Palash Medical Center

  • Home
  • Palash Medical Center

Palash Medical Center সহজ চিকিৎসা, নিরাপদ জীবন।

16/06/2026

30/04/2026
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কিডনি স্টোন: আকার ও কারণবিশ্বের সবচেয়ে বড় কিডনি স্টোনটি ২০২৩ সালের ১ জুন শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অবসরপ্রাপ...
26/09/2025

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কিডনি স্টোন: আকার ও কারণ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কিডনি স্টোনটি ২০২৩ সালের ১ জুন শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য কানিস্টাস কুনগে’র কিডনি থেকে অপসারণ করা হয়। এই স্টোনটির দৈর্ঘ্য ছিল ১৩.৩৭ সেন্টিমিটার (৫.২৬ ইঞ্চি) এবং প্রস্থ ছিল ১০.৫৫ সেন্টিমিটার (৪.১৫ ইঞ্চি)। ওজন ছিল ৮০১ গ্রাম, যা সাধারণ কিডনির ওজনের প্রায় পাঁচ গুণ।
Guinness World Records
+1

কিডনি স্টোন কেন হয়?

কিডনি স্টোন বা বৃক্ক পাথর মূলত শরীরে অতিরিক্ত মিনারেল ও লবণের কারণে তৈরি হয়। এর প্রধান কারণসমূহ হলো:

অপর্যাপ্ত পানি পান: যথেষ্ট পানি না পানে মূত্রে মিনারেল জমে পাথর তৈরি হতে পারে।

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ, প্রোটিন ও চিনি খেলে কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে।

জেনেটিক ফ্যাক্টর: পরিবারে যদি কিডনি স্টোনের ইতিহাস থাকে, তবে ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষ কিছু রোগ: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বাড়ায়।

~সংগৃহীত

বারবার নিষেধ থাকা সত্ত্বেও রোগীরা দাদ রোগে স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করে।স্টেরয়েড লাগালে :১. সাময়িক চুলকানি বা লালভাব কমে যায়...
23/09/2025

বারবার নিষেধ থাকা সত্ত্বেও রোগীরা দাদ রোগে স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করে।

স্টেরয়েড লাগালে :

১. সাময়িক চুলকানি বা লালভাব কমে যায়, কিন্তু আসলে রোগ আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।

২. স্টেরয়েডে দাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

৩. ত্বক পাতলা হয়ে যায়, দাগ স্থায়ী হয়ে যেতে পারে।

স্টেরয়েড জাতীয় ভুল ওষুধ ব্যবহার করলে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া তখন আরও জটিল হয়ে যায়।

এজন্যেই আমরা বারবার বলি, ওষুধ কিনে সুযোগ হলে অবশ্যই ডাক্তারকে দেখিয়ে চেক করে নিবেন।

বি:দ্র: এই মহিলা স্টেরয়েড জাতীয় মলম লাগিয়ে কিছুদিন পর আবার যখন ভেসে উঠে, তখন গ্যাকোজিমা লাগিয়েছে। বর্তমান অবস্থা ত দেখতেই পাচ্ছেন।

 #স্টেরয়েড (Steroid):স্টেরয়েড (Steroid) হলো এক ধরনের জৈব যৌগ, যা মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয় এবং কৃত্রিমভাবেও তৈর...
04/09/2025

#স্টেরয়েড (Steroid):
স্টেরয়েড (Steroid) হলো এক ধরনের জৈব যৌগ, যা মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয় এবং কৃত্রিমভাবেও তৈরি করা যায়। এটি মূলত হরমোন জাতীয় পদার্থ, যেগুলো শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

স্টেরয়েড প্রধানত দুই ধরনের হয়:

---

1. কোর্টিকোস্টেরয়েড (Corticosteroids)

এই ধরনের স্টেরয়েড শরীরে প্রদাহ (inflammation) কমাতে ব্যবহৃত হয়।

এটি প্রাকৃতিকভাবে অ্যাডরিনাল গ্রন্থি (adrenal gland) থেকে উৎপন্ন হয়।

চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:

হাঁপানি (asthma)

আর্থরাইটিস (arthritis)

অটোইমিউন রোগ

অ্যালার্জি

উদাহরণ: Prednisone, Dexamethasone

---

2. অ্যানাবলিক স্টেরয়েড (Anabolic Steroids)

এটি টেস্টোস্টেরনের (পুরুষ হরমোন) কৃত্রিম সংস্করণ।

মূলত পেশি (muscle) বৃদ্ধি ও শক্তি বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসায় ব্যবহার হয়:

দেহে হরমোনের ঘাটতি।

কিছু ধরনের ক্যানসার।

হাড়ের ক্ষয় (osteoporosis)।

তবে অনেক সময় অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ক্রীড়াবিদ বা বডিবিল্ডাররা অবৈধভাবে ব্যবহার করেন পারফরম্যান্স বাড়াতে — যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অতিরিক্ত বা ভুলভাবে স্টেরয়েড ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে, যেমন:

লিভার ক্ষতি।

হৃদরোগ।

মানসিক সমস্যা (আগ্রাসী আচরণ, বিষণ্নতা)।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।

নবজাতক শিশুর নাভির যত্ন :নবজাতক শিশুর নাভির যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জন্মের পর নাভি শুকিয়ে পড়ে যেতে কয়েকদিন থেকে ...
03/09/2025

নবজাতক শিশুর নাভির যত্ন :

নবজাতক শিশুর নাভির যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জন্মের পর নাভি শুকিয়ে পড়ে যেতে কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে।

নবজাতকের নাভির যত্নের নিয়ম

1. শুষ্ক ও পরিষ্কার রাখা

নাভির গোড়ায় পানি বা সাবান ব্যবহার করবেন না।

প্রতিবার শিশুর ডায়পার পরিবর্তনের সময় নাভি শুকনো আছে কিনা খেয়াল করবেন।

2. কাপড় নির্বাচন

ঢিলেঢালা, পরিষ্কার ও নরম কাপড় পরাবেন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।

নাভি ভিজে গেলে সঙ্গে সঙ্গে শুকিয়ে ফেলতে হবে।

3. অপ্রয়োজনীয় ওষুধ/তেল ব্যবহার করবেন না

নাভিতে তেল, পাউডার, ভেষজ বা মলম ব্যবহার করা উচিত নয়।

ডাক্তার নির্দেশ দিলে কেবলমাত্র জীবাণুনাশক (যেমন স্পিরিট বা ক্লোরহেক্সিডিন) ব্যবহার করা যায়।

4. ডায়পার ব্যবহারে সতর্কতা

ডায়পার যেন নাভির উপর চাপ না দেয়, তাই নাভি অংশের নিচে ভাঁজ করে পরানো ভালো।

5. প্রাকৃতিকভাবে শুকাতে দিন

নাভির শুকনো অংশ নিজে থেকে ঝরে যাবে। টেনে বা কাটতে যাবেন না।

সতর্কতার লক্ষণ (অবশ্যই ডাক্তারকে দেখাতে হবে যদি দেখা যায়):

নাভি থেকে পুঁজ, দুর্গন্ধ বা অতিরিক্ত রক্তপাত হয়।

নাভির চারপাশে লালচে ফোলা ও ব্যথা দেখা দেয়।

শিশুর জ্বর বা অস্বাভাবিক কান্না হয়।

👉 সাধারণত জন্মের ৭-১৪ দিনের মধ্যে নাভি পড়ে যায়। যদি ৩ সপ্তাহ পরেও না পড়ে, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

সিজারিয়ান সেকশন (C-section) যেন না করতে হয়, স্বাভাবিক প্রসব (Normal Delivery) হোক—সেটার জন্য কী করা উচিত?স্বাভাবিক প্রসব...
02/09/2025

সিজারিয়ান সেকশন (C-section) যেন না করতে হয়, স্বাভাবিক প্রসব (Normal Delivery) হোক—সেটার জন্য কী করা উচিত?

স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনা বাড়াতে মায়ের শারীরিক, মানসিক এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রস্তুতি দরকার। নিচে বিস্তারিত দিচ্ছি:

---

🔍 ১. গর্ভাবস্থার আগে ও চলাকালে স্বাস্থ্য রক্ষা

বিয়ের আগে ও গর্ভধারণের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: রক্তস্বল্পতা (Anemia), ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, ওজন ইত্যাদি ঠিক রাখা।

প্রেগন্যান্সির সময় নিয়মিত চেকআপ: গর্ভকালীন চেকআপ বাদ না দেওয়া।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন স্বাভাবিক প্রসবকে কঠিন করে।

সুষম খাবার: পর্যাপ্ত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিনসহ খাবার খাওয়া।

---

🏃‍♀️ ২. ব্যায়াম ও জীবনযাপন

গর্ভবতী মায়েদের ব্যায়াম: হালকা হাঁটা, যোগব্যায়াম, স্কোয়াট, পেলভিক এক্সারসাইজ (ডাক্তার/মিডওয়াইফের পরামর্শে) করলে শরীর প্রসবের জন্য প্রস্তুত হয়।

প্রচুর পানি পান: শরীর হাইড্রেটেড থাকলে প্রসব সহজ হয়।

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনা বাড়ায়।

---

🏥 ৩. সঠিক জায়গা ও সাপোর্ট সিস্টেম

নরমাল ডেলিভারি সাপোর্টিভ হাসপাতাল: যেখানে অযথা সিজার হয় না, এমন জায়গায় প্রসবের জন্য পরিকল্পনা করুন।

মিডওয়াইফ ও প্রশিক্ষিত নার্স: তাদের সাপোর্টে অনেক সময় নরমাল ডেলিভারি সফল হয়।

বার্থ প্ল্যান তৈরি: পরিবারের সবার সাথে আগে থেকে ঠিক করা।

---

🚫 ৪. যেসব কারণে সিজার বেশি হয়, সেগুলো নিয়ন্ত্রণ

অযথা ইন্ডিউস করা (শর্টকাটে ডেলিভারি করানোর চেষ্টা)

মায়ের ভয় বা আতঙ্ক

গর্ভকালীন চিকিৎসকের কাছে দেরিতে যাওয়া

পর্যাপ্ত শারীরিক প্রস্তুতি না থাকা

---

⚠️ তবে মনে রাখবেন:

কিছু মেডিকেল কারণ থাকলে (যেমন বাচ্চার উল্টোপাল্টা পজিশন, প্লাসেন্টার সমস্যা, হাই BP, বাচ্চার হার্টবিটে সমস্যা ইত্যাদি) ডাক্তাররা জরুরি সিজার করবেন—মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য এটা প্রয়োজনীয়। তাই শুধু স্বাভাবিক প্রসব চাই বলে ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।

---

📌 সারসংক্ষেপ:

গর্ভাবস্থার আগে থেকেই স্বাস্থ্য ঠিক রাখা

নিয়মিত প্রেগন্যান্সি চেকআপ

হালকা ব্যায়াম ও সুষম খাদ্য

মানসিক প্রস্তুতি ও ভালো হাসপাতাল সাপোর্ট

জরুরি প্রয়োজনে সিজার নিতে ভয় না পাওয়া

কখনো কখনো চিকিৎসকের পরামর্শে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সিজারিয়ান ডেলিভারি করা হয়। এটি একটি নিয়মিত ও নিরাপদ পদ্ধত...
02/09/2025

কখনো কখনো চিকিৎসকের পরামর্শে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সিজারিয়ান ডেলিভারি করা হয়। এটি একটি নিয়মিত ও নিরাপদ পদ্ধতি, যেখানে ধাপে ধাপে মায়ের ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

‼️ প্রক্রিয়াটি সাধারণত এভাবে সম্পন্ন হয়:
✅ প্রথমে মাকে অ্যানেশেসিয়া (চেতনানাশক) দেওয়া হয়।
✅ স্যালাইন লাগানো হয় এবং পেট জীবাণুমুক্ত করা হয়।
✅ চিকিৎসক সাবধানে পেট ও জরায়ুতে কাট দেন।
✅ শিশুকে আস্তে করে পেট থেকে বের করে আনা হয়।
✅ এরপর প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) বের করা হয়।
✅ শেষে কাটা জায়গাগুলো সেলাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

‼️সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই পুরো প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয় যা মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তাই ভয় বা দুশ্চিন্তার কিছু নেই বরং ইতিবাচক মনোভাব রাখুন।

পলাশ মেডিকেল সেন্টার
স্কুল রোড, মধুপুর বাজার,
ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ।

Address

School Road, Madhupur Bazar, Ishwarganj

2280

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Palash Medical Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business?

Share