Raqi Hussain Ahmed

Raqi Hussain Ahmed জ্বীন,যাদু,বদনজর ও সাধারণ রোগের চিকিৎসায় রুকইয়াহ এবং বাত ব্যথা,কোমর ব্যথা,হাটু ব্যথায় হিজামা করা হয়।

01/04/2026

একজন রোগীকে যখন বলা হয় যে আপনার লক্ষণসমূহ যাদুগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই একটি প্রশ্ন তার মনে জাগে,

“আমাকে কে যাদু করেছে?”

এই প্রশ্নটি অস্বাভাবিক নয়। বরং বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ মানুষ যাদুর শিকার হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রথমে অস্বীকার করে, কারণ তারা মনে করে তাদের সাথে কারো এমন শত্রুতা থাকার কথা নয়। কিন্তু বিষয়টি বুঝতে হলে প্রথমেই আমাদের জানতে হবে যাদু আসলে কী।

যাদু হলো এমন কিছু নির্দিষ্ট নিয়মতান্ত্রিক কুফরি কার্যক্রম, যার মাধ্যমে শয়তান ও জিনের সাহায্য নিয়ে কোনো ব্যক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করা হয়। এর উদ্দেশ্য হতে পারে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করা, মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করা, শারীরিক অসুস্থতা তৈরি করা, অথবা জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা। এই প্রক্রিয়ায় শয়তান আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে বা তার উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

একজন মানুষ মূলত দুইভাবে যাদুগ্রস্ত হতে পারে

০১- মানুষের পক্ষ থেকে।
০২- শয়তানের পক্ষ থেকে।

মানুষের পক্ষ থেকে যাদু'

মানুষের দ্বারা সংঘটিত যাদু সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট কারণের উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে, যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথেই গভীরভাবে সম্পর্কিত।

প্রথমত, হিংসা এবং লোভ এটি যাদুর অন্যতম প্রধান কারণ। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, এই হিংসা অনেক সময় দূরের মানুষের মধ্যে নয়, বরং নিজের কাছের মানুষদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বা প্রতিবেশীদের কেউ কেউ অন্যের উন্নতি, সুখ বা সফলতা সহ্য করতে পারে না। ফলে তারা হিংসার বশবর্তী হয়ে কবিরাজ বা তান্ত্রিকদের শরণাপন্ন হয় এবং যাদুর আশ্রয় নেয়।

দ্বিতীয়ত, শত্রুতা মানুষ সাধারণত মনে করে তার শত্রু দূরে কোথাও অবস্থান করছে, কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শত্রু খুব কাছেই থাকে, আশপাশের মানুষ, পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিবেশী। কোনো কারণে মনোমালিন্য, দ্বন্দ্ব বা প্রতিযোগিতা থেকে শত্রুতা তৈরি হয়, এবং সেই শত্রুতা থেকেই যাদুর মতো জঘন্য পথে কেউ কেউ অগ্রসর হয়।

তৃতীয়ত, প্রতিশোধ প্রতিশোধের মনোভাব মানুষকে অন্ধ করে দেয়। অনেক সময় কেউ সরাসরি প্রতিশোধ নিতে পারে না, হয় শক্তির অভাবে বা পরিস্থিতির কারণে। তখন সে গোপনে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তান্ত্রিক বা যাদুকরের কাছে যায়। এই ধরনের যাদু সাধারণত বেশি ক্ষতিকর হয়, কারণ এতে গভীর ক্ষোভ ও বিদ্বেষ কাজ করে।

চতুর্থত, বংশপরম্পরা এটিকে ‘সিহরুল মাউরুস’ বলা হয়। যদি কোনো পরিবারের পূর্বপুরুষদের মধ্যে কেউ যাদুর সাথে জড়িত থাকে বা যাদুর শিকার হয়ে থাকে, এবং সেই যাদু যথাযথভাবে ধ্বংস না করা হয়, তাহলে তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন কিছু রোগ জেনেটিকভাবে বংশানুক্রমে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি যাদুর ক্ষেত্রেও অনুরূপ প্রভাব দেখা যেতে পারে।

পঞ্চমত, উদ্দেশ্য ভালো কিন্তু পদ্ধতি ভুল এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি দিক। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা ভালো উদ্দেশ্যে, যেমন সন্তানকে বাধ্য করা, পড়াশোনায় মনোযোগী করা, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ভালো রাখা, এইসব কারণে যাদুর আশ্রয় নেয়। কিন্তু তারা বুঝতে পারে না যে এই পথ সম্পূর্ণ হারাম এবং এর ফল ভয়াবহ। এই ধরনের যাদু সাময়িকভাবে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনলেও, দীর্ঘমেয়াদে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্য হারায়, শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে, এমনকি সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে যায়।

০২- শয়তানের পক্ষ থেকে যাদু
শয়তানের পক্ষ থেকেও মানুষ যাদুর মতো ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, যা মূলত দুইভাবে ঘটে।
প্রথমত, তান্ত্রিকের মাধ্যমে জ্বিন প্রেরণ যখন কোনো যাদুকর তার যাদুকে কার্যকর রাখতে জ্বিন নিয়োগ করে, তখন সেই জ্বিন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে বা তার উপর স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে। এই অবস্থায় ব্যক্তি পজেসড হয়ে যায় এবং সেই জ্বিন নিজেই তার উপর যাদুর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। ফলে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল হয়ে ওঠে।
দ্বিতীয়ত, বদনজর এবং হিংসার মাধ্যমে প্রবেশ কোনো ব্যক্তি যদি অত্যধিক পরিমাণে বদনজর বা হিংসার শিকার হয়, তাহলে শয়তান সেই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে তার জীবনে প্রবেশের সুযোগ পায়।
আল্লাহ তাআলা বলেন -
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
অর্থ: হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যখন সে হিংসা করে।
সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫।

এই অবস্থায় শয়তান বদনজর বা হিংসার প্রভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির উপর আধিপত্য বিস্তার করে এবং তার জীবনে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। সে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দুর্বল করে রাখে এবং নিজের প্রভাব বজায় রাখতে বারবার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। বিশেষ করে যারা দ্বীনি ইলম অর্জনের পথে থাকে, তাদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার ঘটনা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো,

যাদু, জিন বা শয়তান কখনোই আল্লাহর ইচ্ছা ও অনুমতি ছাড়া কোনো মানুষের ক্ষতি করতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ

অর্থ: তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২।

অতএব,একজন মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আল্লাহর উপর পূর্ণ বিশ্বাস ও তাওয়াক্কুল। নিয়মিত ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করাই সেই শক্তির মূল ভিত্তি।

এই বিশ্বাস ও আনুগত্যই মানুষকে যাদু, জিন, শয়তান এবং সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে। আল্লাহর সাহায্য ও হেফাজতের মধ্যে একজন মুমিন নিরাপদ ও স্থির থাকে, এবং জীবনের সকল পরীক্ষায় স্থিতপ্রজ্ঞ হয়।

আল্লাহ আমাদের সকলকে যে কোনো ধরনের ক্ষতি, বিপদ ও অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন এবং আমাদের মন ও শরীরকে শক্তিশালী করুন এবং যাদু, জিন, শয়তানের এবং সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমিন

লেখাটি ভালো লাগলে দাওয়াহর নিয়তে শেয়ার করতে পারেন। জাযাকুমুল্লাহ্

🎤 Raqi Amir Hamza

Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life

☎️01706-685576
☎️01798-645570

26/01/2026

জ্বীন,যাদু,বদনজরের রুকইয়াহ।
Hussain Ahmed

05/12/2025

রুকইয়াহ
ঢাকা উত্তরা
#রুকইয়াহ ゚viralfbreelsfypシ゚viral

14/11/2025

রুকইয়াহ ও হিজামার উপকারিতা
🌿 সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা – দেহ ও মনের প্রশান্তি
🔶 রুকইয়াহ (Ruqyah) কী?
রুকইয়াহ হলো কুরআনের আয়াত, দুআ ও যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা প্রার্থনার পদ্ধতি।
এটি সুন্নাহ অনুযায়ী সম্পূর্ণ হালাল, নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত।

✨ রুকইয়াহর উপকারিতা
🕊️ মানসিক প্রশান্তি ও হৃদয়ের শক্তি বৃদ্ধি
😔 দুশ্চিন্তা, ভয়, বিষণ্নতা ও মানসিক ক্লান্তি দূরীকরণ
👁️ নজর লাগা, জিনের সমস্যা ও জাদুর প্রভাব থেকে আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্তি
💞 পরিবারিক কলহ, অশান্তি ও আত্মিক দুর্বলতা দূর
🤲 ইমান বৃদ্ধি ও আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরতার সংস্কার
🔄 দেহ-মনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে
হিজামা (Cupping Therapy) কী?
হিজামা হলো কাপিং পদ্ধতিতে দেহের ক্ষতিকর দুষিত রক্ত বের করার সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা।

✨ হিজামার উপকারিতা
🩸 দেহের টক্সিন ও নষ্ট রক্ত পরিষ্কার করে
💆 মাথাব্যথা, মাইগ্রেন ও মানসিক চাপ কমায়
🦵 জয়েন্ট পেইন, কোমর ব্যথা, ঘাড় ব্যথা উপশম
❤️ রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে
🔥 গ্যাস, এসিডিটি, হজম সমস্যা ও স্নায়ুর ব্যথা কমায়
⚡ শরীরকে চাঙ্গা ও কর্মক্ষম করে
🛡 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

🌙 কেন রুকইয়াহ ও হিজামা গ্রহণ করবেন?
এ দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি প্রিয় নবী ﷺ এর সুন্নাহ।
দেহ–মন–আত্মা—সবকিছুতেই আনে প্রশান্তি, শক্তি ও আরোগ্য।

চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন👇
Raqi Hussain Ahmed
01866388409
01753-517790

রুক্বইয়াহ হচ্ছে শরিয়া সম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি যা রাসুলুল্লাহ সাঃ এর বিভিন্ন হাদিস থেকে প্রমাণিত। রুকইয়াহ এর মাধ্যমে যে সকল ...
15/05/2025

রুক্বইয়াহ হচ্ছে শরিয়া সম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি
যা রাসুলুল্লাহ সাঃ এর বিভিন্ন হাদিস থেকে প্রমাণিত।

রুকইয়াহ এর মাধ্যমে যে সকল চিকিৎসা সমস্যার সমাধান হয়👇

✅ বদনজর,
✅ হিংসা,
✅ অবনতি,
✅ জিনের আসর,
✅ জাদু-টোনা,
✅ বানমারা,
✅ কালো-যাদু,
✅ বিয়ের আলাপ বাধাগ্রস্থ হওয়া,
✅ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অমিল,
✅ পারিবারিক কলহ/অশান্তি,
✅ ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি না হওয়া,
✅ ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা,
✅ রোগবালাই লেগেই থাকা,
✅ পড়া-লেখায় অবনতি,
✅ ইবাদতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা,
✅ ডিপ্রেশন,
✅ প্যারানরমাল সমস্যা, ইত্যাদি।

রুক্বইয়াহ কিভাবে করা হয়❓

কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের যিকর, হাদিসে রাসূল ﷺ সাহাবাদের আমল এবং সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে সম্পূর্ণ শারইয়্যাহ মেনে রুক্বইয়াহ করা হয়।

📞 যোগাযোগঃ 01753517790 (রাকী)
📌 ঠিকানাঃ Ruqyah & Hijama Service Bd
জহিরগন্জ বাজার, ঝগড়ি,সুজানগর,বড়লেখা,মৌলভীবাজার।

সুন্নাহ সম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করুন কুফর শিরক মুক্ত জীবন যাপন করুন।

16/04/2025

বিবাহ বন্ধের যাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ।
আলহামদুলিল্লাহ
বমির মাধ্যমে যাদু গ্রস্ত রোগীর পেট থেকে যাদুর বস্তু বের হয়ে গেছে।

পরিক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ
08/03/2025

পরিক্ষিত
আলহামদুলিল্লাহ

বিয়ে সংক্রান্ত রুকইয়াহ্ শারইয়াহ্ সূরা আরাফ এর ১১৭-১২২, সুরা ইউনুস এর ৮১-৮২, সুরা ত্বহা এর ৬৯ নং আয়াত এবং,  সূরা ফাতিহা, ...
24/02/2025

বিয়ে সংক্রান্ত রুকইয়াহ্ শারইয়াহ্

সূরা আরাফ এর ১১৭-১২২, সুরা ইউনুস এর ৮১-৮২, সুরা ত্বহা এর ৬৯ নং আয়াত এবং, সূরা ফাতিহা, ফালাক, নাস তিনবার করে পড়ে পানিতে ফু দিন।

১। এই পানি প্রতিদিন দুইবেলা খেতে হবে
২। প্রতিদিন গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করতে হবে।
এই আমলগুলো ২১/৪১ দিন করবেন। আর রুকইয়ার পানি যদি শেষ হয়ে যায় তবে এক বোতল পানিতে উল্লিখিত আয়াত গুলো পড়ে ফু দিলেই হবে।

৩। প্রতিদিন অন্তত দুই ঘন্টা রুকইয়াহ শুনতে হবে। আয়াতুল কুরসি ১ ঘন্টা এবং সূরা ইখলাস ফালাক নাস এর ১ ঘন্টা। এভাবে ১ মাস করবেন।

৪। ৫ ওয়াক্ত সালাত যত্ন সহকারে আদায় করতে হবে এবং কোন ফরজ ইবাদতে ত্রুটি করা যাবে না।

৫। মুভি মিউজিক এধরণের হারাম বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। মেয়েরা অবশ্যই শরিয়তের বিধান অনুযায়ী পর্দা করতে হবে।

৬। শয়তান থেকে বাচতে সকাল সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো গুরুত্ব সহকারে আদায় করতে হবে।

৭| হারাম রিজিক অর্জন করা থেকে বিরত থাকা।

৮৷ ঘুমের সময় সূরা ইখলাস ফালাক নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফু দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলিয়ে নিতে হবে । এভাবে তিনবার করবেন। ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে হবে।

৯. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক ইস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
১০. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
১১. সুরা কাসাসের ২৪ আয়াতে বর্ণিত দোয়াটাও বেশি বেশি পড়তে পারি,
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
এই দোয়ায় বিয়ে, বিবিবাচ্চা, চাকুরি, ঘরবাড়ি সবকিছুর ব্যবস্থা হয়ে যাবে। ইন শা আল্লাহ।

১২. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও দোয়াবিহীন না যায়।

১৩. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।

১৪. নিয়মিত সদকা করা।

১৫. অন্য মুসলিম ভাইবোনের জন্য বিয়ের দোয়া করা।

১৬. মা-বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখাও জরুরি।

১৭. আল্লাহর উপর পুরো ভরসা রাখা।

১৮. বিয়ে বন্ধের ব্যাপার যদি যাদু কিংবা জ্বীনের ক্ষতিস্বাধন করা হইছে, এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানা গেলে তাহার জন্য রুকইয়াহ ( সেল্ফ রুকইয়াহ্ কিংবা সরাসরি ভালো বিজ্ঞ রাকির দ্বারা) করা।

১৯/ বিয়ের জন্য ঘরে তাবিজ কবজ ঝুলানো থাকলে সেগুলো অবশ্যই রুকইয়াহ্ এর পদ্ধতিতে নষ্ট করা।

২০/দ্রুত বিয়ের জন্য তান্ত্রিক কুফুরী কবিরাজ ও জ্বীনদের সাহায্য গ্রহন করা থেকে সম্পূর্ণ রূপে মুক্ত থাকতে হবে। কেননা এগুলো শির্ক ও কুফুরী।

বিয়ে বন্ধের সেল্ফ রুকইয়াহ করার পাশাপাশি দেখতে আসলে এই কাজগুলো করবেন
*পুরো বাসায় (ভিতর বাহির ) পড়া পানি ছিটাবেন।
*দেখতে আসার আগে বরই পাতার গোসল করবেন।
*আগের দিন রাতে পুরো শরীরে অলিভ অয়েল মেখে সুরা বাকারা শুনবেন।
*সকালে পেট ভরে পড়া পানি খাবেন।
*বেশি বেশি আয়াতে কারিমা পাঠ করতে থাকবেন।
(লা ইলাহ ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জলিমীন)
সাথে প্রচুর পরিমানে ইয়া ফাতাহু ও ইয়া আজিজু পড়বেন।

রুকইয়াহ পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন
Message WhatsApp
Raqi Hussain Ahmed
01866388409

Address

Kotalpur, Sujanagar, Borolekha
Moulvibazar
3252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Hussain Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Raqi Hussain Ahmed:

Share