ইসলাম মেডিকেল হল এন্ড চেম্বার

ইসলাম মেডিকেল হল এন্ড চেম্বার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইসলাম মেডিকেল হল এন্ড চেম্বার, Medical and health, Pakhimara, Kalapara, Patuakhali.

🌿 স্বাগতম! 🌿
ইসলাম মেডিকেল হল এন্ড চেম্বার | একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র | স্বাস্থ্য সেবায় আপনার সঙ্গী |

এখানে আপনি পাবেন স্বাস্থ্য টিপস, হেলথ এডুকেশন ও মেডিকেল গাইড।💚 আমার লক্ষ্য হলো—
✅ সহজ ভাষায় স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরামর্শ
✅ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া
✅ নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা
✅ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও চিকিৎসা
✅ পুষ্টি, জীবনধারা ও প্রতিরোধমূলক

চিকিৎসা ব্যবস্থা
✅ জরুরি স্বাস্থ্য সহায়তা ও রেফার ব্যবস্থা

সেবার মনোভাব, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে মানুষের পাশে থাকাই আমার অঙ্গীকার। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সহজলভ্য ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য ৷

আমি বিশ্বাস করি, মহান আল্লাহর রহমত, সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসাই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।

সাথে থাকুন, সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।💚

'Post Injection Lipoatrophy'আজ আমার কাছে ৩৫ বছর বয়সী একজন মহিলা রোগী আসেন। তিনি জানান, একই স্থানে পরপর দুইবার ৩ মাস মেয...
26/07/2026

'Post Injection Lipoatrophy'

আজ আমার কাছে ৩৫ বছর বয়সী একজন মহিলা রোগী আসেন। তিনি জানান, একই স্থানে পরপর দুইবার ৩ মাস মেয়াদী গর্ভনিরোধক ইনজেকশন (DMPA) নিয়েছেন। সর্বশেষ ইনজেকশন নেওয়ার প্রায় ১ মাস পর তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইনজেকশন দেওয়া স্থানের চামড়া ধীরে ধীরে ডেবে যাচ্ছে।

এটাকে বলে Post Injection Lipoatrophy যা হলো ইনজেকশনের একটি বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যেখানে স্থানীয় প্রদাহের কারণে চামড়ার নিচের চর্বির (subcutaneous fat) কিছু অংশ ক্ষয় হয়ে যায়। একই স্থানে বারবার ইনজেকশন দিলে এ ধরনের জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

🔹 এটি সাধারণত সংক্রমণ বা পুঁজ নয়।
🔹 অনেক ক্ষেত্রে সময়ের সাথে ধীরে ধীরে উন্নতি হয়।
🔹 দীর্ঘস্থায়ী বা সৌন্দর্যগত সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চিকিৎসা করা যায়।

প্রতিরোধে যা করবেন:
✅ একই স্থানে বারবার ইনজেকশন না দেওয়া।
✅ ইনজেকশনের স্থান পরিবর্তন (site rotation) করা।
✅ সঠিক ইনজেকশন টেকনিক অনুসরণ করা।

কেরিয়ন (Kerion): মাথার ত্বকের ছত্রাকজনিত সংক্রমণের একটি গুরুতর রূপ।অনেকেই মাথায় ফুলে যাওয়া, ব্যথাযুক্ত গুটি, পুঁজ বের...
07/07/2026

কেরিয়ন (Kerion): মাথার ত্বকের ছত্রাকজনিত সংক্রমণের একটি গুরুতর রূপ।

অনেকেই মাথায় ফুলে যাওয়া, ব্যথাযুক্ত গুটি, পুঁজ বের হওয়া বা অতিরিক্ত চুল পড়াকে সাধারণ সমস্যা মনে করেন। কিন্তু এটি কেরিয়ন (Kerion) হতে পারে, যা মাথার ত্বকের ছত্রাকজনিত সংক্রমণের একটি তীব্র প্রদাহজনিত রূপ।

⚠️ লক্ষণসমূহ:
🔸 মাথার ত্বকে ফুলে যাওয়া ও নরম গুটি
🔸 পুঁজ বা তরল নিঃসরণ
🔸 আক্রান্ত স্থানে চুল ঝরে যাওয়া
🔸 ব্যথা ও স্পর্শে কোমলতা
🔸 জ্বর বা ঘাড়ের লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে

👦 কারা বেশি আক্রান্ত হয়?
বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি, পোষা প্রাণী বা দূষিত চিরুনি, তোয়ালে ও টুপি ব্যবহার থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

💊 চিকিৎসা:
শুধু ক্রিম ব্যবহার করলে সাধারণত ভালো হয় না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মুখে খাওয়ার অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনে প্রদাহ কমাতে অন্যান্য ওষুধও দেওয়া হতে পারে।

🚨 দেরি করলে কী হতে পারে?
চিকিৎসায় বিলম্ব হলে মাথার ত্বকে স্থায়ী দাগ (scar) তৈরি হতে পারে এবং সেই স্থানে চুল আর নাও গজাতে পারে।

✅ যা করবেন:
✔️ দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
✔️ ব্যক্তিগত চিরুনি, তোয়ালে ও টুপি আলাদা ব্যবহার করুন।
✔️ চিকিৎসা সম্পূর্ণ করুন এবং নিজে নিজে স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করবেন না।

📌 সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাই কেরিয়ন থেকে স্থায়ী ক্ষতি প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায়।

#চর্মরোগ #ছত্রাকসংক্রমণ #মাথারত্বকেরসমস্যা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ত্বকেরযত্ন

আমার চেম্বারের সময়সূচিঃ
17/06/2026

আমার চেম্বারের সময়সূচিঃ

বাচ্চাদের ইমপেটিগো (Impetigo) — অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি!👶 বাচ্চার মুখে, নাকে বা শরীরে ছোট ফোসকা বা মধুর মতো হলুদ ...
22/05/2026

বাচ্চাদের ইমপেটিগো (Impetigo) — অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি!
👶 বাচ্চার মুখে, নাকে বা শরীরে ছোট ফোসকা বা মধুর মতো হলুদ খোসা পড়া ঘা দেখছেন?

এটি হতে পারে ইমপেটিগো — একটি অত্যন্ত সংক্রামক ত্বকের ইনফেকশন।
ইমপেটিগোর সাধারণ লক্ষণ:
✔️ মুখ, নাক, হাত বা পায়ে লাল দাগ
✔️ ছোট পানিভরা ফোসকা
✔️ ফেটে গিয়ে হলুদ/মধুর মতো খোসা পড়ে
✔️ চুলকানি বা জ্বালাপোড়া
✔️ এক বাচ্চা থেকে অন্য বাচ্চায় দ্রুত ছড়ায়

কেন হয়?
🦠 সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়
বিশেষ করে:
অপরিষ্কার হাত
নখ দিয়ে চুলকানো
গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া
একই তোয়ালে/কাপড় ব্যবহার

করণীয়:
✅ আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার ও শুকনা রাখুন
✅ বাচ্চার নখ ছোট রাখুন
✅ আলাদা তোয়ালে ও কাপড় ব্যবহার করুন
✅ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন-
❌ নিজে থেকে কখনও স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার করবেন না।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?
⚠️ জ্বর এলে
⚠️ ঘা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
⚠️ চোখের আশেপাশে হলে
⚠️ বাচ্চা খেতে না চাইলে বা দুর্বল হয়ে পড়লে
👨‍⚕️ সময়মতো চিকিৎসা নিলে ইমপেটিগো দ্রুত ভালো হয় এবং অন্যদের মধ্যে ছড়ানোও কমে যায়।
#শিশুর_ত্বকের_সমস্যা

07/05/2026
চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন।
27/04/2026

চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন।

এখন থেকে নিয়মিত মেডিসিন, চর্ম ও শিশু রোগী দেখবেন-জাহিদুল ইসলাম ডিএমএফ (ঢাকা)বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ বিএমডিসি রে...
21/04/2026

এখন থেকে নিয়মিত মেডিসিন, চর্ম ও শিশু রোগী দেখবেন-

জাহিদুল ইসলাম
ডিএমএফ (ঢাকা)
বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ
বিএমডিসি রেজিঃ নং- ডি ১৩৫২৩
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সাবেক)
শিকদার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বাগেরহাট

সময়ঃ শনি-বৃহস্পতি (সকাল ৯ টা-দুপুর ১ টা ও বিকাল ৪ টা-রাত ৯ টা পর্যন্ত)

স্থানঃ পাখিমারা বাজার (উত্তর পাশে), নীলগঞ্জ, কলাপাড়া

আমাদের সেবাসমূহঃস্থানঃ পাখিমারা বাজার, কলাপাড়া
21/04/2026

আমাদের সেবাসমূহঃ
স্থানঃ পাখিমারা বাজার, কলাপাড়া

19/04/2026

এক রোগীর ১২/১৩ দিন যাবত জ্বর। মুখের এন্টিবায়োটিক দুই দফা সেবন করলেন, কমে না। জ্বরের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ব্লাড কালচার, ইউরিন কালচার, বুকের এক্স-রে সব টেস্ট নরমাল। ইনফেকসনের কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বললাম যে এটা Typhoid fever, until proven otherwise. অনেক ক্ষেত্রেই টাইফয়েড রোগীদের টেস্ট করে কিছুই পাওয়া যায় না। কেননা মেডিকেল সাইন্সে অনেক ফ্যালাসি। রক্ত থেকে কালচার করলে উন্নত বিশ্বেই ১০০ জন রোগীর মধ্যে ৪০-৬০ জনের টাইফয়েডের জীবাণু(Salmonella typhi) ধরা পড়ে(৪০%-৬০%), বাকি দের শরীরে জীবাণু থাকা সত্ত্বেও ব্লাড কালচারে ধরা পড়ে না। কষ্টকর পরীক্ষা হাঁড়ের অস্থিমজ্জা থেকে যদি কালচার করা হয় তবে প্রায় ৮০% রোগীর ক্ষেত্রে জীবাণু ধরা পড়তে পারে। আর এন্ডোস্কোপি করে খাদ্যনালীর সিক্রেসন কালেক্ট করে সেখান থেকে যদি কালচার করা হয় তবে জীবাণু ধরা পড়ার সম্ভাবনা আরেকটু বাড়ে।

আর যদি ব্লাড কালচার + হাঁড়ের অস্থিমজ্জা কালচার + খাদ্যনালীর সিক্রেসন কালচার সব একসাথে করা হয় তাহলে ৯০% পর্যন্ত জীবাণু ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। অর্থাৎ মশা মারতে কামান দাগিয়ে ফেলবেন, তারপরেও ১০% ব্যর্থতা থেকে যাবে। সুতরাং সব ধরনের কালচার করেও প্রায় ১০% রোগীর ক্ষেত্রে শরীরে টাইফেয়েডর জীবাণু থাকা সত্ত্বেও ধরা সম্ভব হবে না। তাও এটা হল উন্নত বিশ্বের বই পত্রের কথা (Ref: Harrison 22nd), আমাদের দেশের ক্ষেত্রে তো বলাই বাহুল্য!

প্রথমদিকে যতই বুঝিয়ে বলি, উনাদের ঘুরেফিরে এক কথা, রিপোর্টে তো কিছু ধরা পড়লো না। যাই হোক, শেষমেষ কথা শুনলেন। টাইফয়েডের চিকিৎসা নিয়ে এখন ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ।

আরেক রোগী কে টাইফেয়ডের চিকিৎসা দিলাম। কিন্তু জ্বর তো কমে না। বললাম, টাইফয়েডের ইনজেকসন শুরু করার পরেও ৫ দিন সময় লাগতে পারে জ্বর ছাড়তে। এটা নিজের বানানো নয়, বই পত্রের কথা।
তারপরেও অধৈর্য্য হয়ে যাচ্ছেন রোগী। আল্লাহ রহম করেছেন শেষমেষ ৬ দিনের মাথায় জ্বর ছেড়েছে। এমনকি আরো অদ্ভূত ভয়ংকর বিষয় হল, ধরুন একজন টাইফয়েড এর রোগীর ব্লাড কালচার করার পর জীবাণু ধরা পড়লো এবং উনার শরীরে প্রবেশ করা জীবাণুর বিরুদ্ধে যে এন্টিবায়োটিক কার্যকরী, কালচার সেনসিটিভি রিপোর্ট অনুযায়ী আপনি সেই এন্টিবায়োটিক টাই দিলেন,, রোগীও সঠিক ডোজে ঠিকঠাক এন্টিবায়োটিক ইনজেকসন নিলেন, তারপরেও সেই রোগীর ক্ষেত্রে টাইফয়েড জনিত কমপ্লিকেসন হবার ঝুঁকি আছে, এমনকি জ্বর কিছুদিন ভালো থেকে আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে(Recrudescence), এমনকি সেই রোগী টাইফয়েডের একজন ক্যারিয়ার হয়ে আরো অনেক মানুষ কে টাইয়েডের জীবাণু ছড়িয়ে বেড়াতে পারেন,, যদিও উনি সম্পূর্ণ সঠিক চিকিৎসা সঠিক ডোজে দেয়া হয়েছে। (Ref: Davidson 24th)

এরকম সিচুয়েশনে অনেক সময় রোগীরা আস্থা হারিয়ে ফেলেন, অনেক সময় রোগ ধরার ব্যর্থতা বা, ব্যর্থ চিকিৎসার অভিযোগ তুলতে পারেন এরকম ফ্যালাসির কারণে।

আবার অনেক সময় কিছু মানুষ আছেন যাঁরা সবকিছু নিজেরা জাজ করে তারপর ডিসিশন নিতে চান। কিন্তু মেডিকেল সাইন্সে সবসময় ২+২=৪ হয় না, কিন্তু তাঁরা ২+২=৪ এর মত ক্লিয়ার কাট হিসেব চান বলে বোঝানো কঠিন হয়ে যায়। মনে রাখতে হবে, মানুষ হল পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় জীব, স্রষ্টার সবচেয়ে বিশ্বয়কর সৃষ্টি। একই রোগ ১০ জন মানুষে ১০ রকম ভাবে প্রেজেন্ট করে, একই ঔষধে ১০ রকম ভাবে রিএক্ট করে, তার উপর মেডিকেল সাইন্সে আছে অনেক ফ্যালাসি যেগুলো সবসময় বুঝিয়ে বলা কঠিন!

সেদিনও একজন রোগীকে টাইফয়েডের চিকিৎসা দিলাম। তার আগে ব্লাড কালচার করতে দিলাম এবং বলে + লিখে দিলাম যে, সেনসেটিভিটি ৪০-৬০% উন্নত বিশ্বে। বুঝিয়ে বললাম যে, পুকুরে মাছ আছে কিন্তু আপনি বর্শি ফেললে মাছ নাও আসতে পারে,, তার মানে কিন্তু এই নয় যে - "পুকুরে মাছ নেই"! সুতরাং ব্লাড কালচারে টাইফয়েডের জীবাণু নাও আসতে পারে। অন্যথায় কালচার নেগেটিভ আসলে এই রোগী ভেবে বসবেন যে তিনি ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছেন, টাইফয়েড না থাকা সত্ত্বেও টাইফয়েডের চিকিৎসা পেয়েছেন!

প্রেসক্রিপসনে এটাও লিখে রাখলাম যে, ইনজেকসন শুরু করার পরেও জ্বর কমতে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। না কমলে তখন অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে মুখে বলে দিলাম। তারপরেও শংকায় থাকতে হয়, জ্বরের কারণের শেষ নেই। আমরা প্রথমদিকে কমন কারণ গুলো চিন্তা করি, সেগুলো এক্সক্লুড করতে টেস্ট দেই, সেগুলো মাথায় রেখে চিকিৎসা করি। কিন্তু রিলেটিভলি রেয়ার ডিজিজ হলে ফলোআপ করে স্টেপ বাই স্টেপ আগাতে হয়। কিন্তু রোগীরা ধৈর্য্য রাখতে পারেন না। বার বার ডাক্তার পরিবর্তন করেন।

সময়ের সাথে অনেক টেস্ট করা হয়, অনেক ট্রিটমেন্ট ট্রাই করা হয়, অনেক রোগ এক্সক্লুড হয়ে যায়... টাইম ল্যাপস এর এই বেনেফিট টা শেষ চিকিৎসক পান। পরবর্তী সম্ভাব্য রেয়ার ডিজিজ চিন্তা করতে সুবিধা হয়। এজন্যই উপজেলা লেভেলের রোগীদের কাছে জেলা লেভেলের ডাক্তাররা বেশি ভালো মনে হয়, জেলা লেভেলের রোগীদের কাছে বিভাগীয় লেভেল, বিভাগীয় লেভেলের কাছে ন্যাশনাল লেভেল, এরপর পার্শ্ববর্তী দেশ, এরপর দূরবর্তী দেশ। এক রেয়ার ডিজিজের রোগী এরকম বাংলাদেশ, ভারত শেষ করে সিংগাপুর যাবার পর রোগ ধরা পড়ে। এক রোগী উপজেলা থেকে ২ মাসের জ্বর নিয়ে পিজি তে ভর্তি হয়। পিজি তে ভর্তি হওয়ার পরেই তার মুখে এমন Rash দেখা দেয়, যেটা দেখলে উপজেলার ডাক্তারও বলে দিতে পারবেন যে এটা কী রোগ! এজন্যই মেডিকেল সাইন্সে বলা হয়- Third Doctor is the Best Doctor.

কপি পোস্ট.

Address

Pakhimara, Kalapara
Patuakhali
8640

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম মেডিকেল হল এন্ড চেম্বার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share