ডা. আরশ উল্লাহ মিরাজ

ডা. আরশ উল্লাহ মিরাজ 'ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়'

একজন Ca liver/লিভার ক্যান্সারের প্যাশেন্টকে আজ ট্রিটমেন্ট দেওয়া হলো। প্যাশেন্টের বিলিরুবিন—11.04 mg/dL চোখ গুলো এতোটা হল...
03/07/2026

একজন Ca liver/লিভার ক্যান্সারের প্যাশেন্টকে আজ ট্রিটমেন্ট দেওয়া হলো।
প্যাশেন্টের বিলিরুবিন—11.04 mg/dL
চোখ গুলো এতোটা হলুদ হয়েছে যে প্যাশেন্টকে দেখে রীতিমত ভয় পেয়ে যাচ্ছিলাম 😴

ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তায়ালা উপশম দান করবেন!

আলহামদুলিল্লাহ! নারায়নগঞ্জ চেম্বার থেকে সিজোফ্রেনিয়া ও থাইরয়েডের অনলাইন প্যাশেন্টের জন্য চট্রগ্রামে এবং যাত্রাবাড়ী চেম্ব...
16/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ! নারায়নগঞ্জ চেম্বার থেকে সিজোফ্রেনিয়া ও থাইরয়েডের অনলাইন প্যাশেন্টের জন্য চট্রগ্রামে এবং যাত্রাবাড়ী চেম্বার থেকে অ্যাজোস্পার্মিয়ার প্যাশেন্টের জন্য
বগুড়া মেডিসিন পাঠানো হলো।

মহান আল্লাহর কাছে আমার সকল রোগীদের সুস্থতা কামনা করছি.....

𝙋𝙩𝙚𝙧𝙮𝙜𝙞𝙪𝙢Pterygium/টেরিজিয়াম বা চোখের মাংস বৃদ্ধি হলো চোখের সাদা অংশের উপর সৃষ্ট গোলাপী বা মাংসল রঙের একটি অস্বাভাবিক বৃ...
17/05/2026

𝙋𝙩𝙚𝙧𝙮𝙜𝙞𝙪𝙢
Pterygium/টেরিজিয়াম বা চোখের মাংস বৃদ্ধি হলো চোখের সাদা অংশের উপর সৃষ্ট গোলাপী বা মাংসল রঙের একটি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা আলগা পর্দা, যা সাধারণত চোখের কোণা থেকে শুরু হয়ে কর্নিয়া (চোখের স্বচ্ছ অংশ) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এটি কোনো ক্যান্সার বা মারাত্মক রোগ নয়, তবে বৃদ্ধি পেলে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হতে পারে। একে সাধারণত সাধারণ ভাষায় "চোখের মাংস বৃদ্ধি" বা "সার্ফারস আই" (Surfer's Eye) বলা হয়। পটেরিজিয়ামের লক্ষণ তীব্রতার সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, প্রায়শই বৃদ্ধির আকার এবং অগ্রগতির উপর নির্ভর করে। সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে: লালচেভাব এবং প্রদাহ, চুলকানি, ছিঁড়ে যাওয়া ভাব, শুষ্কতা, ঝাপসা দৃষ্টি (যদি কর্নিয়া আক্রান্ত হয়),
বাধাপ্রাপ্ত দৃষ্টি (গুরুতর ক্ষেত্রে)।

•Pterygium এর কারণ :
টেরিজিয়ামের সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট, তবে বেশ কয়েকটি কারণ এর বিকাশে অবদান রাখে বলে মনে করা হয়:

👉UV এক্সপোজার
অতিবেগুনী (UV) আলোর দীর্ঘায়িত এক্সপোজার হল pterygium-এর সাথে যুক্ত প্রাথমিক কারণগুলির মধ্যে একটি। যে ব্যক্তিরা পর্যাপ্ত চোখের সুরক্ষা ছাড়াই বাইরে উল্লেখযোগ্য সময় কাটায় তাদের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। এই কারণেই এই অবস্থা বিষুব রেখার কাছাকাছি বসবাসকারী, রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় এবং যারা নিয়মিত বাইরের ক্রিয়াকলাপগুলিতে কাজ করে বা নিযুক্ত তাদের মধ্যে বিরাজমান।

👉পরিবেশগত জ্বালাতনকারী
ধূলিকণা, বাতাস এবং ধোঁয়ার এক্সপোজারও পটেরিজিয়ামের বিকাশের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই পরিবেশগত কারণগুলি চোখকে জ্বালাতন করতে পারে, যা প্রদাহের দিকে পরিচালিত করে এবং টিস্যু বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়ায়।

👉জিনগত প্রবণতা
কিছু প্রমাণ রয়েছে যে জেনেটিক কারণগুলি একটি ভূমিকা পালন করতে পারে, কারণ পটেরিজিয়াম নির্দিষ্ট পরিবার বা জাতিগত গোষ্ঠীতে আরও ঘন ঘন ঘটতে পারে।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে Pterigium/ টেরিজিয়াম বা চোখের মাংস বৃদ্ধি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

৬৯, দক্ষিন যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা।
📞01403558870

প্রতিদিন আমাদের অনলাইন প্যাশেন্টদের জন্য ৮/১২ টি মেডিসিনের পার্সেল যায় এবং প্যাশেন্টের থেকে যেরকম দোয়া এবং ভালোবাসা পাই ...
17/05/2026

প্রতিদিন আমাদের অনলাইন প্যাশেন্টদের জন্য ৮/১২ টি মেডিসিনের পার্সেল যায় এবং প্যাশেন্টের থেকে যেরকম দোয়া এবং ভালোবাসা পাই তেমনি দু চারটা খারাপ অভিজ্ঞতাও হয় ।
কেইস টেকিং করানোর পর প্যাশেন্ট বলবে আমি চিকিৎসা নিতে চাচ্ছি না, আমি মেডিসিন পরে নিবো, আমার তো টাকা নেই হাতে, আজ না কয়েকদিন পরে নিবো..... ব্লা ব্লা

কেন ভাই আপনি কি আগে সিদ্ধান্তে আসতে পারেন না? আমার সময়, ফোন বিল নষ্ট না করে, একটি নতুন ফাইল নষ্ট না করে আগেই তো জানাতে পারেন এসব। তখন কেনো জানান না সমস্যা হলে কোনো?!

আপনাদের জন্য আমাদেরকে কঠিন নিয়ম করতে হয়। এখন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ট্রিটমেন্ট নিতে চাইলে পেমেন্ট নিয়ে তবেই হচ্ছে কেইসটেকিং করবো, প্রেসক্রিপশন করবো এবং মেডিসিন গুলো কুরিয়ার করবো!

আগে একসময় ক্যাশঅন ডেলিভারিতে মেডিসিন দিয়ে দিতাম। এখন দেই না। কারন মেডিসিন গুলো ফেরত আসলে আর কোনো প্যাশেন্টকে সেইম মেডিসিন দেওয়া যায়না আবার এমনও প্যাশেন্ট আছে যারা মেডিসিন খুলে খেয়ে মেডিসিন ব্যাক করে 🤦‍♂️
তো মোট কথা আপনাদের কারনেই নিয়ম গুলো জটিল করতে হয়। এখানে আমি বাধ্য আমাকে করার কিছুই থাকে না।

ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, দোয়া রাখবেন সকলে আমার এবং আমার রোগীদের জন্য!!!

__ডা. আরশ উল্লাহ মিরাজ

𝙋𝙧𝙚𝙢𝙖𝙩𝙪𝙧𝙚 𝙀𝙟𝙖𝙘𝙪𝙡𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣 Premature Ej*******on(PE) বা দ্রুত বীর্যপাত একটি যৌন অসুবিধা; যেখানে একটি মানুষ তার পুরুষাঙ্গের দৃ...
12/05/2026

𝙋𝙧𝙚𝙢𝙖𝙩𝙪𝙧𝙚 𝙀𝙟𝙖𝙘𝙪𝙡𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣
Premature Ej*******on(PE) বা দ্রুত বীর্যপাত একটি যৌন অসুবিধা; যেখানে একটি মানুষ তার পুরুষাঙ্গের দৃঢ়তা বজায় রাখতে অক্ষম। ফলে যৌন সঙ্গম শুরু করার এক থেকে দেড় মিনিট সময়ের আগে তথা চূড়ান্ত মুহূর্তের পূর্বেই বীর্য স্খলন হয়ে কিংবা সংঙ্গম শুরুর পূর্বেই শুধুমাত্র সঙ্গীর কাছাকাছি আসার ফলেই বীর্যপাত হয়ে যায়।
৩০% থেকে ৪০% পুরুষ তাদের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে অকাল বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা লাভ করে। এই অবস্থা একজন পুরুষ মানুষকে বিশেষভাবে বিব্রত করে এবং মানসিকভাবে চাপে রাখে। ফল স্বরুপ সঙ্গিনীর সাথে সম্পর্ককে নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
যাদের সমস্যা গুরুতর, চিকিৎসা না করালে তাদের মানসিক চাপ বাড়তে থাকে ফলশ্রুতিতে সমস্যা আরো গুরুতর রুপ নেয়।
প্রায়ই এই ত্রুটি শিশুর জন্মদানে সমস্যা সৃষ্টি করে কারণ দ্রুত বীর্যপাতের জন্য বীর্য যোনিতে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়।

• প্রধান কারণসমূহ:

👉 মানসিক কারণ বা Psychological Causes:
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ, কাজের চাপ বা পারফর্মেন্স অ্যাংজাইটি, সম্পর্কের টানাপোড়েন, পার্টনারের সাথে বোঝাপড়ার অভাব বা কলহ, যৌন ভীতি, অজ্ঞতা তথা ছোটবেলায় যৌনতা সম্পর্কে ভুল ধারণা বা ভয়, বিষণ্নতা বা Depression এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক হতাশার মতো কারনগুলি দ্রুত বীর্যপাত বা Premature Ej*******on এর মানসিক বা Psychological কারন হিসেবে রয়েছে

👉 শারীরিক ও জৈবিক কারণ বা physical/Biological Causes:
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তথা থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বা টেস্টোস্টেরন হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা, নিউরোট্রান্সমিটারের সমস্যা তথা মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান (যেমন- সেরোটোনিন) এর মাত্রা কমে যাওয়া, প্রোস্টেট বা মূত্রনালীর সংক্রমণ হওয়া, নার্ভের বা স্নায়ুতন্ত্রের কোনো ত্রুটি।
এধরনের সমস্যা গুলো Premature Ej*******on তথা দ্রুত বীর্যপাতের শারীরিক/ জৈবিক বা Physical/Biological কারন গুলোর মধ্যে অন্যতম।

👉 অন্যান্য কারণ বা Others Causes:
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন(Musterbation), শৈশবে বা অল্প বয়সে বীর্যপাতের অভ্যাস তৈরি হয়ে যাওয়া, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ Premature Ej*******on বা দ্রুত বীর্যপাতের কারন হিসেবে রয়েছে।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে Premature Ej*******on (PE) তথা দ্রুত বীর্যপাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৬৯, দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা।
📞01403558870

𝘼𝙯𝙤𝙤𝙨𝙥𝙚𝙧𝙢𝙞𝙖            অ্যাজোস্পার্মিয়া-Azoospermia হলো এমন একটি ক্লিনিক্যাল অবস্থা যেখানে পুরুষের বীর্যে কোনো শুক্রাণু...
28/04/2026

𝘼𝙯𝙤𝙤𝙨𝙥𝙚𝙧𝙢𝙞𝙖
অ্যাজোস্পার্মিয়া-Azoospermia হলো এমন একটি ক্লিনিক্যাল অবস্থা যেখানে পুরুষের বীর্যে কোনো শুক্রাণু থাকে না। যা পুরুষ বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ।

অ্যাজোস্পার্মিয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে। অ্যাজোস্পার্মিয়ার প্রধান কারণ হলো হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, সংক্রমণ, আঘাত বা জেনেটিক সমস্যা।

👉অ্যাজোস্পার্মিয়া-Azoospermia র ধরন ও কারণ:
★অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজোস্পার্মিয়া–Obstructive Azoospermia : যখন শুক্রাণু সাধারণত অণ্ডকোষে উৎপাদিত হয় কিন্তু প্রজনন নালীতে বাধা বা বাধার কারণে বীর্যে পৌঁছাতে পারে না। বিভিন্ন কারনে অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজোস্পার্মিয়া হতে পারে। যেমন;

•প্রজনন নালীতে বাধা: ভাস ডিফারেন্স, এপিডিডাইমিস, বা বীর্যপাত নালীতে বাধা শুক্রাণুকে বীর্যে নির্গত হতে বাধা দিতে পারে।
•জন্মগতভাবে ভ্যাস ডিফেরেন্সের অনুপস্থিতি: একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে জন্ম থেকেই ভ্যাস ডিফারেন্স (অণ্ডকোষ থেকে শুক্রাণু বহনকারী টিউব) অনুপস্থিত থাকে।
•সংক্রমণ: যৌনবাহিত সংক্রমণ বা এপিডিডাইমাইটিসের মতো পূর্ববর্তী সংক্রমণের ফলে প্রজনন পথে দাগ এবং বাধা দেখা দিতে পারে।
•অস্ত্রোপচার বা আঘাত: অতীতের শ্রোণী-অঞ্চল বা প্রজনন অঙ্গের অস্ত্রোপচার কিংবা আঘাতের ফলে কাঠামোগত বাধা দেখা দিতে পারে।

★নন-অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজোস্পার্মিয়া – Non-obstructive Azoospermia: যখন অণ্ডকোষে শুক্রাণু উৎপাদনে সমস্যা হয় তাকে না। এটি বিভিন্ন কারনে হতে পারে। যেমন:

•হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: FSH (ফলিকেল-উত্তেজক হরমোন) বা LH (লুটেইনাইজিং হরমোন) এর মতো হরমোনের নিম্ন স্তর শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে।
•জেনেটিক অবস্থা: ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম বা ওয়াই ক্রোমোজোম মাইক্রোডিলিটেশনের মতো ব্যাধিগুলি স্বাভাবিক শুক্রাণু বিকাশে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
•অণ্ডকোষ ব্যর্থতা: ভ্যারিকোসিল, মাম্পস-সম্পর্কিত অর্কাইটিস, আঘাত, অথবা রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির সংস্পর্শে আসার মতো অবস্থা শুক্রাণু উৎপাদনে ব্যর্থতার কারণ হতে পারে।
•ওষুধ এবং টক্সিন: কিছু ওষুধ, অ্যানাবলিক স্টেরয়েড, পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থ এবং বিনোদনমূলক ওষুধের ব্যবহার শুক্রাণু উৎপাদনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
•ভ্যারিকোসিল: অণ্ডকোষের বর্ধিত শিরাগুলি অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বাড়ায় এবং শুক্রাণু উৎপাদনের ক্ষতি করতে পারে।
•অনাক্রম্য অণ্ডকোষ: যদি বিকাশের সময় একটি বা উভয় অণ্ডকোষ অণ্ডকোষে প্রবেশ না করে, তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসা না করা হলে শুক্রাণু উৎপাদন প্রভাবিত হতে পারে।

•অটোইমিউন ডিসঅর্ডার: রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে শুক্রাণু কোষকে আক্রমণ করতে পারে এবং ক্ষতি করতে পারে, যার ফলে বীর্যে শুক্রাণু কমে যায় বা অনুপস্থিত থাকে।

👉অ্যাজোস্পার্মিয়া-Azoospermia র লক্ষণ:
বাহ্যিকভাবে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে সন্তান ধারণে ব্যর্থতার সময় অথাৎ বন্ধ্যাত্বের লক্ষনের মাধ্যমে এটি ধরা পড়ে

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে অ্যাজোস্পার্মিয়া-Azoospermia থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

৬৯, দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা।
📞01403-558870

♻️ Infertility বা বন্ধ্যাত্ব !!!            💠 বন্ধ্যাত্ব বা Infertility হলো; এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত, অরক্ষি...
23/04/2026

♻️ Infertility বা বন্ধ্যাত্ব !!!
💠 বন্ধ্যাত্ব বা Infertility হলো; এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত, অরক্ষিত ভাবে যৌন মিলনে অংশগ্রহন করা সত্ত্বেও গর্ভধারণ করতে না পারা একটি প্রজননগত অবস্থা।
বন্ধ্যাত্ব একটি জটিল সমস্যা যেখানে বেশিরভাগ দম্পতি এবং পরিবারের সদস্যরা অন্তর্নিহিত কারণগুলি বোঝেন না। বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে প্রচলিত মিথ এবং ভুল ধারণা আছে। মনে করা হয় বন্ধ্যাত্বের জন্য শুধু নারীগনই দায়ী। কিন্তু পুরুষগনও বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী হয়ে থাকেন। আজকের আলোচনায় নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী কারন ও লক্ষন গুলো উল্লেখ করা হলো:

👉 বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ : -
বন্ধ্যাত্ব দুই ধরনের হয়ে থাকে।

🔸 প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব: কমপক্ষে এক বছর চেষ্টা করেও কখনও গর্ভধারণ করতে না পারা।
🔸 সেকেন্ডারি বন্ধ্যাত্ব: এক বা একাধিক বার পূর্বে গর্ভধারণ হয়ে ছিলো; কিন্তু এখন আবার গর্ভ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করেও সক্ষম না হওয়া

👉 মহিলা বন্ধ্যাত্বের কারন : -

নারী বন্ধ্যাত্ব বিশ্বব্যাপী অনেক নারীর উপর প্রভাব ফেলে। মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের কিছু সাধারণ কারণ নিম্নরূপ:

🔸 সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল ডিম্বস্ফোটন সমস্যা, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী। পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা PCOS, হরমোন ভারসাম্যহীনতা যা ডিম্বস্ফোটনে প্রভাবিত করে।
অন্যান্য ডিম্বস্ফোটন-সম্পর্কিত সমস্যাগুলির মধ্যে রয়েছে হাইপোথ্যালামিক কর্মহীনতা এবং প্রাথমিক ডিম্বাশয়ের অপ্রতুলতা।
🔸 ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লকেজ বা ক্ষতি: প্রায়ই পেলভিক প্রদাহজনিত রোগ বা পূর্ববর্তী পেলভিক সার্জারির কারণে, অথবা ফ্যালোপিয়ান টিউবের ব্লকেজের কারনে শুক্রাণুকে ডিম্বাণুতে পৌঁছাতে বাধা দিতে পারে।
🔸 এন্ডোমেট্রাইসিস (জরায়ুর বাইরে জরায়ুর টিস্যু বৃদ্ধি পায়) গর্ভধারণে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
🔸 ফাইব্রয়েড বা অস্বাভাবিক আকারের মতো জরায়ুর সমস্যাও একটি ভূমিকা পালন করতে পারে।
🔸 কিছু সার্ভিকাল সমস্যা, যেমন স্টেনোসিস বা অপর্যাপ্ত শ্লেষ্মা উৎপাদন, বন্ধ্যাত্বের জন্য অবদান রাখতে পারে।
🔸 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
🔸 কিছু ক্ষেত্রে, কারণটি ব্যাখ্যাতীত থেকে যায়, সম্ভবত উভয় অংশীদারের মধ্যে ছোটখাটো কারণগুলির সংমিশ্রণের কারণে।
🔸 কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ এবং ড্রাগও মহিলা বন্ধ্যাত্বকে প্রভাবিত করতে পারে, যেমন: কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপি, দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ মাত্রার নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ ব্যবহার, বিনোদনমূলক ড্রাগ যেমন কোকেইন এবং মারিজুয়ানা বন্ধ্যাত্বের কারন হতে পারে।

👉 মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের লক্ষন : -

মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের প্রধান লক্ষণ হল নিয়মিত, অরক্ষিত যৌন মিলনের পুরো এক বছর পর গর্ভবতী হতে না পারা। যাইহোক, অন্যান্য লক্ষণ সম্ভাব্য উর্বরতা সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে....

🔸 অনিয়মিত মাসিক চক্র তথা 21 দিনের কম বা 35 দিনের বেশি স্থায়ী হয়, ডিম্বস্ফোটনের সাথে সমস্যার পরামর্শ দিতে পারে
🔸 মহিলারা খুব ভারী বা বেদনাদায়ক পিরিয়ডও অনুভব করতে পারে, যা সম্ভাব্য endometriosis নির্দেশ করতে পারে
🔸 যন্ত্রনাদায়ক মিলন, যা ডিজপেরোনিয়া নামে পরিচিত। এটি উর্বরতাকে প্রভাবিত করে এমন অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলি নির্দেশ করতে পারে।
🔸কিছু মহিলা অব্যক্ত ওজন বৃদ্ধি লক্ষ্য করতে পারে, গুরুতর ব্রণ, বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে মুখের চুলের বৃদ্ধি।

👉 মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ : -

🔸মাদক ও অ্যালকোহল সেবন এড়িয়ে চলুন
🔸অল্প বয়সে গর্ভবতী হওয়ার চেষ্টা করুন
🔸একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন
🔸আপনার যৌন জীবনধারা নিরাপদ থাকুন


👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের কারন : -

🔸 বীর্য বা Semen এর সমস্যা: এটি তরল যা যৌন উত্তেজনার সময় পুরুষের লিঙ্গ থেকে নির্গত হয় এবং এতে তরল অংশ এবং শুক্রাণু থাকে। এই শুক্রানু মহিলাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয়ে গর্ভ সৃষ্টি করে। সিমেনে থাকা এই শুক্রানু সমস্যার জন্য বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হয়ে থাকে। শুক্রানুর নিম্নলিখিত সমস্যা হয়ে থাকে....

▫️শুক্রাণু না থাকা : যখন একজন পুরুষের বীর্যপাত হয় তখন তার বীর্যে কোন শুক্রানু নাও থাকতে পারে। এ অবস্থাকে অ্যাজোস্পার্মিয়া বলা হয়
▫️শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া: এটি অন্যান্য পুরুষদের তুলনায় কম সংখ্যক শুক্রাণুকে উল্লেখ করা হয়।
▫️শুক্রাণুর গতিশীলতা: এই অবস্থাটিকে শুক্রাণুর সাঁতার কাটাতে অক্ষমতা বলে উল্লেখ করা হয়।
▫️অস্বাভাবিক শুক্রাণু: কখনো কখনো শুক্রাণু অস্বাভাবিক আকৃতির হয়ে থাকে যা ডিম্বানুকে নিষিক্ত করতে অক্ষম হয়।

🔸 অন্ডকোষের ডিজিজ: অন্ডকোষের ইনফেকশন, সার্জারী কিংবা ক্যান্সারের কারনে সিমেন উৎপাদনে বিগ্ন ঘটে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
🔸 অণ্ডকোষে ভেরিকোজ ভেইন বা ভেরিকোসিল থাকা।
🔸 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: টেস্টোস্টেরনের মতো হরমোনের সমস্যা শুক্রাণু উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে।
🔸 জেনেটিক ফ্যাক্টর: কিছু জিনগত অবস্থার কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
🔸 মেডিসিন বা মাদকদ্রব গ্রহন: বিভিন্ন ধরনের মেডিসিন বা ড্রাগ গ্রহনও পুরুষ প্রজনন ক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ:

🔸 এক বছর চেষ্টা করার পরেও সন্তান ধারণে অক্ষমতা হল প্রাথমিক লক্ষণ।
🔸 কিছু পুরুষের যৌন কর্মহীনতা বা অণ্ডকোষে ব্যথা অনুভব হতে পারে।

👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের প্রতিরোধ : -

🔸 ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং মাদকের ব্যবহারের মতো জীবনযাত্রার কারণগুলি বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। তাই জীবনযাত্রায় এগুলা পরিত্যাগ করতে হবে।
🔸 পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থ এবং কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের সংস্পর্শে আসাও ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
🔸 স্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবনধারন ও সুষম খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি পোশাক পরিচ্ছেদে বিশেষ খেয়াল রাখা তথা অতিরিক্ত আটসাট পোশাক পরিধান না করা।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের "Infertility বা বন্ধ্যাত্ব" থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

৬৯, দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা
📞01403-558870

♻️ Infertility বা বন্ধ্যাত্ব !             💠 বন্ধ্যাত্ব বা Infertility হলো; এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত, অরক্ষিত...
18/11/2025

♻️ Infertility বা বন্ধ্যাত্ব !

💠 বন্ধ্যাত্ব বা Infertility হলো; এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত, অরক্ষিত ভাবে যৌন মিলনে অংশগ্রহন করা সত্ত্বেও গর্ভধারণ করতে না পারা একটি প্রজননগত অবস্থা।
বন্ধ্যাত্ব একটি জটিল সমস্যা যেখানে বেশিরভাগ দম্পতি এবং পরিবারের সদস্যরা অন্তর্নিহিত কারণগুলি বোঝেন না। বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে প্রচলিত মিথ এবং ভুল ধারণা আছে। মনে করা হয় বন্ধ্যাত্বের জন্য শুধু নারীগনই দায়ী। কিন্তু পুরুষগনও বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী হয়ে থাকেন। আজকের আলোচনায় নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী কারন ও লক্ষন গুলো উল্লেখ করা হলো:

👉 বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ : -
বন্ধ্যাত্ব দুই ধরনের হয়ে থাকে।

🔸 প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব: কমপক্ষে এক বছর চেষ্টা করেও কখনও গর্ভধারণ করতে না পারা।
🔸 সেকেন্ডারি বন্ধ্যাত্ব: এক বা একাধিক বার পূর্বে গর্ভধারণ হয়ে ছিলো; কিন্তু এখন আবার গর্ভ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করেও সক্ষম না হওয়া

👉 মহিলা বন্ধ্যাত্বের কারন : -

নারী বন্ধ্যাত্ব বিশ্বব্যাপী অনেক নারীর উপর প্রভাব ফেলে। মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের কিছু সাধারণ কারণ নিম্নরূপ:

🔸 সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল ডিম্বস্ফোটন সমস্যা, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী। পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা PCOS, হরমোন ভারসাম্যহীনতা যা ডিম্বস্ফোটনে প্রভাবিত করে।
অন্যান্য ডিম্বস্ফোটন-সম্পর্কিত সমস্যাগুলির মধ্যে রয়েছে হাইপোথ্যালামিক কর্মহীনতা এবং প্রাথমিক ডিম্বাশয়ের অপ্রতুলতা।
🔸 ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লকেজ বা ক্ষতি: প্রায়ই পেলভিক প্রদাহজনিত রোগ বা পূর্ববর্তী পেলভিক সার্জারির কারণে, অথবা ফ্যালোপিয়ান টিউবের ব্লকেজের কারনে শুক্রাণুকে ডিম্বাণুতে পৌঁছাতে বাধা দিতে পারে।
🔸 এন্ডোমেট্রাইসিস (জরায়ুর বাইরে জরায়ুর টিস্যু বৃদ্ধি পায়) গর্ভধারণে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
🔸 ফাইব্রয়েড বা অস্বাভাবিক আকারের মতো জরায়ুর সমস্যাও একটি ভূমিকা পালন করতে পারে।
🔸 কিছু সার্ভিকাল সমস্যা, যেমন স্টেনোসিস বা অপর্যাপ্ত শ্লেষ্মা উৎপাদন, বন্ধ্যাত্বের জন্য অবদান রাখতে পারে।
🔸 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
🔸 কিছু ক্ষেত্রে, কারণটি ব্যাখ্যাতীত থেকে যায়, সম্ভবত উভয় অংশীদারের মধ্যে ছোটখাটো কারণগুলির সংমিশ্রণের কারণে।
🔸 কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ এবং ড্রাগও মহিলা বন্ধ্যাত্বকে প্রভাবিত করতে পারে, যেমন: কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপি, দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ মাত্রার নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ ব্যবহার, বিনোদনমূলক ড্রাগ যেমন কোকেইন এবং মারিজুয়ানা বন্ধ্যাত্বের কারন হতে পারে।

👉 মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের লক্ষন : -

মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের প্রধান লক্ষণ হল নিয়মিত, অরক্ষিত যৌন মিলনের পুরো এক বছর পর গর্ভবতী হতে না পারা। যাইহোক, অন্যান্য লক্ষণ সম্ভাব্য উর্বরতা সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে....

🔸 অনিয়মিত মাসিক চক্র তথা 21 দিনের কম বা 35 দিনের বেশি স্থায়ী হয়, ডিম্বস্ফোটনের সাথে সমস্যার পরামর্শ দিতে পারে
🔸 মহিলারা খুব ভারী বা বেদনাদায়ক পিরিয়ডও অনুভব করতে পারে, যা সম্ভাব্য endometriosis নির্দেশ করতে পারে
🔸 যন্ত্রনাদায়ক মিলন, যা ডিজপেরোনিয়া নামে পরিচিত। এটি উর্বরতাকে প্রভাবিত করে এমন অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলি নির্দেশ করতে পারে।
🔸কিছু মহিলা অব্যক্ত ওজন বৃদ্ধি লক্ষ্য করতে পারে, গুরুতর ব্রণ, বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে মুখের চুলের বৃদ্ধি।

👉 মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ : -

🔸মাদক ও অ্যালকোহল সেবন এড়িয়ে চলুন
🔸অল্প বয়সে গর্ভবতী হওয়ার চেষ্টা করুন
🔸একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন
🔸আপনার যৌন জীবনধারা নিরাপদ থাকুন


👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের কারন : -

🔸 বীর্য বা Semen এর সমস্যা: এটি তরল যা যৌন উত্তেজনার সময় পুরুষের লিঙ্গ থেকে নির্গত হয় এবং এতে তরল অংশ এবং শুক্রাণু থাকে। এই শুক্রানু মহিলাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয়ে গর্ভ সৃষ্টি করে। সিমেনে থাকা এই শুক্রানু সমস্যার জন্য বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হয়ে থাকে। শুক্রানুর নিম্নলিখিত সমস্যা হয়ে থাকে....

▫️শুক্রাণু না থাকা : যখন একজন পুরুষের বীর্যপাত হয় তখন তার বীর্যে কোন শুক্রানু নাও থাকতে পারে। এ অবস্থাকে অ্যাজোস্পার্মিয়া বলা হয়
▫️শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া: এটি অন্যান্য পুরুষদের তুলনায় কম সংখ্যক শুক্রাণুকে উল্লেখ করা হয়।
▫️শুক্রাণুর গতিশীলতা: এই অবস্থাটিকে শুক্রাণুর সাঁতার কাটাতে অক্ষমতা বলে উল্লেখ করা হয়।
▫️অস্বাভাবিক শুক্রাণু: কখনো কখনো শুক্রাণু অস্বাভাবিক আকৃতির হয়ে থাকে যা ডিম্বানুকে নিষিক্ত করতে অক্ষম হয়।

🔸 অন্ডকোষের ডিজিজ: অন্ডকোষের ইনফেকশন, সার্জারী কিংবা ক্যান্সারের কারনে সিমেন উৎপাদনে বিগ্ন ঘটে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
🔸 অণ্ডকোষে ভেরিকোজ ভেইন বা ভেরিকোসিল থাকা।
🔸 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: টেস্টোস্টেরনের মতো হরমোনের সমস্যা শুক্রাণু উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে।
🔸 জেনেটিক ফ্যাক্টর: কিছু জিনগত অবস্থার কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
🔸 মেডিসিন বা মাদকদ্রব গ্রহন: বিভিন্ন ধরনের মেডিসিন বা ড্রাগ গ্রহনও পুরুষ প্রজনন ক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ:

🔸 এক বছর চেষ্টা করার পরেও সন্তান ধারণে অক্ষমতা হল প্রাথমিক লক্ষণ।
🔸 কিছু পুরুষের যৌন কর্মহীনতা বা অণ্ডকোষে ব্যথা অনুভব হতে পারে।

👉পুরুষ বন্ধ্যাত্বের প্রতিরোধ : -

🔸 ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং মাদকের ব্যবহারের মতো জীবনযাত্রার কারণগুলি বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। তাই জীবনযাত্রায় এগুলা পরিত্যাগ করতে হবে।
🔸 পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থ এবং কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের সংস্পর্শে আসাও ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
🔸 স্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবনধারন ও সুষম খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি পোশাক পরিচ্ছেদে বিশেষ খেয়াল রাখা তথা অতিরিক্ত আটসাট পোশাক পরিধান না করা।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের "Infertility বা বন্ধ্যাত্ব" থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

৬৯, দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা
📞01403-558870

𝙂𝙖𝙣𝙜𝙡𝙞𝙤𝙣           গ্যাংলিয়ন এক ধরণের ক্যান্সার বিহীন টিউমার তথা সিস্ট যা অস্থিসন্ধি, আঙ্গুল, কবজি, গোড়ালি বা পায়ের প...
16/11/2025

𝙂𝙖𝙣𝙜𝙡𝙞𝙤𝙣
গ্যাংলিয়ন এক ধরণের ক্যান্সার বিহীন টিউমার তথা সিস্ট যা অস্থিসন্ধি, আঙ্গুল, কবজি, গোড়ালি বা পায়ের পাতার নীচের অংশের টেন্ডন বা জয়েন্টের উপরে হয়। এটি প্রায়শই কব্জির পিছনের অংশে দেখা যায়, তাছাড়া কব্জির সামনের দিকেও দেখা যায়। সাধারণত কোন উপসর্গ ছাড়াই এটা প্রায় কয়েক মাসের মধ্যে শুরু হতে পারে। মাঝে মাঝে ব্যথা বা অসাড়তা দেখা দিতে পারে। এটা দেখতে তরল থলির মত দেখায়। এর ভেতরে ঘন, বর্ণহীন, স্বচ্ছ, আঠালো ও জেলির ন্যায় উপাদান থাকে। যা একটি বিনাইন বা অনপকারী তরলভর্তি লাম্প বা পিণ্ড। আকারের উপর ভিত্তি করে সিস্ট দৃঢ় বা ফাঁপা হতে পারে।
গ্যাংলিয়ন সিস্টকে গ্যাংলিয়া, সাইনোভিয়াল সিস্ট, বাইবেল সিস্ট বা বাইবেল বাম্পসও বলা হয়।

•গ্যাংলিয়ন সিস্টের কারন : -
গ্যাংলিয়ন সিস্ট হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়াটি সায়নোভিয়াল ঝিল্লির আউট পাউচিং জড়িত বলে বিশ্বাস করা হয়। ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে জিমন্যাস্টিকস কার্যকলাপ অন্তর্ভুক্ত। জয়েন্ট বা টেন্ডনের যন্ত্রণা বা যান্ত্রিক পরিবর্তনের ফলে এই সমস্যাটি বাড়তে পারে। যাদের অষ্টিও আরথ্রাইটিস আছে এবং জয়েন্ট বা টেন্ডনে আঘাত প্রাপ্ত হলেও গ্যাংলিয়ন সিস্ট হতে পারে।
এছাড়াও জয়েন্ট বা টেন্ডনে আগের আঘাতগুলি সিস্ট গঠনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

• গ্যাংলিয়ন সিস্টের লক্ষণ : -
👉দৃশ্যমান পিণ্ড:
গ্যাংলিয়ন সিস্টের সবচেয়ে সুস্পষ্ট লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হল একটি দৃশ্যমান পিণ্ড। এই সিস্টগুলির আকার একটি মটর থেকে একটি গল্ফ বল পর্যন্ত হতে পারে এবং সাধারণত স্পর্শে নরম হয়। প্রায়শ এটিতে পারফেক্ট গোলাকার প্রান্ত থাকবে এবং এটিকে চেপে বা ঠেলে সামান্য নড়ানো যাবে। এটি ছোট হতে পারে আবার খুব একটা ছোট নাও হতে পারে।

👉ব্যথা এবং অস্বস্তি:
যদিও অনেক গ্যাংলিয়ন সিস্ট ব্যথাহীন, কিছু কিছু অস্বস্তির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন তারা একটি স্নায়ুর উপর চাপ দেয় ফলে কখনো কখনো ব্যথা হতে পারে। এসব সিস্ট গেলাটিনাস ফ্লুইড বা সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে(যা জয়েন্টকে পিচ্ছিল ও মসৃণ করে) পূর্ণ থাকলেও তারা প্রায়ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিতভাবে শক্ত থাকে। গ্যাংলিয়ন শক্ত অনুভূত হলেও আপনি যখন এতে চাপ দেবেন তখন বুঝতে পারবেন যে এটিতে দৃঢ় তরল আছে

👉সীমাবদ্ধ নড়াচড়া:
যদি সিস্ট বড় হয় বা এমনভাবে অবস্থান করে যা জয়েন্ট বা টেন্ডনকে প্রভাবিত করে, তাহলে এটি আপনার গতির পরিধিকে সীমিত করতে পারে বা নড়াচড়াকে শক্ত বোধ করতে পারে

👉অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ :
যেসব ক্ষেত্রে সিস্ট স্নায়ুতে চাপ দিচ্ছে, সেক্ষেত্রে আপনি আক্রান্ত স্থানে অসাড়তা, ঝিঁঝিঁ পোকা বা "পিন এবং সূঁচ" সংবেদন অনুভব করতে পারেন।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে গ্যাংলিয়ন সিস্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

৬৯, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা।
📞01403-558870

12/11/2025

💠 Acne Vulgaris বা ব্রন

👉 Acne vulgaris হলো ব্রণের একটি সাধারণ নাম, যা ত্বকের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ। এটি মূলত তৈলগ্রন্থির অতিরিক্ত তৈল বা 'সেবাম' উৎপাদনের কারণে হয়, যা লোমকূপকে আটকে দেয় এবং এর ফলে ত্বক লাল হয়ে যায়, ফুলে ওঠে এবং ব্রণ, পিম্পল বা সিস্ট তৈরি করে।

💠 acne vulgaris বা ব্রনের প্রকারভেদ : -

ব্রণকে প্রকৃতি, তীব্রতা ও অবস্থানের ভিত্তিতে নিম্নলিখিত শ্রেণীতে ভাগ করা হয় -

▫️গ্রেড ওয়ান: এতে থাকে ব্ল্যাকহেড, হোয়াইটহেড ও কয়েকটি প্যাপুল

▫️গ্রেড টু: বেশ কিছু প্যাপুল ও পাশ্চুল, বড় ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড।

▫️গ্রেড থ্রি : এর মধ্যে পড়ে অনেক প্যাপুল, পাশ্চুল ও মাঝে মাঝে প্রদাহযুক্ত নডিউল

▫️গ্রেড ফোর: বেশ কিছু বড় ও যন্ত্রণাদায়ক পাশ্চুল, নডিউল, বড় সিস্ট এবং অ্যাবসেস

💠 Acne vulgaris বা ব্রনের কারণ : -

▫️অতিরিক্ত তেল উৎপাদন: ত্বকের তৈলগ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত সেবাম উৎপন্ন হলে তা লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়।
▫️মৃত কোষ এবং ময়লা: মৃত কোষ এবং ময়লা জমে লোমকূপের ছিদ্র বন্ধ করে দেয়।

▫️ব্যাকটেরিয়া: এই মৃত কোষ ও ময়লার স্তরের উপর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, যা প্রদাহ সৃষ্টি করে।

▫️জেনেটিক কারণ: প্রায় ৮০% ক্ষেত্রে ব্রণের সংবেদনশীলতা জিনগত কারণে হয়।

▫️হরমোনের পরিবর্তন: হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও ব্রণ হতে পারে।

💠 Acne vulgaris বা ব্রনের লক্ষণ : -

▫️ছোট লাল, কোমল ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে যাকে বলা হয় প্যাপিউলস, যখন পুঁজ হল তাদের ডগায় পুঁজযুক্ত প্যাপিউল।

▫️আরও গুরুতর ক্ষেত্রে, ব্যক্তিরা ত্বকের নীচে বেদনাদায়ক, বড়, শক্ত পিণ্ডগুলি অনুভব করতে পারে, যা নোডুলস বা বেদনাদায়ক, পুঁজ-ভরা পিণ্ডগুলিকে সিস্টিক ক্ষত বলে।

▫️ব্রণের সাথে যুক্ত ত্বকের অন্যান্য পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে ত্বকের খোঁচা, অগ্নুৎপাতের চারপাশে লাল হয়ে যাওয়া এবং সম্ভাব্য দাগ।

▫️ ব্রণ সাধারণত মুখ, কপাল, বুক, উপরের পিঠ, এবং কাঁধ. যাইহোক, এটি ট্রাঙ্ক, বাহু, পা এবং নিতম্বেও ঘটতে পারে

▫️ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যাওয়া

▫️ব্রণের দাগ

💠Acne Vulgaris এর প্রতিরোধ : -

▫️পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা: দিনে দুই থেকে তিনবার হালকা সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

▫️ব্রণ খোঁটাখুঁটি না করা: ব্রণ খোঁটাখুঁটি করবেন না বা হাত লাগাবেন না, এতে দাগ হতে পারে।

▫️স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

▫️ঢিলেঢালা পোশাক: ঢিলেঢালা পোশাক পরুন যাতে ত্বক শ্বাস নিতে পারে।

▫️সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষা: সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

✳️ "হোমিওপ্যাথি তে রোগ লক্ষন এবং রোগীর সামগ্রিক লক্ষন অনুযায়ী সুনির্বাচিত মেডিসিনের দ্বারা চিকিৎসার ফলে স্বল্প সময়ে Acne Vulgaris বা ব্রন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়"।

🩺🔋🩺

মিরাজ হোমিও কেয়ার
ডা.আরশ উল্লাহ মিরাজ
ডি.এইচ.এম.এস (বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ,ঢাকা)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অন-কোর্স।

♻️চেম্বারের ঠিকানা: মিজমিজি পশ্চিম পাড়া, মাদরাসা রোড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ।
📞01403-558870

Address

Jatrabari
Dhaka

Opening Hours

Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Friday 10:00 - 19:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. আরশ উল্লাহ মিরাজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share