NAAM Agro

NAAM Agro Promised For a Better Life Style!

কেন? 😾🍼
10/05/2026

কেন? 😾🍼

💪ফিক্স ইয়োর গাট, ফিক্স ইয়োর লাইফআচ্ছা আপনি কি জানেন, আপনার পেটের ভেতরে আস্তা একটা শহর বাস করছে?ফাইজলামি না কিন্তু, লিটার...
09/05/2026

💪ফিক্স ইয়োর গাট, ফিক্স ইয়োর লাইফ

আচ্ছা আপনি কি জানেন, আপনার পেটের ভেতরে আস্তা একটা শহর বাস করছে?
ফাইজলামি না কিন্তু, লিটারেলি - একে বলা হয় গাট ফ্লোরা, ইটস আ হোল ইকোসিস্টেম।

এই ইকোসিস্টেমে বাস করেঃ
- হাজারো কোটি ব্যাকটেরিয়া; এদের কেউ ভালো, কেউ খারাপ, কেউ নিউট্রাল।
- কিছু ফাঙ্গাস এবং ভাইরাস।
- হাজারো অন্যান্য প্রজাতি।

আমরা কথা বলবো প্রথমটা নিয়ে কেননা এই শহরের ৯০% বাসিন্দাই হচ্ছেন ইনারা।
আগেই বলেছি, এদের মধ্যে ভালো আছে, খারাপ আছে, আর কিছু বলদা আছে যারা নিউট্রাল, তেমন কিছুই করে না। আমাদের কাজ হচ্ছে ভাল মানুষগুলারে খাওয়ায়-পড়ায় রাখা যেন এরা আমাদের গাট হেলথ ভালো করতে পারে।

তো কি খাওয়ানো যায় ওদের?
“প্রি-বায়োটিক”!!
প্রি-বায়োটিক হচ্ছে এই লক্ষীসোনাদের হরলিক্স – এই খেয়ে তারা হবে টলার, স্ট্রংগার, শার্পার।

যদি আপনি শরীরে এনাফ প্রি-বায়োটিক সাপ্লাই দিতে চান তো ১টা জিনিস আপনার ডায়েটে থাকা লাগবেঃ
ফাইবার - এটা গুড ব্যাকটেরিয়ার মূল খাদ্য।

👉 প্রতিদিন কিছু ফাইবার আপনার ডায়েটে কিভাবে ঢোকানো যায়, তার কিছু সিম্পল টিপসঃ

১। রেগুলার শাক খান – পুঁই শাক, ডাটা শাক, লাল শাক, পালং শাক, কলমি শাক।

২। প্রতিদিন তো আর শাক পাবেন না, সেটা আসলে লাগবেও না। আরও কিছু চমৎকার ফাইবার সোর্স ফর গাট হেলথঃ করলা, শিম, বাঁধাকপি, বরবটি, কাঁচাকলা।

৩। আপেল, পেয়ারা এই দুটা ফল আমাদের দেশে সহজলভ্য এবং এক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।

৪। মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা – এগুলোও গুড ব্যাকটেরিয়াকে ফিড করে।

৫। চিয়াসিড, ফ্ল্যাক্স সিড, ইসবগুল – এগুলোও হতে পারে চমৎকার ফাইবার সোর্স, যা গাট ব্যাকটেরিয়াকে হেল্প করবে।

এই গেলো গুড ব্যাকটেরিয়াকে কি খাওয়াবেন সেটা, এরপরেও আরো কিছু কথা থাকে যা না বললেই নয়।

মনে আছে আমরা শুরুতে বলেছিলাম গাটে কিছু পচা ব্যাকটেরিয়াও থাকে? এদেরকে ট্যাকেল করার জন্য আমাদের হাতে ২টা টুল আছেঃ

১। পলিফেনোলঃ এটা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে দমন করে রেখে ভালোগুলারে হেল্প করে বংশবৃদ্ধি করতে।

২। প্রো-বায়োটিকঃ এরা হচ্ছে গুড ব্যাকটেরিয়ার সহযোদ্ধা, এদের বাইরে থেকে নিতে হয়। এরা গুড ব্যাকটেরিয়াকে হেল্প করে, কিন্তু খেয়াল রাখবেন - এরা কিন্তু গাট ফ্লোরা ইকোসিস্টেমের পার্ট নয়।

👉 তো পলিফেনোল পাবেন কিসে?
- ফলের মধ্যে আপেল, পেয়ারা - আগেও এদের নাম এসেছে।
- গ্রীন টি, হলুদ।
- বাদামের মধ্যে কাঠবাদাম, আখরোট।
- পিঁয়াজ, রসুন, লবঙ্গ – রান্নায় এগুলো বেশি করে ইউজ করতে পারেন।

👉 আর প্রোবায়োটিক?

- টকদই
- কেফির 🥛
- কিমচি, সাওয়ারক্রাউট

এতোক্ষণে আশা করি একটা ভালো ধারণা হয়ে গিয়েছে কোন কোন খাবার আপনার গাট হেলথ ভালো রাখতে হেল্প করতে পারে।

মূল: Tehzib Rahman

09/05/2026

জামাইকে ভালোবাসলে আজকেই ২টি কাজ করুন:
১। বিরিয়ানি রান্না করে দিন🍗
২। তার জন্য কেফির অর্ডার দিন🥛
👉👈

🌿ঘাস খাওয়ানো মহিষের দুধের কেফির মাত্র অল্প কয়েকদিনের জন্য এভেইলেভল থাকবে। তাই শেষ হবার আগেই ট্রাই করতে দ্রুত অর্ডার দিন।...
06/05/2026

🌿ঘাস খাওয়ানো মহিষের দুধের কেফির মাত্র অল্প কয়েকদিনের জন্য এভেইলেভল থাকবে। তাই শেষ হবার আগেই ট্রাই করতে দ্রুত অর্ডার দিন। হোম ডেলিভারিতে পেয়ে যাবেন। গ্রাস ফেড বাফালো মিল্ক কেফির ৫০০ টাকা লিটার মাত্র! 🥛🍼

05/05/2026

মহিষের দুধের কেফির ৫০০ টাকা লিটার।
সারা দেশে হোম ডেলিভারি 🔥

05/05/2026
04/05/2026

বহু আকাঙ্ক্ষিত ঘাস খাওয়া মহিষের দুধের কেফির। অল্পকয়দিনের জন্য পাবেন। আজকে অর্ডার না করলেই চরম মিস হবে কিন্তু!

প্রকৃতি তার কন্যাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছে।মানব সভ্যতা যতই বিধ্বংসী ই হোক না ক্যান!প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে তাকে হা...
04/05/2026

প্রকৃতি তার কন্যাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছে।মানব সভ্যতা যতই বিধ্বংসী ই হোক না ক্যান!প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে তাকে হার মানতেই হবে।

আগামী দুদিন গরুর দুধের পাশাপাশি চড়ে বেড়ানো মহিষের দুধের কেফিরও পাবেন ইনশাআল্লাহ! নিতে চাইলে এখনই নাম,ঠিকানা এবং নাম্বার ...
04/05/2026

আগামী দুদিন গরুর দুধের পাশাপাশি চড়ে বেড়ানো মহিষের দুধের কেফিরও পাবেন ইনশাআল্লাহ! নিতে চাইলে এখনই নাম,ঠিকানা এবং নাম্বার টা দিয়ে রাখুন।

04/05/2026

বৌকে ভালোবাসলে আজকেই ২ টি কাজ করুন:
১। তাকে সারপ্রাইজ গিফট দিন💍💎
২। তার জন্য কেফির অর্ডার দিন 🥛

কেফির কেউ এটি সরাসরি পান করতে পছন্দ করেন, আবার কেউ স্মুদি বানিয়ে বা ফল, মধু, গুড় মিশিয়ে মিষ্টি করে খান। পোল্যান্ডে বিভিন...
04/05/2026

কেফির কেউ এটি সরাসরি পান করতে পছন্দ করেন, আবার কেউ স্মুদি বানিয়ে বা ফল, মধু, গুড় মিশিয়ে মিষ্টি করে খান। পোল্যান্ডে বিভিন্ন ফল মেশানো কেফির বাণিজ্যিকভাবেই কিনতে পাওয়া যায়। রাশিয়া, বেলারুশ, ইউক্রেন, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলোতে সকালের নাস্তায়, অনেক সময় দুপুরের খাবার কিংবা রাতের খাবারের সাথেও কেফির পরিবেশন করা হয়। বর্তমানে রাশিয়ায় গাঁজন করা দুগ্ধজাত পানীয়গুলোর মধ্যে কেফির সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ায় মোট ফারমেন্টেড মিল্ক বিক্রির প্রায় ৬৫ থেকে ৮০ শতাংশই হলো কেফির এবং ১৯৮৮ সালের একটা হিসাব অনুযায়ী সেখানে বছরে ১২ লক্ষ টনের বেশি কেফির উৎপাদন হতো। ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে সোভিয়েত ইউনিয়নে জনপ্রতি গড় বার্ষিক কেফির খাওয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ৪.৫ কেজি। বর্তমানে চেকোস্লোভাকিয়া, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, নরওয়ে, পোল্যান্ড, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, রাশিয়া এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন রাষ্ট্র ছাড়াও ডেনমার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, কানাডা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে লার্জ স্কেলে কেফির উৎপাদন করা হচ্ছে।

ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা যারা দুধের শর্করা সহ্য করতে পারেন না, তাদের জন্য কেফির সাধারণত বেশ সহনীয় হয়। এর কারণ হলো কেফিরের ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট তাদের নিজেদের খাবারের জন্য দুধের ল্যাকটোজ বা দুধের শর্করা গ্রহণ করে ল্যাকটেজ নামক এনজাইম তৈরি করে। ফলে দুধের অধিকাংশ ল্যাকটোজ গ্লুকোজ এবং গ্যালাকটোজের মতো সহজ শর্করার রূপে রূপান্তরিত হয়ে যায়। শর্করার এই সহজ পাচ্য রূপ এবং বাড়তি ল্যাকটেজ এনজাইম যা হজমে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে, কেফিরকে একটি সহজপাচ্য খাবারে পরিণত করে।

এমনকি কেউ চাইলে কেফিরকে আরও বেশি সময় ধরে পরিপক্ব বা রাইপেনিং করে ল্যাকটোজের পরিমাণ আরও কমিয়ে আনতে পারেন।
কেফিরে ল্যাকটোজের পরিমাণ কমাতে চাইলে ছেঁকে নেওয়ার পর প্রস্তুতকৃত কেফির একটি জারে ভরে ঘরের তাপমাত্রায় বা ফ্রিজে আরও এক বা দুই দিন রেখে দিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন যে, এই প্রক্রিয়ায় কেফিরে ল্যাকটোজ কমলেও এতে অ্যাসিড এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ কিছুটা বেড়ে যায়, যা মূলত শর্করার জায়গা দখল করে নেয়। যেহেতু কেফিরের ল্যাকটোজ বেশিরভাগই রূপান্তরিত হয়ে যায় এবং এতে ল্যাকটেজ এনজাইম থাকে, তাই বেশিরভাগ মানুষের জন্য এই বাড়তি রাইপেনিং করার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে যার দরকার তার জন্য এটি একটি বিকল্প হিসেবে থাকে আরকি।

বাজারের সাধারণ প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট বা পিল নেওয়ার চেয়ে কেফির পান করার বিশেষ সুবিধা রয়েছে। কেফিরের মতো ফারমেন্টেড দুগ্ধজাত পণ্যগুলোকে ফাংশনাল ফুড হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এটি আমাদের শরীরে এনজাইম, প্রাক-হজমকৃত পুষ্টি, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ এবং বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোবায়োটিক প্রদান করে। প্রোবায়োটিক পিলগুলোতে সাধারণত এক বা সীমিত কিছু প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া থাকে এবং সাধারণত তার বাইরে আর কিছুই থাকে না। যেকোনো খাবারকে তার প্রাকৃতিক এবং পূর্ণাঙ্গ রূপে গ্রহণ করাই সবসময় ভালো, কারণ খাবারের প্রতিটি উপাদান অন্য উপাদানটিকে হজম করতে সাহায্য করে। সৃষ্টিকর্তা হোলনেস, হোলফুড সৃষ্টি করেছেন, আপনার জন্য এটাই সবচেয়ে উপযোগী। পুষ্টি সঠিকভাবে গ্রহণ করার জন্য খাবারের সব কটি উপাদানের উপস্থিত থাকা জরুরি।

কেফির কেন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তার কারণ অনেক। এটি মূল্যবান এনজাইম, সহজে হজমযোগ্য পূর্ণাঙ্গ প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজে ভরপুর। মিল্ক কেফির সাধারণত ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত এবং এটি শরীরে বিলিয়ন বিলিয়ন উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও ইস্টের জোগান দেয়। দইয়ের মতো খাবার কিছু ক্ষেত্রে সাহায্য করলেও কেফিরের মতো এটি এতটা শক্তিশালী নয় এবং দইয়ে কোনো উপকারী ইস্ট থাকে না, কেবল ব্যাকটেরিয়া থাকে। আপনার শরীরের ভেতরে ইতোমধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট বাস করে। আপনার অভ্যন্তরীণ মাইক্রোফ্লোরা সঠিক হজম প্রক্রিয়া, ভিটামিন ও মিনারেল তৈরি এবং ক্ষতিকর জীবাণু বা ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষা দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী রাখে। হজম এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কেফিরের ভূমিকা দীর্ঘকাল ধরে স্বীকৃত। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, এটি অ্যান্টিমিউটাজেনিক হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের ফ্রি র‍্যাডিক্যাল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফারমেন্টেশনের সময় বাড়লে এতে ফলিক অ্যাসিড এবং বি ভিটামিনের পরিমাণও বাড়ে। কেফির রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

স্বাস্থ্য এবং খাবারকে কেবল তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করা কঠিন। কেফির কোনো জাদুকরী ওষুধ না হলেও এর অসংখ্য স্বাস্থ্যগত সুবিধা রয়েছে যা একেকজনের শরীরের জন্য একেক রকম হতে পারে। কেউ হয়তো ভালো হজমের সুফল পান, কারও সর্দি-কাশির প্রবণতা কমে যায়, কেউ বেশি শক্তি পান, আবার কেউ হয়তো স্বাস্থ্যে বিশেষ কিছুই অনুভব করেন না কিন্তু কেফিরের স্বাদ বেশি উপভোগ করেন।

যাদের শরীরে ক্যান্ডিডার সমস্যা রয়েছে, তাদের অনেকের মতে কেফির বেশ উপকারী প্রমাণিত হয়েছে। কেফির হলো ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্টের একটি সুশৃঙ্খল সহাবস্থান, যা আমরা আমাদের শরীরের ভেতরেও অর্জনের চেষ্টা করি। কেফিরে 'ক্যান্ডিডা অ্যালবিকানস' নামক ক্ষতিকর ইস্ট থাকে না, তাই এটি ক্যান্ডিডার লক্ষণগুলোকে আরও খারাপ করার কোনো কারণ নেই। কিছু সূত্রের মতে, কেফিরের উপকারী ইস্ট বরং ক্ষতিকর ক্যান্ডিডা ইস্ট কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। তবে সবসময় নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়ার দিকে খেয়াল রাখা উচিত। যদি আপনার শরীরের অবস্থার উন্নতি হয় তবে এটি চালিয়ে যেতে পারেন, আর যদি মনে হয় আপনার সমস্যা বাড়ছে, তবে সাময়িক বিরতি দিয়ে পরে আবার চেষ্টা করা যেতে পারে।

হজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য কেফির একটি দারুণ বিকল্প। এসিড রিফ্লাক্স থেকে শুরু করে পেট ফাঁপা কিংবা অন্ত্রের সমস্যায় এটি অনেকের ক্ষেত্রে জাদুর মতো কাজ করেছে। তবে আপনার যদি পেটে আলসার থাকে, তবে আলসার না শুকানো পর্যন্ত এটি পান করা ঠিক নাও হতে পারে কারণ কেফির কিছুটা অম্লীয় বা অ্যাসিডিক প্রকৃতির।

কেফিরের মাইক্রোফ্লোরা এবং সহজপাচ্য পুষ্টি উপাদান এটিকে হজমের সমস্যার জন্য একটি আদর্শ খাবার করে তুলেছে। এর কার্বোনেশন এবং বিশেষ গুণাগুণ হজমে সাহায্যকারী বা উদ্দীপক হিসেবে কাজ করতে পারে। যদি আপনার পেটে ব্যথা বা গ্যাস হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ধীরগতির এবং কেফিরের স্টিমুলেশন আপনার জন্য কিছুটা তীব্র হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে মাত্র এক চামচ দিয়ে শুরু করুন এবং ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়িয়ে শরীরের সাথে মানিয়ে নিতে সময় দিন।

কেফির কি সবার জন্য উপযুক্ত, এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় যে, আপনার শরীরের নিজস্ব প্রতিক্রিয়ার দিকে মনোযোগ দিন। পরিমিতিবোধই হলো সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। কেফিরের কার্বোনেশন এবং অম্লীয় গুণাগুণ একটি দুর্বল বা ক্লান্ত হজম প্রক্রিয়াকে উত্তেজিত করতে পারে, তাই অস্বস্তি বোধ করলে পরিমাণ কমিয়ে দিন বা সাময়িক বন্ধ রাখুন। আপনার যদি আলসার বা কোনো ব্যথা থাকে, তবে আগে তা নিরাময়ের ব্যবস্থা করুন (যেমন অ্যালোভেরা বা কলা খাওয়া) এবং পরে কেফিরের মতো শক্তিশালী খাবারে ফিরে আসুন। নিজের কাণ্ডজ্ঞান এবং শরীরের সংকেতকে কখনো অবহেলা করবেন না।

কেফির পান করে কি কেউ অসুস্থ হয়েছে এমন প্রশ্ন করলে জানা যায় যে, নিয়ম মেনে কেফির তৈরি করলে ও খেলে এটি অত্যন্ত নিরাপদ। গবেষণায় বারবার দেখা গেছে যে, কেফির গ্রেইনের ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্টের শক্তিশালী জোট বাইরের ক্ষতিকর জীবাণু, ছত্রাক বা খারাপ ইস্টকে প্রতিহত করে। এটি নিজের কমপ্লেক্সের ভেতর থেকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্গত করে যা বাইরের আক্রমণ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, কেফির এমনকি সালমোনেলা এবং ই কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে, কারও ক্ষেত্রে কোনো প্রতিক্রিয়া হবে না। শুরুতে পান করলে পেট কিছুটা খারাপ লাগতে পারে কারণ এটি অ্যাসিডিক এবং এতে প্রচুর পরিমাণে জীবন্ত প্রোবায়োটিক থাকে। এছাড়া যাদের 'নিম্যান-পিক ডিজিজ' (টাইপ এ এবং বি) নামক বিরল বংশগত রোগ আছে, তাদের জন্য কেফির রেকমেন্ড করা হয় না। বাণিজ্যিক কেফিরে অনেক সময় দূষণ দেখা দিতে পারে যা কারখানায় লার্জ স্কেলে তৈরির সময় ঘটে থাকে! কিন্তু ঘরের তৈরি কেফিরে এমন সমস্যা প্রায় হয় না বললেই চলে। যদি আপনার তৈরি কেফির থেকে খুব বাজে গন্ধ আসে বা এর রং অদ্ভুত হয়ে যায়, তবে তা ফেলে দিয়ে নতুন করে শুরু করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ঐতিহ্যবাহী কেফির গ্রেইন এবং স্টার্টার পাউডার বা বাণিজ্যিক কেফিরের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। বাণিজ্যিক কেফির মূলত একটি কৃত্রিম পানীয় যা কেফিরের স্বাদ নকল করে তৈরি করা হয়। এটি প্রথাগত পদ্ধতিতে তৈরি নয়। বরং ল্যাবরেটরিতে তৈরি কিছু ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট কিনে নিয়ে তারা এই পানীয় বানায়। বডি ইকোলজি প্রোডাক্ট বা স্টার্টার পাউডারগুলো সাধারণত একবারই ব্যবহার করা যায়, বারবার নতুন কেফির বানানো যায় না। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী কেফির গ্রেইন হলো একটি জীবন্ত শক্তিশালী কলোনি যা দুধের মধ্যে বেঁচে থাকে, বৃদ্ধি পায় এবং যুগের পর যুগ টিকে থাকতে পারে।

কেফির গ্রেইন মূলত কী দিয়ে তৈরি তা জানতে গেলে দেখা যায় যে, এতে ৩০টিরও বেশি প্রজাতির উপকারী ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্টের বসবাস বিদ্যমান। গ্রেইনের মূল অংশটি প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড, লিপিড বা চর্বি এবং কমপ্লেক্স সুগার বা মিউকো-পলিস্যাকারাইড দিয়ে গঠিত। বিজ্ঞানীদের মতে, একটি ড্রাই কেফির গ্রেইনের ৪.৪% ফ্যাট, ১২.১% ছাই সদৃশ খনিজ উপাদান, ৪৫.৭% মিউকো-পলিস্যাকারাইড এবং ৩৪.৩% প্রোটিন থাকে। এছাড়া গ্রেইনে সামান্য পরিমাণে আয়রনের উপস্থিতিও পাওয়া যায়।

কেফিরে অ্যালকোহল থাকে কি না এই প্রশ্নের উত্তর হলো– হ্যাঁ, এতে প্রায় ০.০৮% থেকে ২% পর্যন্ত অ্যালকোহল থাকতে পারে। সাধারণ ২৪ ঘণ্টার ফারমেন্টেশনে এর পরিমাণ থাকে মাত্র ০.০৮ শতাংশের মতো। তবে কেফিরকে যদি মুখবন্ধ অবস্থায় আরও কয়েক দিন রেখে পরিপক্ব বা রাইপেনিং করা হয়, তবে অ্যালকোহলের পরিমাণ ২-৩% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
ইসলামিক স্কলারদের মতে, কেফির পান করা হালাল। এটি কোনো মাদক তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো হয় না। গাঁজন প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিকভাবেই সামান্য অ্যালকোহল তৈরি হয়, যা নেশাগ্রস্থ করেনা। ০.০৮% বা ২% অ্যালকোহল মানুষকে নেশাগ্রস্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়। ইসলামের মূল নীতি হলো যা বেশি পরিমাণে পান করলে নেশা হয় না, তা পান করা বৈধ। অনেক সময় অতি পাকা কমলা বা আঙুরেও প্রাকৃতিকভাবে এই পরিমাণ অ্যালকোহল থাকে, যা খাওয়া হারাম নয়। ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উপাদানগুলোর যে পরিবর্তন ঘটে, তা ভিনেগার তৈরির প্রক্রিয়ার মতোই। ভিনেগার তো ইসলামে হালাল।
ইন কেস যদি আপনার মনে হয় কেফিরটি অনেকদিন রেখে দেওয়ার ফলে এর স্বাদ বা গন্ধে পরিবর্তন এসেছে অথবা এটি পান করলে মস্তিষ্কে সামান্যতম প্রভাব বা ঝিমঝিম ভাব কাজ করছে, তবে তা ফেলে দেয়াই ভালো।

কেফিরের কোন অংশটি পানযোগ্য তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। কেফির হলো মূলত দুধ যা কেফির গ্রেইন দ্বারা ফারমেন্ট করা হয়েছে। গ্রেইনগুলো দুধের ল্যাকটোজ এবং পুষ্টি খেয়ে অ্যাসিটিক ও ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং সামান্য অ্যালকোহল তৈরি করে, যা দুধকে একটি ঘন টেক্সচার এবং নতুন স্বাদ দেয়। এই গ্রেইনগুলো ছেঁকে নেওয়ার পর যে ঘন দুধটি থাকে সেটিই হলো কেফির। অনেকে কেফিরের স্বচ্ছ জলীয় অংশ বা 'হুই' (whey) পছন্দ করেন না এবং এটি ফেলে দিয়ে আরও ঘন কেফির পান করেন। কিন্তু একে একটি পূর্ণাঙ্গ খাবার হিসেবে সবটুকু অংশসহ পান করাই সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।

কতটুকু কেফির পান করবেন তা নিয়ে কথা বললে, যেকোনো নতুন জিনিসের মতো এটিও অল্প দিয়ে শুরু করা উত্তম। শুরুতে ১-৪ কাপ পর্যন্ত পান করা স্বাভাবিক হতে পারে, তবে আপনার শরীরের সাথে মানিয়ে নিয়ে পরিমাণ ঠিক করুন। ভারসাম্যই হলো সুস্থতার মূল চাবিকাঠি। শুরুতে পেট কিছুটা সংবেদনশীল হতে পারে, তাই প্রতিদিন ১/৮ কাপ দিয়ে শুরু করতে পারেন। আস্তে আস্তে পরিমাণ বাড়িয়ে ১/৪ কাপে নিয়ে আসুন। খাবারের সাথে কেফির পান করা বেশ কার্যকর হতে পারে। মাঝেমধ্যে শরীরকে বিরতি দেওয়ার জন্য সপ্তাহে একদিন বা নির্দিষ্ট সময় পর পর কেফির পান থেকে বিরতি নেওয়া যেতে পারে। তিব্বতের একটি রীতি অনুযায়ী, তারা ২০ দিন ২ কাপ করে পান করার পর ১০ দিনের বিরতি নেয়।

পুনরায় সক্রিয় বা ব্যালেন্সিং করার পর্যায়ে থাকা কেফির কি পান করা যায় এই প্রশ্নের উত্তর হলো– না। যখন আপনি শুকনো বা অনেক দিন বন্ধ থাকা গ্রেইনগুলোকে পুনরায় সক্রিয় করছেন, তখন যতক্ষণ না এটি পুরোপুরি ব্যালেন্সড হচ্ছে এবং সুন্দর সুবাস দিচ্ছে, ততক্ষণ তা পান না করাই ভালো। এটি পান করা ক্ষতিকর না হলেও এর পূর্ণ গুণাগুণ আপনি পাবেন না। তাই সক্রিয় করার সময় সেই দুধটুকু ফেলে দেওয়াই ভালো। তবে আপনার যদি অতিরিক্ত গ্রেইন থাকে তবে তা ফেলে না দিয়ে কাউকে উপহার দিতে পারেন বা শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন।

কেফির কত দিন সংরক্ষণ করা যায় সে সম্পর্কে বলা যায় যে, এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি পান করা সবচেয়ে ভালো। কেফিরের ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট একে দীর্ঘ সময় ভালো রাখতে পারে তবে সময় বাড়লে এর টক ভাব এবং গ্যাসীয় ভাব বেড়ে যাবে। আপনি চাইলে আগের তৈরি কেফিরের সাথে নতুন কেফির মিশিয়েও রাখতে পারেন। যদি দেখেন এটি অতিরিক্ত গ্যাসীয় বা তীব্র অ্যালকোহলিক গন্ধ ছড়াচ্ছে, তবে তা ব্যবহার না করাই ভালো। কেফির বেশিদিন ফ্রিজে না রেখে নতুন ব্যাচ তৈরি করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

আপনি চাইলে কেফির গ্রেইনও খেতে পারেন। এগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ। অনেকে অতিরিক্ত গ্রেইন পোষা প্রাণীদের খাওয়ান। আবার অনেকে গ্রেইন শুকিয়ে গুঁড়ো করে সালাদ বা পাস্তার ওপর মশলা হিসেবে ব্যবহার করেন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, কেফির গ্রেইন টিউমার বিরোধী এবং প্রদাহ বিরোধী গুণাগুণ সম্পন্ন। এটি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) বা আলসারের চিকিৎসাতেও অনেকের ক্ষেত্রে ভালো ফল দিয়েছে।

পোষা প্রাণীরাও কেফির খেতে পারে। মানুষের মতো প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব একেক রকম হতে পারে। আপনার পোষা প্রাণীকে দিয়ে দেখুন তারা পছন্দ করছে কি না এবং শুরুতে তাদের শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন। এটি মুরগির খাবারের সাথে মিশিয়ে দিলে তাদের স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে। আজই ট্রাই করতে পারেন!

যদি কেফির গ্রেইন মেঝেতে পড়ে যায় তবে কী করবেন? সাথে সাথে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং আলতো করে ঘষে ময়লা পরিষ্কার করুন। এরপর এটি আবার ব্যবহার করা যাবে। যদি আপনার মনে সন্দেহ থাকে তবে ধোয়ার পর এটি নিজে খেয়ে ফেলুন অথবা পোষা প্রাণীকে বা বাগানের গাছে দিয়ে দিন।

কেফির পান করে যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় তবে কী করবেন? যদি খুব মারাত্মক অ্যালার্জি হয় তবে সাথে সাথে ডাক্তার দেখান। নতুবা ৩-৪ দিন অপেক্ষা করে আবার অল্প পরিমাণে চেষ্টা করুন। অনেক সময় একে 'হার্কহেইমার রিঅ্যাকশন' বলা হয়, যেখানে শরীরে প্রচুর প্রোবায়োটিক প্রবেশের ফলে শরীর ভেতর থেকে নিজেকে পরিষ্কার বা ডিটক্স করে। নিজের শরীরের সংকেত বোঝার চেষ্টা করুন। যদি খুব অস্বস্তি হয় তবে পরিমাণ কমিয়ে দিন অথবা বিরতি নিন। কেফির হজম প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করে, তাই ধীরগতির হজম শক্তির মানুষের জন্য এটি শুরুতে কিছুটা কষ্টের হতে পারে। সেক্ষেত্রে অল্প অল্প করে পান করে অভ্যাস তৈরি করুন।

গ্রেইন কি ধোয়ার প্রয়োজন আছে? অনেকে এটি করতে পছন্দ করেন কিন্তু ঐতিহ্যগতভাবে এর কোনো প্রয়োজন নেই। কেফির গ্রেইন প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে বাইরের জীবাণু থেকে রক্ষা করতে পারে। এর নিজস্ব অ্যাসিডগুলোই একে সুরক্ষিত রাখে। বরং অনেকে দেখেছেন যে, গ্রেইন না ধুলে তারা আরও ভালো বাড়ে এবং কেফিরের স্বাদ ভালো হয়। তবে যদি গ্রেইনের গায়ে চর্বি জমে কমলাটে আভা দেখা দেয়, তবে হালকা করে ধুয়ে নেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ক্লোরিনমুক্ত প্রাকৃতিক পানি ব্যবহার করবেন।

কেফির দূষিত হয়েছে কি না তা বোঝার উপায় হলো এর রং এবং গন্ধ। কেফির যদি পঁচে যায় তবে এর থেকে অত্যন্ত বাজে দুর্গন্ধ আসবে এবং রং বদলে যাবে। পরিষ্কার পাত্র এবং হাত ব্যবহার করলে দূষণের ভয় থাকে না বললেই চলে। সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান ব্যবহার করুন, যদি এটি দেখতে বা গন্ধ নিতে বিশ্রী লাগে, তবে ফেলে দিন।

কেফিরের দুধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পূর্ণ ননীযুক্ত দুধ বা হোল মিল্ক সবচেয়ে ভালো, কারণ দুধের ভিটামিনগুলো ফ্যাটের উপস্থিতিতে শরীরের জন্য বেশি উপযোগী হয়। তবে আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ছাগলের দুধ, নারিকেলের দুধ বা কাঠবাদামের দুধও ব্যবহার করতে পারেন। ভারসাম্য এবং নিজের শরীরের প্রয়োজনই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

র মিল্ক বা কাঁচা দুধের কথা বলতে গেলে, এটি কেফির গ্রেইনের জন্য সেরা খাবার। কাঁচা দুধে প্রাকৃতিকভাবেই অনেক এনজাইম এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে যা পাস্তুরাইজেশন বা ফুটিয়ে নেওয়ার সময় নষ্ট হয়ে যায়। কাঁচা দুধে অনেক পুষ্টি থাকে এবং এর স্বাদও অনেকের কাছে ভালো লাগে। পাস্তুরাইজেশন এবং হোমোজেনাইজেশন প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিগুণ কতটা বজায় থাকে তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও প্রাকৃতিক এবং অবিকৃত তাজা দুধ সবসময়ই বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে খামারি, পশুপাখি এবং পরিবেশের সাথে আমাদের একটি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

NAAM Agro

Address

Natore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NAAM Agro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share