Dr. Shahana Poly - Obs & Gynae Specialist

  • Home
  • Dr. Shahana Poly - Obs & Gynae Specialist

Dr. Shahana Poly - Obs & Gynae Specialist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Shahana Poly - Obs & Gynae Specialist, Medical and health, জেলা, .

ডা. শাহানা পলি
এম.বি.বি.এস (এম.এম.সি)
বি.সি.এস (স্বাস্থ্য)
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)

রেজিস্ট্রার
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ

চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা:) লি:
স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ
সিরিয়াল: 01779230126

🤰 গর্ভাবস্থায় জটিলতা? নরমাল ডেলিভারি নাকি সিজার?🌸 PCOS? মাসিক অনিয়ম? বন্ধ্যাত্ব?👩‍⚕️ ডা. শাহানা পলিগাইনী, প্রসূতি, বন্ধ্...
18/09/2026

🤰 গর্ভাবস্থায় জটিলতা? নরমাল ডেলিভারি নাকি সিজার?
🌸 PCOS? মাসিক অনিয়ম? বন্ধ্যাত্ব?

👩‍⚕️ ডা. শাহানা পলি
গাইনী, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🎓 FCPS (Obs & Gynae)
🎓 MBBS (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ)
🎓 BCS (স্বাস্থ্য)

🤰 প্রসূতি ও গর্ভকালীন সেবা
• গর্ভাবস্থার নিয়মিত ও জটিল চিকিৎসা
• নরমাল ডেলিভারি
• জটিল প্রসব
• ৩য়/৪র্থ সিজার
• সকল ধরনের জটিল সিজারিয়ান অপারেশন

🌸 মাসিক ও হরমোনজনিত সমস্যা
• PCOS
• মাসিক অনিয়ম
• অতিরিক্ত/অনিয়মিত মাসিক

👶 বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভধারণ
• বন্ধ্যাত্ব
• গর্ভধারণে সমস্যা
• বারবার গর্ভপাত

🔬 স্ত্রীরোগ ও সার্জারি
• ফাইব্রয়েড
• ওভারিয়ান সিস্ট
• এন্ডোমেট্রিওসিস
• হিস্টেরেক্টমি
• জরায়ুর প্রয়োজনীয় অপারেশন

🎗️ নারীস্বাস্থ্য
• জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং
• স্তনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
• জন্মনিয়ন্ত্রণ পরামর্শ
• সাদা স্রাবের সমস্যা
• তলপেটে ব্যথা
• মেনোপজজনিত সমস্যা

🏥 মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ

🕒 প্রতিদিন ৩টা–৯টা | শুক্রবার ১০টা–৯টা
📞 01779-230126 | 01730-526156

📌 নারীস্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যায় নিন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ।

⚠️ নরমাল ডেলিভারি চান?তাহলে ডেলিভারির দিনের জন্য নয়—প্রস্তুতি শুরু করুন গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই! 🤰❤️অনেক মায়ের প্রশ্ন—“কী...
17/09/2026

⚠️ নরমাল ডেলিভারি চান?
তাহলে ডেলিভারির দিনের জন্য নয়—প্রস্তুতি শুরু করুন গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই! 🤰❤️

অনেক মায়ের প্রশ্ন—

“কী করলে নরমাল ডেলিভারি হবে?”
“কোন খাবার খেলে সিজার এড়ানো যাবে?”
“বেশি হাঁটলে কি নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত?”

👉 সত্যিটা হলো—
নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত করার কোনো ম্যাজিক ফর্মুলা নেই।

তবে গর্ভাবস্থায় সঠিক যত্ন ও নিয়মিত চিকিৎসা-পর্যবেক্ষণ মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🌸 নরমাল ডেলিভারি চাইলে ৭টি বিষয় মনে রাখুন

━━━━━━━━━━━━

1️⃣ শুরু থেকেই নিয়মিত গর্ভকালীন চেকআপ করুন 🩺

শরীর ভালো লাগলেও নিয়মিত antenatal check-up গুরুত্বপূর্ণ।

এর মাধ্যমে মায়ের রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতা, শিশুর বৃদ্ধি এবং গর্ভাবস্থার বিভিন্ন ঝুঁকি সময়মতো শনাক্ত করা যায়।

━━━━━━━━━━━━

2️⃣ পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খান 🍎🥚🥬

“দুজনের জন্য খেতে হবে”—এমন নয়।

প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি, ফল এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আয়রন-ফলিক অ্যাসিডসহ supplement গ্রহণ করুন।

━━━━━━━━━━━━

3️⃣ নিরাপদ শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখুন 🚶‍♀️

গর্ভাবস্থা স্বাভাবিক হলে উপযুক্ত শারীরিক কার্যক্রম উপকারী হতে পারে।

তবে সবার জন্য একই ব্যায়াম উপযুক্ত নয়।

🚨 রক্তপাত, পানি পড়া বা কোনো জটিলতা থাকলে নিজে থেকে ব্যায়াম শুরু করবেন না।

━━━━━━━━━━━━

4️⃣ অতিরিক্ত ওজন বাড়তে দেবেন না ⚖️

গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া স্বাভাবিক।

কিন্তু কতটা ওজন বাড়া উপযুক্ত, তা সবার জন্য এক নয়।

আপনার BMI ও গর্ভাবস্থার অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

━━━━━━━━━━━━

5️⃣ নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাবেন না 💊❌

গর্ভাবস্থায় সাধারণ ওষুধও নিজের ইচ্ছায় খাওয়া ঠিক নয়।

যেকোনো ওষুধ, supplement বা herbal product নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

━━━━━━━━━━━━

6️⃣ ভয় ও ভুল ধারণার বদলে সঠিক তথ্য জানুন ❤️

❌ “বাচ্চা একটু বড় হলেই সিজার।”

❌ “আগে সিজার হয়েছে, তাই এবারও সিজার।”

❌ “এই খাবার খেলেই নরমাল ডেলিভারি হবে।”

❌ “বেশি হাঁটলেই নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত।”

👉 এগুলোকে নিয়ম হিসেবে ধরে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

প্রতিটি গর্ভাবস্থা আলাদা।

━━━━━━━━━━━━

7️⃣ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিন 🩺❤️

নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হলে সেটি করা যেতে পারে।

কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে সিজারিয়ান ডেলিভারি মা বা শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে।

তাই—

🚨 “যেকোনো মূল্যে নরমাল ডেলিভারি” নয়।

❤️ লক্ষ্য হওয়া উচিত—
মা ও শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ডেলিভারি।

━━━━━━━━━━━━

🚨 এই ৫টি কথা মনে রাখুন

❌ কোনো খাবার নরমাল ডেলিভারির গ্যারান্টি দেয় না

❌ কোনো নির্দিষ্ট ব্যায়াম নরমাল ডেলিভারি নিশ্চিত করে না

❌ শুধু শিশুর ওজন দেখে ডেলিভারির পদ্ধতি ঠিক করা হয় না

❌ আগের সিজার মানেই পরেরবার অবশ্যই সিজার নয়

❌ আবার প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও সিজার এড়িয়ে যাওয়া নিরাপদ নয়

━━━━━━━━━━━━

🌷 শেষ কথা

নরমাল ডেলিভারি একটি সুন্দর প্রত্যাশা।

কিন্তু মায়ের নিরাপত্তা ও শিশুর নিরাপত্তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই।

তাই লক্ষ্য হোক—

“সিজারকে নয়,
অপ্রয়োজনীয় সিজারকে না বলুন।”

আর প্রয়োজন হলে সিজার করতেও ভয় পাবেন না। ❤️

🤰 গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই একজন গাইনী বিশেষজ্ঞের নিয়মিত পরামর্শ নিন।

ডা: শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)

সিরিয়াল
০১৭৭৯২৩০১২৬

📌 বৈজ্ঞানিক ভিত্তি:
WHO-এর antenatal care recommendations এবং ACOG-এর pregnancy ও physical activity guidance-এর আলোকে।

#নরমালডেলিভারি #গর্ভাবস্থা #মাতৃস্বাস্থ্য

🌸 শিশুর প্রথম ৬ মাস—শুধু বুকের দুধই কি যথেষ্ট?👉 হ্যাঁ, বেশিরভাগ সুস্থ পূর্ণমেয়াদি শিশুর জন্য প্রথম ৬ মাস শুধু মায়ের বুকে...
16/09/2026

🌸 শিশুর প্রথম ৬ মাস—শুধু বুকের দুধই কি যথেষ্ট?

👉 হ্যাঁ, বেশিরভাগ সুস্থ পূর্ণমেয়াদি শিশুর জন্য প্রথম ৬ মাস শুধু মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট।🤍

শিশুর জন্মের পর অনেকেই বলেন—

❌ “বুকের দুধ কম হচ্ছে, একটু পানি দাও।”
❌ “গরমে পানি না দিলে শিশু পানিশূন্য হয়ে যাবে।”
❌ “শিশু কান্না করছে, নিশ্চয়ই দুধে পেট ভরছে না।”
❌ “মধু দিলে শিশুর শরীর ভালো থাকবে।”

⚠️ এসব ধারণার অনেকগুলোই ভুল হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━

🤱 প্রথম ৬ মাস শিশুকে কী দেওয়া উচিত?

সাধারণভাবে, বুকের দুধই শিশুর প্রধান ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও তরলের উৎস।

এ সময়ে চিকিৎসকের বিশেষ পরামর্শ ছাড়া—

❌ পানি
❌ মধু
❌ জুস
❌ গরুর দুধ
❌ অন্য কোনো খাবার

দেওয়া উচিত নয়।

তবে কোনো শিশুর বিশেষ চিকিৎসাগত প্রয়োজন থাকলে সিদ্ধান্তটি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী হবে।

━━━━━━━━━━━━

💧 “গরমে পানি দিতে হবে”—এটা কি সত্যি?

সাধারণভাবে নয়।

বুকের দুধে পানিও থাকে। তাই শুধু গরমের কারণে ছোট শিশুকে আলাদা করে পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

বরং অপ্রয়োজনীয়ভাবে পানি বা অন্য তরল দিলে শিশুর বুকের দুধ খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে পারে।

━━━━━━━━━━━━

😢 শিশু বারবার কাঁদলে কি দুধ কম হচ্ছে?

সবসময় নয়!

শিশু বিভিন্ন কারণেই কাঁদতে পারে—

🔹 ক্ষুধা
🔹 ঘুম
🔹 অস্বস্তি
🔹 কোলে থাকার প্রয়োজন
🔹 গ্যাস
🔹 অন্য কোনো সমস্যা

তাই শুধু কান্না দেখে “দুধ কম হচ্ছে”—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

শিশু পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য শিশুর প্রস্রাব, ওজন বৃদ্ধি, খাওয়ানোর ধরনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়।

━━━━━━━━━━━━

🍯 মধু কি নবজাতককে দেওয়া যায়?

🚨 ১ বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেওয়া উচিত নয়।

মধুর মাধ্যমে শিশুর infant botulism হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

তাই “অল্প একটু মধু ক্ষতি করবে না”—এই ধারণা থেকে শিশুকে মধু দেওয়া নিরাপদ নয়।

━━━━━━━━━━━━

🥣 তাহলে কখন বাড়তি খাবার শুরু?

সাধারণভাবে প্রায় ৬ মাস বয়সে শিশুর উপযুক্ত complementary foods বা বাড়তি খাবার শুরু করা হয়।

তখনও বুকের দুধ চালিয়ে যেতে হয় এবং শিশুর বয়স ও বিকাশ অনুযায়ী খাবারের ধরন ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়।

━━━━━━━━━━━━

❤️ মনে রাখুন

শিশুর প্রথম খাবার নিয়ে পরিবারের সবার পরামর্শ একরকম নাও হতে পারে।

কিন্তু—

শিশু ছোট, তাই যা খুশি একটু একটু করে দেওয়া যাবে”—এটি নিরাপদ ধারণা নয়।

🤱 বুকের দুধকে অগ্রাধিকার দিন।
💧 অপ্রয়োজনীয় পানি বা তরল এড়িয়ে চলুন।
🍯 ১ বছরের আগে মধু নয়।
🥣 প্রায় ৬ মাসে উপযুক্ত বাড়তি খাবার শুরু করুন।
🩺 শিশুর বৃদ্ধি বা খাওয়ানো নিয়ে সন্দেহ হলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

━━━━━━━━━━━━

🌷 শিশুর কান্না মানেই বুকের দুধ কম নয়।
আর শিশুর জন্য “একটু একটু করে” সব খাবার নিরাপদও নয়।

👉 সঠিক তথ্য জানুন, নিরাপদভাবে শিশুকে বড় করুন। 💚

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🏥 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
📞 সিরিয়াল: ০১৭৭৯২৩০১২৬
০১৭৩০৫২৬১৫৬

#শিশুর_প্রথম_৬_মাস #বুকের_দুধ

⚠️ অপ্রয়োজনীয় সিজার কী?“সিজার করলেই কি মা ও শিশুর জন্য বেশি নিরাপদ?”👉 সবসময় নয়! 🤍🌸 সিজার নয়, নিরাপদ ডেলিভারিই হোক লক্ষ্য...
10/09/2026

⚠️ অপ্রয়োজনীয় সিজার কী?

“সিজার করলেই কি মা ও শিশুর জন্য বেশি নিরাপদ?”

👉 সবসময় নয়! 🤍

🌸 সিজার নয়, নিরাপদ ডেলিভারিই হোক লক্ষ্য।

সিজারিয়ান সেকশন একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী অপারেশন। প্রয়োজন হলে সিজারই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত হতে পারে।

কিন্তু চিকিৎসাগত প্রয়োজন না থাকলে শুধু ভয়, ভুল ধারণা বা সুবিধার কারণে সিজার করানো উচিত নয়।

━━━━━━━━━━━━

❓ কখন সিজার প্রয়োজন হতে পারে?

কিছু পরিস্থিতিতে সিজার মা ও শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হতে পারে। যেমন—

🔹 শিশুর অবস্থান এমন হলে যে নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ নয়
🔹 প্লাসেন্টার অবস্থানের কারণে প্রসবপথ বাধাগ্রস্ত হলে
🔹 প্রসবের সময় শিশুর কষ্টের লক্ষণ দেখা দিলে
🔹 প্রসব এগিয়ে না গেলে
🔹 আগের সিজার বা জরায়ুর অপারেশনের কারণে বিশেষ ঝুঁকি থাকলে
🔹 মা বা শিশুর অন্য কোনো গুরুতর জটিলতা থাকলে

━━━━━━━━━━━━

🚨 তাহলে “অপ্রয়োজনীয় সিজার” কী?

যখন চিকিৎসাগতভাবে সিজার করার প্রয়োজন নেই, তবুও শুধুমাত্র—

❌ অকারণ ভয়
❌ ভুল ধারণা
❌ সুবিধার জন্য
❌ দ্রুত ডেলিভারি করানোর ইচ্ছায়
❌ “আগে সিজার হয়েছে, তাই এবারও সিজার”—এই ধারণায়

সিজার করা হয়—তখন বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি।

⚠️ প্রয়োজন হলে সিজার, প্রয়োজন না হলে নয়।

━━━━━━━━━━━━

📌 একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা

“একবার সিজার = সবসময় সিজার” ❌

আগে সিজার হয়েছে বলেই পরেরবার সবার সিজার লাগবে—এমন নয়।

কিছু মায়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত মূল্যায়নের পর VBAC-এর মাধ্যমে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা সম্ভব হতে পারে।

তবে সেটি অবশ্যই ব্যক্তিগত ঝুঁকি ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

🤰 আগের সিজার মানেই পরেরবার সিজার নয়।

━━━━━━━━━━━━

💚 অপ্রয়োজনীয় সিজার এড়ানোর চেষ্টা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কারণ সিজার একটি বড় অপারেশন।

প্রয়োজন ছাড়া সিজার করলে—

🔸 অপারেশনের জটিলতা হতে পারে
🔸 Recovery তুলনামূলক বেশি সময় নিতে পারে
🔸 সংক্রমণ ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকতে পারে
🔸 ভবিষ্যৎ গর্ভাবস্থায় কিছু ঝুঁকি বাড়তে পারে

তবে মনে রাখবেন—

🚨 প্রয়োজনের সময় সিজার করতে দেরি করাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━

❤️ তাই স্লোগান হওয়া উচিত—

“সিজারকে নয়,
অপ্রয়োজনীয় সিজারকে না বলুন।” 🌷

নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হলে সেটি ভালো।
সিজার প্রয়োজন হলে সেটিও সঠিক সিদ্ধান্ত।

🩺 প্রতিটি মায়ের জন্য সিদ্ধান্ত আলাদা।

👉 লক্ষ্য একটাই—
মা ও শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ডেলিভারি নিশ্চিত করা।

গর্ভাবস্থায় নিজের জন্য কোন পদ্ধতিটি নিরাপদ, তা আগেভাগেই গাইনি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করুন।

━━━━━━━━━━━━

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🏥 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
📞 সিরিয়াল: ০১৭৭৯২৩০১২৬
০১৭৩০৫২৬১৫৬

#অপ্রয়োজনীয়সিজারকে_না_বলুন

⚠️ একবার সিজার হয়েছে মানেই কি দ্বিতীয়বারও সিজার?“প্রথম সন্তান সিজারে হয়েছে—এবারও কি সিজার করতেই হবে?”👉 উত্তর: সবসময় নয়! ...
08/09/2026

⚠️ একবার সিজার হয়েছে মানেই কি দ্বিতীয়বারও সিজার?

“প্রথম সন্তান সিজারে হয়েছে—এবারও কি সিজার করতেই হবে?”

👉 উত্তর: সবসময় নয়! 🤍

অনেক মায়ের ক্ষেত্রেই আগের সিজারের পর পরবর্তী গর্ভাবস্থায় নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা সম্ভব হতে পারে। এটিকে বলা হয় VBAC — Vaginal Birth After Cesarean।

━━━━━━━━━━━━

📊 গবেষণা কী বলছে?

২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি systematic review ও meta-analysis-এ ৩১টি গবেষণা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—

🔹 VBAC-এর সামগ্রিক সফলতার হার প্রায় ৬৮%।

অর্থাৎ, উপযুক্ত রোগী নির্বাচন ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় আগের সিজারের পরও অনেক মায়ের নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হতে পারে। তবে গবেষণাগুলোর মধ্যে পার্থক্য থাকায় সবার সম্ভাবনা এক নয়।

আরও একটি বড় systematic review-তে ৯৪টি গবেষণা ও প্রায় ২ লাখ ৩৯ হাজার গর্ভবতীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। সেখানে আগের vaginal delivery বা আগের সফল VBAC থাকলে পরবর্তী VBAC সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি পাওয়া গেছে।

━━━━━━━━━━━━

🤰 তাহলে সবার কি VBAC সম্ভব?

না।

শুধু “আগে সিজার হয়েছিল”—এই একটি তথ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

চিকিৎসক সাধারণত বিবেচনা করেন—

🔹 আগের সিজার কেন হয়েছিল
🔹 জরায়ুতে কী ধরনের incision দেওয়া হয়েছিল
🔹 আগে কতবার সিজার হয়েছে
🔹 আগে নরমাল ডেলিভারি হয়েছিল কি না
🔹 বর্তমান গর্ভাবস্থার অবস্থা
🔹 শিশুর অবস্থান
🔹 প্লাসেন্টার অবস্থান
🔹 প্রসবের সময় জরুরি সিজারের ব্যবস্থা আছে কি না

━━━━━━━━━━━━

🚨 VBAC-এর কি কোনো ঝুঁকি আছে?

হ্যাঁ।

VBAC-এর একটি বিরল কিন্তু গুরুতর জটিলতা হলো Uterine Rupture—অর্থাৎ আগের সিজারের দাগের জায়গায় জরায়ু ছিঁড়ে যাওয়া।

তাই VBAC এমন হাসপাতালে করা উচিত যেখানে প্রয়োজন হলে দ্রুত জরুরি সিজার ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

━━━━━━━━━━━━

💚 সফল VBAC হলে কী সুবিধা?

সফল VBAC হলে—

✔️ পেটের বড় অপারেশন এড়ানো যায়
✔️ Recovery তুলনামূলক দ্রুত হতে পারে
✔️ সংক্রমণের ঝুঁকি কম হতে পারে
✔️ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি কম হতে পারে
✔️ ভবিষ্যতের একাধিক সিজারের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু ঝুঁকি এড়ানোর সুযোগ থাকে

━━━━━━━━━━━━

📋 আগের সিজারের রিপোর্ট কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেকেই ভাবেন, পেটের বাইরের দাগ দেখে বোঝা যায় আগের সিজারে জরায়ুতে কী ধরনের কাট দেওয়া হয়েছিল।

❌ আসলে তা নয়।

জরায়ুর incision-এর ধরন জানতে আগের অপারেশনের medical record গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কিছু ধরনের uterine incision-এ VBAC-এর ঝুঁকি বেশি হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━

❤️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

“একবার সিজার = সবসময় সিজার”—❌ সবার ক্ষেত্রে সত্য নয়।

আবার—

“আগে সিজার হয়েছে, তাই এবার অবশ্যই নরমাল”—❌ এটিও ঠিক নয়।

প্রতিটি মায়ের পরিস্থিতি আলাদা।

🌷 সঠিক প্রশ্ন হলো—

“আমার এবং আমার শিশুর জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে নিরাপদ?”

আগের সিজারের কারণ, জরায়ুর incision, বর্তমান গর্ভাবস্থা এবং হাসপাতালের জরুরি চিকিৎসা সুবিধা—সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

নিজে থেকে নরমাল বা সিজারের সিদ্ধান্ত না নিয়ে গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই গাইনি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করুন।

━━━━━━━━━━━━

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🏥 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
📞 সিরিয়াল: ০১৭৭৯২৩০১২৬
০১৭৩০৫২৬১৫৬

⚠️ জরায়ুতে ফাইব্রয়েড ধরা পড়েছে—অপারেশন কি করতেই হবে?আল্ট্রাসনোগ্রামে “Fibroid” শব্দটি দেখেই অনেক নারী ভয় পেয়ে যান। মনে ক...
06/09/2026

⚠️ জরায়ুতে ফাইব্রয়েড ধরা পড়েছে—অপারেশন কি করতেই হবে?

আল্ট্রাসনোগ্রামে “Fibroid” শব্দটি দেখেই অনেক নারী ভয় পেয়ে যান। মনে করেন—জরায়ুতে টিউমার হয়েছে, তাই অপারেশন করতেই হবে!

কিন্তু সত্য হলো—সব ফাইব্রয়েডের জন্য অপারেশন প্রয়োজন হয় না। 🤍

━━━━━━━━━━━━

🌸 ফাইব্রয়েড কী?

ফাইব্রয়েড হলো জরায়ুর পেশি থেকে তৈরি হওয়া একটি সাধারণ বৃদ্ধি। অধিকাংশ ফাইব্রয়েড ক্যান্সার নয়।

এটি জরায়ুর ভেতরে, জরায়ুর দেয়ালের মধ্যে অথবা বাইরের দিকে হতে পারে। কোথায় এবং কত বড়—তার ওপর উপসর্গ ও চিকিৎসা নির্ভর করে।

━━━━━━━━━━━━

❓ ফাইব্রয়েড থাকলে কী কী সমস্যা হতে পারে?

🔹 মাসিক অতিরিক্ত বা দীর্ঘদিন হওয়া
🔹 মাসিকের সময় বেশি ব্যথা
🔹 তলপেটে চাপ বা ভারীভাব
🔹 পেটের আকার বেড়ে যাওয়ার অনুভূতি
🔹 ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ
🔹 কোষ্ঠকাঠিন্য
🔹 কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণে সমস্যা

তবে অনেক নারীর কোনো উপসর্গই থাকে না। সেক্ষেত্রে শুধু নিয়মিত পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━

💊 অপারেশন ছাড়াই কি চিকিৎসা সম্ভব?

হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব।

রোগীর বয়স, উপসর্গ, ফাইব্রয়েডের সংখ্যা, আকার ও অবস্থান এবং ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী চিকিৎসা হতে পারে—

✔️ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
✔️ ওষুধের মাধ্যমে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ
✔️ কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ চিকিৎসা/প্রক্রিয়া
✔️ প্রয়োজন অনুযায়ী সার্জারি

━━━━━━━━━━━━

কখন অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে?

অপারেশন বিবেচনা করা হতে পারে যদি—

🔸 অতিরিক্ত মাসিকের কারণে রক্তস্বল্পতা হয়
🔸 ওষুধে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা না যায়
🔸 বড় ফাইব্রয়েডের কারণে ব্যথা বা চাপের সমস্যা হয়
🔸 জরায়ুর ভেতরের গঠনে সমস্যা তৈরি করে
🔸 গর্ভধারণে বাধা সৃষ্টি করে
🔸 ফাইব্রয়েডের অবস্থান ও উপসর্গ অনুযায়ী সার্জারি প্রয়োজন হয়

━━━━━━━━━━━━

🤰 ফাইব্রয়েড থাকলে কি মা হওয়া যায় না?

অবশ্যই মা হওয়া সম্ভব। ❤️

তবে কিছু ফাইব্রয়েডের আকার ও অবস্থান গর্ভধারণ বা গর্ভাবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ফাইব্রয়েডের অবস্থান ও প্রভাব সম্পর্কে আগে থেকেই গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

━━━━━━━━━━━━

❤️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

“ফাইব্রয়েড ধরা পড়েছে = অপারেশন করতেই হবে”—এটি সঠিক নয়।

আবার উপসর্গ থাকলেও বছরের পর বছর অবহেলা করাও ঠিক নয়।

শুধু ফাইব্রয়েড কত বড় তা নয়—এর অবস্থান, সংখ্যা, উপসর্গ, বয়স, রক্তস্বল্পতা এবং ভবিষ্যতে গর্ভধারণের পরিকল্পনা—সবকিছু বিবেচনা করেই চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

🌷 তাই রিপোর্টে Fibroid লেখা থাকলে আতঙ্কিত হবেন না।

প্রথমে জানুন—ফাইব্রয়েডটি কোথায়, কত বড় এবং আপনার শরীরে এর প্রভাব কী।

সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাই পারে অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা এড়াতে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে।

━━━━━━━━━━━━

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🏥 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
📞 সিরিয়াল: ০১৭৭৯২৩০১২৬

🚨 জরায়ুমুখের ক্যান্সার: এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না!আপনি কি জানেন?📊 ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬ লাখের অধিক নারী জরায়ুমু...
31/08/2026

🚨 জরায়ুমুখের ক্যান্সার: এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না!

আপনি কি জানেন?

📊 ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬ লাখের অধিক নারী জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৩ লাখ নারী মারা গেছেন।

🦠 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—প্রায় ৯৯% জরায়ুমুখের ক্যান্সার উচ্চ-ঝুঁকির HPV (Human Papillomavirus) সংক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত।

━━━━━━━━━━━━━━

🔎 কোন লক্ষণগুলো সতর্কবার্তা হতে পারে?

🩸 সহবাসের পর অস্বাভাবিক রক্তপাত
🩸 মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত বা স্পটিং
🩸 মাসিক স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বা দীর্ঘদিন হওয়া
🌸 অস্বাভাবিক বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব
⚠️ সহবাসের সময় ব্যথা বা অস্বস্তি
🌿 দীর্ঘদিন তলপেট বা পেলভিসে ব্যথা
⚠️ মেনোপজের পর যেকোনো ধরনের রক্তপাত

━━━━━━━━━━━━━━

❗ একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখুন

এসব লক্ষণ থাকলেই জরায়ুমুখের ক্যান্সার হয়েছে—এমন নয়।

সংক্রমণসহ বিভিন্ন গাইনী সমস্যাতেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন হলে নিজে নিজে চিকিৎসা না করে গাইনী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

━━━━━━━━━━━━━━

🛡️ প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়

জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই প্রকাশ করে না।

তাই লক্ষণ দেখা দেওয়ার অপেক্ষা না করে বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী নিয়মিত জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং করা গুরুত্বপূর্ণ।

💉 HPV টিকা
🔬 নিয়মিত স্ক্রিনিং
👩‍⚕️ সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ

—এই তিনটি বিষয়ে সচেতনতা জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও আগাম শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━

🌸 সচেতন হোন, নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন।
আপনার পরিবারের মেয়ে ও মহিলাদের গাইনী ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক ডোজে ভ্যাকসিন দিয়ে সুরক্ষিত রাখুন।

নিজের জন্য জানুন, পরিবারের নারী সদস্যদেরও জানান।

📌 পোস্টটি সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজন মনে হলে শেয়ার করুন।

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

#জরায়ুমুখেরক্যান্সার

🌸 বারবার গর্ভপাত হচ্ছে? কারণ না জেনে আবার গর্ভধারণের চেষ্টা করবেন না━━━━━━━━━━━━━━অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায়—গর্ভধা...
27/08/2026

🌸 বারবার গর্ভপাত হচ্ছে? কারণ না জেনে আবার গর্ভধারণের চেষ্টা করবেন না
━━━━━━━━━━━━━━
অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায়—গর্ভধারণের পর কিছুদিন ভালো থাকার পর রক্তপাত শুরু হয়, গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায় বা আল্ট্রাসনোগ্রামে হার্টবিট পাওয়া যায় না। একবার এমন হলে সবসময় বড় কোনো সমস্যা বোঝায় না। কিন্তু ২ বার বা তার বেশি গর্ভপাত হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
━━━━━━━━━━━━━━

❓ বারবার গর্ভপাতের সম্ভাব্য কারণ কী?

🔹 ভ্রূণের ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতা
🔹 জরায়ুর গঠনগত সমস্যা—যেমন সেপ্টাম, পলিপ, কিছু ধরনের ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর ভেতরের জোড়া লেগে যাওয়া
🔹 থাইরয়েডের সমস্যা
🔹 Antiphospholipid Syndrome (APS)-এর মতো কিছু অটোইমিউন/রক্ত জমাট-সংক্রান্ত সমস্যা
🔹 কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য মাতৃস্বাস্থ্য সমস্যা
🔹 কিছু দম্পতির ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণ
🔹 অনেক সময় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেও নির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায় না।

━━━━━━━━━━━━━━

🩺 কী কী পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে?

রোগীর ইতিহাস অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করেন। এর মধ্যে থাকতে পারে—

✅ জরায়ু ও জরায়ুর ভেতরের গঠন পরীক্ষা
✅ থাইরয়েড পরীক্ষা (TSH)
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী APS-এর অ্যান্টিবডি পরীক্ষা
✅ আগের গর্ভপাতের টিস্যু পাওয়া গেলে ক্রোমোজোম পরীক্ষা
✅ বিশেষ পরিস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রীর জেনেটিক পরীক্ষা
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা

সব রোগীর জন্য একই ধরনের অনেকগুলো পরীক্ষা বা ওষুধ প্রয়োজন হয় না—কারণ অনুযায়ী চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

━━━━━━━━━━━━━━

🌷 আবার সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে কী করবেন?

৪ বার গর্ভপাতের পর শুধু নতুন করে গর্ভধারণের চেষ্টা না করে আগে একজন অভিজ্ঞ গাইনী ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে Recurrent Pregnancy Loss-এর পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করানো ভালো।

কারণ শনাক্ত হলে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা ও গর্ভধারণের আগে প্রস্তুতি নেওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রেই পরবর্তী গর্ভধারণ সফল হয়—তাই বারবার গর্ভপাত মানেই ভবিষ্যতে সন্তান হবে না, এমন নয়।

━━━━━━━━━━━━━━

❤️ আপনার যদি ২ বার বা তার বেশি গর্ভপাত হয়ে থাকে, বিষয়টি অবহেলা করবেন না। গর্ভধারণের আগেই সঠিক কারণ খুঁজে চিকিৎসা নিন।

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
এফ.সি.পি.এস (গাইনী এন্ড অবস)
গাইনী, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

📍 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড
স্টেশন রোড (আওয়ামী লীগ অফিস সংলগ্ন), কিশোরগঞ্জ

📞 সিরিয়ালের জন্য:
01779-230126
01730-526156

#বারবার_গর্ভপাত #গর্ভপাত #গর্ভধারণ #বন্ধ্যাত্ব #গাইনী #প্রসূতি #নারীস্বাস্থ্য

🌸 মেয়েদের সাদা স্রাব:কী, কেন হয় এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন?━━━━━━━━━━━━━━━━━━💧 সাদা স্রাব কি সবসময় রোগের লক্ষণ?না...
27/08/2026

🌸 মেয়েদের সাদা স্রাব:
কী, কেন হয় এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন?

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💧 সাদা স্রাব কি সবসময় রোগের লক্ষণ?

না। মাসিকের আগে-পরে, ডিম্বস্ফোটনের সময় বা হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অল্প সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে।

সাধারণত স্বাভাবিক স্রাবে দুর্গন্ধ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া থাকে না।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ কখন সতর্ক হবেন?

সাদা স্রাবের সঙ্গে যদি থাকে—

🔹 অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক স্রাব
🔹 দুর্গন্ধ
🔹 চুলকানি বা জ্বালাপোড়া
🔹 প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া
🔹 তলপেটে ব্যথা
🔹 সহবাসে ব্যথা

তাহলে সংক্রমণ বা অন্য কোনো গাইনোকলজিক্যাল সমস্যার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🩺 কেন হতে পারে?

ছত্রাকের সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস, কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ, হরমোনের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে অস্বাভাবিক স্রাব হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

💊 চিকিৎসা কী?

চিকিৎসা নির্ভর করে সঠিক কারণের ওপর।

তাই নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল বা অন্য কোনো ওষুধ ব্যবহার না করে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🌷 মনে রাখবেন

সাদা স্রাব মানেই রোগ নয়।
তবে দুর্গন্ধ, চুলকানি, ব্যথা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ থাকলে অবহেলা করবেন না।

নারীর সুস্থতার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা জরুরি। ❤️

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

👩‍⚕️ ডাঃ শাহানা পলি
প্রসূতি ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🏥 চেম্বার: মিডটাউন হসপিটাল (প্রা.) লিমিটেড

📞 সিরিয়াল: 01779230126
📞 01730526156

#নারীস্বাস্থ্য #সাদাস্রাব #নারীরোগ #গাইনোকলজি

Address

জেলা

2300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Shahana Poly - Obs & Gynae Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed health & beauty business?

Share