Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity

Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity Hello! We are D.M.F Graduates Associate Clinicians. Working in the Health Departments as a S.A.C.M.O

22/05/2026

আমাদের ডিম্যাব (D-MAB), বিডিএমএ (BDMA), বিডিএমএ স্টুডেন্টস (BDMSA), ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদসহ সকল এসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও দাবিগুলো অভিন্ন—আমাদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, পদে থাকার আকাঙ্ক্ষা আর পারস্পরিক অনাস্থার কারণে আমরা আমাদের মূল লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।

​আমার দৃঢ় বিশ্বাস, পদের লালসা ছেড়ে যদি আমরা একত্রে কাজ করতাম, তবে হারলেও আমাদের পেশার বড় কোনো ক্ষতি হতো না, বরং ঐক্যই হতো সবচেয়ে বড় জয়।
আসলে পদের এই মোহই আমাদের শক্তিকে বিভক্ত করে দিচ্ছে।

​তাই ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একটি 'ঐক্যবদ্ধ প্যানেল' নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করার আরজি জানায়...

রোডম্যাপ প্রস্তাব করছি:

​১. নির্বাচনের আগে একটি অভিন্ন ইশতেহার স্বাক্ষর করা, যেখানে বিজয়ী প্যানেল কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের নয়, বরং সকল স্টেকহোল্ডারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে বাধ্য থাকবে।

২. 'সভাপতি' বা 'সাধারণ সম্পাদক' পদের পেছনে না ছুটে কাজের ধরন অনুযায়ী দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া—যেমন:

• ​যারা সরকারি দপ্তর ও আইনি বিষয়ে দক্ষ, তারা 'পলিসি উইং'-এ থাকবেন।

• ​তৃণমূলের সাথে যোগাযোগের জন্য থাকবে 'ফিল্ড কোঅর্ডিনেশন টিম'।

• ​প্রচার ও জনমতের জন্য থাকবে 'মিডিয়া উইং'। এতে অনেক যোগ্য ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

৩. যেহেতু কেউ কাউকে মানতে চায় না, তাই আমাদের সংগঠনের বাইরের সম্মানিত ও নিরপেক্ষ সিনিয়রদের নিয়ে একটি 'মিডিয়াশন বোর্ড' গঠন করা যেতে পারে, যারা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও কাজের তদারকি নিশ্চিত করবেন।

আসুন, ব্যক্তিগত অহং ও সংগঠনের সীমানা পেরিয়ে আমরা পেশার বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হই। পদের মোহের চেয়ে আমাদের পেশার মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

16/05/2026

মেডিকেল সায়েন্সের একটা চিরন্তন সত্য হলো—"চিকিৎসক জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু তিনি অমরত্ব দিতে পারেন না।"

মেডিকেল সায়েন্সে Myocardial Infarction (MI) বা হার্ট অ্যাটাক একটি অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল ইমার্জেন্সি, যেখানে শতভাগ চেষ্টা করার পরও অনেক সময় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। কিন্তু এই বৈজ্ঞানিক সত্য না মেনে, হাসপাতালে একজন সেবককে পশুর মতো পিটিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হলো!
একটি রাষ্ট্রের অন্যতম সংবেদনশীল এবং জরুরি জায়গা হলো হাসপাতাল। অথচ সেখানেই চিকিৎসকদের সুরক্ষায় সামান্য পাহারাদার ছাড়া কোনো কার্যকর বা সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী থাকে না। ভাবা যায়?।

প্রতিদিন ইমার্জেন্সি ডিউটিতে যাওয়া মানে এখন জান হাতে নিয়ে যাওয়া। যদি অনতিবিলম্বে রাষ্ট্র এবং প্রশাসন স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে বাধ্য।

নিরাপত্তা ছাড়া কোনো সেবা নয়! চিকিৎসকদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও বিচার চাই।

ইদানিং শিশু বিশেষজ্ঞদের দেখি বাচ্চাদের সিরাপ এপেটিজ (Megestrol) দিয়ে থাকেন। আমার হয়তো জানাশোনায় ভুল, তাই জানতে চাচ্ছি—এট...
13/05/2026

ইদানিং শিশু বিশেষজ্ঞদের দেখি বাচ্চাদের সিরাপ এপেটিজ (Megestrol) দিয়ে থাকেন। আমার হয়তো জানাশোনায় ভুল, তাই জানতে চাচ্ছি—এটি কি আসলেই 'খাবারের রুচি' বাড়ানোর ওষুধ?

এই হরমোনাল ড্রাগ এখন শিশুদের রুচির সিরাপ হিসেবে কতটুকু যৌক্তিক? আমরা যারা DMF আছি, তারা হয়তো বড্ড ব্যাকডেটেড, তাই এই জাদুকরী চিকিৎসার Indication বা মাহাত্ম্য বুঝতে না পারার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী!

কেউ কি একটু নিশ্চিত করবেন—এখন থেকে কি আমরা শিশুদের রুচির জন্য সরাসরি এই 'হরমোন থেরাপি' সাজেস্ট করা শুরু করব?
বাচ্চার চেহারা 'বেলুনের মতো ফুলিয়ে
রোগীর মা-বাবার কাছে 'জাদুকর' হওয়ার এই বিদ্যাটা আমাদেরও শেখা দরকার!

আমাদেরও একটু এই মডার্ন থিওরিটা শিখিয়ে দেবেন কি?

গ্রামের বাজারে ৩ মাসের ভুয়া কোর্স করে ‘পল্লি চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়ে নির্দ্বিধায় ‘ডা:/গ্রাম ডা:’ প্রিফিক্স ব্যবহার করেন, রাষ...
09/05/2026

গ্রামের বাজারে ৩ মাসের ভুয়া কোর্স করে ‘পল্লি চিকিৎসক’ পরিচয় নিয়ে নির্দ্বিধায় ‘ডা:/গ্রাম ডা:’ প্রিফিক্স ব্যবহার করেন, রাষ্ট্র চোখ বন্ধ রাখে। অথচ সেই রাষ্ট্রেরই আইনে ৪.৫ বছরের ডিপ্লোমা ও ইন্টার্নশিপ শেষে বিএমডিসি-নিবন্ধিত একজন ডিএমএফ যখন পরিচয় দিতে চান, ঠিক তখনই নেমে আসে প্রশাসনিক তর্জন-গর্জন—"প্রিফিক্স লাগবে না! তোমার আবার প্রিফিক্স কীসের?"

এ কোন বিচার? এ কোন শয়তানের দরবার, যেখানে অবৈধরা প্রিফিক্সের দাবিদার, আর বৈধদের দাবি অপরাধ?

প্রিফিক্স না থাকায় সাধারণ রোগী বুঝতে পারেন না, সামনে যিনি বসে আছেন তিনি প্রশিক্ষিত বিএমডিসি প্র্যাকটিশনার, নাকি হাতুড়ে। এই পরিচয়হীনতা মানে অসহায় মানুষকে জেনেশুনে ভুয়া চিকিৎসকের হাতে তুলে দেওয়া। বিষয়টি আর ব্যক্তিগত স্বীকৃতির সীমানায় নেই; এটি এখন গণস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থের প্রশ্ন।

একজন ডিপ্লোমাধারী ৩০ বছর সেবা দিয়েও পেয়েছেন ‘ভুয়া’ তকমা—কেননা গ্র্যাজুয়েট গোষ্ঠীর ইগো তা হজম করতে পারেনি। তারা প্রশাসনিক ক্ষমতায় আইন বদলে অভিজ্ঞ পেশাদারকে কোণঠাসা করেছে বিএমডিসি ২০১০ আইন বানিয়ে। আর আজ ১৭ বছর ধরে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO) পদে নিয়োগ বন্ধ রেখে সেই গোষ্ঠীই নীতির বুলি আওড়ায়? এটা নীতি নয়, এটা ট্রেড ইউনিয়নের দম্ভ—স্বাস্থ্য খাতের সাজানো গুপ্তহত্যা।

মহামান্য হাইকোর্ট এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই রায় দিয়েছেন—ডিএমএফদের জন্য নির্দিষ্ট প্রিফিক্স নির্ধারণ করতে হবে, কারণ তাঁরা চেম্বার প্র্যাকটিস করা বিএমডিসি-নিবন্ধিত প্র্যাকটিশনার। অথচ সেই নির্দেশনা আজও বাস্তবায়নের মুখ দেখছে না। দায় কার? আমরা কি অপরাধী বৈধ ডিগ্রি নেওয়ায়? আইন যখন মৌন, ন্যায় যখন বিলম্বিত, তখন নিজের অর্জিত সত্যকে উচ্চকণ্ঠে প্রকাশ করা মিথ্যাচার নয়—তা প্রয়োজন, তা প্রতিবাদ।

‘ডিপ্লোমা ডা:’ বা ‘সহকারী ডা:’ কোনো অনধিকার চর্চা নয়—এটা অর্জিত যোগ্যতার স্বচ্ছ, কারিগরি বর্ণনা। আমরা তো ‘এমবিবিএস’ লিখছি না। আমরা যা, তাই লিখছি। নিজের শিক্ষার বিবরণ দেওয়া কবে অপরাধ হয়েছে?

ভুয়াদের ভিড়ে নিজেকে আলাদা করতে এই পরিচয় ব্যবহার করতেই হবে। এটা কোনো বিনয়ের মুখোশ নয়, বুকে বল নিয়ে, যুক্তির জোরে দাবি আদায়ের প্রথম ধাপ। আপনি যদি নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসক হন, তবে এই পরিচয় ব্যবহার শুরু করুন আজই। কারণ চুপ করে থেকে ভুয়াদের আড়ালে ঢাকা পড়ার দিন শেষ। আপনার নীরবতা আর যেন অপরাধীদের বৈধতা না দেয়।।

নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসক হিসাবে এই পরিচয় ব্যবহার শুরু করুন আজই। আমরা এখন যেখানে দাঁড়িয়ে, সেখানে ‘ডিপ্লোমা ডা:’ বা ‘সহকারী ডা:’ লেখা কোনো আইন লঙ্ঘন নয়, বরং আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায় একটি যৌক্তিক ও স্বচ্ছ কারিগরি বিবরণ। আমাদের চুপ থাকা মানে আদালতের রায়কেও অস্বীকার করা। শুরু হোক বৈধদের জয়গান।

"কমিউনিটি প্যারামেডিক"কমিউনিটি প্যারামেডিকরা মূলত নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত  জনবল। প্রশাসনিকভাবে নার্সিং কা...
07/05/2026

"কমিউনিটি প্যারামেডিক"

কমিউনিটি প্যারামেডিকরা মূলত নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত জনবল। প্রশাসনিকভাবে নার্সিং কাউন্সিল বর্তমানে এতটাই শক্তিশালী যে, অনেক ক্ষেত্রে বিএমডিসি বা এমবিবিএস কেন্দ্রিক একক আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার সক্ষমতা রাখে। তারা বিএমডিসি-র ঠুনকো দাপটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস রাখে।

​বর্তমানে দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি অদ্ভুত সমীকরণ দেখা যাচ্ছে। একদিকে এমবিবিএস চিকিৎসকদের একাংশ যখন ডিএমএফ (DMF) বা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দের কর্মক্ষেত্র সংকুচিত করার চেষ্টায় লিপ্ত, ঠিক তখনই সরকার ASTHA প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটি প্যারামেডিকদের জন্য নতুন 'সার্ভিস গাইডলাইন' প্রণয়ন করে বিএমডিসি-র তথাকথিত কঠোর আইনগুলোকে কার্যত অকেজো ও হাস্যকর প্রমাণ করে দিচ্ছে।

মূলত পেশাগত দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে সরকার জনস্বাস্থ্য সেবায় নতুন এই সমীকরণ দাঁড় করাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে প্রচলিত চিকিৎসা কাঠামোর জন্য বড় ধরনের পরিবর্তন হতে পারে যেখানে পুরো চিকিৎসা কাঠামোর নিয়ন্ত্রণই এমবিবিএসদের হাতছাড়া হওয়ার পথে। মূলত এমবিবিএস-দের হিপোক্রেসি আর ডিএমএফ দমনের নোংরা রাজনীতির সুযোগ নিয়ে সরকার যে বিকল্প সমীকরণ দাঁড় করাচ্ছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে বিএমডিসি কেবল একটি নামসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে বাধ্য।

06/05/2026

ঔষধ কম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ, ফার্মাসিস্ট, কমিউনিটি প্যারামেডিক এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার — এঁরা আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মাঠপর্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে সমস্যা হলো অনেকেই বিভিন্নভাবে চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্র্যাকটিসের সাথে যুক্ত হয়ে গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছেন।
ক্লিনিক মালিক এবং এমবিবিএস চিকিৎসকদের সাথে তাঁদের যোগাযোগও ভালো।

কিন্তু একই সাথে একটি উদ্বেগজনক চিত্রও সামনে আসছে। প্রশিক্ষণবিহীন ও নিবন্ধনবিহীন অবৈধ পল্লী চিকিৎসক এবং অনানুষ্ঠানিক প্র্যাকটিশনাররা সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে টিকে আছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে পরোক্ষ উৎসাহও পাচ্ছেন স্বয়ং এমবিবিএস দেরই।

∆ এখানে সূত্রটা হলো :
গ্রামে প্রশিক্ষণবিহীন কোয়াক দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা চলুক → রোগ জটিল হোক → রোগী যখন শেষ অবস্থায় পৌঁছাবে, তখন ধার-দেনা করে, জমি-ভিটা বিক্রি করে শহরে এসে MBBS-BDS ডাক্তারদের কাছে হাজির হোক। দালাল-টেস্ট বানিজ্য-কমিশন সিন্ডিকেট,
এটাই চলমান ব্যবসায়িক সূত্র।

প্রথম ধাপে কম খরচে ভুল চিকিৎসা, শেষ ধাপে উচ্চ খরচে সঠিক চিকিৎসা। ফলে প্রান্তিক মানুষের পকেট শূন্য হয়, আর উচ্চতর চিকিৎসকদের পকেট ভরে।

ঠিক এই চক্র ভেঙে যাবে বলেই DMF চিকিৎসকদের প্রতি উপর মহলের বিরোধিতা এত প্রবল।
বিএমডিসি নিবন্ধিত দক্ষ DMF চিকিৎসাকর্মী গ্রামে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রথম সারিতে আসলেই এই “অতিরিক্ত ফি ও কমিশনভিত্তিক বাণিজ্য” — এই লাভজনক চক্র আর টিকবে না।

গ্রামের একজন দিনমজুরের সন্তানের জ্বর হলে সে প্রথমে যায় কাছের “ডাক্তার”-এর কাছে। ভুল চিকিৎসায় রোগ বাড়ে। শেষে যখন অবস্থা আয়ত্তের বাইরে চলে যায়, তখন সে শেষ সম্বল বিক্রি করে শহরে ছুটে আসে।
এতে শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যায়।

¶ প্রশ্ন হলো:এই কষ্টের পথটা কি এড়ানো যেত না?
সমাধান আমাদের হাতের কাছেই আছে।

রাষ্ট্র ইতোমধ্যে ৪.৫ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষিত, বিএমডিসি নিবন্ধিত DMF চিকিৎসক তৈরি করেছে। তাঁরা যদি গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করতে পারেন, তাহলে অনেক রোগই শুরুতেই নিয়ন্ত্রণে আসবে। রোগীদের আর শেষ সম্বল বিক্রি করে শহরে ছুটতে হবে না।

• • এর ফলে যা হবে:

- প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে
- অপচিকিৎসা ও জটিলতার হার হ্রাস পাবে
- সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর চাপ কমবে
- মানুষের আস্থা বাড়বে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেকাংশে কমবে

এটা কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। এটা আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার একটি গুরুতর বাস্তবতা, যা আমরা আর উপেক্ষা করতে পারি না।

প্রান্তিক মানুষের জন্য নিরাপদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে DMF চিকিৎসকদের সঠিক স্থানে বসানো এখন সময়ের দাবি।
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার। এই অধিকার আর কোনো চক্রের শিকার হতে দেওয়া উচিত নয়।

একজন এমবিবিএস ডাক্তার যদি টিম লিডার হন, তবে এই ডিএমএফ-রাই হলেন তার সেই 'প্রসারিত হাত', যা সরাসরি লজিস্টিক সাপোর্ট থেকে শ...
04/05/2026

একজন এমবিবিএস ডাক্তার যদি টিম লিডার হন, তবে এই ডিএমএফ-রাই হলেন তার সেই 'প্রসারিত হাত', যা সরাসরি লজিস্টিক সাপোর্ট থেকে শুরু করে ইমারজেন্সি,ওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট—সবখানেই এই হাতগুলো অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে। লিডার পরিকল্পনা দেন, কিন্তু সেই পরিকল্পনার বাস্তব রূপায়ন করেন এই ডিএমএফ চিকিৎসাকর্মীরাই।

​অথচ যে হাত দিয়ে তারা রোগীর সেবা করে, সেই হাতেই আজ হাতকড়া! যে টিম লিডারের উচিত ছিল তার টিমের সদস্যদের ঢাল হয়ে রক্ষা করা, সেখানে ওপর মহলের কর্তারা ক্ষমতার দাপটে সেই 'প্রসারিত হাত'গুলোকেই ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

​যা কেবল একজন ইন্টার্নের অবমাননা নয়, এটা পুরো টিমের স্পিরিটকে ধ্বংস করে দেওয়া। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মতো জায়গায়, যেখানে লোকবল সংকটে প্রতিটি মুহূর্ত যুদ্ধ করতে হয়, সেখানে এমন নোংরা ক্ষমতার চর্চা কেবল সাধারণ রোগীদেরই বিপদে ফেলবে।

ডিউটিরত অবস্থায় RMO কর্তৃক নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার পরও আমাদের সহকর্মীকে “চিকিৎসা পেশাজীবী নয়” আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে এবং সরাসরি পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এটি কেবল পেশাগত অধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল পরিপন্থী এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের এক চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।

ইতিহাস সাক্ষী, কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল কখনোই কেবল গ্র্যাজুয়েট ডাক্তার দিয়ে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। যখন বড় বড় ডিগ্রিধারী চিকিৎসকরা নিজেদের প্রাইভেট চেম্বার সাজাতে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই ইন্টার্ন ডিএমএফ ছেলেরাই রাত-বিরাতেও সদর হাসপাতালে রোগীর শিয়রে দাঁড়িয়ে থাকে। সাধারণ সেবা থেকে শুরু করে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা—সবটাই সামলায় এই 'তৃণমূলের ডিপ্লোমা ডাক্তাররা'।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যখন ক্ষমতার দাপটে একজন কর্তব্যরত কর্মীকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশে দেন, তখন বুঝতে হবে এই সিস্টেমে সেবার চেয়ে 'অহংকার' বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পেশাগত বৈষম্য বন্ধ করুন। ইমদাদুল হকের ওপর হওয়া এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

​ #পেশাগত_মর্যাদা_চাই #কুষ্টিয়া_সদর_হাসপাতাল

ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (DMF): একটি ঐতিহাসিক ও আইনি প্রেক্ষাপট​১. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বীকৃতি:'রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা...
25/04/2026

ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (DMF): একটি ঐতিহাসিক ও আইনি প্রেক্ষাপট

​১. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বীকৃতি:
'রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ' কর্তৃক স্বীকৃত এবং 'বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল' (BM&DC) কর্তৃক নিবন্ধিত Diploma in Medical Faculty (DMF) একটি সাড়ে চার বছর মেয়াদী (৪ বছর একাডেমিক ও ৬ মাস ইন্টার্নশিপ) চিকিৎসা শিক্ষা কোর্স।

​২. ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি (১৯৭৮):
পেশাগত মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে ১৯৭৮ সালের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে DMF ডিগ্রিধারীদের "Non-graduate Doctors" হিসেবে উল্লেখ করে স্পষ্টভাবে "Diploma Doctors" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

​৩. পদবি ও শিক্ষাগত বিবর্তন (১৯৮৫):
১৯৮৫ সালের সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক, তৎকালীন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের পদবি ১৯৯৬ সালে পরিবর্তন করে 'সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার' (SACMO) করা হয় এবং তাদের অর্জিত শিক্ষাগত ডিগ্রিকে DMF হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

​৪. আইনি ও গেজেটভুক্ত বৈধতা (২০১০ ও ২০১৮):
২০১০ এবং ২০১৮ সালের বাংলাদেশ গেজেট অনুযায়ী, ১৯৭৮ সালের ১ জানুয়ারির পর থেকে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ (State Medical Faculty) কর্তৃক প্রদত্ত "ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি" ডিগ্রিটিকে নিবন্ধযোগ্য চিকিৎসা যোগ্যতা হিসেবে আইনি সুরক্ষা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

​৫. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পরিসংখ্যান:
বিএমডিসি (BM&DC) কর্তৃক প্রেরিত দাপ্তরিক চিঠির তথ্য অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসকের (DMF) মোট সংখ্যা ১৫,৮৫৩ জন। এই পরিসংখ্যানটি দেশে ডিএমএফ চিকিৎসকদের পেশাগত বৈধতা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার এক অনস্বীকার্য প্রমাণ।

​৬. উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী নির্দেশনা (২০২৬):
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পেশাদার উপাধি সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক ঐতিহাসিক আদেশ প্রদান করেন। আদালত ডিএমএফ ডিগ্রিধারীদের বিএমডিসি নিবন্ধন প্রাপ্ত 'প্র্যাক্টিশনার' হিসেবে সম্বোধন করেছেন এবং তাদের নামের পূর্বে একটি 'যথাযথ উপাধি' (Prefix) নির্ধারণের জন্য সরকারকে চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছেন, যা এই পেশার মর্যাদা ও পরিচয়কে আরও সুসংহত করেছে।

যেহেতু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ডিএমএফ (DMF) ডিগ্রিধারীদের বিএমডিসি নিবন্ধন প্রাপ্ত 'প্র্যাক্টিশনার' হিসেবে সুনির্দিষ্ট স্বীকৃতি প্রদান করেছেন এবং তাঁদের নামের পূর্বে একটি 'যথাযথ উপাধি' (Prefix) নির্ধারণের জন্য সরকারকে চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন, সেহেতু সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পর ডিএমএফদের 'মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট' বলার আর কোনো আইনি সুযোগ নেই। বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এবং সফল জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার (যেমন: চীন, ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়ার মডেল) উদাহরণ অনুসরণ করে
ডিএমএফ (DMF) ডিগ্রিধারীদের নামের পূর্বে 'সহকারী ডা:' অথবা 'ডিপ্লোমা ডা:' উপাধি প্রদান করা একমাত্র আইনানুগ ও সম্মানজনক সমাধান হিসেবে সরকারের জন্য সবচেয়ে সহজ, আধুনিক এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।

24/04/2026

এমবিবিএস পাস করে বছর খানেক চাকরী করার পর সাধ জাগলো নিজের গ্রামের এলাকায় যেয়ে চেম্বার করি। কারন অনেক মানুষের অভিযোগ থাকে এমবিবিএস রা নাকি গ্রামে যায় না। যাই হোক। আজ প্রায় ১৪/১৫ মাস চেম্বার করি নিজের এলাকায়। অনেক সময় রোগীরা এমন কিছু অদ্ভুত প্রেস্ক্রিপশন নিয়ে হাজির হয়, যেগুলো দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝিনা। সবচেয়ে বেশী অপচিকিৎসা হয় চর্মরোগে। আর সেই সাথে জ্বর, ঠান্ডা, হালকা কাশি যাই হোক না কেন, স্টেরয়েড, এন্টিবায়োটিক ছাড়া কোনো প্রেস্ক্রিপশন নাই। এগুলো বেশিরভাগই কিন্তু করে থাকে পল্লীচিকিৎসকেরা (বেশিরভাগই ২-৩ মাসের কোনো না কোনো কোর্স করা যেগুলোর বৈধতা ও নেই)। রোগীর কি রোগ হয়েছে তার চেয়ে রোগীর উপসর্গ কমানোর এক প্রতিযোগিতা চলে গ্রামে-গঞ্জে। তাই স্টেরয়েড এর ব্যবহার থাকবেই। রোগী ও খুশি, যিনি চিকিৎসা দেন উনিও খুশি। কিন্ত সাফার করে পরবর্তীতে। আবার যে ধরনের চর্মরোগ ই থাকুক না কেন, রোগীকে যেকোনো একটা স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দেবেই। ইনিশিয়ালি কমলেও পরে যায় বেড়ে। যাইহোক, এগুলোই চলতেছে। বেশিরভাগ রোগীরা আবার উপসর্গ দ্রুত কমে যাওয়াতে খুশিই হয়। পল্লিচিকিৎসক দের বিরুদ্ধে কিছু লেখলে আবার তাদের অনেক ভক্ত রা এসে কমেন্ট বক্সে গালাগালিও করেন। যাই হোক, এবার আসি ডিএমএফ দের ব্যাপারে। যতোদূর জানি ওনাদের কিছু ঔষধ লেখার অনুমতি আছে, প্রেস্ক্রিপশন করতে পারেন। তাই বেশিরভাগই পাস করে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার করেন। আর তা না করেও লাভ নাই। বর্তমানে তাদের না আছে কোনো সরকারি নিয়োগ, আবার নাই কোনো বেসরকারি চাকরিও। সরকারি ছাড়াও বহু প্রাইভেট ম্যাটস গড়ে উঠেছে বিগত সরকারের আমলেও৷ সেখান থেকে হাজার হাজার ডিএমএফ বের হয়েছে। ব্যবসা করেছে প্রতিষ্ঠান এর মালিকেরা, পাস করে ভুক্তভোগী ডিএমএফ রা। যেহেতু তাদের কোনো চাকরির ব্যবস্থা নাই তাই বাধ্য হয়ে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার প্র‍্যাকটিস করছেন। আমরা হয়তো অনেকে ফেসবুকে বসে গালমন্দ করছি ওনাদের, কিন্তু বাস্তবে কয়জন এমবিবিএস গ্রামে যেয়ে প্র‍্যাকটিস করছি? আবার গ্রামে যদিও যাই ও, দীর্ঘদিন কিন্তু কেউ ই প্র‍্যাকটিস করছিনা সেখানে। কারন আমরা সবাই ই মোটামুটি সবাই চাই উচ্চতর ডিগ্রী নিতে, শহরের দিকে প্র‍্যাকটিস করতে। আর সেই কারনেই গ্রামে গঞ্জে সবচেয়ে বেশি অপচিকিৎসা হয় পল্লীচিকিৎসক দের দ্বারা। কিন্তু সমালোচনার স্বীকার শুধু ডিএমএফ রা হচ্ছে, পল্লী রা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। আমি এখানে ডিএমএফ দের সাফাই গাওয়ার জন্য লেখছি না। কারন তারাও অনেক সময় ভূল করে, এগ্রেসিভ আচরণ দেখায়। তবে আমার কথা হলো যারা ডিএমএফ পড়েছেন, পাস করেছেন তারা কোনো নিষিদ্ধ কিছু পড়েনাই। পাপ করে ফেলে নাই। অপরাধ তাদের যারা তাদের পড়িয়ে কোনো কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা রাখেনাই। আশা রাখি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যায়গায় প্রয়োজনে আরো দক্ষতা বাড়িয়ে সহকারী হিসেবে/ যেকোনো পোস্ট যেটা চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ট সেখানে কাজের ব্যবস্থা করুক। তাহলেই তো তারা আর ডাক্তার বনে যেয়ে রোগী দেখলোনা (যদিও আমার জানামতে ওনারা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ প্রেস্ক্রাইব করতে পারেন) । আর যদি তা না ই হয়, তবে এই কোর্স বাতিল করে দিলেই তো হয়! ফেসবুকে এক পক্ষ আরেক পক্ষ কে শুধু গালাগালিই করে যায়, সমাধানের কথা কেউ বলেনা। আশা করি একদিন আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ও উন্নতি হবে, অপচিকিৎসা ও দূর হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা (হিপোক্রসি) দেখতে পাই। একদিকে ১২ লাখের বেশি ‘ভুয়া’ পল্লি চিকিৎসক...
23/04/2026

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা (হিপোক্রসি) দেখতে পাই। একদিকে ১২ লাখের বেশি ‘ভুয়া’ পল্লি চিকিৎসক বা কোয়াক (Quack)—যাদের কোনো বৈধ সনদ নাই—তারা নিশ্চিন্তে রোগী দেখে । আর অন্যদিকে ৪ বছরের ক্লিনিকাল সাইন্সে পড়াশোনা আর ইন্টার্নশিপ শেষ করা DMF (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) চিকিৎসকদের অধিকার কেড়ে নিতে মরিয়া হয়ে গেছে কতগুলো এমবিবিএস গ্রাজুয়েট লোক।

প্রশ্ন হলো—এই নীরবতার রহস্য কী?

• ভুয়াদের বিরুদ্ধে কেউ কেন মুখ খোলে না?
পড়াশোনা-সনদহীন মানুষ যখন পল্লিতে অ্যান্টিবায়োটিক আর স্টেরয়েডের বন্যা বানায়, জনস্বাস্থ্য ডুবাইছে—তখন তথাকথিত ‘এলিট’ এমবিবিএস সমাজ নিশ্চুপ কেন? কি জানি, হয়ত গ্রামের এই কোয়াকদের কাছেই তো তাদের চেম্বারে রোগী পাঠানোর মূল চেইনটা বাঁধা। তাই মুখ নেই, নড়বাড়ি নেই।

• যারা ৪ বছরের DMF শেষ করছি, সরকারি-বেসরকারি স্বীকৃতি নিয়ে তৃণমূলে কাজ করছি—আমাদের পদোন্নতি বা অধিকারের কথা উঠলেই কেন ‘পেশাদারিত্ব’ নামের বেড়া টেনে দিতে চান? ১৯৭৩ সালের প্রজেক্ট প্রফর্মা, ১৯৮৫ সালের সরকারি মাইনুটস, ১৯৭৮ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনে আমাদের অধিকার স্পষ্ট লেখা থাকতে আজ কেন সেটা অস্বীকার করা হয়?

• আমরা আপনার সহযোগী না প্রতিদ্বন্দ্বী?
আপনারা কি চান না—দেশের মানুষ শিক্ষিত, মিড-লেভেল প্র্যাকটিশনারদের কাছ থেকে সেবা নিতে পারে? নাকি চান, মানুষ যেন হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে জিম্মি থাকেই, তাতে আপনার ব্যবসায়িক স্বার্থ নিরাপদ থাকে?

তিতা সত্য হচ্ছে—
আপনারা গ্রাম্য কোয়াকদের নিয়া কোনো কথা কন না, কারণ ওরা আপনার মার্কেটিং এজেন্ট। ওদের দিয়ে রোগী পাইছেন, কমিশন-টেষ্ট বানিজ্য সচল আছে। আর ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা শিক্ষিত, সচেতন, নিজের অধিকার চিনে—তাই আমাদের ভয় পান। আমাদের বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান মানে নিজের একচেটিয়া বাজারটা হারানোর আতঙ্ক, আর কিছু না।

আর শেষে একটা কথা না কইলে নাহ।
আমাগো নিয়া নোংরা গালিগালাজ, ট্রল করেন—এইটা কি কোনো শিক্ষিত মানুষের কাজ? লজ্জা থাকলে আগে ঐ ভুয়া পল্লি ডাক্তার আর ফার্মেসির দোকানদারদের হাত থেকে মানুষরে বাঁচান। তাগো নিয়া কিছু কইতে কলিজা লাগে না? আগে সেই কাজ করেন, তারপর আমাদের কথা কইবেন।

✊
21/04/2026

Address

Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share