09/08/2026
আজকে জীবনের প্রথম একজন জলাতঙ্কে আক্রান্ত রোগীকে রিসিভ করলাম। ওয়ান ইন লাইফটাইম কেস হয়তো।
দেড় মাস আগে কুকুর কামড়াইছিল। ভ্যাকসিন নেয়নি। পিছিয়ে পড়া হিন্দু জনগোষ্ঠীর দরিদ্রা মহিলা। ভ্যাকসিন তো বিনামূল্যেই দেয়া হয়।
তবুও, ধনী-গরীব অনেকের মাঝেই কাজ করে- কামড়ায় নাই। হালকা আচঁড় দিছে। রক্ত বের হয়নি। আমার পালা কুকুর, বিড়াল। ভালো করে সাথে সাথে ধুয়ে ফেলছি। কুকুর বিড়াল পাগল ছিল না। ইত্যাদি অনেক লজিক।
রোগী রেস্টলেস। গিলতে পারতেছে না। বিশেষ করে লিকুইড। পানি দেখলেও খিঁচুনি হচ্ছে। তিনটা হাসপাতাল থেকে ঘুরে আসছে। কেউ এডমিট নেয়নি। নার্সরা ক্যানুলা করতে রাজি না। যদি আঁচড়, কামড় দেয়। সিএ আইসিইউ তে যোগাযোগ করলো। ডিরেক্টর স্যার আইসিউইতে রোগী রাখতে বলছেন। আইসিইউয়ের নার্সদেরও আপত্তি। রোগীর ক্যানুলা করতে গিয়ে যদি কিছু হয়। এমও বলল, যদি ইনটিউবিসন করতে গিয়ে বাইট লাগে। কি মর্মান্তিক অবস্থা!
এর কারণ হলো, যেসব রোগে একশতভাগ মৃত্যু নিশ্চিত, তার মধ্যে একটা হলো জলাতঙ্ক।
দয়া করে, কুত্তা বিড়াল কামড়ালে ভ্যাকসিন নিন। কুত্তা বিড়াল আপনার রক্তের আপন ভাই বোন হলেও অবহেলা করবেন না।
✒️Dr. Aneeka Hoque Mohua