যশোর পাইকারি ঘর

যশোর পাইকারি ঘর সব পণ্য পাইকারি মূল্যে আমাদের কাছে

Suba
27/12/2025

Suba

11/10/2025
📢✨ফর্সা হওয়ার জাদুকরি ক্রিম✨📢ত্বকের যত্নে এনে দিন আকর্ষণীয় উজ্জ্বলতা! 🌸আমাদের জাদুকরি ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহার করে আপনি...
20/01/2025

📢✨ফর্সা হওয়ার জাদুকরি ক্রিম✨📢
ত্বকের যত্নে এনে দিন আকর্ষণীয় উজ্জ্বলতা! 🌸
আমাদের জাদুকরি ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন:
✅ মাত্র ৭ দিনে উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক।
✅ পিগমেন্টেশন, ব্ল্যাক স্পট ও ব্রণের দাগ দূর করুন।
✅ ত্বক মসৃণ ও নরম করবে।
✅ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
🎯 যে কোনো ত্বকের জন্য উপযোগী।
🎁 এখন অর্ডার করলেই পাচ্ছেন বিশেষ ছাড়!
💌 অর্ডার করুন আজই এবং বদলে দিন আপনার সৌন্দর্যের জগৎ!
📞 ইনবক্স করুন বা কল করুন: 01704862193
📦 ডেলিভারি সারা দেশে।
✨ ফর্সা ত্বক, সুন্দর জীবন!

♥️যারা স্কিনে PERMANENT WHITENING সমাধান চাইতেছেন , তাদের কথা চিন্তা করে fame beuty Night Cream♥️🥰fame beuty Night Cream...
15/08/2024

♥️যারা স্কিনে PERMANENT WHITENING সমাধান চাইতেছেন , তাদের কথা চিন্তা করে fame beuty Night Cream♥️
🥰fame beuty Night Cream🥰
✈️Made in Malaysia
♥️Net: 20gm
♥️fame beuty Night Cream টি সঠিক ব্যবহার এ আপনি পাচ্ছেন ব্রাইট স্কিন টোন, সানবার্ন পিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি, যাদের হালকা মেসতা প্রবলেম তারাও নিশ্চিন্তে একটি হলেও ইউজ করে দেখবেন।
🤎 স্কিনকে 4-7 সেড পর্যন্ত ফর্সা করে
🤎 স্কিনকে পিমপল থেকে রক্ষা করে
🤎 স্কিনের ভিতরে প্রবেশ করে কালো দাগ করে দূর করে
🤎 স্কিনকে পাতলা করে না।
🤎 স্কিনের সব স্পট মুছে দেই
🤎 স্কিনের পিগমেন্টেশন কমিয়ে দেই
💁🏻‍♀️ব্যবহারবিধি: প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর ঠিক ১-২ ঘন্টা আগে মুখ পরিস্কার করে আপনার পছন্দের সিরাম দিয়ে আলতো করে ভাসা ভাসা করে লাগাবেন।

ত্বকের উজ্জ্বলতা যাদের হারিয়ে যাচ্ছে কিংবা যারা ত্বককে করতে চান আরোও সুন্দর ও লাবন্যময় তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি fame b...
21/06/2024

ত্বকের উজ্জ্বলতা যাদের হারিয়ে যাচ্ছে কিংবা যারা ত্বককে করতে চান আরোও সুন্দর ও লাবন্যময় তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি fame beauty cream
🥰🥰
যারা সুন্দর এবং গ্লাসি স্কিন চায় তাদের জন্য একটা সলিউশন।😍😍
🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰

বৃদ্ধাশ্রম থেকে শাশুড়িমাকে চিঠি....পূজনীয় মা,               এই "মা" কথাটা আমি কোনদিন আপনাকে মন থেকে বলিনি। আজ আপনাকে খ...
01/06/2024

বৃদ্ধাশ্রম থেকে শাশুড়িমাকে চিঠি....
পূজনীয় মা,
এই "মা" কথাটা আমি কোনদিন আপনাকে মন থেকে বলিনি। আজ আপনাকে খুব ইচ্ছে হল একটা চিঠি লেখার। তাই খোলা আকাশের নিচে বসে আপনাকে চিঠি লেখা শুরু করলাম। জানিনা এই চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কিনা! আমি সেই বৃদ্ধাশ্রমের আছি যে বৃদ্ধাশ্রমের আপনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। ভাগ্যক্রমে আপনি যে রুমটিতে থাকতেন আমি এখন সেই রুমে। তাই হয়তো আজ আপনাকে আমার খুব মনে পড়ছে। ক্ষমা চাইবার অধিকার আমি হারিয়ে ফেলেছি। তাও এই চিঠি লিখছি যদি আপনি ক্ষমা করে দেন।
বিয়ে হয়ে আসার পর থেকে আমি দেখেছিলাম আপনি সংসারটাকে নিজের হাতে রেখেছিলেন। এটা আমার সহ্য হতো না, মনে হতো যেন আমি বন্দি হয়ে আছি কিন্তু এটা বুঝতাম না মাথার উপর একজন অভিভাবক থাকা কতটা প্রয়োজন। আপনি যখন বলতেন-"বৌমা যতটা খাবে ততটা নাও, লোকসান করো না"এই কথাটা যেন আমার অসহ্য লাগত কিন্তু আমি এখন বুঝতে পারি আপনি কোন খারাপ কথা বলেননি তো!
আপনি তো আমাকে না খেয়ে থাকতে বলেন নি। , লোকসান করতে মানা করছিলেন। আপনার হাতে যখন আপনার ছেলে মাসিক বেতন তুলে দিত তখন আমার খুব অসহ্য লাগতো, মনে মনে ভাবতাম কি করে আপনার কাছ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়! আপনার কাছ থেকে মুক্তি পাবার জন্য আপনার ছেলের কাছে আমি বায়না করি আমি তার সাথেই যাবো তার কর্মস্থলে। আপনার ছেলের প্রথমে অনুমতি না দিলেও পরে ঠিক মানিয়ে নিই কান্নাকাটি করে। বেশ ভালোই ছিলাম দুজনে, কিন্তু যখন আমি অন্তঃসত্ত্বা হই , ডাক্তার আমাকে বেড রেস্ট নিতে বলে। তখন আপনার ছেলে আপনাকে নিয়ে আসে আমাদের ভাড়া বাড়িতে। আপনি বাড়ির সব কাজ করতেন, আমাকে সেবা করতেন, তাও যেন আপনাকে আমার অসহ্য লাগত। আমারও একটি পুত্র সন্তান হয়। আমার সন্তান আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। সব সময় ঠাম্মা ঠাম্মা করতে থাকে, আমার এই ঠাম্মা শব্দটা শুনে অসহ্য লাগত। আমার ছেলেকে আমি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি করি। কিন্তু আপনি বাংলা মিডিয়ামের যত কবিতা, গল্প শোনাতে থাকেন। ছেলে জেদ করে বসে সে বাংলা মিডিয়াম স্কুলে পড়বে। এই ব্যাপারটা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলাম না। আমাদের ভাড়া বাড়িতে দুটি রুম ছিল, একটাতে আমি আর আপনার ছেলে থাকতাম, অপরটিতে আমার ছেলেও আপনি। ছেলে বড় হচ্ছে তাই আরেকটা রুমের প্রয়োজন ছিল। আমি আর আপনার ছেলে যুক্তি করলাম দেশের বাড়ি ও জমি বিক্রি করে এখানে নিজেদের বাড়ি তৈরি করব। আপনি কিছুতেই সই করছিলেন না, এটা বলে ওটা আপনার শ্বশুরের ভিটা, ওখানে আপনার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শেষ পর্যন্ত আপনি সই করলেন। আপনার সাথে আমার কোনমতেই বনিবনা হতো না। তাই স্থির করি আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর। তখন আমার ছেলে হোস্টেলে পড়ে, তাই আপনার ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেনি।
আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে বেশ কয়েকটা বছর ভালোই ছিলাম। একদিন ফোনে খবর পেলাম আপনি আর নেই, আমি মনে মনে বললাম যাক বাঁচা গেছে। এরপর ছেলে বড় হল, বিয়ে দিলাম। প্রথম প্রথম ভেবেছিলাম আমিতো আর আপনার মতন গেঁয়ো ভূত ন‌ই, তাই আমার সাথে আমার বউ মার বেশ মিল হবে। কিন্তু তা হয়নি, আমার সাথে যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল, যে যে বিষয়ে আপনার সাথে আমার তর্ক হতো ঠিক সেই বিষয়ে আমার সাথে আমার বউমার হত। হঠাৎ করে আপনার ছেলে স্ট্রোক হয়, আর সে আমাকে ছেড়ে চলে যায় চিরতরে। আপনার ছেলের বানানো বাড়ি তাদের পছন্দ হচ্ছিল না , আমার বউমা থাকতে চাই ফ্ল্যাটে। তাই বাড়ি ভেঙ্গে ফ্ল্যাট বানানোর পরিকল্পনা করে। আমাকে আমার ছেলে ও বৌমা বোঝায় যে ফ্লাট বানালে তারা দুটো ফ্ল্যাট নেবে বাদবাকি ভাড়া দিবে, তাতে অনেক টাকা আসবে। আপনার মতই আমি কিছুতেই সই করতে চাইনি। কিন্তু আমার ছেলে কান্নাকাটি করে শেষ পর্যন্ত সই নিয়েছিল। বাড়ি ভেঙে তৈরি হলো বিশাল বড় ফ্ল্যাট। সেই ফ্লাটে ছিল দুটো রুম, আর একটা কিচেন। আমি আমার ছেলেকে বললাম- কিরে আমার রুম কোথায়? ছেলে বলল-মা তোমার রুমের কি দরকার? তুমি আমাদের মেয়ের সাথে মেয়ের রুমে থাকবে। নাতনির সাথে নাতনির রুমেই থাকছিলাম, নাতনি যত বড় হতে থাকে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে, আসলে ওর চাই একটা নিজস্ব রুম। তাই আমার ছেলে ও বৌমা স্থির করে আমাকে বৃদ্ধাশ্রমের রাখার।
আমি আজ বৃদ্ধাশ্রমে, যে বৃদ্ধাশ্রমের আপনি ছিলেন। ভাগ্যের কি পরিহাস, আমি কোনদিনই ভাবিনি আমার সাথে এইরকম ঘটনা ঘটবে, রক্তের গরম , টাকার গরম, আর যৌবনের গরমে আমরা সবকিছু ভুলে যাই। ভুলে যাই পৃথিবীতে কোন কিছুই স্থায়ী নয়। যদি এটা আমি আগে বুঝতাম তাহলে হয়তো এইদিন আমাকে দেখতে হতো না। আমি আকাশের দিকে মিট মিট করে জ্বলে ওঠা তারাদের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলছি-"মা পারলে আমায় ক্ষমা করে দেন"।
ইতি আপনার
নির্লজ্জ বৌমা।লেখা ভালো লাগলে পেজটি Follow করে রাখবেন। Jashore Mart

01/06/2024

Paikeri dam a kinte amader inbox korun

খুব ছোটবেলায় সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ কচঁলাতে কচঁলাতে দেখতাম আব্বু বাথরুমে গেলে আম্মা এদিক ওদিক তাকিয়ে আব্বুর পকেট থেকে টা...
01/06/2024

খুব ছোটবেলায় সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ কচঁলাতে কচঁলাতে দেখতাম আব্বু বাথরুমে গেলে আম্মা এদিক ওদিক তাকিয়ে আব্বুর পকেট থেকে টাকা সরিয়ে রাখতো।
চোখ বড় বড় করে যখন বলতাম,
- 'আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থাকে টাকা চুরি করো?'
আচমকা আম্মা আঁতকে উঠতেন। তারপর মুখে আঙুল দিয়ে ফিসফিস করে বলতেন,
- 'চুপ চুপ তোর আব্বু শুনতে পাবে।'
ব্যপারটা আমার কাছে খারাপ লাগতো। ‘তুমি না বলে কেন টাকা নিবা? আব্বু চাইলেই তো টাকা দিবে তোমায়।’ কিন্তু সাহস করে বলতে পারতাম না।
বাজার থেকে চালের বস্তা আনার পর রান্নার সময় মেপে মেপে যখন চাল নিতেন তখন সেখান থেকে এক মুঠ চাল একটা ডিব্বার মধ্যে রাখতেন। চালের বস্তা যখন শেষ হয়ে যেতো বা কোনো কারণে চাল আনতে দেরি হলে আম্মা সেই চাল রান্না করতেন।
মাছ মাংসের ক্ষেত্রেও তা। আব্বু বাজার থেকে মাছ মাংস আনলে এক টুকরো বা দুই টুকরো করে রেখে দিতেন ফ্রিজে। সেগুলো জমে যখন অনেকগুলো হতো সেদিন আম্মা বিরিয়ানি রান্না করতেন। খাবার টেবিলে বসে যখন আব্বু জিজ্ঞেস করতো,
- 'কি ব্যাপার আজ বিরিয়ানি? কিন্তু আমি তো আজ বাজার থেকে মাংস আনিনি।'
আম্মা চোখ রাঙানি দিয়ে বলতেন,
- 'এতো কথা বলো কেন? রান্না করেছি খাও। এতো কিছু জিজ্ঞেস করো কেন?"
তারপর আব্বু কোনো কথা না বলে চুপচাপ খেয়ে উঠে যেতো।
ইদের সময় আব্বু যখন আম্মার কাছে টাকা দিতো ইদের শপিং করার জন্য তখন আম্মা তিন ভাগের এক ভাগ টাকা রেখে দিতো নিজের কাছে। আর দুই ভাগ টাকা দিয়ে ইদের শপিং করতো। খুব রাগ হতো তখন। ভাবতাম সব টাকা আম্মা নিজের জন্য রাখে। নিজের জন্য ভালো ভালো কাপড় কিনে।
আমার সকল ধারনা ভুল প্রমাণিত হয় আমি সাবালিকা হওয়ার পর। কোনো এক বোর্ড পরীক্ষায় আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম। ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বললেন অপারেশন করতে হবে। আব্বুরও ব্যবসা লস। টানাটানি চলছে সেই সময় পুরো চিকিৎসার টাকা আম্মা দিলো। আমি তখনো জানতাম না এসব টাকা আম্মার। পরে অবশ্য জেনেছিলাম।
তারও কয়েক বছর পরের কথা গ্রাম থেকে খবর এলো আমাদের জমির পাশের জমি বিক্রি হবে। দুই জমির এক লাইল। আব্বু কিনবে না কিনবে না করেও বললেন কিনবো। সব টাকা যোগার করার পর দেখা গেলো আরো আড়াই লক্ষ টাকা সর্ট। হুট করে একসাথে এতোগুলা টাকা কেউ দিতে রাজি হলো না।
সেই সময় আম্মা দিলো আড়াই লক্ষ টাকা। একজন চব্বিশ ঘণ্টা সংসারের পিছনে ছুটে চলা নারীর আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া চাট্টিখানি কথা না। সবাই অবাক হয়েছিল কিন্তু সবার আড়ালে হেসেছিল আব্বু। আমার জহুরির চোখ সেটা ধরে ফেলেছিলো। আব্বু সেই জমি আম্মার নামে কিনলেন।
আমার বিয়ের দিন আমাকে সাজানোর পর আম্মা রুমে এলেন এবং সবাইকে বের করে দিলেন সেখান থেকে। দুটো বালা আমার হাতে পড়িয়ে দিতে দিতে বললেন,
- 'তোমার গুণধর বাপ বহু বার ব্যবসায় লস খাইসে। তার খেসারত দিতে হয়েছে আমাকে। প্রথম বার লস হয় তুমি ভূমিষ্ট হবার পর। সে সময় নিজের ধারদেনা দেওয়ার জন্য সে আমার শখের গয়না গুলো বিক্রি করে। আমি তোমাকে বুকে জড়িয়ে কান্না করেছিলাম।
টানা একমাস তোমার গুণধর বাপের সাথে কথা বলি নাই আমি অভিমানে। এরপর ব্যবসায় যখন লাভ হলো তখন তার থেকেও বেশি গয়না আমাকে গড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু সেগুলো?
সেগুলো আর তো পাইনি। ছোটবেলায় বলতে না, ‘আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থেকে চুরি করো?’ এই চুরির টাকায় তোমার মা অনেক কিছু করেছে। এই বুদ্ধি তোমার নানু আমায় দিয়েছে। সংসারের মেয়েদের টাকা উড়ালে হবে না। বরং সঞ্চয়ী আর হিসেবি হতে হয়। মানুষের অবস্থান কই থেকে কই চলে যায় বলা তো যায় না। সংসার কিন্তু মেয়েরাই ধরে রাখে। সংসারের উন্নতি আর অবনতি একটা মেয়ের হাতে থাকে। আশা করি তুমিও আমার মতো হবে।'
এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় আব্বুর সাথে বারান্দায় বসে শ্বশুরবাড়ির গল্প করছি। আর আম্মা রান্নাঘরে খিচুড়ি রান্না করছে। গল্পের এক ফাঁকে আব্বু তার মোটা ফ্রেমের কালো চশমাটা চোখ থেকে নামালেন। আর বললেন,
- 'আমার দৃষ্টিতে তোমার আম্মা একজন আদর্শ নারী। ব্যবসায়িক খাতে অভিজ্ঞ হওয়ার পরও অসতর্কতার জন্য আমি বহুবার লস খেয়েছি। তোমার আম্মা আমাকে ততবারই সাপোর্ট করেছে। টানাটানির দিনও গেছে আমাদের তখন তুমি খুব ছোট।
অন্য সব নারী হলে অভাব দেখলে দৌড়ে পালাতো কিন্তু সে আমাকে মেন্টালি সাপোর্ট করে গেছে। আমার পকেট থেকে যে তোমার মা রোজ সকালে টাকা রাখে এই ব্যপার টা আমি জানি। আমি যে জানি সেটাও তোমার মা জানে। তাইতো সব সময় আমি আমার পকেটে পঞ্চাশ কিংবা একশো টাকা রাখতাম তোমার মায়ের জন্য। সে আমার পরিপূর্ণতা।
সে না থাকলে কবেই তলিয়ে যেতাম। একজন স্বামীর একজন স্ত্রীর সাপোর্ট পাশে থাকা যে কি বলে বোঝাতে পারবো না। আমি চাইবো তুমিও নিজেকে তোমার মায়ের মতো গড়ে তুলো। যেন তোমার স্বামীও একদিন তোমাকে নিয়ে গর্ব করে। তোমার আম্মাকে আমি মাঝে মাঝে বলি এতো কিছুর পরও আমাকে ছেড়ে কেন গেলে না? তোমার আম্মা কি বলে জানো?'
আমি আব্বুর দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম।
তারপর তিনি বললেন,
- 'বলে তোমাকে বিয়ে করেছি তোমার হাড়মাস জ্বালিয়ে খাওয়া না অব্দি তোমার রেহাই নেই।'
বলেই তিনি হু হু করে হাসতে লাগলেন, তৃপ্তির হাসি! সেই হাসিতে ছিলো মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার উপচে পড়া আনন্দ।
(সমাপ্ত)...
#ছোটগল্প
গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে ক...
30/04/2024

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?
বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?

Address

Jashore
Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when যশোর পাইকারি ঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share