Dr Mahmuda Moonni

Dr Mahmuda Moonni গাইনী,গর্ভবতী মা ও বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
ডা মাহমুদা খানমMBBS. BCS (Health),DGO.

FCPS Special trained in TVS, IUI
Assist Professorচেম্বার:কেয়ার ডায়াগনস্টিক, পায়রা চত্ত্বর নরসিংদী। লাইফ কেয়ার হাসপাতাল হেমেনদ্র সাহার মোড়
01767896992, 01720388830

এক রোগীর এর আগে আরো দুইবার সিজার হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় দুটো বাচ্চার একটিও বেঁচে নেই। প্রথমবার বাচ্চাটি সিজার...
21/04/2026

এক রোগীর এর আগে আরো দুইবার সিজার হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় দুটো বাচ্চার একটিও বেঁচে নেই। প্রথমবার বাচ্চাটি সিজারের কয়েক ঘণ্টা পর মারা যায় আর দ্বিতীয়বার সিজারের একদিন পর মারা যায়। খুবই দুঃখজনক! যেখানে এক দুই মাসের বাচ্চাও এবরশন হয়ে গেলে দুঃখ লাগে, সেখানে জন্মের পর তাও সিজারের মাধ্যমে দুই দুইটি বাচ্চা মারা যাওয়া কতটা ভয়াবহ আর শোকের! কি দুর্বিষহ যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছিল মনের মধ্যে! আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে কোন সার্জন অপারেশন করেছিল আর কেনই বা জন্মের পর পর পূর্ণাঙ্গ বাচ্চাগুলো মারা গেল রোগী বা রোগীর লোকজন কিছুই বলতে পারল না।

এরপর আর বাচ্চা হচ্ছিল না। এমন অবস্থায় আমার কাছে এলো । চিকিৎসার মাধ্যমে গর্ভধারণ করল। এবার তারা খুব সচেতন। নিয়মিত চেকআপে আসতো। আমি তৃতীয় সিজার করলাম সেই রোগীর। আগেই অনুমান করেছিলাম রোগীর পেটের ভেতরেও জটিলতা থাকতে পারে কারন আগের দুই সিজারের পর ইনফেকশন হয়েছিল। ঠিক তাই। প্রচন্ড এডহেশন (জরায়ুর সাথে পেটের অন্যান্য অঙ্গগুলো একসাথে জট পাকিয়ে যাওয়া বা লেগে যাওয়া) ছিল। এটি একটি অপারেশন পরবর্তী জটিলতা। যাই হোক, সব জট খুলে বাচ্চা ডেলিভারি করে সবকিছু আগের মতো ঠিকঠাক করে অপারেশন শেষ করতে খুব বেগ পেতে হয়েছিল।

তারপরও একটি জটিল অপারেশর পর সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায় মায়ের কোলে একজন সুস্থ সবল বাচ্চা উপহার দিতে পেরে। মায়ের উদ্বিগ্ন মুখে হাসি ফোটাতে পেরে। মা বাচ্চা ভালো আছে। এই মা তৃতীয়বারের মতো মা হলেও এবারই প্রথম আল্লাহর ইচ্ছাতে মা ডাক শুনতে পাবে।আলহামদুলিল্লাহ।

৩৫ সপ্তাহের টুইন (জমজ) প্রেগনেন্সির পেসেন্ট ব্যথা নিয়ে একটি ক্লিনিকে গেলে স্থানীয় চিকিৎসক পরামর্শ দেন রোগীকে ঢাকা নিয়ে...
17/04/2026

৩৫ সপ্তাহের টুইন (জমজ) প্রেগনেন্সির পেসেন্ট ব্যথা নিয়ে একটি ক্লিনিকে গেলে স্থানীয় চিকিৎসক পরামর্শ দেন রোগীকে ঢাকা নিয়ে সিজার করার জন্য কারন বাচ্চাগুলো ছোট। রোগী আমার কাছে এলে আশ্বস্ত করলাম যে এখনি ঢাকা যাওয়া লাগবে না। ঔষধ দিলাম এবং পরামর্শ দিলাম ব্যথা কমে গেলে ১৫ দিন পর আসার জন্য। ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর সিজার করলাম।একটি ছেলে ও একটি মেয়ে, মাশাল্লাহ । রোগীকেও ধন্যবাদ দিলাম ধৈর্যধারন করে পরামর্শ শোনার জন্য। ধৈর্যের ফল একটু বেশিই মিষ্টি হয়! নবজাতক দু'জন সম্পূর্ণ সুস্থ, আলহামদুলিল্লাহ।

এক রোগী দশ বছর পর আমার চিকিৎসাতে গর্ভধারণ করেছিল। ছেলে হয়েছিল। ছেলেটির বয়স দেড় বছর। কিন্তু গত ১৫ দিন আগে ছেলেটি পানিত...
08/04/2026

এক রোগী দশ বছর পর আমার চিকিৎসাতে গর্ভধারণ করেছিল। ছেলে হয়েছিল। ছেলেটির বয়স দেড় বছর। কিন্তু গত ১৫ দিন আগে ছেলেটি পানিতে পরে মারা যায়। রোগী তার প্রাণপ্রিয় বাচ্চাকে কবর দিয়ে ১৫ দিন পর আমার কাছে এসেছে চিকিৎসা নিতে। যেন সে আবার গর্ভধারণ করতে পারে। যখন শুনছিলাম কি যে দুঃখ হচ্ছিল! কান্না ও পেয়েছিল। ভীষণ মন খারাপ হয়েছিল।

ঠিক এর পরই আরেকজন রোগী আসলো। আমার চিকিৎসাধীন ছিল। বাসায় প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হওয়াতে মোবাইলে সেই ছবি তুলে তাড়াতাড়ি আমাকে দেখাতে নিয়ে এসেছে। হাই ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েডের সাথে যুদ্ধ করে দীর্ঘ আট বছর পর কনসিভ করেছে! সে খুবই খুশি। ভালো লাগলো।

আসলে জীবন এমনই। একদিকে আনন্দ আরেকদিকে দুঃখ। আনন্দ বেদনার সংমিশ্রন ই এ জীবন।

চেম্বার প্রায় শেষ শেষ এমন সময় এক গর্ভবতী রোগী এলো ব্যথা নিয়ে। দেখলাম জরায়ুর মুখের অবস্থা সুন্দর থাকলেও বাচ্চা হওয়ার...
09/03/2026

চেম্বার প্রায় শেষ শেষ এমন সময় এক গর্ভবতী রোগী এলো ব্যথা নিয়ে। দেখলাম জরায়ুর মুখের অবস্থা সুন্দর থাকলেও বাচ্চা হওয়ার রাস্তাটি প্রশস্ত নয়। তাই বললাম ঝুঁকি না নিয়ে ভর্তি হতে। রোগী ও তার আত্মীয়-স্বজন ঠিক আছে, ভর্তি হচ্ছি বলে চলে গেল। কিছুক্ষণ পরে খবর নিলাম, না রোগীটি হাসপাতালে ভর্তি হয়নি।

পরের দিন দুপুরে হাসপাতাল থেকে ফোন এলো যে ওই রোগীটি সারারাত, সারা সকাল নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করেও হয়নি দেখে দুপুরে ভর্তি হয়েছে। ডেলিভারি তো হয় ই নি এবং বাচ্চার মাথায় চাপ লেগে বাচ্চার মাথাও ফুলে গিয়ে আটকে আছে এখন। এখন তাড়াহুড়া করছে অপারেশন করে দেয়ার জন্য।

শুনে খুব রাগ এবং দুঃখ হলো। যে অপারশনটি গতকাল করলে মা,বাচ্চা এবং সার্জন সবার জন্য নিরাপদ হতো, রোগী এবং তার আত্মীয়-স্বজনের ভুলের কারণে তা এখন অত্যন্ত জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আর এই অবস্থায় অপারেশন করা সার্জনের জন্যেও অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। বিলম্বিত প্রসব বেদনার কারণে এবং বাচ্চার মাথা অত্যন্ত নিচে নেমে যাওয়াতে সিজারের সময় বাচ্চা বের করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে জরায়ু ছিড়ে যাওয়া, মূত্রথলি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সহ অত্যধিক রক্তপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন রোগীর কোন কিছু হলে সব দোষ সার্জনের ঘাড়ে বর্তাবে। না বুঝে সবকিছুতেই ডাক্তারের দোষ খোঁজা এ জাতির জন্য মাঝে মাঝে মনে হয় ঝুকি নেয়া ঠিক হবে না। কিন্ত মা, বাচ্চার জীবন বাঁচানোর জন্য ঝুঁকি নিয়েও অপারেশন করে দেই। কিন্তু নুন থেকে চুন খসলেই যেখানে সবাই চিকিৎসকের বিচার করতে ব্যস্ত, সেখানে রোগী ও রোগীর লোকজনদের ভুল সিদ্ধান্তের কারনে তারা যে ক্ষতিগ্রস্ত হলো অত্যন্ত জটিল অবস্থার সৃষ্টি হলো এই দায়ভার তারা কার উপরে চাপাবে তখন?

যাই হোক অপারেশন শেষে মা ভালো আছে কিন্তু নবজাতককে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করতে হয়েছে। আজ খবর নিলাম বাচ্চাটিও ভালো আছে। আলহামদুলিল্লাহ।

আমার এক রোগীর সিজারের সময় ওজন ছিল ১২০ কেজি। ঐ রোগীর বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা হতে শুরু করে বাচ্চা ডেলিভারি সবই আমার হাতে। এর...
06/10/2025

আমার এক রোগীর সিজারের সময় ওজন ছিল ১২০ কেজি। ঐ রোগীর বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা হতে শুরু করে বাচ্চা ডেলিভারি সবই আমার হাতে। এরপর থেকে ওই ফ্যামিলির আরো দুইজন বর্তমানে আমার চিকিৎসাধীন আছে। একজনের ওজন ১১৩ কেজি আরেকজনের ১০০ কেজি ছুঁই ছুঁই।
স্থূলতা নিয়ে গর্ভবতী হওয়া হাই রিস্ক ( অত্যন্ত জটিল)। যেকোনো সময় ডায়াবেটিস হওয়া, প্রেসার বেড়ে খিচুনি হওয়াসহ আরো অনেক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে মা ও অনাগত সন্তানের । সঠিক চিকিৎসার পাশাপাশি আল্লাহর রহমত ছাড়া পুরো গর্ভকালীন সময় পার করা অত্যন্ত কঠিন।
এরই মধ্যে একজনের ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার দেখা দিয়ে দিয়েছে। আমার কপালে চিন্তার ছাপ। কিন্তু রোগীরা সেটা বুঝতে পারছে না।
উল্টো বলছে "আমার তো ১১৩ কেজি, আমার বোনের ১২০ কেজি ছিল। আপনার হাতেই সব হয়েছে। আমার বোন ও সন্তানতো সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। আপনাকে ভালোবেসে আপনার কাছে এসেছি। আর আমাদের ফ্যামিলির সবাই এমন দশাসই"।
এমন দশাসই ফ্যামিলির ভালোবাসা ও তাদের ম্যানেজ করতে করতে এখন আমারই দফারফা অবস্থা!😀😀😀। যাইহোক সবাই দোয়া করবেন তাদের জন্য।

গর্ভাবস্থায় তার মাকে কঠোর অনুশাসনের মধ্যে রেখেছিলাম। মাঝে মাঝে রাগও করতাম। কারণ তিনি যখন পেটে ছিলেন মায়ের ছিল ডায়াবেট...
21/09/2025

গর্ভাবস্থায় তার মাকে কঠোর অনুশাসনের মধ্যে রেখেছিলাম। মাঝে মাঝে রাগও করতাম। কারণ তিনি যখন পেটে ছিলেন মায়ের ছিল ডায়াবেটিস। গর্ভাবস্থায় মায়ের ডায়াবেটিস থাকা মানে অত্যন্ত 'হাইরিস্ক' প্রেগনেন্সি। নুন থেকে চুন খসলে মানে স্ট্রিক্ট কন্ট্রোলে না রাখলে অনেক জটিলতা দেখা দেয়। এমনকি এত সুন্দর, ফুটফুটে মুখের হাসি থেকেও বঞ্চিত হয় অনেক পরিবার। কোলে যখন নিলাম শান্তই ছিল একটু পরে কান্না শুরু করল। মনে হয় গর্ভাবস্থায় তার মায়ের প্রতি শাসন ও বকুনির প্রতিশোধ নিলো😀😀😀।

Address

কেয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার, পায়রা চত্বর, নরসিংদী, লাইফ কেয়ার হাসপাতাল
Narsingdi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mahmuda Moonni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share