Yaqeen - يقين

Yaqeen - يقين রুকইয়াহ শারইয়াহ চিকিৎসা ✅তিব্বে নববি
রুকিয়াহ শারইয়াহ হচ্ছে (নববী চিকিৎসা) একমাত্র ইসলামিক চিকিৎসা

হিংসা (নজর লাগা) থেকে মুক্তির জন্য ‘আয়েনের পানি’ দিয়ে গোসল করার পদ্ধতি সর্বোত্তম পদ্ধতি (উলামাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী):রাসূ...
24/04/2026

হিংসা (নজর লাগা) থেকে মুক্তির জন্য ‘আয়েনের পানি’ দিয়ে গোসল করার পদ্ধতি সর্বোত্তম পদ্ধতি (উলামাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী):

রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ, বিশেষ করে সাহাবি সাহল ইবনে হুনাইফ (রাঃ)–এর হাদিসের ভিত্তিতে উলামারা পদ্ধতিটি এভাবে সংক্ষেপ করেছেন—
🔹 ১. নির্দিষ্ট অঙ্গ ধোয়া
যার নজর লেগেছে (আয়েনকারী) তাকে বলা হবে সে ধুবে—
মুখ
হাত
কনুই
হাঁটু
পায়ের পাতা
এবং তার কাপড়ের ভেতরের অংশ (যা শরীরের সাথে লেগে থাকে)
এই ধোয়া পানিগুলো একটি পাত্রে সংগ্রহ করা হবে।সোজা কথায় ওজু করে সেই পানি দিবে
🔹 ২. “দাখিলাতুল ইযার” (কাপড়ের ভেতরের অংশ) এর ব্যাখ্যা
এটি সেই অংশ, যা শরীরের সাথে সরাসরি লেগে থাকে।
বর্তমান সময়ে এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে—টুপি, গামছা বা এমন কাপড় যা শরীর স্পর্শ করে। যে নজর দিয়েছে তার ব্যবহৃত কাপড় যাতে তার শরীরের স্পর্শ আছে
🔹 ৩. পানি ব্যবহারের পদ্ধতি
এই পানি পান করা হবে না; বরং আক্রান্ত ব্যক্তির মাথা ও পিঠের ওপর, পিছন দিক থেকে ঢালা হবে।
অন্য কেউ এই কাজটি করবে।
পানি ঢালার পর পাত্রটি তার পেছনে উল্টে দেওয়া হয়।
হঠাৎ করে ঢালা উত্তম মনে করা হয়।
🔹 ৪. কষ্ট হলে সহজীকরণ
উত্তম হলো—আয়েনকারী সম্পূর্ণ গোসল করবে।
যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত মুখ, কাপড়ের ভেতরের অংশ এবং পায়ের অংশ ধুয়ে সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির উপর ঢালা হবে।
🔹 ৫. যদি আইন দিয়া ব্যাক্তি ওজু বা গোসলের কিছু দিতে না চায় তবে তার ব্যবহৃত বা স্পর্শ করা জিনিস যেমন গ্লাস বোতল টিসু বা শুকনা খাবার বা পানীয়ের অবশিষ্টাংশ ধুয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তির গায়ে ঢালা যাবে যদিও নজর দূর করার জন্য এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।
সুন্নাহতে শুধু উল্লিখিত অঙ্গগুলো ধোয়ার কথাই এসেছে।

🔹 ৬. কোনভাবেই কিছু না করা গেলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে আয়েনকারির হয়ে ওজু করে তা গায়ে ঢালা

19/04/2026

দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার কিছু আমল!

১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা
২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের নামাজ পড়বেন।( রেগুলার)
৩/ বেশি বেশি এস্তেগফার পড়া । ( استغفر الله) উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লাহ৪/ বেশি বেশি এই আয়াত টি পড়বেন
সূরা আল-কাসাস আয়াত ২৪
َ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
৪/ এই আয়াত টি বেশি বেশি পড়বেন।
সূরা আল-ফুরকান আয়াত ৭৪
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
রাব্বানা-হাবলানা-মিন­ আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।

৫/. প্রতিদিন ফজরের নামাযে পর يافتاح (ইয়া ফাত্তাহু) বাম হাতের উপর ডাম হাত রেখে আল্লাহর এই নামটি ৪০ বার পড়বেন। এভাবে ৪০ দিন পড়লে ইনশাআল্লাহ ফল পাওয়া যাবে। (পিরিয়ড থাকলেও এই আমল করবেন ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে )

৬/. বেশি বেশি তিলাওয়াতের অভ্যাস করুন।
৭/. আইয়ামে বীযসহ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করুন।
৮/. এই দুয়াটা বেশি বেশি পড়ুন-
اللَّهمَّ اكْفِني بحلالِكَ عَن حَرَامِكَ، وَاغْنِني بِفَضلِكَ عَمَّن سِوَاكَ
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।

ইনশা আল্লাহ দ্রুত আল্লাহ
উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন।

এমনকি বিবাহিত বোনেরাও এই দোয়া/আমল গুলো করতে পারেন। দাম্পত্য জীবন হবে আরও প্রশান্তির হবে ইন শা আল্লাহ।
পড়ার সুবিধার জন্য ডায়রীতে দোয়াটা লিখে রাখতে পারেন।
মনে রাখবেন, যেকোন দোয়া কবুলের শর্ত হল খুব আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে চাওয়া, আল্লাহর প্রশংসা করা, দুরুদ পাঠ করা এবং একজন নিঃস্ব-অসহায় হিসেবে আল্লাহর সামনে নিজেকে উপস্থাপন করা।
নিজের প্রয়োজনীয় ব্যাপার গুলো চাওয়ার পর দুরুদ ও আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা দোয়া শেষ করা। দোয়া করার পর ধৈর্য্য ও বিশ্বাসের সাথে দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করা।
পাশাপাশি সকল হারাম ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
আরেকটি দোয়া
"হে আমার প্রতিপালক ,
নিশ্চয়ই তুমি অসীম দয়ালু , পরম করুনাময়।
মহান রব সবাইকে উওম জীবনসঙ্গী দান করুক।

সুগন্ধি বা ধোঁয়ার জাদুসুগন্ধি, ধোঁয়া, আতর বা অন্য কোনো ঘ্রাণযুক্ত জিনিসের মাধ্যমে এই ধরনের যাদু করা হয়। এর প্রভাব সরাসরি...
19/04/2026

সুগন্ধি বা ধোঁয়ার জাদু

সুগন্ধি, ধোঁয়া, আতর বা অন্য কোনো ঘ্রাণযুক্ত জিনিসের মাধ্যমে এই ধরনের যাদু করা হয়। এর প্রভাব সরাসরি নাকের মাধ্যমে শরীরে পৌঁছে যায়।

প্রাথমিক প্রভাব:
• কপালের সামনে তীব্র মাথাব্যথা
• চোখে চাপ ও জ্বালাভাব
• ভ্রুর আশপাশ ও মাঝখানে ব্যথা
• শ্বাসপ্রশ্বাস ও ফুসফুসে অস্বস্তি বা ক্ষতি

এই ধরনের যাদুর উদ্দেশ্য
১) মানুষকে মানসিকভাবে অস্থির বা পাগল করে দেওয়া
২) পড়াশোনা বা মনোযোগ নষ্ট করা
৩) বশীকরণ করা
৪) খাবার, জীবনসঙ্গী ও পরিবারের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করা
৫) দ্বীন-ঈমান থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া

এ যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ
১) অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা (কু-চিন্তা)
২) পরিবার-পরিজনের প্রতি অকারণ ঘৃণা
৩) নির্দিষ্ট কারও প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণ
৪) পাগল হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি
৫) বারবার মাথাব্যথা
৬) ঘ্রাণের সাথে খাবারের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা
৭) মাথা ভার লাগা বা ঘোরা
৮) বুক ধড়ফড়, বুকে চাপ, শ্বাসকষ্ট
৯) অস্থিরতা, ভয় ও আতঙ্ক
১০) কোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা
১১) স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
১২) সবসময় ঘোরের মধ্যে থাকা
১৩) অকারণে কান্না করা বা ছোট বিষয়ে অতিরিক্ত কষ্ট পাওয়া
১৪) মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
১৫) সহ্যশক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া

17/04/2026

রুকইয়াতু জিবরাইল আলাইহিস সালাম

রুকইয়াহ শোনার নিয়ম হলো-✅
বিসমিল্লাহ বলে চোখ বন্ধ করে,পুরা শরীরের কন্ট্রোল ছেড়ে শুনতে হবে।রুকইয়াহ চলাকালীন অবস্থায় কোন কিছু পাঠ করবেন না। এবং কোন রিয়াকশন হলে সেটা রিলিজ করতে দেবেন। আল্লাহপাক আপনাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুক।

বোনটি ডাক্তার। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত ছিল। আলহামদুলিল্লাহ ৭ দিন আগে রুকইয়াহ করা হইছে। তিনি নিয়মিত ...
17/04/2026

বোনটি ডাক্তার। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত ছিল। আলহামদুলিল্লাহ ৭ দিন আগে রুকইয়াহ করা হইছে। তিনি নিয়মিত আমল করছেন। পরিবর্তন ও পেয়েছেন।

এত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি রুকইয়াহর বিষয়ে এতটা সিরিয়াস ছিলেন, যা আমি আপনাদের বলে বুঝাতে পারবো না। আল্লাহর কাছে এত পরিমান দোয়া করেছেন, আমি নিজেই অবাক হতাম।

আজ ৭ দিন নিজের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। যা সত্যিই আনন্দিত হওয়ার মতো বিষয়। আলহামদুলিল্লাহ রাব্বি ❤️

আমাদেরকে আপনার নিয়মিত মেসেজ করেন স্বামী স্ত্রীর সমস্যা নিয়ে। এরজন্য আমরা প্রতিনিয়ত পরামর্শ দেই আগে নিশ্চিত হোন ডায়াগনোসিস করে প্যারানরমাল কোনো সমস্যা আপনাদের সম্পর্কে আছে কী না।

এরপর রুকইয়াহ করুন, ভরসা রাখুন আল্লাহর উপর। লেগে থাকুন। এতটুকুই।

আল্লাহ আমাদের পারিবারিক বন্ধন মজবুত করুন। আমিন

পেটের_যাদু (সিহরুল মাকূল) নষ্ট করার রুকইয়াহ পদ্ধতি।প্রথমে ভালো করে ওযু করে নিন।এরপর ২ থেকে ৫ লিটার পানির একটি বোতল নিন।ন...
13/04/2026

পেটের_যাদু (সিহরুল মাকূল) নষ্ট করার রুকইয়াহ পদ্ধতি।

প্রথমে ভালো করে ওযু করে নিন।

এরপর ২ থেকে ৫ লিটার পানির একটি বোতল নিন।
নিয়ত করুন-

ইয়া আল্লাহ, আমার পেটের ভেতরে থাকা সকল প্রকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা, অস্থিরতা এবং প্যারানরমাল জনিত সমস্যাগুলো আপনি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিন।
ইয়া আল্লাহ, এই রুকইয়াহর মাধ্যমেই আমাকে পূর্ণাঙ্গ শিফা ও সুস্থতা দান করুন।
আমিন।

অতপর উক্ত পানির বোতলে প্রতিটি আয়াত ৩ বার, ৫ বার বা ৭ বার করে পাঠ করুন।

প্রতিটি পাঠের পর পানির বোতলে ফুঁ দিবেন।
নির্দিষ্ট আয়াতসমূহ

১. সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৭৪
আরবি:
اُولٰٓئِكَ مَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ اِلَّا النَّارَ

বাংলা উচ্চারণ:
উলাইকা মা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম ইল্লান নার

২. সূরা আন-নিসা, আয়াত ১০
আরবি:
اِنَّمَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ نَارًا وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيْرًا

বাংলা উচ্চারণ:
ইন্নামা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম না-রান ওয়া সাইয়াসলাওনা সাঈরা

৩. সূরা আল-হজ্জ, আয়াত ২০
আরবি:
يُصْهَرُ بِهٖ مَا فِيْ بُطُوْنِهِمْ وَالْجُلُوْدُ

বাংলা উচ্চারণ:
ইউসহরু বিহী মা ফী বুতূনিহিম ওয়াল জুলূদ

৪. সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
আরবি:
مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ

বাংলা উচ্চারণ:
মা জি’তুম বিহিস সিহরু ইন্নাল্লাহা সা ইউবতিলুহু

৫. সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ১৫
আরবি:
وَسُقُوا مَاءً حَمِيمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া সুকূ মা-আন হামীমান ফাকাত্তাআ আমআআহুম

অতপর যাদুর কমন আয়াত গুলো পাঠ করুন -

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৭
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৮
فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৯
فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا صَاغِرِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২০
وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২১
قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২২
رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ

সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১

فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ

সূরা ইউনুস, আয়াত ৮২
وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ

সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯

وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ

অতপর সূরা আল-ফালাক ৩ বার
সূরা আন-নাস ৩ বার
সূরা আল-ফাতিহা ৭ বার
সবগুলো আয়াত পড়ে পানিতে ফুঁ দিন।

এই পানি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ভরপুর পান করবেন যাদু ধ্বংসের নিয়তে।

পানি পান করার পর নিয়মিত প্রতিদিন পেটে হাত রেখে উপরোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করবেন।

বিশেষ নিচের দুআটি পেটে হাত রেখে মনোযোগ সহকারে দীর্ঘ সময় নিয়ে পাঠ করুন-

আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ فِي الْبَطْنِ

বাংলা উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মাকূলিন ফিল বাতনি

এই দুআটি দীর্ঘ সময় নিয়ে বারবার পাঠ করবেন।
সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

এই ভাবে রুকইয়াহ করার সময় বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, পেটে অস্বস্তি, শরীর ভারী লাগা বা বমি হওয়া ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

বিশেষ করে পানি পান করার পর বমি হলে তা যাদু ধ্বংস হওয়া ও সুস্হতার লক্ষণ।

এই রুকইয়াহ পদ্ধতিটি নিয়মিত ২১ দিন বা ৪১ দিন পর্যন্ত করা, অথবা পেটের যাদু সম্পূর্ণভাবে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই সাজেশন টি ফলো করুন ।

✅বিঃদ্রঃ- সতর্কতা গর্ভধারণ অবস্থায় থাকা মা ও বোনদের জন্য এই পদ্ধতি অনুসরণ করা নিষিদ্ধ।

✅লেখাটি ভালো লাগলে সাদকাহ জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন। জাযাকুমুল্লাহ্ 💐

#রুকইয়াহ #বদনজর #কালোজাদু

13/04/2026

➡️৫ ভাবে শরীর থেকে জ্বীন-যাদু,হাসাদ বদনজরের প্রভাব বের হয়।

✅১- ইস্তিফরাগ: মানে বমির মাধ্যমে প্রভাব বের করে দেওয়া... রুকইয়াহ'র সময় বা রুকইয়াহ'র সাজেশন ফলো করার সময় ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভাবে বমি করার মাধ্যমে পেটের,বুকের,গলার যাদু বের হয়।

✅২- ইসহাল: যাদের যাদু কোলন,তলপেট,মুত্রথলি,আওরাহ তে থাকে সেগুলো রুকইয়াহ'র সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো মাধ্যমে প্রস্রাব অথবা টয়লেটের মাধ্যমে বের হয়।

✅৩- কান্না: রুকইয়াহ অথবা দুআ'র সময় চোখের পানির মাধ্যমে চেহারায় থাকা বদনজর-যাদু,ক্বলবে থাকা কষ্টের বদনজর/যাদুর প্রভাব বের হয়ে যায়।

✅৪- উত্তাপ/ঘাম- রুকইয়াহ'র সময় অনেক পেশেন্ট এসি রুমেও ঘেমে যান...রুকইয়াহ'র সময় ঘামের সাথে অলসতা,দুর্বলতা,টায়ার্ডনেসের সমস্যা বের হয়ে যায়।

✅৫- রক্ত/হিজামা: জ্বীন যেহেতু রক্তে চলাচল করে তাই জ্বীনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে রক্তের মধ্যে..আর হিজামা রক্ত থেকে জ্বীন,যাদু,হাসাদ-বদনজরের প্রভাব বের করে রক্তকে পরিশুদ্ধ করে।

নিচে লেখাটি একই অর্থ রেখে পরিষ্কার, সুন্দর ও ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো — বানান ও বাক্যও ঠিক করা হয়েছে। #পেটের_যাদু ...
06/04/2026

নিচে লেখাটি একই অর্থ রেখে পরিষ্কার, সুন্দর ও ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো — বানান ও বাক্যও ঠিক করা হয়েছে।

#পেটের_যাদু (সিহরুল মাকূল) নষ্ট করার রুকইয়াহ পদ্ধতি

🌿 প্রস্তুতি

প্রথমে ভালোভাবে ওযু করে নিন।

এরপর ২–৫ লিটার পানির একটি বোতল নিন এবং নিচের নিয়ত করুন—

নিয়ত:
ইয়া আল্লাহ, আমার পেটের ভেতরে থাকা সকল শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা, অস্থিরতা এবং অদৃশ্যজনিত সমস্যাগুলো আপনি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিন।
ইয়া আল্লাহ, এই রুকইয়াহর মাধ্যমে আমাকে পূর্ণাঙ্গ শিফা ও সুস্থতা দান করুন।
আমিন।

🌊 পানির ওপর আয়াত পাঠের নিয়ম

নিচের প্রতিটি আয়াত ৩ বার, ৫ বার অথবা ৭ বার করে পড়বেন।
প্রতিবার পড়া শেষে পানির বোতলে ফুঁ দিবেন।

📖 নির্দিষ্ট আয়াতসমূহ

১. সূরা আল-বাকারা — আয়াত ১৭৪
اُولٰٓئِكَ مَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ اِلَّا النَّارَ
উচ্চারণ: উলাইকা মা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম ইল্লান নার

২. সূরা আন-নিসা — আয়াত ১০
اِنَّمَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ نَارًا وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيْرًا
উচ্চারণ: ইন্নামা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম নারান ওয়া সাইয়াসলাওনা সাঈরা

৩. সূরা আল-হজ্জ — আয়াত ২০
يُصْهَرُ بِهٖ مَا فِيْ بُطُوْنِهِمْ وَالْجُلُوْدُ
উচ্চারণ: ইউসহরু বিহী মা ফী বুতূনিহিম ওয়াল জুলূদ

৪. সূরা ইউনুস — আয়াত ৮১
مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
উচ্চারণ: মা জি’তুম বিহিস সিহরু ইন্নাল্লাহা সা ইউবতিলুহু

৫. সূরা মুহাম্মদ — আয়াত ১৫
وَسُقُوا مَاءً حَمِيمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ
উচ্চারণ: ওয়া সুকূ মা-আন হামীমান ফাকাত্তা‘আ আমআআহুম

📖 যাদু নষ্টের সাধারণ আয়াতসমূহ

সূরা আল-আ‘রাফ (১১৭–১২২)
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ...
(আয়াত ১১৭ থেকে ১২২ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে পড়বেন)

সূরা ইউনুস — আয়াত ৮১–৮২
فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ...
وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ...

সূরা ত্ব-হা — আয়াত ৬৯
وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا...

📿 অতিরিক্ত সূরা

সূরা আল-ফালাক — ৩ বার

সূরা আন-নাস — ৩ বার

সূরা আল-ফাতিহা — ৭ বার

সব আয়াত শেষ করে পানিতে ফুঁ দিবেন।

💧 পানির ব্যবহার

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানি পরিমাণমতো পান করবেন, যাদু ধ্বংসের নিয়তে।

পানি পান করার পর প্রতিদিন পেটে হাত রেখে উপরোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করবেন।

🤲 বিশেষ দুআ

পেটে হাত রেখে মনোযোগ সহকারে দীর্ঘ সময় পড়বেন—

আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ فِي الْبَطْنِ

উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মাকূলিন ফিল বাতনি।

এই দুআটি ধীরে ধীরে বারবার পাঠ করবেন।

⚠️ সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

রুকইয়াহ চলাকালীন নিচের অনুভূতিগুলো হতে পারে—

বমি বমি ভাব

মাথা ঘোরা

পেটে অস্বস্তি

শরীর ভারী লাগা

বমি হওয়া

⏳ সময়সীমা

এই পদ্ধতি নিয়মিত ২১ দিন বা ৪১ দিন অনুসরণ করা যেতে পারে, অথবা সমস্যা দূর হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে পারেন।

⚠️ সতর্কতা

গর্ভবতী মা ও বোনদের জন্য এই পদ্ধতি অনুসরণ করা নিষিদ্ধ।

✅ লেখাটি উপকারী মনে হলে সাদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন।
জাযাকুমুল্লাহ।

Yaqeen - يقين

🛑 সূরা বাকারা ঘরে থাকলে শয়তান ও যাদু দূরে থাকে! 🛑আপনি কি জানেন—যে ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সেখানে শয়তান অ...
27/03/2026

🛑 সূরা বাকারা ঘরে থাকলে শয়তান ও যাদু দূরে থাকে! 🛑

আপনি কি জানেন—যে ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সেখানে শয়তান অবস্থান করতে পারে না?

রাসূল ﷺ বলেছেন—
❝ তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানিও না। যে ঘরে সূরা বাকারা পড়া হয়, সেখান থেকে শয়তান পালিয়ে যায় ❞
📚 সহিহ মুসলিম

আরেক হাদিসে এসেছে—
❝ সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা বরকত, তা ছেড়ে দেওয়া আফসোস, আর বাতিলপন্থীরা (যাদুকররা) এর মোকাবিলা করতে পারে না ❞
📚 সহিহ মুসলিম
⭕যাদু হলো জ্বীন শয়তানের সাথে যাদুকরের চুক্তি।
শয়তান ঘরে আসতে না পারলে চুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
শয়তান হতে পারে যাদুর খাদেম বা সেবক অথবা কবিরাজের পাঠানো জ্বীন শয়তান।

⚠️ কেন সূরা বাকারা এত গুরুত্বপূর্ণ?

শয়তানকে ঘর থেকে দূরে রাখে

যাদুর প্রভাব দুর্বল করে

ঘরে বরকত ও রহমত আনে

মানসিক শান্তি বৃদ্ধি করে

✅ কীভাবে আমল করবেন:

প্রতিদিন না পারলে অন্তত ৩ দিনে একবার সূরা বাকারা পড়ুন

ঘরে চালু রেখে তিলাওয়াত শুনতে পারেন

পরিবারসহ নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করুন

🔐 অতিরিক্ত সুরক্ষা:

সকাল-সন্ধ্যার যিকির

আয়াতুল কুরসি

৩ কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস)

❗ গুরুত্বপূর্ণ কথা:

👉 শুধু শুনলেই হবে না—বোঝার চেষ্টা ও আমলও করতে হবে
👉 সমস্যা বেশি হলে অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে রুকইয়াহ করুন

✨ মনে রাখুন:
❝ যে ঘরে কুরআন থাকে, সেখানে অশান্তি টিকতে পারে না ❞

🤲 আল্লাহ আমাদের ঘরকে কুরআনের নূরে ভরিয়ে দিন এবং শয়তান, জ্বীন ও যাদুর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

ঘরের ভিতরের জ্বীন দূর করার শক্তিশালী আমলঘরে অশান্তি, অজানা ভয়, খারাপ স্বপ্ন এগুলো অনেক সময় জ্বীনের প্রভাবের কারণ হতে পার...
26/03/2026

ঘরের ভিতরের জ্বীন দূর করার শক্তিশালী আমল

ঘরে অশান্তি, অজানা ভয়, খারাপ স্বপ্ন
এগুলো অনেক সময় জ্বীনের প্রভাবের কারণ হতে পারে।
ইসলামে এর সমাধান আছে, আলহামদুলিল্লাহ।

✅ ১. সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত
প্রতিদিন বা অন্তত ৩ দিনে একবার পুরো ঘরে পড়ুন।
📖 হাদিসে এসেছে,

যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পড়া হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না।

✅ ২. আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়া
ঘুমানোর আগে এবং ঘরে প্রবেশের সময় পড়ুন।

✅ ৩. তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) ৩ বার করে
সকাল-সন্ধ্যায় পড়ে শরীরে ফুঁ দিন।

✅ ৪. ঘরে আযান দেওয়া
প্রতিদিন অন্তত ১ বার ঘরে আযান দিন জ্বীন দূরে থাকে।

✅ ৫. “বিসমিল্লাহ” বলে ঘরে প্রবেশ
এতে শয়তান ঘরে ঢুকতে পারে না।
🌿 বিশেষ আমল (রুকইয়াহ পানি)

এক বোতল পানিতে নিচেরগুলো পড়ে ফুঁ দিন:
সূরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসি
শেষ ২ আয়াত (সূরা বাকারা)
তিন কুল

👉 এরপর সেই পানি ঘরে ছিটান এবং পান করুন।

আমাদের চারপাশে সুন্দর মুহূর্ত বা প্রিয় সন্তানদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা এখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু...
18/03/2026

আমাদের চারপাশে সুন্দর মুহূর্ত বা প্রিয় সন্তানদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা এখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে, এই সামান্য একটি ছবি বা ভিডিও কীভাবে আমাদের প্রিয়জনদের বড় বিপদে ফেলতে পারে।

ইসলামে 'বদনজর' বা 'আল-আইন' কোনো কুসংস্কার নয়, বরং এটি একটি রূঢ় বাস্তবতা। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, বদনজর লাগা সত্য।

​যখন আমরা কোনো অর্জনের বা সন্তানের হাসিমাখা ছবি পোস্ট করি, তখন হাজার হাজার মানুষের নজর সেখানে পড়ে।

সবার মন বা নিয়ত এক থাকে না। কেউ হয়তো অনেক মুগ্ধ হয়ে দেখে কিন্তু মুখে 'মাশাআল্লাহ' বা 'বারাকাল্লাহ' বলে না, আবার কেউ হয়তো মনের অজান্তেই হিংসা করে ফেলে।

এই মুগ্ধতা বা হিংসা থেকেই তৈরি হয় এক ধরণের নেতিবাচক প্রভাব, যা সরাসরি ওই ব্যক্তি বা শিশুর ওপর পড়ে। এর ফলে দেখা যায়, হাসিখুশি বাচ্চাটি হঠাৎ অকারণে কান্নাকাটি করছে, অসুস্থ হয়ে পড়ছে কিংবা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে।

এমনকি সুন্দর দাম্পত্য জীবনের ছবি দেওয়ার পর হুট করে সংসারে অশান্তি শুরু হওয়াও বদনজরের একটি বড় লক্ষণ।

​সবাই আমাদের ভালো চায় না, আর সবার চোখের দৃষ্টিও পবিত্র হয় না। তাই নিজের নিয়ামতগুলোকে কিছুটা আড়ালে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

নিজের খুশিগুলো সবার সামনে প্রদর্শন না করে বরং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানানো এবং সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দুআগুলোর মাধ্যমে নিজেদের ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

মনে রাখবেন, সস্তায় পাওয়া লাইক বা কমেন্টের চেয়ে আপনার পরিবারের নিরাপত্তা এবং আত্মিক শান্তি অনেক বেশি মূল্যবান।

আপনি যদি একরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার এরকম সমস্যার পেছনে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।

⤵️  #সেল্ফ রুকইয়াহ করুন।▪️যারা সপ্নে খাওয়া বেশি হয় দিনে অসুস্থ থাকেন বন্ধ করার উপায় নাই, সপ্নে যৌনমিলন দেখে ( এই সুরা কা...
13/03/2026

⤵️ #সেল্ফ রুকইয়াহ করুন।

▪️যারা সপ্নে খাওয়া বেশি হয় দিনে অসুস্থ থাকেন বন্ধ করার উপায় নাই, সপ্নে যৌনমিলন দেখে ( এই সুরা কাফ এর আয়াত সংখ্যা ৪৫ মাএ ) এই সুরাটা ১১ বার দৈনিক এক বসায় পড়বেন।

▪️ জাদুটোনা, জ্বিন,ওয়াসওয়াসা, তারা সুরা নূহ পড়বেন এক বাসায় ( ১১ বার)।

▪️ যারা জ্বিনের রুগি তারা সুরা জ্বিন ( ১১ বার পড়বেন দৈনিক।

▪️ যাদের সময় বেশি থাকে হাতে সুরা ইয়াসিন সাথে পড়বেন পারেন। (এটা না পড়লেও চলে পড়লে উপকার বেশি পাবেন।

▪️সকল লক্ষন থাকে, সুরা কাফ,সুরা নূহ, সুরা জ্বিন পড়বেন ( ৭ বার করে প্রতিটা সুরা পড়বেন এক বৈঠকে)

▪️ যদি ১১ করে পড়তে কষ্ট হয়। তারা তিনটা সুরা ৭ বার করে টানা ৩ মাস চালিয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ ৯৯% জাদু নষ্ট হয়ে যাবে। এক বসায় পড়বেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ফলাফলের জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না, কোটি টাকা খরচ করলেও জাদু থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। নিজে কষ্ট করে আমল করুন আল্লাহ সাহায্য করবে করবেই।
অডিও শুনলে তেমন সুস্থ হতে দেখিনি। দীর্ঘ ১২ বছর সুস্থ হয়নি কয়েক হাজার রুগি পেয়েছি। নিয়ত করে নিবেন নিয়তের উপর রুকইয়াহ আপনি যেমন নিয়ত তেমন ফলাফল, সন্দেহ পোষণ করবেন না এতে আপনার চিকিৎসা হবেনা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আপনার সমস্যা বাড়বে কমবে সেল্ফ রুকইয়াহ চলাকালীন, ভয় পাবেন না ইনশাআল্লাহ এটা ভালো লক্ষণ। জ্বিন যাদুটোনা আপনার ক্ষতি করতে পারবেনা কষ্ট দিবে হয়তো বড় জোর। সুদ্ধ উচ্চারণ করতে হবে আপনার জন্য বাধ্যকতা নয়, আপনি মাজলুম আল্লাহ যানে পড়া বন্ধ করবেন না। আমাদের প্রতিদিন অভিশাপ দিবেন আমরা মাথা পেতে নিবো। আপনাদের সেল্ফ রুকইয়াহ আমরা ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানি করলে আপনি গালিগালাজ করতে পারেন। এটা আমাদের জন্য গালিগালাজ শুনা জায়েজ কারন অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ না হলে চিকিৎসা দেওয়া নিষেধ।

Yaqeen - يقين

Address

Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yaqeen - يقين posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share