29/03/2023
নিয়াসিনামাইড, বা নায়াসিনামাইড হলো একটা ওয়াটার সল্যুবল, অর্থাৎ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, এটা ভিটামিন বি৩ এর একটা অ্যাক্টিভ ফর্ম, যেটাকে আমরা নায়াসিনামাইড/নিকোটিনামাইড নামে চিনে থাকি।
উপকারিতা:
১. দাগ কমায়, হাইপারপিগমেন্টেশন কমায়, সানট্যান দূর করতে হেল্প করে, স্কিন গ্র্যাজুয়ালি ব্রাইটেনিং এ হেল্প করে।
২. অনেকেরই ভুল ধারণা আছে, যে নায়াসিনামাইড ইউজ করতে থাকলে স্কিনের পোর গায়েব হয়ে যাবে। পোর গায়েবানা জিনিস না, পোর মানে তো লোমকূপ, আপনার পোর বন্ধ হয়ে গেলে তো আপনি নাই হয়ে যাবেন, so that's unrealistic. কিন্তু ওভারএক্সফোলিয়েটিং এর কারণে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে, এবং আরও নানান কারণে আমাদের স্কিনে এনলার্জড পোর দেখা দেয়, সেই এনলার্জড পোরকে নায়াসিনামাইড গ্র্যাজুয়ালি মিনিমাইজ করে, মানে মুখটা ছোট করে।
৩. নায়াসিনামাইড সেবাম কন্ট্রোলে হেল্প করে, ফলে স্কিনের অতিরিক্ত অয়েলি ভাবটা কমে, এবং সেই সাথে ব্রণের সমস্যাও কমে আসে।
৪. নায়াসিনামাইড বেইজড প্রোডাক্ট দিনে-রাতে দুবেলাই ব্যবহার করা যায়, দিনে (বাসায় থাকলেও) এবং রান্নার সময় সানস্ক্রিন ইউজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার পরই যেকোন অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ইউজ করার ডিসিশন নিতে হবে।
৫. নায়াসিনামাইড স্কিন ব্যারিয়ারকে মজবুত করে, এবং প্রিম্যাচ্যুর স্কিন এজিং কে রোধ করে।
৬. নায়াসিনামাইড প্রেগন্যান্সিতে, এবং ব্রেস্টফীডিং পিরিয়ডে ইউজ করা সেইফ, যদিও আপনার ডাক্তারের সাথে কনসাল্ট করে নিতে হবে, কারণ every pregnancy & every person is different.