NutriCore By UH Eva

NutriCore By UH Eva Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NutriCore By UH Eva, Nutritionist, Dhaka, Narayanganj.

Nutrition & Dietary Consultant
BSc & MSc in Food and Nutrition Science
CND (BIRDEM)

Expert in personalized nutrition for
• Weight Management
• Diabetes
• Hormonal Disorders
• Kidney Health

For appointment please call +8801560042293

☀️ ভিটামিন D: সূর্যের আলো থেকে হাড়ের সুরক্ষা পর্যন্ত:বর্তমান সময়ে ভিটামিন D-এর ঘাটতি একটি নীরব জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসে...
05/06/2026

☀️ ভিটামিন D: সূর্যের আলো থেকে হাড়ের সুরক্ষা পর্যন্ত:

বর্তমান সময়ে ভিটামিন D-এর ঘাটতি একটি নীরব জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পর্যাপ্ত সূর্যালোকের দেশে বসবাস করেও অনেক মানুষ ভিটামিন D-এর অভাবে ভুগছেন।
ভিটামিন D-কে সাধারণত "Sunshine Vitamin" বলা হয়। কারণ, সূর্যের UVB রশ্মি ত্বকে পড়লে ত্বকে উপস্থিত 7-dehydrocholesterol থেকে Vitamin D₃ (Cholecalciferol) তৈরি হয়। পরবর্তীতে এটি লিভার ও কিডনিতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সক্রিয় রূপ Calcitriol-এ পরিণত হয়, যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

♦️ ভিটামিন D কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
✔️ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ বৃদ্ধি করে
✔️ হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে
✔️ পেশীর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখে
✔️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সমর্থন করে
✔️ হাড় ক্ষয় ও ভাঙার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে

♦️ভিটামিন D-এর ঘাটতিতে কী হতে পারে?
• শিশুদের Rickets
• প্রাপ্তবয়স্কদের Osteomalacia
• বয়স্কদের Osteoporosis
• পেশী দুর্বলতা
• হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা
• দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি
• পড়ে যাওয়া ও ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বৃদ্ধি

♦️ভিটামিন D-এর খাদ্য উৎস
🐟 চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ (Salmon, Mackerel, Sardine, Tuna)
🥚 ডিমের কুসুম
🍄 UV-exposed Mushroom
🐄 গরুর কলিজা
🥛 Fortified Milk ও Dairy Products
🥣 Fortified Breakfast Cereals

☀️ সূর্যালোক কি যথেষ্ট?
সূর্যের আলো ভিটামিন D-এর প্রধান উৎস হলেও জীবনযাত্রা, ঘরের ভেতরে বেশি সময় থাকা, সানস্ক্রিন ব্যবহার, বয়স, ত্বকের রং এবং বায়ুদূষণের মতো বিভিন্ন বিষয় ভিটামিন D উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই শুধু সূর্যালোকের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ।

♦️ একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে আমার বার্তা—
ভিটামিন D শুধুমাত্র একটি ভিটামিন নয়; এটি আমাদের হাড়, পেশী এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য একটি উপাদান। তাই নিয়মিত সূর্যালোক গ্রহণ, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনে Vitamin D status পরীক্ষা করার বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।

"Healthy bones begin with adequate Vitamin D."

Nutritionist Eva

🌿 Natural Herbal Hair Pack | My Personal Experience as a Nutritionist 🌿একজন nutritionist হিসেবে আমি সবসময়ই প্রাকৃতিক উপা...
01/05/2026

🌿 Natural Herbal Hair Pack | My Personal Experience as a Nutritionist 🌿

একজন nutritionist হিসেবে আমি সবসময়ই প্রাকৃতিক উপাদানের উপর ভরসা করি—শুধু খাবারে নয়, নিজের কেয়ার রুটিনেও। সেই বিশ্বাস থেকেই আমি নিজে ব্যবহার করেছি এই হার্বাল হেয়ার প্যাকটি, যেখানে ছিল মেহেদি, জবা ফুল, পেঁয়াজ এবং কালোজিরা তেল 🌺

★ আমি যে উপকারগুলো পেয়েছি:
✔️ চুল পড়া অনেকটাই কমেছে
আগের তুলনায় চুল পড়া visibly কমেছে—এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন।
✔️ নতুন চুল গজানোর লক্ষণ
হেয়ার লাইনের পাশে ছোট ছোট baby hair দেখতে পাচ্ছি।
✔️ চুল হয়েছে নরম ও manageable
মেহেদি ও জবা ফুলের কারণে চুল হয়েছে smooth, soft এবং naturally shiny।
✔️ স্ক্যাল্প অনেক হেলদি লাগছে
Dryness বা itchiness নেই—স্ক্যাল্প এখন fresh ও comfortable লাগে।

🌺 কেন এই প্যাকটি কাজ করে (Nutritionist Insight):
এই প্যাকের প্রতিটি উপাদানই বৈজ্ঞানিকভাবে উপকারী—
🔸 পেঁয়াজের সালফার হেয়ার ফলিকলকে stimulate করে
🔸 জবা ফুল চুলের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে
🔸 মেহেদি প্রাকৃতিকভাবে condition করে
🔸 কালোজিরা তেল deep nourishment দেয়
👉 এই combination টি scalp এবং hair—দুটোকেই একসাথে target করে, যা long-term এ ভালো ফল দেয়।
★ আমি যেভাবে ব্যবহার করেছি:
• সপ্তাহে ১–২ বার
• পরিষ্কার স্ক্যাল্পে ৩০–৪০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলেছি
• নিয়মিত ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি
⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
• Sensitive scalp হলে আগে patch test করুন
• পেঁয়াজের কারণে হালকা জ্বালা হতে পারে—বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন
• ভালো ফলাফলের জন্য balanced diet খুবই গুরুত্বপূর্ণ

“আপনার ঘুমই বলছে—আপনি কি ঠিকভাবে খাচ্ছেন?"বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে ইনসোমনিয়া (ঘুমের সমস্যা) দিন দিন বাড়ছে—যার প্রধান কারণ...
28/04/2026

“আপনার ঘুমই বলছে—আপনি কি ঠিকভাবে খাচ্ছেন?"

বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে ইনসোমনিয়া (ঘুমের সমস্যা) দিন দিন বাড়ছে—যার প্রধান কারণ অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং অসংগঠিত দৈনন্দিন রুটিন।

একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আমি মনে করি, ভালো ঘুম শুধু “চোখ বন্ধ করা” নয়—এটি একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যা আপনার খাবার, জীবনযাপন এবং দৈনন্দিন অভ্যাসের উপর নির্ভর করে।

ঘুম স্বাভাবিকভাবে ভালো করার জন্য ৫টি বিজ্ঞানসম্মত উপায়:
১. ঘুম সহায়ক পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন:
• রাতে কী খাচ্ছেন, তা আপনার ঘুমের মানকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
• ট্রিপটোফ্যান, ম্যাগনেসিয়াম এবং মেলাটোনিন-সহায়ক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খান—যেমন দুধ, কলা, ওটস, বাদাম।
• এসব পুষ্টি উপাদান সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে—যা ভালো ঘুমের জন্য জরুরি হরমোন।

২. ক্যাফেইন গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করুন:
• ক্যাফেইন শরীরে ৬–৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে, যা ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাহত করে।
• বিকেলের পর চা, কফি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।

৩. রাতে স্ক্রিন টাইম কমান:
• মোবাইল/স্ক্রিনের ব্লু লাইট মেলাটোনিন উৎপাদন কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়।
• ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।

৪. নির্দিষ্ট ঘুমের সময় বজায় রাখুন:
• আমাদের শরীর নিয়ম মেনে চলতে পছন্দ করে।
• প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠা সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৫. রিলাক্সেশন টেকনিক অনুশীলন করুন:
• দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস কর্টিসল বাড়ায়, যা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।
• গভীর শ্বাস নেওয়া, মেডিটেশন বা হালকা স্ট্রেচিং অভ্যাস করুন।
🚫 যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন:
• অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী রাতের খাবার
• রাতের বেলা বারবার খাওয়া
• বিছানায় শুয়ে ফোন ব্যবহার
• অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি
✨ শেষ কথা:
ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়—এটি একটি প্রয়োজন।
সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত জীবনযাপন এবং মানসিক প্রশান্তির মাধ্যমে আপনি ওষুধ ছাড়াই আপনার ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনতে পারেন।


Nutritionist Eva

Hormonal Imbalance: শরীরের নীরব সংকেত—যা অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে! আমাদের শরীরের metabolism, mood, weight, এমনকি repr...
06/04/2026

Hormonal Imbalance: শরীরের নীরব সংকেত—যা অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে!

আমাদের শরীরের metabolism, mood, weight, এমনকি reproductive health—সবকিছুই হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

যখন এই হরমোনগুলো imbalance হয়ে যায়, তখন ধীরে ধীরে শরীর বিভিন্ন সংকেত দিতে শুরু করে—যা আমরা অনেক সময় অবহেলা করি।

⚠️ কীভাবে বুঝবেন Hormonal Imbalance হচ্ছে?

🔸 অনিয়মিত মাসিক / মাসিক বন্ধ
🔸 হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমতে না চাওয়া
🔸 অতিরিক্ত ক্ষুধা ও মিষ্টি খাওয়ার craving
🔸 Mood swing, anxiety, depression
🔸 ঘুমের সমস্যা (insomnia)
🔸 ব্রণ, চুল পড়া, মুখে অতিরিক্ত লোম
🔸 Conceive করতে সমস্যা
👉 বিশেষ করে (PCOS) থাকলে এই লক্ষণগুলো বেশি দেখা যায়।

🥗 Hormonal balance রাখতে কী খাবেন?
✅ Low GI Carbs:
✔️ লাল চাল, ওটস, ব্রাউন রাইস
✔️ শাকসবজি
👉 Blood sugar stable রাখে
•Healthy fat:
✔️ বাদাম, chia seed, flaxseed
✔️ সরিষার তেল / olive oil
👉Hormone তৈরিতে সাহায্য করে:
• Protein-rich food
✔️ ডিম, মাছ, ডাল
👉 Insulin balance & weight control
•Fiber-rich food
✔️ শাকসবজি, ফল
👉 Excess hormone body থেকে বের করতে সাহায্য করে
🍵 Hormone-friendly drinks
✔️ গ্রিন টি
✔️ দারুচিনি পানি
✔️ মেথি ভেজানো পানি

🚫 যা কম খাবেন:
❌ চিনি ও মিষ্টি
❌ soft drinks
❌ processed food
❌ অতিরিক্ত সাদা ভাত / ময়দা

💡 Nutritionist Insight
Hormonal imbalance হঠাৎ হয় না—
👉 এটা lifestyle + food habit এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব।

✨ Balanced diet
✨ Proper sleep
✨ Stress control
✨ Regular exercise
👉 এই ৪টাই hormonal balance ফিরিয়ে আনার মূল চাবিকাঠি।

Nutritionist Eva

🌙 ঈদুল ফিতর স্পেশাল: স্বাস্থ্যকর খাবারে হোক আনন্দের পরিপূর্ণতাঈদ মোবারক। রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে খুশির বার্তা...
20/03/2026

🌙 ঈদুল ফিতর স্পেশাল: স্বাস্থ্যকর খাবারে হোক আনন্দের পরিপূর্ণতা
ঈদ মোবারক। রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে খুশির বার্তা—ঈদুল ফিতর। এই দিনে টেবিল ভরে ওঠে সেমাই, ফিরনি, পোলাও, কাবাবসহ নানা লোভনীয় খাবারে।
তবে একজন সচেতন মানুষের লক্ষ্য হওয়া উচিত—আনন্দের সাথে স্বাস্থ্যও ঠিক রাখা

★ দিন শুরু হোক হালকা ও পুষ্টিকর খাবারে
ঈদের সকাল মানেই মিষ্টি খাবার 🍮
👉 সেমাই/ফিরনির সাথে রাখুন:
•সেদ্ধ ডিম
•দই
•বাদাম
✔ এতে ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কমে এবং দীর্ঘক্ষণ এনার্জি পাওয়া যায়।

★ ব্যালান্সড প্লেট—সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি
👉 একটি আদর্শ প্লেট হতে পারে:
•৫০% সবজি ও সালাদ
•২৫% প্রোটিন (মুরগি/গরু/খাসি)
•২৫% কার্বোহাইড্রেট (পোলাও/ভাত)
✔ এতে হজম ভালো হয় এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।

★ মিষ্টি খাওয়া হোক নিয়ন্ত্রিত
ঈদে মিষ্টি খাবার না হলে যেন উৎসবই অসম্পূর্ণ!
👉 তবে মনে রাখুন:
•অল্প পরিমাণে খান
•বারবার না খাওয়াই ভালো
•বিকল্প হিসেবে ফল বা খেজুর খান

★ প্রোটিন বেছে নিন বুঝে:
👉 অতিরিক্ত তেলযুক্ত ও চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলুন
👉 গ্রিল/স্টিম/হালকা রান্না করা খাবার বেছে নিন
✔ এতে ক্যালরি কম থাকবে, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে
•ফাইবার যোগ করুন প্রতিদিনের খাবারে
ঈদের খাবারে ফাইবার কম থাকায় হজমে সমস্যা হতে পারে।
👉 তাই রাখুন:
•শসা, গাজর, লেটুস
•ফল (পেঁপে, তরমুজ, আপেল)

💧পর্যাপ্ত পানি—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
👉 দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন
👉 কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন
🚶‍♀ খাবারের পর হালকা হাঁটা
👉 ১৫–২০ মিনিট হাঁটা হজমে সাহায্য করে
👉 শরীরকে রাখে হালকা ও সতেজ

⚠️ বিশেষ সতর্কতা:
•ডায়াবেটিস থাকলে মিষ্টি সীমিত করুন
•হার্টের রোগীরা তেল-চর্বি কম খান
•অতিরিক্ত ঝাল ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন

ঈদ মানে শুধু পেট ভরে খাওয়া নয়,
ঈদ মানে সুস্থ থেকে আনন্দ ভাগাভাগি করা।
“Eat smart, enjoy fully, stay healthy.

Nutritionist Eva

🍚 ভাত খেলে কি সত্যিই ওজন বাড়ে? বাংলাদেশে ভাত আমাদের প্রধান খাবার। তাই অনেকেই মনে করেন—“ভাত খেলেই মোটা হয়ে যায়।” কিন্ত...
14/03/2026

🍚 ভাত খেলে কি সত্যিই ওজন বাড়ে?

বাংলাদেশে ভাত আমাদের প্রধান খাবার। তাই অনেকেই মনে করেন—“ভাত খেলেই মোটা হয়ে যায়।” কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিষয়টা একটু ভিন্ন।

🔎 ওজন বাড়ে কেন?
ওজন বাড়ার মূল কারণ হলো শরীরে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করা। শুধু ভাত নয়—যে কোনো খাবার অতিরিক্ত খেলে শরীরে চর্বি জমতে পারে।

📊 ভাতের পুষ্টিগুণ ১ কাপ রান্না করা ভাতে প্রায় ২০০ ক্যালোরি থাকে এবং এটি মূলত কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস। সঠিক পরিমাণে খেলে ভাত শরীরকে শক্তি দেয়।

📚 গবেষণা কী বলছে?বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে:

✔ শুধুমাত্র ভাত খাওয়ার কারণে সরাসরি ওজন বাড়ে এমন শক্ত প্রমাণ নেই।
✔ তবে অতিরিক্ত সাদা ভাত এবং কম শারীরিক পরিশ্রম ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🥗 ওজন নিয়ন্ত্রণে ভাত কীভাবে খাবেন?
• প্রতি বেলায় ½–১ কাপ ভাত
• সাথে বেশি সবজি, ডাল ও প্রোটিন (মাছ/ডিম/মুরগি)
• সম্ভব হলে ব্রাউন বা লাল চাল ব্যবহার করুন
• নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন

✅ মনে রাখবেন:ভাত বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং পরিমাণ ও সুষম খাদ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি।

Nutritionist UH Eva

🌙 রমজানে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা: সঠিক সেহরি ও ইফতার নির্বাচন:রমজান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। তবে যারা ডায়াবেটিসে ভুগ...
07/03/2026

🌙 রমজানে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা: সঠিক সেহরি ও ইফতার নির্বাচন:

রমজান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। তবে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্য পরিকল্পনা খুবই জরুরি, যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল থাকে।
সঠিকভাবে পরিকল্পিত সেহরি ও ইফতারের খাবার রক্তে শর্করা কমে যাওয়া (Hypoglycemia) বা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া (Hyperglycemia) — দুটোই প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

পুষ্টিবিদদের মতে, রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্য পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে হবে—
✔️ লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কার্বোহাইড্রেট
✔️ পর্যাপ্ত প্রোটিন
✔️ আঁশসমৃদ্ধ খাবার
✔️ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
এগুলো দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
🌅 সেহরি: ধীরে হজম হয় এমন খাবার দিয়ে দিন শুরু করুন:
সেহরির খাবার এমন হওয়া উচিত যা দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাবে এবং হঠাৎ রক্তে শর্করা কমে যাওয়া প্রতিরোধ করবে।
✔️ জটিল কার্বোহাইড্রেট:
ওটস, আটার রুটি, ব্রাউন রাইস, বার্লি, ডাল।
✔️ প্রোটিনের উৎস:
ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল, ছোলা।
✔️ আঁশসমৃদ্ধ সবজি:
শসা, গাজর, টমেটো, শাকসবজি।
✔️ দুগ্ধজাত খাবার:
টক দই বা চিনি ছাড়া দই।
✔️ লো গ্লাইসেমিক ফল:
আপেল, পেয়ারা, কমলা।
💧 পানি পান গুরুত্বপূর্ণ:
সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করলে দিনের বেলা ডিহাইড্রেশন হওয়ার ঝুঁকি কমে।
🌙 ইফতার: ধীরে ও সচেতনভাবে রোজা ভাঙুন
দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর একসাথে বেশি খাবার বা বেশি মিষ্টি খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
ধাপ ১ – রোজা ভাঙা:
• ১–২টি খেজুর
• পানি বা লেবু পানি
ধাপ ২ – হালকা খাবার:
• তাজা সালাদ (শসা, টমেটো, গাজর)
• সিদ্ধ ছোলা বা ডালের স্যুপ
ধাপ ৩ – মূল খাবার:
• ১–২টি আটার রুটি বা অল্প পরিমাণ ব্রাউন রাইস
• মাছ, মুরগি বা ডালজাতীয় প্রোটিন
📌 অল্প অল্প করে ধীরে খেলে হঠাৎ রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
⚠️ যেসব খাবার সীমিত রাখা উচিত
ডায়াবেটিস রোগীদের নিচের খাবারগুলো যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত—
❌ অতিরিক্ত মিষ্টি ও ডেজার্ট
❌ চিনি যুক্ত পানীয় ও সফট ড্রিংকস
❌ ভাজাপোড়া খাবার (সমুচা, পাকোড়া, পিয়াজু, বেগুনি)
❌ অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন সাদা ভাত বা সাদা পাউরুটি
এসব খাবার দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
🩺 অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরামর্শ
✔️ নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন
✔️ ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔️ ইফতারের পর হালকা হাঁটা বা শারীরিক কার্যকলাপ করুন
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করবেন না
সঠিক খাদ্য পরিকল্পনা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে অনেক ডায়াবেটিস রোগীই নিরাপদে রোজা রাখতে পারেন।
Nutritionist UH Eva
Clinical Nutrition and Dietetics Training
BIRDEM General Hospital

CKD বা ক্রনিক কিডনি রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবেন? রোজা রাখতে পারলেও তাদের ইফতার এবং সেহরির খাবার কেমন হওয়া উচিত?➡️ রোজা র...
01/03/2026

CKD বা ক্রনিক কিডনি রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবেন? রোজা রাখতে পারলেও তাদের ইফতার এবং সেহরির খাবার কেমন হওয়া উচিত?

➡️ রোজা রাখা নিরাপদ কি না?

✅ কবে রোজা রাখা যেতে পারে:
যদি আপনার CKD Stage 1–3 হয় এবং কিডনি ফাংশন স্থিতিশীল থাকে, এবং ডাক্তার অনুমোদন দেন, তাহলে সীমিত নজরদারিতে রোজা রাখা যেতে পারে।

❌ কখন রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ:
Stage 4-5 CKD, অস্থির কিডনি ফাংশন, ডায়ালাইসিস, বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস/রক্তচাপ থাকলে রোজা রাখা সাধারণত নির্দেশ করা হয় না। আপনার ডাক্তার এই ব্যাপারে সেফটি অ্যাভালুয়েট করবেন।

🔸রোজার সময় কি খাওয়া উচিৎ?
(CKD অনুযায়ী)

রোজা থাকলে শুধু ইফতারই নয়, সেহরি এবং রাতের খাবার ভালোভাবে পরিকল্পনা করা দরকার।

🔸 পানি ও তরল:
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন (স্বাস্থ্য ও ডাক্তার নির্দেশ অনুযায়ী; সাধারণত ১.৫-২.৫ লিটার) কিন্তু একসাথে বেশি করে নয়, ধীরে পান করুন। একসাথে বেশি করে পানি পান করলে কিডনিতে চাপ পরার আশংকা থাকে।

🔸 পটাশিয়াম (Potassium) নিয়ন্ত্রণ
কিডনি রোগীদের জন্য কিছু ফল/সবজি সীমিত করতে হয়:
পটাশিয়াম-সমৃদ্ধ: কলা, কমলা, খেজুর (ডেট), টমেটো, পালং শাক — এগুলো সীমিত পরিমাণে রাখুন।

🔸প্রোটিন
আপনার কিডনি স্তর অনুসারে উচ্চ প্রোটিন খাবার সীমিত হতে পারে (বিশেষত যদি ডায়ালাইসিস না করেন)। কম চর্বিযুক্ত বা শ্বেত মাংস, মাছ বা ডিম ছোট মাত্রায় উপযোগী হতে পারে।

🔸 ইফতারের জন্য স্বাস্থ্যকর আইডিয়া:
বেশ ভারী বা অতিরিক্ত তেলের খাবার (ভাজাপোড়া, মিষ্টি) কিডনি ও রক্তচাপ বাড়াতে পারে, তাই,
▫️হালকা স্যুপ (কম লবণ)
▫️গ্রিল করা মাংস/মাছ
▫️পানি বেশি থাকা ফল (তরমুজ, আঙুর, আপেল)
▫️সবজি (কম পটাশিয়াম-সমৃদ্ধ)
▫️খুব বেশি মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

🔸 সেহরিতে খেতে পারেন:
কম লবণযুক্ত রুটি/ভাত, ডিম, দই, ওটস/জটিল কার্বোহাইড্রেট যা শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি দেয়।

⚠️ সতর্কতা
রোজার সময় যদি অল্প পানি পানেও ডিহাইড্রেশন, পেশীতে কাঁপুনি, খুব ক্লান্তি বা বমি মনে হয় — তৎক্ষণাত রোজা ভাঙুন এবং ডাক্তার সাথে যোগাযোগ করুন।
ডাক্তার এবং ডায়েটিশিয়ান-এর সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত কিডনি স্টেজ অনুযায়ী আলোচনা করে ডায়েট চার্ট বানানো সবচেয়ে নিরাপদ।

Nutritionist Eva
Internship at Kidney Foundation hospital.
(CND)at BIRDEM General Hospital

🌙 রমজানে পুষ্টিকর ও হেলদি সেহরিআসসালামু আলাইকুম,সবাইকে রমজানুল মোবারক।দেখতে দেখতে পবিত্র রমজানের ৫টি রোজা ইতোমধ্যেই চলে ...
25/02/2026

🌙 রমজানে পুষ্টিকর ও হেলদি সেহরি

আসসালামু আলাইকুম,
সবাইকে রমজানুল মোবারক।
দেখতে দেখতে পবিত্র রমজানের ৫টি রোজা ইতোমধ্যেই চলে গেল। কিন্তু এই রোজায় যারা এখনো স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর সেহরি করতে পারছেন না, তাদের জন্যই আজকের এই আলোচনা।

আজ আমরা কথা বলবো — পুষ্টিকর ও হেলদি সেহরি নিয়ে।

আমাদের সেহরি অবশ্যই হতে হবে পুষ্টিকর। কারণ দীর্ঘ ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা আমাদের না খেয়ে থাকতে হয়। তাই এমন খাবার বেছে নিতে হবে, যা—

•সহজে হজম হয়
•দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে
•শরীরে শক্তি জোগায়
•পানিশূন্যতা রোধে সাহায্য করে

🥗 কী ধরনের খাবার সেহরিতে রাখা উচিত?

✅ কার্বোহাইড্রেট (ধীরে হজম হয় এমন)
যেমন: ওটস, লাল চালের ভাত, আটার রুটি — এগুলো দীর্ঘক্ষণ এনার্জি দেয়।
✅ প্রোটিন
ডিম, ডাল, দুধ, দই — এগুলো পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
✅ ফল ও সবজি
কলা, আপেল, খেজুর, শসা — শরীরকে হাইড্রেট রাখে এবং ভিটামিন যোগায়।
✅ পর্যাপ্ত পানি
সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সারাদিন পানিশূন্যতা না হয়।
❌ যেগুলো এড়িয়ে চলা ভালো
•অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
•বেশি মসলাযুক্ত খাবার
•সফট ড্রিংকস
কারণ এগুলো দ্রুত ক্ষুধা ও পিপাসা বাড়িয়ে দেয়।
পরিশেষে বলতে চাই,
রমজান শুধু ইবাদতের মাস নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও স্বাস্থ্য সচেতনতারও মাস। তাই আসুন, আমরা সবাই পুষ্টিকর সেহরি গ্রহণ করি এবং সুস্থ থেকে রোজা পালন করি।

Nutritionist Eva

🌿 Anorexia Nervosa: যখন খাবার নয়, নিয়ন্ত্রণ হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় শত্রুAnorexia Nervosa কোনো সাধারণ dieting বা ওজন কমানোর চে...
30/01/2026

🌿 Anorexia Nervosa: যখন খাবার নয়, নিয়ন্ত্রণ হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় শত্রু

Anorexia Nervosa কোনো সাধারণ dieting বা ওজন কমানোর চেষ্টা নয়। এটি একটি গভীর মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতা, যেখানে খাবারের সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক ভেঙে পড়ে, আর নিজের শরীর সম্পর্কে ধারণা হয়ে ওঠে বিকৃত।

এই অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায়ই মনে করেন—

“আর একটু কম হলে ভালো,”
যদিও বাস্তবে শরীর ইতোমধ্যেই মারাত্মকভাবে দুর্বল।

🧠 Anorexia Nervosa আসলে কী?
এটি একটি Eating Disorder, যেখানে—
•ওজন বাড়ার প্রচণ্ড ভয় কাজ করে
•খাবারকে শত্রু ভাবা শুরু হয়
•নিজের শরীরকে ভুলভাবে মোটা মনে হয়
•Control আর perfection-এর চাপে খাবার সীমিত করা হয়।

এটি শুধু খাবার কম খাওয়ার বিষয় নয়—এটি হলো mind, body ও emotion-এর একটি জটিল লড়াই।

🔍 কেন Anorexia Nervosa হয়?
এটির পেছনে সাধারণত একাধিক কারণ একসাথে কাজ করে:
• মানসিক কারণ
•Low self-esteem
•Perfectionism
•Anxiety, depression

নিজের ওপর অতিরিক্ত কঠোর হওয়া

• সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চাপ
•Slim body = beautiful ধারণা
•Social media comparison
•Body shaming

🧬 জৈবিক কারণ
•Genetic predisposition
•Hormonal imbalance
•Brain chemistry পরিবর্তন
★ লক্ষণ যা অবহেলা করা উচিত নয়
শারীরিক লক্ষণ:
•খুব দ্রুত ওজন কমে যাওয়া
•দুর্বলতা, মাথা ঘোরা
•চুল পড়া, শুষ্ক ত্বক
•মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া
•আচরণ ও মানসিক লক্ষণ
•খাবার নিয়ে অতিরিক্ত ভয় ও guilty কাজ করা।
•অন্যদের সাথে খাবার না খাওয়া
•আয়নায় নিজেকে বারবার দেখা
•নিজেকে সবসময় “ভালো না” মনে হওয়া
•Social withdrawal ও irritability

Anorexia Nervosa-এর ক্ষেত্রে শুধু
❌ “ভালো করে খাও”
এই কথাটা কখনোই যথেষ্ট নয়।
তাই যা যা করতে হবে:
•শরীরকে ধীরে ধীরে nutritionally safe অবস্থায় ফিরিয়ে আনা
•খাবারের প্রতি ভয় কমানো
•Realistic ও flexible meal plan তৈরি করা
•শরীরকে আবার energy ও strength দিতে শেখানো
•Psychiatrist ও psychologist-এর সাথে teamwork করা

👉 Recovery কোনো তাড়াহুড়ার বিষয় নয়।
এটি সময় নেয়, ধৈর্য চায়, আর সবচেয়ে বেশি চায় সহানুভূতি।

⚠️ চিকিৎসা না করলে কী হতে পারে?
সময়মতো চিকিৎসা না হলে Anorexia Nervosa থেকে হতে পারে—
•Heart rhythm সমস্যা
•Bone density কমে যাওয়া (Osteoporosis)
•Fertility সমস্যা
•Severe depression
•এমনকি জীবননাশের ঝুঁকি

🌸 Anorexia Nervosa থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব 🌸
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এই সমস্যার মধ্যে থাকেন—
দয়া করে একা লড়াই করবেন না।
Professional help নেওয়াই সবচেয়ে শক্ত সিদ্ধান্ত।

Nutritionist UH Eva

Address

Dhaka
Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NutriCore By UH Eva posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category