জার্মান হোমিও হল - অনলাইন কেনাকাটা

জার্মান হোমিও হল - অনলাইন কেনাকাটা জার্মান হোমিও হল মুক্তাগাছার ও দেশের ?

জার্মান হোমিও হল এখানে সকল প্রকার জটিল ও কঠিন রোগীর সু-চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়। সকল প্রকার অসুস্থ্যতা সহ পুরুষ মহিলা সকলের জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসা ব্যাবস্থার জন্য
আস্থা রাখতে পারেন জার্মান হোমিও হল ফার্মেসী’তে ।
হোমিও চিকিৎসা বদলে দেবে আপনার পারিবারিক জীবন
বদলে দেবে আপনার কর্মজীবন ।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন আপনার করনীয়আপনার করনীয়:১. খালি পেটে ঔষধ সেবন করবেন। ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেব...
31/07/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন আপনার করনীয়
আপনার করনীয়:

১. খালি পেটে ঔষধ সেবন করবেন। ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না।
২. আপনার সহ্য হয় এমন পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খাবেন।
৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় সময় আহার করবেন ও নিদ্রায় যাবেন।
৪. দৈনিক কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমাবেন।
৫. দৈনিক প্রচুর পানি পান করবেন (৪ থেকে ৫ লিটার)।
৬. নির্দোষ বিনোদন ও খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন।
৭. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কমপক্ষে ১ ঘন্টা খোলা বাতাসে হাঁটবেন। সাধ্যমত শারীরিক পরিশ্রম করবেন।
৮. সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন ও মনকে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবেন।
৯. মন থেকে সকল প্রকার কুচিন্তা বাদ দিয়ে ধর্মীয় জীবন-যাপনের চেষ্টা করবেন।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন যা করা নিষেধ:
১.মানসিক পরিশ্রম করবেন না
২. টক ও টকজাতীয় দ্রব্য, নোনা মাছ, মদ, চা, কফি, তামাকসহ সকল উত্তেজক দ্রব্য এবং যে সব খাদ্য খেলে আপনার রোগ বাড়ে তা খাবেন না
৩. অতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করবেন না। অযথা উত্তেজিত হবেন না।

অর্শ বা পাইলস রোগ থেকে মুক্তির প্রধান উপায় হলো উচ্চ ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, প্রচুর পানি পান করা এবং মলত্যাগের সম...
30/07/2026

অর্শ বা পাইলস রোগ থেকে মুক্তির প্রধান উপায় হলো উচ্চ ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, প্রচুর পানি পান করা এবং মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া। প্রাথমিক অবস্থায় জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন ও ঘরোয়া যত্নে এটি নিরাময় করা সম্ভব।খাবার ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনআঁশযুক্ত খাবার: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, ডাল ও লাল চালের ভাত রাখুন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য য় ও মল নরম হয়।পর্যাপ্ত পানি: প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি বা তরল পান করুন।টয়লেটের অভ্যাস: মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ বা জোর প্রয়োগ করবেন না। টয়লেটে বা কমোডে দীর্ঘ সময় বসে থাকা থেকে বিরত থাকুন।নিয়মিত হাঁটা: অলস জীবনযাপন বাদ দিয়ে প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুন।ঘরোয়া চিকিৎসা ও উপশমসিটজ বাথ (Sitz Bath): একটি বড় গামলায় কুসুম গরম পানি নিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার ১৫-২০ মিনিট করে মলদ্বার ডুবিয়ে বসে থাকুন। এটি ব্যথা ও ফোলাভাব কমায়।ঠান্ডা সেঁক: ফোলা বা ব্যথানাশক স্থানে পরিষ্কার কাপড়ে বরফ জড়িয়ে ঠান্ডা সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়।ওষুধ ও মলম: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর জন্য নির্দিষ্ট মলম বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।চিকিৎসকের পরামর্শ ও আধুনিক চিকিৎসাযদি ঘরোয়া উপায়ে ৭ দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

আলহাজ্ব ডা:মো:শহীদুল্লাহ
ডি.এইচ.এম. (ঢাকা),,
সি.এমএস( কলিকাতা,ভারত)।
জার্মান হোমিও হল,আটানি বাজার রোড, মুক্তাগাছা,ময়মনসিংহ।

সিরিয়াল দিতে যোগাযোগ করেন এই নাম্বারে:
01923102332

আজ ২ জুলাই, ২০২৬; আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ ও হোমিওপ্যাথির জনক মহাত্মা ড. ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল ...
02/07/2026

আজ ২ জুলাই, ২০২৬; আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ ও হোমিওপ্যাথির জনক মহাত্মা ড. ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ১৮৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৮৪৩ সালের এই দিনে ফ্রান্সের প্যারিসে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মানবজাতির রোগমুক্তিতে তাঁর কালজয়ী অবদান ও চিকিৎসা দর্শন আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই মহান মনীষীর প্রয়াণ দিবসে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ফেডারেশন তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে এবং আন্তরিকভাবে শোকাহত।

💖💖 হার্ট ব্লকেজ: কী? কারণ? ও সমাধান। হার্টের ওজন: প্রায় ৩০০ গ্রামহার্টের কাজ:পুরো শরীরে রক্ত পাম্প করা। হার্ট প্রতি মিনি...
30/05/2026

💖💖 হার্ট ব্লকেজ: কী? কারণ? ও সমাধান।
হার্টের ওজন: প্রায় ৩০০ গ্রাম
হার্টের কাজ:
পুরো শরীরে রক্ত পাম্প করা। হার্ট প্রতি মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।
প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ বার হার্ট পাম্প করে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছে দেয়।
হার্টের অসুখ কী?

হার্টের অসুখ বলতে বোঝানো হয় করোনারি আর্টারিতে (হার্টের ধমনী) চর্বি, কোলেস্টেরল ও ফ্যাট জমে যাওয়া।
এই জমাট বাধার ফলে ধীরে ধীরে হার্টের রক্ত সরবরাহ কমে যায়, যা হার্টের সমস্যা সৃষ্টি করে।
বর্তমানে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় হৃদরোগের অন্যতম কারণ।

হার্ট ব্লকেজ কিভাবে হয়?

হার্টের আর্টারিগুলো সাধারণত ৩-৪ মিমি ব্যাসার্ধের হয়।

ব্লকেজ বছরে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, সাধারণত ১৮-২০ বছর বয়সের পর শুরু হয়।

ব্লকেজ ৭০-৯০% পর্যন্ত হতে ৩০-৪০ বছর সময় লাগে।

৫০% ব্লকেজ হলেও অনেক সময় কোনো সমস্যা অনুভব হয় না কারণ রক্ত সাপ্লাইয়ের জন্য বাকি ৫০% যথেষ্ট থাকে।

হার্টের রক্ত সরবরাহের চাহিদা:

বসে থাকলে হার্টের রক্তের প্রয়োজন হয় মোটের ১০%।

হাঁটার সময় প্রায় ২০% প্রয়োজন।

দৌড়ানোর সময় প্রায় ৩০% প্রয়োজন।

যখন ব্লকেজ ৭০% ছাড়িয়ে যায়, তখন থেকে মানুষ হার্টের সমস্যার লক্ষণ দেখতে পায়।

ব্লকেজের লক্ষণ:

দৌড়ানোর সময় বুকে ব্যাথা হলে ব্লকেজ প্রায় ৭০% হয়ে গেছে।

হাঁটার সময় ব্যাথা হলে ব্লকেজ ৮০%।

সামান্য হাঁটলেই ব্যাথা হলে ব্লকেজ ৯০% বা তার বেশি।

হাঁটতে গেলে বুকে ব্যাথা অনুভব করা হয়, যাকে বলে "এনজাইনা"।

হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) কী?

ব্লকেজ বাড়তে বাড়তে আর্টারির দেয়ালে একটি পাতলা পর্দা (প্লাক ক্যাপ) তৈরি হয়।

এই পর্দা চাপের কারণে একসময় ছিঁড়ে যেতে পারে।

ছিঁড়ে যাওয়া পর্দার নিচের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্যকারী কেমিক্যাল রক্তে মিশে রক্ত জমাট বাঁধে (ক্লট তৈরি হয়)।

ক্লট পুরোপুরি রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এতে হার্টে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাক নামে পরিচিত।

হার্ট ব্লকেজ নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি:

এনজিওগ্রাফি (Angiography) দ্বারা ব্লকেজের শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

তবে শতাংশ ফলাফল প্রায়শই গোলাকৃতি (৭০%, ৮০%, ৯০%) দেয়া হয়, যা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

কিছু উন্নত পদ্ধতি যেমন Fractional Flow Reserve (FFR) কিংবা Intravascular Ultrasound (IVUS) দিয়ে ব্লকেজের প্রকৃত প্রভাব নির্ণয় করা যায়।

হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়:

1. ব্লকেজ বাড়ার গতি ধীর করার চেষ্টা করুন।

সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় আমরা নতুন একটি বছরে প্রবেশ করছি, আলহামদুলিল্লাহ । আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে বছরের আগমন ঘটান শান্...
31/12/2025

সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় আমরা নতুন একটি বছরে প্রবেশ করছি, আলহামদুলিল্লাহ ।

আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে বছরের আগমন ঘটান শান্তি, নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের ওপর অবিচলতার সাথে, শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। (মুজামুস সাহাবাহ: ১৫৩৯)

সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা এবং দোয়া রইলো সবার জন্যই। হ্যাপি নিউ ইয়ার 🤍

আল্লাহতায়ালা নতুন বছর আমাদের দেশ, জাতি এবং গোটা বিশ্বের সবার জন্য অফুরন্ত কল্যাণ বয়ে আনুক । আমিন ।

07/11/2025

১০০% খাটি মধু 👌
কেউ ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে ভেজার প্রমাণ করতে পারলে টাকা ফেরত পাবেন🥰
সারাদেশে কুরিয়ারে মাধ্যামে পাঠানো হয়।
যোগাযোগ : জার্মান হোমিও হল।
আটানি বাজার রোড, সারপট্টি, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।
মোবাইল:01923102332
01611444643

চোখের যত্নে  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: চোখ আমাদের দেহের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সামান্য অসতর্কতায়ও চোখের বড় ক্ষতি হতে পারে। তা...
17/09/2025

চোখের যত্নে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা:

চোখ আমাদের দেহের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সামান্য অসতর্কতায়ও চোখের বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই এখন থেকেই চোখের যত্ন নিন।

#চোখের যত্নের সহজ টিপস:
১। পরিষ্কার পানি দিয়ে নিয়মিত চোখ ধোয়া
২. মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহারকালে মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া
৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্য গ্রহণ
৪ ধুলো, ধোঁয়া ও রোদ থেকে রক্ষায় সানগ্লাস ব্যবহার

চোখের সমস্যায় কার্যকর হোমিওপ্যাথি ওষুধ:
১. Euphrasia ➝ চোখ লাল, পানি পড়া, চুলকানি
২. Belladonna ➝ আলো সহ্য না হওয়া, হঠাৎ চোখ ব্যথা
৩ Ruta ➝ দীর্ঘসময় পড়াশোনা/কম্পিউটারে চোখ ক্লান্তি
৪. Natrum Mur ➝ অ্যালার্জিজনিত চোখ চুলকানি ও শুষ্কতা
৫ Sulphur / Calcarea Carb ➝ দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ
এছাড়া লক্ষণ অনুসাটে আরো অনেক ঔষধ ব্যবহৃত হয়।

মনে রাখবেন, ভিটামিনসমৃদ্ধ সবজি, ফলমূল,ছোট মাছ ও যথেষ্ট বিশ্রামই হলো চোখ সুস্থ রাখার আসল রহস্য।

জার্মান হোমিও হল এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আজহা অনেক অনেক শুভেচ্ছা ❤️
06/06/2025

জার্মান হোমিও হল এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আজহা অনেক অনেক শুভেচ্ছা ❤️

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা গর্ভকালীন জটিলতার অন্যতম কারণ। এটি বিশ্বব্যাপী স...
03/06/2025

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা গর্ভকালীন জটিলতার অন্যতম কারণ। এটি বিশ্বব্যাপী সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে গর্ভকালীন রক্তশূন্যতার জন্য ২০ শতাংশ নারীর মৃত্যু হয়।

গর্ভকালীন রক্তশূন্যতা কী

একজন গর্ভবতী নারীর রক্তে যদি হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ১১-এর কম থাকে, সে ক্ষেত্রে এ অবস্থাকে গর্ভকালীন রক্তশূন্যতা বলা হয়।

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কারণ

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

১. গর্ভাধারণের কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। কারণ এ সময় শরীরের জলীয় উপাদান বেড়ে যায়। তখন রক্তের লোহিত কণিকা কম তৈরি হয়। সে কারণে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।

২. আয়রনযুক্ত খাবার কম খেলে রক্তশূন্যতা হয়।

৩. গর্ভাবস্থায় বমি হওয়াকেও রক্তশূন্যতার জন্য দায়ী করা হয়।

৪. গর্ভাবস্থার আগে থেকেই রক্তস্বল্পতা থাকতে পারে। গর্ভাবস্থার পর সেটি বেড়ে যেতে পারে।

৫. ভুল খাদ্যাভ্যাস, অর্থাৎ সুষম ও সঠিক খাবার না খেলে রক্তশূন্যতা হতে পারে। এর প্রভাব তো রয়েছেই। এখনকার অনেক গর্ভবতী মা জাংক ফুড বা পচনশীল খাবার খেয়ে থাকেন। এটি রক্তশূন্যতার ঝুঁকি তৈরি করে। আমরা স্বাভাবিকভাবেই জানি লালশাক, কচুশাক, ছোট মাছ, ডিম, শিং মাছ, কাঁচা কলা, আনারের মতো খাদ্যে আয়রন রয়েছে। গর্ভাবস্থায় অনেকেই এসব খেতে চান না বা খেতে পারেন না।

৬. ফোলেটের অভাবেও রক্তশূন্যতা হয়। ফোলেট হলো এক ধরনের ভিটামিন বি, যা শরীরে নতুন কোষ তৈরি করতে দরকার হয়। এটি রক্তের লোহিত কণিকা গঠনে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় রোজই ফোলেটের চাহিদা বাড়ে। ফোলেটের অভাবে স্বাস্থ্যকর লোহিত ​​কণিকার পরিমাণ কমে যেতে পারে। ফোলেটের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় শিশুর নিউরাল টিউবের অস্বাভাবিকতা (স্পিনা বিফিডা) দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে জন্মের সময় কম ওজনের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দিতে পারে।

৭. আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া লোহিত কণিকা সময়ের আগেই ভেঙে গেলে রক্তশূন্যতা হয়।

৮. দীর্ঘস্থায়ী নানা রোগ, যেমন: কিডনি ড্যামেজ বা অকেজো, লিভার অকার্যকর, থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, যক্ষ্মাসহ নানাবিধ রোগে রক্তশূন্যতা হতে পারে।

লক্ষণ

গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতার কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে। এগুলো হলো ক্লান্তি অনুভব ও দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শ্বাস–প্রশ্বাসের সমস্যা হওয়া, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বুকে ব্যথা, হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, ঠোঁটের কোণে ক্ষত, জিহ্বায় ঘা।

এই লক্ষণগুলো প্রাথমিকভাবে হালকা হতে পারে, তবে এগুলো উপেক্ষা করলে পরবর্তী সময়ে ঝুঁকির কারণ হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষণগুলো আরও খারাপ দিকে যেতে পারে। তাই উল্লিখিত ‍লক্ষণ বা উপসর্গগুলোর কোনোটি থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

জটিলতা

অতিরিক্ত রক্তস্বল্পতা তথা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৭ এর কম হলে মা ও গর্ভের শিশুর বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে প্রি-একলাম্পসিয়া, কার্ডিয়াক ফেইলিউর, রোগ সংক্রমণ ও প্রসব-পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।

প্রতিকার১. গর্ভধারণের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

২. রক্তে হিমোগ্লোবিন শতকরা ১০ গ্রামের কম থাকলে চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে হবে।

৩. কলিজা, মাংস, ডিম, সবুজ শাকসবজি, মটরশুঁটি, শিম, কলা, পেয়ারা, আনারের মতো আমিষ, ভিটামিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে।

৪. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন ট্যাবলেট খেতে হবে।

৫. কোনো সংক্রমণ থাকলে দ্রুত চিকিত্‍সা করাতে হবে। গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত চেকআপ ও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার করে হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করাতে হবে।

৬. রক্তাল্পতা থাকলে চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিত্‍সা করাতে হবে। সুস্থ শিশুর জন্মের প্রধান শর্ত মায়ের পূর্ণ সুস্থতা। তাই উভয়ের সার্বিক সুস্থতার জন্য গর্ভবতী মায়ের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

আলহাজ্ব ডা:মো:শহীদুল্লাহ
ডি.এইচ.এম. (ঢাকা),,
সি.এমএস( কলিকাতা,ভারত)।
জার্মান হোমিও হল,আটানি বাজার রোড, মুক্তাগাছা,ময়মনসিংহ।

সিরিয়াল দিতে যোগাযোগ করেন এই নাম্বারে: 01923102332

শুভ নববর্ষ ১৪৩২!🌸নতুন এই দিন, নতুন এই আলো, নতুন এই বছর, নতুন স্বপ্ন  নতুন সবকিছু ভালো।নতুন বছর বয়ে আনুক  সবার জীবনে অনন্...
14/04/2025

শুভ নববর্ষ ১৪৩২!🌸
নতুন এই দিন, নতুন এই আলো, নতুন এই বছর, নতুন স্বপ্ন নতুন সবকিছু ভালো।
নতুন বছর বয়ে আনুক সবার জীবনে অনন্ত সম্ভাবনা ও নতুন প্রেরণা।
জার্মান হোমিও হল এর পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা❤️❤️

Address

Atani Bazar Rood
Muktagachha
2210

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801923102332

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জার্মান হোমিও হল - অনলাইন কেনাকাটা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share