25/08/2026
নাম ফরিদা বেগম! কাজ করেতেন একটা সুনাম ধন্য ঔষধ কোম্পানি তে ছোট খাটো একটা পোস্টে। জন্মের পর থেকে এই ফরিদা জানে না কে তার বাবা-মা! বড় হয়েছে নরসিংদির একটা মাজারের আখড়াতে! সংগত কারনেই মাজারের নাম ধাম উল্লেখ করলাম না। শিশু থেকে কৈশোর এবং কৈশোর থেকে যৌবনে পা দিতে না দিতেই! মাজারের কিছু লোকজন মিলে তাকে একটা ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দেন। সংসার জীবন শুরু হয়! ফরিদার! মানুষ গুলো ভেবেছিলো! পুরা কপালে এবার মিলবে সুখ! কিন্তু সবার ভাগ্য তো এমন সুখের হয় না। জামাই টা নেশায় আসক্ত! তবুও ফরিদা স্বামী কে ভালোবাসতো! নিজে চাকরি করে স্বামী কে বেতনের পুরো টাকাটা দিয়ে দিতো! এর ওর কাছে ঝাড়ি খেয়ে কখনো জুটা খেয়ে জীবন যাপন করতো সে। তবুও চলছিলো,,,সব কিছুকে নিয়তি ভেবে! সংসার তার চলছে কিন্তু সন্তান হয় না! এটাও তাকে মাতৃত্বের টান আর বিতৃষ্ণা আকাঙ্খা কুঁড়ে কুঁড়ে খেতো! এই ফরিদাকে।
হঠাৎই ফরিদা অসুস্থতার খবর পেলাম! ডাক্তার বলেছে ক্যান্সার! সব শেষ! একটা ফরিদা! তার নেশাগ্রস্ত স্বামী তাকে নিয়ে চলতো,,,তার ট্রিটমেন্ট করাবে বলে সহকর্মী দের কাছ থেকে টাকা তুলে ঢাকা মেডিকেল,,, আরও অন্য হাসপাতালে! কিন্তু টেস্ট, ঔষধ ছন্দ পতন হতো,,,নেশা গ্রস্থ তার স্বামীর নেশা চেপে গেলে সব টাকা নেশার ছোবলে ঢালে! অসহায় ফরিদার দু'টি চোখ ড্যাপ ড্যাপ করে ভেসে আসে! কান্নার জোরও নেই তার! ক্রমশই পেট বড় হয়ে ফেটে যাওয়ার উপক্রম! আসন্ন মৃত্যুর অপেক্ষা! সমাজ আর নেশা কোনটাই ফরিদার কিছুই করার নেই! এই প্রতিবেদন লেখা অব্দি ফরিদার কিছুই অবশিষ্ট নেই! হাড্ডিসার দেহ নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে,,,তবুও দোয়া করি আল্লাহ পাক তাকে মাফ করে দিক, একটা মিরাকল ঘটিয়ে তাকে সুস্থ করে দিক! আল্লাহ পাক চাইলে কি না হয়!