18/05/2026
😒এই যে ঢাকা শহরে হাজার হাজার ফাস্ট ফুডের দোকান। লাখে লাখে বার্গার, স্যান্ডউইচসহ নানান পদের ভাজা পোড়া আইটেমের সাথে প্রতিদিন টনকে টন টমাটো সস, আর কী যেন বলে! কেচাপ, রেড চিলিমিলি সস ইত্যাদি গলধঃকরণ করছেন সবাই। এই দোকানগুলোতে পাঁচ লিটারের কন্টেইনারে এইসব সস/কেচাপ সাপ্লাই দেয়া হয়।
দোকান থেকে ব্রান্ড কোম্পানির একটা বোতল কত দিয়ে কেনেন? সম্ভবত পাঁচশত গ্রামের এক বোতলের দাম চিলি সস দুইশত টাকার কাছাকাছি এবং টমেটো সস ১০০ টাকার নিচে।
পানির চেয়েও কমদামে প্রতিটি দোকানে ৫ লিটারের কন্টেইনারের পর কন্টেইনার ভর্তি। লেবেলবিহীন এসব কন্টেইনার। উৎপাদকের নাম ঠিকানার কোনো হদিস নেই। কাগজের একটা চোতায় কলম দিয়ে মেয়াদ লেখা। বিক্রি না হলে চোতা তুলে নতুন চোতায় কলমের মেয়াদ।
কে বানায়, কোথায় বানায়, কী দিয়ে বানায়, কিছুই বুঝবেন না। লাল টকটকে রঙের পাঁচ লিটারের একটা কন্টেইনার যে দামে এরা কেনে, তাতে নিশ্চিত, পাঁচ লিটারের অন্তত অর্ধেক আছে কাপড়ের লাল রঙ এবং কেমিক্যাল। খাচ্ছে সবাই, খাচ্ছে আর খাচ্ছে। কন্টেইনার শেষ হচ্ছে, আর নতুন করে ঢালা হচ্ছে।
লাল টকটকে রঙের সসের কন্টেইনার। সবাই নিরাপদ ভেবে বা না ভেবেই খাচ্ছে লাল কাপড়ের রঙ। সাথে পোড়া তেলের আকাশ পরিমাণ ট্রান্সফ্যাট।
এদেশের খাবারে, বিশেষ করে বাচ্চাদের খাবারের প্রায় ৯৮% আইটেমে মেশানো হয় কাপড়ের রঙ বা টেক্সটাইল ডাই। যার একমাত্র কাজ হচ্ছে ক্যান্সার ও কিডনি লিভার নষ্ট করে দেয়া।
৫০০/৭০০/১০০০/১২০০ টাকার বুফে খাচ্ছেন ১০০+ আইটেমের। তারমধ্যে চল্লিশ আইটেম নানান রঙ আর বাহারের কাটা স্লাইস ক্রীম কেক বা পেস্ট্রি। কেজি হাজার হাজার টাকার পিওর নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার বাটার দিয়ে বানিয়েছে মনে করেন!!
এক বুফেতেই পিওর ডাল্ডা বা কেমিক্যালের তৈরি ক্রীম যত পরিমাণ গলধ:করণ করে আসলেন, তা এক মাসে বাসায় খাওয়া ট্র্যান্সফ্যাটের চেয়েও অনেক বেশি। সাথে ফ্রী কাপডের রঙ।
আজ এ পর্যন্তই। বিয়ে বাড়ির বোরহানি নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার।
যেমন জাতি, তেমন সরকার, তেমন ব্যবসায়ী, তেমনিই খাদক।
কথা সঠিক।