MS Ruqyah Centre

MS Ruqyah Centre হিজামাহ্ রুকইয়া এন্ড পলিপাস চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করতে কল করুন
☎ 01913-637405

ইবাদাতে বাঁধা? বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে।
31/08/2026

ইবাদাতে বাঁধা?
বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে।

অবাধ্য স্বামীকে বাধ্য করার তান্ত্রীকের দেওয়া চিকিৎসা !আস্তাগফিরুল্লাহ! 😔এগুলো কোনো চিকিৎসা নয়—বরং শিরক, কুফর ও জাদুর ভয়ং...
29/08/2026

অবাধ্য স্বামীকে বাধ্য করার তান্ত্রীকের দেওয়া চিকিৎসা !

আস্তাগফিরুল্লাহ! 😔
এগুলো কোনো চিকিৎসা নয়—বরং শিরক, কুফর ও জাদুর ভয়ংকর ফাঁদ।

আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করুন।

Raqi M***i Nasir Uddin

বরই পাতার গোসল: যাদু নষ্টের শক্তিশালী রুকইয়াহ চিকিৎসা 🌿বরই পাতা বা সিদর (السدر) ব্যবহার করে গোসল করা—যাদুর চিকিৎসায় কি...
25/08/2026

বরই পাতার গোসল: যাদু নষ্টের শক্তিশালী রুকইয়াহ চিকিৎসা 🌿

বরই পাতা বা সিদর (السدر) ব্যবহার করে গোসল করা—যাদুর চিকিৎসায় কিছু সালাফ ও আলেমের আলোচনায় উল্লেখিত একটি পদ্ধতি। তবে এটিকে সহিহ হাদিসে সরাসরি বর্ণিত নববী চিকিৎসা হিসেবে দাবি করা ঠিক নয়।

🌿 যেভাবে করতে পারেন:

১. ৭টি কাঁচা বরই পাতা নিন।
২. পাতাগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পিষে পানিতে মিশিয়ে নিন।
৩. এরপর কুরআনের রুকইয়াহর আয়াত পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। যেমন—

📖 সূরা আল-ফাতিহা
📖 আয়াতুল কুরসি
📖 সূরা আল-আ‘রাফ — ১১৭–১২২
📖 সূরা ইউনুস — ৮১–৮২
📖 সূরা ত্ব-হা — ৬৫–৬৯
📖 সূরা ইখলাস
📖 সূরা ফালাক
📖 সূরা নাস

এরপর সেই পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন।

🤲 দোয়া করতে পারেন:

اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ، وَاشْفِنِي شِفَاءً تَامًّا بِإِذْنِكَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন, ওয়াশফিনী শিফাআন তাম্মান বি-ইযনিক।

অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনার অনুমতিতে সকল যাদু বাতিল করুন এবং আমাকে পূর্ণ শিফা দান করুন।

⚠️ মনে রাখবেন:
বরই পাতার পানি নিজে কোনো শিফাদানকারী শক্তি রাখে না। শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর যাদুর মতো মনে হওয়া অনেক উপসর্গের পেছনে শারীরিক বা মানসিক কারণও থাকতে পারে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও জরুরি।

🌿 রুকইয়াহ করুন, চিকিৎসা গ্রহণ করুন এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রাখুন।

আল্লাহই একমাত্র শিফাদানকারী। আমীন।

⭕আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
Ruqyah centre
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।

গর্ভধারণে সমস্যা মানেই কি শুধু জরায়ুর সমস্যা?সবসময় নয়। বিষয়টি আরও বিস্তৃতভাবে দেখা প্রয়োজন।বর্তমানে অনেক নারী PCOS, PCOD...
24/08/2026

গর্ভধারণে সমস্যা মানেই কি শুধু জরায়ুর সমস্যা?
সবসময় নয়। বিষয়টি আরও বিস্তৃতভাবে দেখা প্রয়োজন।

বর্তমানে অনেক নারী PCOS, PCOD, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও ডিম্বস্ফোটনের সমস্যায় ভুগছেন। এসব কারণে নিয়মিত ডিম্বাণু নিঃসরণ ব্যাহত হতে পারে এবং গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

অনেকেই দীর্ঘদিন চিকিৎসা গ্রহণ করেন, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান, হরমোন ও ডিম্বস্ফোটন নিয়ন্ত্রণের ওষুধ ব্যবহার করেন—তবুও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—

সমস্যার পেছনে কি আরও কোনো কারণ থাকতে পারে?

চিকিৎসাবিজ্ঞানে PCOS-এর সঙ্গে জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোন ও অন্যান্য শারীরিক কারণের সম্পর্ক রয়েছে। তবে একজন মুসলিম হিসেবে আমরা এটাও বিশ্বাস করি যে, মানুষের জীবনে কিছু অদৃশ্য পরীক্ষাও থাকতে পারে। কুরআন-সুন্নাহতে জাদু ও শয়তানের অনিষ্টের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

বিশেষ করে কারও ক্ষেত্রে যদি দীর্ঘদিনের চিকিৎসার পরও সমস্যার সুস্পষ্ট সমাধান না হয়, তখন শরিয়তসম্মত রুকইয়াহ গ্রহণ করা যেতে পারে—তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে নয়।

কেউ জিনের প্রভাব বা জাদুর আশঙ্কা করলে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ করা যেতে পারে। কিন্তু শুধু PCOS, অনিয়মিত মাসিক বা বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ দেখেই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না যে এর পেছনে জিন বা জাদু রয়েছে।

তাই প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং পাশাপাশি শরিয়তসম্মত রুকইয়াহ।

আল্লাহই শিফাদাতা। তিনি চাইলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পরও বান্দার জীবনে এনে দিতে পারেন কাঙ্ক্ষিত সুখ ও প্রশান্তি।

আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
MS Ruqyah Centre
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।

বার বার বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? সিহরুল আরহামের ভয়ংকর লক্ষণ ⚠️অনেক দম্পতি বারবার গর্ভপাত বা সন্তান না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন...
22/08/2026

বার বার বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? সিহরুল আরহামের ভয়ংকর লক্ষণ ⚠️
অনেক দম্পতি বারবার গর্ভপাত বা সন্তান না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। ডাক্তারি চিকিৎসা করানোর পরও যদি সমস্যা না কাটে, তাহলে অনেকে সিহরুল আরহাম (জরায়ু বা গর্ভের উপর করা যাদু)-এর সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তিত হন।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:�প্রথমে অবশ্যই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল টেস্ট করান। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব সমস্যার শারীরিক কারণ থাকে। শুধু আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়।
সিহরুল আরহামের সম্ভাব্য লক্ষণসমূহ
• বারবার গর্ভপাত বা গর্ভধারণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাওয়া
• দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না হওয়া
• গর্ভধারণের পর অতিরিক্ত রক্তপাত বা ব্যথা
• জরায়ুতে অস্বাভাবিক সমস্যা (ডাক্তারি কারণ ছাড়াই)
• নিম্ন পেটে স্থায়ী ব্যথা বা চাপ অনুভব করা
• স্বপ্নে রক্ত, বাচ্চা বা অপবিত্র দৃশ্য দেখা
• গর্ভধারণের খবর শোনার পরই শরীরে অস্বস্তি বা অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া
• রুকইয়াহ করার সময় পেট বা জরায়ুর দিকে প্রতিক্রিয়া হওয়া
কুরআন ও হাদিসের আলোকে
আল্লাহ তায়ালা সন্তান দান করেন এবং তিনিই তা ফিরিয়ে নেন। তবে যাদুর মাধ্যমে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয় বলে কুরআনে উল্লেখ আছে (সূরা বাকারা: ১০২)।
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর উপরও যাদু করা হয়েছিল, যার প্রভাব শরীরে পড়েছিল (সহীহ বুখারী)।
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহ. বলেন:�“যাদু কখনো কখনো প্রজনন ক্ষমতা ও গর্ভকে আক্রান্ত করে। এ ক্ষেত্রে রুকইয়াহ ও তওবা অত্যন্ত জরুরি।”
করণীয়
১. প্রথমে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল চেকআপ করান।�২. নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, নাস ও সূরা বাকারা তিলাওয়াত করুন।�৩. রুকইয়াহ পানি পান করুন এবং গোসল করুন।�৪. বরই পাতার রুকইয়াহ গোসল করতে পারেন।�৫. নিয়মিত সাদাকা ও তওবা করুন।�৬. তাবিজ-কবচ বা কবিরাজের কাছে যাবেন না।
যদি মেডিকেল কারণ না পাওয়া যায় এবং লক্ষণগুলো মিলে যায়, তাহলে অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে রুকইয়াহ করানো উচিত।
আল্লাহই সন্তান দান করেন। তাঁর উপর ভরসা রাখুন এবং শরীয়তসম্মত উপায়ে চেষ্টা চালিয়ে যান।
আমাদের সেন্টারে এসে রুকইয়াহ চিকিৎসা করুন।

আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
Ruqyah centre
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।

জিন হত্যা, জিন বন্দি ও জিন দিয়ে কাজ করানো-এসবের বাস্তবতা কতটুকু?অনেকেই প্রশ্ন করেন-“যাদুকররা তো জিন হত্যা করে ফেলে, বোতল...
19/08/2026

জিন হত্যা, জিন বন্দি ও জিন দিয়ে কাজ করানো-
এসবের বাস্তবতা কতটুকু?

অনেকেই প্রশ্ন করেন-“যাদুকররা তো জিন হত্যা করে ফেলে, বোতলে ভরে ফেলে, জিন দিয়ে কাজ করাতে পারে। তাহলে আপনারা রুকইয়াহ করে এসব কিছু করেন না কেন?”

প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার-এসব দাবির অনেকটাই ভেলকিবাজি, প্রতারণা ও জিনের ধোঁকার সঙ্গে সম্পর্কিত। কেউ নিজেকে বড় কবিরাজ, জিনসাধক কিংবা জিনের ওপর ক্ষমতাবান দাবি করলেই তার প্রতিটি কথা সত্য হয়ে যায় না। বরং অদৃশ্য জগতের ব্যাপারে কথা বলার ক্ষেত্রে কুরআন-সুন্নাহর দলিলই হতে হবে আমাদের মাপকাঠি।

আল্লাহ তাআলা বলেন-

﴿وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ﴾

“আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।”
-সূরা আয-যারিয়াত: ৫৬

এই আয়াত আমাদের একটি মৌলিক বিষয় বুঝিয়ে দেয়-জিনও আল্লাহর সৃষ্টি এবং তাদেরও দায়িত্ব ও জীবন রয়েছে। মানুষের মতো জিন জাতিরও জীবন-মৃত্যু আল্লাহর নির্ধারিত বিধানের অধীন। একজন মানুষকে কেউ নিজের ইচ্ছামতো হত্যা করতে পারে না; তার নির্ধারিত হায়াত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তার মৃত্যু ঘটবে না। একইভাবে জিন জাতির ক্ষেত্রেও জীবন-মৃত্যুর চূড়ান্ত ক্ষমতা আল্লাহ তাআলারই।

তাহলে প্রশ্ন হলো-একজন সাধারণ কবিরাজ বা জিনসাধক কীভাবে দাবি করে যে, “আমি জিন হত্যা করে ফেলেছি”, “জিন জবাই করে দিয়েছি”, কিংবা “জিনকে বোতলে বন্দি করে রেখেছি”?

এরপর আসুন দেখি, জিন ও মানুষের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য কী। আল্লাহ তাআলা বলেন-

﴿إِنَّهُ يَرَاكُمْ هُوَ وَقَبِيلُهُ مِنْ حَيْثُ لَا تَرَوْنَهُمْ ۚ إِنَّا جَعَلْنَا الشَّيَاطِينَ أَوْلِيَاءَ لِلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ﴾

“সে এবং তার দলবল তোমাদেরকে এমন স্থান থেকে দেখে, যেখান থেকে তোমরা তাদের দেখতে পাও না। যারা ঈমান আনে না, আমি শয়তানদেরকে তাদের বন্ধু করে দিয়েছি।”
-সূরা আল-আ‘রাফ: ২৭

অর্থাৎ, তারা আমাদের দেখতে পারে, কিন্তু আমরা সাধারণভাবে তাদের দেখতে পাই না। আর এই অদৃশ্যতার সুযোগ নিয়েই মানুষের সঙ্গে নানা ধরনের ধোঁকা, প্রতারণা ও ভেলকিবাজি করা সম্ভব।

এবার আসি জিন দিয়ে কাজ করানো প্রসঙ্গে।

কেউ যদি দাবি করে-“আমার কাছে জিন আছে, আমি জিন দিয়ে কাজ করাই, জিন দিয়ে খবর আনি, জিন দিয়ে মানুষের ওপর প্রভাব ফেলি”-তাহলে প্রশ্ন হলো, এই পদ্ধতি শরিয়তসম্মত কি না?

আল্লাহ তাআলা বলেন-

﴿وَأَنَّهُ كَانَ رِجَالٌ مِنَ الْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِنَ الْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا﴾

“আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক ছিল, যারা জিনদের মধ্যে কিছু লোকের আশ্রয় নিত; ফলে তারা তাদের পাপ ও সীমালঙ্ঘন আরও বাড়িয়ে দিত।”
-সূরা আল-জিন: ৬

আয়াতটি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে আমাদের সতর্ক করে দেয়। মানুষের পক্ষ থেকে জিনের কাছে আশ্রয় নেওয়া কিংবা তাদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার পথ কোনো নিরাপদ পথ নয়।

তাই জিনকে দিয়ে কাজ করানো, জিনের সাহায্য নেওয়া, জিনের মাধ্যমে মানুষের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা কিংবা জিনসাধনার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জনের দাবি-এসবকে ইসলামের স্বাভাবিক চিকিৎসাপদ্ধতি বা বৈধ আমল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

হাদিসের বিস্তারিত আলোচনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে; কিন্তু লেখা অনেক বড় হয়ে যাবে। তাই আপাতত কুরআনের এই সতর্কবার্তাটুকুই যথেষ্ট।

এবার আসি ভেলকিবাজির কথায়।

কুরআনে আল্লাহ তাআলা মূসা (আ.) ও ফিরাউনের যাদুকরদের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। যাদুকররা তাদের দড়ি নিক্ষেপ করার পর মানুষের চোখে এমন প্রভাব সৃষ্টি করেছিল যে, সেগুলোকে চলমান সাপের মতো মনে হচ্ছিল।

আল্লাহ বলেন-

﴿قَالَ أَلْقُوا ۖ فَلَمَّا أَلْقَوْا سَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءُوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ﴾

“সে বলল, ‘তোমরাই নিক্ষেপ কর।’ অতঃপর তারা যখন নিক্ষেপ করল, তখন তারা মানুষের চোখে যাদু করল, তাদেরকে আতঙ্কিত করল এবং তারা এক বড় ধরনের যাদু প্রদর্শন করল।”
-সূরা আল-আ‘রাফ: ১১৬

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো-

﴿سَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ﴾

অর্থাৎ, তারা মানুষের চোখে প্রভাব সৃষ্টি করেছিল।

দড়ি বাস্তবে যা ছিল, তা-ই ছিল; কিন্তু যাদুর প্রভাবে মানুষ সেগুলোকে অন্যরকমভাবে দেখতে শুরু করেছিল। অর্থাৎ যা দেখা যাচ্ছে, সবসময় তা বাস্তবতার পূর্ণ চিত্র নয়।

এ কারণেই শুধু কোনো দৃশ্য দেখানো, কোনো শব্দ শোনানো, কোনো অনুভূতি সৃষ্টি করা কিংবা কাউকে বলে দেওয়া-“দেখুন, আমি জিনটাকে মেরে ফেলেছি”-এসবকে বাস্তব প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায় না।

এ ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেন-

قال أبو العباس ابن تيمية رحمه الله:

"وكثيراً ما تسخر منهم الجن إذا طلبوا منهم قتل الجني الصارع للإنسي أو حبسه فيخيلوا إليهم أنهم قتلوه أو حبسوه ويكون ذلك تخيلاً وكذباً"

অর্থাৎ, অনেক সময় জিনেরা এসব লোকদের সঙ্গে প্রতারণা ও উপহাস করে। যখন তারা জিনদের কাছে রোগীর ওপর থাকা জিনকে হত্যা করা অথবা বন্দি করার সাহায্য চায়, তখন সেই জিনেরা তাদের এমন ধারণা বা কল্পনা দেখায় যে, তারা নাকি জিনটিকে হত্যা করেছে কিংবা বন্দি করেছে। অথচ বাস্তবে তা সত্য নয়; বরং এটি কল্পনা ও মিথ্যাচারপূর্ণ ধোঁকা।

-মাজমূ‘ আল-ফাতাওয়া, ১৯/৪৬

তাহলে বিষয়টি কোথায় এসে দাঁড়াল?

কেউ আপনাকে বলল-“আমি জিন হত্যা করি।”
কেউ বলল-“আমি জিন জবাই করি।”
কেউ বলল-“আমি জিনকে বোতলে ভরে রাখি।”
কেউ আবার বলল-“আমার জিন আছে, আমি জিন দিয়ে কাজ করাই।”

এসব শুনে মুগ্ধ হওয়ার আগে একটি প্রশ্ন করুন-

এর শরয়ি প্রমাণ কোথায়?

রাসূলুল্লাহ ﷺ কি এভাবে চিকিৎসা করেছেন? সাহাবায়ে কেরাম কি এভাবে করেছেন? তাবেঈন ও সালাফে সালেহীন কি এটাকে চিকিৎসা বা বৈধ আমল হিসেবে গ্রহণ করেছেন?

রুকইয়াহ মানে রহস্যময় ক্ষমতার প্রদর্শনী নয়। রুকইয়াহ হলো কুরআন, সহিহ দোয়া, তাওহিদ, তাওয়াক্কুল এবং শরিয়তের সীমারেখার মধ্যে থেকে চিকিৎসা করা।

আর একজন রাক্বির কাজ হলো রোগীকে অদৃশ্য জগতের গল্প শুনিয়ে মুগ্ধ করা নয়; বরং তাকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কিত করা, তার আকীদা নিরাপদ রাখা এবং শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে চিকিৎসার চেষ্টা করা।

সুতরাং কেউ জিন হত্যা করে, বোতলে বন্দি করে, জিন দিয়ে কাজ করায়-এমন দাবিকে শুধু দেখানো বা বলা হয়েছে বলে সত্য ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

কারণ অদৃশ্য জগতের ব্যাপারে দাবি নয়, দলিলই শেষ কথা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জিন-শয়তানের ধোঁকা থেকে, প্রতারক কবিরাজদের ভেলকিবাজি থেকে এবং দ্বীনের নামে ভিত্তিহীন দাবি থেকে হেফাজত করুন। আমাদের আকীদা বিশুদ্ধ রাখুন এবং কুরআন-সুন্নাহর ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন
আমিন।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তান ও জ্বীনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন এবং ইবাদাতে খুশু-খুযু দান করুন।

⭕আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
Ruqyah centre
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।

সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।

11/08/2026

আপনি কি জ্বিন শয়তান কে ভয় করছেন! আর এটাই শয়তানের সুবর্ণ সুযোগ।
বিখ্যাত তাবেয়ি: মুজাহিদ রাহিমুল্লাহ বলেন;:
তোমরা জ্বীন-শয়তানকে যতনা ভয় কর তারা তোমাদেরকে তার চেয়ে বেশি ভয় করে। তাই তারা সামনে পরে গেলে তোমরা ভয় করো না। ভয় করলে তারা তোমাদের উপর চড়াও হবে। আর প্রতিরোধ করলে ভয়ে পালাবে।
(ক)

সৈয়দপুর ও আশেপাশের এলাকায় যারা আছেন তারও রুকইয়াহ সেশন নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ
10/08/2026

সৈয়দপুর ও আশেপাশের এলাকায় যারা আছেন তারও রুকইয়াহ সেশন নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ

Address

ঢলুয়াবিল(মসজিদের পূর্ব দিকে) মেইন রোডে হোন্ডা শোরুমের নিকট, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহী
Mymensingh
182984

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MS Ruqyah Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share