MS Ruqyah Centre

Website

MS Ruqyah Centre হিজামাহ্ রুকইয়া এন্ড পলিপাস চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করতে কল করুন
☎ 01913-637405

ছবিতে যে পোশাকটি দেখছেন, এটি কোনো সাধারণ কাপড় নয়।এটি একজন মানুষের ব্যবহৃত পোশাক, যেটিকে জাদুকররা সিহরের কাজে ব্যবহার করে...
03/10/2026

ছবিতে যে পোশাকটি দেখছেন, এটি কোনো সাধারণ কাপড় নয়।
এটি একজন মানুষের ব্যবহৃত পোশাক, যেটিকে জাদুকররা সিহরের কাজে ব্যবহার করেছিল।

কিভাবে করা হয় এই ধরণের জাদু?
কারো ব্যবহৃত পোশাক, চুল, নখ বা ব্যক্তিগত কিছু সংগ্রহ করে তাতে শয়তানি মন্ত্র ও লেখালেখি করা হয়। এরপর সেটিকে লুকিয়ে রাখা হয়- মাটির নিচে, গাছে, কবরস্থানে কিংবা পানির গভীরে।
উদ্দেশ্য একটাই ভুক্তভোগীকে কষ্ট দেওয়া, অসুস্থ করে দেওয়া, সংসারে ঝগড়া লাগানো, এমনকি ধ্বংস করে দেওয়া।

ছবির এই কাপড়টি সমুদ্রের ভেতর ফেলে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকার কারণে এর লেখাগুলো ঝাপসা হলেও স্পষ্ট বোঝা যায় এটি একটি সিহরের (জাদুর) কৌশল। পরে আল্লাহর কুদরতে এটি উদ্ধার করা হয়েছে।

মনে রাখবেন:

জাদু বাস্তব, কুরআনে এর স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে।

যারা এ কাজ করে তারা আল্লাহর দৃষ্টিতে অপরাধী ও কাফের।

জাদু থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হলো আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।

মুক্তির উপায়:
৫ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি যত্নশীল হওয়া
নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা
সকাল-সন্ধ্যার যিকির পড়া
রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (কুরআন ও সহীহ দু’আ দিয়ে চিকিৎসা) গ্রহণ করা

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জাদু ও শয়তানি কার্যকলাপ থেকে হেফাজত করুন।
Raqi Mufti Nasir Uddin

আপনার শরীরের বাইরে খাদেম (সেবক জিন) আছে, যারা আপনাকে জাদু করে এবং জাদু নবায়ন করে। আর হিংসা/হাসাদের খাদেম চোখ ও হিংসার মা...
02/10/2026

আপনার শরীরের বাইরে খাদেম (সেবক জিন) আছে, যারা আপনাকে জাদু করে এবং জাদু নবায়ন করে। আর হিংসা/হাসাদের খাদেম চোখ ও হিংসার মাধ্যমে শক্তি পায়।
আমি আপনাকে একটি ভালো ও উপকারী পদ্ধতি দিচ্ছি, যাতে নবায়ন (জাদুর পুনরাবৃত্তি) এবং মানুষ ও ইবলিসদের চোখ (নজর) কেটে যায়। 👑
এবং আপনার শরীরে লুকানো শয়তানি তলাসিম (তাবিজ/লেখা) ও লেখা পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
✍🏻 পানির উপর রুকইয়া করুন :
সূরা ফাতিহা সাতবার
মুআওবিজাতাইন (সূরা ফালাক ও নাস) এবং সূরা ইখলাস তিনবার
আয়াতুল কুরসি সাতবার
“ফালাম্মা আলকাউ ক্বালা মূসা মা জি’তুম বিহিস সিহরু ইন্নাল্লাহা সাইউবতিলুহু ইন্নাল্লাহা লা ইউসলিহু আমালাল মুফসিদীন” (সূরা ইউনুস ৮১) সাতবার
সূরা ফিল সাতবার
সূরা মুলক ও সূরা জ্বিন
এর সাথে এক চামচ গুঁড়ো করা সিদর (বড়ই পাতা) মিশিয়ে এক বা দুই ঘণ্টা পানিতে রাখুন, তারপর ছেঁকে নিয়ে গোসল করুন। পান করাও উপকারী। সপ্তাহে তিনবার গোসল করুন।
এছাড়া জলপাই(অলিভ অয়েল) তেলের উপর পড়ে শরীরে মাখাও উপকারী। আর দরজার চৌকাঠে (যেখানে জাদু ছিটানো হয়) ছিটিয়ে দেওয়াও উপকারী।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তান ও জ্বীনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন এবং ইবাদাতে খুশু-খুযু দান করুন।

⭕আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
Ruqyah centre
বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।
✍️Raqi Mufti Nasir Uddin
Senior Raqi & Consultant - Ms Ruqyah centre
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।

আপনি প্রতিদিন শতবার যে ঘরের দরজার চৌকাঠ পেরিয়ে যান, সেটি কি কখনও জাদুর জায়গা হতে পারে?আপনি ঘরে ঢুকছেন, বের হচ্ছেন, কিন্ত...
01/10/2026

আপনি প্রতিদিন শতবার যে ঘরের দরজার চৌকাঠ পেরিয়ে যান, সেটি কি কখনও জাদুর জায়গা হতে পারে?

আপনি ঘরে ঢুকছেন, বের হচ্ছেন, কিন্তু চৌকাঠের দিকে হয়তো একবারও মনোযোগ দেন না। তবু জাদু নিয়ে আলোচনায় দরজা, জানালা ও চৌকাঠ কেন বারবার উল্লেখ করা হয়?

কারণ এগুলো এমন জায়গা, যেখানে মানুষের চলাচল সবচেয়ে বেশি। যদি কেউ ক্ষতিকর কিছু লুকাতে চায়, তাহলে এই জায়গাগুলোই বেছে নেবে, কারণ আক্রান্ত ব্যক্তি বারবার আসা-যাওয়া করে।

চৌকাঠ ও দরজা কেন আলোচনায় আসে?

আমাদের ঘরের দরজা শুধু কাঠ বা লোহার অংশ নয়; এটি ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার প্রধান পথ। পরিবারের মানুষ প্রতিদিন অনেকবার এই পথ অতিক্রম করে।

সিহরুত তাফরীক বা বিচ্ছেদ সৃষ্টির জাদু নিয়ে আলোচনায় তাই দরজা, জানালা ও চৌকাঠকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেখানে ক্ষতিকর বস্তু রাখা, ছিটানো বা লুকানোর চেষ্টা করা হতে পারে, যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি বারবার সেই স্থানের সংস্পর্শে আসে।

বিষয়টিকে সহজভাবে এভাবে বোঝানো যায়-

বারবার চলাচলের স্থান বারবার সংস্পর্শ ক্ষতিকর প্রভাবের আশঙ্কা

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা আছে।

কোনো স্বামী বাড়িতে ঢুকে বিরক্ত হন, কোনো স্ত্রী ঘরে প্রবেশ করে অস্বস্তি বোধ করেন, কোনো পাত্র হঠাৎ বিয়ের সম্পর্ক থেকে সরে যান-এসব দেখে সরাসরি ‘জাদু করা হয়েছে’ বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

কারণ মানুষের আচরণের পেছনে পারিবারিক সমস্যা, ভুল বোঝাবুঝি, মানসিক চাপ, সম্পর্কের টানাপোড়েন কিংবা অন্য বাস্তব কারণও থাকতে পারে।

তাহলে চৌকাঠকে কেন বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়?

এখানে মূলত দুটি বিষয় আলোচিত হয়।

১. বারবার সংস্পর্শের সুযোগ

যদি ক্ষতিকর বস্তু এমন জায়গায় রাখা হয় যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাহলে তার সঙ্গে বারবার সংস্পর্শ হবে। তাই প্রবেশপথকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে আলোচনা করা হয়।

২. দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

সিহরুত তাফরীকের আলোচনায় কখনো এমন উদ্দেশ্যও বলা হয়-কোনো মানুষ যেন নির্দিষ্ট বাড়ি, পরিবার বা ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে সরে যায়।

স্বামী বাড়িতে থাকতে না চায়, স্ত্রী ঘরে গেলে অস্বস্তি বোধ করেন, পাত্র বারবার এসে হঠাৎ সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে যায়-এ ধরনের বিষয়কে কেউ কেউ জাদুর প্রভাবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন।

কিন্তু আবারও বলছি-লক্ষণ দেখেই নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নয়।

কারণ রুকইয়াহর ক্ষেত্রে যেমন কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বাস্তব কারণ যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু পরিবারের মানুষই তো দরজা দিয়ে যায় না

দরজা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আত্মীয়, অতিথি, প্রতিবেশী ও বাইরের মানুষও প্রবেশ করে।

তাই যদি কারো মনে সন্দেহ হয় যে দরজা, চৌকাঠ বা জানালায় অস্বাভাবিক বস্তু রাখা হয়েছে, তাহলে প্রথম কাজ হওয়া উচিত আতঙ্কিত না হয়ে বিষয়টি শান্তভাবে যাচাই করা।

প্রমাণ ছাড়া কাউকে জাদুকর বলা যাবে না। কাউকে সন্দেহ করে সম্পর্ক নষ্ট করা যাবে না।

ইসলাম আমাদের অযথা সন্দেহ ও অপবাদ থেকে সতর্ক করেছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

চৌকাঠের নিজের কোনো অলৌকিক শক্তি নেই। দরজা, জানালা কিংবা কোনো বস্তু নিজে থেকে মানুষের ক্ষতি করতে পারে না।

ক্ষতি ও উপকার-সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছাধীন।

তাই এমন কোনো বিষয় নিয়ে ভয় পেয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন, নামাজ ও যিকিরে যত্নবান হোন, সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন আমল করুন, কুরআন তিলাওয়াত করুন এবং প্রয়োজন হলে শরয়ি রুকইয়াহ গ্রহণ করুন।

তাবিজ, কবচ, গণক, জাদুকর কিংবা শিরকপূর্ণ কোনো পদ্ধতির দিকে ফিরে যাবেন না।

কারণ একজন মুমিনের শক্তি কোনো চৌকাঠে নয়-
তার রবের ওপর তাওয়াক্কুলে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তান ও জ্বীনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন এবং ইবাদাতে খুশু-খুযু দান করুন।

⭕আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্বাবধানে পরামর্শ ও রুকইয়াহ করতে সিরিয়াল নিন,
📞 01727854253 What's app
Ruqyah centre

বি: দ্র: আমরা অনলাইন অফলাইন এবং হুম সার্ভিসে রুকইয়াহ সেবা দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।
✍️Raqi Mufti Nasir Uddin
Senior Raqi & Consultant - Ms Ruqyah centre

সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।

#সিহরে_তাফরীক #বিচ্ছেদের_জাদু #জাদু #রুকইয়াহ #শরয়ি_রুকইয়াহ #চৌকাঠ #দরজা #জানালা #সিহর #রুকইয়াহ_শরইয়াহ ুকইয়াহ_সেন্টার

27/09/2026

ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্না-ইলাইহি রজিউন🥲🥲🥲
আমার ছোট মামা আজ দুপুর ২.৩০মি: আল্লাহ জিম্মায় চলে গিয়েছেন, দোয়া চাই আল্লাহ পাক জান্নাত নসিব করুন।

কমেন্ট করে জেনে নিন ইনশাআল্লাহ।
26/09/2026

কমেন্ট করে জেনে নিন ইনশাআল্লাহ।

21/09/2026

পেটের ব্যথা এবং যাবতীয় সমস্যা দূর করার রুকইয়াহ্।
সুস্থতার নিয়ত করে কানে হেডফোন দিয়ে শুনুন।

17/09/2026

🪢 বছরের পর বছর ব্যথা—শরীরে কি কোনো “গিঁট” আছে?
তুমি যদি এমন কোনো ব্যথা, টান, চাপ বা শক্তভাব নিয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে থাকো—যার জন্য চিকিৎসা নেওয়ার পরও পুরোপুরি স্বস্তি পাচ্ছো না—তাহলে বিষয়টাকে শুধু “সাধারণ ব্যথা” বলে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ৩ মাসের বেশি স্থায়ী ব্যথাকে Chronic Pain বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বলা হয়। এর পেছনে পেশি ও জয়েন্টের সমস্যা, পুরোনো আঘাত, প্রদাহ, স্নায়ুর সমস্যা, ফাইব্রোমায়ালজিয়া কিংবা অন্য কোনো রোগ থাকতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কারণও সহজে ধরা পড়ে না।

🔬 তাহলে শরীরে “গিঁট” বলতে কী বোঝানো হতে পারে?
অনেক সময় মানুষ শরীরে কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় শক্তভাব, টান, চাপ, ব্যথাযুক্ত পয়েন্ট বা মাংসপেশির শক্ত হয়ে যাওয়া অনুভব করে। এগুলোকে সাধারণ ভাষায় “গিঁট” বলা হয়।
এর পেছনে থাকতে পারে—
🔹 পেশির দীর্ঘস্থায়ী টান
🔹 অতিরিক্ত ব্যবহার বা পুরোনো আঘাত
🔹 পেশি ও টেন্ডনের সমস্যা
🔹 প্রদাহ
🔹 স্নায়ুতে চাপ বা স্নায়ুর ব্যথা
🔹 দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার কারণে স্নায়ুতন্ত্রের ব্যথা অনুভবের পদ্ধতিতে পরিবর্তন
🔹 ফাইব্রোমায়ালজিয়ার মতো দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার অবস্থা
চিকিৎসাবিজ্ঞানে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা শুধু একটি নির্দিষ্ট স্থানের সমস্যা নয়; শরীরের স্নায়ুতন্ত্র কীভাবে ব্যথার সংকেত গ্রহণ ও প্রক্রিয়া করে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

🧠 কেন ওষুধ খেয়েও ব্যথা থেকে যেতে পারে?
সব ব্যথার কারণ এক নয়। কোনো ব্যথা প্রদাহজনিত, কোনোটি পেশি বা জয়েন্টের, আবার কোনোটি স্নায়ুজনিত হতে পারে। তাই একটি ওষুধ সবার ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ করবে—এমন নয়।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার চিকিৎসায় অনেক সময় ওষুধের পাশাপাশি ব্যায়াম, ফিজিওথেরাপি, ম্যাসাজ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং অন্যান্য non-drug treatment ব্যবহার করা হয়।
🪢 রুকইয়াহর দৃষ্টিতে “গিঁট”
কুরআনে আল্লাহ বলেন—
وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
“এবং গিঁটে ফুঁদানকারীদের অনিষ্ট থেকে।”
—সূরা আল-ফালাক: ৪
অর্থাৎ জাদুর সঙ্গে গিঁটের সম্পর্কের কথা কুরআনে এসেছে।
তবে শরীরের প্রতিটি শক্তভাব, পেশির টান বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাকে নিশ্চিতভাবে জাদুর গিঁট বলা যাবে না।
বরং কেউ যদি রুকইয়াহ করতে চান, তাহলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের কারণগুলো যাচাই করার পাশাপাশি শরয়ি রুকইয়াহও করতে পারেন।
🏃 প্রথম পদক্ষেপ
চিকিৎসার শুরু হবে দুটি বিষয় দিয়ে—
১️⃣ আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল
২️⃣ সঠিক কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা
দীর্ঘদিনের ব্যথায় প্রয়োজনে চিকিৎসকের মাধ্যমে শারীরিক পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা বা অন্য পরীক্ষা করা দরকার হতে পারে। সব ক্ষেত্রে একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না—উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর তা নির্ভর করে।
📿 রুকইয়াহর ক্ষেত্রে
কুরআনের আয়াত ও প্রমাণিত দোয়া পড়ে—
💧 পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করা
🚿 রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে গোসল করা
🫒 বৈধ তেল দিয়ে শরীরে মালিশ করা
📖 সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস নিয়মিত পড়া
এসব আমল করা যেতে পারে।
শরীরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যথা থাকলে সেখানে হাত রেখে কুরআন ও দোয়া পড়েও রুকইয়াহ করা যায়।
🩸 হিজামা সম্পর্কে
হিজামা করাতে চাইলে প্রশিক্ষিত ব্যক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে করানো উচিত। তবে যেখানে ব্যথা আছে, সেখানেই জাদুর গিঁট আছে—এমন সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ব্যথার অবস্থান দেখে নেওয়া যায় না।
⚠️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
দীর্ঘদিনের ব্যথা থাকলে শুধু “গিঁট” মনে করে চিকিৎসা বন্ধ করে দিও না।
বিশেষ করে যদি—
❗ ব্যথা ক্রমশ বাড়ে
❗ অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অসাড়তা হয়
❗ শরীরের কোনো অংশের নড়াচড়া কমে যায়
❗ জ্বর বা অকারণে ওজন কমে যায়
❗ শরীরে নতুন কোনো ফোলা বা শক্ত পিণ্ড দেখা যায়
❗ ওষুধেও তীব্র ব্যথা কমে না
তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রুকইয়াহ করুন, দোয়া করুন—আর একই সঙ্গে শরীরের বৈজ্ঞানিক কারণও খুঁজে দেখুন।
কারণ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সঠিক চিকিৎসা অনেক সময় শুধু একটি ওষুধের ওপর নির্ভর করে না; কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা-পদ্ধতি পরিবর্তিত হতে পারে।
🤲 শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে।

Address

ঢলুয়াবিল(মসজিদের পূর্ব দিকে) মেইন রোডে হোন্ডা শোরুমের নিকট, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহী
Mymensingh
182984

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MS Ruqyah Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share