SB Homeo International

SB Homeo International I am Dr. Suman, a homeopathic physician at SB Homeo International. I am 45 years old. My commitment is to provide individualized treatment by

I have been providing homeopathic medical services with honesty, experience and sincerity for the past 21 years.

24/08/2026

🎍পেটের ভিতর ঘা
(Gastric Ulcer বা Peptic Ulcer)

নিচে পেটের ভিতর ঘা নিরাময়ে কার্যকর ১০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো—
১. Nux Vomica
প্রধান লক্ষণ:
টক ঢেঁকুর, অম্বল, ও অল্প খাবারেও পেট ফেঁপে যাওয়া।অতিরিক্ত ঝাল, তেল-চর্বি, চা বা মদ্যপানের পর পেট ব্যথা।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই অম্বল বেড়ে যায়।
বিশেষত্ব: মানসিক চাপ, কাজের টেনশন, এবং রাত জাগা থেকে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক ঘা- অত্যন্ত কার্যক
২. Carbo Veg
প্রধান লক্ষণ:
গ্যাসে ভরা পেট, বুক পর্যন্ত ফেঁপে ওঠে।
একটু খাবার খেলেই ভারি লাগে, জ্বালাপোড়া হয়।পেটের ভিতর ঘা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ঢেঁকুর ও গ্যাস নির্গমন।
বিশেষত্ব: দীর্ঘদিনের দুর্বল হজম ও ফ্ল্যাটুলেন্স থেকে সৃষ্ট আলসারে উপকারী।
৩. Robinia Pseudacacia
প্রধান লক্ষণ:
অতি টক অম্বল ও পেটে তীব্র জ্বালাপোড়া।
ঘুমের সময় এসিড মুখে উঠে আসে।
গ্যাসের কারণে মাথা ব্যথা ও বমি ভাব।
বিশেষত্ব: অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদনের ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসারে এটি প্রধান ওষধ।
🩺 ৪. Argentum Nitricum
প্রধান লক্ষণ:
খাবারের পরপরই পেট ব্যথা ও গ্যাস জমে বুক পর্যন্ত উঠে যায়।
মানসিক ভয়, উত্তেজনা, উদ্বেগে পেট ব্যথা বাড়ে।ঘা থেকে রক্তপাত হতে পারে।
বিশেষত্ব: নার্ভজনিত গ্যাস্ট্রিক আলসারে কার্যকর
৫. Kali Bichromicum
প্রধান লক্ষণ:
পেটের ঘা থেকে আঠালো মিউকাস বের হয়।
খাওয়ার কিছুক্ষণ পর ব্যথা শুরু হয়, কিন্তু খাওয়ার সময় কিছুটা আরাম দেয়।
বমির সাথে রক্ত বা মিউকাস আসতে পারে।
বিশেষত্ব: দীর্ঘস্থায়ী আলসার ও ডুওডেনাল আলসারে কার্যকর।
৬. Lycopodium Clavatum
প্রধান লক্ষণ:
বিকেল ৪টার পর থেকে পেট ফেঁপে যাওয়া ও জ্বালাপোড়া।
অল্প খাবারেই পেট ফুলে ওঠে।
টক ঢেঁকুর, অ্যাসিডিটি ও দুর্বল হজম।
বিশেষত্ব: দীর্ঘদিনের গ্যাস ও আলসারের প্রাথমিক পর্যায়ে দারুণ কাজ করে।
৭. Arsenicum Album
প্রধান লক্ষণ:
মাঝরাতে পেটে জ্বালাপোড়া ও বমি।
খাবারের পর ব্যথা বেড়ে যায়, ঠান্ডা পানি খেলেই আরাম লাগে .

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা উচিত নয়

10/08/2026

গনোরিয়া হলো নেইসেরিয়া গনোরি (Neisseria gonorrhoeae) নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সৃষ্ট একটি সাধারণ যৌনবাহিত রোগ (STI)।

রোগ হওয়ার কারণসংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌনমিলন (যৌন, মলদ্বার বা মুখমৈথুন)।একাধিক যৌনসঙ্গী থাকা।প্রসবের সময় সংক্রমিত মায়ের থেকে নবজাতকের মধ্যে সংক্রমণ।

প্রধান লক্ষণসমূহপুরুষ ও নারীদের ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে:

পুরুষের লক্ষণ:প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্বালাপোড়া বা ব্যথা।লিঙ্গ বা মূত্রনালি থেকে সাদা, হলুদ বা সবুজ রঙের পুঁজ বা স্রাব নির্গত হওয়া।অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব।

মহিলার লক্ষণ:অনেক ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না।যোনিপথ থেকে অস্বাভাবিক পুঁজ বা স্রাব নির্গত হওয়া।তলপেটে বা পিঠের নিচে ব্যথা।মাসিকের সময় ছাড়া যোনিপথে রক্তপাত।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও ব্যবহৃত ওষুধহোমিওপ্যাথিতে রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।

গনোরিয়ায় সাধারণত যেসব হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়:

Medorrhinum (মেডোরিনাম): দীর্ঘস্থায়ী বা বংশগত বাতের প্রবণতা ও গনোরিয়ার জটিল লক্ষণে কার্যকর।

Mercurius Solubilis (মার্কারি সলিউবিলিস): প্রচুর পুঁজযুক্ত স্রাব এবং প্রস্রাবে তীব্র জ্বালাপোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

Thuja Occidentalis (থুজা অক্সিমডেলিস): মূত্রনালীর দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, আঁচিল বা ঘন হলুদ স্রাবের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত।

Cannabis Sativa (ক্যানাবিস স্যাটিভা): প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া, খোঁচা মারার মতো ব্যথা এবং মূত্রনালি দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা পুঁজ পড়ার লক্ষণে উপযোগী।

Cantharis (ক্যান্থারিস): প্রস্রাবের বেগ ও প্রস্রাবের শেষে প্রচণ্ড কাটার মতো জ্বালাপোড়া থাকলে এটি নির্দেশিত।

#$👌(সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করবেন না, কারণ ভুল চিকিৎসায় রোগটি দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।)

প্রতিকার ও প্রতিরোধচিকিৎসা: রোগ লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ কোর্স চিকিৎসা নেওয়া।

সঙ্গীর চিকিৎসা: সংক্রমণ এড়াতে যৌনসঙ্গীরও পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।

সচেতনতা: যৌনমিলনের সময় নিয়মিত ও সঠিকভাবে কন্ডোম ব্যবহার করা।

05/08/2026

নির্দিষ্ট লক্ষণের হোমিওপ্যাথিক ঔষধের তালিকা নিচে দেওয়া হল:

১)পেটফাঁপার - চায়না,লাইকোপোডিয়াম,কার্বভেজ ইত্যাদি।

২)ভয়ের - একোনাইট,ওপিয়াম,আর্সেনিক ইত্যাদি।

৩)সোরার - সালফার,সোরিনাম,গ্রাফাইটিস ইত্যাদি।

৪)সিফিলিসের - মার্কসল,সিফিলিনাম,নাইট্রিক এসিড ইত্যাদি।

৫)সাইকোসিসের - থুজা,মেডোরিনাম,নেট্টাম সালফ ইত্যাদি।

৬)পিপাসাহীনতা- পালসেটিলা,এপিস,ইপিকাক ইত্যাদি।

৭)বামদিকের বিখ্যাত ওষুধ- ল্যাকেসিস,থুজা,এপিস ইত্যাদি ।

৮)যানবাহনে চড়লে বমি হয়- পেট্টলিয়াম,কুকুলাস,কার্বলিক এসিড ইত্যাদি।

৯)হুপিং কাশি- ড্রসেরা,পারটুসিন,বেলেডোনা ইত্যাদি।

১০)প্রলাপ- বেলেডোনা,স্ট্র্যোমোনিয়াম,হাইয়োসিয়েমাস ইত্যাদি।

১১)আক্ষেপ- ক্যাম্ফর,কুপ্রাম মেট,সিকুটা ভেরোসা ইত্যাদি।

১২)মাথায় ঘাম- ক্যালকেরিয়া কার্ব,সাইলেসিয়া,ক্যালকেরিয়া ফস ইত্যাদি।

১৩)আলু অসহ্য- থুজা,এলুমিনা,কলোসিন্থ ইত্যাদি।

১৪)বিকাল ৪টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত রোগের বৃদ্ধি- লাইকোপোডিয়াম,চেলেডোনিয়াম,নেট্টাম সালফ ইত্যাদি ।

১৫)বিকাল ৩ টায় রোগের বৃদ্ধি- বেলেডোনা,এপিস,থুজা ইত্যাদি।

১৬)সর্বাঙ্গীন শীর্ণতা- নেট্টাম মিউর,সার্সাপ্যারিলা,আয়োডিন ইত্যাদি।

১৭)সরলান্ত্রের নিশ্চেষ্টতাজনিত কোষ্ঠবদ্ধতা- এলুমিনা,ভিরিট্টাম এল্বাম,সাইলেশিয়া ইত্যাদি।

১৮)নিচের দিকে ঠেলামারা বেদনা- বেলেডোনা,লিলিয়াম টিগ,সিপিয়া ইত্যাদি।

১৯)খিলধরা বেদনা- কুপ্রাম মেট,কলোসিন্থ,ম্যাগ ফস ইত্যাদি ।

২০)থেৎলে যাওয়ার ন্যায় বেদনা- আর্নিকা,ইউপেটোরিয়াম পার্ফ,ব্যাপ্টিসিয়া ইত্যাদি।
২১)সঞ্চরণশীল বেদনা- পালসেটিলা,ল্যাক ক্যান,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।

২২)বেদনায় অতি সংবেদনশীল- একোনাইট,ক্যামোমিলা,কফিয়া ইত্যাদি।

২৩)স্পর্শে অতিসংচেত্যতা- হিপার সালফ,ল্যাকেসিস,চায়না ইত্যাদি।

২৪)দপদপকর বেদনা- বেলেডোনা,গ্লোনইন,মেলিলোটাস ইত্যাদি।

২৫)মাসিকের আগে স্তনে ব্যথা- থুজা,ল্যাক ক্যান,কোনিয়াম ইত্যাদি।

২৬)সরলান্ত্র নির্গমন ( বাথরুমের রাস্তা বের হয়ে যাওয়া)- পডোফাইলাম,এলো,রুটা ইত্যাদি।

২৬)চোখের অতি চেষ্টাজনিত পীড়া- রুটা,নেট্টাম মিউর,সেনেগা ইত্যাদি।

২৭)শীর্ণতা (ম্যারাসমাস) শরীরের উপর হতে নীচ- নেট্টাম মিউর,লাইকোপোডিয়াম,স্যানিকিউলা ইত্যাদি।

২৮)মুখের কোনগুলো ফাঁটা- নাইট্রিক এসিড,কন্ডুরাঙ্গো,গ্রাফাইটিস ইত্যাদি।

২৯)কাশি দিলে প্রসাব বের হয়ে যায়- কস্টিকাম,পালসেটিলা,নেট্টাম মিউর ইত্যাদি।
৩০)নিদ্রালুতা- ওপিয়াম,এন্টিম টার্ট,নাক্স মস্কেটা ইত্যাদি।

ওষুধ সেবন করার আগে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করাই ভালো

03/08/2026

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস HBs(Ag)+ve:

আপনি জানেন কি বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫ জন হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত? বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে ৫ ধরনের ভাইরাসের অস্তিত্ব পেয়েছেন। যাহা হল-
১. Hepatitis A Virus
২. Hepatitis B Virus
৩. Hepatitis C Virus
৪. Hepatitis D Virus
৫. Hepatitis E Virus
বর্তমানে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস দ্বারা মানুষ বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। ইহা মুলত রক্ত ও মলের সাথে প্রবেশ করিয়া লিভারকে আক্রমণ করে এবং দেহের কোষগুলোকে ধ্বংস করিয়া আস্তে আস্তে লিভারকে অকেজো করে দেয়। তাই আর চিন্তা না করে আপনি আমাদের চিকিৎসা নিন এবং ঈশ্বর কৃপায় ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে পূর্নাঙ্গ সুস্থতা লাভ করবেন।

জন্ডিস ও লিভার ক্যান্সারঃ

আপনি জানেন কি? বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রায় সব দেশে প্রতি বছর জন্ডিস ও লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১৫,০০০০০ (পনের লক্ষ) লোক মারা যায়। আর এই মৃত্যুর হার অন্যান্য দেশের তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশর মানুষ বিভিন্নভাবে প্রতারিত হয়ে যেমনঃ- কলা পড়া,মালাপড়া,লিভার ঝারা,হাত ধোয়া,অনভিজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা/ কবিরাজী ঔষধ সেবন করে অকালে মারা যায়।
জন্ডিস নিজস্ব কোন রোগ নয়।ইহা মানবদেহের রোগের উপসর্গ।

নিম্নে জন্ডিসের লক্ষনসমূহ দেয়া হইলঃ

১. গ্যাস্ট্রিকের লক্ষন দেখা দিবে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য অর্থাৎ পায়খানা কষা হবে।
৩. আপনার দেহের রক্তের বিলোরুবিনের মাত্রা ২ মিঃ গ্রামের বেশী হইবে।
৪. হাত পা জ্বালা-পোড়া করবে।
৫. হাত,পা এবং চোখের সাদা অংশ হলুদ হবে।
৬. বমি বমি ভাবের কারনে অনেক সময় বমি হবে আবার অনেক সময় বমি হবেওনা।
৭. খাবারের অরুচি ও খাবারে গন্ধ ভাব দেখা দিবে।
৮. পেটের উপরের অংশে পাকস্থালীর ডানদিকে ও মেরুদণ্ডে ব্যাথা অনুভব করবে।
৯. প্রস্রাব হলুদ অথবা গাঢ় লাল বর্ণের হবে
১০. পায়খানা কালো ও দূর্গন্ধ হবে।
১১. মুখে দূর্গন্ধ ও হজম শক্তির অভাব হবে।
এরকম লক্ষন সমূহ অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে আপনি যখন নিশ্চিত হবেন যে আপনি জন্ডিস/লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তাহলে আমাদের সঠিক চিকিৎসা ঈশ্বর কৃপায় আপনাকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সুস্থতা লাভ করার নিশ্চিত ভরষা দিচ্ছে।

মনে রাখবেন হোমিওপ্যাথিতে জন্ডিস ও লিভার রোগের চিকিৎসা ( কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন) রোগের শুরুতে যত দ্রূত নিরাময় সম্ভব, পৃথিবীর অন্য কোন চিকিৎসায় এত দ্রুত নিরাময় হওয়া সম্ভব নয়।

30/07/2026

হাপাঁনী বা শ্বাসকষ্টঃ

আপনি কি হাপাঁনী বা শ্বাসকষ্ট রোগ নিয়ে চিন্তিত? এই শ্বাসকষ্ট রোগের জন্য আপনি কি সর্বদা ইনহেলার এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করে সাময়িকের জন্য আরাম বোধ করছেন। আপনাদের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরাও কি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে নেবুলাইজার ব্যাবহার করছে? জেনে রাখুন ইনহেলার, নেবুলাইজার বা এন্টিবায়োটিক কোনদিন এই রোগের স্থায়ী চিকিৎসা হতে পারেনা। স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমাদের হোমিও চিকিৎসা গ্রহন করুন। ঈশ্বর কৃপায় আপনি এবং আপনার সন্তান স্থায়ীভাবে সুস্থ ও সুন্দর জীবন লাভ করবেন।থাইরয়েড গ্ল্যান্ড/ গয়েটার(গলগণ্ড) রোগঃ থাইরয়েড (গলগণ্ড) রোগ কি? থাইরয়েড রোগ হল গলার সামনের দিকে শ্বাসনালীর দুই পার্শ্বে যে গ্ল্যান্ড আছে উহার নামই হল থাইরয়েড গ্ল্যান্ড।
ইহা চামড়ার তলায় মিশে আছে। স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের চোখে ধরা পড়েনা,অসুখ হলে এই গ্ল্যান্ড বৃদ্ধিপ্রাপ্ত(বড়) হয় অর্থাৎ গলা ফুলে যায়,মাঝে মাঝে ব্যাথা বেদনা করে। অনেক সময় গলা ফুলে শক্ত হয়ে যায়। আবার ফুলা স্থান অনেক সময় নরমও থাকে।বর্তমানে পুুরুষের চেয়ে মহিলারাই বেশী থাইরয়েড (গলগণ্ড) রোগে আক্রান্ত। এই রোগ থেকে ভাল হওয়ার জন্য যত প্রকারের চিকিৎসা পদ্ধতি আছে তার মধ্যে হোমিও চিকিৎসা পদ্ধতি অন্যতম। গলার মধ্যে থাইরয়েড রোগ হওয়ার কারনে প্রখ্যাত ডাক্তার সাহেবগণ অপারেশন করার জন্য আপনাকে পরামর্শ দিয়েছেন। কোন প্রখ্যাত ডাক্তার সাহেবের কথায় কর্ণপাত না করিয়া বিনা অপারেশনে থাইরয়েড রোগের সঠিক চিকিৎসা নিন। বিশেষভাবে অনুরোধ করছি যে বর্তমান থাইরয়েড (গলগণ্ড) আক্রান্ত রোগীদের কে চ্যালেন্জের সাথে (১২/১৪ ডোজ ঔষধ সেবনের দ্বারা) অপারেশন বিহীন স্থায়ী চিকিৎসা করা হয়।

30/07/2026

নাকের পলিপাসঃ

আপনি কি নাকের পলিপাস অর্থাৎ নাকের ভিতরে এক পার্শ্বে অথবা উভয় পার্শ্বে মাংস বৃদ্ধি রোগ নিয়ে চিন্তিত? নাকের ভিতরে মাংস বৃদ্ধি হওয়ার কারনে সব সময় স্বর্দি-ঠান্ডা লেগে থাকে এবং মাথার একপাশে অথবা উভয় পাশে ব্যাথা করে। আপনি হয়ত মনে করেন অপারেশন ছাড়া এই রোগ হতে সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়। আমি আপনাদেরকে সহ বাংলাদেশের সকল নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সাহেবদেরকে বলছি আপনারা এই রোগের জন্য কোন প্রকারের অপারেশনের ঝুঁকি নিবেন না। ঈশ্বরের কৃপায় একমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হওয়া সম্ভব। আমি চ্যালেন্জ করে বলছি যে অপারেশন ছাড়া স্থায়ীভাবে আপনি পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হওয়ার জন্য আজি'ই আমাদের স্থায়ী চিকিৎসা নিন।

23/07/2026

ঠান্ডায় আরাম (Better from Cold/Cold applications/Open air)—এটি হোমিওপ্যাথির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোডালিটি। তবে মনে রাখবেন, শুধুমাত্র এই একটি লক্ষণের ভিত্তিতে কোনো ঔষধ নির্বাচন করা উচিত নয়।

নিচে ঠান্ডায় আরাম পাওয়া যায়—এমন ৩০টি পরিচিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও তাদের প্রধান কী-নোট দেওয়া হলো:
ঔষধ
প্রধান লক্ষণ:

1. Apis mellifica
জ্বালাপোড়া, ফোলা; ঠান্ডা সেঁকে আরাম

2. Belladonna
মাথা গরম, লালচে; ঠান্ডায় আরাম

3. Sulphur
শরীরে গরম, পা বাইরে বের করে রাখে

4. Pulsatilla
ঠান্ডা খোলা বাতাসে ভালো, গরম ঘরে খারাপ

5. Lachesis
গরম সহ্য হয় না, ঠান্ডায় আরাম

6. Glonoinum
রোদে মাথাব্যথা, ঠান্ডায় আরাম

7. Secale cornutum
শরীর ঠান্ডা হলেও ঠান্ডা বাতাস চায়

8. Ledum palustre
ঠান্ডা সেঁকে ব্যথা কমে

9. Aloe socotrina
ঠান্ডা পানিতে আরাম

10. Medorrhinum
সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাসে ভালো লাগে

11. Phosphorus
ঠান্ডা পানীয়ে আরাম, তৃষ্ণা বেশি

12. Ferrum phosphoricum
ঠান্ডা প্রয়োগে কিছু প্রদাহ কমে

13. Veratrum viride
উচ্চ জ্বর, ঠান্ডায় আরাম

14. Croton tiglium
ত্বকের জ্বালাপোড়া ঠান্ডায় কমে

15. Cantharis
জ্বালাপোড়া ঠান্ডায় কমতে পারে

16. Urtica urens
চুলকানি ও জ্বালায় ঠান্ডায় আরাম

17. Radium bromatum
জ্বালাযুক্ত ত্বক, ঠান্ডায় ভালো

18. Tarentula hispanica
অস্থিরতা, ঠান্ডায় কিছুটা আরাম

19. Cactus grandiflorus
গরমে খারাপ, ঠান্ডায় ভালো

20. Elaps corallinus
ঠান্ডা পানীয় পছন্দ

21. Natrum muriaticum
মাথাব্যথায় ঠান্ডা প্রয়োগে আরাম হতে পারে

22. Sanguinaria canadensis
মাইগ্রেনে ঠান্ডা অন্ধকার ঘরে আরাম

23. Bryonia alba
মাথাব্যথায় ঠান্ডা সেঁকে উপকার হতে পারে

24. Spigelia
স্নায়বিক মাথাব্যথায় ঠান্ডা পছন্দ

25. Antimonium crudum
ঠান্ডা পানিতে কিছু উপসর্গ কমে

26. Argentum nitricum
গরমে অস্বস্তি, ঠান্ডায় ভালো

27. Ipecacuanha
বমিভাব, ঠান্ডা বাতাসে আরাম

28. Tabacum
বমিভাব, ঠান্ডা বাতাসে ভালো লাগে

29. Camphora
ঠান্ডা অনুভূতি থাকলেও অনেক সময় ঠান্ডা বাতাস চায়

30. Carbo vegetabilis
বাতাস ও ঠান্ডা পরিবেশে আরাম, বাতাস করতে বলে

যেসব ঔষধে "ঠান্ডায় আরাম" খুবই গুরুত্বপূর্ণ
Apis mellifica
Pulsatilla
Lachesis
Ledum palustre
Secale cornutum
Sulphur
Glonoinum
Phosphorus
Carbo vegetabilis
Tabacum

চিকিৎসার ক্ষেত্রে "ঠান্ডায় আরাম" বা "গরমে আরাম" একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ, মানসিক অবস্থা, তৃষ্ণা, ক্ষুধা, ঘাম, ঘুম, মল-মূত্র, রোগের কারণ ও ইতিহাস বিবেচনা করে ঔষধ নির্বাচন করা উচিত।

23/07/2026

(Better from Warmth/Heat)—এমন ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত কী-নোট দেওয়া হলো।
ঔষধ
প্রধান লক্ষণ
1. Arsenicum album
জ্বালাপোড়া, অস্থিরতা, গরমে আরাম

2. Rhus toxicodendron
নড়াচড়া ও গরমে ব্যথা কমে

3. Magnesia phosphorica
খিঁচুনি, স্নায়বিক ব্যথা, গরম সেঁকে আরাম

4. Hepar sulphuris
ঠান্ডা একদম সহ্য হয় না

5. Silicea
ঠান্ডায় কষ্ট, গরমে ভালো

6. Causticum
জয়েন্ট শক্ত, গরমে আরাম

7. Colocynthis
পেটব্যথা চাপ ও গরমে কমে

8. Kali carbonicum
কোমর ব্যথা, গরমে আরাম

9. Kali bichromicum
ঘন সর্দি, গরম পানীয়ে আরাম

10. Chelidonium
ডান কাঁধে ব্যথা, গরম পানীয়ে আরাম

11. Dulcamara
ঠান্ডা-স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় খারাপ

12. Nux vomica
ঠান্ডায় সংবেদনশীল, গরমে ভালো

13. Calcarea phosphorica
ঠান্ডায় ব্যথা বাড়ে

14. Calcarea fluorica
শক্ত গিঁট, গরমে আরাম

15. Calcarea iodata
ঠান্ডায় অস্বস্তি

16. Chamomilla
ব্যথায় অস্থির, গরমে আরাম

17. Lycopodium
গরম পানীয়ে হজমে আরাম

18. Natrum sulphuricum
স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় খারাপ

19. Sepia
ঠান্ডায় কষ্ট, উষ্ণতায় স্বস্তি

20. Spongia tosta
শুকনো কাশি, গরম পানীয়ে আরাম

21. Mezereum
স্নায়ুর ব্যথা গরমে কমে

22. Ruta graveolens
টেন্ডনের ব্যথা গরমে ভালো

23. Sarsaparilla
মূত্রের ব্যথা উষ্ণতায় কমে

24. Zincum metallicum
স্নায়বিক অস্থিরতা, গরমে স্বস্তি

25. Ferrum phosphoricum
প্রদাহের শুরুতে গরমে আরাম হতে পারে

26. Stannum metallicum
দুর্বলতা, গরমে আরাম

27. Paris quadrifolia
ঘাড়ের ব্যথা গরমে কমে

28. Guaiacum
বাতের ব্যথা গরমে কমে

29. Capsicum
ঠান্ডায় খারাপ, গরমে আরাম

30. Psorinum
অত্যন্ত শীতকাতুরে, সবসময় গরম চায়

বিশেষভাবে "গরমে আরাম" যেসব ঔষধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ:
Arsenicum album
Rhus toxicodendron
Magnesia phosphorica
Hepar sulphuris
Colocynthis
Causticum
Psorinum
Kali carbonicum
Silicea
Capsicum
এগুলো অধ্যয়নের জন্য সহায়ক তালিকা। কোনো রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে কেবল "গরমে আরাম" লক্ষণের ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা যথেষ্ট নয়; সম্পূর্ণ লক্ষণসমষ্টি, শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য, এবং রোগের ইতিহাস বিবেচনা করা জরুরি।

21/07/2026

হঠাৎ মুখ বাঁকা হয়ে গেছে? কথা জড়িয়ে যাচ্ছে? চোখ পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না?

এটা কিন্তু অনেক সময় প্যারালাইসিস (Facial Paralysis / Bell's Palsy) এর লক্ষণ হতে পারে!
অনেকে ভয় পেয়ে যান… আবার অনেকে অবহেলাও করেন!
কিন্তু লক্ষণ বুঝে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি।

হোমিওপ্যাথিতে রোগীর লক্ষণ, কারণ ও অবস্থাভেদে বিভিন্ন ঔষধ ব্যবহৃত হয়।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঔষধের লক্ষণ সুন্দরভাবে তুলে ধরা হলো—👇
━━━━━━━━━━━
Causticum
*প্যারালাইসিসের অন্যতম বিখ্যাত ঔষধ।
✔️ মুখ একদিকে টেনে যায়
✔️ কথা বলতে কষ্ট
✔️ ঠান্ডা বাতাসে সমস্যা বাড়ে
✔️ চোখ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে না
✔️ ডান পাশ বেশি আক্রান্ত হতে পারে
📝 “মুখ বাঁকা, কথা কষ্টে — Causticum আসে ভরসাতে!”
Aconite Napellus
* হঠাৎ ঠান্ডা বাতাস লাগার পর মুখ বেঁকে গেলে।
✔️ হঠাৎ শুরু
✔️ ভয়, অস্থিরতা
✔️ মুখ অবশ লাগা
✔️ রোগের প্রথম দিকে বেশি কার্যকর ভাবা হয়
⚡ “হঠাৎ আঘাতের মতো শুরু? মনে রাখুন Aconite!”
━━
Belladonna
*মুখ লাল, গরম ও টানটান অবস্থা।
✔️ মুখের এক পাশ টেনে যায়
✔️ মাথা গরম
✔️ ধপধপে ব্যথা
✔️ আলো-শব্দে বিরক্তি
🔥 “লাল মুখ, গরম শরীর, টান ধরা স্নায়ু — Belladonna!”
━━
Gelsemium
*দুর্বলতা ও অবশ ভাব বেশি হলে।
✔️ চোখের পাতা ঝুলে যায়
✔️ কথা জড়িয়ে যায়
✔️ শরীর কাঁপে
✔️ ভয় বা মানসিক ধাক্কার পর সমস্যা
😔 “দুর্বল স্নায়ু, ভারী চোখ — Gelsemium চিনুন!”
━━
Plumbum Metallicum
*ধীরে ধীরে প্যারালাইসিস বাড়তে থাকলে।
✔️ মুখ শুকিয়ে যায়
✔️ পেশী সংকুচিত
✔️ টান ধরার অনুভূতি
✔️ দীর্ঘদিনের স্নায়বিক দুর্বলতা
Nux Vomica
*রাগী, অতিরিক্ত মানসিক চাপগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।
✔️ ঠান্ডা লাগার পর মুখ বাঁকা
✔️ খিটখিটে মেজাজ
✔️ কোষ্ঠকাঠিন্য
✔️ রাতে সমস্যা বাড়ে

Hypericum
*স্নায়ু আঘাতের পর মুখ বেঁকে গেলে।
✔️ স্নায়ুতে ব্যথা
✔️ ঝিনঝিনি অনুভূতি
✔️ আঘাতের ইতিহাস
⚡ “নার্ভের আঘাত? মনে পড়ুক Hypericum!”
━━━
Arnica Montana*স্ট্রোক বা আঘাতের পর দুর্বলতা।
✔️ শরীর ভাঙা ভাঙা লাগে
✔️ স্পর্শ সহ্য হয় না
✔️ আঘাতের ইতিহাস থাকে

Lachesis
*বাম পাশ বেশি আক্রান্ত হলে।
✔️ ঘুম থেকে উঠে সমস্যা বাড়ে
✔️ গলায় কিছু সহ্য হয় না
✔️ কথা বেশি বলে
O***m
*স্ট্রোকের পর অবশ অবস্থা।
✔️ অনুভূতি কমে যায়
✔️ ঘুম ঘুম ভাব
✔️ প্রতিক্রিয়া ধীর
মনে রাখবেন:
প্যারালাইসিস বা মুখ বাঁকা হওয়া কখনও কখনও স্ট্রোকের লক্ষণও হতে পারে।
তাই হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত-পা অবশ হওয়া, কথা আটকে যাওয়া—এগুলো হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয়, রোগীর লক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
তাই নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
📣 পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন,
হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারও দ্রুত সচেতনতার কারণ হতে পারে।

10/07/2026

গ্যাস্ট্রিক/আলসারঃ

আপনি জানেন কি বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ গ্যাস্ট্রিক রোগে আক্রান্ত? আর এ রোগের জন্য আপনি সব সময় রেনিটিড ও এন্টাসিড জাতীয় ঔষুধ সেবন করেছেন? গ্যাস্ট্রিকের কারনে মাঝে মাঝে বুক জ্বালা-পোড়া করে,পেটে গ্যাস হয়,পেট ফুলে উঠে,নিয়মিতভাবে পায়খানা হয়না,খাবারের অরুচি অথবা বদহজম দেখা যায়। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে গ্যাস্ট্রিক থেকে আলসার,লিভার এবং কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এলোপ্যাথিতে গ্যাস্ট্রিকের ও আলসারের কোন স্থায়ী চিকিৎসা নাই। আমি আপনাদেরকে পূর্নাঙ্গ নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে আমাদের ঔষধ সেবন করে ঈশ্বর কৃপায় আপনি সুস্থ হবেন'ই হবেন।

Address

Bangabandhu Road, Golachipa Mor
Narayanganj

Opening Hours

Monday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Tuesday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Wednesday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Thursday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Friday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Saturday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00
Sunday 11:00 - 14:30
17:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SB Homeo International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share