11/07/2026
★★হোমিওপ্যাথিক অনুবটিকা!
হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি ও মাত্রা কী, কীভাবে নির্বাচন করতে হয়?.....
নবীন ডাক্তারদের মনে প্রশ্ন জাগে------
১) কেন সুগার অব মিল্ক পাউডার বা সুগার অব মিল্ক এর তৈরি অনুবটিকায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সংরক্ষণ করা হয়?
উত্তর হলো--সুগার অব মিল্ক পাউডার বা সুগার অব মিল্ক এর অনুবটিকায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিউট্রাল থাকে, কোন রিএকশন হয় না। ফলে রিএকশন না হওয়ায় ঔষধের গুণাগুণ অক্ষুন্ন থাকে দীর্ঘদিন।
আবার রেক্টিফায়েড স্পিরিটে রাখা হয়।
রেক্টিফায়েড স্পিরিট হলো হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সংরক্ষনের নিউট্রাল প্রিজারভেটিভ।
রেক্টিফায়েড স্পিরিট শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সাথে সাংঘর্ষিক হয় না। ফলে ঔষধের গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
২) হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি ( Potency) ও মাত্রা (Dose) কী?
উত্তর হলো - শক্তি বা পটেন্সী: হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি হলো, দশমিক পদ্ধতির ঔষধ ৩, ৬, ১২ ইত্যাদি এরকম হয়।
শততমিক পদ্ধতির ঔষধ ৩০, ২০০, ১ এম, ১০ এম, ৫০ এম, সিএম পটেন্সী এরকম হয়।
আর পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতিতে এম১, এম২, এম৩ ইত্যাদি এরকম হয়ে থাকে।
মাত্রা বা ডোজ:
হোমিওপ্যাথিক ঔষধের এই একটি অনুবটিকা বা ৩টি বা ৫টি অনুবটিকা যদি কেউ একবারে খায় তা হলে এক ডোজ হিসেবে কাজ করবে।
আবার এই একটি অনুবটিকা যদি এক ড্রাম পানিতে/এলকোহলে মিশিয়ে এক ফোঁটা বা পুরা এক ড্রাম খেতে দেয়া হয় তাহলে তা এক ডোজ হিসেবে কাজ করবে।
৩) মাত্রা বা ডোজ কীভাবে দিবেন?
উত্তর : একিউট জ্বর, মাথা ব্যথা বা একিউট পেট খারাপের লক্ষণে সকাল + দুপুর+ রাত এভাবে ৩ বার দেয়া যেতে পারে।
আবার আঘাত পেয়ে ফুলে উঠেছে বা থেতলিয়ে গিয়েছে তখন ১০/২০/৩০/৬০ মিনিট পরপর খেতে দেয়া যেতে পারে।
আর উচ্চ শক্তি (১এম হতে উচ্চ শক্তি) নির্বাচন হলে সিঙ্গেল ডোজ খেতে দিতে হবে। অর্থাৎ ১ বা ২ ডোজ খেতে দিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। কতটুকু সময় অপেক্ষা করতে হবে এটা ডাক্তারের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে অনেকটা।
★★৫০ সহস্রতমিক ঔষধের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে অন্য একদিন বলবো।
নূর হোমিও হল
ডাঃ মোঃ মুফতিউর আলনূর
রেজিঃ নংঃ- ৩১৫৫৯
পুড়াখালী, শ্রীধরপুর, অভয়নগর, যশোর।