25/04/2026
শিশুদের হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত উচ্চ জ্বর, কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং সারা শরীরে লাল র্যাশ বা ফুসকুড়ি নিয়ে প্রকাশ পায়। এটি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। চিকিৎসার জন্য বিশ্রাম, প্রচুর পানি, পুষ্টিকর খাবার এবং প্রয়োজনবোধে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল ব্যবহার করা হয়।
শিশুদের হামের বিস্তারিত লক্ষণ ও করণীয়:
প্রধান লক্ষণ: সংক্রমণের ১০-১২ দিন পর প্রচণ্ড জ্বর (১০৩-১০৪°F), নাক দিয়ে পানি পড়া, শুকনো কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং মুখে বা কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লাল র্যাশ ছড়িয়ে পড়া।
করণীয়:
বিশ্রাম ও তরল খাবার: শিশুকে প্রচুর পানি, ডাবের পানি, এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: জ্বর কমাতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন।
আইসোলেশন: সংক্রমণের তীব্রতা বেশি হওয়ায় আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা (Isolated) রাখা জরুরি ।
পরিচ্ছন্নতা: চোখ ও মুখ নরম কাপড় দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে ।
প্রতিরোধ: হাম প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো সময়মতো হামের টিকা (Measles Vaccine) দেওয়া।
ঝুঁকি: ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই রোগ বেশি হয় এবং সঠিক চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া বা মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন:
যদি বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হয়, অনবরত বমি হয়, পানির শূন্যতা (Dehydration) দেখা দেয়, বা অস্বাভাবিক ঝিমুনি থাকে।
দ্রষ্টব্য: এই তথ্যগুলো সাধারণ সচেতনতার জন্য। যেকোনো জটিলতায় দ্রুত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।