Moon Medha Homeo Clinic

Moon Medha Homeo Clinic Health is the root of all happiness.

⭕হার্নিয়ার হোমিও ঔষধসমূহ⭕🎱Lycopodium- ডান পাশে হার্নিয়া । - গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা । - ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর...
27/12/2025

⭕হার্নিয়ার হোমিও ঔষধসমূহ⭕

🎱Lycopodium
- ডান পাশে হার্নিয়া ।
- গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা ।
- ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর কাঁপে। বিকেলের দিকে সমস্যা বাড়ে।বিকেল চারটা থেকে রাত ৮ টার ভেতর সমস্যা বাড়ে।
-রোগী শীতকাতর।কৃপণ,লোভী,স্বার্থপর।

🎱 Nux Vomica
- বাম পাশে হার্নিয়া ।
- কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত চাপ দেয়ার অভ্যাস ।
-অন্ত্র বের হয়ে পচে যাওয়ার উপক্রম হয়।
-তলপেটে ব্রুইসড বা থেঁতলানো ব্যথা হয়।
- তাড়াহুড়ো, উত্তেজিত স্বভাব।প্রচন্ড রাগী, কটুভাষী।
-রাত জাগা, মদ খাওয়া অভ্যাস।

🎱Calcarea Carbonica
- স্থূল দেহ, সহজে ক্লান্ত হয় ।
- হজম দুর্বল, ঘাম বেশি ।
- শিশুদের হায়াটাস হার্নিয়ায় কার্যকর।
-পেট ব্যথা সহ পেট ফাঁপে।
-রোগী নানান ভয়ে ভীত।
-ডিম, লবণ খাওয়ার অদম্য ইচ্ছা।

🎱 Rhus Toxicodendron
- ভার উত্তোলন কিংবা অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে হার্নিয়া হলে।
-আরাম পায় গরমে বা চলাফেরা করলে।
-রোগী শীতকাতর।
-নরম স্বভাবের, শান্ত মানুষ।

🎱 Bellis Perennis
- পেট বা ইনগুইনাল অঞ্চলে ইনজুরি বা চাপে হার্নিয়া ।
- টান টান ব্যথা থাকে।

🎱Belladonna
-নাভির চারি ধারে সঙ্কোচ বোধসহ নাভি ফুলে ওঠে।
-ব্যথা হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়। সাথে জ্বর থাকে।
-রোগী শীত কাতর, লেবু বা লেবুর জুস পছন্দ করে।

🎱Opium
- অবরুদ্ধ হার্নিয়ায় (Strangulated hernia) ভালো কাজ করে।
- মল বন্ধ থাকে, পেট ফুলে যায়, ব্যথা কম অনুভব হয়।
-মুখমণ্ডল লাল। পেট ফাঁপা। চোখের পাতা অর্ধেক খোলা রেখে ঘুমায়।

🎱Plumbum met
-অন্ত্র মেরুদন্ডের দিকে দড়ি দিয়ে টেনে ধরার মতো ব্যথা। মল বমন।

এছাড়া-Aur,Bryonia,cocculus ind, Lach,Tabacum,Borax,Nitric acid ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

---🛑
- বড় বা জটিল হার্নিয়ায় অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে ।

অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..🍶 (Alloxanum) একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, যা মূলত ডায়াবেটিস ম...
27/12/2025

অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..

🍶 (Alloxanum) একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, যা মূলত ডায়াবেটিস মেলিটাস ও এর জটিলতা—বিশেষ করে -

🚼 অতিরিক্ত তৃষ্ণা,

🚮 ঘন ঘন প্রস্রাব,

♿️ দুর্বলতা, নিউরোপ্যাথি ও প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন রোগ জনিত দুর্বলতা–তে ব্যবহৃত হয়।

হোমিওপ্যাথিতে একে অনেক সময় “Diabetes-এর Homoeopathic Insulin” বলা হয়🎓💖

🆘 এটি ইউরিক অ্যাসিডের ডেরিভেটিভ

[ডেরিভেটিভ হলো এমন পদার্থ, যা অন্য একটি মূল পদার্থ থেকে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপন্ন করা হয়।Alloxan হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ, যা Uric acid (ইউরিক অ্যাসিড) থেকে উৎপন্ন একটি derivative। এটি মূলত গবেষণাগারে প্রাণীদের মধ্যে কৃত্রিমভাবে ডায়াবেটিস সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়।]

❌ মাদার টিঙ্কচার (Q) ব্যবহার করা হয় না (বিষাক্ত হবার কারণে)💔

♨️ ব্যবহৃত শক্তি: 6C, 30C, 200C, 1M..etc

📛 মূখ্য ক্রিয়া (Sphere of Action)

🧠 Pancreas (β-cells)

🩸 Blood sugar regulation

🚽 Urinary system (Polyuria)

🔥 Nerves (Diabetic neuropathy)

➡️ ইনসুলিন নিঃসরণে উদ্দীপক ভূমিকা

➡️ প্রাকৃতিকভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ

➡️ ডায়াবেটিসজনিত দুর্বলতা ও ক্লান্তি হ্রাস

✴️ প্রধান ক্লিনিক্যাল ইন্ডিকেশন

💠 Diabetes Mellitus (Type-2 প্রধানত)

💠 Excessive thirst (Polydipsia)

💠 Frequent urination (Polyuria)

💠 Increased appetite (Polyphagia)

💠 Sugar in urine

💠 Diabetic neuropathy (burning, numbness)

💠 Diabetic nephropathy
(albumin, creatinine ⬆️)

💠 Pancreatic weakness

💠 Juvenile diabetes (supportive)

💠 ➡️ ডায়াবেটিসের 3P (Polyuria, Polydipsia, Polyphagia)-এর ক্লাসিক ঔষধ..

🌐 বিভিন্ন শক্তি ও ব্যবহার
শক্তি
ব্যবহার
🍶6C
প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস, প্যানক্রিয়াস দুর্বলতা, পলিউরিয়া
🍶30C
Type-2 DM, 3P symptoms, দুর্বলতা (সবচেয়ে ব্যবহৃত)
🍶200C
ক্রনিক কেস, নিউরোপ্যাথি, নেফ্রোপ্যাথি
1M
পুরনো জটিল কেস, নার্ভ ড্যামেজ, অন্ধত্বের ঝুঁকি
🔹 গুরুত্বপূর্ণ কম্বিনেশন (সংক্ষেপ)
Type-2 DM:
Syzygium jambo, Gymnema,

Neuropathy:
Acid Phos, Zincum met

Nephropathy:
Serum anguillae,Apocynum

Type-1 (Insulin সহ):
Pancreatinum, Uranium nitricum

🔇 সতর্কতা (Very Important)

⚠️ এলোপ্যাথিক ডায়াবেটিস ঔষধ/ইনসুলিন চলমান থাকলে অবশ্যই চিকিৎসককে খেয়াল রাখতে হবে
⚠️ সুগার নিয়মিত মনিটর করা জরুরি
⚠️ গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহারযোগ্য
⚠️ ডায়েট ও ব্যায়াম অপরিহার্য

📚 রেফারেন্স (Authentic Homoeopathic Sources)

🔰 Dr. J.H. Clarke
📘 A Dictionary of Practical Materia Medica
➡️ Vol-1, Page 154–155
(Alloxan – Diabetes, Polyuria, Pancreatic action)

🔰 William Boericke
📘 Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica
➡️ Page 52
(Alloxan – Diabetes, sugar in urine, excessive thirst)

🔰Burnett, J.C.
📘 Diseases of the Liver & Pancreas
➡️ Page 217–219
(Alloxan in Diabetes & Pancreatic disorders)

🔰H.C. Allen
📘 Keynotes & Characteristics
➡️ Page 48
(Alloxan – marked polyuria & diabetes)

🔰 Murphy, Robin
📘 Lotus Materia Medica
➡️ Vol-1, Page 108
(Alloxanum – diabetic weakness, neuropathy)

শরীরের বিভিন্ন হরমোন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, মেজাজ এবং চাপ নিয়ন্ত্রণ সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে; যেমন ইনসুলিন রক্তে শর...
26/12/2025

শরীরের বিভিন্ন হরমোন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, মেজাজ এবং চাপ নিয়ন্ত্রণ সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে; যেমন ইনসুলিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, গ্রোথ হরমোন দেহের বৃদ্ধি ঘটায়, থাইরক্সিন বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে, এবং অ্যাড্রিনালিন মানসিক চাপে শরীরকে প্রস্তুত করে, যা শরীরকে সচল ও সুস্থ রাখতে অপরিহার্য।
এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ও তাদের কাজ দেওয়া হলো:
** crescimento (Growth Hormone - GH):** দেহের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে, বিশেষত হাড় ও পেশীর।
ইনসুলিন (Insulin): রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, খাবার থেকে পাওয়া শক্তিকে কোষে পাঠাতে সাহায্য করে।
থাইরক্সিন (Thyroxine): বিপাক ক্রিয়া (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে, যা শক্তি উৎপাদন ও শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
অ্যাড্রিনালিন (Adrenaline/Epinephrine): 'ফাইট অর ফ্লাইট' প্রতিক্রিয়ার জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে, হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ায়।
কর্টিসল (Cortisol): মানসিক চাপ মোকাবিলায় সাহায্য করে, বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
ডোপামিন (Dopamine): মেজাজ, আনন্দ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
সেরোটোনিন (Serotonin): মেজাজ, ঘুম ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
টেস্টোস্টেরন (Testosterone) ও ইস্ট্রোজেন (Estrogen): পুরুষ ও মহিলাদের যৌন বৈশিষ্ট্য এবং প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
মেলাটোনিন (Melatonin): ঘুম-জাগরণের চক্র (Sleep-Wake Cycle) নিয়ন্ত্রণ করে।
FSH (Follicle-Stimulating Hormone) ও LH (Luteinizing Hormone): প্রজনন অঙ্গকে নিয়ন্ত্রণ করে, ডিম্বাণু ও শুক্রাণু উৎপাদনে সাহায্য করে।
হরমোনের সাধারণ কাজ:
বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ: শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত শরীরের সব ধরনের বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।
বিপাক নিয়ন্ত্রণ: খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য: প্রজনন অঙ্গের বিকাশ ও কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
মেজাজ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ: মানসিক অবস্থা এবং আবেগের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে।
হোমিওস্ট্যাসিস (Homeostasis): শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য (যেমন রক্তচাপ, তাপমাত্রা, তরল পদার্থ) বজায় রাখে।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নানা ধরনের রোগ (যেমন ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা) সৃষ্টি করতে পারে, তাই এদের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

🛑Vitiligo-এর হোমিও ঔষধসমূহ 🛑🔷Arsenicum Sulphuratum Flavum- শ্বেতী রোগে অন্যতম প্রধান ঔষধ । - ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া সাদা দা...
26/12/2025

🛑Vitiligo-এর হোমিও ঔষধসমূহ 🛑

🔷Arsenicum Sulphuratum Flavum
- শ্বেতী রোগে অন্যতম প্রধান ঔষধ ।
- ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া সাদা দাগ ।
- অল্প পরিসর রোগে ইহা দ্বারা আরোগ্য হয়।
-শ্বেতী রোগে চর্ম হতে মাছের আঁশের মত মরা চামড়া উঠে।

🔷Bacillinum
- পারিবারিক ইতিহাস থাকলে উপকারী
- চামড়ার রঙ সাদা হয়ে যাওয়ার ঝোঁক রোধে সহায়ক।

🔷Sulphur
- গা গরম, চুলকানির প্রবণতা ।
- দাগ ছড়াতে থাকে, চামড়া শুষ্ক ।
- রোগ বারবার ফিরে আসে।
-প্রচন্ড নোংরা, ঘা পাচড়ার ইতিহাস।
-গোসল করতে চায় না,পন্ডিত, যেখানে সেখানে জ্ঞান দেয়।

🔷Thuja Occidentalis
- টিকা নেওয়ার পরে শুরু হওয়া শ্বেতী ।
- অনিয়মিত দাগ, ত্বকে নডিউল,টিউমার বা তিল থাকলে।

🔷Calcarea Carbonica
- মোটাসোটা, থলথলে,সুন্দরী যারা সহজে ভয় পায়।
- সহজে ক্লান্ত হয়, ঠান্ডায় সংবেদনশীল।
-অতিরিক্ত ঘাম।মাথার পিছন সাইড বেশি ঘামে।
-ডিম প্রচণ্ড প্রিয়। এমন রোগীদের শ্বেতী রোগে প্রয়োজন।

🔷Natrum Muriaticum

- মানসিক কষ্ট বা দুঃখের পর, অতিরিক্ত রোদের ভিতর কাজ করে রোগ শুরু ।
- ঠোঁট ও মুখের চারপাশে দাগ বেশি।
-চিকন চাকান রোগী, লবণ প্রিয়, তিতা খাবার প্রিয়।
-পায়খানা কষা। দু একদিন পরপর হয়। এমন রোগীদের শ্বেতী রোগে প্রয়োজন।

🔷Arsenic Alb
-ত্বকের স্থানে স্থানে সাদা দাগ।
-ত্বকে চুলকানি থাকে। দিনরাতের মধ্যভাগে এবং রাতে বৃদ্ধি পায়।
-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রোগী, খুঁতখুঁতে স্বভাবের, নিখুঁত ব্যক্তিত্ব, স্বার্থপর, অতিরিক্ত কৃপণ। এমন রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকরী।

🔷Redium Bromide
-চর্ম পীড়ায় অত্যন্ত চুলকানি ও জ্বালা থাকে। ধবল রোগের ক্ষেত্রে এটা একটা উৎকৃষ্ট ঔষধ।
-রোগী সব সময় লোকজনের মধ্যে থাকতে ভালোবাসে এবং সর্বদা বিপদের আশঙ্কা করে।

🔷Syphilinum
-শ্বেতী বা ধবল রোগীদের পক্ষে এটা বেশ কার্যকরী একটা ঔষধ। রোগী দিনে বেশ ভালো থাকে কিন্তু রাতে তার মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়, উপসর্গ বৃদ্ধি পায়।
-রোগীর কোষ্ঠবদ্ধতা, নিদ্রাহীনতা বহুদিন ধরে চলে।
-রোগী ভুলোমনের, সব কিছু ভুলে যায়।
-বারবার হাত ধোয়া অভ্যাস।

🔷Psoralia cori

-এটার মাদার টিঙ্কচার বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায়।

-🔻🔻হোমিওপ্যাথিতে রোগের কারণ, গঠন, মানসিক অবস্থা অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
তাই শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধৈর্য সহকারে সময়ধরে নিতে হবে।

★★পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

⛔Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ⛔1.★Chelidonium Majus– লিভারের ডান পাশে ব্যথা, ত্বক হলুদাভ।  লিভারের ভিতর দিয়ে পিঠ পর্য...
26/12/2025

⛔Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ⛔

1.★Chelidonium Majus– লিভারের ডান পাশে ব্যথা, ত্বক হলুদাভ। লিভারের ভিতর দিয়ে পিঠ পর্যন্ত সুচ ফোটানোর মত ব্যথা বোধ হয়। জিব্বায় হলদে ময়লা থাকে এবং জিহ্বায় দাঁতের দাগ পড়ে। দুধ খেতে পছন্দ করে বিশেষ করে গরম দুধ।

2. ★Carduus Marianus– লিভারের ফ্যাটি অবস্থা, হজমে সমস্যা । লিভারের স্থানে টাটানি ও ব্যথা উৎপন্ন হয়। লিভার স্থানে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব হয়। মুখের স্বাদ তিতা, গা বমি বমি করে, উদগার উঠে। সাথে পায়খানা কষা।

3.★ Lycopodium – পেট ফোলা, ডান দিকে গ্যাস। মিষ্টি এবং গরম খাবার প্রচন্ড পছন্দ। রাগী এবং প্রতিবাদ করা স্বভাবের। কৃপণ খুব হিসাব করে চলে।

4. ★Phosphorus – লিভার দুর্বলতা, ক্ষুধামান্দ্য । শীতকাতর এবং ঠান্ডা খাবার খুব পছন্দ করে। ঠান্ডা পানি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর বমি করে দেয়। প্রচন্ড সহানুভূতিশীল, প্রাণীর প্রতি খুব দয়া মায়া।

5. ★Nux Vomica – মদ্যপান, অনিয়মিত খাওয়া, হজমে সমস্যা।রাত জাগা, মানসিক পরিশ্রম করা। সেডেন্টারি লাইফ লিড করা। প্রচন্ড বদ রাগী গালিগালাজ করে।
6. ★Cholesterinum
-রোগীর লিভার অত্যন্ত বড়। লিভারে রক্ত সঞ্চয় হয়। প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কোন ব্যথা থাকে না। দ্বিতীয় অবস্থায় জ্বালা জনক ব্যথা হয়।
-হাঁটার সময় ব্যাথার কারণে রোগী পেটে হাত দিয়ে চেপে ধরে।এটা লিভার ক্যান্সারেও ব্যবহার করা হয়।

7.★Merc sol
-এটা লিভার প্রদাহের উৎকৃষ্ট ঔষধ। লিভার বড় ও শক্ত হয়ে ব্যথা হয়।
-রোগী ডানপাশ চেপে শুতে পারেনা।
-জিহ্বা আর্দ্র, থলথলে , দাঁতের ছাপ যুক্ত।
-নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মুখে লালা জমে। প্রচুর পানির পিপাসা।

8.★Bryonia alb
-রোগীর লিভার স্থানে সূচ ফোঁটানো ব্যথা,ফোলা,জ্বালা,টাটানি ব্যথা।
-পেট চাপলে বা নিঃশ্বাস নিলেও ব্যথার বৃদ্ধি। মুখে তিতা স্বাদ।
-ডান স্ক্যাপুলার নিচে ব্যাথা।রোগীর মল অত্যন্ত শক্ত, পোড়া ইটের ঝামার মত কঠিন।
-পানির পিপাসা প্রচুর, অনেকক্ষণ পর পর ঘটি ভরে পানি পান করে।

★ ★এছাড়া লক্ষণ ভিত্তিক যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

26/12/2025

হোমিওপ্যাথিতে ৬ টি মেডিসিন আছে। এই ৬ টি মেডিসিনের রোগীরা হোমিওপ্যাথি বিশ্বাস করে না। মেডিসিন ৬ টি কি কি?
উত্তর :কস্টিকাম,লাইকোপোডিয়াম, নাক্স ভম,নাইট্রিক এসিড,সিপিয়া,হিপার সালফ।

♦️দাউদের জন্য ব্যবহৃত হোমিও ঔষধ♦️⛔Tellurium-পয়সার মতগোলাকার দাউদ।-মাঝখান পরিষ্কার, চারপাশ লাল।-তীব্র চুলকানি। ⛔Sepia-দাউ...
25/12/2025

♦️দাউদের জন্য ব্যবহৃত হোমিও ঔষধ♦️

⛔Tellurium
-পয়সার মতগোলাকার দাউদ।
-মাঝখান পরিষ্কার, চারপাশ লাল।
-তীব্র চুলকানি।

⛔Sepia
-দাউদ বারবার ফিরে আসে
-দাউদ বেশি ঘাম হলে বাড়ে।
-শুষ্ক, মামড়ি পড়ে,হলুদ রস ঝরে।
-প্রতি বসন্তকালে দাউদ দেখা দেয়।
-অল্প বিস্তর জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দাউদ হয়।
-নারী রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।

⛔Sulphur
-লালচে দাউদ
-গরমে ও রাতে চুলকানি বাড়ে।
-দীর্ঘদিনের চর্মরোগে ব্যবহৃত হয়।
-চর্ম রোগের ইতিহাস।
-রোগী নোংরা প্রকৃতির।
-গোসল করতে অপছন্দ।

⛔Arsenicum Album
-জ্বালা ও চুলকানি।
-ঠান্ডায় উপশম, গরমে বাড়ে।
-শুষ্ক দাউদ।
-চুলকাতে চুলকাতে রক্ত বের করে ফেলে।
-খুঁতখুতে, নিখুত ও পরিপাটি স্বভাবের।
-স্বার্থপর, লোভী এবং প্রচুর কৃপণ।

⛔Graphites
-দাউদ ভিজে/আঠালো,মধুর মত চটচটে রস ঝরে।
-ফাটা এবং রুক্ষ ত্বক,।
-মোটা চামড়া,মোটা সোটা রোগী।
-কোষ্ঠকাঠিন্য।
-শীত কাতর,সংগীত, সঙ্গম অপছন্দ।
-মিষ্টি, লবণ অপছন্দ।

⛔Psorinum
-খুব চুলকানি
-চুলকানির জন্য তার হতাশা।
-রাতে ও ঠান্ডায় বাড়ে।
-দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।
-শীত কাতর ও নোংরা প্রকৃতির।

⛔Natrum mur
-দাউদ অনেক জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
-রোদের তাপে, বিছানার গরমে, যে কোন গরমে চুলকানি বাড়ে।
-দাউদে মামড়ি পড়ে।
-পাতলা কষ ঝরে।
-চিকন চিকান রোগী।
-লবন অত্যন্ত প্রিয়।

⛔Tuberculinum
-দাউদ শীতকালে দেখা দেয়।
-অসহ্য চুলকানি,মামড়ি পড়ে।
-পরিবারে যক্ষার ইতিহাস।
-খুব সহজেই সর্দি কাশি লাগে।
-শীতকাতুরে রোগী
-প্রচন্ড রাগী, রাগের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।
-কুকুরের ভয় পায়।
-ভ্রমন করতে ভালোবাসে।

♦️♦️প্রপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

🟩🔶স্থানভেদে আঁচিলের হোমিও ঔষধ🔶🟩🔴ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।🔴চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক...
25/12/2025

🟩🔶স্থানভেদে আঁচিলের হোমিও ঔষধ🔶🟩

🔴ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।
🔴চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🔴চোখের নিচে আঁচিল -সালফার।
🔴নাকে আঁচিল -থুজা, কস্টিকাম।
🔴মুখে আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,
কস্টিকাম,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🔴মুখের কোনে আঁচিল-কন্ডুরাঙ্গো।
🔴জিহ্বায় আঁচিল -অরাম মিউর ন্যাট।
🔴দাড়িতে, থুতনিতে আঁচিল-লাইকোপোডিয়াম।
🔴ঘাড়ে আঁচিল -ক্যালকেরিয়াকার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড।
🔴বাহুতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,কস্টিকাম, নাইট্রিক এসিড, সালফার।

🔴নখের ধারে আঁচিল -কস্টিকাম।
🔴হাতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, নাইট্রিক অ্যাসিড, রাস টক্স।

🔴হাতের তালুতে আঁচিল -নেট্রাম মিউর, এনাকার্ডিয়াম।

🔴আঙ্গুলে অসংখ্য আঁচিল -নেট্রাম মিউর, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কস্টিকাম,ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এসিড, থুজা, সালফার।

🔴বৃদ্ধাঙ্গুলে আঁচিল -ল্যাকেসিস,নেট্রাম মিউর।
🔴লিঙ্গ ত্বকে, লিঙ্গ মুখে, ভিতরে আঁচিল -সিনাবেরিস,ইউক্যালিপ্টাস,নাইট্রিক অ্যাসিড, অ্যাসিড ফস, থুজা,মেডোরিনাম।
🔴মলদ্বারে, পেটে ও উরুতে আঁচিল -নেট্রাম সালফ,নাইট্রিক এসিড,থুজা।
🔴ক্রনিক বা পুরাতন আঁচিল -কষ্টিকাম, নেট্রাম মিওর সালফার, থুজা।

🔴শক্ত বা কঠিন আঁচিল -এন্টিম ক্রুড, নাইট্রিক এসিড, গ্রাফাইটিস, থুজা, সালফার, ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর।

🔴বৃহদাকার আঁচিল -কস্টিকাম, নাইট্টিক এসিড,সিপিয়া,থুজা।

🔴ক্ষুদ্রাকার আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড, থুজা, ল্যাকেসিস, রাস টক্স, সালফার,সার্সাপ্যারিলা।

🔴প্রদাহিত আঁচিল -এমন কার্ব,নাইট্রিক এসিড,কস্টিকাম।

🔴রক্তস্রাব প্রবণ আঁচিল -নাইট্রিক এসিড।
🔴ক্ষুদ্রাকার, ডুমুরের মতো নিরেট, সূচালো আঁচিল -কস্টিকাম।
🔴বৃহৎ দানাযুক্ত, ডুমুরের মতো বা ফুলকপির মত, রক্তবর্ণ আঁচিল -থুজা,নাইট্রিক এসিড।

♦️♦️♦️এছাড়া পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং করে যে মেডিসিন আসবে সেই মেডিসিন প্রয়োগ করবেন।

25/12/2025

কোন কিছু পাওয়ার কতিপয় সূত্র!.......
আমি এখানে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ করছি তা একজন অসুস্থ মানুষের সুস্থ হওয়াসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে কৃতকার্য বা সফলকাম হওয়ার জন্য অপরিহার্য।

১) কোন কিছু পাওয়ার মূল সূত্র হলো, 'লেগে থাকা [ Adherence ] ' লেগে থেকে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে যেতে হবে।

২) কোন কিছু পাওয়ার দ্বিতীয় সূত্র হলো, 'ধৈর্য [ Patience ] ' ধৈর্য ধরে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে যান ফলাফল আসে আসবেই ইনশাআল্লাহ। কারণ ধৈর্যশীলদের পছন্দ করেন।

৩) কোন কিছু পাওয়ার তৃতীয় সূত্র হলো,
' দৃঢ় বিশ্বাস [ Firm belief ] ' হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাচ্ছেন ফলাফল পাবেন এ আশা ও বিশ্বাস অন্তরে থাকা চাই।

৪) কোন কিছু পাওয়ার চতুর্থ সূত্র হলো,' ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী [ Positive Attitude ] ' Be positive, think positive, find positive, have positive. ভাবলে ভালো হয় ভালো, হবেও ভালো ইনশাআল্লাহ। আপনি সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ এ চিন্তা অন্তরে থাকা চাই।

৫) কোন কিছু পাওয়ার পঞ্চম সূত্র হলো,' আত্মবিশ্বাস [ Confidence ] ' আপনি সুস্থ হবেনই ইনশাআল্লাহ এ মনোভাব থাকা চাই।

৬) কোন কিছু পাওয়ার ষষ্ঠ সূত্র হলো,' প্রতিজ্ঞাবদ্ধ [ Committed ] ' আপনি যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তবেই আপনি পাবেনই ইনশাআল্লাহ যা আপনি চান।

৭) কোন কিছু পাওয়ার সপ্তম সূত্র হলো,
' বিভ্রান্ত না হওয়া [ Don't be confounded ] ' আপনি আপনার সমস্যা নিয়ে যার তার সাথে আলাপ করলেন, সমস্যা বললেন আর এতেই আপনি বিভ্রান্ত হলেন। আপনি একমাত্র মহান আল্লাহকে ও চিকিৎসককে সমস্যা বলুন।

৮) কোন কিছু পাওয়ার অষ্টম সূত্র হলো,' বদ্ধমূল ধারণা না থাকা [ Having no root Concept ] ' অনেকেই পেতেও চায় আবার নিজেই হবে না এমন সিদ্ধান্ত দিয়ে দেন। অমুকে বলেছে এ রোগ কখনো ভালো হয় না। অমুক ডাক্তার বলেছে আজীবন ঔষধ খেয়ে যেতে হবে ইত্যাদি।

৯) কোন কিছু পাওয়ার নবম সূত্র হলো,' কোন সন্দেহ না থাকা [ Don't have any confusion ] ' অনেকে ঔষধও খায় আবার মনে মনে সন্দেহ করে, 'রোগটা মনে হয় সারনে না।'

১০) কোন কিছু পাওয়ার দশম সূত্র হলো,' মতবিরোধ না করা [ Avoid Conflict ] ' শিক্ষা ও ডাক্তারের সাথে কখনোই মতো বিরোধ করতে নেই কিন্তু অনেকেই তা করে। যুক্তি প্রদর্শন করে, বিতর্ক করে।

১১) কোন কিছু পাওয়ার একাদশতম সূত্র হলো,' অতীত নিয়ে চিন্তা না করা [ Past thinker ] ' অতীতের ঘটনা না ভোলা, মানুষের সাথে ঘটে যাওয়া ভুল থেকে শিক্ষা না নেয়া, অতিমাত্রায় অতীত নিয়ে ভাবা সুস্থতার অন্তরায়।

১২) কোন কিছু পাওয়ার দ্বাদশতম সূত্র হলো,' সমস্যা নিয়ে সবার সাথে আলাপ না করা [ If discuss with everybody may misleaded ] ' আপনার শারীরিক হউক আর মানসিক হউক কিংবা আর্থিক হউক মানুষের সাথে আলাপ করা চরম ক্ষতিকর। ভুল পরামর্শ পাওয়া যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে।

'আপনি কেন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাবেন' নামক আমার পঞ্চম বইয়ের অংশবিশেষ।
লেখকঃ Dr-Ahmed Moqbul.

এই ছবিটি কোমা ও ব্রেন ডেথের (মস্তিষ্ক-মৃত্যু) মধ্যে পার্থক্যটি সুন্দর ভাবে তুলে ধরে। এই দুই অবস্থার মধ্যে একটি পার্থক্য ...
24/12/2025

এই ছবিটি কোমা ও ব্রেন ডেথের (মস্তিষ্ক-মৃত্যু) মধ্যে পার্থক্যটি সুন্দর ভাবে তুলে ধরে। এই দুই অবস্থার মধ্যে একটি পার্থক্য আছে , সেটি হলো পুনরুদ্ধারযোগ্যতা বা রিভার্সিবিলিটি।

কোমা অবস্থায়, এখনো স্নায়বিক জীবন বিদ্যমান থাকে।

ব্রেন ডেথে, মস্তিষ্কের জীবন আর থাকে না।

কোমায় মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় থাকে, ধ্বংস হয় না। আলো নিভে থাকে, কিন্তু তারের সংযোগ অক্ষত থাকে।

কোমায় যা থাকে:
• EEG-তে বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ
• মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ
• ব্রেনস্টেম রিফ্লেক্স সংরক্ষিত থাকে (চোখের মণি বা কর্নিয়াল রিফ্লেক্স)
• অন্য কোনো বাধা না থাকলে স্বতঃস্ফূর্ত শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে

রোগী সাড়া দেয় না বা যোগাযোগ করতে পারে না, কিন্তু মস্তিষ্ক গঠনগতভাবে জীবিত থাকে। কারণের চিকিৎসা করা গেলে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হতে পারে।

এবার ব্রেন ডেথের দিকে তাকান।

এখানে কোনো রক্তসঞ্চালন নেই, কোনো বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ নেই, কোনো রিফ্লেক্স নেই, শ্বাস নেওয়ার কোনো সাইন ও নেই।

তারের সংযোগই আর নেই। আলো জ্বালানোর মতো কেউ অবশিষ্ট নেই।

ব্রেন ডেথ হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সম্পূর্ণ ও অপরিবর্তনীয় ব্যর্থতা।

এটি গভীর কোমা নয়, ঘুম নয়, বা চরম অচেতন অবস্থাও নয়।

এটি ক্লিনিক্যাল, নিউরোলজিক্যাল এবং আইনি মৃত্যু।

যন্ত্রের সাহায্যে হৃদস্পন্দন চলতে পারে, ভেন্টিলেশনে বুক ওঠানামা করতে পারে—কিন্তু মস্তিষ্ক আর কোনো কাজ করে না।

একবার ব্রেন ডেথ নিশ্চিত হলে, সেই সময়টিকেই মৃত্যুর সময় হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

তারপর থেকে কেবল অঙ্গ সংরক্ষণই সম্ভব হতে পারে।

Address

468 Dorikhorbuna
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moon Medha Homeo Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share