গে থাকার প্রয়োজন নেই; বরং আল্লাহর হুকুমে শুধু একজন পক্ষই এটি করতে পারবে।

বিস্তারিত জানতে পুরো পোস্টটি পড়ুন।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

আমি আপনাদের বলছি, এই পদ্ধতিতে আল্লাহর হুকুমে স্ত্রীকে জাদু বাতিল করার জন্য তার স্বামীকে সঙ্গে নিতে হবে না। স্বামীকেও তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিতে হবে না। বরং প্রত্যেকেই নিজ নিজ ঘরে ও নিজ নিজ অবস্থান থেকে, এমনকি অপর পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বা কথা না বলেও জাদু বাতিল করতে পারবে।

তবে আল্লাহর হুকুমে এই উপকারী পদ্ধতিটি বলার আগে আমি প্রথমে সেই লক্ষণগুলো উল্লেখ করতে চাই, যেগুলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেখা দিলে আমরা বুঝতে পারব যে তাদের ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে।

কারণ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রতিটি সমস্যা এবং প্রতিটি তালাকের কারণ জাদু নয়। বরং আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে যে স্বাভাবিক নিয়ম রেখেছেন, তার কারণে অনেক স্বাভাবিক সমস্যাও হতে পারে।

কিন্তু এসব লক্ষণ যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেখা যায়, তাহলে আমরা বুঝতে পারব যে তাদের ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে এবং এরপর আল্লাহর হুকুমে চিকিৎসা শুরু করব।

প্রথমত: তুচ্ছ বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত অশান্তি ও সমস্যা।

কোনো বাড়িতে সমস্যা বা অশান্তি হতে পারে এবং তার যথেষ্ট কারণও থাকতে পারে। কিন্তু যদি সামান্য সামান্য বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত সমস্যা হতে থাকে, তাহলে সন্দেহ করা যায় যে এখানে বিচ্ছেদের জাদু থাকতে পারে।

দ্বিতীয় লক্ষণ: বারবার তালাকের কথা চিন্তা করা।

অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোট কিংবা বড় যেকোনো সমস্যা হলেই তালাকের চিন্তা বারবার আসতে থাকে। স্ত্রী স্বামীর কাছে তালাক চাইতে থাকে এবং স্বামীও স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তালাকের কথা চিন্তা করতে থাকে।

তালাকের ব্যাপারে অতিরিক্ত চিন্তা দেখা গেলে বোঝা যায় যে এখানে জাদুর বিষয় থাকতে পারে।

তৃতীয়: স্বামীর অধিকাংশ সময় বাড়ির বাইরে থাকা।

অর্থাৎ স্বামী বাড়িতে থাকতে পছন্দ করে না। কাজ শেষ হওয়ার পরও বাইরে থাকে এবং শুধু ঘুমানোর সময় বাড়িতে ফিরে আসে। এমনকি যদি বাড়ির বাইরে রাত কাটানোর সুযোগ পায়, তাহলে সেটিও করত।

এমনটি ঘটলে বক্তার মতে, স্বামী অথবা স্ত্রী অথবা উভয়ের ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে।

চতুর্থ: স্বামীকে দেখলে স্ত্রীর মানসিকভাবে অস্বস্তি হওয়া।

অর্থাৎ ভেতর থেকে এক ধরনের অস্বস্তি অনুভব করা, মন খারাপ হওয়া, বিরক্তি অনুভব করা—প্রতিবার স্বামীকে দেখলেই এমন হওয়া।

এমনটি হলে বক্তা বলছেন, বোন, তুমি নিশ্চিত হও যে তোমার ওপর, তোমার স্বামীর ওপর অথবা তোমাদের উভয়ের ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে।

পঞ্চম: স্বামী পৃথিবীর অন্য সব নারীকে সুন্দর মনে করে, কিন্তু নিজের স্ত্রীকে কুৎসিত মনে করে।

অর্থাৎ যেকোনো নারীকে সুন্দর মনে হয়, কিন্তু নিজের স্ত্রীকে কুৎসিত মনে হয়। অথচ তার স্ত্রী অত্যন্ত সুন্দরী হতে পারে। তারপরও জাদুর প্রভাবে সে তার স্ত্রীকে কুৎসিত মনে করে এবং আগের মতো সুন্দর বা ভালো লাগে না।

উদাহরণস্বরূপ, সে ভালোবেসে এই নারীকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের শুরুতে তাকে সুন্দর মনে হতো, তার কথা বলা, পোশাক পরা, বাইরে যাওয়া এবং তার যেকোনো কাজই ভালো লাগত।

কিন্তু জাদুর পর এই অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনাদের রক্ষা করুন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি তালাক পর্যন্ত গড়ায়।

এমনটি ঘটলেও সন্দেহ করা হয় যে তাদের ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে।

ষষ্ঠ এবং সর্বশেষ: দাম্পত্য যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বস্তি না থাকা।

আমি অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে বেশি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারব না, কারণ এতে লজ্জার বিষয় রয়েছে। তবে যেসব ভাই-বোন এই সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছেন, তারা কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছাড়াই বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

প্রিয় ভাই-বোনেরা, এগুলো হলো সেই লক্ষণগুলো—যেগুলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেখা দিলে অবশ্যই নিশ্চিত হওয়া যায় যে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদের জাদু করা হয়েছে, যাতে শেষ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তালাক হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।

এবার চিকিৎসার কথা।

অবশ্যই আমরা বলে থাকি স্বামী-স্ত্রী দুই জনে থাকলে উত্তম হবে।

যদি স্বামী রাজি হয় ।স্ত্রী চিকিৎসা করতে না চাই তাহলে স্বামী যদি বিচ্ছেদের যাদু ধ্বংসের নিয়তে চিকিৎসা করে সে আমল করুক বা রুকইয়াহ ইনশাআল্লাহ বিচ্ছেদের যাদু ভাঙতে সেটাই যথেষ্ট। এক কথায় যদি বলা যায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যেকোনো একজন চিকিৎসা করলেই হয়ে যাবে কিছু কারণ রয়েছে তার মধ্যে একটি কারণ রয়েছে যখন জাদু করা হয় দুইজনেই শরীরে হুসুন থাকে এবং জীন তাদেরকে বেশি ওয়াসওয়াসা দেয়। আমার অভিজ্ঞতাই দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ সময় মেয়েকে চিকিৎসা করলে খুব সহজেই স্বামী ফিরে আসে বা বিচ্ছেদের জাদু ভেঙে যায়। যদি বলা যায় যেকোনো একজন চিকিৎসা নিলেই যথেষ্ট। দুইজন সবচাইতে উত্তম।

আমি বিষয়টি আবারও নিশ্চিত করতে চাই—যদি স্বামী-স্ত্রী এখনও একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে, বোঝাপড়া থাকে, পরস্পরের সঙ্গে একমত থাকে এবং তারা জানে যে সমস্যাটির মধ্যে জাদুর বিষয় থাকতে পারে তাহলে দুইজন মাঝ ঠান্ডা করে চিকিৎসা নেওয়া শুরু করুন আপনি যদি মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্বামীকে শেয়ার করুন অথবা আপনি যদি ছেলে হয়ে থাকেন আপনার স্ত্রীকে শেয়ার করুন।

আমরা এখন যে পরিস্থিতির কথা বলছি তা হলো—স্বামী-স্ত্রীর একজন অন্যজনের থেকে দূরে রয়েছে, অথবা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না, অথবা স্বামী-স্ত্রীর একজন জাদু বাতিল করার চিকিৎসায় আদৌ বিশ্বাস করে না।

তাহলে অপর পক্ষ—সে পুরুষ হোক অথবা নারী—কী করবে?

আমি আবার বলছি, সে পুরুষ হোক অথবা নারী।

আমি বিশেষভাবে নারীদের উদ্দেশে কথা বলতে চাই। কারণ সত্যি বলতে, এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে আসা অধিকাংশ মন্তব্য এসেছে আমাদের সম্মানিত বোনদের কাছ থেকে।

অনেক মন্তব্য ছিল এমন:

“হুজুর, আমার স্বামী আমার কাছে নেই। আমার স্বামী অনেক দূরে থাকে। আমার স্বামী আমার সঙ্গে কথা বলে না। জাদুর প্রভাবে আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমি কীভাবে তাকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে আনব?”

আরও বলা হয়েছে:

“হুজুর, আমার স্বামী মূলত এই চিকিৎসার ব্যাপারে বিশ্বাসী নয়, রাজিও নয়, বরং চিকিৎসা করানোর বিষয়টিই প্রত্যাখ্যান করে। তাহলে আমি কীভাবে ব্যবস্থা নেব?”

এ কারণেই আমি আমার কথাগুলো নারীদের উদ্দেশে বলব।

তবে আগেই যেমন বলেছি, কোনো পুরুষ যদি এই জাদু বাতিল করতে চায়, তার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

কিন্তু আমি এখন বিশেষভাবে আমার সম্মানিত বোনদের উদ্দেশে বলছি।

বোন, তুমি নিম্নলিখিত কাজ করবে:

প্রথমে আল্লাহর জন্য দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়বে।

কেউ প্রশ্ন করতে পারে, “সালাতুল হাজত বলতে কী বোঝায়?”

দুই রাকাত সাধারণ নামাজ। নিজের মনে, গোপনে এবং অন্তরে নিয়ত করবে যে এটি তোমার প্রয়োজন পূরণের জন্য দুই রাকাত নামাজ। আল্লাহর জন্য দুই রাকাত পড়বে এবং সিজদায় আল্লাহর কাছে দোয়া করবে যেন আল্লাহ তাআলা তোমার স্বামীকে সুন্দরভাবে তোমার কাছে ফিরিয়ে দেন।

এই কাজটি দুহার সময়ে করতে হবে।

দুহার সময় বলতে সূর্য আকাশে কিছুটা ওপরে ওঠার পরের সময়কে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ সূর্য ওঠার প্রায় এক ঘণ্টা পর দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়বে।

এরপর নামাজের জায়নামাজে বসবে। তারপর কুরআন মাজীদ নিয়ে সূরা ইয়াসিন খুলবে এবং এই পদ্ধতিতে সূরাটি পড়বে।

শুরুতেই আমি একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চাই, যাতে কেউ আমাদের ভুল না বোঝে।

আমরা আয়াতের ক্রম পরিবর্তন করব না। আয়াতের মধ্যে কোনো পরিবর্তন করব না। সূরাটি উল্টো করে পড়ব না—আল্লাহ তাআলা আমাদের রক্ষা করুন—যেভাবে কিছু লোক করে থাকে।

বরং আমরা সূরা ইয়াসিন স্বাভাবিকভাবেই পড়ব—কুরআনের বরকতে এবং এই সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ সূরার বরকতে। তবে এখন আমি যে পদ্ধতিটি বলব, সেই অনুযায়ী কিছু আয়াত পুনরাবৃত্তি করব।

মুসহাফে সূরা ইয়াসিন খুলে স্বাভাবিকভাবে তিলাওয়াত শুরু করবে।

যখন এই আয়াতে পৌঁছাবে:

ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ

তখন এই আয়াতটি ১৪ বার পুনরাবৃত্তি করবে।

অর্থাৎ যখন আমরা “ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ”-এ পৌঁছাব, তখন আয়াতটি কতবার পড়ব? ১৪ বার।

এরপর আবার স্বাভাবিকভাবে তিলাওয়াত চালিয়ে যাবে।

যখন আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে পৌঁছাবে:

سَلَامٌ قَوْلًا مِنْ رَبٍّ رَحِيمٍ

তখন এই আয়াতটিও ১৪ বার পুনরাবৃত্তি করবে।

এরপর আবার স্বাভাবিকভাবে তিলাওয়াত চালিয়ে যাবে।

তারপর একই সূরায় যখন এই আয়াতে পৌঁছাবে:

أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ ۚ بَلَىٰ وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ

তখন এই আয়াতটি ১২ বার পুনরাবৃত্তি করবে।

সংখ্যাগুলোর প্রতি ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে।

এরপর একই সূরায় তার পরেই যখন এই আয়াতে পৌঁছাবে:

إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَنْ يَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ ۚ فَسُبْحَانَ الَّذِي بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

তখন এই আয়াতটি ৭৫ বার পুনরাবৃত্তি করবে।

এভাবে আমরা এই পদ্ধতিতে সূরা ইয়াসিন পড়া শেষ করব।

এরপর কুরআন মাজীদ খুলে সূরা তাওবা, অর্থাৎ সূরা বারাআত-এ যাবে।

সূরা তাওবার শেষ আয়াতটি হলো আল্লাহ তাআলার বাণী:

“فَإِنْ تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ”

এই আয়াতটি আমরা ৫৮ বার পুনরাবৃত্তি করব।

অতএব, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমরা বলছি—আমাদের রুকইয়াহ পাঠ করা শেষ হয়েছে।

এরপর এই রুকইয়াহ আমরা প্রতি তিন দিন পড়ব এবং চতুর্থ দিনে অপেক্ষা করব।

অর্থাৎ প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন এবং তৃতীয় দিন এটি পড়ব এবং চতুর্থ দিন অপেক্ষা করব।

যদি আমরা কোনো শুভ লক্ষণ দেখতে পাই, যদি দেখি যে বিষয়ে নতুন কোনো পরিবর্তন এসেছে, অর্থাৎ সুসংবাদ পাওয়া যাচ্ছে, বিষয়গুলো নড়াচড়া শুরু করেছে এবং পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে—তাহলে আমরা থেমে যাব।

কিন্তু যদি আমরা কিছুই লক্ষ্য না করি, তাহলে আরও তিন দিন এটি পড়ব।

এরপর আবার চতুর্থ দিনে অপেক্ষা করব।

যদি বিষয়ের মধ্যে নতুন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়, তাহলে ভালো।

আর যদি না দেখা যায়, তাহলে আবার তিন দিন পড়ব।

এভাবে আমরা যে দিনগুলোতে পড়েছি, শুধু সেই দিনগুলোর হিসাব করব। যে দিনগুলোতে আমরা পড়া বন্ধ রেখে অপেক্ষা করেছি, সেই দিনগুলো হিসাবের মধ্যে ধরব না—এটা খেয়াল রাখবেন।

আমরা শুধু যে দিনগুলোতে পড়েছি, সেই দিনগুলোর হিসাব করব, যাতে মোট ২১ দিন পূর্ণ হয়।

অর্থাৎ, পড়ার দিনগুলোর সংখ্যা—অপেক্ষা করার দিনগুলো নয়—মোট ২১ দিন হবে।

সুতরাং আমরা এভাবে হিসাব করতে পারি—তিন গুণ সাত সমান ২১।

২১ দিন পূর্ণ হওয়ার পর, আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় জাদু সম্পূর্ণভাবে খুলে যাবে এবং তুমি তোমার স্বামীকে আবার তোমার কাছে ফিরে আসতে দেখবে—আল্লাহ তাআলার হুকুমে।

অথবা যদি কোনো পুরুষ এই রুকইয়াহ করে থাকে, তাহলে সে তার স্ত্রীকে আবার তার কাছে ফিরে আসতে দেখবে—আল্লাহ তাআলার হুকুমে।

আমি আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, আমরা এবং তারা সবাই যেদিন তাঁর কাছে উপস্থিত হব, সেদিন যেন তিনি এটিকে আমাদের ও তাদের সবার নেক আমলের পাল্লায় রাখেন।

আমি আমার এই কথা বলছি এবং নিজের ও আপনাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

যে ভাই ও বোনদের সমস্যা মাসনুন আমল করেও সমাধান হচ্ছে না তাদের উচিত সরাসরি রুকইয়াহ চিকিৎসা নেওয়া।

আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হোম সার্ভিস দিয়ে থাকি চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন
01712902194

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ 👁️বদনজর (العين / Evil Eye) কি শুধুই কল্পনা? না, এটি একটি কঠিন বাস্তবতা!আমাদের অসচ...
30/08/2026

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ 👁️
বদনজর (العين / Evil Eye) কি শুধুই কল্পনা? না, এটি একটি কঠিন বাস্তবতা!
আমাদের অসচেতন প্রশংসাসূচক দৃষ্টি কিংবা অন্যের অন্তরের গোপন হিংসা (হাসাদ) মানুষের জীবন, শারীরিক সুস্থতা, রিযিক বা পরিবারে অপ্রত্যাশিত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
📜 হাদিসের সতর্কবাণী:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন:
“বদনজর সত্য। তাকদীরকে যদি কোনো কিছু অতিক্রম করতে পারত, তবে তা হতো বদনজর।”
— [সহীহ মুসলিম: ২১৮৮]
⚠️ বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণ কিছু লক্ষণ:
১. ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো কারণ ধরা না পড়লেও হঠাৎ তীব্র শারীরিক দুর্বলতা ও দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি।
২. ব্যবসা-বাণিজ্য বা পড়াশোনায় হঠাৎ অস্বাভাবিক ধস ও অনীহা।
৩. নামাজ, তিলাওয়াত ও ইবাদতে চরম আলসেমি এবং কুরআন শুনলে ঘন ঘন হাই ওঠা।
৪. পরিবারে অহেতুক মেজাজ খিটখিটে হওয়া ও বুকে চাপ অনুভব হওয়া।
🛡️ বদনজর থেকে বাঁচার ৩টি সহজ মাসনূন আমল:
🤲 সুন্দর কিছু দেখলে বরকতের দু‘আ: নিজের বা অন্যের ভালো কিছু দেখলে বলুন—"মা-শা-আল্লাহ, তাবারাকাল্লাহ" বা "আল্লাহুম্মা বারিক লাহু"।
📿 সকাল-সন্ধ্যার দুর্গ: প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস ৩ বার করে পাঠ করে শরীরে ফুঁ দেওয়া।
📖 রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শেখানো দু‘আ:
"আ‘ঊজু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন কুল্লি শায়ত্বা-নিঁও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লা-ম্মাহ।" [সহীহ বুখারী: ৩৩৭১]
💬 পরামর্শ ও রুকইয়াহ নির্দেশিকার জন্য যোগাযোগ করুন:
আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ কি দীর্ঘদিনের বদনজর বা অদৃশ্য সমস্যায় ভুগছেন? শরীয়াহসম্মত পরামর্শের জন্য ইনবক্স করুন আমাদের পেজে।
🔗 ফেসবুক পেজ: Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ।

🏷️ হ্যাশট্যাগ:
#বদনজর #কুরআনি_চিকিৎসা #হবিগঞ্জ

রুকইয়াহ শারইয়াহ কী এবং কেন এটি গ্রহণ করবেন?بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ 🌿রুকইয়াহ শারইয়াহ কী এবং কেন এটি গ্...
28/08/2026

রুকইয়াহ শারইয়াহ কী এবং কেন এটি গ্রহণ করবেন?

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ 🌿
রুকইয়াহ শারইয়াহ কী এবং কেন এটি গ্রহণ করবেন? 🤔
অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে—'রুকইয়াহ' আসলে কী? এটি কি কোনো কবিরাজি চিকিৎসা?
📖 রুকইয়াহ শারইয়াহ (الرُّقْيَةُ الشَّرْعِيَّة) কী?
'রুকইয়াহ' শব্দের অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক বা দোয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা করা। আর রুকইয়াহ শারইয়াহ হলো পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াত, মহান আল্লাহর গুণবাচক নামসমূহ (আসমাউল হুসনা) এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শেখানো সহীহ দোয়ার মাধ্যমে শারীরিক ও আত্মিক নিরাময় লাভের সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি।
📜 সহীহ হাদিসের সুস্পষ্ট প্রমাণ:
সাহাবী আওফ ইবনে মালিক আশজাঈ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন:
“তোমরা তোমাদের রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) আমাকে দেখাও। এতে কোনো দোষ নেই, যতক্ষণ না তাতে কোনো শিরক থাকে।”
— [সহীহ মুসলিম: ২২০০ / ২২০২]
⚠️ রুকইয়াহ বনাম ভণ্ড কবিরাজি:
❌ ভণ্ড কবিরাজি: রোগীর বা মায়ের নাম চেয়ে ভাগ্য গণনা, দুর্বোধ্য সাংকেতিক তাবিজ-কবচ, সুতা ঝোলানো বা জিনের সাহায্য নেওয়া—যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম ও শিরক।
✔️ রুকইয়াহ শারইয়াহ: শতভাগ কুরআন তিলাওয়াত, সহীহ মাসনূন দোয়া, তিব্ব-এ-নববীর পথ্য (মধু, কালোজিরা, যমযম, জয়তুন) এবং একমাত্র আল্লাহর ওপর খাঁটি ভরসা।
🛡️ কেন রুকইয়াহ গ্রহণ করবেন?
বদনজর (العين / Evil Eye) ও হাসাদের (হিংসা) বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে।
সিহর (কালোজাদু / Black Magic) ও জিনের আসর নিরাময় করতে।
অহেতুক মানসিক চাপ, ওয়াসওয়াসা (কুচিন্তা) ও অব্যাখ্যাত শারীরিক কষ্ট থেকে প্রশান্তি পেতে।
💬 পরামর্শ ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন:
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে আমাদের পেজে সরাসরি ইনবক্স করুন।
🔗 অফিসিয়াল পেজ: https://www.facebook.com/61573265975219/

#রুকইয়াহ_শারইয়াহ #হবিগঞ্জ #সুন্নাহ_চিকিৎসা

💚রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ-এর যাত্রা শুরু💚আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্ 🌿"রুকইয়াহ সার্ভিস সে...
27/08/2026

💚রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ-এর যাত্রা শুরু💚

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্ 🌿
"রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ"-এর অফিসিয়াল পেজে আপনাদের আন্তরিক স্বাগতম।
দৈনন্দিন জীবনের নানা জটিলতা, মানসিক অস্থিরতা কিংবা অজানা শারীরিক কষ্টে আমরা প্রায়ই দিশেহারা হয়ে পড়ি। কিন্তু কুরআনুল কারীম ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহতে রয়েছে মানবজাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মিক ও শারীরিক শেফা (নিরাময়)।
আমরা হবিগঞ্জে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর নির্দেশিত পথে (রুকইয়াহ শারইয়াহ) আধ্যাত্মিক ও মানসিক সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
🎯 আমাদের মূল লক্ষ্য ও অঙ্গীকার:
✔️ সর্বপ্রকার শিরক ও কুফরিমুক্ত বিশুদ্ধ কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসার প্রসার ঘটানো।
✔️ জাদুটোনা, সিহর, জিন ও বদনজর (Evil Eye) সম্পর্কে ইসলামিক সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা তৈরি করা।
✔️ তিব্ব-এ-নববী ও সুন্নাহসম্মত সুস্থ জীবনধারা পরিচালনা করতে সহায়তা করা।
আপনার ও আপনার পরিবারের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক সুরক্ষায় আমরা আছি আপনার পাশে।
💬 যোগাযোগ ও পরামর্শের জন্য:
আমাদের সেবা ও সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেজে ইনবক্স করুন।
🔗 ফেসবুক পেজ লিংক: https://www.facebook.com/61573265975219/
#রুকইয়াহ_শারইয়াহ #হবিগঞ্জ #সুন্নাহ_চিকিৎসা

জ্বিন মানু‌ষের কি কি ক্ষতি করে  ❓জ্বিন কি মানু‌ষের শরীরে রুগ সৃষ্টি করতে পারে ❓ ⛔ জ্বিন মানুষের শরীরে অনেক প্রকার রোগ সৃ...
25/08/2026

জ্বিন মানু‌ষের কি কি ক্ষতি করে ❓
জ্বিন কি মানু‌ষের শরীরে রুগ সৃষ্টি করতে পারে ❓

⛔ জ্বিন মানুষের শরীরে অনেক প্রকার রোগ সৃষ্টি করতে পারে এবং ক্ষতি করতে পারে।

আল্লাহ সুবহানাহু তা 'আলা বলেন -

اَلَّذِيْنَ يَأْكُلُوْنَ الرِّبٰوا لَا يَقُوْمُوْنَ اِلَّا كَمَا يَقُوْمُ الَّذِيْ يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطٰنُ مِنَ الْمَسِّ
অর্থঃ "যারা সূদ খায়, তারা সেই লোকের মত দাঁড়াবে যাকে শয়ত্বান স্পর্শ দ্বারা পাগল বানিয়ে দেয়।
(সুরা বাকারা, ২৭৫)

আল্লাহ্ সুবহানাহু তা 'লা অন্য আয়াতে বলেন -

وَا ذْكُرْ عَبْدَنَاۤ اَيُّوْبَ ۘ اِذْ نَا دٰى رَبَّهٗۤ اَنِّيْ مَسَّنِيَ الشَّيْطٰنُ بِنُصْبٍ وَّعَذَا بٍ

"স্মরণ কর আমার বান্দা আইয়ূবের কথা, যখন সে তার প্রতিপালককে ডেকে বলেছিল- শয়ত্বান আমাকে কষ্ট আর ‘আযাবে ফেলেছে
(সুরা সাদ -৪১)

⏺ এই দুই আয়াতে স্পষ্ট জ্বিন শয়তান যেমন মানুষ কে স্পর্শ করে পাগল বানাতে পারে তেমন কষ্ট দিতে পারে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

জ্বিন শয়তান কিভাবে রোগ সৃষ্টি করে ❓❓

🛑 আপনার জানা উচিত "শয়তান "ছিল জ্বনদের একজন।

وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلٰٓئِكَةِ اسْجُدُوا لِءَادَمَ فَسَجَدُوٓا إِلَّآ إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ......ۦ

অর্থঃ যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল....
(সুরা কাহাফ-৫০)

⛔ হাদিসে এসেছে জ্বিন শয়তান মানুষের রক্তের শিরায় চলাচল করতে পারে।

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ الشَّيْطَانَ يَبْلُغُ مِنْ الإِنْسَانِ مَبْلَغَ الدَّمِ

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ শয়তান মানুষের রক্তের শিরায় চলাচল করে। আমি ভয় করলাম যে, সে তোমাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করতে পারে।

(মুসলিম ৩৯/৯, হাঃ ২১৭৫, আহমাদ ২৬৯২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯০৪)

অন্য হাদিসে এসেছে

قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنِ ابْنِ آدَمَ مَجْرَى الدَّمِ

মূসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শয়তান মানব শরীরে রক্তের মত প্রবাহিত হয়।
(সুনানে আবু দাউদ -৪৬৪৪)

⛔ জ্বিন শয়তান কয়েকটি মাধ্যমে মানু‌ষের শরীরের রোগ সৃষ্টি করে।

(১)যাদুর মাধ্যমে
(২)নজর মাধ্যমে
(৩)হিংসার মাধ্যমে
(৪)ওয়াস ওয়াসা মাধ্যমে

যাদু, নজর, হিংসা, ওয়াসওয়াসা যেমন সমস্যা তেমনি এগুলো এক প্রকার রোগ। এবং প্রতিটি কোরআন হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

🔶 যাদু

আর আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেনঃ
يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ

فَيَتَعَلَّمُوْنَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُوْنَ بِهٖ بَيْنَ الْمَرْءِ وَ زَوْجِهٖ

অর্থঃ “তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দেয়।” এবং স্বামী স্ত্রীর মধ্য বিচ্ছেদ ঘটায়।
(বাকারঃ ১০২)

অনুরূপ আল্লাহ তায়ালা যাদু হতে আশ্রয় প্রার্থনার হুকুম দিয়ে বলেনঃ

وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ

অর্থঃ “গ্রন্থিতে ফুৎকার কারিনীদের(যাদুকর) অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই। (সুরা ফালাকঃ ৪)

⛔ নজর

وَاِ نْ يَّكَا دُ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا لَيُزْلِقُوْنَكَ بِاَ بْصَا رِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُوْلُوْنَ اِنَّهٗ لَمَجْنُوْنٌ

"কাফিররা যখন কুরআন শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছড়ে ফেলবে। আর তারা বলে, ‘‘সে তো অবশ্যই পাগল।’’"
(সুরা ক্বলাম -৫১)

⛔ জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ

العين تدخل الرجل القبر وتدخل الجمل القدر

অর্থঃ বদ নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌছে দেয় এবং উটকে পাতিলে । (সহীহ আল জামেঃ শাইখ আলবানী (রহঃ) সহীহ বলেছেনঃ ১২৪৯)

অর্থাৎ মানুষের নজর লাগায় সে মৃত্যুবরণ করে, যার ফলে তাকে কবরে দাফন করা হয়। আর উটকে যখন বদ নজর লাগে তখন তা মৃত্যু পর্যায়ে পৌছে যায় তখন সেটা যবাই করে পাতিলে পাকানো হয় ।

⛔জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ

أكثر من يموت من أمتي بعد قضاء الله وقدره بالعين

অর্থঃ আমার উম্মতের মধ্যে তাকদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু বদ নজর লাগার দ্বারা হবে। (মুসনাদে বাযযার)

⛔ হিংসা

وَمِنْ شَرِّ حَا سِدٍ اِذَا حَسَدَ

"এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।"
(সুরা ফালাক -৫)

দ্রষ্টব্যঃ -সুরা নিসা -৫৩ নং আয়াত

⛔ ওয়াস ওয়াসা /সুচিবায়ু

الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّا سِ

مِنَ الْجِنَّةِ وَا لنَّا سِ

"যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে"
"(এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জিন্নের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে।"
(সুরা নাস -৫-৬)

⛔ জ্বিন শয়তান মানু‌ষের শরীরে যেসব রুগ সৃষ্টি করতে পারে!

-মাথা ব্যথ
-পেটে ব্যথা
-মেরুদণ্ড ব্যথা
-কোমর ব্যথা
এক কথা সমস্ত শরীরের ব্যথা।

-কিডনি তে সমস্যা
-হার্টের সমস্যা

🔴 যাদু, নজর, হিংসা ওয়াসওয়াসার মাধ্যমে জ্বিন শয়তান মানুষের শরীরে প্রবেশের দ্বার তৈরি করে এর ধাপ শুরু হয়।এরা রক্তে চলাচলের ক্ষমতা রাখে যার ফলে মানুষের শারীরিক ভাবে ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি।

দীর্ঘ মেয়াদি এলার্জি,
ঠান্ডা,
কিডনি ডিজিজ,
বন্ধাত্ব্য,
স্তন ক্যান্সার,
টিউমার,
ব্রন,
চুল পড়া ও পাকা,
রক্ত শূন্যতা,
হরমোন জনিত সমস্যা,
থায়রোড,
মাইগ্রেন,
হাটু-কনুই ব্যথা,,,,
এছাড়া ব্যক্তিবেধে ও জ্বীনের উপস্থিতির সময়সীমা বেধে বিভিন্ন জটিল রোগ হতে পারে। কেননা এরা রক্তে চলাচল করে রক্ত দূষিত করে।

আল্লাহর রাসুল (সাঃ) তার মাথা ব্যথার জন্য, পায়ে, পিঠে, পিঠের ব্যথার জন্য দুই কাঁধের মাঝখানে, ঘাড়ের দুই রগে ও হাড় মচকে গেলে। (বুখারি, হাদিস : ৫৭০০; নাসায়ি, হাদিস : ২৮৫২; আবুদাউদ, হাদিস : ৩৮৫৯)

⛔ দুইটি মাধ্যমে জ্বীন শয়তান মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে চায়।

(১)সিহর -যাদু
(২)আইন- হাসাদ /নজর হিংসা

জিন ও মানুষ উভয়'ই এর আশ্রয় নেয়।

জ্বীন যাদু দ্বারা ক্ষতি সাধন করে তারচেয়েও বেশি, এক্ষেত্রে সমস্যা গুলো নিদিষ্ট থাকে না। একারণে কিছু মানুষ নিজের বোধগম্য-স্বরনশক্তি হারাতেও সক্ষম। পারিবারিক অর্থনৈতিক দিক থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে যাদুর মাধ্যমে। এর সমস্যা গুলো অন্যান্য সমস্যার চেয়ে পরিসরে বড় হয়।

জ্বীন-শয়তান আদম সন্তানকে চুড়ান্ত পর্যায়ে অবাধ্য হয়ে শারীরিক নির্যাতন ও নিয়ন্ত্রণ করে পাপে লিপ্ত করতে চায়,পথভ্রষ্ট করতে চায়,জীবনে কল্যাণ দূর করে অশান্তির পথে নিয়ে যায়।এক্ষেত্রে সেহের-আইন ও হাসাদের হুসুন গিট মাধ্যমে মানব শরীর আয়ত্ত করে(يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ)।শরীরে রক্ত দূষিত করে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমিয়ে আনে, দূর্বল করে রাখে।

চিকিৎসা বা মুক্তির পথ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দেখানো পথে চললে মুক্তি সহজেই সম্ভব৷

আপনার সমস্যা জন্য অবিজ্ঞ রাকি দ্বারা রুকইয়াহ করুন

📳 আমাদের এখানে রুকইয়াহ এপয়েন্টমেন্ট নিতে
যোগাযোগ করুন 📱Call-01712902194

20/08/2026

আপন চাচাতো ভাই প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে পিতৃহীন পরিবারটিকে ব্লাক ম্যাজিক করে রাখছে। বিয়ে বন্ধের যাদু, পরিবার বিচ্ছেদের যাদু সহ আরো কতো কি! সব সময় অশান্তি, দুঃশ্চিন্তা তো আছেই। এতো সব সমস্যা নিয়ে আসেন আমাদের কাছে।

অভয় দেই আমরা, আল্লাহর কোরআনের রুকইয়াহের মু'জিজার কথা বলি, আরো বলি নিরাশ না হন আপন রবের রহমত থেকে। ইনশাআল্লাহ সুদিন ফিরবেই।

তবে যারা কুফুরিতে লিপ্ত, তাদের জন্য কঠিন আজাব নির্ধারিত, শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র বি'ইজনিল্লাহ।।

প্রিয় পাঠক! আপনিও কি ব্লাকম্যাজিক, কালোজাদু, বান, চালান, সেহের, বদনজর, হাসাদ, বিয়ে বন্ধের যাদু, পারিবারিক বিচ্ছেদের যাদু, স্বামী স্ত্রী অমিল, রিজিকে বাঁধা, ব্যবসায় বাঁধা, ওয়াসওয়াসা, কোনো কারণ ছাড়াই সন্তান না হওয়া সহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত!

তাহলে আপনার জন্য-ই আল্লাহর পবিত্র কুরআনের রুকইয়াহ সমাধান নিয়ে হাজির ইনশাআল্লাহ।

বি. দ্র. কেউ হারাম রিলেশনশিপ ঠিক করতে
কখনোই আমাদের নক করবেন না।

#রুকইয়াহ_বাংলাদেশ #রুকইয়াহ সার্ভিস Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ।

অসুস্থতা দীর্ঘায়িত হলে মানুষ অস্থির হয়ে পড়ে।ডাক্তারে কাজ হচ্ছে না দেখে কেউ হুজুরের কাছে যান। তাবিজ নেন। কেউ এমন মানুষ...
15/08/2026

অসুস্থতা দীর্ঘায়িত হলে মানুষ অস্থির হয়ে পড়ে।

ডাক্তারে কাজ হচ্ছে না দেখে কেউ হুজুরের কাছে যান। তাবিজ নেন। কেউ এমন মানুষের কাছে যান যারা অদ্ভুত মন্ত্র পড়ে, নাম-মায়ের নাম জিজ্ঞেস করে, একা রুমে নিয়ে যায়, বা এমন কিছু করে যেটা বুঝতেই পারেন না।

আপনি হয়তো জানেনও না — এর অনেক কিছু শিরক।

অথচ রুকইয়াহ ইসলামে প্রমাণিত চিকিৎসা। নবীজি ﷺ নিজে রুকইয়াহ করেছেন, করিয়েছেন এবং অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু শর্ত হলো — সেটা হতে হবে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী। আর সবচেয়ে ভালো কথা — আপনি নিজেই নিজের রুকইয়াহ করতে পারেন।

🔴চলুন জেনে নেই ঘরে বসে ৫ ধাপে শরয়ী রুকইয়াহর পূর্ণ পদ্ধতি:

প্রথমে জানুন — ভুয়া রাকী চিনবেন কীভাবে?

সব হুজুর বা রাকী ভুয়া না। কিন্তু কিছু লক্ষণ দেখলে সাবধান হবেন —

সে আপনার মায়ের নাম জিজ্ঞেস করে। সে তাবিজ দিয়ে বলে এটা খুলবেন না। সে অদ্ভুত ভাষায় মন্ত্র পড়ে — যেটা কুরআন বা হাদিস না। সে বলে "আমি জিন দেখতে পাই।" সে মোটা অংকের টাকা চায়। সে একা রুমে মহিলাদের নিয়ে যায়।

নবীজি ﷺ বলেছেন — যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করে, সে মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করলো।
(মুসনাদে আহমাদ: ৯৫৩২)

তাহলে সমাধান কী? নিজে রুকইয়াহ করুন। কুরআন দিয়ে। আল্লাহর নামে।

▶️ধাপ ১: অযু করে পরিষ্কার জায়গায় বসুন

রুকইয়াহ শুরুর আগে অযু করুন। পরিষ্কার কাপড় পরুন। শান্ত একটা জায়গায় বসুন। মোবাইল সাইলেন্ট করুন। অন্তরে একটাই বিশ্বাস রাখুন — শিফা শুধু আল্লাহর হাতে।

ইবরাহীম (আ.) বলেছেন —

وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ

▪️উচ্চারণ: ওয়া ইযা মারিদতু ফাহুয়া ইয়াশফীন।

"আর যখন আমি অসুস্থ হই, তিনিই আমাকে সুস্থ করেন।"
(সূরা শুআরা: ৮০)

রুকইয়াহ কোনো জাদু না। এটা আল্লাহর কালামের শক্তিতে শিফা চাওয়া।

▶️ধাপ ২: সূরা ফাতিহা ৭ বার পড়ুন

সূরা ফাতিহা রুকইয়াহর সবচেয়ে শক্তিশালী সূরা।

সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী (রা.) একবার এক গ্রামে গেলেন। সেখানকার সর্দারকে বিষাক্ত কিছু দংশন করেছিল। কেউ কিছু করতে পারছিল না। আবু সাঈদ (রা.) সূরা ফাতিহা পড়ে ফুঁ দিলেন — সর্দার সুস্থ হয়ে গেলেন।

নবীজি ﷺ পরে জিজ্ঞেস করলেন — "তুমি কীভাবে জানলে সূরা ফাতিহা রুকইয়াহ?" অর্থাৎ নবীজি ﷺ নিজে এটা অনুমোদন করলেন।
(সহীহ বুখারী: ৫০০৭)

পড়ার পদ্ধতি — ৭ বার সূরা ফাতিহা পড়ুন। প্রতিবার শেষে ব্যথার জায়গায় বা বুকের ওপর ফুঁ দিন।

▶️ ধাপ ৩: আয়াতুল কুরসি ৩ বার পড়ুন

আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারা: ২৫৫) কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত।

নবীজি ﷺ বলেছেন — যে রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারে না।
(সহীহ বুখারী: ৫০১০)

রুকইয়াহতে ৩ বার পড়ুন। প্রতিবার শেষে ফুঁ দিন।

▶️ধাপ ৪: সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়ুন

নবীজি ﷺ বলেছেন — যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়ে, এটা তার জন্য যথেষ্ট।
(সহীহ বুখারী: ৫০০৯)

"যথেষ্ট" মানে — সব ধরনের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা।

রুকইয়াহতে এই ২ আয়াত পড়ে ফুঁ দিন।

▶️ ধাপ ৫: সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস — প্রতিটি ৩ বার পড়ে সারা শরীরে বোলান

এটা নবীজি ﷺ-এর নিজের আমল।

আয়েশা (রা.) বলেন — নবীজি ﷺ প্রতি রাতে ঘুমানোর সময় দুই হাত একত্র করে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিতেন, তারপর শরীরের যতটুকু সম্ভব হাত বোলাতেন — মাথা, মুখ, শরীরের সামনের দিক থেকে শুরু করে। এটা তিনি ৩ বার করতেন।
(সহীহ বুখারী: ৫০১৭)

রুকইয়াহতে ঠিক এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ৩ বার করে পড়ুন। দুই হাতে ফুঁ দিন। মাথা থেকে শুরু করে পুরো শরীরে বোলান।

পানিতে পড়ে পান করার পদ্ধতি

উপরের সব ধাপ একটি পরিষ্কার পাত্রে পানি রেখে পড়তে পারেন। পড়ার সময় পানির দিকে মুখ করে ফুঁ দিন। তারপর সেই পানি পান করুন। অসুস্থ ব্যক্তিকে পান করান। গোসলেও ব্যবহার করতে পারেন।

এটা জায়েজ ও সালাফদের আমল থেকে প্রমাণিত।

🔴কত দিন করবেন?

রুকইয়াহ একদিনে শেষ হওয়ার বিষয় না। ধারাবাহিকতা দরকার।

প্রতিদিন অন্তত একবার করুন — সবচেয়ে ভালো সময় ফজরের পর বা ঘুমানোর আগে। ৭ দিন, ২১ দিন, ৪০ দিন — ধৈর্য ধরুন। আর ওষুধ চালু রাখুন — রুকইয়াহ ওষুধের বিকল্প না, ওষুধের সাথে পরিপূরক।

রুকইয়াহ কোনো জাদু না। কোনো গোপন মন্ত্র না। এটা আল্লাহর কালাম — যেটা তিনি নিজেই শিফা বলেছেন।

وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ

▪️উচ্চারণ: ওয়া নুনাযযিলু মিনাল কুরআনি মা হুয়া শিফাউন ওয়া রাহমাতুল লিলমুমিনীন।

"আমি কুরআনে এমন কিছু নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।"
(সূরা )

তাই অচেনা মানুষের কাছে যাবেন না। তাবিজ নেবেন না। শিরকি ঝাড়ফুঁক করাবেন না। বরং নিজের হাতে কুরআন তুলে নিন। নিজে পড়ুন। নিজে ফুঁ দিন। আল্লাহর কাছে শিফা চান।

📞রুকইয়া-র জন্য সিরিয়াল ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📍 01712902194

#কালোজাদু

12/08/2026

একজন মা, তার বাচ্চার অস্বাভাবিক কার্যকালাপ
নিয়ে হাজির আমাদের ওখানে। অস্বাভাবিক আচরণকারী বাচ্চাকে নিয়ে তার মা বেশ চিন্তিত! এভাবে চললে কি হবে তার ভবিষ্যত, কেমন যাবে
তার লাইফ। কে তাকে দেখবে, সামলাবে, বুঝবে। মা তো মা-ই হোন।

ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ চাইলে সে ফিরবে তার সুস্থ জিবনে বি'ইজনিল্লাহ।

▪️রোগীর শরীর থেকে জিন বের হতে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণসমূহ।রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পর জিন কেন বের হতে পারে না—এর পেছনে কিছ...
10/08/2026

▪️রোগীর শরীর থেকে জিন বের হতে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণসমূহ।

রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পর জিন কেন বের হতে পারে না—এর পেছনে কিছু কারণ ও বাধা রয়েছে। দীর্ঘদিন রুকইয়াহ ও চিকিৎসা চলার পরও যদি জিন বের না হয়, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—কুরআন তো এমন এক মহান বাণী, যা পাহাড়ের ওপর অবতীর্ণ হলে তাকে বিদীর্ণ করে দিত, পৃথিবীর ওপর অবতীর্ণ হলে তাকে চিরে ফেলত, এমনকি মৃতদের সঙ্গে এর মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব হলে তাও হতো। এটি তো পূর্ণাঙ্গ শিফা (আরোগ্য), যা সঠিকভাবে গ্রহণ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় কখনো ব্যর্থ হয় না।তাই এমন কিছু কারণ, বাধা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা রোগীর শরীরে থাকা জিনকে রুকইয়াহ চলাকালীন বের হতে বাধা দেয়। এর কিছু জিনের নিজস্ব ইচ্ছার কারণে, আবার কিছু এমন পরিস্থিতি, যেখানে জিনের নিজেরও কোনো ক্ষমতা থাকে না।

▪️প্রথম বাধা: জাদু
জিন যদি এমন জাদুর মাধ্যমে রোগীর শরীরের সঙ্গে আবদ্ধ থাকে, যার কারণে সে নিজেও বের হতে অক্ষম হয়, তাহলে তার অবস্থা রোগীর মতোই হয়ে যায়। যেমন রোগী তাকে বের করতে পারে না, তেমনি জিনও নিজেকে মুক্ত করতে পারে না। উভয়েই এক ধরনের অক্ষমতার মধ্যে থাকে।

▪️দ্বিতীয় বাধা: দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান
জিন যদি দীর্ঘ সময় ধরে রোগীর শরীরে অবস্থান করে, যদিও তা জাদুর মাধ্যমে না-ও হয়ে থাকে, তবে সে রোগীর শরীরের সঙ্গে অনেকটা মিশে যায়। এটি যেন একটি ছোট গাছ দীর্ঘদিনে বড় হয়ে মাটিতে গভীর শিকড় গেড়ে বসে, অথবা সবুজ কাঠে পানি মিশে যাওয়ার মতো। তখন জিন রোগীর মাংস, রক্ত ও স্নায়ুর সঙ্গে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে অনুভূতি ও আবেগেও প্রভাব ফেলে। ফলে তার বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

▪️তৃতীয় বাধা: প্রেম বা আসক্তি
যদি শরীরে থাকা জিন রোগীর প্রতি আসক্ত বা প্রেমে পড়ে থাকে, তাহলে এটি স্বেচ্ছায় বা জোরপূর্বক বের হওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

▪️চতুর্থ বাধা: রোগীর ঈমান ও দ্বীনের দুর্বলতা
রোগীর ঈমান ও দ্বীন দুর্বল হলে তা চিকিৎসার পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হতে পারে।

▪️পঞ্চম বাধা: জিনের অতিবৃদ্ধ বয়স
যদি জিনটি খুব বৃদ্ধ হয়, তাহলে বার্ধক্যের কারণে তার নড়াচড়ার শক্তি কমে যায় এবং সে বের হতেও অক্ষম হতে পারে।

▪️ষষ্ঠ বাধা: চিকিৎসার ভুল পদ্ধতি
অনেক সময় রোগী বা চিকিৎসক জিন বের করার চেষ্টা করেন, অথচ জিনটি যদি জাদুর খাদেম হয়, তাহলে আগে জাদুর চিকিৎসা করা উচিত। জাদু দূর না করে শুধু জিন বের করার চেষ্টা করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে।

▪️সপ্তম বাধা: ভুল উপায়ে জিন বের করার চেষ্টা
যেমন—
কোনো জাদুকরের কাছে যাওয়া,
শয়তানের সাহায্য নেওয়া,
কবরের কাছে গিয়ে মান্নত বা পশু জবাই করা,
অথবা অনভিজ্ঞ কারও মাধ্যমে চিকিৎসা করানো।
এক ব্যক্তি বর্ণনা করেন, তিনি একবার মহাসড়কে দেখেন কিছু লোক একটি মৃত কুকুরের লাশের পাশে একজন অসুস্থ নারীকে নিয়ে এসেছে। তারা নারীর হাত ধরে বারবার সেই মৃত কুকুরের দেহ ডিঙিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং মনে করছে এভাবেই তার চিকিৎসা হবে। এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও কুসংস্কারপূর্ণ পদ্ধতি।

▪️অষ্টম বাধা: গুনাহ ও অবাধ্যতা
পাপ ও আল্লাহর অবাধ্যতা চিকিৎসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

▪️নবম বাধা: মানুষের হক নষ্ট করা
কোনো ব্যক্তির প্রতি জুলুম বা অন্যায় করে থাকলে এবং তা সংশোধন বা ক্ষমা না চাইলে সেটিও বাধা হতে পারে।

▪️দশম বাধা: রোগী নিজেই সুস্থ হতে না চাওয়া
বাহ্যিকভাবে চিকিৎসা নিলেও অন্তরে যদি সুস্থ হওয়ার ইচ্ছা না থাকে, তাহলে সেটিও একটি বাধা। কেউ কেউ মনে করেন, অসুস্থ থাকলে তারা আল্লাহর বেশি নিকটবর্তী থাকেন; আর সুস্থ হয়ে গেলে আবার গুনাহে জড়িয়ে পড়বেন। এ ধরনের মানসিকতাও চিকিৎসার অগ্রগতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

▪️একাদশ বাধা: আল্লাহর ফয়সালা
সব বৈধ ও শরয়িসম্মত উপায় অবলম্বন করার পরও, রোগীর ঈমান-আমল ভালো থাকার পরও যদি আরোগ্য না আসে, তবে তা আল্লাহর ইচ্ছা ও ফয়সালার অন্তর্ভুক্ত। তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর কারও কোনো কর্তৃত্ব নেই। আল্লাহই সর্বশক্তিমান এবং তাঁর ইচ্ছাই সর্বোচ্চ।

▪️জাদুকর সাধারণত দুইভাবে জিনকে আবদ্ধ করে বলে উল্লেখ করা হয়
১. আঙুলের বন্ধন (ربط بنان): জাদুকর এমনভাবে জিনকে রোগীর শরীরের সঙ্গে আবদ্ধ করে যে, বিষয়টি প্রকাশ পেলেও সে বের হতে পারে না। ফলে এক বিপদের সঙ্গে আরেক বিপদ যুক্ত হয়—একদিকে জিনের সমস্যা, অন্যদিকে তাকে বের করতে না পারার সমস্যা।
২. জিহ্বার বন্ধন (ربط لسان): জাদুকর এমনভাবে জিনকে আবদ্ধ করে যে, রুকইয়াহর সময় সে কথা বলতে পারে না। ফলে জাদুর অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে সক্ষম হয় না।

Address

Habiganj Sadar
3300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Service Center Habiganj-রুকইয়াহ সার্ভিস সেন্টার হবিগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share