24/04/2026
হিংসা (নজর লাগা) থেকে মুক্তির জন্য ‘আয়েনের পানি’ দিয়ে গোসল করার পদ্ধতি সর্বোত্তম পদ্ধতি (উলামাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী):
রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ, বিশেষ করে সাহাবি সাহল ইবনে হুনাইফ (রাঃ)–এর হাদিসের ভিত্তিতে উলামারা পদ্ধতিটি এভাবে সংক্ষেপ করেছেন—
🔹 ১. নির্দিষ্ট অঙ্গ ধোয়া
যার নজর লেগেছে (আয়েনকারী) তাকে বলা হবে সে ধুবে—
মুখ
হাত
কনুই
হাঁটু
পায়ের পাতা
এবং তার কাপড়ের ভেতরের অংশ (যা শরীরের সাথে লেগে থাকে)
এই ধোয়া পানিগুলো একটি পাত্রে সংগ্রহ করা হবে।সোজা কথায় ওজু করে সেই পানি দিবে
🔹 ২. “দাখিলাতুল ইযার” (কাপড়ের ভেতরের অংশ) এর ব্যাখ্যা
এটি সেই অংশ, যা শরীরের সাথে সরাসরি লেগে থাকে।
বর্তমান সময়ে এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে—টুপি, গামছা বা এমন কাপড় যা শরীর স্পর্শ করে। যে নজর দিয়েছে তার ব্যবহৃত কাপড় যাতে তার শরীরের স্পর্শ আছে
🔹 ৩. পানি ব্যবহারের পদ্ধতি
এই পানি পান করা হবে না; বরং আক্রান্ত ব্যক্তির মাথা ও পিঠের ওপর, পিছন দিক থেকে ঢালা হবে।
অন্য কেউ এই কাজটি করবে।
পানি ঢালার পর পাত্রটি তার পেছনে উল্টে দেওয়া হয়।
হঠাৎ করে ঢালা উত্তম মনে করা হয়।
🔹 ৪. কষ্ট হলে সহজীকরণ
উত্তম হলো—আয়েনকারী সম্পূর্ণ গোসল করবে।
যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত মুখ, কাপড়ের ভেতরের অংশ এবং পায়ের অংশ ধুয়ে সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির উপর ঢালা হবে।
🔹 ৫. যদি আইন দিয়া ব্যাক্তি ওজু বা গোসলের কিছু দিতে না চায় তবে তার ব্যবহৃত বা স্পর্শ করা জিনিস যেমন গ্লাস বোতল টিসু বা শুকনা খাবার বা পানীয়ের অবশিষ্টাংশ ধুয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তির গায়ে ঢালা যাবে যদিও নজর দূর করার জন্য এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।
সুন্নাহতে শুধু উল্লিখিত অঙ্গগুলো ধোয়ার কথাই এসেছে।
🔹 ৬. কোনভাবেই কিছু না করা গেলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে আয়েনকারির হয়ে ওজু করে তা গায়ে ঢালা